• Colors: Blue Color

মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন গত শনিবার ওমান উপকূলে অবস্থান করছিল। রণতরিটিকে তখন হরমুজ প্রণালির অভিমুখে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে দেখা যায়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কোপার্নিকাস সেন্টিনেল-২ মিশন এই রণতরির ছবি প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডও (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ কিছু ছবি শেয়ার করেছে। তাদের দাবি, ছবিগুলোতে গত শনিবার সমুদ্রে অবস্থানরত ওই রণতরিটির কার্যক্রম দেখা গেছে।

কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে আরব সাগরে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে দেখা যাচ্ছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে। ৭ মার্চ, ২০২৬
কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে আরব সাগরে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে দেখা যাচ্ছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে। ৭ মার্চ, ২০২৬ছবি: রয়টার্স

ইরানে হামলা শুরু করার আগে ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রেের দুটি বিমানবাহী রণতরির একটি হলো আব্রাহাম লিংকন। বর্তমানে ইরানি উপকূলের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকা একমাত্র মার্কিন রণতরি এটিই।

সূত্র: রয়টার্স

বাহরাইনের প্রধান তেল শোধনাগারের হামলা হয়েছে। হামলার পর তেল শোধনাগারটির দিক থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।

আজ সোমবার প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানায়। হামলার শিকার বাহরাইন পেট্রোলিয়াম কোম্পানিটি দেশটির প্রধান তেল শোধনাগার। এটি দেশটির জ্বালানি খাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান।

প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, সরকারের দিক থেকে প্রথমে বলা হয়েছিল, ইরানি ড্রোন হামলায় তেল শোধনাগারে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। লোকজন আহত হয়েছে। পরে তেল শোধনাগারটি থেকে ঘন ধোঁয়া আকাশে উঠতে দেখা যায়।

হামলার পরে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই তারা চুক্তি অনুযায়ী তেল সরবরাহের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে পারছে না।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইরান সোমবার প্রথম দফায় ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছে।

এ ছাড়া আইআরআইবি একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি প্রকাশ করেছে। এর গায়ে লেখা, ‘আপনার সেবায় প্রস্তুত, সাইয়্যিদ মোজতবা।’

তথ্যসূত্র: বিবিসি

ইরানের জ্বালানি তেলের গুদামে ইসরায়েলি হামলার পর ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেছে রাজধানী তেহরানের আকাশ। আজ রোববার সকালে ঘুম থেকে উঠে শহরটির প্রায় ১ কোটি মানুষ দেখেছেন আকাশ থেকে ঝরছে অদ্ভুত ‘কালো বৃষ্টি’।

রাজধানী তেহরান থেকে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিনিধি ফ্রেড প্লিটজেন এমন পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন।

প্লিটজেন বলেন, ‘আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এই বৃষ্টি, বৃষ্টির পানি আসলে কালো—মনে হচ্ছে এটি তেলে সিক্ত বা মিশ্রিত।’

রয়টার্সের এক ভিডিওতে তেহরানের শাহরান তেল শোধনাগার থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে ওপরে উঠতে দেখা গেছে।

প্লিটজেন আরও বলেন, ‘হামলার পর আজ সকালে ইরানি রাজধানীতে এমন তেলমিশ্রিত বৃষ্টি ঝরছে।’

এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় তারা তেহরানের এমন কিছু জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যেখান থেকে সামরিক খাতসহ বিভিন্ন গ্রাহকদের কাছে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়।

আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এই বৃষ্টি, বৃষ্টির পানি আসলে কালো—মনে হচ্ছে এটি তেলে সিক্ত বা মিশ্রিত।
— ফ্রেড প্লিটজেন, তেহরানে সিএনএনের প্রতিনিধি

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক ভিডিওতে তেহরানের শাহরান তেল শোধনাগার থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে ওপরে উঠতে দেখা গেছে।

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হামলা, যা ইরানের ‘‘সন্ত্রাসী’’ শাসনের সামরিক অবকাঠামোর ক্ষতি আরও গভীর করার ক্ষেত্রে এক বাড়তি পদক্ষেপ।’

সিএনএন

কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় দুই সীমান্তরক্ষী নিহত হয়েছেন। এ হামলার জেরে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আজ রোববারও তারা ‘শত্রুপক্ষীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ প্রতিহত করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সামরিক বাহিনী জানায়, ‘কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রুপক্ষীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করছে।’ ওই এলাকায় যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, তা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে হামলা প্রতিহত করারই ফল বলে জানানো হয়।

কুয়েতের পাশাপাশি সৌদি আরব ও কাতারও আজ নতুন করে হামলার খবর দিয়েছে।

কুয়েতের জাতীয় তেল কোম্পানি ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে তাদের অপরিশোধিত তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।

কুয়েতের সামরিক বাহিনী বলেছে, আজ তারা ‘একঝাঁক শত্রুপক্ষীয় ড্রোনের’ বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে, যেগুলো দেশটির আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরি মোতায়েনের দরকার নেই।

গতকাল শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ কথা বলেন।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতির পর ট্রাম্পের কাছ থেকে এমন বক্তব্য এল।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের দুটি প্রধান বিমানবাহী রণতরির একটি এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসকে পূর্ণ প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রের এককালের মহান মিত্র যুক্তরাজ্য, সম্ভবত সব মিত্রের চেয়ে সেরা, অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে খোঁচা মারেন। লেখেন, ‘ঠিক আছে, প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। আমাদের আর এগুলোর (রণতরি) প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমরা মনে রাখব। আমরা এমন মানুষ চাই না, যারা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যখন আমরা ইতিমধ্যে জিতেছি, তখন যোগ দেয়।’

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব