• Colors: Green Color

অবশেষে এল প্রতীক্ষিত সেই মহেন্দ্রক্ষণ। ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা উঁচিয়ে ধরলেন আলেকসান্দার জভেরেভ। আজ ফ্রেঞ্চ ওপেনের পুরুষ এককের ফাইনালে ইতালির ফ্লাভিও কোবোল্লিকে পাঁচ সেটের লড়াইয়ে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এই জার্মান তারকা। ৪১ বারের চেষ্টায় ২৯ বছর বয়সে প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতলেন জভেরেভ।

কোর্ট ফিলিপ শাতরিঁয়েতে ৪ ঘণ্টা ১৬ মিনিটের এক ম্যারাথন লড়াই দেখল টেনিস বিশ্ব। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় বাছাই জভেরেভ শেষ পর্যন্ত ৬-১, ৪-৬, ৬-৪, ৬-৭ (৫/৭), ৬-১ গেমে জিতেছেন। ।

এই ঐতিহাসিক জয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ  জার্মানদের ৩০ বছরের খরা কাটালেন জভেরেভ। ১৯৯৬ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কিংবদন্তি বরিস বেকারের পর প্রথম জার্মান পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জেতার কীর্তি গড়লেন তিনি। এর আগে তিনবার গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে উঠে রানারআপের ট্রফি নিয়েই বাড়ি ফিরতে হয়েছিল জভেরেভকে।

অন্যদিকে, টুর্নামেন্টের ১০ম বাছাই কোবোল্লির সামনে সুযোগ ছিল দীর্ঘ ৫০ বছর পর প্রথম ইতালীয় পুরুষ হিসেবে ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের ইতিহাস গড়ার। ২৪ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান এর আগে কখনো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের সেমিফাইনালেই খেলেননি, ফাইনাল তো বহুদূরের কথা! সেমিফাইনালে তাঁর প্রতিপক্ষ মাত্তেও আরনাল্দির অসুস্থতার কারণে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সরাসরি ফাইনালে পা রাখেন তিনি।

প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন আলেকসান্দার জভেরেভ
প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন আলেকসান্দার জভেরেভ, এএফপি
 

ম্যাচের দুই খেলোয়াড়কেই স্নায়ুচাপে ভুগতে দেখা গেছে। বিশেষ করে প্রথম সেটে একের পর এক ভুল করে বসেন কোবোলি। তবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী সেটে শেষ পর্যন্ত জভেরেভের অভিজ্ঞতাই ব্যবধান গড়ে দেয়।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কার্লোস আলকারাজের চোটজনিত অনুপস্থিতি এবং ইয়ানিক সিনার ও নোভাক জোকোভিচের বিদায়ের পর ২৯ বছর বয়সী জভেরেভের সামনে গ্র্যান্ড স্লামের খরা কাটানোর এক সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হহয়। সেই সুযোগ শেষ পর্যন্ত লুফে নিলেন জভেরেভ। আজ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অবশ্য সব সময় বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের তিনে থাকা এই জার্মান তারকার হাতে ছিল না। পুরো ম্যাচে ৫৪টি 'আনফোর্সড এরর' করেছেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে ঘুচিয়েছেন 'গ্র্যান্ড স্লাম না জেতা অন্যতম সেরা খেলোয়াড়'-এর অপবাদ।

জভেরেভকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন কোবোল্লি
জভেরেভকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন কোবোল্লি, এএফপি

এর আগে তিনটি ফাইনাল হারের পাশাপাশি ছয়টি কোয়ার্টার ফাইনাল ও সাতটি সেমিফাইনাল থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল জভেরেভকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেদনাদায়ক ছিল ২০২০ সালের ইউএস ওপেনের সেই ফাইনাল। সেবার ডমিনিক থিমের বিপক্ষে প্রথম দুই সেটে এগিয়ে থেকেও এবং চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য সার্ভিস করার সুযোগ পেয়েও শিরোপা হাতছাড়া করেছিলেন জভেরেভ।

ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা থেকে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখানোর সম্প্রচারস্বত্ব কিনছে সরকার। ফিফা থেকে কোনো দরপত্র ছাড়া অর্থাৎ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য এ স্বত্ব কেনা হচ্ছে। এতে মোট খরচ হচ্ছে ৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আগেরবারের চেয়ে এবার খরচ কমল ২৫ কোটি টাকা।

আজ রোববার জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে অর্থনৈতিক বিষয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রথমে বিষয়টির নীতিগত অনুমোদন হয়। এরপর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ফিফা থেকে সরাসরি সম্প্রচারস্বত্ব কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। উভয় বৈঠকেই সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৈঠক শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপন করা এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ১১ জুন শুরু হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে জমজমাট এ আসর। এটি বিশ্বকাপের ২৩তম আসর, যা ২০২৬ সালের ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। উত্তর আমেরিকার কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র—এ তিন দেশের ১৬টি শহরে যৌথভাবে এ আয়োজন করা হচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সূত্র জানা গেছে, বিটিভিতে বিশ্বকাপের সব খেলা দেখানোর জন্য সব ধরনের স্বত্ব কেনা হচ্ছে ৩৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৭ পয়সা দরে হিসাব করে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ঠিক করেছে ৪৭ কোটি ২৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), করসহ এতে মোট খরচ হবে ৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ফলে কোনো ধরনের কেব্‌ল নেটওয়ার্ক বা স্যাটেলাইট সংযোগ ছাড়াই বিটিভিতে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগের বারের অর্থাৎ ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রচারস্বত্ব কিনতে বিটিভি অনেক জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিল। সেবার এ স্বত্ব কেনা হয়েছিল ৯৮ কোটি টাকায়। বিটিভির কাছে তা বিক্রি করেছিল তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোম্পানি।

নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারে বসলেন সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। আর নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাহিম সিনহা। এ ছাড়াও ক্লাব, জেলা ও বিভাগ মিলিয়ে মোট ২৩ জন পরিচালক বিজয়ী হয়েছেন।
রোববার (৭ জুন) মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এই নির্বাচন।
ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে লড়েছেন ১৬ জন। পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন ১২ জন। তারা হলেন— তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম, সাকেফ আহমেদ সালাম।
হেরে যাওয়া প্রার্থীরা হলেন বোরহানুল পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, ফায়াজুর রহমান মিতু এবং ইমরোজ আহমেদ। যেখানে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। এরপর মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট।
ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন । ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোট ছিল ৭৬টি। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।
হেরে যাওয়া ৪ প্রার্থী বোরহানুল পাপ্পু পেয়েছেন ৪০ ভোট, আমজাদ হোসেন ৩২, ফয়জুর মিতু ২৩ ও মেজর ইমরোজ আহমেদ ২০ টি ভোট পেয়েছেন।
একনজরে বিসিবি নির্বাচনের ফলাফল

ক্যাটাগরি ১ (১০ জন)

ঢাকা বিভাগ (২)- সাইদ বিন জামান সৌরভ, এস.এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ
সিলেট বিভাগ (১)- আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
চট্টগ্রাম বিভাগ (২)- মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, মঈন উদ্দিন চৌধুরী কামরু
খুলনা বিভাগ (২)- শান্তনু ইসলাম সুমিত, শফিকুল আলম
বরিশাল বিভাগ (১)- মিজানুর রহমান
রাজশাহী বিভাগ (১)- মীর শাকরুল আলম সীমান্ত
রংপুর বিভাগ (১)- মির্জা ফয়সল আমীন।

ক্যাটাগরি ২ (১২ জন)- (ব্র্যাকেটে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা)

তামিম ইকবাল (৭৩)
সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ (৭২)
ইসরাফিল খসরু- ৭২
মাসুদুজ্জামান- ৭০
ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক- ৬৮
ফাহিম সিনহা- ৬৬
শানিয়ান তানিম- ৬৬
সাকিফ আহমেদ সালাম- ৬৫
আসিফ রব্বানি- ৬৪
মির্জা ইয়াসির আব্বাস- ৬৩
রফিকুল ইসলাম বাবু- ৫৩
প্রফেসর ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম- ৪১

ক্যাটাগরি ৩ (১ জন ) - সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর

উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এবার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পাকাপাকিভাবে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারে বসলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

অনেক জল ঘোলার পর শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ভিসা পেয়েছে ইরান, কিন্তু এবার যোগ হয়েছে নতুন এক ভোগান্তি। যে ভিসায় ইরানের ফুটবলাররা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন, সেটার মেয়াদ মাত্র এক দিন। তার মানে যেদিন ম্যাচ খেলার জন্য ইরানের ফুটবলাররা যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকবেন, সেদিনই তাঁদের যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে কেন্দ্র করে ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভিসা দিলেও খেলোয়াড়েরাই শুধু পেয়েছেন, পাননি ১৫ জন কর্মকর্তা। অবশ্য ইরানের বেজক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় হওয়ার কথা থাকলেও পরে তারা সেটা সরিয়ে নিয়েছে মেক্সিকোতে।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে জটিলতা পুরোপুরি কাটেনি। রোববার মেক্সিকোতে ইরানের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, আগের ভিসার নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ম্যাচের এক দিন আগে এবং অন্য ম্যাচগুলোর দুই দিন আগে ইরানের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করার কথা ছিল। কিন্তু পরে ভিসা দেওয়া হয়েছে কেবল এক দিনের জন্য।

অবশ্য আগের নিয়ম নিয়েই ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর এক ভিডিও বার্তায় দেশটির ফুটবল প্রধান মেহদি তাজ নিজের ক্ষোভটা গোপন করেননি, ‘বিশ্বের আর কোথায় কোনো জাতীয় দল ম্যাচের মাত্র এক দিন আগে প্রবেশের অনুমতি পায়?’ এই পুরো প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, পক্ষপাত, প্রস্তুতির অভাব ও বৈষম্যের দিকে আঙুল তুলেছেন তাজ।

মেক্সিকোতে ইরান দলকে স্বাগত জানাচ্ছে সমর্থকেরা
মেক্সিকোতে ইরান দলকে স্বাগত জানাচ্ছে সমর্থকেরা, এএফপি
 

এখন পর্যন্ত ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়ে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানায়নি।
এবারের বিশ্বকাপে ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে।

বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে থাকা ইরান প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। অন্য দুটি ম্যাচ ২১ জুন বেলজিয়াম আর ২৬ জুন মিসরের বিপক্ষে। রোববার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় ইরান দল পৌঁছেছে মেক্সিকোতে।

গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এবার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পাকাপাকিভাবে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারে বসলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

রোববার (৭ জুন) বিকেলে মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক পদে বিজয়ী হয়েছেন তামিম ইকবাল খান। পরিচালকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। 

পরবর্তীতে নির্বাচনে জয়ী পরিচালকদের ভোটে বিসিবির সভাপতিও হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাহিম সিনহা।

হেরে যাওয়া প্রার্থীরা হলেন বোরহানুল পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, ফায়াজুর রহমান মিতু এবং ইমরোজ আহমেদ। যেখানে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল। 

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। এরপর মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন । ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোট ছিল ৭৬টি। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

হেরে যাওয়া ৪ প্রার্থী বোরহানুল পাপ্পু পেয়েছেন ৪০ ভোট, আমজাদ হোসেন ৩২, ফয়জুর মিতু ২৩ ও মেজর ইমরোজ আহমেদ ২০ টি ভোট পেয়েছেন।

 

গোয়া থেকে

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব