• Colors: Green Color

লা লিগায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচে ঘরের মাঠে দাপট দেখিয়ে জয় তুলে নিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। এতে এক ম্যাচ বেশি খেলে বার্সেলোনাকে টপকে পয়েন্ট টেবিশ শীর্ষে উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ৪-১ গোলে জিতেছে আলভারো আরবেলোয়ার দল। এদিন ম্যাচে পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, একবার করে জালের দেখা পেয়েছেন গার্সিয়া ও ফেদে ভালভের্দে। সফল স্পট কিকে সোসিয়েদাদের একমাত্র গোলটি করেছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

ঘরের মাঠে পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। ট্রেন্ট অ‍্যালেকজ‍্যান্ডার-আর্নল্ডের চমৎকার ক্রসে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন গার্সিয়া। সঙ্গে লেগে থাকা খেলোয়াড়কে এড়িয়ে চলতি বল পা ছুঁয়ে একটু দিক পাল্টে দেন তিনি। ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি সোসিয়েদাদ গোলরক্ষক।

গার্সিয়ার দারুণ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর গতি কমিয়ে দেয় রিয়াল। সে সময় ভালো ফুটবল খেললেও তেমন একটা সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না সোসিয়েদাদ। ২১তম মিনিটে সফল স্পট কিকে সমতা ফেরান ওইয়ারসাবাল। 

ডিফেন্ডার ডিন হাউসেন ডি বক্সে ইয়ানজেল এররেরাকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় সোসিয়েদাদ। চার মিনিট পর স্পট কিক থেকে রিয়ালকে ফের এগিয়ে নেন ভিনিসিয়ুস। ব্রাজিল ফরোয়ার্ডকে ফাউল করাতেই পেনাল্টি পায় রিয়াল। ৩১তম মিনিটে ব‍্যবধান আরও বাড়ান ভালভের্দে। ডি বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন উরুগুয়ের এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব‍্যবধান আরও বাড়ান ভিনিসিউস। ৪৮তম মিনিটে সফল স্পট কিকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তাকেই ফের ইয়ন আরামবুরু ফাউল করায় পেনাল্টি পায় রিয়াল।

৬০তম মিনিটে মাঠে নামেন রিয়াল অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার দানি কারভাহাল। ৬১তম মিনিটে ইয়ন মার্তিনের হেড চমৎকার রিফ্লেক্সে ঠেকিয়ে দেন রেয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। দুই মিনিট পর আইহেন মুনিয়োসের গতিময় শট এগিয়ে এসে শরীর দিয়ে ঠেকান তিনি।

৭০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিলেন গার্সিয়া। তবে গোললাইন থেকে শট ঠেকিয়ে তাকে হতাশ করেন মার্তিন। ৮৪তম মিনিটে রেয়ালের জালে বল পাঠালেও অফসাইডের জন‍্য গোল পায়নি সোসিয়েদাদ।

৬ মিনিট পর একই অভিজ্ঞতা হয় রিয়ালের। আর্দা গিলেরের ফ্রি কিকে হেডে জালে বল পাঠালেও গোল পাননি ভিনিসিয়ুস। তিনি নিজেই অফসাইডে ছিলেন, তাই হয়নি হ‍্যাটট্রিক।

এতে ২৬ ম‍্যাচে রিয়ালের পয়েন্ট ৬০। এক ম‍্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুই নম্বরে।

 

জেতার জন্য দরকার ছিল ১৭৬ রান। দক্ষিণ আফ্রিকা কি না ৪ ওভারেই তুলে ফেলল ৬২ রান। জয়টা তখনই তাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছিল। ১৭ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় তারা। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে তিন ম্যাচের সবগুলোতে জিতে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটেও পৌঁছে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

ঝোড়ো শুরুর পর দক্ষিণ আফ্রিকার রান তাড়াটা আর কঠিন হওয়ার কথা ছিল না এমনিতে। ১৩ বলে ২০ রান করে কুইন্টন ডি কক আউট হলে পঞ্চম ওভারেই অবশ্য তাদের উদ্বোধনী জুটিটা থেমে যায়।
তবে ৪৪ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় আরেক ওপেনার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম প্রোটিয়াদের জয়ে এনে দিয়েই ফিরেছেন ড্রেসিংরুমে।  মাত্র ১৯ বলে ফিফটি করেছেন মার্করাম।

দ্রুততম ফিফটির কয়েকটি রেকর্ডও করেছেন নিজের নামে। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কুইন্টন ডি ককের ২১ বলের ফিফটি ছাড়িয়ে এখন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুততম পঞ্চাশের রেকর্ডটা তাঁরই।

মার্করামের ঝড়ে ভর করে ৭.৩ ওভারেই দলীয় ১০০–ও করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে তৃতীয় দ্রুততম দলীয় ১০০ করার রেকর্ড। এরপর আর কাজটা কঠিন হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য।

শুরুতে ব্যাট করা নিউজিল্যান্ডের রানটা এক সময় ২০০ ছাড়িয়ে যাবে বলেই মনে হচ্ছিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৮৩ রান তুলে ফেলে তারা। ততক্ষণে যদিও ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল।

১৪ ওভারে তাদের রান ছিল ১৩৮। তবে হুট করেই ৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। পরে আর বেশি দূর যেতে পারেনি। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ২৬ বলে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন মার্ক চাপম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো ইয়ানসেন নেন ৪ উইকেট।

বন্ধুর বাড়িতে ভিডিও গেম খেলতে গিয়ে ৯ বছর বয়সী এক ফুটবলপাগল ছেলে প্রথম দেখেছিল ৮ বছরের এক মেয়েকে। চোখে চোখ পড়তেই মনের ভেতর কাঁপন। শুরু হয়েছিল এক চুপচাপ প্রেম, যা পরে গড়ায় পরিণয়ে। আজ ভালোবাসা দিবসে পাঠকদের জন্য লিওনেল মেসি ও আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর দারুণ প্রেমের গল্প।

প্রথম দেখা

গল্পটা শুরু হয়েছিল এক বন্ধুর বাড়িতে।
প্রেমের গল্পগুলো অবশ্য এমনই হয়। বন্ধুর বাড়িতে দেখা, প্রথম দেখাতেই ভালো লাগা, বুকের ধুকপুকানি বেড়ে যাওয়া...শুরুটা এমন ছিল লিওনেল মেসিরও।
১৯৯৬ সালের কথা সেটা। আর্জেন্টিনার রোজারিও শহর। মেসির বয়স তখন ৯। সারা দিন ফুটবল নিয়ে পড়ে থাকা ছেলেটা মাঝেমধ্যে বন্ধু লুকাস স্কাগলিয়ার বাড়িতে যেত ভিডিও গেম খেলতে। এ রকমই এক দিনে মেসি ও স্কাগলিয়া যে ঘরে বসে গেম খেলছিল, সেখানে ঢোকে একটি মেয়ে।
‘তোমাদের কিছু লাগবে?’—জিজ্ঞেস করেছিল মেয়েটা।
‘না’, উত্তর দিয়েছিল স্কাগলিয়া।
মেয়েটা ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মেসি বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কে রে এটা?’
‘আমার কাজিন, আন্তোনেল্লা।’
৯ বছরের মেসি সেই প্রথম দেখেছিল ৮ বছরের আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোকে। সেই দেখাই বদলে দিয়েছিল মেসির দুনিয়া।

বন্ধুর বাড়িতে প্রথম দেখা হয়েছিল মেসি-আন্তোনেল্লার
বন্ধুর বাড়িতে প্রথম দেখা হয়েছিল মেসি-আন্তোনেল্লার, আন্তোনেল্লার ইনস্টাগ্রাম
 

গল্পটা অনেক দিন পরে মেসি নিজেই বলেছেন আর্জেন্টাইন এক টেলিভিশনে, ভালোবাসা দিবসের এক অনুষ্ঠানে। এরপর থেকে নাকি মেসি আরও বেশি যেতে শুরু করেছিলেন স্কাগলিয়ার বাড়িতে। তখন উদ্দেশ্য আর শুধু ভিডিও গেম খেলা নয়, যদি আন্তোনেল্লার দেখা মেলে!
কখনো দেখা হতো, কখনো না। কেউ কেউ এটা টেরও পেলেন। মেসির তখনকার কোচ এনরিকে ডমিঙ্গেজ নাকি একবার স্কাগলিয়ার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘লিওকে দেখলাম তোমাদের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছে, ঘটনা কী?
স্কাগলিয়ার বাবা হেসে উত্তর দিয়েছিলেন, ‘ও আমাদের বের হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা বের হলে ও আমাদের বাড়িতে ঢুকবে। প্রায়ই আসে।’
‘কেন?’
‘আসলে উইকেন্ডে লুকাসের কাজিন আন্তোনেল্লা আসে তো, লিও ওকে খুব পছন্দ করে।’
টের পেয়েছিল হয়তো আন্তোনেল্লাও। নইলে কি আর নিয়ম করে উইকেন্ডে স্কাগলিয়ার বাসায় যেত!

না পাঠানো সেই চিঠি

এখন অবশ্য চিঠির যুগ নয়। তবে মেসির কৈশোরের পৃথিবীতে চিঠির চল ছিল। প্রেমে পড়ে কিশোর মেসিও চিঠি লিখেছিল। একদিন নাকি হোমওয়ার্ক করতে বসে খাতায় আনমনেই লিখেছিল, ‘প্রিয় আন্তোনেল্লা... একদিন তুমি আমার হবে, আমি হব তোমার।’
তবে বরাবরই লাজুক মেসি সেই চিঠি কখনো আন্তোনেল্লাকে পাঠাতে পারেনি।
এই গল্পটাও মেসি নিজেই বলেছেন।

হঠাৎ দূরত্ব

ভালোবাসার গল্পে কিছুটা বিচ্ছেদ, কিছুটা অনাকাঙ্ক্ষিত মোড় না থাকলে কি আর সেটা পূর্ণতা পায়! মেসি-আন্তোনেল্লার গল্পেও এমন বিচ্ছেদ এসেছিল। কিশোর মেসির ফুটবলপ্রতিভার খবর তত দিনে আর্জেন্টিনার রোজারিও ছাড়িয়ে ইউরোপে চলে গেছে। ট্রায়ালে তাঁকে দেখে মুগ্ধ হয়ে হাতের কাছে পাওয়া একটি ন্যাপকিন পেপারেই তাঁর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলে বার্সেলোনা। ১৩ বছরের মেসিকে নিয়ে ২০০০ সালে তাঁর বাবা হোর্হে মেসি পাড়ি জমান বার্সেলোনায়।
বার্সা একাডেমিতে শুরু হলো মেসির নতুন জীবন। মুঠোফোন তখনো সহজলভ্য হয়নি, ইন্টারনেটও না। আন্তোনেল্লার সঙ্গে যোগাযোগের খুব একটা উপায় রইল না মেসির। মাঝেমধ্যে ছুটি কাটাতে রোজারিওতে ফিরলে কখনো দেখা হতো, কখনো না।

মেসি বার্সেলোনায় চলে যাওয়ার পর কিছুদিনের জন্য একা হয়ে গিয়েছিলেন আন্তোনেল্লা
মেসি বার্সেলোনায় চলে যাওয়ার পর কিছুদিনের জন্য একা হয়ে গিয়েছিলেন আন্তোনেল্লাআন্তোনেল্লার ইনস্টাগ্রাম

যেভাবে পুনর্মিলন

২০০৫ সালে আন্তোনেল্লার সবচেয়ে প্রিয় বান্ধবী উরসুলা নটজ এক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যায়। ওই সময়ে আন্তোনেল্লায় মানসিক অবস্থা কী রকম থাকতে পারে, সেটা জানতেন মেসি। বার্সেলোনা থেকে তাই তখন উড়ে গিয়েছিলেন রোজারিওতে, আন্তোনেল্লাকে সান্ত্বনা দিতে! আর্জেন্টিনার ‘প্যারা টি’ সাময়িকীতে পরে আন্তোনেল্লা নিজেই বলেছেন, ওই কঠিন সময়ে মেসির পাশে দাঁড়ানোটা কতটা সাহায্য করেছিল তাঁকে। ওই পুনর্মিলনী বড় ভূমিকা রেখেছিল তাঁদের ভালোবাসার সম্পর্কটা আরও শক্ত করতে।

প্রেম যেভাবে প্রকাশ্যে

মেসি তত দিনে বার্সেলোনায় এবং ফুটবল-দুনিয়ায় নিজের আগমনী বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন। আভাস দিয়েছেন আগামীর মহাতারকা হয়ে ওঠার। আর তারকাদের তো ব্যক্তিজীবনের সবকিছুই গোপন রাখতে হয়। মেসি-আন্তোনেল্লার প্রেম অবশ্য একেবারে গোপন থাকেনি। ২০০৭ সালের দিকে আন্তোনেল্লা নিজেই তাঁর কাছের কয়েকজন বন্ধুকে কথা প্রসঙ্গে জানিয়ে দেন, মেসির সঙ্গে তাঁর হৃদয়ঘটিত ব্যাপারস্যাপার আছে। কিন্তু সেটা গোপন থাকেনি। গুঞ্জন হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সংবাদমাধ্যমে। এর বছর দুয়েক পরে এক সাক্ষাৎকারে মেসি নিজেই বলে দেন, আর্জেন্টিনায় এক মেয়ের সঙ্গে তাঁর অনেক দিনের প্রেম! দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে সংবাদমাধ্যমও নিশ্চিত করে দেয়, রোকুজ্জোই সেই আর্জেন্টাইন মেয়ে।

আন্তোনেল্লাই প্রথম জানিয়েছিলেন, মেসির সঙ্গে তাঁর প্রেম চলছে
আন্তোনেল্লাই প্রথম জানিয়েছিলেন, মেসির সঙ্গে তাঁর প্রেম চলছেআন্তোনেল্লার ইনস্টাগ্রাম

প্রেমের টানে বার্সেলোনায়

ভ্যানিটি ফেয়ার এস্পানা পত্রিকা জানায়, আন্তোনেল্লা সেই সময়টায় আর্জেন্টিনায় ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব রোজারিও থেকে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করে দন্তচিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতকোত্তর শুরু করেছিলেন। তবে ভালোবাসার টানে তিনি তখন পড়াশোনা ছেড়ে মেসির কাছাকাছি থাকার সিদ্ধান্ত নেন। চলে যান বার্সেলোনায়। সেখানে গিয়ে অবশ্য মডেলিং শুরু করেন। ভালো ক্যারিয়ারও গড়েন।

অবশেষে বিয়ে

২০১৭ সালের ৩০ জুন রোজারিও ডাউনটাউনের পুলম্যান হোটেল রূপ নিল উৎসবের মঞ্চে। মেসি ও আন্তোনেল্লা—দুই শৈশবের বন্ধু, দুজন চুপি চুপি ভালোবেসে বড় হওয়া মানুষ শপথ নিলেন—‘যতক্ষণ না মৃত্যু আমাদের আলাদা করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা একে অন্যের সঙ্গে থাকব।’

বিয়ের দিন মেসি ও আন্তোনেল্লা
বিয়ের দিন মেসি ও আন্তোনেল্লাএএফপি

ফুটবলে এই শতাব্দীর অন্যতম আলোচিত সেই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন নেইমার, সুয়ারেজসহ মেসির তখনকার বার্সেলোনা দলের প্রায় সব সতীর্থ, ছিলেন পপ স্টার শাকিরা (যিনি তখন মেসির সতীর্থ জেরার্ড পিকের স্ত্রী) এবং মেসির আর্জেন্টিনা দলের সতীর্থ ও বন্ধুরা। তত দিনে অবশ্য মেসি-আন্তোনেল্লা জুটির দুই ছেলে থিয়াগো (জন্ম ২০১২) ও মাতেও (জন্ম ২০১৫) পৃথিবীতে চলে এসেছে। বিয়ের এক বছর পর ২০১৮ সালে জন্ম নেয় এই দম্পতির তৃতীয় ছেলে চিরো।

আন্তোনেল্লা কী করেন

বার্সেলোনায় মেসির খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায় উরুগুইয়ান তারকা লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে। সেই সূত্রে, ভালো বন্ধু হয়ে ওঠেন মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা ও সুয়ারেজের স্ত্রী সোফিয়া বালবিও। ২০১৭ সালে আন্তোনেল্লা ও সোফিয়া মিলে আর্জেন্টিনার ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড সারকানির জন্য বার্সেলোনায় একটি বুটিক শপ খোলেন। একই সঙ্গে অ্যাডিডাস এবং স্টেলা ম্যাককার্টনির মতো বিখ্যাত কয়েকটি ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন আন্তোনেল্লা। সব মিলিয়ে তিনি নিজেও এখন বড় তারকা। এক্স বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও ইনস্টাগ্রামে আন্তোনেল্লার ৩ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি অনুসারী।

ইনস্টাগ্রামে আন্তোনেল্লার ৩ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি অনুসারী
ইনস্টাগ্রামে আন্তোনেল্লার ৩ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি অনুসারী, আন্তোনেল্লার ইনস্টাগ্রাম

বার্সেলোনার ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি একবার বলেছিলেন, ‘আন্তোনেল্লার অনেক গুণ। ও যেভাবে প্রতিদিনের কাজ সামলায়, সেটার প্রশংসা করতেই হবে। সব সময় হাসিখুশি থাকে এবং প্রতিদিনের সমস্যাগুলোকে খুব ভালোভাবে সামলায়। সে খুব বুদ্ধিমান এবং সব দিক থেকেই দারুণ।’

এখন দুজনের জীবন

বার্সেলোনা ছেড়ে মেসি ২০২১ সালে পাড়ি জমান প্যারিসে। নতুন সেই শহরে মেসি পরিবারের মানিয়ে নিতে খুব বেশি সমস্যা হয়নি, কারণ আন্তোনেল্লা দারুণভাবে সব সামলেছেন। মেসির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন, ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের সময় আন্তোনেল্লা কীভাবে পাশে ছিলেন, সেটা তো সারা বিশ্বই দেখেছে।
২০২৩ সালের গ্রীষ্মে মেসি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের দল ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর শুরু হয় নতুন শহরে মেসি পরিবারের নতুন অধ্যায়। সেই জীবন কতটা আনন্দময়, সেটা যাঁরা মেসি বা আন্তোনেল্লাকে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন, তাঁরা তো জানেনই।

 

লিওনেল মেসি যখন ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন, তখন থেকেই কথাটা বেশ পরিচিত হয়ে ওঠে—‘মেসি-ম্যানিয়া’। তবে এই উন্মাদনা যে কেবল গ্যালারিতে হইহুল্লোড় আর জার্সি বিক্রিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা বোধ হয় খোদ ক্লাবমালিক ডেভিড বেকহামও ভাবেননি।

মেসির ছোঁয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের খেলার জগৎটাই যেন রাতারাতি বদলে গেছে। গ্যালারিতে সাধারণ দর্শকের পাশাপাশি হলিউড তারকাদের উপচে পড়া ভিড়ই বলে দিচ্ছিল, ফুটবল এখন আর সেখানে কেবল ‘সকার’ নেই, বরং বিনোদনের বড় অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে।

মাঠ ও মাঠের বাইরে গত আড়াই বছর আমেরিকায় চলেছে মেসির একক রাজত্ব। যে ক্লাব আগে কখনো শিরোপার মুখ দেখেনি, আর্জেন্টাইন অধিনায়কের হাত ধরে তারা জিতেছে তিনটি ট্রফি।

এর মধ্যে আছে ২০২৫ সালের এমএলএস কাপও। মাঠের এই সাফল্যের জোয়ার লেগেছে ক্লাবের সিন্দুকেও। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের লিগের ৩০টি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে সবচেয়ে দামি বা মূল্যবান দলে পরিণত হয়েছে ‘দ্য হেরনস’–খ্যাত ইন্টার মায়ামি।

ক্রীড়া অর্থনীতিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম স্পোর্তিকোর হিসাব বলছে, ২০২৬ মৌসুম শুরু করার সময় ইন্টার মায়ামির আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ১৪৫ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বেশি! মায়ামির এই ঝড়ে শীর্ষ স্থান হারিয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি। ১৪০ কোটি ডলার মূল্য নিয়ে তারা এখন তালিকার ২ নম্বরে।

এমএলএস কাপের ট্রফি নিয়ে মায়ামির উদযাপন
এমএলএস কাপের ট্রফি নিয়ে মায়ামির উদযাপনএএফপি

গত এক বছরে ইন্টার মায়ামির বাজারমূল্য বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ। মূলত এই ‘লাফ’ দিয়েই তারা ক্যালিফোর্নিয়ার দলটিকে টপকে গেছে। লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৯ শতাংশ। তাই মায়ামির গতিবেগের সঙ্গে তারা কুলিয়ে উঠতে পারেনি।

মায়ামির এই ফুলেফেঁপে ওঠার পেছনে শুধু মেসির পায়ের জাদু নয়, কাজ করেছে ক্লাবের বড় পরিকল্পনাও। এ বছরই ক্লাবটি তাদের নতুন স্টেডিয়াম উদ্বোধন করতে যাচ্ছে। আধুনিক এই অবকাঠামো ক্লাবের সম্পদে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

মূল্যমানের বিচারে শীর্ষ পাঁচ দলের বাকিরা হলো লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি (১১৭ কোটি ডলার), আটলান্টা ইউনাইটেড (১১৪ কোটি ডলার) এবং নিউইয়র্ক সিটি এফসি (১১২ কোটি ডলার)।

সব মিলিয়ে এমএলএসের ৩০টি ক্লাবের গড় মূল্য এখন ৭৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ২০২১ সালে যখন স্পোর্তিকো প্রথম এই মূল্যায়ন শুরু করেছিল, তার চেয়ে বর্তমানে মূল্য বেড়েছে ৩৯ শতাংশ। সব ক্লাব মিলিয়ে লিগের মোট সম্পদ এখন প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ফুটবলের এত রমরমা দশা হলেও দেশটির অন্য জনপ্রিয় লিগগুলোর তুলনায় তা এখনো বেশ কম। এনএফএল বা এনবিএর মতো লিগের দলগুলোর সম্পদের পাহাড়ের কাছে এমএলএস এখনো অনেক পিছিয়ে।

লিওনেল মেসির জাদুতেই বদলে গেছে মায়ামি
লিওনেল মেসির জাদুতেই বদলে গেছে মায়ামি, রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের বড় ৫টি লিগের মোট ১৫৪টি দলের তালিকা করলে ইন্টার মায়ামির অবস্থান হয় ১১৬তম। এই তালিকার শীর্ষে থাকা এনএফএলের দল ডালাস কাউবয়েসের মূল্য ১ হাজার ২৮০ কোটি ডলার। বাস্কেটবল–দুনিয়ার গোল্ডেন স্টেট ওয়ারিয়র্সের মূল্য ১ হাজার ১৩৩ কোটি ডলার।

সব হিসাব-নিকাশ শেষে মাঠের লড়াই শুরুর পালা। ২১ ফেব্রুয়ারি পর্দা উঠবে ২০২৬ এমএলএস মৌসুমের। উদ্বোধনী ম্যাচেই মুখোমুখি হবে তালিকার সেরা দুই ‘ধনী’ দল। লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির মাঠেই আতিথ্য নেবে মেসির ইন্টার মায়ামি।

আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পর্দা উঠতে যাচ্ছে নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টের। এই আসরকে সামনে রেখে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ফাহিমা খাতুনকে অধিনায়ক করে শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

ঘোষিত এই দলে অধিনায়ক ফাহিমার সঙ্গে থাকছেন শামীমা সুলতানা, ইশমা তানজিম ও লতা মণ্ডলের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। এ ছাড়া দলে ডাক পেয়েছেন রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, শারমিন সুলতানা, ফারিহা ইসলাম, সানজিদা আক্তার মেঘলা ও তাজ নেহার।

অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে বাংলাদেশ ‘এ’ দলে জায়গা করে নিয়েছেন উদীয়মান তারকা সাদিয়া আক্তার। অন্যদিকে, সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্রাত্য থাকা জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা আবারও দলে ফিরেছেন। তাকে বাদ দেওয়া নিয়ে ক্রিকেট পাড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হলেও, এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আবারও নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

টুর্নামেন্টে ‘বি’ গ্রুপে লড়বে বাংলাদেশ। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ও স্বাগতিক থাইল্যান্ড।

বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বাগতিক থাইল্যান্ডের সঙ্গে খেলবেন বাংলাদেশের মেয়েরা। ১৮ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের স্কোয়াড: ফাহিমা খাতুন (অধিনায়ক), শামীমা সুলতানা, ইশমা তানজিম, রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, শরিফা খাতুন, শারমিন সুলতানা, ফারিহা ইসলাম, সাদিয়া আক্তার, ফারজানা ইয়াসমিন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, তাজ নেহার, লতা মণ্ডল, সুমাইয়া আক্তার এবং ফাতেমা জাহান।

স্ট্যান্ডবাই– দিশা বিশ্বাস, মিষ্টি রানী সাহা, হালিমাতুল সাদিয়া এবং হাবিবা ইসলাম পিংকি।

নিজেদের দাবিতে অটল থেকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা করবে না আইসিসি। উল্টো বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই আরও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বাগতিক করা হবে বাংলাদেশকে। আজ আইসিসির দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তান ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত জানানোর পর গতকাল আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভা হয়। আজ রাতেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে পাকিস্তানকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এরপরই আইসিসি বাংলাদেশকে নিয়ে হওয়া এসব সিদ্ধান্তের কথা জানাল।

আইসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পিসিবি ও বিসিবির সঙ্গে বৈঠক হয়েছে তাদের। সেখানে এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রিকেটের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের না থাকাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক অনুপস্থিতি’ বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে আইসিসি। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর নিরাপত্তাসংকটের কারণে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় খেলতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আইসিসি তাতে রাজি না হওয়ায় বিশ্বকাপই খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের।

রোববার রাতে লাহোরে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজার (বাঁ থেকে প্রথম) সঙ্গে বৈঠক করে পিসিবি ও বিসিবি
রোববার রাতে লাহোরে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজার (বাঁ থেকে প্রথম) সঙ্গে বৈঠক করে পিসিবি ও বিসিবি

আইসিসি জানিয়েছে, গর্ব করার মতো ক্রিকেট ঐতিহ্য এবং বৈশ্বিক ক্রিকেট বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বাংলাদেশের। ২০ কোটির বেশি সমর্থক নিয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রাণবন্ত ক্রিকেট বাজারে ক্রিকেটের বিকাশে তারা তাদের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করায় বাংলাদেশের ক্রিকেটে কোনো দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব যেন না ফেলে, সেটিও দেখবে আইসিসি।

কোনো শাস্তি হবে না

পরে দুটি বিষয়ের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছে বিসিবি। বিশ্বকাপ না খেলায় বিসিবির ওপর বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কোনো আর্থিক, খেলা নিয়ে অথবা প্রশাসনিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে যাওয়ার অধিকার রাখে। আইসিসির বর্তমান বিধিমালার আওতায় এই অধিকার বিদ্যমান এবং তা অক্ষুণ্ন থাকবে।

বাড়তি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আয়োজক স্বত্ব

এ ছাড়া আইসিসির সঙ্গে বিসিবি ও পিসিবির সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০৩১ সালের বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে, যা আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি এবং পরিচালনাগত শর্তাবলির অধীন থাকবে। ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা বাংলাদেশের।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী সনযোগ গুপ্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, ‘টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তবে এটি বাংলাদেশকে একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে পরিবর্তন করবে না। বিসিবিসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা দেশটির ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করার দিকে মনোনিবেশ করে যাচ্ছি।’

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব