• Colors: Green Color

পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেটে ৫৪ রান। টি-টুয়েন্টির পাওয়ার প্লেতে ওভারপ্রতি ৯ রানকেও আজকাল কম মনে হয়। তবে তিরুবনন্তপুরমে আজ ভারত সেখান থেকেই কিনা পৌঁছে গেল ২৭১ রানে। এরপর নিউজিল্যান্ডকে ২২৫ রানে অলআউট করে সিরিজে পঞ্চম টি-টুয়েন্টিটা ভারত জিতে গেল ৪৬ রানে। তাতে ৫-ম্যাচের সিরিজটা ৪-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শেষ করল সহ স্বাগতিকেরা।

দুই দল মিলে ম্যাচে রান করেছে ৪৯৬। যা আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। নিউজিল্যান্ড রান তাড়ায় আর ২২টি রান বেশি করলেই ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের গড়া ৫১৭ রানের রেকর্ড ভেঙে যেত।

ব্যাট হাতে আজ আগুন ঝরিয়েছেন ঈশান কিষান। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছেন কিষান, করেছেন ৪৩ বলে ১০৩ রান। প্রায় আড়াই বছর পর ভারতের টি-টুয়েন্টি দলে ফেরা কিষান ছক্কা মেরেছেন ১০টি।

৮০ রান করেছেন নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন
৮০ রান করেছেন নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন, এএফপি
 

তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে ৫৮ বলেই ১৩৭ রান যোগ করেন কিষান। ৩০ বলে ৬৩ রান করে সূর্যকুমারের বিদায়ের পর হার্দিক পান্ডিয়াকে (১৭ বলে ৪২) নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ১৮ বলে ৪৮ রান যোগ করেন কিষান।

রান তাড়ায় প্রথম ওভারে ১৭ রান তুললেও ওভারের শেষ বলে টিম সাইফার্টকে হারায় নিউজিল্যান্ড। এরপর রাচিন রবীন্দ্রকে নিয়ে ঝড় তোলেন ফিন অ্যালেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৮ ওভারেই ১০০ রান যোগ করেন দুজন। ৩৮ বলে ৮০ রান করে অ্যালেনের বিদায়ের পর আর আস্কিং রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। শেষ দিকে ইশ সোধি ১৫ বলে ৩৩ রান করে শুধু ব্যবধানই কমিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে প্রথমবার ৫ উইকেট পেয়েছেন ভারতের পেসার অর্শদীপ সিং
আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে প্রথমবার ৫ উইকেট পেয়েছেন ভারতের পেসার অর্শদীপ সিং, এএফপি
 

ভারতীয় পেসার অর্শদীপ সিং ৫ উইকেট পেলেও ৪ ওভারে দিয়েছেন ৫১ রান। ৭৬ ম্যাচের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারে এই প্রথম ৫ উইকেট পেলেন এই বাঁহাতি পেসার।

চার বছরের অপেক্ষার অবসান হলো ইয়েলেনা রিবাকিনার। ২০২২ সালের উইম্বলডন জয়ের পর আবার গ্র্যান্ড স্লাম জিতলেন কাজাখস্তানের টেনিস তারকা। আজ মেলবোর্নের রড লেভার অ্যারেনায় শীর্ষ বাছাই আরিনা সাবালেঙ্কাকে ৬-৪, ৪-৬, ৬-৪ গেমে হারিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম জিতলেন মস্কোয় জন্ম নেওয়া পঞ্চম বাছাই রিবাকিনা। সাবালেঙ্কা টানা দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে হারলেন।

ফাইনালে ফেবারিট তকমাটা বরাদ্দ ছিল আরিনা সাবালেঙ্কার জন্যই। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস বলছিল ইয়েলেনা রিবাকিনা কঠিন প্রতিপক্ষই শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কার জন্য। সাবালেঙ্কা ৮-৬ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও দুজনের সর্বশেষ ৯ লড়াইয়ে টানা দুবার জিততে পারেননি কেউ। এক ম্যাচ রিবাকিনা জেতেন তো, পরের ম্যাচে সাবালেঙ্কার জয়। এই হিসাব মেনে চললে এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সাবালেঙ্কারই জয়ের কথা। তবে সেই ধারা ভাঙলেন রিবাকিনা। সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে জিতে গেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন।

ম্যাচের পর পরস্পরকে আলিঙ্গনে বাঁধলেন আরিনা সাবালেঙ্কা ও ইয়েলেনা রিবাকিনা
ম্যাচের পর পরস্পরকে আলিঙ্গনে বাঁধলেন আরিনা সাবালেঙ্কা ও ইয়েলেনা রিবাকিনা, এএফপি
 

২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেই এই রিবাকিনাকে হারিয়ে প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছিলেন সাবালেঙ্কা। তিন বছর পর ‘প্রতিশোধ’ নিয়ে নিলেন রিবাকিনা। টানা চার বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠা সাবালেঙ্কা হারলেন সর্বশেষ টানা দুই ফাইনালে।

আজ রিবাকিনা শুরুই করেছিলেন সাবালেঙ্কার সার্ভিস ব্রেক করে। এরপর নিজের সার্ভিসগুলো ধরে রেখে ৩৭ মিনিটেই প্রথম সেটটি ৬-৪ গেমে জিতে নেন ২৬ বছর রিবাকিনা।

ম্যাচের প্রথম গেমেই সাবালেঙ্কার সার্ভিস ব্রেক করেন রিবাকিনা
ম্যাচের প্রথম গেমেই সাবালেঙ্কার সার্ভিস ব্রেক করেন রিবাকিনাএএফপি

দ্বিতীয় সেটে প্রথম আট গেমে যাঁর যাঁর সার্ভিস ধরে রাখেন দুজন। ১০ নম্বর গেমে রিবাকিনার সার্ভিস ব্রেক করে সেটটা ৬-৪ গেমে জিতে নেন সাবালেঙ্কা।

সাবালেঙ্কা রিবাকিনার সার্ভিস ব্রেক করেছেন তৃতীয় সেটের দ্বিতীয় গেমেও। তবে এই সেটেই সাবালেঙ্কার সার্ভিস ব্রেক করে ৩-০ গেমে এগিয়ে যান রিবাকিনা। এরপরই অবশ্য খেই হারিয়েছেন সাবালেঙ্কা। টানা দুই গেমে সার্ভিস ব্রেক করে উল্টো ৫-৩ গেমে এগিয়ে যান রিবাকিনা। সাবালেঙ্কা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি।

সেমিফাইনালে খেলার আশা বাংলাদেশের যুবাদের শেষ হয়ে গিয়েছিল আগেই, আজকের ম্যাচ থেকে তাই পাওয়ার কিছু ছিল না আজিজুল হাকিমদের। তবু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপের এই ম্যাচে ৭৪ রানের বড় জয়ই পেয়েছেন তাঁরা।

‘বি’ গ্রুপে তিন ম্যাচের মধ্যে ভারতের বিপক্ষে হার, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত আর যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল। কিন্তু বিপত্তি বাধে বাংলাদেশ যে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে জিতেছিল, তারা সুপার সিক্সে না ওঠায়। নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিপক্ষে জেতা ম্যাচের পয়েন্ট যোগ হয়নি।

মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে সুপার সিক্সে ওঠে বাংলাদেশ। এই পর্বের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব–১৯ দলের কাছে হেরে যাওয়ার পরই শেষ হয়ে যায় তাদের সেমিফাইনালের সম্ভাবনা। আজ হারারেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি তাই হয়ে যায় শুধু আনুষ্ঠানিকতা।

টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৫৯ রান করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল। এবারের বিশ্বকাপে ৪ ম্যাচে নিজের তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া অধিনায়ক আজিজুল হাকিম ৮৭ বলে ৫৯ রানে আউট হন।

এরপর বাকি ব্যাটসম্যানরাও তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ৬৮ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন রিজান হোসেন।

রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই ইকবাল হোসেনের তোপের মুখে পড়া জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব–১৯ দল ইনিংসের ৮ বল বাকি থাকতেই ১৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।

শুরুর ধাক্কাটা তাদের দিয়ে দেন বাংলাদেশের পেসার ইকবাল হোসেনই। ১০ ওভারের তিনটি মেডেনসহ মাত্র ২৪ রান দিয়ে তিনি ৫ উইকেট তুলে নেন। ৮৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে আরও বড় হারের শঙ্কায় ছিল জিম্বাবুয়ের যুবারা।

তবে দলের হাল ধরেন সিমবারাসে মুডজেনগেরেরের। তাঁর ব্যাটে আসে ১৭১ বলে ৭০ রান আসে। তবে জিম্বাবুয়ের হারের ব্যবধানটাই কেবল কমাতে পেরেছেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল: ৫০ ওভারে ২৫৩/৯ (আজিজুল ৫৯, রিজান ৪৭, জাওয়াদ ২৫; তাতেন্দা চিমুগোরো ২/৪৯)।

জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব–১৯ দল: ৪৮.৪ ওভারে ১৭৯/১০ (মুডজেনগেরের ৭০, সেল্টন ৪২; ইকবাল ৫/২৪, ফাহাদ ৩/৩৯)।

ফল: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল ৭৪ রানে জয়ী।

ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩২৫ রান করে প্রথম শেষ করেছে ইংল্যান্ড। মিচেল স্টার্কের ৬ উইকেট শিকারের দিনে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছে জো রুট।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) গোলাপি বলের দিবা রাত্রির টেস্টে দারুণ সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডের ওপেনিং জুটিকে দাড়াতেই দেয়নি মিচেল স্টার্ক। প্রথম ওভারের শেষ বলে বেন ডাকেটকে সাজঘরের পথ দেখান এই পেসার।

স্টার্কের তোপের মুখে দাড়াতে পারেনি ওলি পোপ। বোল্ড হয়ে শুন্য রানে একই পথে হাটেন এই ব্যাটার। ৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ১১৭ রানের জুটি গড়েন জ্যাক ক্রাওলি ও জো রুট।

৭৬ রান করে নেসেরের বলে আউট হন ক্রাউলি। ফিফটি হাঁকান জো রুটও। স্টার্কের তৃতীয় শিকার হয়ে ফিরেছেন হ্যারি ব্রুক। দুর্দান্ত এক থ্রোতে বেন স্টোকসকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন জশ ইংলিস।

এরপরই জেমি স্মিথের স্টাম্প উপড়ে দিয়েছেন বোল্যান্ড। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন জো রুট। দিন শেষে অপরাজিত থাকেন ১৩৫ রানে। আর ৬ উইকেট শিকার করে ওয়াসিম আকরামকে ছাড়িয়ে গেছেন মিচেল স্টার্ক।

আইপিএলের মিনি নিলামের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই তারকা সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। আইপিএলের নিলামে বিদেশি ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ভিত্তি মূল্য দুই কোটি রুপি। সেই ক্যাটাগরিতে আছেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। সাকিব আল হাসান আছেন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে। 

এই অলরাউন্ডারের ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে ১ কোটি ভারতীয় রুপি। আগামী ১৬ ডিসেম্বর আবুধাবিতে হবে আইপিএলের নিলাম। ১৩ পৃষ্ঠার লম্বা তালিকায় আছে মোট ১ হাজার ৩৫৫ জন ক্রিকেটারের নাম। 

তবে, কেবল ফ্রাঞ্চাইজিদের আগ্রহ আছে এমন ক্রিকেটারদের নাম ডাকা হবে অকশনে। সাকিব, ফিজের সাথে তালিকায় আছেন স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, লিয়াম লিভিংস্টোন, ড্যারিল মিচেল, আনরিখ নর্খিয়া, পাথিরানা, মাহিশ থিকশানা, হাসারাঙ্গার মতো তারকারা।

সবশেষ ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে ভারতকে তাদের মাটিতে টেস্টে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তার ঠিক ২৫ বছর পর আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) আবার ভারতকে তাদের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করল প্রোটিয়ারা।

টেম্বা বাভুমার নেতৃত্বে গুয়াহাটি টেস্টের পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় সেশনে ভারতকে ৪০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ২৫ বছর পর সিরিজ জয়ের পাশাপাশি হোয়াইটওয়াশ করার রেকর্ডও গড়ল টেস্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

ভারতকে অবশ্য ৫৪৯ রানের অসম্ভব টার্গেট ছুড়ে দিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই রান তাড়া করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ২৭ রান তুলে চতুর্থ দিন শেষ করেছিল ভারত। এতো বড় টার্গেট তাড়া করে জেতা ছিল অসম্ভব। তবে পুরো দিন ব্যাটিং করে হার এড়ানো ছিল সম্ভব। কিন্তু সেটাও করতে পারল না স্বাগতিকরা। পুরো দুই সেশনও ব্যাটিং করতে পারল না পান্তের নেতৃত্বাধীন ভারত দল। 

শেষ দিন ২ উইকেটে ২৭ রান নিয়ে খেলা শুরু করেছিল ভারত, তাদের হাতে ছিল ৮ উইকেট। কিন্তু প্রথম সেশনের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সিমন হারমার জোড়া আঘাত হানেন। এক ওভারেই তিনি কুলদীপ যাদব ও ধ্রুব জুরেলকে বিদায় করেন।

এরপর ঋশাভ পান্তকেও মাঠছাড়া করে হারমার ভারতকে প্রতিরোধ গড়ার আগেই ভেঙে দেন। যদিও সাই সুদর্শন ও রবীন্দ্র জাদেজার কঠিন প্রতিরোধে ভারত কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা জাগায়। প্রথম সেশন শেষে সুদর্শন ১৩৮ বলে ১৪ রানে এবং জাদেজা ৪০ বলে ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

দ্বিতীয় সেশনের পঞ্চম বলেই এই জুটি ভেঙে যায়। সেনুরান মুথুসামির বলে এজ হয়ে এইডেন মারক্রামের হাতে ক্যাচ দেন সুদর্শন। তিনি ১৩৯ বলে ১৪ রানে ফেরেন। এরপর ওয়াশিংটন সুন্দর ও জাদেজা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন ম্যাচ বাঁচানোর। কিন্তু হারমারের বলে মারক্রামকে ক্যাচ দেন ওয়াশিংটন। 

এই ক্যাচ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকান ফিল্ডার এইডেন মারক্রাম এক টেস্ট ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯ ক্যাচ নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন এবং ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আজিঙ্কা রাহানের গড়া কীর্তিকে ছাড়িয়ে যান। এটি ছিল হারমারের পঞ্চম উইকেট। পরের ওভারে প্রোটিয়া স্পিনারের ষষ্ঠ শিকার হন নিতিশ রেড্ডি। একাই লড়ছিলেন জাদেজা। 

শেষ পর্যন্ত তিনি ফিফটি গড়েও টিকতে পারেননি। বাকি দুটি উইকেট ভারত হারিয়েছে পরের ওভারে। কেশব মহারাজের জোড়া শিকার হন জাদেজা (৫৪) ও শেষ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ সিরাজ, যাকে মার্কো জানসেন এক অবিশ্বাস্য ক্যাচে আউট করেন। ম্যাচে হারমার ২৩ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ছয় উইকেট নেন, এবং পুরো টেস্টে তার উইকেট সংখ্যা ছিল ৯টি।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব