• Colors: Green Color

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল তৃতীয় সন্তানের বাবা হয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে তার পরিবারে জন্ম নিয়েছে একটি পুত্রসন্তান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুখবরটি নিজেই জানিয়েছেন দেশের ক্রিকেটের এক সময়ের জনপ্রিয় এই তারকা ক্রিকেটার। নবজাতক সন্তানকে মহান আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত ও রহমত উল্লেখ করে আশরাফুল তার অনুভূতি প্রকাশ করেন।

তিনি লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ! আজ রাত ১০:৩৫ মিনিটে মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের পরিবারে আরেকটি পুত্র সন্তান দান করেছেন। প্রথমে একটি কন্যাসন্তান, তারপর একটি পুত্রসন্তান, আর আজ আবার একটি পুত্রসন্তানের বাবা হওয়ার সৌভাগ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।

[caption id="attachment_274675" align="alignnone" width="623"] ফেসবুকে মোহাম্মদ আশরাফুল[/caption]

আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, আল্লাহর এই অগণিত নিয়ামতের জন্য আমি আল্লাহর কাছে অন্তরের গভীর থেকে শুকরিয়া আদায় করছি। সন্তান হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমানত ও রহমত। আল্লাহ যেন আমার সকল সন্তানকে নেক, সুস্থ, দ্বীনদার ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার তাওফিক দান করেন।

পোস্টের শেষদিকে ভক্ত-সমর্থকদের কাছে সন্তানদের জন্য দোয়ার আবেদনও জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি লেখেন, আপনাদের সকলের কাছে আমার সন্তানদের জন্য দোয়ার আবেদন রইল। আলহামদুলিল্লাহি ‘আলা কুল্লি হাল’।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম প্রতিভাবান ব্যাটার আশরাফুল ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর দীর্ঘ সময় দেশের হয়ে খেলেছেন। ২০০১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে তিনি ৬১টি টেস্ট, ১৭৭টি ওয়ানডে এবং ২৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে তার আন্তর্জাতিক রান ৬৬৫৫।

বর্তমানে ৪১ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করছেন এবং তরুণ ক্রিকেটারদের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখছেন।

 

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে সাবেক মার্কিন ফুটবলার থমাস ডুলির নাম চূড়ান্ত হলো। ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে কোচের বিষয়ে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

নতুন দায়িত্ব নিয়ে আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন আমেরিকান বংশদ্ভূত এই জার্মান। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন ডুলি।

কোচ নিয়োগের দৌড়ে শুরুতে ওয়েলসের সাবেক ইউরোজয়ী কোচ ক্রিস কোলম্যানের নাম বেশ জোরেসোরে শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত ব্যাটে-বলে মেলেনি বাফুফের।

এদিকে, গেলো দুইদিন একদল সমর্থক বাফুফেতে আরও হাইপ্রোফাইল কোচ আনার জন্য মানববন্ধন করেছে। আজ বেলা ১২টায় বাফুফের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ফুটবল সমর্থকরা।

 

৪৮ দলের বিশ্বকাপ এখনো মাঠে গড়ায়নি। আরও সপ্তাহ তিনেক বাকি। অথচ এর মধ্যেই ৬৬ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের চিন্তাভাবনা শুরু হয়ে গেছে। স্পেন, মরক্কো ও পর্তুগালে হতে যাওয়া ২০৩০ বিশ্বকাপে ১৮টি দল বাড়ানোর আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’।

১৯৯৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলেছে ৩২টি দল। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া উত্তর আমেরিকা আসরে দল বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়েছে। বিশ্বকাপের শতবর্ষপূর্তিতে ২০৩০ আসরেও একইসংখ্যক দল অংশ নেওয়ার কথা।

এএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক মাস আগে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (কনমেবল) পক্ষ থেকে ৬৬ দলের প্রস্তাবটি আনা হয়েছিল। বিশ্বকাপে যেসব দেশ খেলার সুযোগ পায় না, তাদের বিশ্বকাপে খেলার পথ সুগম করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। তখন বিষয়টি শুধুই প্রাথমিক আলোচনা বা ধারণা নেওয়ার পর্যায়ে থাকলেও বর্তমানে বেশ কয়েকটি ফুটবল ফেডারেশনের আগ্রহের কারণে প্রস্তাবটি নতুন রূপ পাচ্ছে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, এএফপি
 

ফিফা এবং এর শীর্ষ নেতৃত্ব এখন এই ভাবনাটিকে ফুটবলের বহুমাত্রিকতার অংশ হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখতে শুরু করেছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রায়ই বিশ্বকাপকে একটি ‘উৎসব’ হিসেবে আখ্যা দেন, বিশেষ করে যেসব দেশ কখনো বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পায়নি, তাদের জন্য। এই ৬৬ দলের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তের দেশগুলোর জন্য ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে।

দলসংখ্যা বাড়লে যে বিশ্বকাপের বাইরে থাকা দলগুলোর জন্য সুযোগ বাড়ে, সেটির বড় দৃষ্টান্ত এবারের আসরই। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে নামবে কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান ও উজবেকিস্তানের মতো দলগুলো। এখন ফিফার নীতিনির্ধারক ও কয়েকটি কনফেডারেশনও ভাবছে বিশ্বকাপকে আরও কীভাবে বড় করা যায়।

তবে ঠিক এই মুহূর্তে ৬৬ দলের ভাবনাটি প্রস্তাবনা পর্যায়েই আছে। এটি বাস্তবে রূপ দিতে লম্বা পথই পাড়ি দিতে হবে। তবে একসময় ৪৮ দলের বিশ্বকাপকে ‘পাগলামি’ বলে উড়িয়ে দিলেও সেটি যেমন এখন বাস্তব, দল আরও বাড়ানোর প্রস্তাবও এখন উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

‘এএস’ লিখেছে, দুই বছর পর পর ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের যে গুঞ্জন ছিল, তা আপাতত বাতিল বলেই মনে হচ্ছে।

নাজমুল হোসেনকে কেন বুঝিয়ে–সুঝিয়ে টেস্টের অধিনায়কত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা এখন বোঝা যাচ্ছে। মুখের যুক্তি নয়, পরিসংখ্যানই কথা বলছে নাজমুলের হয়ে।

পরিসংখ্যানে যাওয়ার আগে নাজমুলের টেস্ট অধিনায়কত্বের ইতিবৃত্তটা একবার বলতে হয়। ২০২৪ সালে তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাজমুল। টি–টুয়েন্টিতে রানখরায় ভোগায় গত বছরের শুরুতে এ সংস্করণে অধিনায়কত্ব ছাড়েন। সে বছর জুনে নাজমুলকে ওয়ানডের অধিনায়কত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর অনেকটা অভিমান থেকে টেস্টের অধিনায়কত্বও ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন নাজমুল।

গত বছর নভেম্বরে টেস্ট অধিনায়কত্বে ফেরেন নাজমুল। এর পেছনের কারণ হিসেবে তখন জানা গিয়েছিল, শুরুতে অধিনায়কত্ব নিতে রাজি ছিলেন না নাজমুল। পরে এক পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে রাজি করানোর জন্য। শেষ পর্যন্ত নাজমুলও তাতে রাজি হন। এরপর তাঁর অধিনায়কত্বে ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ ২–০ ব্যবধানে জেতে বাংলাদেশ। এরপর পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজেও একই ব্যবধানে ধবলধোলাই করে নাজমুলের দল।

সেই নাজমুল এখন টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক।

 
সিলেট টেস্টটা অধিনায়ক হিসেবে নাজমুলের অষ্টম জয়। মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ভাঙলেন নাজমুল। ২০১১ থেকে ২০১৭—এ সময়ের মধ্যে ৩৪ টেস্টে অধিনায়কত্ব করে ৭ ম্যাচ জিতেছিলেন অধিনায়ক মুশফিক। নাজমুল ২০২৩ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অধিনায়ক হিসেবে এ সংস্করণে ১৮ ম্যাচে ৮ জয় পেয়েছেন। বাংলাদেশ দলের আর কোনো অধিনায়ক এত টেস্ট জিততে পারেননি। মুশফিকের চেয়ে ১৬ ম্যাচ কম খেলেই তাঁকে ছাড়িয়ে গেলেন নাজমুল। ১৯ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে এ তালিকায় তৃতীয় সাকিব আল হাসান।

টেনশন…টেনশন!

মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচটা ফেলে দিলেন গালিতে। তাইজুল ইসলাম আর লিটন দাসের ভুল–বোঝাবুঝিতে পরের ক্যাচটার জন্য গেলেনই–না কেউ। শরীরী ভাষায় ভয় ও দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। সমর্থকদের মনেও প্রশ্ন, কী হচ্ছে এসব!

শেষে অবশ্য যা হওয়ার কথা ছিল, তা–ই হয়েছে। ‘একটা ভালো বলের…’ জন্য যে অপেক্ষা ছিল, তা শেষ হয়েছে তাইজুল ইসলামের হাত ধরে। স্লিপে নাজমুল হোসেনের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন সাজিদ খান।

আগের উইকেটের জন্য ৭২ বলের অপেক্ষা ছিল, পরের দুটির জন্য কেবল ১২ বল। ওই যে একটা উইকেট আরেকটা নিয়ে আসে! শরীফুল ইসলামের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ান ৯৪ রান করে বিদায় নিতেই বাংলাদেশ পেয়ে যায় উদ্‌যাপনের উপলক্ষ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান থেমেছে ৩৫৮ রানে। ৬ উইকেট নিয়ে জয়ের নায়ক তাইজুল।

গতকাল সালমান আগা আর মোহাম্মদ রিজওয়ানের ১৩৪ রানের জুটি ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে। তবে শেষ বিকেলে দুই উইকেট নিয়ে কালই নিজেদের অস্বস্তি কাটিয়ে দিয়েছিলেন তাইজুল। আজ সকালে বাংলাদেশের জন্য খেলাটা ছিল ৩ উইকেটের, পাকিস্তানের ১২১ রানের।

জয়ের নায়ক তাইজুল
জয়ের নায়ক তাইজুল
 

যদিও সেই আশঙ্কা দূর হতে খুব বেশি সময় লাগেনি। ১৫ মিনিট দেরিতে শুরু হওয়া ম্যাচটা শেষ করতে বাংলাদেশের লেগেছে এক ঘণ্টা। রিজওয়ানের ৯৪ ছাড়া ২৮ রান করেন সাজিদও। এ দুজন ফিরতেই আজ সকালেও বিশ্ব রেকর্ড গড়ে রানতাড়ার যেটুকু সম্ভাবনা ছিল, তা শেষ হয়েছে ৭৮ রানের হারে।

বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের উল্লাস
বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের উল্লাস
 

শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে খুররম শাহজাদকে ফিরিয়ে উল্লাসে মেতে ওঠে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের আড়াই যুগে মনে রাখার মতো একটা স্মৃতিও তৈরি হয়ে গেছে এর মধ্যে। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো দলকে পরপর চার ম্যাচে হারানো স্বাদ পেল বাংলাদেশ। অথচ এই পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ১৩ টেস্টে জয় ছিল না একটিও।

বাংলাদেশ যোগ্যতর দল হিসেবে, তা বোধ হয় না বললেও চলছে। মিরপুর আর সিলেট টেস্ট মিলিয়ে এমন খুব কম সময়ই এসেছে, যখন মনে হয়েছে, পাকিস্তান এগিয়ে গেছে। কোথাও সেই সম্ভাবনা তৈরি হলে বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরেছে মুহূর্তেই। প্রতিবারই হার মানতে হয়েছে পাকিস্তানকে। এর ফলে হয়তো ভবিষ্যতের রোমাঞ্চকর এক পথচলার শুরুও হয়ে গেছে।

বয়স তাঁর জন্য কেবলই একটা সংখ্যা, নাকি এক অনন্ত যৌবনের বিজ্ঞাপন?

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে দেখলে এই প্রশ্নটা বারবার মাথায় আসতেই পারে। ৪১ পেরিয়ে গেছেন এবং এই বয়সে খেলতে যাচ্ছেন আরও একটা বিশ্বকাপ। অবশ্য এই বিশ্বকাপে তাঁর দলে থাকা নিয়ে সন্দেহ কখনোই ছিল না। পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ অনেকবারই বলেছেন, রোনালদোকে ছাড়া বিশ্বকাপে যাওয়ার কথা তিনি ভাবছেন না।

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামতে যাচ্ছেন তিনি। অবশ্য লিওনেল মেসিও আর্জেন্টিনার জার্সিতে ডাক পেলে রোনালদোর এই রেকর্ডে ভাগ বসাবেন।

মার্তিনেজ দল ঘোষণা করেছেন ২৭ জনের। তবে বিশ্বকাপের জন্য ফিফার নিয়ম মেনে চূড়ান্ত দল হতে হবে ২৩ থেকে ২৬ জনের। আসলে গত বছর সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যাওয়া পর্তুগিজ তারকা দিয়োগো জোতাকেও প্রতীকি ‘সদস্য’ ধরে নিয়ে ২৭ জনের নাম ঘোষণা করেন কোচ। তাঁর মূল স্কোয়াড ২৬ জনেরই।

রোনালদো ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ।
রোনালদো ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ। রয়টার্স
 

মার্তিনেজের ঘোষিত দলে খুবই অনুমিতভাবে রোনালদোর সঙ্গী হিসেবে আছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস ও নুনো মেন্দেসের মতো তারকারা। আবার চমকও আছে। চার বছর পর গত মার্চে জাতীয় দলে ফেরা রিয়াল সোসিয়েদাদের ফরোয়ার্ড গনসালো গেদেস জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। আছেন মাত্র ৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা মায়োর্কার ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সামুয়েল কোস্তা। দলে সুযোগ না পাওয়াদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ওয়েস্ট হামের মাতেউস ফার্নান্দেজ, বেনফিকার ডিফেন্ডার আন্তোনিও সিলভা এবং ফরোয়ার্ড পালিনিও, পেড্রো গনকালভেস ও রিকার্ডো হোর্তা।

বিশ্বকাপে ‘কে’ গ্রুপে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে ঘরের মাঠে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে পর্তুগাল—৬ জুন চিলির বিপক্ষে এবং ১০ জুন নাইজেরিয়ার বিপক্ষে।

পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক: জোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দে ভেলিও। ডিফেন্ডার: জোয়াও কানসেলো, মাতেউস নুনেস, নুনো মেন্দেস, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, দিয়োগো দালত, তমাস আরাউজো, রেনাতো ভেইগা, নেলসন সেমেদো। মিডফিল্ডার: ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া, রুবেন নেভেস, সামুয়েল কস্তা। ফরোয়ার্ড: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, গনসালো রামোস, রাফায়েল লিয়াও, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, জোয়াও ফেলিক্স, পেদ্রো নেতো, ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, গনসালো গেদেস।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব