• Colors: Green Color

প্যারিস

নাহ, উসাইন বোল্টের সেই ১৯.১৯ সেকেন্ডের রেকর্ড এখনো অক্ষত।

২০০৯ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের ২০০ মিটার দৌড়ে জ্যামাইকান স্প্রিন্টারের বিশ্ব রেকর্ড এখনো কেউ ভাঙতে পারেননি। তবে অনূর্ধ্ব–২০ বছর বিভাগে বোল্টকে বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলেছেন এক অস্ট্রেলিয়ান। গাউট গাউট নামের দক্ষিণ সুদান বংশোদ্ভূত এই অ্যাথলেট আজ অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করেছেন ১৯.৬৭ সেকেন্ডে। গাউটের বয়সে বোল্টের সেরা টাইমিং ছিল ১৯.৯৩।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ফক্স স্পোর্টস জানিয়েছে, গাউটের ১৯.৬৭ সেকেন্ড অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় রেকর্ড, আর অনূর্ধ্ব–২০ বছর বয়সীদের মধ্যে দ্বিতীয় সেরা। ২০ বা তার কম বয়সীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম ১৯.৪৯ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড়ের রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রের এরিয়ন নাইটনের, ২০২২ সালে।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে জন্ম নেওয়া গাউট এর আগে গত বছর ১৯.৮৪ সেকেন্ডে ২০০ মিটার ছুঁয়েছিলেন। তবে সেটি ছিল বাতাসের অনুকূলে। এবার কোনো সহায়তা ছাড়া বৈধ দৌড়ে আরও কম সময় নেওয়ার পর গাউট বলেন, ‘এ রকম টাইমিং করার মতো গতি ও শারীরিক সক্ষমতা আমার আছে—এটি জানতে পেরে আমার কাঁধ থেকে যেন বড় একটি বোঝা নেমে গেল। তাই এটি অবশ্যই দুর্দান্ত এক অনুভূতি, আমি আরও ভালো কিছুর জন্য প্রস্তুত।’

এত কম সময়ে দৌড় শেষ করতে পারবেন ভাবেননি গাউট গাউট
এত কম সময়ে দৌড় শেষ করতে পারবেন ভাবেননি গাউট গাউটইনস্টাগ্রাম/ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকসইনস্টাগ্রাম/ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকস

গাউটের কোচ ডি শেফার্ড তো টাইমিংয়ে বিস্ময়ই প্রকাশ করেছেন, এবিসি স্পোর্টসকে তিনি বলেন ‘আমি এতটা আশা করিনি। আমি আশা করেছিলেন ২০ সেকেন্ডের নিচে হবে। কিন্তু এতটা কম সময়ে হবে, ভাবতে পারিনি।’

গাউটের ইতিহাস গড়া দৌড়ে ২০ সেকেন্ডের কমে দৌড়েছেন দ্বিতীয় হওয়া অ্যাইডেন মারফিও। ১৯.৮৮ সময় তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ার ২০০ মিটার দৌড় ইতিহাসে দ্বিতীয়–দ্রুততম।

একজন এখন ধারাভাষ্যকার, অন্যজন চাকরি করেন বিসিবিতেই। তবে আতহার আলী ও মিনহাজুল আবেদীনের সবচেয়ে বড় পরিচয় তাঁরা জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার। আরেকটি জায়গায়ও মিল আছে দুজনের—একসময় তাঁরা ছিলেন জাতীয় দলের নির্বাচক। এবার আতহার ও মিনহাজুল বিসিবিতে এসেছেন অ্যাডহক কমিটির সদস্য হয়ে।

টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার আগের বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মিনহাজুল আবেদীন। অবসরের পর ২০০৫ সালে বিসিবিতে যোগ দেন কোচ হিসেবে। একসময় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দলের ব্যাটিং কোচও ছিলেন তিনি, বিসিবির বিভিন্ন প্রোগ্রামেও কোচের ভূমিকায় ছিলেন।

মিনহাজুল ওই দায়িত্ব ছেড়ে চলে আসেন নির্বাচক প্যানেলে। সদস্য ও প্রধান নির্বাচক হিসেবে এক দশকের বেশি সময় কাজ করেন। ২০২৪ সালে তাঁকে সরিয়ে গাজী আশরাফ হোসেনকে প্রধান নির্বাচক করে বিসিবি। এর পর থেকে মিনহাজুল বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির প্রোগ্রাম কো–অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

 অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল
অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল
 

প্রায় দুই দশক যে বোর্ডের সঙ্গে জড়িয়ে, সেটিই এখন চালানোর দায়িত্ব পাওয়ার পর মিনহাজুল বলেন, ‘২০০৫ সাল থেকে বিভিন্ন ভূমিকায় কাজ করেছি। সবকিছু ভেতর থেকে দেখেছি। আশা করি, এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। আর আমাদের জন্য বড় একটা চ্যালেঞ্জ সুষ্ঠভাবে একটা নির্বাচন আয়োজন করা।’

বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব পেয়েছে ৩ মাসের জন্য। এই সময়ের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে তাদের। সেই নির্বাচনে অংশ নিতে চান মিনহাজুল আবেদীন। পরিচালক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা তিনি কাজে লাগাতে চান লম্বা সময়ের জন্য। এ জন্য বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনেও অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা আছে তাঁর।

জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘দীর্ঘদিন কাজ করার কারণে সবার সঙ্গেই আমার একটা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে। সেটা কাজে লাগিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এমন কিছু কাজ করতে চাই, যেন ছাপ থেকে যায়।’

অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবালও জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি ছাড়া তাঁর কমিটিতে ক্রিকেটার হিসেবে আছেন শুধু আতহার ও মিনহাজুল আবেদীনই। আতহার অবশ্য এখন ধারাভাষ্যকার হিসেবেই বেশি পরিচিত।

বাংলাদেশের যেকোনো খেলাতেই শোনা যায় তাঁর কণ্ঠস্বর। অ্যাডহক কমিটি গঠনের দিনও তিনি পিএসএলে ধারাভাষ্য দিতে ছিলেন পাকিস্তানে। সেখান থেকে অনলাইনেই বোর্ড সভায় যোগ দেন গতকাল।

এখন ধারাভাষ্যকার হিসেবে পরিচিত হলেও জাতীয় দলের হয়ে ১৯ ওয়ানডেতে তিন ফিফটি করা আতহার একসময় বিসিবিতে নির্বাচক ছিলেন। ২০০৪ সালে প্রথমে ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচক প্যানেলের সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৬–১৭ সালে আতহারকে মেয়েদের নির্বাচক করা হয়। সেই দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকেই আতহার সব মনোযোগ দেন ধারাভাষ্যে।

এবার মিনহাজুলের সঙ্গে আতহারও বিসিবিতে এলেন ভিন্ন ভূমিকায়। ক্রিকেট বোর্ড চালানোর এই চ্যালেঞ্জ তাঁরা কতটা নিতে পারবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

স্পোর্তিং লিসবন ০ : ১ আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়নস লিগে আজকের রাতটি যেন প্রতিপক্ষের মাঠে জয়ের রাত। বায়ার্ন মিউনিখ যেমন রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে জিতেছে, তেমনি স্পোর্তিং লিসবনের মাঠে দারুণ এক জয় পেয়েছে আর্সেনাল। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে পর্তুগিজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাওয়া ১-০ গোলের এ জয়ে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল আর্সেনাল। আর্সেনালের জয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন কাই হাভার্টজ।

স্পোর্তিং লিসবনের মাঠে প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে ছিল আর্সেনালই। কিন্তু সুযোগ তৈরিতে আর্সেনালকে ভালোভাবেই টেক্কা দিচ্ছিল লিসবন। প্রতিপক্ষের মাঠে ফিরতি লেগ বলেই হয়তো একটু বেশিই সতর্ক ছিল মিকেল আরতেতার দল। গোল করার চেয়ে ভুল না করাতেই যেন বেশি মনোযোগ ছিল তাদের।

ফলে প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখেও প্রতিপক্ষকে খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি ‘গানার’রা। অন্যদিকে ঘরের মাঠে প্রথমার্ধে কেবল একটি সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে লিসবন। কিন্তু সেটি গোল আদায়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

বিরতির পরও আর্সেনালের লক্ষ্য ছিল নিজেদের রক্ষণ সুরক্ষিত রাখার দিকে। তবে গোলের জন্য তারা যে চেষ্টা করছিল না, তা–ও নয়। বল দখলে কিছু ছাড় দিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করে তারা।

সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে গেল আর্সেনাল
সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে গেল আর্সেনাল, এক্স/আর্সেনাল

যদিও গোলের জন্য আর্সেনালকে অপেক্ষা করতে হয় একেবারে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির অ্যাসিস্টে গোল করে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন বদলি নামা হাভার্টজ।

জার্মান তারকার গোলের আগে আর্সেনালকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। ম্যাচের অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন তিনি।

১৫ এপ্রিল রাতে আসের্নালের মাঠ এমিরেটসে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হবে আর্সেনাল ও স্পোর্তিং লিসবন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবগঠিত অ্যাডহক কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঘোষিত এই কমিটির প্রধান লক্ষ্য আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বোর্ডের নতুন নেতৃত্ব গঠন করা।

নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত বিসিবির কার্যক্রম পরিচালিত হবে এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে। অন্তর্বর্তীকালীন এই সময়ে বোর্ডের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করবেন কমিটির সদস্যরা।

ক্রীড়াঙ্গনে নারীর অংশগ্রহণ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রশ্নে রাশনা ইমামের অন্তর্ভুক্তিকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি পেশাগত জীবনে দেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং স্বনামধন্য ল’ ফার্ম ‘আখতার ইমাম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এর ম্যানেজিং পার্টনার।

রাশনা ইমাম প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার আখতার ইমামের কন্যা। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ২০০২ সালে লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও রয়েছে তার সমৃদ্ধ কর্মঅভিজ্ঞতা। তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ল’ ফার্ম ‘বেকার অ্যান্ড ম্যাকেঞ্জি’র লন্ডন অফিসে কোম্পানি ও বাণিজ্যিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া বিশ্বখ্যাত মিত্তাল গ্রুপ এবং শিন্ডলার ইলেকট্রিকের মতো প্রতিষ্ঠানের আইনি প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে তিনি বাংলাদেশ থেকে ‘এশিয়া ইয়াং লিডার’ হিসেবে মনোনীত হন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বড় শিল্পগোষ্ঠী ও বহুজাতিক কোম্পানিকে নিয়মিত আইনি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনে রাশনা ইমাম এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ-এর স্ত্রী। বিসিবির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার অন্তর্ভুক্তি দেশের নারী ক্রিকেটের উন্নয়ন, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং বোর্ডের কাঠামোগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

 

ঢাকা

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব