• Colors: Blue Color

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তেহরানের মধ্যাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দের পাশাপাশি রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলার মুখে ইরানের আরও অনেক শহরেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে।

বার্তা সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসে একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া খোররামাবাদ ও উর্মিয়া শহরের দুটি আবাসিক এলাকায় হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ইরানে চলমান হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে হামলার তীব্রতা বিবেচনায় এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ইসফাহান, কারাজ ও আহভাজেও ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে একটি হাসপাতালও হামলার কবলে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ইতিমধ্যে ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কিছু ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থাপনার তালিকায় রয়েছে হাসপাতাল, স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব কার্যালয়ও।

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা

মধ্য আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলে একটি কোলটান খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির খনি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে প্রায় ৭০ জন শিশু রয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, টানা ভারী বৃষ্টির পর পূর্বাঞ্চলের নর্থ কিভু প্রদেশের রুবায়া এলাকার কোলটান খনিতে হঠাৎ মাটি ধসে পড়ে। সেই সময় খনির ভেতরে ও আশপাশে বহু শ্রমিক কাজ করছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে তারা মাটির নিচে চাপা পড়েন।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে বিপুলসংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী শহর গোমার বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

তবে ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছে খনি এলাকা নিয়ন্ত্রণকারী এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তাদের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এটি ভূমিধস নয়, বরং বোমা হামলার ঘটনা এবং এতে মাত্র পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে খনিতে কর্মরত এক শ্রমিক জানান, উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি নিজেই দুই শতাধিক মরদেহ উদ্ধার করতে সহায়তা করেছেন। তার দাবি, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা প্রকাশ করা হচ্ছে না।

রুবায়া অঞ্চলটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কোলটান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখান থেকে বিশ্বের প্রায় ১৫ শতাংশ কোলটান সরবরাহ হয়। কোলটান থেকে তৈরি ট্যান্টালাম আধুনিক প্রযুক্তি শিল্পের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাতু। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ এবং গ্যাস টারবাইনের মতো বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যে এটি ব্যবহৃত হয়।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারির শেষদিকে একই এলাকায় আরেকটি খনি ধসে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সে সময় কঙ্গো সরকার অভিযোগ করেছিল, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া অবৈধ খনন কার্যক্রম চালানোর কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। সূত্র: আল-জাজিরা

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব