• Colors: Yellow Color

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভুটান সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট গ্রাম টোটোপাড়া। সেখানে বসবাস ভারতের অন্যতম প্রাচীন, ক্ষুদ্র ও বিপন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী টোটো সম্প্রদায়ের। বহুদিন ধরেই তাদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও ছিল না কোনো লিখিত বর্ণমালা। ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল ভাষাটি। অদ্ভুত হলেও সত্য—এই ভাষার জন্য বর্ণমালা তৈরির প্রেরণা এসেছে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার গাওয়া একটি গান থেকে। প্রায় চার দশক আগে গাওয়া তাঁর ‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’ গানটির একটি লাইনই নাকি বদলে দেয় এক আদিবাসী মানুষের ভাবনা। সেই খবর জানার পর নিজের অনুভূতির কথাও জানিয়েছেন দেশবরেণ্যে এই শিল্পী।

সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা

পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার টোটোপাড়া গ্রামে বসবাসকারী টোটো সম্প্রদায়ের ভাষা দীর্ঘদিন ধরে শুধু কথ্য রূপেই প্রচলিত ছিল। লিখিত কোনো লিপি না থাকায় ভাষাটি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে কয়েক বছর আগে টোটো ভাষার জন্য একটি স্বতন্ত্র বর্ণমালা তৈরি করে আলোচনায় আসেন ধনীরাম টোটো।

ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় ধনীরাম টোটোর এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে। তবে খুব কম মানুষই জানেন, এই উদ্যোগের পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে একটি গান। ধনীরাম টোটো এক সাক্ষাৎকারে জানান, একদিন রেডিওতে তিনি শুনছিলেন রুনা লায়লার গাওয়া গান—‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’। গানের এই লাইন তাঁর মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে—যদি অন্য ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা থাকতে পারে, তবে টোটো ভাষার কেন থাকবে না?

ঢাকার পাঁচতারা হোটেলে প্রথম আলোর ক্যামেরায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
 উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
 

সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ গবেষণা ও প্রচেষ্টা। পরে তিনি টোটো ভাষার জন্য একটি স্বতন্ত্র লিপি তৈরি করেন, যা এখন ‘টোটো-হরফ’ বা ‘তোত্বিকো আল্লাবেত’ নামে পরিচিত। টোটো ভাষা সংরক্ষণের আরেকটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন ভক্ত টোটো। তিনি বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করে এই লুপ্তপ্রায় ভাষাকে নথিভুক্ত করার চেষ্টা শুরু করেন।

স্থানীয়ভাবে টোটো ভাষার শব্দ সংগ্রহ, গল্প লেখা ও প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষাটি ব্যবহারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে চ্যালেঞ্জ এখনো কম নয়। আলিপুরদুয়ার জেলার তোর্সা নদীর তীরে বসবাসকারী এই ছোট্ট জনগোষ্ঠীর সামনে ভাষা টিকিয়ে রাখার লড়াই এখনো চলছে। আধুনিক শিক্ষা, বহিরাগত সংস্কৃতির প্রভাব ও সীমিত জনসংখ্যার কারণে ভাষাটি সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে। তবু নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টোটো সম্প্রদায়।
রুনা লায়লা
রুনা লায়লা
 

দেড় মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ে ও নাতি–নাতনির সঙ্গে সময় কাটিয়ে ৫ মার্চ দেশে ফিরেছেন রুনা লায়লা। তাঁকে যখন এ ঘটনা জানানো হয় এবং এ নিয়ে বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনের ইউটিউব লিংক পাঠানো হয়, তখন তিনি জানান—বিষয়টি তিনি দেখেছেন এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কয়েকজনও তাঁকে সেই প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। আলাপচারিতায় তিনি বলেন, একটি গান শুধু বিনোদন নয়, অনেক সময় তা মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

রুনা লায়লার ভাষায়, ‘একটা গান যখন মানুষের মনের ভেতরে ঢোকে, তখন তা নানাভাবে প্রভাব ফেলে। সংগীত দিয়ে অসুস্থ মানুষকেও সুস্থ করে তোলা যায়—এ কথাও তো বলা হয়। প্রত্যেকটা গানই কিন্তু একধরনের বার্তা দেয়।’ কথা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘এই গানের বার্তা যে একটি বিপন্ন জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছেছে এবং তাদের উদ্বুদ্ধ করেছে—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এতে আবারও মনে হলো, ভালো গানের শক্তি কত বড়।’

 রুনা লায়লা
রুনা লায়লা
 

গানটির পেছনের গল্প বলতে গিয়ে রুনা লায়লা ফিরে গেলেন সত্তরের দশকের শেষ দিকে। জানালেন, ‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’ গানের কথা লিখেছিলেন কবি শামসুর রাহমান, আর সুর করেছিলেন খন্দকার নূরুল আলম। বাংলাদেশ বেতারের ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিসের জন্য শাহবাগের বেতার ভবনে গিয়ে গানটি রেকর্ড করেছিলেন তিনি। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশনেও এটি পরিবেশন করেছিলেন।

গানটি গাওয়ার প্রস্তাব পাওয়ার স্মৃতি মনে করে রুনা লায়লা বলেন, ‘একদিন খন্দকার নূরুল আলম ভাই বাসায় ফোন করে বললেন—একটা দেশাত্মবোধক গান করতে চান এবং আমি যেন গাই। আমি বলেছিলাম, অবশ্যই গাইব। কেন গাইব না? এরপর বেতারে গিয়ে গানটি রেকর্ড করা হয়।’
নানান সময়ে রুনা লায়লা
নানান সময়ে রুনা লায়লা
 

চার দশকের বেশি পুরোনো একটি গান যে একটি বিলুপ্তপ্রায় আদিবাসী ভাষাকে নতুন করে ভাবতে অনুপ্রাণিত করবে—এ কথা কখনো ভাবেননি রুনা লায়লা। তিনি বলেন, ‘৪৫ বছর আগের একটি গান শুনে তারা নিজেদের ভাষার জন্য বর্ণমালা তৈরি করেছে—এটা সত্যিই অদ্ভূত। আমার গাওয়া গান, সুর আর কথাগুলো একটি বিপন্ন আদিবাসী জাতির জীবনে নতুন ভাবনা তৈরি করেছে—এটা অবশ্যই আনন্দের বিষয়।’

বলিউডের নতুন মুখ আয়েশা খান সম্প্রতি নিজের জীবনের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অতীতে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন এবং এখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত ধর্ষণের হুমকি পান।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এসব অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, অনলাইনে তাঁকে প্রায় প্রতিদিনই যৌন হয়রানির মুখে পড়তে হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিন হুমকি
রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১৭’–এ অংশ নেওয়ার পর আলোচনায় আসেন আয়েশা খান। পরে ‘ধুরন্ধর’ ছবির ‘শরারত’ গানে উপস্থিত হয়ে নতুন করে জনপ্রিয়তা পান তিনি। কিন্তু এই জনপ্রিয়তার সঙ্গেই এসেছে নানা নেতিবাচক অভিজ্ঞতা। এক সাক্ষাৎকারে আয়েশা বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তাঁর পোশাক বা ছবিকে কেন্দ্র করে অনেকেই অশালীন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘ইনস্টাগ্রামে আমাকে প্রায় প্রতিদিনই শরীর নিয়ে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করা হয়। আমি যদি সাধারণ একটি টপ পরি, তাতেও সমস্যা। স্কার্ট পরলেও সমস্যা। এমনকি কোনো ছবি পোস্ট করার আগেও ভাবতে হয়—কেউ সেটাকে কীভাবে ব্যবহার করবে।’
এই পরিস্থিতিকে আয়েশা খান খুবই দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, একজন নারীর নিজের পছন্দমতো পোশাক পরা বা ছবি পোস্ট করার স্বাধীনতা থাকা উচিত।

 আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

ধর্ষণের হুমকি পেয়েছেন বহুবার
সাক্ষাৎকারে আয়েশা আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে বহুবার ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘প্রতিদিনই এমন বার্তা পাই। চাইলে এখনই ফোন খুলে দেখাতে পারি।’ তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য তাঁকে আতঙ্কিত করে। কারণ, এগুলো কোনো কল্পিত চরিত্র নয়, বাস্তব মানুষের কাছ থেকেই আসে।
অতীতের ভয়ংকর স্মৃতি
আয়েশা খান জানান, তাঁর জীবনে একবার ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে তিনি খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে গভীর মানসিক ক্ষত তৈরি করেছে। কখনো কখনো কোনো মন্তব্য বা ঘটনা সেই স্মৃতিকে আবার মনে করিয়ে দেয়।

 আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

শুটিং সেটেও হয়রানির অভিজ্ঞতা
শুধু অনলাইনে নয়, বাস্তব জীবনেও একবার হয়রানির মুখে পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এক চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে একজন স্পটবয়ের কাছ থেকে অশোভন আচরণের শিকার হন তিনি। আয়েশা জানান, একদিন হঠাৎ ইনস্টাগ্রামে একটি বার্তা দেখতে পান। অনেক দিন ধরেই ওই ব্যক্তি তাঁকে বার্তা পাঠাচ্ছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, সেটি শুটিং সেটেরই এক স্পটবয়।

ঘটনাটি জানার পর আয়েশা তাঁর বাবাকে বিষয়টি জানান এবং প্রযোজনা দলের কাছেও অভিযোগ করেন। পরে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রী হিসেবে সংগ্রাম
বলিউডে নতুন হলেও ইতিমধ্যে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন আয়েশা খান। কিন্তু এই অভিজ্ঞতাগুলো দেখিয়ে দেয়, খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখিও হতে হয় অভিনেত্রীদের। আয়েশা বলেন, একজন নারী হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বাস্তব জীবনে যে ধরনের মন্তব্য বা হুমকির মুখে পড়তে হয়, তা অনেক সময় ভীতিকর হয়ে ওঠে। তবু তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি বদলাবে এবং নারীরা আরও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারবেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারপুত্র অর্জুন টেন্ডুলকার বিয়ে করলেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সানিয়া চন্দককে। আজ ৫ মার্চ ভারতের মুম্বাইয়ে আয়োজিত হয় তাঁদের জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। ক্রিকেট ও বলিউড জগতের তারকাদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে তারকাখচিত।

[caption id="attachment_268904" align="alignnone" width="698"] ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারপুত্র অর্জুন টেন্ডুলকার বিয়ে করলেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সানিয়া চন্দককে, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর পর নবদম্পতি একসঙ্গে বাইরে এসে আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দেন। হাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকা অর্জুন ও সানিয়ার সেই মুহূর্তের ছবি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

লাল পোশাকে নজরকাড়া নবদম্পতি

লাল পোশাকে নজর কেড়েছেন অর্জুন ও সানিয়া
লাল পোশাকে নজর কেড়েছেন অর্জুন ও সানিয়া, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

অর্জুন ও সানিয়া বেছে নিয়েছেন ঐতিহ্যবাহী লাল রং। অর্জুন পরেছিলেন লাল রঙের ভারী কারুকাজ করা জ্যাকেট, সঙ্গে লাল কুর্তা ও আইভরি প্যান্ট।

অন্যদিকে পেশায় প্রাণিচিকিৎসক সানিয়া চন্দক পরেছিলেন লাল ও গোলাপি রঙের শাড়ি–গাউন। ভিন্ন রঙের ব্লাউজের কারণে পোশাকে আধুনিকতার ছোঁয়া এসেছে। সঙ্গে ছিল পান্না ও হীরার নেকলেস, মিলিয়ে পরেছিলেন কানের দুল ও মাথার অলংকার।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছবি

ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে শচীন টেন্ডুলকার পরেছিলেন কারুকাজ করা আইভরি রঙের ইন্দো–ওয়েস্টার্ন পোশাক
ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে শচীন টেন্ডুলকার পরেছিলেন কারুকাজ করা আইভরি রঙের ইন্দো–ওয়েস্টার্ন পোশাক, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

পরে নবদম্পতির সঙ্গে যোগ দেন পরিবারের সদস্যরা। ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে শচীন টেন্ডুলকার পরেছিলেন কারুকাজ করা আইভরি রঙের ইন্দো–ওয়েস্টার্ন পোশাক। অর্জুনের মা অঞ্জলি টেন্ডুলকার এসেছিলেন গাঢ় গোলাপি ডিজাইনার শাড়িতে, সঙ্গে ছিল হীরা ও পান্নার গয়না।

টেন্ডুলকার পরিবারের আরেক সদস্য, অর্জুনের বোন সারা টেন্ডুলকারও নজর কাড়েন তাঁর সাদামাটা কিন্তু আকর্ষণীয় সাজে। তিনিও পরেছিলেন গোলাপি শাড়ি।

আজ ৫ মার্চ ভারতের মুম্বাইয়ে আয়োজিত হয় অর্জুন–সানিয়ার জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনা
আজ ৫ মার্চ ভারতের মুম্বাইয়ে আয়োজিত হয় অর্জুন–সানিয়ার জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনাছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

তারকাখচিত আয়োজন

শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবার, ডানে আমির খান
শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবার, ডানে আমির খান, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

বিয়ের সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন বলিউড ও ক্রিকেটের বহু পরিচিত মুখ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শাহরুখ খান, গৌরী খান ও তাঁদের মেয়ে সুহানা খান। এসেছিলেন আমির খান, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, অভিষেক বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চন।

অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনসহ আরও অনেকে
অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনসহ আরও অনেকে, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

ক্রিকেট জগৎ থেকেও উপস্থিত ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, হরভজন সিং ও রাহুল দ্রাবিড়সহ অনেকে।

সূত্র: পিংকভিলা

লন্ডন ফ্যাশন জগতের আইকনিক মুখ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যানাবেল স্কোফিল্ড আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

অ্যানাবেল স্কোফিল্ড ফ্যাশন জগত থেকে অভিনয়ে প্রবেশ করেন। তিনি প্রথম পরিচিতি পান জনপ্রিয় মার্কিন ধারাবাহিক ‘ডালাস প্রাইমটাইম’ এর মাধ্যমে। সেখানে কিংবদন্তি অভিনেতা ল্যারি হ্যাগম্যানের বিপরীতে লরেল এলিস চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। এই চরিত্রই তাকে এনে দিয়েছিল তারকাখ্যাতি।

১৯৬৩ সালে যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের ল্যানেলিতে জন্মগ্রহণ করেন অ্যানাবেল। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির আশপাশে বেড়ে ওঠা এই অভিনেত্রী ১৯৯০-এর দশকে হিট সিনেমা ‘রোমান্সিং দ্য স্টোন’, ‘জেরি ম্যাগুয়ার’ ও ‘অ্যাজ গুড অ্যাজ নাইট গেটস’এ অভিনয় করেছেন।

১৯৮০ দশকে লন্ডনের ফ্যাশন অঙ্গনে অ্যানাবেল ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও আকর্ষণীয় মুখ। টিভি বিজ্ঞাপনে তার স্মরণীয় উপস্থিতি তাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচিত করে তোলে।

চলচ্চিত্রে তিনি ‘সোলার ক্রাইসিস’, ‘ড্রাগনার্ড’ ও ‘আই অফ দ্য উইডো’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পরবর্তীতে ‘দ্য ব্রাদার্স গ্রিম’, ‘ডুম’ ও ‘সিটি অফ এম্বার’-এর প্রযোজনা ভূমিকায় ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছেন।

 

ইরান ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী এশা গুপ্তা। আবুধাবি বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে অবশেষে নিরাপদে দেশে ফিরেছেন তিনি। আর দেশে ফিরেই তার এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ভক্তদের।

সোমবার (৩ মার্চ) এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করেন অভিনেত্রী। সেখানে সেই স্মৃতির কথা শেয়ার করেন ঈশা।

তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি আবুধাবি বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন নির্ধারিত সময়েই। কিন্তু দুপুরের পর হঠাৎ করেই বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বিভ্রান্তি আর উৎকণ্ঠা। কেউ স্পষ্ট করে কিছুই জানাতে পারছিল না ঠিক কী ঘটেছে। পরে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আকাশপথে।

তিনি বলেন, সেই সময়টা ছিল ভয় আর অনিশ্চয়তায় ভরা। যাত্রীরা একে অপরকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন, অচেনা মানুষও হয়ে উঠেছিলেন ভরসার জায়গা। সবাই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের খাবারের জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়। যাদের ফ্লাইট বাতিল হয়, তাদের আবুধাবির বিভিন্ন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয় স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে।

হোটেল কর্মীদের প্রশংসা করে এশা লেখেন, ভয় ও চাপের মধ্যেও তারা অসাধারণ ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন।

অবশেষে ২ মার্চ দিল্লিগামী প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ওঠার সুযোগ পান এশা। নিজেকে ভাগ্যবান উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা জানান সবার প্রতি।

শেষ পোস্টে অভিনেত্রী প্রকাশ করেন নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারার অনুভূতি। এই কঠিন অভিজ্ঞতা তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে দুর্যোগের সময় মানুষই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।

 

যেসব তারকার নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকের আগ্রহ বেশি থাকে, নেট-দুনিয়ায় যাঁদের নিয়ে বেশি আলোচনা হয়, তাঁরাই মূলত ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ বা আইএমডিবি জনপ্রিয় তারকার তালিকায় শীর্ষ থাকেন। কখনো থাকে ভিন্ন ঘটনা। বছরের প্রায়ই এই জনপ্রিয়তার তালিকা তৈরি করে আইএমডিবি। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন অভিনেত্রী হিদার ম্যাককম্ব। পাঁচ তারকা কেন আলোচনায় দেখে নিতে পারেন ছবিতে—
হঠাৎ করেই আলোচনায় শীর্ষে জায়গা পেয়েছেন অভিনেত্রী হিদার ম্যাককম্ব। তাঁকে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হচ্ছে। মূলত ১৫ বছর আগে বিচ্ছেদ হওয়া স্বামীর মৃত্যু ঘিরেই নতুন করে তিনি আলোচনায় এসেছেন। তাঁর স্বামী অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক ১১ ফেব্রুয়ারি মারা যান।
হঠাৎ করেই আলোচনায় শীর্ষে জায়গা পেয়েছেন অভিনেত্রী হিদার ম্যাককম্ব। তাঁকে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হচ্ছে। মূলত ১৫ বছর আগে বিচ্ছেদ হওয়া স্বামীর মৃত্যু ঘিরেই নতুন করে তিনি আলোচনায় এসেছেন। তাঁর স্বামী অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক ১১ ফেব্রুয়ারি মারা যান।ছবি: আইএমডিবি
 অভিনেতা রন লেস্টার মারা যান ২০১৬ সালে। তিনিও অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিকের মৃত্যু ঘিরেই আলোচনায় এসেছিলেন। তাঁরা একসঙ্গে ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। তাঁরা ছিলেন ভালো জুটি।
অভিনেতা রন লেস্টার মারা যান ২০১৬ সালে। তিনিও অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিকের মৃত্যু ঘিরেই আলোচনায় এসেছিলেন। তাঁরা একসঙ্গে ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। তাঁরা ছিলেন ভালো জুটি।ছবি: আইএমডিবি
 প্রয়াত সেই অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক শীর্ষ ৩ নম্বরে রয়েছে। এই ৪৮ বছর বয়সে হঠাৎ করেই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁকে দর্শকেরা খুঁজতে আইএমডিবিতে ঢুঁ মারছেন। তিনি ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথম তারকা খ্যাতি পান।
প্রয়াত সেই অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক শীর্ষ ৩ নম্বরে রয়েছে। এই ৪৮ বছর বয়সে হঠাৎ করেই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁকে দর্শকেরা খুঁজতে আইএমডিবিতে ঢুঁ মারছেন। তিনি ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথম তারকা খ্যাতি পান।ছবি: আইএমডিবি
 এ মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি নেটফ্লিক্স মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য লিংকন ল ইয়ার’। এই সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী কনট্যান্স জিমার। তিনি আলোচনায় ৪ নম্বরে রয়েছেন।
এ মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি নেটফ্লিক্স মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য লিংকন ল ইয়ার’। এই সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী কনট্যান্স জিমার। তিনি আলোচনায় ৪ নম্বরে রয়েছেন।ছবি: আইএমডিবি
 
ভালোবাসা দিবসের আগের দিন বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘ওয়াদারিং হাইটস’। এই সিনেমা দিয়েই আলোচনায় রয়েছেন অভিনেতা জ্যাকব এলর্ডি। ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সিনেমার পর এবারও তিনি রোমান্টিক গল্প দিয়ে ফিরলেন।
ভালোবাসা দিবসের আগের দিন বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘ওয়াদারিং হাইটস’। এই সিনেমা দিয়েই আলোচনায় রয়েছেন অভিনেতা জ্যাকব এলর্ডি। ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সিনেমার পর এবারও তিনি রোমান্টিক গল্প দিয়ে ফিরলেন।ছবি: আইএমডিবি

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব