• Colors: Yellow Color

লন্ডনে শুরু হতে যাচ্ছে ২৭তম রেইনবো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। ১৭ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক জেনেসিস সিনেমা হলে।

রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির আয়োজনে এবারের উৎসবে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ৪০টির বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। অংশ নেওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, ইরান, চীন, ফিলিপাইন ও তাজিকিস্তান।

উৎসবের উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের ‘আগন্তুক’। ছবিটি প্রদর্শিত হবে ১৭ মে দুপুর ১২টায়। আর ২৩ মে সন্ধ্যা ছয়টায় ভারতের ‘স্বার্থপর’ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই আয়োজন।

এবারের উৎসবে বাংলাদেশের মোট ছয়টি চলচ্চিত্র থাকছে। প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে ‘আগন্তুক’, ‘নয়া মানুষ’ ও ‘উড়াল’। এর মধ্যে ‘নয়া মানুষ’ দেখানো হবে দ্বিতীয় দিনে এবং ‘উড়াল’ চতুর্থ দিনে।
এ ছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ‘নয়া নোট’, ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ ও ‘পাথর হওয়ার গল্প’।

‘ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ সিনেমার দৃশ্য। ছবি: নির্মাতার সৌজন্যে
‘ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ সিনেমার দৃশ্য। ছবি: নির্মাতার সৌজন্যে
 

উৎসব প্রসঙ্গে রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহমাদ মুজতবা জামাল বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই এই উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে। আশা করছি, এবারও সফল হবে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ উৎসবটিকে আরও প্রাণবন্ত করবে।’

উৎসবে অংশ নেওয়া ‘নয়া মানুষ’–এর নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমা অংশ নিলে গর্ব হয়। ‘নয়া মানুষ’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেয়, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।’

আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রদর্শিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ইরানের ‘দে লাভড মি’, রাশিয়ার ‘দ্য মিস্ট্রি অব ব্ল্যাক হ্যান্ড’, ভারতের ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ ও ‘গৃহ প্রবেশ’, চীনের ‘দ্য শোর অব লাইফ’ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘ড্রেইনড বাই ড্রিম’। এ ছাড়া ফিলিপাইনের ‘রেপুব্লিকা এনজি পিলিপিনাস’ ও তাজিকিস্তানের ‘মোহি দার’সহ আরও বেশ কিছু চলচ্চিত্র থাকছে তালিকায়।

সমাপনী অনুষ্ঠান ছাড়া জেনেসিস সিনেমা হলে আয়োজিত বাকি সব প্রদর্শনী সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী মৌসুমী অভিনীত ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমাটি নিয়ে মুক্তির আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর তাঁর পরিচালিত কাজটি ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা বলার পর আপত্তি জানিয়েছেন মৌসুমী ও তাঁর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী।

আজ রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী বলেন, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ মূলত কোনো সিনেমা নয়, এটি একটি নাটক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, দর্শক যেভাবে মৌসুমীকে দেখে অভ্যস্ত, কাজটি সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যায় না। তাই তিনি ছবিটির মুক্তি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

মৌসুমী ও ওমর সানি
মৌসুমী ও ওমর সানিসংগৃহীত

একই ভিডিওতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন মৌসুমী। তিনি জানান, নির্মাতার অনুরোধে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি এক ঘণ্টার নাটকে কাজ করতে রাজি হন এবং কয়েক দফায় শুটিংও করেন। পরে নির্মাতা তাঁকে জানান, ফুটেজ বেশি হওয়ায় এটি টেলিছবি হিসেবে মুক্তি দেওয়া হবে এবং সে অনুযায়ী পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি জানতে পারেন, কাজটি সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাচ্ছে এবং সেন্সর সনদও পেয়েছে—যা তাঁর কাছে বিস্ময়কর। মৌসুমীর অভিযোগ, তাঁর অজান্তেই কাজটিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তাঁকে ‘কাটপিসের মতো ব্যবহার’ করা হয়েছে, যা তিনি অনৈতিক বলে মনে করছেন।

সিনেমার একটি দৃশ্যে সহশিল্পীর সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে
সিনেমার একটি দৃশ্যে সহশিল্পীর সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মৌসুমী চলচ্চিত্র–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন—পরিচালক সমিতি, প্রযোজক সমিতি ও শিল্পী সমিতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যদিকে ওমর সানী জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোতে চিঠি পাঠিয়েছেন।

মৌসুমী
মৌসুমী
 

ওমর সানী ও মৌসুমীর অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই ভিডিওটি বানাতে মৌসুমী আপাকে বাধ্য করা হয়েছে। এই প্রকল্পে তাঁকে সিনেমার সম্মানী দিয়েই যুক্ত করেছিলাম।’

তবে এর আগে প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘কনট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে মৌসুমী বলেছিলেন, ‘হাসান জাহাঙ্গীরের কোনো সিনেমার শুটিং করিনি। তাঁর সঙ্গে দুটি নাটকের কাজ হয়েছে।’

সবকিছু মিলিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমাটি নির্ধারিত তারিখে মুক্তি পাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১৫ মে পর্যন্ত। উল্লেখ্য, মৌসুমীকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘সোনার চর’ সিনেমায়।

২০১৪ সালে কমেডি ঘরানার ছবি ‘ফাগলি’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশের পর ‘এমএস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ থেকে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমায় দেখা গেছে কিয়ারা আদভানিকে। ‘কবীর সিং’, ‘শেরশাহ’, ‘সত্যপ্রেম কি কথা’ থেকে ‘গুড নিউজ’–এর মতো আলোচিত সিনেমা করেছেন। সামনে তাঁকে দেখা যাবে গীতু মোহনদাসের আলোচিত কন্নড় সিনেমা ‘টক্সিক’–এ। তবে সিনেমাটি নিয়ে নতুন এক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

গত বছর ‘ওয়ার ২’ ছবিতে কিয়ারার বিকিনি দৃশ্য নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। আগামী ছবি ‘টক্সিক: দ্য ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’-এর ক্ষেত্রে খানিক ‘সংযত’ কিয়ারা। সিনেমার ফার্স্ট লুক সাড়া ফেলেছে। এর মধ্যেই বেঁকে বসলেন অভিনেত্রী! অন্তরঙ্গ দৃশ্যে কাঁচি চালানোর অনুরোধ। কাটছাঁট করে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কিছুটা সংক্ষিপ্ত করার অনুরোধ করেছেন কিয়ারা।

কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুটিংয়ের পর দৃশ্যগুলো দেখে আপত্তি জানিয়েছেন কিয়ারা। সহ–অভিনেতা যশ ও পরিচালকের কাছে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্যায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুটিংয়ের আগে কিয়ারাকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল কোনো দৃশ্যে তিনি অস্বস্তিবোধ করবেন না। স্বাচ্ছন্দ্য রাখার প্রতিশ্রুতিতেই রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয়ে সম্মতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ফুটেজ দেখার পর নাকি নিজের মত পরিবর্তন করেছেন কিয়ারা।

জানা গেছে, ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে আলাদা করে পরিচালক-অভিনেত্রীর মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি। সর্বোপরি যশ বা ‘টক্সিক’ নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ছবিতে যশ, কিয়ারা ছাড়াও অভিনয় করেছেন নয়নতারা, হুমা কুরেশিসহ অনেকেই।

সিনেমা মুক্তির আগেই একাধিকবার বিলম্বিত হয়েছে। প্রথমে ১৯ মার্চ বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘টক্সিক’-এর। দিনক্ষণ পরিবর্তিত হয়ে নতুন মুক্তির দিন নির্ধারিত হয়েছে ৪ জুন। শোনা যাচ্ছে, আবার ছবি মুক্তি স্থগিত করা হয়েছে।

তিন দশকের বেশি মালাইকা–ম্যাজিকে বুঁদ বলিউড। কখনো ‘ছঁইয়া ছঁইয়া’ তো কখনো আবার ‘মুন্নি’র তালে মালাইকা অরোরা আবেদনময়ী রূপে ঝড় তুলেছেন পর্দায়। বয়স পঞ্চাশের গণ্ডি পার হলেও মালাইকার গ্ল্যামারের আগুন যে কমেনি, সেটা বোঝা গেছে গত বছর মুক্তি পাওয়া ‘পয়জন বেবি’ আইটেম গানেই। মালাইকার ফিটনেস আর সৌন্দর্য বরাবরই থাকে আলোচনায়। ৫২ বছর বয়সেও কীভাবে নিজেকে এত ফিট রাখেন, একাধিকবার এই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন মালাইকা। সম্প্রতি একটি টক শোতে বয়সের সঙ্গে সৌন্দর্যের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন মালাইকা।

‘দ্য রাইট অ্যাঙ্গেল শো’তে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, ফিটনেস আর সৌন্দর্যের প্রশংসার মধ্যে কখনো বয়স বাড়ার বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়ে ভেবেছেন? উত্তরে মালাইকা বলেন, ‘একটা সময় ছিল, যখন আমি বয়স নিয়ে ভাবতাম। আবার আমার জীবনে এমন সময়ও এসেছে, যখন আমি এ বিষয়টা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিনি। শুধু নিজের কাজটা উপভোগ করি। যেটা করতে ভালো লাগে বা ভালোবাসি, সেটাই করি। আমার মনে হয়, এ মুহূর্তে আমি জীবনের সবচেয়ে সুখী অধ্যায় উদ্‌যাপন করছি। জীবনে এখনো অনেক কিছু করা বাকি আছে। অনেক কিছু করতে চাই, তাই এসব বিষয় এখন আর আমাকে বিশেষ প্রভাবিত করে না।’

মালাইকা অরোরা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
মালাইকা অরোরা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

সাধারণ কোনো নারী হোক বা সেলিব্রিটি, মেয়েদের বয়সের সঙ্গে তাঁদের জীবনের গতিপথের তুলনা করা হয়। কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে সেটা কখনোই হয় না। সমাজের এই বৈষম্যের বিরোধিতা করেছেন মালাইকা। তাঁর মতে, একজন নারীকে যেমন অকপটে তাঁর বয়স নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, পুরুষদেরও সেই প্রশ্ন অবশ্যই করা উচিত। মালাইকার মতে, ‘আমি মনে করি এই প্রশ্নগুলো সব সময় নারীদেরই করা হয়। খুব কমই কোনো পুরুষকে এভাবে জিজ্ঞেস করা হয়। একজন নারীকে খুব সহজেই বলা হয়, তোমার জীবনের সেরা সময়ে তুমি এমন ছিলে, এখন এই বয়সে এসে কেমন লাগছে? তুমি কি এখনো নিজেকে সুন্দর মনে করো? আকর্ষণীয় মনে করো? কখনো শুনিনি কোনো পুরুষকে এই ধরনের প্রশ্ন করা হয়েছে।’

বয়স বা সংখ্যার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষের ভাবনা, এমনটাই মনে করেন মালাইকা। অভিনেত্রীর সংযোজন, ‘বাহ্যিক সৌন্দর্যই শেষ কথা নয়। হ্যাঁ, পৃথিবী সেটাই দেখে, কিন্তু এর সঙ্গে মানসিক ও আবেগের দিকটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর সারা দিন কীভাবে কাটবে, আজ মন কী চাইছে—এগুলো আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। শুধু আয়নার দিকে তাকিয়ে ভাবি না যে আমাকে দেখতে কেমন লাগছে। এমন কিছু করতে চাই যে আমাকে, আমার পরিবারকে অনুপ্রাণিত করবে, গর্বিত করবে।’

হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

দেশ ছেড়ে প্রবাসজীবন বেছে নেওয়ার পর বাস্তবতা কখনো কখনো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দেয়। বিদেশের প্রেক্ষাপটে সেই গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’। এ  সিনেমায় উঠেছে বিবাহিত নারীর বাংলাদেশে স্বামী রেখে বিদেশে দ্বিতীয় বিয়ের গল্প। এর মধ্য দিয়ে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সিনেমার শুটিং বেশ আগেই শেষ হয়েছে। চলতি বছরের মার্চে সিনেমাটি সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পেয়েছে। ১৫ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তি পাবে। এ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। সিনেমাটির পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, ‘এ গল্পের মাধ্যমে নারীদের মর্যাদা ও সম্মানকে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বহু মানুষ বিদেশে যান। পরে কীভাবে তাঁরা টিকে থাকেন, কীভাবে একটু করে সংসার সাজান, সে সংগ্রামের পেছনের গল্পই নিয়ে এ সিনেমা।’

শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে
শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে

সিনেমার ৮০ শতাংশ গল্পের শুটিং হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। পরবর্তী পোস্টের কাজ দেশে হয়েছে। হাসান জাহাঙ্গীর জানান, এই গল্পগুলোর উপকরণ বাস্তব থেকে নেওয়া। বিদেশের জীবনসংগ্রাম সবারই কম বেশি থাকে। পরিচালক মনে করেন, এই গল্পগুলো দর্শকদের দেখা উচিত। সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দুই ঈদের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তির পরিকল্পনা করেছিলাম। এখন আমাদের কাছে ১৫ মে ভালো সময় মনে হচ্ছে। এই সময়েই আমরা মুক্তি দেব। এটি বিদেশেও, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বেশ কিছু দেশে মুক্তি পাবে। আমরা মনে করি, গল্পটি দর্শকদের দেখা উচিত।’

[caption id="attachment_272981" align="alignnone" width="722"] মার্চে সিনেমাটি সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পায়। ছবি: ফেসবুক থেকে[/caption]
 
 

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রেই আছেন মৌসুমী। পরিচালক জাহাঙ্গীর জানালেন, এরই মধ্যে সিনেমার শুটিং করেছেন। সর্বশেষ মৌসুমীর ‘সোনার চর’ সিনেমা মুক্তি পায়। দীর্ঘ দুই বছর পর মুক্তি পাচ্ছে মৌসুমীর নতুন সিনেমা। এর আগে পরিচালক একই নামে ওয়েব সিরিজের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেটিই এখন সিনেমা হয়ে হলে মুক্তি পাবে। ডন, হাসান জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পরিচালক জানালেন, ঈদে সিনেমাটির টেলিভিশন স্বত্ব বিক্রি করে দিয়েছেন। এটি ঈদেই ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে।

বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সাবেক স্বামী সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর তাঁর প্রায় ৩০ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। তাঁর এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির অধিকারী কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয় বিবাদ। দাবিদারদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া কাপুর, মা রানি কাপুর ও দ্বিতীয় স্ত্রী কারিশমা কাপুরের দুই সন্তান সামারা ও কিয়ান। যদিও সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া সম্পত্তির অধিকার অন্য কাউকে দিতে নারাজ। তিনি যেমন মামলা করেছেন, তেমনই প্রিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন কারিশমার দুই সন্তানও। এর পরিপ্রেক্ষিতে বড় রায় দিলেন আদালত।

আগেই কারিশমার দুই সন্তান দাবি করেছেন, প্রিয়া তাঁদের বাবার সম্পত্তি জাল করেছেন। জালিয়াতি করে বানানো নতুন উইলে সম্পত্তি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য দেননি। সঞ্জয়ের জমি, বাড়ি ও তাঁর সংস্থা ছাড়াও ছিল দামি দামি ঘোড়া। ছিল বহুমূল্যের সব ঘড়ি, যেগুলোর বাজারমূল্য কয়েক লাখ, কয়েকটি আবার কোটির ঘরে। সম্পত্তিসংক্রান্ত নথিতে এ ধরনের জিনিসের কোনো উল্লেখ করেননি প্রিয়া। যখন উইলটি বানানো হয় সে সময় একবারও কারিশমার দুই সন্তানকে দেখানোর প্রয়োজন পর্যন্ত মনে করেননি তিনি।

কারিশমা কাপুর ও সঞ্জয় কাপুর। কোলাজ
কারিশমা কাপুর ও সঞ্জয় কাপুর। কোলাজ

কিয়ান ও সামারার এই অভিযোগের ভিত্তিতে রায় দিলেন দিল্লির উচ্চ আদালত। গতকাল দেওয়া রায়ে জানানো হয়, সঞ্জয়ের বিদেশের সমস্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখা হবে। ওই অ্যাকাউন্টগুলো থেকে কোনো রকমের আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন না প্রিয়া।

এই রায় কারিশমার দুই সন্তানকে যে স্বস্তি দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। এই রায় প্রকাশের পর বোন কারিনা কাপুর খান ইঙ্গিতপূর্ণ একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘আশার আলো, বিচার আমরা পাবই। সত্য প্রকাশ্যে আসবে।’

আদালত আরও নির্দেশ দেন, সঞ্জয় কাপুরের সম্পত্তি অবশ্যই সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এগুলো কোনোভাবেই হস্তান্তর কিংবা নষ্ট করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রিয়া সচদেব কাপুর যাতে ওই সম্পত্তিগুলো কোনোভাবেই বিক্রি না করতে পারেন, তাতে আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশও জারি করেছেন।

এনডিটিভি অবলম্বনে

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব