• Colors: Yellow Color

তিন দশকের বেশি সময় ধরে বলিউডে দাপুটে রাজত্ব করার পর অবশেষে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন শাহরুখ খান। ২০২৩ সালের ব্লকবাস্টার ‘জওয়ান’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি ‘সেরা অভিনেতা’র স্বীকৃতি পেয়েছেন। অন্যদিকে শাহরুখ খানের সঙ্গেও ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ সিনেমাতে আবেগঘন অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন রানি মুখার্জি। তিনিও প্রথমবারের মতো এই পুরুস্কোর পাচ্ছেন। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

এটি শাহরুখের জন্য এক বিশেষ অর্জন, কারণ এর আগে তিনি ৩০ বার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়ে ১৪ বার জিতেছেন, যার মধ্যে ৮ বার সেরা অভিনেতার পুরস্কার—এই ক্যাটাগরিতে দিলীপ কুমারের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ জয়। এ ছাড়াও, ফ্রান্স সরকার তাকে ‘অর্ডার দেস আর্টস এট দেস লেটারস’ এবং ‘লিজিয়ন অব অনার’-এর মতো সম্মাননা প্রদান করেছে যা বিশ্বজুড়ে তার গ্রহণযোগ্যতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

১৯৯২ সালে ‘দিওয়ানা’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে শাহরুখ খানের। এর পরের তিন দশকে উপহার দিয়েছেন একের পর এক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র-‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে যায়েঙ্গে’, ‘কভি খুশি কভি গম’, ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’, ‘মাই নেম ইজ খান’সহ বহু সুপারহিট সিনেমা।

এদিকে, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শাহরুখের সঙ্গে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ‘টুয়েলভথ ফেল’ অভিনেতা বিক্রান্ত ম্যাসি। বিক্রান্তেরও এটি প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

অন্যদিকে, শাহরুখ খানের দীর্ঘদিনের সহ-অভিনেত্রী রানি মুখার্জিও এবারই প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন। ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ ছবিতে আবেগঘন ও বাস্তবভিত্তিক অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন। ১৯৯৬ সালে বাংলা ছবি ‘বিয়ের ফুল’ দিয়ে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করা রানি একই বছর ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ দিয়ে বলিউডে পা রাখেন।

‘জওয়ান’ সিনেমার গানেও এসেছে সাফল্য—শিল্পা রাও জিতেছেন সেরা নারী প্লেব্যাক গায়িকার পুরস্কার। অন্যদিকে, সুদীপ্ত সেন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ সিনেমার জন্য সেরা পরিচালকের স্বীকৃতি পেয়েছেন।

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকা কেটি পেরি সম্প্রতি মন্ট্রিয়লে একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়েছেন—এমন খবর প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

লে ভিওলোন নামের এক রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় ট্রুডো ও পেরি প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন।

একজন স্থানীয় সংবাদকর্মীর বরাতে জানা যায়, ‘তারা খুব স্বাভাবিক ও শান্ত মেজাজে ছিলেন। রেস্টুরেন্ট কর্মীরা বা অন্য অতিথিরা তাদের বিরক্ত করেননি। আর কোনো দৃশ্যমান রোমান্স বা ঘনিষ্ঠতার চিহ্নও ছিল না।’

তাদের ডিনার মেনুতে ছিল বিভিন্ন ধরনের অ্যাপেটাইজার, যেমন টুনা, বিফ টারটার, লবস্টার ও অ্যাসপারাগাস। মূল খাবার হিসেবে ছিল ল্যাম। রেস্তোরাঁর শেফ ড্যানি স্মাইলস নিজে গিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান এবং বিদায়ের আগে তারা রান্নাঘরে গিয়ে পুরো টিমকে ধন্যবাদ জানান।

কেটি পেরি সম্প্রতি তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী অরল্যান্ডো ব্লুম-এর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছেন।

অন্যদিকে, জাস্টিন ট্রুডো ও তার স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ার ট্রুডো ২০২৩ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। তিনি চলতি বছর দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

ট্রুডোর পিতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো-ও ছিলেন প্রেমিক স্বভাবের, যিনি অফিসে থাকার সময় অভিনেত্রী বারবারা স্ট্রেইস্যান্ড ও কিম ক্যাটরাল-এর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান এবং ৫১ বছর বয়সে ২২ বছরের এক নারীকে বিয়ে করেন।

ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্ম নেয়া কেটি পেরি ১৩ বার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেয়েছেন। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যালবাম ২০১০ সালের ‘টিনেজ ড্রিম’, যা মাইকেল জ্যাকসনের রেকর্ড স্পর্শ করেছিল।

ট্রুডো বা পেরির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ এই ডিনার বা সম্পর্ক বিষয়ে মন্তব্য করেননি।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং গসিপ সংবাদমাধ্যমে ইতোমধ্যেই বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে—এটা কেবল একবারের ফরমাল ডিনার, নাকি নতুন কোনো সম্পর্কের শুরু, তা সময়ই বলে দেবে।

সূত্র: এপি।

চিত্রনায়ক জসীমের ছেলে এবং ‘ওন্ড’ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট, বেজিস্ট এ কে রাতুল মারা গেছেন। আজ রোববার (২৭ জুলাই) বিকেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ব্যান্ডের গীতিকার সিয়াম ইবনে আলম।

তিনি জানান, রাজধানীর উত্তরার একটি জিমে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন রাতুল। পরে তাকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।

রাতুল ও তার ব্যান্ড ‘ওন্ড’ বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। ২০১৪ সালে তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘ওয়ান’ এবং ২০১৭ সালে দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘টু’ মুক্তির পর ব্যান্ডটি জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

চিত্রনায়ক জসীমের তিন ছেলে— এ কে রাহুল, এ কে রাতুল ও এ কে সামী। তিনজনেরই সংগীতজগতে বিচরণ। এর মধ্যে রাহুল ‘ট্রেনরেক’ ব্যান্ডের গিটারিস্ট ও ‘পরাহো’ ব্যান্ডের ড্রামার, রাতুল ও সামী যুক্ত ‘ওন্ড’ ব্যান্ডের সঙ্গে। সামী ড্রামার। আর রাতুল ব্যান্ডটির ভোকালিস্ট, বেজিস্ট ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন।

পেশাদার রেসলিংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকাদের মধ্যে একজন টেরি বোলিয়া, যিনি ‘হাল্ক হোগান’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত, তিনি আর আর নেই।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এই কিংবদন্তি ৭১ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

খবরটি নিশ্চিত করেছে ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্ট (ডব্লুডব্লুই)।

এক বিবৃতিতে ডব্লুডব্লুই লিখেছে, ডব্লুডব্লুই হল অব ফেমার হাল্ক হোগানের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। পপ কালচারের অন্যতম পরিচিত মুখ হোগান ১৯৮০-এর দশকে ডব্লুডব্লুইকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তার পরিবার, বন্ধু ও অসংখ্য ভক্তদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

আশির দশকে রেসলিংয়ের সোনালি যুগে হোগান ছিলেন পোস্টারবয়। তার বিখ্যাত সংলাপ— ‘সে ইউর প্রেয়ারস অ্যান্ড ইট ইউর ভিটামিনস’ আর বাহুর মাপ নিয়ে দম্ভোক্তি— ‘২৪ ইঞ্চি পাইথন’, তাকে সাধারণ দর্শকের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিল।

২০১৫ সালে বর্ণবাদী মন্তব্য সংবলিত একটি ভিডিও ফাঁস হলে হাল্ক হোগানের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা খায়। তবে এটাও বলা যায়, বিতর্ক আর সমালোচনা সত্ত্বেও হোগান রেসলিংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকাদের একজন হয়েই থাকবেন।

‘দ্য গডফাদার অব হেভি মেটাল’ খ্যাত ওজি ওসবার্ন আর নেই। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিলো ৭৬ বছর। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাতে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে তার মৃত্যু হয়।

ওজির পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে, আমাদের প্রিয় ওজি অসবোর্ন আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই ছিলেন, ভালোবাসায় ঘেরা। এই কঠিন সময়ে আমাদের গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ জানাচ্ছি।’ তার মৃত্যুর কারণ এখনো জানানো হয়নি।

এই খবর আসে মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর, যখন ওজি তার জন্মস্থান বার্মিংহামে ‘ব্ল্যাক সাবাথ’-এর সাথে মঞ্চে ফিরেছিলেন  ‘ব্যাক টু দ্য বিগিনিং’ কনসার্টে। ব্যান্ডের বেসিস্ট গিজার বাটলার, ড্রামার বিল ওয়ার্ড এবং গিটারিস্ট টনি আইওমি-র সাথে এই রিইউনিয়ন শো’টি ছিল তাদের ২০ বছরের মধ্যে প্রথম পারফরম্যান্স। ওজির শেষ মঞ্চ উপস্থিতি হিসেবে এটি প্রচার করা হয়েছিল।

১৯৪৮ সালের ৩ ডিসেম্বর ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে এক সাধারণ পরিবারে জন্ম নেয়া জন ‘ওজি’ অসবোর্ন স্কুল ছাড়েন ১৫ বছর বয়সে। কসাইখানা থেকে শুরু করে চুরি পর্যন্ত সব কাজ করেছিলেন তিনি!

১৯৬৭ সালে ব্ল্যাক সাবাথ গঠনের মাধ্যমে সঙ্গীতজগতে প্রবেশ করেন তিনি। তাদের প্রথম অ্যালবাম মাত্র ১২ ঘন্টায় রেকর্ড করা হয়েছিল! এরপর একে একে আসে ‘প্যারানয়েড’, ‘মাস্টার অব রিয়েলিটি’র মতো বহু প্ল্যাটিনাম হিট।

১৯৭৮ সালে ব্যান্ড থেকে বের হলে অজি শুরু করেন একক ক্যারিয়ার। ১৯৮০ সালে মুক্তি পায় ‘ব্লিজার্ড অব অজ’ নামের অ্যালবাম। এই অ্যালবামে ছিল বিখ্যাত গান ‘ক্রেজি ট্রেইন’। পরের বছর আসে ‘ডায়েরি অব আ ম্যাডম্যান’। বিক্রি হয় ৫০ লাখ কপির বেশি।

এছাড়াও ‘আয়রন ম্যান’ ও ‘প্যারানয়েড’-এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়ে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ওজি ওসবার্ন ।

মঞ্চে বাদুড়ের মাথা কামড়ানো, মাংস ছোড়া, মাদক ও অ্যালকোহলে আসক্তি—ওজি সবসময়ই বিতর্কিত ছিলেন। ১৯৭৯ সালে ব্ল্যাক সাবাথ থেকে বেরিয়ে গেলেও ১৯৯৭ সালে আবার ফিরে আসেন। একক ক্যারিয়ারে ১১টি অ্যালবাম বের করেন, পেয়েছেন ৩টি গ্র্যামি।

দ্বিতীয় স্ত্রী শ্যারন অসবোর্ন (যিনি তার ম্যানেজারও ছিলেন) এবং সন্তানদের নিয়ে দ্য অসবোর্নস রিয়েলিটি শো তাকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে। শোটি এমি অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছিল!

২০১৯ সালে নিউমোনিয়ার পর থেকে তার স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে। ২০২০ সালে তিনি পারকিনসন্স ডিজিজ-এ আক্রান্ত হন। ২০২২ সালে কমনওয়েলথ গেমস-এ শেষবারের মতো মঞ্চে ওঠেন। গত বছর তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের শেষ ইচ্ছা—আরও একটি শো করে ভক্তদের ধন্যবাদ জানানো।’

ওজি অসবোর্ন রেখে গেছেন স্ত্রী শ্যারন, প্রথম সংসারের তিন সন্তান এবং শ্যারনের সাথে তিন সন্তান—জ্যাক, কেলি ও এমি।

বারান্দাতে বিকেলবেলা ধোঁয়া ধোঁয়া চায়ের পেয়ালা/ হাতের মুঠোয় ঠাঁই পেয়েছে প্রিয় জীবনানন্দ/ যাক না কেটে এভাবে দিন, লাগছে না তো মন্দ’। সম্প্রতি আজব রেকর্ডস থেকে প্রকাশ পেয়েছে এমন লিরিকের গান।

জয় শাহরিয়ারের কথা ও সুরে নতুন গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন এলিটা করিম। গানের শিরোনাম ‘বারান্দাতে বিকেলবেলা’। গানটির অ্যানিমেশন ভিডিও তৈরি করেছেন মীর হিশাম।

গানটিতে গিটার বাজিয়েছেন সৈয়দ রিয়েল, বেইস গিটারে তানিম হাসান, কী-বোর্ডে ফরহাদ ও শব্দ সংযোজন করেছেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী।

নতুন গান প্রসঙ্গে এলিটা করিম বলেন, অনেকদিন পর জয়ের কথা ও সুরে গান গাইলাম। সচরাচর যেমন গান করি, তার থেকে বেশ আলাদা এই গানটি। আমার খুব ভালো লেগেছে গাইতে। আশা করি শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে শুনতে।

‘বারান্দাতে বিকেল বেলা’ গানের পোস্টার

 

জয় শাহরিয়ার বলেন, আমার খুব প্রিয় একজন শিল্পী এলিটা। চেষ্টা করেছি, তার কণ্ঠে অন্যরকম এক গান তৈরি করতে। আশা করি, যারা শুনবেন, তাদের ভালো লাগবে নস্টালজিয়ায় ভরপুর এই গান।

গানটির ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে জয় শাহরিয়ারের ইউটিউব চ্যানেলে। এছাড়াও স্পটিফাই, আইটিউন্স, ডিজার, স্বাধীনসহ সারাবিশ্বের স্ট্রিমিং সাইটে শোনা যাচ্ছে ‘বারান্দাতে বিকেল বেলা’ শিরোনামের গানটি।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব