• Colors: Yellow Color

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আগামী আসরের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। আর এ সিদ্ধান্তের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে তাঁর মা, অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমের দীর্ঘদিনের একটি ইচ্ছা। মুক্তি জানিয়েছেন, শিল্পী সমিতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এবার তিনি সরাসরি নেতৃত্বের দায়িত্ব নিতে চান। তবে এ সিদ্ধান্ত এক দিনে নয়, বরং মায়ের স্বপ্ন, শিল্পীদের অনুরোধ এবং দীর্ঘদিনের সংগঠনিক অভিজ্ঞতা মিলেই এসেছে।

রুমানা ইসলাম মুক্তি
রুমানা ইসলাম মুক্তি, ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে

মুক্তি বলেন, ‘আমার মা সব সময় চাইতেন, আমি যেন শিল্পীদের কল্যাণে আরও বড় দায়িত্বে যাই। তাঁর ইচ্ছা ছিল, আমি যেন শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে থেকে কাজ করি। সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই এবার সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ শুধু মায়ের স্বপ্নই নয়, বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতাও তাঁকে উৎসাহিত করেছে বলে জানান মুক্তি। গত দেড় বছরে তিনি সহকর্মী শিল্পীদের সঙ্গে নানা সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

রুমানা ইসলাম মুক্তি
রুমানা ইসলাম মুক্তি, ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
 

মুক্তি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে শিল্পীদের উপহার বিতরণ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন এবং প্রয়াত শিল্পীদের স্মরণে বড় পরিসরে স্মরণসভার মতো উদ্যোগে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা তাঁকে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ—যেখানে নেতৃত্বে আছেন মিশা সওদাগর ও ডিপজলের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে ২৪ এপ্রিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। সেই হিসাবে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

অভিনেত্রী মা আনোয়ারা ও চিত্রনায়িকা মেয়ে মুক্তি
অভিনেত্রী মা আনোয়ারা ও চিত্রনায়িকা মেয়ে মুক্তি সংগৃহীত

এবারের নির্বাচনে মুক্তির নেতৃত্বে একটি প্যানেল গঠনের আলোচনাও চলছে বলে জানা গেছে। শিল্পীদের একটি অংশ মনে করছেন, তাঁর দীর্ঘদিনের পারিবারিক ঐতিহ্য, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও শিল্পীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছে।

১৯৯২ সালে গৌতম ঘোষের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয় যাত্রা শুরু করেন রুমানা ইসলাম মুক্তি। এরপর ‘চাঁদের আলো’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘হাছন রাজা’, ‘জগৎ সংসার’সহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন।

রুমানা ইসলাম মুক্তি
রুমানা ইসলাম মুক্তি, ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে

মুক্তির মা আনোয়ারা বেগম দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। মেয়ের এই নতুন সাংগঠনিক যাত্রায় মায়ের ভূমিকা তাই আলাদা তাৎপর্য বহন করছে। সব মিলিয়ে মায়ের স্বপ্নপূরণ, শিল্পীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নতুন এক যাত্রায় পা রাখছেন মুক্তি। এখন দেখার বিষয়, শিল্পী সমিতির ভোটের মাঠে এই সম্পর্ক ও ঐতিহ্যের প্রভাব কতটা কাজ করে।

বিজু বিহু সাংগ্রাই বৈসু বিষু চাংলান চাংক্রান পাতা ২০২৬ উপলক্ষে জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী জোনাকি চাকমার মঞ্চ কাঁপানো সংগীত পরিবেশনা।

 

পাহাড়ে বৃহত্তর সামাজিক উৎসব চলছে

রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট পাঁচ দিন ব্যাপী সাংস্কৃতি উৎসব ও মেলার আয়োজন করেছে। এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মানুষের ঐতিহ্যের এবং সংস্কৃতির নাচ গান নাটক পালা ও নানা উপকরণ নিয়ে উৎসবে মুখর হয়েছে।

শিশুরা বর্ণিল পোশাকে সেজেছে আর নৃ্ত্য পরিবেশন করেছে। আরও ঐতিহ্যের খেলাধুলা উপাস্থাপন ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হছেছে।

এ অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এড.দীপেন দেওয়ান। ৫এপ্রিল র‌্যালীর মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যাত্রা শুরু হয়। এখানে উপস্থিত রয়েছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, রাঙ্গামাটি রিজিওয়নের রিজিওয়ন কন্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।

এ ছাড়াও বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যত্তিত্ব, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়ার কর্মীসহ শত শত দর্শনার্থী।

পাহাড়ে বৃহত্তর সামাজি উৎসব বিজু বৈসু সাংগ্রাই বিহু বিষু চাংলান চাংক্রান পাতা চার দিন ব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন হয় ৯ এ্রপ্রিল রাঙ্গামাটি পৌর প্রাঙ্গনে। এ অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির চেয়ারম্যান ও আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা।

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন সাবেক সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান উষাতন তালুকদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক উপসচিব প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা। আরো উপস্থিত রয়েছেন সাবেক যুগ্ম সচিব কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা।

 এ উৎসবে যোগ দিয়েছেন নানান বয়সী ও বাহারী রঙের পোশাক পরিহিত নারী পুরষ। তাদের হাতে নানান দাবি সংবলিত প্লে কার্ড ও ব্যানার। আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সাংস্কৃতি উপকরণ ডিসপ্লে করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আদিবাসি ফোরাম পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইন্টু মনি তালুকদার ।

সাবেক সাংসদ বিএনপি সরকারের প্রতি পার্বত্য ‍চুক্তি বাস্তবায়নের আহবান জানান এবং এ ব্যাপারে জনগণকে আরো বেশি সচেতন হতে বলেন । তিনি আরো অধিকতর অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সকল শ্রেণীর মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন। আজ বেলা ১২টার দিকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্য হয় বলে জানিয়েছেন আশা ভোসলে ছেলে আনন্দ ভোসলে। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২।

অনেক দিন ধরেই যে তিনি অসুস্থ ছিলেন, তেমন নয়। শনিবার সন্ধ্যাবেলা হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে তাঁর অসুস্থতার খবর।

প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে পরে তাঁর নাতনি জানাই ভোসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট করে জানান, ‘চরম ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণ’-এর কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভারতীয় সংগীতের অন্যতম আইকনিক ও বহুমুখী প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে সুপরিচিত আশা ভোসলে। আট দশকের বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক ভারতীয় ভাষার পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি ভাষাতেও হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন। শাস্ত্রীয়, লোকসংগীত, পপ থেকে গজল—বিভিন্ন ধারার সংগীতে তাঁর অসাধারণ মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

আশা ভোসলে। এএনআই
আশা ভোসলে। এএনআই

দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আশা ভোসলে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ও অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন, যা তাঁকে ভারতীয় প্লেব্যাক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সর্বাধিক সম্মানিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন। আজ বেলা ১২টার দিকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্য হয় বলে জানিয়েছেন আশা ভোসলে ছেলে আনন্দ ভোসলে। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২।

অনেক দিন ধরেই যে তিনি অসুস্থ ছিলেন, তেমন নয়। শনিবার সন্ধ্যাবেলা হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে তাঁর অসুস্থতার খবর।

প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে পরে তাঁর নাতনি জানাই ভোসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট করে জানান, ‘চরম ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণ’-এর কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভারতীয় সংগীতের অন্যতম আইকনিক ও বহুমুখী প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে সুপরিচিত আশা ভোসলে। আট দশকের বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক ভারতীয় ভাষার পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি ভাষাতেও হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন। শাস্ত্রীয়, লোকসংগীত, পপ থেকে গজল—বিভিন্ন ধারার সংগীতে তাঁর অসাধারণ মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

আশা ভোসলে। এএনআই
আশা ভোসলে। এএনআই

দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আশা ভোসলে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ও অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন, যা তাঁকে ভারতীয় প্লেব্যাক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সর্বাধিক সম্মানিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব