অনন্যাকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়
বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডেকে নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সবাই এই বিতর্কে যোগ দিয়েছেন। কী নিয়ে এত বিতর্ক? হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক ছবিতে ছবিতে—










বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডেকে নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সবাই এই বিতর্কে যোগ দিয়েছেন। কী নিয়ে এত বিতর্ক? হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক ছবিতে ছবিতে—










গত ঈদুল ফিতরে শাকিব খান অভিনীত আবু হায়াত মাহমুদের সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আ ইন ঢাকা’ ডিসিপি-সংক্রান্ত জটিলতায় প্রথম কয়েক দিন মাল্টিপ্লেক্সে চলেনি। এবার সিনেমাপ্রেমীদের মনে তৈরি হয়েছিল তেমন শঙ্কা। গতকাল দুপুরে ঢাকার মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্স তাদের ফেসবুক পেজে এক বার্তার পর ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘রকস্টার’ ও ‘মাসুদ রানা’ সিনেমার প্রদর্শনী নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।
স্টার সিনেপ্লেক্সের ফেসবুক পেজে লেখা হয়, ‘রকস্টার’ ও ‘মাসুদ রানা’-এর কনটেন্ট ফাইল এখনো তাদের হাতে পৌঁছায়নি। ফলে আপাতত সিনেমা দুটির শো-সূচি প্রকাশ কিংবা টিকিট বিক্রি শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। বিকেলেই ‘রকস্টার’ নির্মাতা আজমান রুশো প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, শঙ্কার কারণ নেই; ঈদের দিন থেকেই চলবে ‘রকস্টার’। সেটাই হয়েছে, গতকাল রাত ১২টার দিক থেকেই আজকের প্রদর্শনীটির টিকিট বিক্রি শুরু করে স্টার সিনেপ্লেক্স। আজ সকালে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বেশির ভাগ প্রদর্শনীর টিকিটই শেষের দিকে।
এদিকে এবারের ঈদের সর্বোচ্চসংখ্যাক হলো পেয়েছে ‘রকস্টার’ সিনেমাটি। গতকাল রাতে সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক অজয় কুমার কুন্ডু ‘রকস্টার’ সিনেমাটির প্রেক্ষাগৃহের তালিকা প্রকাশ করেন। সেখানে দেখা যায় মাল্টিপ্লেক্স চেইন, একক হলসহ মোট ১০৩টি প্রেক্ষাগৃহে চলবে ‘রকস্টার’।

আজমান রুশোর গল্পে নির্মিত ছবিতে একজন সংগীতশিল্পীর জীবনসংগ্রাম, উত্থান–পতন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার নানা দিক তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আজমান রুশো জানান, নির্মাণে আসার আগে তিনি নিজেও সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিজের জীবন ও বাস্তব জীবনের রকস্টারদের নানা অভিজ্ঞতার মিশেলে তিনি এই গল্প তৈরি করেছেন।
সিনেমাটির বেশির ভাগ গানের কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন আহমেদ হাসান সানি। গানগুলোয় কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও আছে রাজীব হাসান, হাসান রোবায়েত ও অংকনের লেখা গান। সংগীত পরিচালনায় আছেন জাহিদ নিরব। অঞ্জন চৌধুরী নিবেদিত সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন নুসরাত মাটি। সংলাপ লিখেছেন আয়মান আসিব ও সামিউল ভূঁইয়া। ছবিটির এক্সক্লুসিভ স্ট্রিমিং পার্টনার চরকি।
সিনেমাটিতে শাকিবের খানের তিন নায়িকা—সাবিলা নূর, তানজিয়া মিথিলা ও সুনিধি নায়েক।
শুটিংয়ের কারণে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কেটেছে ঈদের দিন। তা-ও একাধিকবার। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের মতো ঈদের আনন্দ পৃথিবীর আর কোথাও নেই। শৈশবের ঈদ, অভিনয়জীবনের ঈদ, আর এবার সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের মধ্য দিয়ে কাটানো ঈদুল আজহা—সব মিলিয়ে ঈদ আমার কাছে স্মৃতি, ভালোবাসা আর ত্যাগের গল্প।
পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় কেটেছে আমার শৈশব। তখন ঈদ মানেই ছিল উৎসবের অপেক্ষা। কোরবানির ঈদের (ঈদুল আজহা) চেয়ে রোজার ঈদই (ঈদুল ফিতর) আমাকে বেশি টানত। ঈদের চাঁদ দেখার অপেক্ষা, নতুন জামা পরার আনন্দ—সবকিছু ঘিরে অন্য রকম উচ্ছ্বাস কাজ করত।
আর কোরবানির ঈদে ছোটবেলায় মন কিছুটা খারাপ থাকত। তবে কোরবানির মাংস বিলি করাটা বেশ উপভোগ করতাম। আনন্দ নিয়েই কাজটা করতাম। বড় হয়ে, বিয়ের পর সেই কাজটা আমি আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে করতাম।
কোরবানির ঈদে আমাদের বাসায় গরু ও ছাগল দুটোই কোরবানি হতো। হাট থেকে কিনে আনার পর আমি গরু-ছাগল খুব আদর করতাম। আমি তিন বোনের পরিবারে বড় হয়েছি। দুজন আমার বড়। তাই সুচন্দা আপা ও ববিতা আপার আদরের ছিলাম।
পর্দার তারকা হলেও ঘরের কাজে কখনো ছাড় পাইনি। তিন বোনই সিনেমার কাজের বাইরে ঘরের কাজে সহযোগিতা করতাম। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে সংসারের নানা কাজ করতাম। ঈদ এলে আমার ওপর পড়ত মাংস বণ্টনের দায়িত্ব।
আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী থেকে শুরু করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়ার কাজটি আমাকে করতে হতো। বিয়ের পর নিজের সংসারেও সেই দায়িত্বই পালন করেছি।
শৈশবের ঈদের সবচেয়ে উজ্জ্বল স্মৃতিগুলোর একটি হলো নতুন পোশাক, মাথার ফিতা, চুড়ি আর জুতা ঘিরে। বাবা নতুন জামা-জুতা কিনে না দিলে ঈদ পূর্ণই হতো না। বলতাম, নতুন জামা, মাথার ফিতা, হাতের চুড়ি আর নতুন জুতা আমার চাই-ই চাই। একদম নাছোড়বান্দা ছিলাম।
কোরবানির ঈদ আমার জন্য তিন দিন চলত। তাই তিন দিনের জামাকাপড় চাই। রোজার ঈদ অবশ্য আরও বেশি, পাঁচ দিন। ঈদের আগের রাতে জামা বালিশের নিচে আর জুতা পাশে রেখে ঘুমাতাম।
তারপর একটু পরপর ঘুম থেকে উঠে দেখতাম, সব ঠিক আছে কি না। জামা আছে তো, জুতা আছে তো, ফিতা আছে তো—এসব দেখেই আবার ঘুমাতাম। কখন ভোর হবে, সকাল হচ্ছে না কেন—অস্থির হয়ে থাকতাম।
অভিনয়জীবনে ঈদ মানেই ছিল নতুন সিনেমা মুক্তির আনন্দ। ঈদের দিন হলে না গেলেও পরদিন বোরকা পরে দর্শকের ভিড়ে বসে নিজের সিনেমা দেখতাম। কখনো নাজ, কখনো মধুমিতা কিংবা মিরপুরের সনি সিনেমা হল—প্রতিটি হলে আলাদা স্মৃতি আছে আমার।
অভিনয়জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঈদগুলোর একটি কেটেছিল ভারতের ওডিশায়। সঠিক সময়টা মনে নেই, কিন্তু মনে আছে সেটা নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি। আমি তখন কাজ করছিলাম সন্দীপ রায় পরিচালিত টার্গেট সিনেমায়। ছবিতে আমার সহশিল্পী ছিলেন ওম পুরী। কোরবানির ঈদের দিনও চলছিল শুটিং।
ইউনিটের সবাই এত আন্তরিক ছিলেন যে আমাকে কখনোই বিদেশে আছি, এমনটা বুঝতে দেননি। শুটিং পেছানোর সুযোগ থাকলেও আমি নিজেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। মনে হয়েছিল, ঈদ তো জীবনে আবার আসবে।

কিন্তু এত মানুষের শিডিউল একবার নষ্ট হলে সেটি মেলানো কঠিন। তাই কাজটাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছিল। সেবার ঈদের দিনেও কাজ করেছিলাম।
আমার কাছে কোরবানির ঈদ শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি জীবনের গভীর এক শিক্ষা। ত্যাগ, ভালোবাসা আর ভাগাভাগির শিক্ষা। এই ঈদ আমাদের শেখায়, মানুষ তার সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান জিনিসও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ করতে পারে।
সেই ত্যাগের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে আত্মশুদ্ধি, বিনয় ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার এক সুন্দর বার্তা। কোরবানির মাধ্যমে শুধু একটি পশু উৎসর্গ করা হয় না, বরং মানুষের ভেতরের অহংকার, লোভ ও স্বার্থপরতাও ত্যাগের প্রতীকী চর্চাও হয়। সেই ত্যাগের আনন্দই শেষ পর্যন্ত সমাজে সহমর্মিতা, ভাগাভাগি আর মানবিকতার সম্পর্ক আরও সুন্দর করে তোলে।
এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা আমার জীবনে বিশেষ আনন্দ নিয়ে এসেছে। বহুদিনের স্বপ্ন ছিল হজ পালন করার। নানা কারণে কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েও যাওয়া হয়নি। অবশেষে এবার সৌদি আরবে হজ পালন করতে এসেছি।
পরিবারের সদস্যরাও আমার সঙ্গে আছে। মনে হচ্ছে, জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ঈদটা এবারই কাটতে যাচ্ছে। পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে অন্য রকম এক অনুভূতির মধ্যে আছি।
অনুলিখন: মনজুর কাদের
ভারতের পাঞ্জাবি গায়িকা ইন্দর কৌরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার লুধিয়ানার একটি খাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১৩ মে থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
কে এই ইন্দর কৌর
পাঞ্জাবি সংগীতের জনপ্রিয় শিল্পীদের একজন তিনি। ‘আফগান জট্টি’, ‘সোহনা লাগদা’, ‘লানেদারনি’, ‘দেশি সিরে দে’, ‘সোনে দি ওয়াং’সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান গেয়েছেন ইন্দর কৌর।
গানের পাশাপাশি মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করতেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারী প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার।
ইন্দর কৌরের সঙ্গে কী ঘটেছিল
তাঁর ভাই জোটিন্দর সিং পুলিশের কাছে করা অভিযোগে বলেন, ১৩ মে রাত সাড়ে আটটার দিকে বাজার করতে বাড়ি থেকে বের হন ইন্দর কৌর। তিনি আর না ফেরায় পরিবার মোগার ভালুর গ্রামের বাসিন্দা সুখবিন্দর সিং ওরফে সুখাকে সন্দেহ করে।
পরিবারের অভিযোগ, সুখবিন্দর তাঁকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, প্রায় তিন বছর আগে ইনস্টাগ্রামে তাঁদের পরিচয় হয় এবং পরে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কিন্তু সুখবিন্দর যে আগে থেকেই বিবাহিত এবং তাঁর সন্তান রয়েছে, তা জানার পর ইন্দর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
পুলিশের সন্দেহ, ১৩ মে সুখবিন্দর ও তাঁর সহযোগীরা ইন্দর কৌরের গাড়ির পথরোধ করে অস্ত্রের মুখে তাঁকে অপহরণ করে। পরে তাঁকে হত্যা করে মরদেহ নীলো খালে ফেলে দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের ধারণা, হত্যাকাণ্ডের আগে আগে তিনি কানাডা থেকে নেপাল হয়ে পাঞ্জাবে আসেন এবং হত্যার পর একই পথে আবার কানাডায় পালিয়ে যান।
কৌরের মরদেহ উদ্ধার করে সামরালার সিভিল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, সময়মতো ব্যবস্থা নিলে হয়তো তাঁর জীবন বাঁচানো যেত। পরিবার জানায়, ১৫ মে জামালপুর থানায় সুখবিন্দর সিং ও তাঁর সহযোগী করমজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।
থানার কর্মকর্তা বলবীর সিং বলেন, সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্ত ও পলাতক সহযোগীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে
‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ দিয়ে বাংলাদেশের সিনেমায় অভিষেক হয়েছে কলকাতার অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব এই অভিনেত্রী। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য—






‘কিছু ঘটনা মানুষ কখনো ভুলে যেতে পারে না—সময় কেবল তাকে চুপ করে বাঁচতে শেখায়’। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ তেমন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন। যে স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়া করে ফেরে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রিয়ন্তী উর্বী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।
‘কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

সে ঘটনা প্রসঙ্গে প্রিয়ন্তী উর্বী আরও লিখেছেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’
সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দেশে সব শ্রেণির মানুষ প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। বিচার চাইছেন। এ ঘটনায় অনেক তারকাই প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সে ঘটনা নিয়েই নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেছেন এই অভিনেত্রী।

উর্বী লিখেছেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’
সবশেষে প্রিয়ন্তী উর্বী লিখেছেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’