• Colors: Yellow Color

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে নিয়ে আবেগঘন একটি বার্তা শেয়ার করেছেন আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী । বিয়ের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’ তাঁর এ পোস্ট ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘স্ট্রেইট কাট’সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিতি পাওয়া দীপ্তি চৌধুরীর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা আজ শুক্রবার সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ অনুষ্ঠিত হয়। পারিবারিক আয়োজনে সম্পন্ন হওয়া এ অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন।

দীপ্তি চৌধুরীর স্বামীর নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। পেশায় তিনি শিক্ষক ও গবেষক। উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন তিনি। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করার পর বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন একাডেমিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত।

বরের সঙ্গে দীপ্তি চৌধুরী
বরের সঙ্গে দীপ্তি চৌধুরীফেসবুক থেকে

বিয়ের খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরীর পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘আজ আক্দ হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে। সবার কাছে দীপ্তির নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাই।’
এরপর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিয়ের আরও কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মুহূর্তে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে স্বামীকে ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন করে লেখা তাঁর আবেগঘন বার্তাটি দ্রুতই নজর কাড়ে নেটিজেনদের।

কনের সাজে দীপ্তি চৌধুরী
কনের সাজে দীপ্তি চৌধুরীফেসবুক থেকে

পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা বইছে। সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরীকে ঘিরে আলোচনা চলছে। অনেকেই তাঁর নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়ে পোস্ট ও মন্তব্য করছেন। নতুন এ অধ্যায়ে পা রাখা দীপ্তি ও মুশতাক ইবনে আইয়ুবের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তাঁদের ভক্ত-অনুরাগীরাও।

পারিবারিক আয়োজনে সম্পন্ন হওয়া এ অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন
পারিবারিক আয়োজনে সম্পন্ন হওয়া এ অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেনফেসবুক থেকে

প্রসঙ্গত, দীপ্তির ব্যবহৃত বাক্যটি মূলত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাসের সংলাপের অনুকরণে লেখা। মূল লেখায় হুমায়ূন আহমেদ লিখেছিলেন, ‘ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছ! তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।’ সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে বহুল পরিচিত এ সংলাপকে নিজের বাস্তব জীবনের আবেগের সঙ্গে মিলিয়ে ‘ডাক্তার সাহেব’-এর জায়গায় ‘মাস্টার সাহেব’ ব্যবহার করেছেন দীপ্তি। ফলে তাঁর বিয়ের ছবির সঙ্গে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত বার্তাটি শুধু ভালোবাসার প্রকাশই নয়, হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যজগতের প্রতি একধরনের নস্টালজিক ইঙ্গিত বললে বাড়াবাড়ি হবে না।

ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মুহূর্তে দেখা যায়
ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মুহূর্তে দেখা যায়ফেসবুক থেকে

কয়েক মাস ধরে বিনোদন অঙ্গনের কোনো আড্ডায় পাওয়া যায়নি চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীকে। এমনকি সব ধরনের শুটিং থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। ওই সময় গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, আবার মা হতে যাচ্ছেন শবনম বুবলী। তবে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে বিষয়টি বরাবরই এড়িয়ে গেছেন এই ঢালিউড তারকা। দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকার পর শুক্রবার যেন আড়ালে থাকার বিরতি ভাঙলেন। ভক্তদের জানালেন সুখবর। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানালেন, গত মাসে মা হয়েছেন তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই ফটোকার্ডটি পোস্ট করে কন্যা সন্তানের খবরটি জানান শবনম বুবলী
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই ফটোকার্ডটি পোস্ট করে কন্যা সন্তানের খবরটি জানান শবনম বুবলী

আজ শুক্রবার বিকেলে চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সন্তানের মা হওয়ার খবরটি জানান।

সন্তান শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে এক ফ্রেমে শাকিব খান ও শবনম বুবলী
সন্তান শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে এক ফ্রেমে শাকিব খান ও শবনম বুবলী, ছবি: ফেসবুক থেকে
 

ফেসবুক পোস্টে শবনম বুবলী লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।’

শবনম বুবলী
শবনম বুবলী, ছবি: ফেসবুক থেকে
 

শবনম বুবলী একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি জানান। ফটোকার্ডে তিনি লিখেছেন, গত ১১ মে তিনি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে শারলিন খান। শাকিব খানকে ট্যাগ করে বুবলী তাঁর মা হওয়ার খবরটি ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন। বুবলীর এই পোস্টে ৩০ মিনিটের মধ্যে ১৮ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে, মন্তব্য এসেছে তিন হাজারের বেশি আর বুবলীর পোস্টটি শেয়ার হয়েছে চার শতাধিক। ভক্ত–শুভাকাঙ্ক্ষীরা বুবলীর কন্যাসন্তান আগমনের খবরে শুভকামনা জানাচ্ছেন।

শবনম বুবলী
শবনম বুবলী
 

২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে শাকিব–বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্ম হয়। দুই বছর পর ২০২২ সালে সন্তান জন্মের খবরটি একসঙ্গে প্রকাশ্যে আনেন এই দুই তারকা। তবে এবার এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই কন্যাসন্তান জন্মের খবরটি প্রকাশ্যে আনলেন বুবলী।

ঈদ আয়োজনের শেষ দিনেও ছোট পর্দায় কমেনি ব্যস্ততা। দিনের শুরু থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে থাকছে নতুন নাটক, টেলিফিল্ম, গান ও ধারাবাহিকের বিশেষ পর্ব। কোথাও পারিবারিক গল্প, কোথাও ভালোবাসা, আবার কোথাও হাস্যরস আর আবেগের মিশেলে তৈরি আয়োজন। আজকের পর্দায় দেখা যাবে মোশাররফ করিম, মুশফিক আর ফারহান, কেয়া পায়েল, জোভান, তটিনী, সজলসহ জনপ্রিয় অনেক অভিনয়শিল্পীকে। সাত দিনের ঈদ আয়োজনের শেষ দিনের টিভি সূচি নিয়ে বিনোদনের বিশেষ আয়োজন—পর্ব ২।

বৈশাখী টেলিভিশন
বেলা ১১টায় ‘গানে গানে ঈদ আনন্দ’। অতিথি: কণ্ঠশিল্পী আতিক হাসান, প্রিয়াংকা বিশ্বাস। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘অবশেষে জিরো’। অভিনয়ে আবদুল্লাহ রানা, মাসুম বাশার, আইরিন তানি, শাকিলা পারভিন। বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘ঝগড়াটে পরিবার’। অভিনয়ে শিবলী নোমান, পূর্ণিমা বৃষ্টি। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘কফিলের মেয়ে’। অভিনয়ে জেবা জান্নাত, সবুজ আহমেদ, সোহাগ। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘মোগো বাড়ি বরিশাল’। অভিনয়ে রাশেদ সীমান্ত, নাবিলা ইসলাম। রাত ৮টা ১০ মিনিটে নাটক ‘শেকড়’। অভিনয়ে শামীম হাসান সরকার, তাসনুভা তিশা।

রাত ৯টা ২০ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘ভাত হাসান’। অভিনয়ে মোশাররফ করিম, রোবেনা রেজা জুঁই। রাত ১০টায় ধারাবাহিক নাটক ‘সাক্ষী মফিজ’। অভিনয়ে মীর সাব্বির, ময়মুনা মম, সুজাত শিমুল। রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘দিল মোহাব্বত’। অভিনয়ে জাকিয়া বারী মম, আরফান আহমেদ। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে মেগা নাটক ‘হৃদয়ে তুমি’। অভিনয়ে সজল, নাদিয়া মিম, শতাব্দী ওয়াদুদ।

 ‘আদরের দুলাভাই’ নাটকে মোশাররফ করিম
‘আদরের দুলাভাই’ নাটকে মোশাররফ করিমমাছরাঙা

 

মাছরাঙা
বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে নাটক ‘বুকের ভেতর আগুন’। অভিনয়ে মুশফিক ফারহান, কেয়া পায়েল। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘লাভ স্টেশন’। অভিনয়ে চঞ্চল চৌধুরী, মৌসুমী হামিদ। রাত ৮টায় নাটক ‘সুখের গল্প’। অভিনয়ে জোভান, কেয়া পায়েল। রাত ৯টা ১০ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘আদরের দুলাভাই’। অভিনয়ে মোশাররফ করিম, রোবেনা রেজা জু্ঁই। রাত ১০টা ২০ মিনিটে নাটক ‘ভালোবাসার গল্প’। অভিনয়ে ইয়াশ রোহান, তটিনী। রাত ১১টা ৩০ মিনিটে টেলিফিল্ম ‘বাড়ির ছোট ছেলে’। অভিনয়ে মুশফিক আর ফারহান, হিমি।

এনটিভি
বেলা ২টা ২০ মিনিটে টেলিফিল্ম ‘একজন শফিক সাহেব’। অভিনয়ে আইশা খান, শরাফ আহমেদ জীবন। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ধারাবাহিক নাটক ‘মা বাবা ভাই বোন’। অভিনয়ে শহীদুজ্জামান সেলিম, সাবেরী আলম, নিশাত প্রিয়ম, আবু হুরায়রা তানভীর, শবনম ফারিয়া। সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে নাটক ‘ভালোবাসি তাই’। অভিনয়ে সাদ সালমি নাওভী, ইন্দ্রানী নিশি। রাত ৯টা ১০ মিনিটে নাটক ‘কাইজ্জা’। অভিনয়ে মোশাররফ করিম, নীলাঞ্জনা নীলা। রাত ১১টা ৫ মিনিটে নাটক ‘জীবন সংসার’। অভিনয়ে জাহের আলভী, ইফফাত আরা তিথি।

নব্বইয়ের দশকে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত ও সাহসী অভিনেত্রীদের একজন ছিলেন পূজা ভাট। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের স্পষ্টভাষিতা ও প্রচলিত ধারণার বাইরে চলার কারণে প্রায়ই খবরের শিরোনামে উঠে আসতেন তিনি। সেই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ছিল একটি ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের জন্য বডি পেইন্টে ফটোশুট করা। ছবিটি অনুপ্রাণিত ছিল হলিউড তারকা ডেমি মুরের বিখ্যাত ভ্যানিটি ফেয়ারের কভারের আদলে।

ছবিটি প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছিল। অনেকেই এটিকে সাহসী উদ্যোগ হিসেবে দেখেছিলেন, আবার অনেকে সমালোচনাও করেছিলেন। তবে তিন দশকের বেশি সময় পর পূজা ভাট বলেন, সেই ফটোশুটের উদ্দেশ্য কখনোই বিতর্ক সৃষ্টি করা ছিল না।

সম্প্রতি সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির সঙ্গে আলাপে পূজা ভাট ফিরে দেখেছেন সেই বহুল আলোচিত কভারের পেছনের গল্প, জনমতের প্রতিক্রিয়া এবং কেন তিনি মনে করেন, মানুষ ছবিটিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।

‘ডেমি মুরকে অসাধারণ লাগছিল’
পূজা ভাটের ভাষ্য অনুযায়ী, ফটোশুটটি কোনো উত্তেজনা বা বিতর্ক তৈরির পরিকল্পনা থেকে করা হয়নি; বরং প্রথম দেখাতেই তিনি ধারণাটি পছন্দ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘একদল মানুষের কাছ থেকে আমি প্রচুর সমালোচনা পেয়েছিলাম, আবার আরেক দল মানুষের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসাও পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার কাছে এটি কখনোই বিতর্ক তৈরির জন্য করা হয়নি।’

পূজা জানান, সাংবাদিক দিনেশ রাহেজা তাঁকে ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ডেমি মুরের সেই বিখ্যাত প্রচ্ছদটি দেখিয়েছিলেন।

‘দিনেশ রাহেজা, যাঁর প্রতি আজও আমার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে, তিনি আমাকে ডেমি মুরের কভার দেখান। দিনেশ ও জিতু আমার সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, “পূজা, এই কভারটা দেখো।” আমি ছবিটি দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ডেমি মুরকে দারুণ লাগছিল। তাঁরা বললেন, এ ধরনের একটি ছবি পুনর্নির্মাণ করতে চান এবং জানতে চাইলেন, আমি রাজি কি না। আমি সঙ্গে সঙ্গেই বলেছিলাম, অবশ্যই।’
পরে যখন পূজা জানতে চান, বডি পেইন্টের কাজ কে করবেন, তখন তাঁকে বলা হয় ফ্যাশন ডিজাইনার আনা সিং এই দায়িত্বে থাকবেন।

সিনেমার দৃশ্যে পূজা ভাট। আইএমডিবি
সিনেমার দৃশ্যে পূজা ভাট। আইএমডিবি

ব্যস্ত শিডিউলের মধ্যেই ফটোশুট
পূজা জানান, ফটোশুটটি হয়েছিল অত্যন্ত ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো কাজ শেষ করা হয়েছিল।

‘আমি তখন “ফির তেরি কাহানি ইয়াদ আয়ি” ছবির “তেরে দর পার সনম” গানের শুটিং করছিলাম। রাত প্রায় সাড়ে নয়টার দিকে কাজ শেষ করে আমি আলোকচিত্রী জগদিশ মালির বাড়িতে যাই। সেখানে আমার শরীরে পেইন্ট করা হয় এবং ফটোশুট সম্পন্ন হয়। এরপর বিষয়টি আমি একেবারেই ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু ম্যাগাজিনটি প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়,’ বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ ‘ম্যাগাজিনটি বের হওয়ার পর বেশ হইচই পড়ে যায়। তবে এরপরই শহরে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। বোমা হামলার মতো ভয়ংকর ট্র্যাজেডি ঘটে যায়। স্বাভাবিকভাবেই তখন মানুষের ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল না কোনো নারী নিজের শরীরে রং করে ছবি তুলেছেন কি না।’

‘আমি ছবিতে নগ্ন ছিলাম না’
এই কভারকে ঘিরে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলোর একটি ছিল, পূজা ভাট নাকি সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় ছবি তুলেছিলেন। সেই ধারণা সরাসরি খণ্ডন করেছেন অভিনেত্রী।
পূজা বলেন, ‘আমি ওই ছবিতে নগ্ন ছিলাম না। ডেমি মুরের ক্ষেত্রে “বার্থডে স্যুট” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল, যার অর্থ তিনি বডি পেইন্টের নিচে সম্পূর্ণ নগ্ন ছিলেন। কিন্তু আমি তা ছিলাম না।’

পূজা আরও বলেন, ‘আমি অন্তর্বাস পরে ছিলাম। কারণ, আমরা খুব ভালোভাবেই জানতাম, সীমারেখা কোথায় এবং আমরা সেই সীমা অতিক্রম করিনি।’
তাঁর মতে, ছবিটি সেই সময়ের জন্য অনেকের কাছে সাহসী মনে হতে পারে, কিন্তু এর উদ্দেশ্য কাউকে চমকে দেওয়া ছিল না।

পূজা ভাট। আইএমডিবি
পূজা ভাট। আইএমডিবি

‘আমি শুধু নিজের মতো ছিলাম’
পূজা ভাট মনে করেন, মানুষের কাছে ছবিটি হয়তো দুঃসাহসিক বা অকল্পনীয় মনে হয়েছিল। তবে তাঁর কাছে এটি ছিল একটি নান্দনিক ধারণার বাস্তবায়ন।
‘হয়তো অনেকের কাছে এটি খুব সাহসী বা অকল্পনীয় মনে হয়েছিল। কিন্তু আমি এটি করেছি কারণ ধারণাটি আমার ভালো লেগেছিল। যাঁদের সঙ্গে কাজ করছিলাম, তাঁদের ওপর আমার আস্থা ছিল। তাই কাজটি করেছি। বিতর্ক সৃষ্টি করার কোনো ইচ্ছা ছিল না। আমি শুধু নিজের মতো ছিলাম।’

কেন এখনো আলোচনায় সেই ছবি?
তিন দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ছবিটি এখনো আলোচনায় আসে—এ বিষয়টি তাঁকে অবাক করে।

পূজা বলেন, ‘সম্প্রতি আবারও ছবিটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে এটিকে “কাল্ট ইমেজ” বলছেন। কিন্তু এ ধরনের কিছু পরিকল্পনা করে তৈরি করা যায় না। আমি শুধু নিজের মতো ছিলাম। সমস্যা হলো, আমরা এখন এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যেখানে মিথ্যার আধিক্য এত বেশি যে সত্যটাই আজ বিতর্কিত হয়ে উঠেছে।’

‘তখন ভাইরাল হওয়ার চিন্তা ছিল না’
এর আগেও সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই ছবি নিয়ে কথা বলেছিলেন পূজা ভাট। তখনো তিনি বলেছিলেন, পুরো বিষয়টিকে তিনি শিল্পের চোখে দেখেছিলেন।

‘আমি ডেমি মুরের আসল ছবিটি দেখেছিলাম এবং সেটিকে খুব নান্দনিক মনে হয়েছিল। আমি কখনো ভাবিনি যে আমি কোনো বিতর্কিত কাজ করছি। সবকিছু নির্ভর করে উদ্দেশ্যের ওপর। আমার কাছে এটি ছিল নান্দনিক একটি কাজ,’ বলেন তিনি।
পূজা আরও বলেন, ‘তখন তো ভাইরাল শব্দটাই ছিল না। আমরা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতাম। কখনো সফল হতো, কখনো হতো না। কখনো বিতর্ক তৈরি হতো, তখন মাথা নিচু করে থাকতে হতো। আবার কখনো মানুষ সেটিকে ভীষণ পছন্দ করত।’

পূজা ভাটের মতে, সেই আলোচিত প্রচ্ছদের পেছনে ছিল না কোনো প্রচারণার কৌশল বা বিতর্কের নকশা; বরং এটি ছিল শিল্প, আস্থা এবং নিজের প্রতি সৎ থাকার একটি প্রকাশ—যা আজও আলোচনায় থেকে গেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

মাতৃত্বকালীন বিরতির পর নতুন উদ্যমে কাজে ফিরছেন কিয়ারা আদভানি। শিগগিরই মুক্তি পাবে অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত ছবি ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’। এই ছবিকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। কারণ, ‘কেজিএফ ২’-এর ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর দীর্ঘ বিরতি ভেঙে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন যশ। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো যশ ও কিয়ারাকে একসঙ্গে দেখতে মুখিয়ে আছেন দর্শকেরা।
ভারতীয় গণমাধ্যমে ছবিটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল ঘোষণার পর থেকেই।

অ্যাকশন, আবেগ আর গাঢ় নাটকীয়তার মিশেলে নির্মিত এই ছবির পরিচালক জাতীয় পুরস্কারজয়ী নির্মাতা গীতু মোহনদাস। এর আগে তাঁর নির্মাণশৈলী ও চরিত্রনির্ভর গল্প বলার ধরন প্রশংসিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। ফলে যশের মতো বড় তারকা ও গীতুর মতো নির্মাতার সমন্বয় শুরু থেকেই কৌতূহল তৈরি করেছে।

সম্প্রতি বম্বে টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘টক্সিক’–এ কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন কিয়ারা। তিনি জানান, এই ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য অন্য রকম ছিল। বিশেষ করে পরিচালক গীতু মোহনদাসের কাজের ধরন তাঁকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। ‘গীতু আমাকে আগেই বলে দিয়েছিলেন, ‘তুমি যখন সেটে আসবে, আমি চাই তুমি পুরোপুরি তোমার চরিত্রের মধ্যে থাকো।’ বললেন কিয়ারা। এ তারকা জানালেন, তিনি সাধারণত সেটে গিয়ে সবার সঙ্গে ‘হাই’, ‘হ্যালো, ‘গুড মর্নিং’ বলেন। কিন্তু পরিচালক স্পষ্ট করে বলেছিলেন, কোনো আনুষ্ঠানিকতা চাই না। সরাসরি চরিত্রের জোনে চলে যেতে। কারও সঙ্গে হাই-হ্যালো নয়, এমনকি নিজের টিমের সঙ্গেও নয়। শুরুতে বিষয়টি কিয়ারার কাছে কিছুটা অস্বস্তিকর মনে হয়েছিল। কারণ, তিনি বরাবরই প্রাণবন্ত পরিবেশে কাজ করতে অভ্যস্ত। কিন্তু পরে তিনি বুঝতে পারেন, পরিচালক আসলে চরিত্রের আবেগ ও মানসিক অবস্থাকে বাস্তবভাবে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘ধীরে ধীরে আমি বিষয়টা উপভোগ করতে শুরু করি। এতে চরিত্রের ভেতরে দীর্ঘ সময় ধরে থাকা সহজ হয়েছে।’

‘টক্সিক’ –এ কিয়ারা ও যশ। এক্স থেকে
‘টক্সিক’ –এ কিয়ারা ও যশ। এক্স থেকে

শুধু মানসিক প্রস্তুতিই নয়, ভাষাগত দিক থেকেও ‘টক্সিক’ কিয়ারার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, এই ছবির অনেক দৃশ্য তাঁকে কন্নড় ভাষায় অভিনয় করতে হয়েছে। কিয়ারা বলেন, ‘এটাই প্রথমবার, যখন আমরা একই দৃশ্য ইংরেজি ও কন্নড়—দুই ভাষায় শুট করেছি। প্রথমে ইংরেজিতে দৃশ্যটি করা হতো। নিখুঁত টেক পাওয়ার পর আবার কন্নড়ে একই দৃশ্য ধারণ করা হতো। কন্নড় তো আমার ভাষা নয়। ফলে প্রতিদিন শুটিংয়ের আগে আমাকে আগের রাতেই সংলাপ মুখস্থ করতে হতো। শুধু উচ্চারণ ঠিক করাই নয়, আবেগটাও একইভাবে ধরে রাখতে হতো। এটা সত্যিই কঠিন ছিল।’
বলিউডে বহু অভিনেতা দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে কাজ করলেও ভাষাগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে খুব কম তারকাই এত খোলামেলা কথা বলেন। কিয়ারার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, চরিত্রের জন্য তাঁর এই প্রস্তুতি ছবিটির প্রতি তাঁর আন্তরিকতারই প্রমাণ।

টক্সিক ছবিটি নিয়ে আগ্রহের আরেকটি কারণ যশ। ‘কেজিএফ’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সাফল্যের পর তিনি ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় তারকায় পরিণত হন। বিশেষ করে ‘কেজিএফ ২’ বিশ্বজুড়ে বিপুল ব্যবসা করার পর দর্শকেরা অপেক্ষায় ছিলেন তাঁর নতুন ছবির ঘোষণার জন্য। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসে টক্সিক। শুরু থেকেই ছবিটিকে প্যান ইন্ডিয়া পরিসরে নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে ভারতজুড়ে ছবিটির বাজার ও প্রত্যাশা দুটোই বড়।

ছবিটিতে যশ ও কিয়ারা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন নয়নতারা, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত ও তারা সুতারিয়া। বড় তারকাবহুল এই কাস্ট ছবিটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে নয়নতারার যুক্ত হওয়াকে অনেকেই ছবির বড় চমক হিসেবে দেখছেন।

কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

কেভিএন প্রোডাকশনস ও মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনসের ব্যানারে নির্মিত ‘টক্সিক’ প্রথমে ৪ জুন মুক্তির কথা ছিল। তবে পরে নির্মাতারা মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেন। এখনো নতুন মুক্তির দিন ঘোষণা করা হয়নি। যদিও দর্শকদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটির আপডেট, পোস্টার ও তারকাদের মন্তব্য ঘিরে আলোচনা আরও বাড়ছে।

মাতৃত্বকালীন বিরতির পর নতুন উদ্যমে কাজে ফিরছেন কিয়ারা আদভানি। শিগগিরই মুক্তি পাবে অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত ছবি ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’। এই ছবিকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। কারণ, ‘কেজিএফ ২’-এর ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর দীর্ঘ বিরতি ভেঙে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন যশ। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো যশ ও কিয়ারাকে একসঙ্গে দেখতে মুখিয়ে আছেন দর্শকেরা।
ভারতীয় গণমাধ্যমে ছবিটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল ঘোষণার পর থেকেই।

অ্যাকশন, আবেগ আর গাঢ় নাটকীয়তার মিশেলে নির্মিত এই ছবির পরিচালক জাতীয় পুরস্কারজয়ী নির্মাতা গীতু মোহনদাস। এর আগে তাঁর নির্মাণশৈলী ও চরিত্রনির্ভর গল্প বলার ধরন প্রশংসিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। ফলে যশের মতো বড় তারকা ও গীতুর মতো নির্মাতার সমন্বয় শুরু থেকেই কৌতূহল তৈরি করেছে।

সম্প্রতি বম্বে টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘টক্সিক’–এ কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন কিয়ারা। তিনি জানান, এই ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য অন্য রকম ছিল। বিশেষ করে পরিচালক গীতু মোহনদাসের কাজের ধরন তাঁকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। ‘গীতু আমাকে আগেই বলে দিয়েছিলেন, ‘তুমি যখন সেটে আসবে, আমি চাই তুমি পুরোপুরি তোমার চরিত্রের মধ্যে থাকো।’ বললেন কিয়ারা। এ তারকা জানালেন, তিনি সাধারণত সেটে গিয়ে সবার সঙ্গে ‘হাই’, ‘হ্যালো, ‘গুড মর্নিং’ বলেন। কিন্তু পরিচালক স্পষ্ট করে বলেছিলেন, কোনো আনুষ্ঠানিকতা চাই না। সরাসরি চরিত্রের জোনে চলে যেতে। কারও সঙ্গে হাই-হ্যালো নয়, এমনকি নিজের টিমের সঙ্গেও নয়। শুরুতে বিষয়টি কিয়ারার কাছে কিছুটা অস্বস্তিকর মনে হয়েছিল। কারণ, তিনি বরাবরই প্রাণবন্ত পরিবেশে কাজ করতে অভ্যস্ত। কিন্তু পরে তিনি বুঝতে পারেন, পরিচালক আসলে চরিত্রের আবেগ ও মানসিক অবস্থাকে বাস্তবভাবে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘ধীরে ধীরে আমি বিষয়টা উপভোগ করতে শুরু করি। এতে চরিত্রের ভেতরে দীর্ঘ সময় ধরে থাকা সহজ হয়েছে।’

‘টক্সিক’ –এ কিয়ারা ও যশ। এক্স থেকে
‘টক্সিক’ –এ কিয়ারা ও যশ। এক্স থেকে

শুধু মানসিক প্রস্তুতিই নয়, ভাষাগত দিক থেকেও ‘টক্সিক’ কিয়ারার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, এই ছবির অনেক দৃশ্য তাঁকে কন্নড় ভাষায় অভিনয় করতে হয়েছে। কিয়ারা বলেন, ‘এটাই প্রথমবার, যখন আমরা একই দৃশ্য ইংরেজি ও কন্নড়—দুই ভাষায় শুট করেছি। প্রথমে ইংরেজিতে দৃশ্যটি করা হতো। নিখুঁত টেক পাওয়ার পর আবার কন্নড়ে একই দৃশ্য ধারণ করা হতো। কন্নড় তো আমার ভাষা নয়। ফলে প্রতিদিন শুটিংয়ের আগে আমাকে আগের রাতেই সংলাপ মুখস্থ করতে হতো। শুধু উচ্চারণ ঠিক করাই নয়, আবেগটাও একইভাবে ধরে রাখতে হতো। এটা সত্যিই কঠিন ছিল।’
বলিউডে বহু অভিনেতা দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে কাজ করলেও ভাষাগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে খুব কম তারকাই এত খোলামেলা কথা বলেন। কিয়ারার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, চরিত্রের জন্য তাঁর এই প্রস্তুতি ছবিটির প্রতি তাঁর আন্তরিকতারই প্রমাণ।

টক্সিক ছবিটি নিয়ে আগ্রহের আরেকটি কারণ যশ। ‘কেজিএফ’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সাফল্যের পর তিনি ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় তারকায় পরিণত হন। বিশেষ করে ‘কেজিএফ ২’ বিশ্বজুড়ে বিপুল ব্যবসা করার পর দর্শকেরা অপেক্ষায় ছিলেন তাঁর নতুন ছবির ঘোষণার জন্য। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসে টক্সিক। শুরু থেকেই ছবিটিকে প্যান ইন্ডিয়া পরিসরে নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে ভারতজুড়ে ছবিটির বাজার ও প্রত্যাশা দুটোই বড়।

ছবিটিতে যশ ও কিয়ারা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন নয়নতারা, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত ও তারা সুতারিয়া। বড় তারকাবহুল এই কাস্ট ছবিটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে নয়নতারার যুক্ত হওয়াকে অনেকেই ছবির বড় চমক হিসেবে দেখছেন।

কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

কেভিএন প্রোডাকশনস ও মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনসের ব্যানারে নির্মিত ‘টক্সিক’ প্রথমে ৪ জুন মুক্তির কথা ছিল। তবে পরে নির্মাতারা মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেন। এখনো নতুন মুক্তির দিন ঘোষণা করা হয়নি। যদিও দর্শকদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটির আপডেট, পোস্টার ও তারকাদের মন্তব্য ঘিরে আলোচনা আরও বাড়ছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব