• Colors: Green Color

‘খেলাধুলার অস্কার’খ্যাত লরিয়াস বর্ষসেরা পুরস্কার অনুষ্ঠানে এবার আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিল টেনিস। শীর্ষ দুই পুরস্কারের দুটিই নিজেদের করে নিয়েছেন দুই টেনিস তারকা। বর্ষসেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন স্প্যানিশ টেনিস তারকা কার্লোস আলকারাজ এবং বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা।

ক্যারিয়ারে প্রথমবার এ পুরস্কার পেলেন আলকারাজ ও সাবালেঙ্কা। মাদ্রিদের সিবেলেস প্যালেসে গতকাল রাতে এক জমকালো অনুষ্ঠানে দেওয়া হয় এ পুরস্কার। যেখানে বর্ষসেরা তরুণ ক্রীড়াবিদের পুরস্কার উঠেছে বার্সেলোনার ১৮ বছর বয়সী স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামালের হাতে। ২০২৬ সালের এ আয়োজন উপস্থাপনা করেন ক্রীড়াজগতের দুই তারকা নোভাক জোকোভিচ ও আইলিন গু।

টেনিসে গত বছরটা দারুণ কেটেছে ২২ বছর বয়সী আলকারাজের। ফ্রেঞ্চ ওপেন ও ইউএস ওপেন জিতেছেন। আর এ সাফল্যের কারণেই বর্ষসেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদের পুরস্কার পেয়েছেন ইয়ামাল। পুরস্কার পেয়ে আলকারাজ বলেছেন, ‘যাঁরা খেলাধুলা এত গভীরভাবে বোঝেন, তাঁদের কাছ থেকে এ স্বীকৃতি পাওয়া আরও বেশি অর্থবহ। এই রাত আমি কোনো দিন ভুলব না, হৃদয়ে গেঁথে থাকবে সব সময়।’

নারীদের শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কা গত বছর জিতেছিলেন ইউএস ওপেন। এটি ছিল তাঁর চতুর্থ গ্র্যান্ড স্লাম। পুরস্কার হাতে নিয়ে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘আমি এখন কাঁপছি! আমার নামটা যেসব কিংবদন্তি খেলোয়াড়ের পাশে লেখা হবে, যাঁদের দেখে বড় হয়েছি, যাঁদের অনুসরণ করেছি। বিষয়টা ভাবতেই একটু অবিশ্বাস্য লাগছে।’
বর্ষসেরা স্পোর্টিং ইনস্পাইরেশন পুরস্কার জিতেছেন টনি ক্রুস
বর্ষসেরা স্পোর্টিং ইনস্পাইরেশন পুরস্কার জিতেছেন টনি ক্রুস, এএফপি

বর্ষসেরা তরুণ ক্রীড়াবিদের পুরস্কার গ্রহণের পর ইয়ামাল বলেছেন, ‘আমি এই পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত। এটা আমার জন্য বড় সম্মানের। আমি একাডেমিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমার পরিবারকে—আমার মা, যিনি আমার ভাইকে নিয়ে বাসায় আছেন, আমার বাবা, আমার দাদি, আমার সতীর্থরা এবং সেই দলকে, যারা সব সময় আমাকে সমর্থন দেয়।’

লরিয়াসে দুবার বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জেতা লিওনেল মেসিকেও স্মরণ করেন ইয়ামাল, ‘আমার কাছে লিওনেল মেসি ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়। সব খেলাধুলার মধ্যে তিনি সেরা কি না, জানি না, তবে না হলেও খুব কাছাকাছি আছেন। তিনি একজন আদর্শ। তিনি যা অর্জন করেছেন, তার জন্য সবাই তাঁকে সম্মান করে।’

বর্ষসেরা দল নির্বাচিত হয়েছে পিএসজি। গত মৌসুমে ট্রেবল জয়ের পথে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে ফ্রান্সের ক্লাবটি।

[caption id="attachment_272080" align="alignnone" width="622"] কার্লোস আলকারাজ এবং বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা, তরণ ক্রীড়াবিদ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল।[/caption]
 
 

৮৭ বল হাতে রেখে জিতল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১–১ ব্যবধানে সমতায় বাংলাদেশ।

আজ শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৮৭ বল হাতে রেখে জিতল বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ২৫ বলে ৮ এবং তাওহিদ হৃদয় ৩১ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ষষ্ঠ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটপি গড়ে জেতান দুজন।

নিউজিল্যান্ডের ১৯৮ রান তাড়ায় ৪ ওভারের মধ্যে ২১ রানে সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে ১১০ রানের জুটি গড়েন তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন। ৭৬ রান করেন তানজিদ। নাজমুল ৫০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন।

(অব্যবহৃত) বলের হিসাবে ওয়ানডেতে এটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বড় জয়। ২০২৩ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৯ বল হাতে রেখে জিতেছে বাংলাদেশ।

আজ বাংলাদেশের জয়ের ভিত ফিল্ডিংয়েই গড়ে দেন ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। ৩২ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি।

আগামী বৃহষ্পতিবার চট্টগ্রামে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউজিল্যান্ড: ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ (কেলি ৮৩, আব্বাস ১৯, স্মিথ ১৮ *; নাহিদ ৫/৩২, শরীফুল ২/৩২, সৌম্য ১/২৭, তাসকিন ১/৪৬)।

বাংলাদেশ: ৩৫.৩ ওভারে ৪/১৯৯ (তানজিদ ৭৬, নাজমুল ৫০*, হৃদয় ৩০, লেনক্স ২/৩৬, স্মিথ ১/৪৬)।

ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা: নাহিদ রানা

সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে ১–১ ব্যবধানে সমতায় বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ড: ৩৬.৩ ওভারে ১৪৫/৫

অবশেষে নিক কেলি থেকে মুক্তি মিলল বাংলাদেশের। শরীফুলকে তুলে মারতে গিয়ে মিডউইকেটে হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। থামল কেলির ১০২ বলে ৮৩ রানের ইনিংস।

১৪৫ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল নিউজিল্যান্ড। নতুন ব্যাটসম্যান জশ ক্লার্কসন, আগে থেকে আছেন ডিন ফক্সক্রফট।

সেঞ্চুরি বাবর আজম আগেও করেছেন। টি-টুয়েন্টিতে ক্রিস গেইলের পর সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরিই তাঁর। তবে ধীর ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচিত আর অফ ফর্মের কারণে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া বাবর এবার টি-টুয়েন্টি সেঞ্চুরির নতুন এক কীর্তি গড়েছেন।

রোববার রাতে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) পেশোয়ার জালমির হয়ে কোয়েটা গ্লাডিয়েটরসের বিপক্ষে ৫২ বলে ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন বাবর। ১৯২ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটিতে মাত্র একটি বল ডট দিয়েছেন তিনি, যা ৫০ বা এর চেয়ে বেশি বলের ইনিংসে সবচেয়ে কম।

প্রথমে ব্যাট করতে নামা পেশোয়ারের হয়ে ওপেনিং করেন বাবর। প্রথম ওভারে নেন ১ বলে ১ রান। এরপর দ্বিতীয় ওভারে তিন বল খেলার সুযোগ পেয়ে নেন ৭ রান। এভাবে ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে ৩১ বলে ফিফটিতে পৌঁছান বাবর। এবারের আসরে একবার ৮৭, আরেকবার ৭১ রানে অপরাজিত থাকা বাবর এবার দ্রুতলয়ে ঢুকে যান নব্বইয়ের ঘরে।

তবে সেঞ্চুরিটা এসেছে একেবারে শেষ মুহূর্তে। ইনিংসের শেষ বলে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন ৯৮ রানে। আলজারি জোসেফের বল লং অনে পাঠিয়ে ডাইভে দ্বিতীয় রান পূর্ণ করে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন। পিএসএলে এটি তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরি, টি-টুয়েন্টিতে ১২তম।

সেঞ্চুরির উচ্ছ্বাস বাবরের
সেঞ্চুরির উচ্ছ্বাস বাবরেরএক্স/পেশোয়ার জালমি

বাবরের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি ছক্কা, ৬টি চার। পাশাপাশি তিন রান নেন একবার, দু রান করে ৯ বার। সিঙ্গেল থেকে আসে বাকি ৩১ রান। সব মিলিয়ে ৫২ বলের ৫১টিতেই তিনি রান নিয়েছেন। যে বলটি ডট দিয়েছেন, সেটি ১৪তম ওভারের শেষ বলে। আলজারি জোসেফের ঘণ্টায় ১৪৬.৭ কিলোমিটার গতির বলটি ছিল বাউন্সার, বাবর ছেড়ে দিয়েছিলেন।

বাবরের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরির ম্যাচটিতে পেশোয়ার ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৫৫ রান তোলে। এরপর কোয়েটাকে ১৩৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১১৮ রানের বড় জয় তুলে বাবরের দল।

ম্যানচেস্টার সিটি ২ : ১ আর্সেনাল

দৃশ্যটা চোখে লেগে থাকার মতো।

গ্যাব্রিয়েলের মুঠো থেকে আর্লিং হলান্ডের ছিঁড়ে যাওয়া জার্সির টুকরোটা খসে পড়ল। প্রিমিয়ার লিগের ট্রফিটাও কি ঠিক এভাবেই আর্সেনালের হাত থেকে ফসকে গেল?

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে লড়তে গিয়েছিল আর্সেনাল। যেটাকে বলা হচ্ছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের এই মৌসুমের অলিখিত ফাইনাল। আর সেই ফাইনালে সিটি ২-১ গোলে হারিয়ে ভীষণ জমিয়ে দিল শিরোপা লড়াই। আপাতত ৩৩ ম্যাচ শেষে আর্সেনালের পয়েন্ট ৭০। অন্যদিকে ৩২ ম্যাচ খেলে সিটির পয়েন্ট ৬৭। কিন্তু সিটির হাতে একটা বাড়তি ম্যাচ মানে কার্যত দুই দল এখন সমান অবস্থানে। এই জয়ের পর মানসিকভাবে হয়তো সিটিই অনেকটা এগিয়ে।

ম্যাচশেষে যে ছবিটা ফুটবলপ্রেমীদের মনে গেঁথে থাকবে, তা হয়তো ওই এক টুকরো ছিঁড়ে যাওয়া কাপড়ের। মরিয়া হয়ে হলান্ডকে আটকাতে চেয়েছিলেন আর্সেনাল ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল। টানাটানিতে সিটির গোলমেশিনের গায়ের জার্সি ছিড়ে ওই কাপড়ের টুকরোটা চলে যায় তাঁর হাতে। হলান্ড অবশ্য কাজের কাজটা এর কয়েক মিনিট আগেই করে ফেলেছেন। ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচে ৬৫ মিনিটে গোল করে সেই যে এগিয়ে দিয়েছেন সিটিকে, সেই ব্যবধান আর ঘুচাতে পারেনি আর্সেনাল।

আর্লিং হলান্ডের গোল উদযাপন।
আর্লিং হলান্ডের গোল উদযাপন।প্রিমিয়ার লিগ

তবে ম্যাচের হাইলাইট হতে পারত রায়ান শেরকির সেই অবিশ্বাস্য গোল। বাঁ পায়ে অসাধারণ ড্রিবলিং করে গ্যাব্রিয়েল ও ডেকলান রাইসকে কাটিয়ে উইলিয়াম সালিবার দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে ডান পায়ে নিচু শট। যা দেখে মনে পড়ে যাচ্ছিল লিওনেল মেসির কথা।

হাস্যকর ভুলে গোল খেয়ে হতাশ সিটির গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা।
হাস্যকর ভুলে গোল খেয়ে হতাশ সিটির গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা।প্রিমিয়ার লিগ

হাইলাইট হতে পারত জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার সেই শিশুসুলভ ভুল। যে ভুলের সুযোগ নিয়ে ১৮ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান আর্সেনাল কাই হাভার্টজ। শেরকির গোলের ঠিক ১০৭ সেকেন্ড পরই! ৪৪১ দিন পর লিগে গোল পেলেন হাভার্টজ। সর্বশেষ গোল করেছিলেন সিটির বিপক্ষেই। মন্দ কপাল তাঁর, গোলটা কাজে লাগল না শেষ পর্যন্ত।

এর আগে মেজাজ হারিয়ে হলান্ডকে ঢুঁস মারার ভঙ্গি করেছিলেন গ্যাব্রিয়েল। হলান্ড মাটিতে পড়ে গেলে হয়তো লাল কার্ডই দেখতে হতো আর্সেনাল ডিফেন্ডারকে। ধাক্কা মারেন হলান্ডও। তবে দুজনেই হলুদ কার্ড দেখে পার পেয়ে যান।

 

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে হাভার্টজ যখন গোলের সুবর্ণ সুযোগ মিস করে মাথায় হাত দিলেন, ডাগআউটে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন মিকেল আরতেতা। ওই ভঙ্গিটাই যেন বলে দিচ্ছিল—লড়াইটা বোধহয় শেষ!

আগামী বুধবার বার্নলির বিপক্ষে জিতলেই শীর্ষে উঠবে সিটি। পুরো মৌসুমে মাত্র ৬ দিন যারা শীর্ষে ছিল, সেই সিটির হাতেই কি তবে উঠতে যাচ্ছে লিগের ট্রফি? উত্তরটা জানার জন্য খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।

বুন্দেসলিগা বড্ড একঘেয়ে!

বারবার যে বায়ার্ন মিউনিখই চ্যাম্পিয়ন হয়। এবারও যেমন হলো। আজ ঘরের মাঠে ভিএফবি স্টুটগার্টকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ৩৫তম বারের মতো লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাভারিয়ান পরাশক্তিরা। সর্বশেষ ১৪ মৌসুমেই ১৩ বার বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নের নাম বায়ার্ন। ব্যতিক্রম শুধু ২০২৩-২৪ মৌসুমটা, সবাইকে চমকে দিয়ে সেই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জাবি আলোনসোর বায়ার লেভারকুসেন।

সমতা ফেরানো গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে রাফায়েল গেরেইরোর (বাঁয়ে) গোল উদ্‌যাপন
সমতা ফেরানো গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে রাফায়েল গেরেইরোর (বাঁয়ে) গোল উদ্‌যাপন, এএফপি
 

বায়ার্ন এবারের লিগটা জিতল চার ম্যাচ হাতে রেখেই। শনিবার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বরুসিয়া ডর্টমুন্ড হেরে যায়। তাতে বায়ার্ন ও বুন্দেসলিগা শিরোপার দূরত্ব হয়ে যায় মাত্র ১ পয়েন্টের। আজ প্রথম সুযোগেই সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে ফেলে চ্যাম্পিয়ন ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। ৩০ ম্যাচে বায়ার্নের পয়েন্ট ৭৯, সমান ম্যাচে দুইয়ে থাকা ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৬৪।

আজ শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না বায়ার্নের। পয়েন্ট তালিকার চারে থাকা স্টুটগার্ট ২১ মিনিটেই এগিয়ে যায় ক্রিস ফুয়েরিখের গোলে। গোলটা করে অবশ্য ভুলই করেছে স্টুটগার্ট। এরপর যে তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলেছে বায়ার্ন। এক মৌসুমে বুন্দেসলিগায় সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড গড়া দলটি ৩১ থেকে ৩৭ মিনিটের মধ্যেই ৩ গোল করে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে। রাফায়েল গেরেইরো, নিকোলাস জ্যাকসন ও আলফোন্সো ডেভিস করেন গোল তিনটি।

আলিয়াঞ্জ অ্যারেনার লাল সমুদ্র
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনার লাল সমুদ্র, এএফপি
 

৫২ মিনিটে হ্যারি কেইনের গোলে জয় পুরোপুরিই নিশ্চিত করে ফেলে বায়ার্ন। এরপর ৮৮ মিনিটে চেমা আন্দ্রেসের গোলে ব্যবধান কমায় স্টুটগার্ট।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব