• Colors: Green Color

‘ইশ্‌, ব্রুককে ফেরানো গেলেই…!’

পুরো ইনিংসজুড়ে পাকিস্তানের সমর্থকদের মনে হয়তো চাওয়া ছিল এমনই। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হয়নি। ১৭তম ওভারে যতক্ষণে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে ব্রুক বোল্ড হন, ততক্ষণে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন ব্রুক। ম্যাচ জেতাও প্রায় নিশ্চিত ইংল্যান্ডের।

সেই ‘প্রায়’ জয়টাও অবশ্য কিছুক্ষণের জন্য অনিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ব্রুক ফেরার পর ইংল্যান্ড ৫ রানের ব্যবধানেই যে হারিয়ে ফেলেছিল ৩ উইকেট। কিন্তু জয়ের জন্য তখন দরকার ছিল আর কেবল ৪ রান। সালমান মির্জার শেষ ওভারের প্রথম বলেই চার মেরে তা নিশ্চিত করে ফেলেন জফরা আর্চার।

তবে ইংল্যান্ডের এই জয় আসলে কাল প্রথমবার আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে তিনে ব্যাট করতে নামা ব্রুকের একারই এনে দেওয়া। কেন? ইংল্যান্ডের স্কোরকার্ডের দিকে তাকালেও উত্তরটা পেয়ে যাওয়ার কথা। তিনি ছাড়া আর মাত্র দুজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের রান পেয়েছেন। একজন ১৫ বলে ১৬ রান করা স্যাম কারেন, অন্যজন উইল জ্যাকস।

সেঞ্চুরির উদ্‌যাপন
সেঞ্চুরির উদ্‌যাপন, এএফপি

ব্রুকের জয়ে জ্যাকসের অবদানও অবশ্য কিছুটা আছে। ১০৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর তাঁদের দুজনের ৩১ বলে ৫২ রানের জুটিতেই জয়ের পথে এগিয়েছে ইংল্যান্ড। ৫ বল আর ২ উইকেট হাতে রেখে পাওয়া সেই জয়ে এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে ব্রুকের ইংল্যান্ড।

পাল্লেকেলের সুপার এইটের ম্যাচটিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগা। পাঁচ ম্যাচ পর এই মাঠে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোনো অধিনায়ক। কিন্তু তাঁর ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত আর ভালোর দিকে বদলে দিতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা।

এক সাহিবজাদা ফারহান ছাড়া আর কেউই সেভাবে সুবিধা করতে পারেননি। বাকিদের মন্থর হওয়ার দিনে তাঁর হিসাবি ব্যাটিংই পাকিস্তানকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছিল। ৪৫ বলের ইনিংসে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৬৩ রান করেছিলেন তিনি।

তাঁর বাইরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ বল খেলেছিলেন বাবর আজম, তিনি করেছেন ২৫ রান। তাঁর এমন ব্যাটিংয়ে একটা ‘বাজে’ রেকর্ডও হয়েছে। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫০০ রান করেছেন, এমন ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্ট্রাইক রেট (১১১.৮) এখন তাঁর।

সাহিবজাদা ফারহান
সাহিবজাদা ফারহান, এএফপি
 

তবু এক বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ (১৯) ছক্কার রেকর্ড গড়া ফারহানের ফিফটি আর শেষ দিকে শাদাব খানের ১১ বলে ২৪ রানের ইনিংসে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান করে পাকিস্তান।

তাদের রান আরও বেশি বাড়তে না দেওয়ার বড় কৃতিত্ব ইংল্যান্ডের লিয়াম ডসনের—৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট পান এই বাঁহাতি স্পিনার। এই রান যথেষ্ট হয়েছে তাঁর দলকে সেমিফাইনালে তুলে দিতে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান: ১৬৪/৯ ( ফারহান ৬৩, ফখর ২৫; ডসন ৩/২৪, আর্চার ২/৩২)। ইংল্যান্ড: ১৯.১ ওভারে ১৬৬/৮ (ব্রুক ১০০, জ্যাকস ২৮; আফ্রিদি ৪/৩০, উসমান ২/৩১)। ফল: ইংল্যান্ড ২ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: হ্যারি ব্রুক

ভারতের সবচেয়ে বড় হার

দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে ভারত ১১১ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচ হেরেছে ৭৬ রানে। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে রানের দিক থেকে ভারতের সবচেয়ে বড় হার এটি। এত দিন বড় হার ছিল ২০১০ বিশ্বকাপে ব্রিজটাউনে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪৯ রানে।

২০২২ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর এই প্রথম বহুজাতিক টুর্নামেন্টে হারল ভারত। মাঝে ২২টি ম্যাচ খেলে জিতেছিল ২১টিতে, একটি ছিল বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত।

ভারত ১১১ রানে অলআউট, দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৬ রানে জয়ী

৮৮ রানে ৮ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর হারের ব্যবধান কমাতে ব্যাট চালিয়েছিলেন শিবম দুবে। কিছুটা সফলও হয়েছেন। তবে বেশি দূর দলকে এগিয়ে নিতে পারেননি। উনিশতম ওভারের চতুর্থ বলে তিনি আউট হওয়ার পর পঞ্চম বলে বুমরার উইকেটটিও হারিয়েছে ভারত। টানা দুই বলে উইকেট নিয়ে ভারতের ইনিংসের সমাপ্তি টেনেছেন মার্কো ইয়ানসেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে ভারত অলআউট ১১১ রানে। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ৭৬ রানে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ ছিলো গ্রুপ-২ এর পাকিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ডের। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বৃষ্টিতে ভেসে পরিত্যক্ত হয় সুপার এইটের এই ম্যাচটি। 

খেলা শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগে বৃষ্টি কিছুটা থামলে টস হয়। টসে জিতে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি না থামায় ম্যাচটির ভাগ্য গড়ায় পরিত্যক্তর দিকে।

আইসিসি এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের ম্যাচের জন্য কোন রিজার্ভ ডে রাখেনি। ফলে ম্যাচটি অন্য দিনে মাঠে গড়ানোর সুযোগ নেই।

আইসিসির টি-টোয়েন্টি নিয়ম অনুযায়ী দু'দলের কমপক্ষে ৫ ওভার খেলার সুযোগ থাকলে ম্যাচটি মাঠে গড়াতো। সেটিও সম্ভব না হলে সুপার ওভার। কিন্তু বৃষ্টি বাঁধায় সুপার ওভারও সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয় নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানকে। 

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি পাল্লেকেলেতে পাকিস্তান মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের। পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসায় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড।

উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপে সুপার এইটে দুইটি গ্রুপের প্রত্যেক দলই খেলবে ৩টি করে ম্যাচ।   

 

 
 

প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে জুন–জুলাইয়ে। ফিফা চায় ক্লাবগুলোকে নিয়ে যে বিশ্বকাপ আয়োজন করা হয়, সেটিতেও ৪৮ দল খেলবে। তবে ইউরোপীয় ফুটবল কর্তৃপক্ষ উয়েফা এমন পরিকল্পনার সঙ্গে একমত নয়। সম্প্রতি ব্রাসেলসে উয়েফার সাধারণ সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেখানে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ক্লাব বিশ্বকাপের বিষয়টি আলোচিত হয়।

দীর্ঘদিন ধরে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ শুধু মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে আয়োজিত হতো। তবে ২০২৫ সালে নতুনভাবে ৩২ দল নিয়ে আয়োজন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে হওয়া ক্লাব বিশ্বকাপটি নিয়ে ফিফা বেশ সন্তুষ্ট। এখন মূল বিশ্বকাপের মতো এই টুর্নামেন্টটিও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।

৫০ শতাংশ দল বাড়াতে চায় ফিফা

মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে উয়েফা কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ফিফা সভাপতি সুপার লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। ফিফা চায়, ক্লাব বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দলে উন্নীত করতে, যা জাতীয় দলগুলোকে নিয়ে আয়োজিত মূল বিশ্বকাপের মতোই ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

এ ক্ষেত্রে ২০২৯ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ স্পেন ও মরক্কোতে আয়োজনের চিন্তা আছে সংস্থাটির। পরের বছরই এ দুই দেশে ফিফা বিশ্বকাপ থাকায় ক্লাবের টুর্নামেন্টটি ‘টেস্ট রান’ হিসেবে জুতসই মনে করা হচ্ছে। তবে টানা দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজনের বিকল্পও খোলা রাখা হয়েছে।

উয়েফার আপত্তি

তবে ক্লাব বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর পরিকল্পনায় আপত্তি জানিয়েছে উয়েফা। সর্বশেষ আসরে উয়েফার ১২টি দল খেলেছে ক্লাব বিশ্বকাপে, যা যেকোনো মহাদেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। ফাইনালে খেলেছেও ইউরোপের দুই ক্লাব চেলসি ও পিএসজি। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চেলসি।

তবে সূচির ব্যস্ততা এবং অতিরিক্ত ম্যাচ ও দল যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আরও ভাবা দরকার বলে উয়েফা এখনই ৪৮ ক্লাবের বিশ্বকাপের বিষয়ে ইতিবাচক নয় বলে জানিয়েছে মার্কা। উয়েফা নিজেই সম্প্রতি চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে-অফ পর্বে উত্তীর্ণ দলগুলোর জন্য অতিরিক্ত চারটি ম্যাচ বাড়িয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ কার্লো আনচেলত্তিসহ অনেকে মৌসুমের টুর্নামেন্ট শেষে সূচির অত্যধিক চাপ নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। এখন আবার ফিফার টুর্নামেন্টে দল বাড়লে খেলোয়াড়দের ওপরও চাপ বাড়বে।

আইসিসির জানুয়ারি মাসের সেরা খেলোয়াড়ের মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ নারী দলের ব্যাটার সোবহানা মোস্তারি। তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন আয়ারল্যান্ডের গ্যাবি লুইস ও যুক্তরাষ্ট্রের টারা নরিস। তিনজনই নারী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পারফরম্যান্সের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন।

গত মাসে বাংলাদেশ নারী দলকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মোস্তারির। এই টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে ৪৫.৮০ গড় ও ১৪৫.৮৫ স্ট্রাইক রেটে ২২৯ রান করেন তিনি। ২৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার অফ স্পিন বোলিংয়ে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে একটি উইকেটও নেন।

একই টুর্নামেন্টে আয়ারল্যান্ডের নেতৃত্ব দেন গ্যাবি লুইস, তাঁর দলও বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে। জানুয়ারিতে ৬ টি-টুয়েন্টিতে তিনি ১২৪.৮৭ স্ট্রাইক রেটে ২৫১ রান করেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করলেও সেই ম্যাচে দলকে জেতাতে পারেননি। তবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তিনি মোট ২৭৬ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে শেষ করেন।

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পারফরম্যান্সের জন্যই মাসসেরার মনোনয়ন পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টারা নরিস। বাঁহাতি এই পেসার ১৫ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন। জানুয়ারিতে খেলা ৬ ম্যাচে ১১ উইকেট পান নরিস। তবে তাঁর দল শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে জায়গা পায়নি।

২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন নাহিদা আক্তার। এরপর আর বাংলাদেশের কেউ এই স্বীকৃতি পাননি।

পুরো ২০ ওভার খেলে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল করতে পেরেছিল ৮ উইকেটে ১১০ রান। যে কোনো ধরনের টি–টুয়েন্টি ক্রিকেটেই রানটা কম। জিতলেও কঠিন লড়াই হওয়ার কথা। কিন্তু পাকিস্তান নারী ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই রান নিয়ে জিততে কোনো কষ্টই হয়নি বাংলাদেশের।

ব্যাংককে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৬ রানে অলআউট করে ৫৪ রানের বড় জয় পেয়েছে ফাহিমা খাতুনের দল। এই জয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল।

অল্প রান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল পাকিস্তান। প্রথম ৬ ওভারে ২১ রান তুলতে হারায় ২ উইকেট। পাওয়ার প্লের পর বোলিংয়ে এসে দলটিকে আরও চাপে ফেলেন অধিনায়ক ফাহিমা।

নিজের প্রথম ২ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ফাহিমা। এ সময় পাকিস্তান উইকেট হারায় রানআউটেও। মাত্র ৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখনই ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে যায় পাকিস্তান। পরের ৫ উইকেটে ২৬ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সানজিদা আক্তার ৩.৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।

এর আগে ব্যাট হাতে বাংলাদেশের রান তিন অঙ্কে নিতে মূল ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক ফাহিমা। ৩২ বলের ইনিংসে ৫ চারে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। আর কোনো ব্যাটার ২০ রানও করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ বলে ১৫ রান করেন শারমিন সুলতানা। ৬ ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরতে দেখা ফাহিমা একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের রানের চাকা সচল রাখেন। সেই রানে শেষ পর্যন্ত জয়ও এসেছে। ব্যাট–বলের পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন ফাহিমা।

রোববার ভারত ‘এ’ নারী দলের বিপক্ষে ফাইনালে নামবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল: ২০ ওভারে ১১০/৮ (ফাহিমা ৩২, শারমিন ১৫, শামীমা ১৩; হাফসা ২/২৫)।
পাকিস্তান নারী ‘এ’ দল: ১৬.৪ ওভারে ৫৬/১০ (শাওয়াল ১৪, , হাফসা ১২; সানজিদা ৩/৬, ফাহিমা ২/৬)।
ফল: বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল ৫৪ রানে জয়ী।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব