• Colors: Green Color

মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম যেন নেপালের সমর্থকদের উল্লাসে জেগে উঠেছিল! গ্যালারি মাতানো গোয়ায় বসবাসকারী একঝাঁক নেপালি সমর্থক ভুভুজেলা বাজিয়ে ম্যাচজুড়ে সুরের ঝড় তুললেন, আর সেই চাঙা শক্তিতে মাঠ মাতাল তাদের মেয়েরা।

নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া লিগে সর্বশেষ খেলা নিজেদের সেরা তারকা সাবিত্রা ভান্ডারি এই টুর্নামেন্টে আসেননি চোটের কারণে। তাঁকে ছাড়াই প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল তারা।

আজ দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে নেপাল। ফলে টানা দুই জয়ে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই অষ্টম নারী সাফের সেমিফাইনালে পা রাখল হিমালয়ের দেশটি।

অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে নেপালের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভুটান। শ্রীলঙ্কাকে ৪-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়ে এক জয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে রানার্সআপ হিসেবে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে তারা। আর টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল শ্রীলঙ্কা।

এদিকে টুর্নামেন্টের ‘বি’ গ্রুপে আজই নির্ধারিত হতে যাচ্ছে সেরা কারা। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে আজ রাত আটটায় মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ও ভারত। সমীকরণের হিসাবে, ম্যাচটি ড্র হলে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ভারত হবে গ্রুপ সেরা, আর রানার্সআপ হয়ে মাঠ ছাড়বে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ রানার্সআপ হলে সেমিফাইনালেই মুখোমুখি হতে হবে টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল নেপালের। সাফের গত ৭ আসরের মধ্যে ৬ বারই ফাইনাল খেলা নেপাল এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার।

অবশ্য সাফের গত দুই আসরে এই নেপালকে তাদেরই ঘরের মাঠে স্তব্ধ করে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতি আছে বাংলাদেশের!

আসন্ন সেমিফাইনাল আগেই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ম্যাচটি হয়তো কেবলই নিয়ম রক্ষার, তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে লড়াই বলে কথা। জয় দিয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।

রবিবার (৩১ মে) হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে আসরের শেষ চারে জায়গা করে নেয় মারিয়ারা।

ভারতের গোয়ার পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় এই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটি শুরু হবে।

ম্যাচকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের নিবিড় প্রস্তুতি সেরে নিয়েছেন সাবিনা-রূপনারা। সকালে গোয়ার ডন বস্কো ট্রেনিং গ্রাউন্ডে প্রায় দেড় ঘণ্টা ঘাম ঝরিয়েছে দল। সেখানে ওয়ার্ম-আপ ও পাসিং ড্রিলের পর, পজেশন হোল্ড এবং ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ম্যাচ সিনারিও প্র্যাকটিস করেন ফুটবলাররা।

অনুশীলনের শেষভাগে এসে প্রধান কোচ পিটার বাটলারের মূল মনোযোগ ছিল ট্যাকটিক্যাল পজিশনিং ও সেট-পিস কৌশলের ওপর। স্বস্তির খবর হচ্ছে, স্কোয়াডের সবাই পুরোপুরি ফিট আছেন। ফলে ভারতের বিপক্ষে আজ পূর্ণশক্তির দলই মাঠে নামাতে পারছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দলের কোচ পিটার বাটলার বলেন, আমরা এখন একটি সম্পূর্ণ আলাদা দল এবং অনেক ভালো ফুটবল খেলছি। আমাদের দলে কিছু প্রকৃত ম্যাচ উইনার আছে। ভারতের যদি আক্রমণ করার মানসিকতা থাকে, তবে আমাদেরও তা আছে। আমরা যেমন প্রয়োজনবোধে রক্ষণভাগ সামলাতে জানি, তেমনি গোল করার সুযোগও তৈরি করতে পারি।

 

পিএসজি ১–১ আর্সেনাল (টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে জয়ী পিএসজি)

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালও যে ৯০ মিনিটের বেশি সময় ধরে হতে পারে, সেটি এত দিনে হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অনেকে। সেই ২০১৬ সালে মিলানে রিয়াল মাদ্রিদ-আতলেতিকো মাদ্রিদের ফাইনাল অতিরিক্ত আধা ঘণ্টা পেরিয়ে টাইব্রেকারে গিয়ে শেষ হয়েছিল।

এক দশক পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল আজ আবারও দেখল ৯০ মিনিট পার হতে, দেখল টাইব্রেকারও। বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় পিএসজি-আর্সেনালের এই স্নায়ু পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত জিতেছে ফরাসি ক্লাবটি। আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে পিএসজি।

টাইব্রেকারে শেষ শটে পিএসজির লুকাস বেরালদো জাল খুঁজে পেলেও আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস মেরে দেন বারের ওপর দিয়ে। তাতেই রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার কীর্তি গড়ে প্যারিসের ক্লাবটি।

শিরোপা ধরে রাখতে বেশ ঘামই ঝরাতে হয়েছে পিএসজিকে। ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের। ষষ্ঠ মিনিটে মারকিনিওসের ক্লিয়ারেন্স লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের গায়ে লেগে কাই হাভার্টজের সামনে চলে আসে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জার্মান ফরোয়ার্ড গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পিএসজি গোলকিপার মাতবে সাপোনভ তাঁর মাথার ওপর দিয়ে বুলেট গতিতে যাওয়া বলটি ধরার সুযোগই পাননি।

কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল
কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনালএএফপি

পিএসজি এই ম্যাচে মাঠে নেমেছিল গত বছরের ফাইনাল শুরু করা ১০ জন নিয়েই। যে একটি পরিবর্তন, সেটি এই সাপোনভই। এক বছর আগে এই মঞ্চে শিরোপাজয়ের অভিজ্ঞতা আছে বলেই হয়তো পিএসজি শুরুতে গোল হজম করলেও আড়ষ্ট হয়ে যায়নি; বরং গোলের পর আর্সেনাল অনেকটা নিচে নেমে রক্ষণ সামলানোয় বেশি মনোযোগ দিলে আক্রমণের ধার বাড়ান উসমান দেম্বেলে, ফ্যাবিয়ান রুইস, দিজিয়ের দুয়েরা। যদিও গোলের প্রবল সম্ভাবনা জাগাতে পারেননি, দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্টই থেকে গেছে।

প্রথমার্ধের বিরতির আগে হাভার্টজ আর্সেনালকে দ্বিতীয় গোলও এনে দিচ্ছিলেন প্রায়, সেটি হয়নি মারকিনিওসের দৃঢ়তায়।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দিন শুধু রিয়াল মাদ্রিদেরই টানা দুটি শিরোপা (মূলত হ্যাটট্রিক) জেতার কীর্তি ছিল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে পিএসজির লক্ষ্য ছিল সময় নষ্ট করার। বিরতি শেষে ইংলিশ ক্লাবটি মাঠে ফেরে পিএসজির দুই মিনিট পর। খেলা শুরু হওয়ার পর সময় নষ্ট করার কারণে হলুদ কার্ডও দেখেন ক্রিস্টিয়ান মস্কেরা। ৬৫ মিনিটে স্প্যানিশ এই রাইটব্যাকই সুযোগ করে দেন পিএসজিকে ম্যাচে ফেরার। বল নিয়ে বক্সে ঢোকা খিচা কাভারাস্কেইয়াকে মস্কেরা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। দেম্বেলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইনে সমতা আনতে ভুল করেননি (১-১)।

পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে
পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলেএএফপি

এরপর ম্যাচে পিএসজির নিয়ন্ত্রণ শুধু বেড়েছেই। কাভারাস্কেইয়ার একটি শট পোস্টে লাগে, বারকোলা দুটি সহজ সুযোগ নষ্টও করেন। তবে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এই আধা ঘণ্টার খেলায় অবশ্য আর্সেনালও সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। টিম্বার ও গিওকেরেস সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল গড়ায় টাইব্রেকারে।

আর্সেনালের দ্বিতীয় শট নিতে যাওয়া এবেরেচি এজের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পরপরই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট ঠেকিয়ে দেন দাভিড রায়া। ৪ শট শেষে তাই টাইব্রেকার ফলও থাকে সমতায়। তবে শেষ শটে আর সমতা রাখতে পারেনি আর্সেনাল। ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক মাগালাইসের বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে উৎসব শুরু হয়ে যায় পিএসজি শিবিরে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দিন শুধু রিয়াল মাদ্রিদেরই টানা দুটি শিরোপা (মূলত হ্যাটট্রিক) জেতার কীর্তি ছিল। ২০২৫ সালের আগপর্যন্ত একটি শিরোপার জন্য অপেক্ষায় থাকা পিএসজি এবার টানা ট্রফি জিতে নাম লেখাল রিয়ালেরই পাশে।

পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটি ছিল বিশেষ মাইলফলকের। এক হাজারতম ওয়ানডে বলে কথা! এই মাইলফলকের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান।

৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ২০১ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাবর আজম ও গাজি ঘুরির ফিফটিতে ৪২.৩ ওভারে এই রান তাড়া করেছে পাকিস্তান।

যদিও এ দুজন নয়, হাজারতম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের মূল নায়ক অভিষিক্ত আরাফাত মিনহাস। রাওয়ালপিন্ডিতে ওয়ানডে অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই বাঁহাতি স্পিনার। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে যা প্রথম। ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে তিনি আউট করেছেন জশ ইংলিশ, মারনাস লাবুশেন, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথু শর্ট ও নাথান এলিসকে।

৫ উইকেট নিয়েছেন মিনহাস
৫ উইকেট নিয়েছেন মিনহাসএএফপি

রান তাড়ায় ৪৯ রানে ২ উইকেট হারালেও বাবর ও ঘুরি তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১২৭ রান তুললে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। বাবর আউট হয়েছেন ৬৯ রানে, ঘুরি ৬৫ রানে। দুজনকেই আউট করেছেন এলিস। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ২ জুন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

অস্ট্রেলিয়া: ৪৪.১ ওভারে ২০০ (রেনশ ৬১, শর্ট ৫৫; মিনহাস ৫/৩২)। পাকিস্তান: ৪২.৩ ওভারে ২০২/৫ (বাবর ৬৯, ঘুরি; এলিস ২/৪৫)। ফল: পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: আরাফাত মিনহাস

হার দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশের মেয়েরা। এডিনবার্গে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক স্কটল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেট হেরেছেন নিগার সুলতানারা।

টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৩ রান তুলেছিল। এই রান স্কটল্যান্ড তাড়া করেছে ৮ উইকেট আর ২৬ বল হাতে রেখে।

স্কটল্যান্ড যেভাবে রান তাড়া করেছে, তাতে একবারও মনে হয়নি বাংলাদেশের মেয়েরা ম্যাচটি জিততে পারে। ওপেনিং জুটিতে স্কটল্যান্ডের দুই ব্যাটার ডার্সি কার্টার–ক্যাথরিন ফ্রেসার মিলে তোলেন ৩৩ রান। ২৩ রান করা কার্টারকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রিতু মনি। পরে স্কটিশদের দ্বিতীয় উইকেট জুটি তোলে আরও বেশি রান।

৮০ রানে ফ্রেসারকে ফেরান স্বর্ণা আকতার। ম্যাচের বাকি গল্প অধিনায়ক ক্যাথরিন ব্রাইস ও সারাহ ব্রাইসের। দুজনে মিলে গড়েন ৫৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক ক্যাথরিন। সারাহ অপরাজিত ছিলেন ২৩ রানে।

এর আগে ফিফটি পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশ অধিনায়কেরও। ৩৯ বলে ৪৬ রানে অপরাজিত ছিলেন নিগার। যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা। এর আগে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল নড়বড়ে।

২৬ রানের মধ্যে ফেরেন দুই ওপেনার জুরাইয়া ফেরদৌস, দিলারা আক্তার। প্রথম দশ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ছিল মাত্র ৫৪ রান। পরের অংশে নিগার, সোবহানারা লড়াই করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ৩১ মে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।

বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের সবচেয়ে বড় তারকা এখন ঋতুপর্ণা চাকমা। বাংলাদেশকে গত সাফ জেতাতে রেখেছেন বড় ভূমিকা। ফাইনালে তাঁর জয়সূচক গোল স্তব্ধ করে দেয় নেপালিদের। এরপর গত বছর জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে স্বাগতিক মিয়ানমারের বিপক্ষে তাঁর বাঁ পায়ের জোড়া গোলে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। প্রথমবার বাংলাদেশ ওঠে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে।

সেই ঋতুপর্ণা এবার গোয়ায় চলমান সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যাটট্রিক মিশনে প্রথম ম্যাচে ঠিক আগের মতো আলো কাড়তে পারেননি। তবে মাঠে তাঁর চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না। মালদ্বীপ ম্যাচে বাঁ প্রান্ত দিয়ে ২২-২৩টি ক্রস করেছেন।

[caption id="attachment_275270" align="alignnone" width="935"] বাংলাদেশের নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা[/caption]

কিন্তু ক্রসগুলো ঠিকঠাক হচ্ছিল না। কোনোটি হয়তো এক পা ভেতরে ঢুকে করতে পারতেন, কোনটি আরেকটু আগেই। সময়ের গরমিল হওয়ায় ক্রস থেকে ভালো ফল আসেনি। যদিও ম্যাচের মাত্র ১১ সেকেন্ডে করা আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী যে গোলটি করেছেন, সেটি তাঁরই পাস থেকেই এসেছে।

আজ সকালে মারগাঁওয়ের ডন বস্কো কলেজ মাঠে অনুশীলন শেষে কোচ পিটার বাটলার নিজেই টেনে আনেন ঋতুপর্ণার প্রসঙ্গ। বলেন, ‘ঋতুর জন্য ওই দিনটি খারাপ ছিল এবং এমনটা হতেই পারে।’

এরপর ঋতুকে দেন দরাজ সার্টিফিকেট, ‘ঋতু আমার কাছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা উইঙ্গার। সে তরুণ এবং দারুণ প্রতিভাবান; সে দলের জন্য একপশলা টাটকা বাতাসের মতো, তা ছাড়া মনিকা ফিরে আসায় আমি খুশি।’ কোচ প্রশংসা করেছেন আনিকারও। বলেছেন, ‘আনিকা দলের খেলায় সম্পূর্ণ নতুন একটি মাত্রা যোগ করেছে।’

বাটলারের উত্তর, ‘আমরা এখন একটি সম্পূর্ণ আলাদা দল এবং অনেক ভালো ফুটবল খেলছি। আমাদের দলে কিছু প্রকৃত ‘ম্যাচ উইনার’ আছে। বিশেষ করে ভারতের আক্রমণ করার মানসিকতা থাকলে আমাদেরও তা আছে। আমরা যেমন প্রয়োজনবোধে রক্ষণভাগ সামলাতে জানি, তেমনি গোল করার সুযোগও তৈরি করতে পারি।’

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব