• Colors: Green Color

বাংলাদেশ ২:১ সান মারিনো

সেরাভেলের সান মারিনো স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উৎসবের আমেজ। দূর পরবাসের ব্যস্ত জীবন এক পাশে ঠেলে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি আজ হাজির হয়েছিলেন ইতালির ভেতরে থাকা ছোট্ট এই দেশটিতে। দেখে মনে হচ্ছিল এ যেন ঢাকার চেনা কোনো মাঠ!

প্রবাসী বাঙালিদের এই বাঁধভাঙা উল্লাস আর ভালোবাসার দিনে ইউরোপ জয়ের গল্প লিখেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। তপু বর্মণের জোড়া গোলে ফিফা প্রীতি ম্যাচে সান মারিনোকে ২–১ গোলে হারিয়েছে হামজা–জামালদের বাংলাদেশ। এটি ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম জয়।

এর আগে ২০০১ সালে সাহারা কাপে যুগোস্লাভিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ, তবে সেই দুটি ম্যাচেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। ফলে সান মারিনোর বিপক্ষে এই ম্যাচটি ছিল নিজেদের নতুন করে চেনানোর এক বড় মঞ্চ। নিজেকে চেনানোর চ্যালেঞ্জ ছিল টমাস ডুলিরও।

গ্যালারিতে ছিলেন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি
গ্যালারিতে ছিলেন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশিবাফুফে

বাংলাদেশ দলের নতুন কোচ কালই প্রথম ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন। প্রথম ম্যাচে তিনি দল সাজিয়েছেন ৪–৩–৩ ফরমেশনে। যার মধ্যে বড় পরিবর্তন ছিল মাঝমাঠে। কানাডাপ্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোমকে শুরুর একাদশে না রেখে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও সোহেল রানাকে খেলান হামজা চৌধুরীর সঙ্গী হিসেবে।

ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিট অবশ্য বাংলাদেশের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। স্বাগতিকদের কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুছিয়ে উঠে সান মারিনোর রক্ষণভাগে চাপ বাড়াতে শুরু করে বাংলাদেশ। যার ফল মেলে দ্রুতই, ম্যাচের ১৯ মিনিটে। ডান প্রান্ত থেকে শেখ মোরছালিনের বাড়ানো লম্বা ক্রসে দারুণ হেডে বল জালে জড়ান তপু বর্মণ।

এই হেডেই প্রথম গোল করেন তপু
এই হেডেই প্রথম গোল করেন তপু, বাফুফে
 

গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে সান মারিনো। স্বাগতিকদের সেই মরিয়া প্রচেষ্টা সফল হয় ৩১ মিনিটে। দারুণ এক গতিময় আক্রমণ থেকে সমতা ফেরায় তারা। সান মারিনোর ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ফিলিপ্পো বেরার্ডির পাস থেকে চমৎকার গোলটি করেন নিকোলাস জিয়াকোপেটি। বাংলাদেশের গোলকিপার মিতুল মারমা ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে স্পর্শ করলেও জালে যাওয়া থামাতে পারেননি।

ম্যাচে সমতা আসার ঠিক ছয় মিনিট পরই আবারও লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু প্রতিপক্ষের গোলকিপারকে একদম একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি সাদ উদ্দিন।

দ্বিতীয় গোলটি এসেছে হামজার ফ্রি কিকের সূত্র ধরে
দ্বিতীয় গোলটি এসেছে হামজার ফ্রি কিকের সূত্র ধরেবাফুফে
 

দ্বিতীয়ার্ধে দলের শক্তি ও কৌশল পরীক্ষা করতে একাদশে ছয়টি পরিবর্তন আনেন বাংলাদেশ কোচ। রক্ষণভাগের ইসা ফয়সালকে উঠিয়ে নামানো হয় জায়ান আহমেদকে, মাঝমাঠে জামালের বদলে নামেন শমিত সোম, মোরছালিনের জায়গায় মাঠে নামেন সোহেল রানা জুনিয়র। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বিশ্বনাথ ঘোষ ও ফাহামিদুল ইসলাম এবং ৭৫ মিনিটে কাজেম শাহকেও খেলার সুযোগ দেন ডুলি। তাতে বাংলাদেশের আক্রমণেও গতি ফেরে।

ম্যাচের শেষ দিকে, ঠিক ৮৬ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হামজার নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে গোলমুখে শট নেন বিশ্বনাথ ঘোষ। আর সেই শটে মাথা এগিয়ে দিয়ে বল জালে পাঠান তপু। এটি জাতীয় দলের হয়ে তাঁর অষ্টম গোল। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ভারতের বিপক্ষে আগামীকাল শনিবারের ফাইনালের আগে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল কোনো চাপ নিচ্ছে না বলে অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। গোয়ার সমুদ্রপাড়ের এক পাঁচ তারকা হোটেলে আজ শুক্রবার দুপুরে ট্রফি উন্মোচনের আগে সংবাদ সম্মেলনে মারিয়ার কণ্ঠে ঝরল এক পরিণত পেশাদার ফুটবলারের আত্মবিশ্বাস।

বাংলাদেশ ও ভারত—দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলই অবস্থান করছে সমুদ্রপাড়ে একই হোটেলে। ফাইনালের আগে এমন আবহে কোনো মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি হচ্ছে কি না, জানতে চাওয়া হলে মারিয়া শুরুতেই বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন এভাবে, ‘দুই দলই একই হোটেলে অবস্থান করলেও আমরা কোনো চাপ নিচ্ছি না।’

ভারতের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মেয়েদের দীর্ঘদিনের। তাই প্রতিপক্ষকে সমীহ করলেও ভড়কে যাওয়ার পাত্রী নন এই মিডফিল্ডার। নিজের পেশাদার মনোভাব প্রকাশ করে অধিনায়কের কথা, ‘আমরা ভারতের বিপক্ষে এর আগেও অনেকবার খেলেছি, তাই এটি আমাদের জন্য বড় কোনো বিষয় নয়। আমরা পেশাদার খেলোয়াড়।’

ভারতের বিপক্ষে গোলপোস্টের নিচে দেখা যেতে পারে মিলি আক্তারকে
ভারতের বিপক্ষে গোলপোস্টের নিচে দেখা যেতে পারে মিলি আক্তারকে, বাফুফে
 

তবে ফাইনালের মঞ্চে যে অতীতের পরিসংখ্যান খাটে না, মাঠের লড়াই যে সম্পূর্ণ নতুন এক চিত্রনাট্য—সেটি মনে করিয়ে দিয়ে মারিয়া যোগ করেন, ‘মাঠের লড়াই একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন খেলা ও ভিন্ন পরিস্থিতি। আমরা আমাদের সেরাটা দেব। যে দল সেরাটা দিতে পারবে, তারাই জয়ী হবে।’

টুর্নামেন্টে ফাইনালের আগপর্যন্ত গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে স্বাগতিক ভারতের সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। শূন্য গ্যালারির সামনেই ভারত খেলেছে নিজেদের তিনটি ম্যাচ। তবে ফাইনালে হয়তো কিছু দর্শক হলেও হতে পারে। সেটিতে মোটেও ভয় পাচ্ছেন না মারিয়া।

কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালার উপচে পড়া নেপালি দর্শকের সামনে খেলার অভিজ্ঞতা টেনে মারিয়া বেশ পরিপক্ব উত্তর দেন, ‘গ্যালারির দর্শক আমাদের জন্য কোনো সমস্যা হবে না। নেপালে আমরা গত দুটি ফাইনালে অনেক দর্শকের চাপ সামলে খেলে জিতেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো খেলায় এবং নিজেদের পারফরম্যান্সে মনোযোগ দেওয়া। আমরা যদি ভালো ফুটবল খেলার সুযোগ পাই, তবে ফাইনাল জিততে আমরা আমাদের সেরাটা দেব।’

ফাইনালের আগে দলের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘যেহেতু আমরা এখন ফাইনালে, তাই আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আজ আমাদের একটি অনুশীলন সেশন ছিল। দলের সবাই খুব ভালো মেজাজে আছে এবং আশা করি, আমরা আগামীকাল একটি ভালো ম্যাচ উপহার দিতে পারব।’

[caption id="attachment_275688" align="alignnone" width="777"] ফাইনালের আগে অনুশীলনে নিজেদের ভালোভাবে ঝালিয়ে নিচ্ছেন আনিকা–মনিকারা, বাফুফে[/caption]

দলে নিজের ভূমিকা নিয়ে মারিয়া স্পষ্ট জানান, তিনি বাহুতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড বাঁধুন আর না–ই বাঁধুন, দলের একজন সাধারণ সৈনিক হিসেবেও তাঁর লক্ষ্য একটাই—দলের জন্য অবদান রাখা। দলনেতা বা সাধারণ খেলোয়াড় যে ভূমিকাই হোক না কেন, তিনি নিজের সেরাটা উজাড় করে দেবেন। সতীর্থদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভালো করার চেষ্টা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সবশেষে দেশের ফুটবল ভক্তদের উদ্দেশে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন মারিয়া মান্দা। সাফে হ্যাটট্রিক ট্রফি উঁচিয়ে ধরার এই ঐতিহাসিক লক্ষ্য পূরণে পুরো দেশবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আজ ৬ ম্যাচের একটিতে খেলাই হয়নি। ব্রাদার্স ইউনিয়নের খেলোয়াড়েরা ম্যাচ বয়কট করায় ওয়াকওভার পেয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। বাকি ৫ ম্যাচে খেলা হলেও ফল হয়নি, বৃষ্টিতে সব ম্যাচই রিজার্ভ ডেতে চলে গেছে। ফলহীন দিনে ব্যাট হাতে ব্যাটিংয়ে নিজেদের আলাদা করেছেন মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয় ও ইরফান শুক্কুর। মোহামেডান ও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের এই তিন ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করেছেন।

মুশফিক ও হৃদয়ের সেঞ্চুরি

পিকেএসপিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১০৭ রানের উদ্বোধনী জুটি পেয়েছিল মোহামেডান। দুই ওপেনারই অবশ্য হাফ সেঞ্চুরির পর বেশি দূর এগোতে পারেননি। ৬০ বল খেলে মোহাম্মদ নাঈম ৫৩ আর এনামুল হক ৬৮ বল খেলে আউট হন ৬২ রানে।

এরপরই অধিনায়ক হৃদয় জুটি বাঁধেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে। তাঁরা আর ফিফটিতে থেমে যাননি। দুজন মিলে তৃতীয় উইকেটে গড়েন ১৭৩ রানের জুটি। সেঞ্চুরিও পেয়ে যান দুজনই।

৮ চার ও ৬ ছক্কায় মুশফিক সেঞ্চুরিতে পৌঁছান মাত্র ৫৪ বলে। এটি লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তাঁর ১৬তম সেঞ্চুরি। হৃদয়েরও তিন অঙ্ক স্পর্শ করতে বেশি বল লাগেনি। ৬৫ বলে ছুঁয়েছেন লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। মুশফিক ৫৫ বলে ১০০ করে আউট হলেও হৃদয় ৬৬ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন। হৃদয় আগের ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষেও সেঞ্চুরি করেছিলেন। দুই সেঞ্চুরির সুবাদে বৃষ্টির কারণে ৪২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৩৩ রান করে মোহামেডান। রান তাড়ায় গাজী গ্রুপ ৪.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান তোলার পর আবার বৃষ্টি নামায় ম্যাচ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। বাকি খেলা আগামীকাল।

ইরফান শুক্কুরের সেঞ্চুরি

সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ইরফান শুক্কুরও। বিকেএসপিতে আবাহনীর বিপক্ষে ৯৯ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১১৯ রান করেন এই বাঁহাতি। ৭০ বলে ৭২ রান আসে মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে। যদিও বাকিদের ব্যর্থতায় ২৭৫ রানের বেশি করতে পারেনি লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। রান তাড়ায় আবাহনী ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫১ রান করার পর বৃষ্টি নামে।

বাকি ম্যাচেও বৃষ্টি

ভারী বৃষ্টি আর ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ইউল্যাব মাঠে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স আর ঢাকা লেপার্ডের ম্যাচে খেলা হয়েছে ২৭.৫ ওভার। সাইফ হাসানের ৮৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রানে ভর করে ২ উইকেটে ১০৬ রান করেছে বসুন্ধরা। ম্যাচের বাকি অংশ আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে।

বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের মাঠে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে গুলশান ক্রিকেট ক্লাব। ৪৬ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ২১০ রান করে অলআউট হয় তারা। রান তাড়ায় সিটি ১২ ওভারে ৪২ তুলতে হারিয়েছে ৭ উইকেট।

ক্রিকেটার্স একাডেমিতে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ও রূপগঞ্জ টাইগার্সের ম্যাচে বৃষ্টির কারণে খেলা হয়েছে মাত্র ১৭ ওভার। ১ উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তুলেছে আগে ব্যাট করতে নামা প্রাইম ব্যাংক।

দিনের অন্য খেলায় ওয়াকওভার পেয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। পারিশ্রমিক না পাওয়ায় মাঠে নামতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটাররা।

ফেবারিটদের তালিকায় কিছুটা পিছিয়ে থেকেই বিশ্বকাপ শুরু করতে যাচ্ছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ব্রাজিলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার কাসেমিরোর বক্তব্যেই বিষয়টি পরিষ্কার, ‘আমরা তুমুল ফেবারিট দল নই।’

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির ঘোষণা করা বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য বিশ্লেষণ করে একই চিত্র উঠে এসেছে। ‘ট্রান্সফাররুম’–এর বিশেষায়িত গবেষণায় দেখা গেছে, বাজারমূল্যের হিসাবে বিশ্বকাপের দলগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ দামি স্কোয়াড ব্রাজিলের। দলবদলের বাজারে ক্লাব, এজেন্ট ও খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ সহজ করার লক্ষ্যে প্রায় দশ বছর আগে ‘ট্রান্সফাররুম’ নামে প্রযুক্তিটি তৈরি করা হয়।

এই সমীক্ষায় বিভিন্ন মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়েছে—খেলোয়াড়ের বয়স, গত মৌসুমের পারফরম্যান্স, পুনর্বিক্রয় মূল্য, ভবিষ্যৎ উন্নতির সম্ভাবনা, চুক্তির বাকি সময় এবং তারা যে ক্লাবে খেলেন সেখানকার লিগের মান।

 

এসব হিসাব-নিকাশে শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স ফুটবল দল। কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে এবং আরও অনেক তারকার কারণে ফ্রান্সের স্কোয়াড দামে সবার ওপরে। তাদের বাজারমূল্য ১৪৬ কোটি ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ হাজার ৮৬৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

এরপরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে স্পেন, ইংল্যান্ড, জার্মানি ও পর্তুগাল। এই পাঁচটি দেশকে ইউরো মুদ্রার হিসেবে ‘বিলিয়নিয়ার ক্লাব’ হিসেবে ধরা হচ্ছে, কারণ তাদের স্কোয়াডের মোট বাজারমূল্য অত্যন্ত বেশি। এরপর ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ব্রাজিল।

 
 

ভিনিসিয়ুস ও রাফিনিয়ার মতো ইউরোপে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়, এনদ্রিক ও রায়ানের মতো প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ এবং নেইমার, দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সমন্বয়ে ব্রাজিল দলে শক্তিশালী ভারসাম্য তৈরি হয়েছে।

ফলে ব্রাজিল জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ২৬ জন খেলোয়াড়ের মোট বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ৯৪ কোটি ১০ লাখ ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা।

দুই বছর আগে ফিফার বর্ষসেরা হওয়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বর্তমানে ব্রাজিলের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলার। তবে এই সমীক্ষায় বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে তাঁর অবস্থান দশম। ভিনির আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো। তালিকায় শীর্ষ তিনে আছেন যথাক্রমে লামিনে ইয়ামাল, আর্লিং হলান্ড ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।

 
 

তবে বাজারমূল্যের এই হিসাবকে সম্ভবত খুব একটা গুরুত্ব দেবেন না ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তাঁর মতে, বর্তমান পারফরম্যান্স বিবেচনায় জাতীয় দলে সেরা পাঁচ খেলোয়াড়দের মধ্যে দুজনই ব্রাজিলের।

আনচেলত্তির ভাষায়, ‘আমরা সৌভাগ্যবান যে দলে এত প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। জাতীয় দলে থাকা বিশ্বের সেরা পাঁচ খেলোয়াড়ের মধ্যে দুজনই ব্রাজিলিয়ান। ... এই দল বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারবে—এ বিষয়ে আমার যথেষ্ট জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাস আছে।’

একই তালিকায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার অবস্থান দেখে কিছুটা খুশি হতে পারে ব্রাজিল ভক্তরা। ৮ নম্বরে থাকা আর্জেন্টিনার স্কোয়াডের বাজারমূল্য ৭৩ কোটি ৯০ লাখ ইউরো। বেশির ভাগ খেলোয়াড় ইউরোপিয়ান শীর্ষ ক্লাবে না খেলার কারণেই মূল্য তালিকায় লিওনেল মেসিদের এমন পতন দেখা গেছে।

৯০ মিনিট শেষ। অতিরিক্ত ৬ মিনিটের তখন তৃতীয় মিনিট চলছে। জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে স্নায়ুচাপ তখন চরমে। ঠিক সেই মুহূর্তে শামসুন্নাহার জুনিয়র বক্সের অনেকটা ভেতরে ঢুকে বল ঠেলে দিলেন গোল লাইনের সামনে, সেখানে ছিলেন দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা সাগরিকা আর নেপালের দুই ডিফেন্ডার। তিনজনের জটলার ভেতর থেকে বল গেল জালে!

গোয়ার ভ্যাপসা গরম আর তীব্র চাপ থেকে একমুহূর্তে মিলল মুক্তি। গ্যালারিতে আসা হাজার খানেক নেপালিকে স্তব্ধ করে উল্লাসে মাতল বাংলাদেশ। পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে অষ্টম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ। আর তাতেই বেঁচে থাকল লাল-সবুজের মেয়েদের হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন।

অথচ স্থানীয় সময় বেলা ৪টায় যখন ম্যাচ শুরু হয়, মাঠের আবহাওয়া আক্ষরিক অর্থেই উত্তপ্ত। মাথার ওপর চড়া রোদ আর তীব্র গরমে দৌড়ানো দায়। ম্যাচে গত দুবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের দাপুটে ফুটবল দেখতে যাঁরা চোখ রেখেছিলেন, প্রথম ৪৫ মিনিটে তাঁদের বুক দুরুদুরু বৈ আর কিছু ছিল না। এই সময়ের গল্পটা যদি এক লাইনে বলতে হয়, বাংলাদেশ প্রথমার্ধে মাঠ ছেড়েছে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বস্তি নিয়ে, ঋতুপর্ণার অবিশ্বাস্য অলিম্পিক গোলে স্কোরলাইন তখন ১-১।

নেপাল ডিফেন্ডার পুজা রানা, বিমলা বিকে বা ফরোয়ার্ড দিপা শাহী—ঢাকার লিগে খেলার সুবাদে বাংলাদেশের শক্তি-দুর্বলতা তাদের নখদর্পণে। সেই চেনা ছকেই যেন আজ ছড়ি ঘোরাল নেপাল। ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠে নামা বাংলাদেশ দলকে চেনা যাচ্ছিল না।

গত দুবার যে দাপট নিয়ে সাবিনারা মাঠ কাঁপিয়েছেন, আজ যেন তার ঠিক উল্টো পিঠ। শুরুটা হলো একরাশ আতঙ্ক দিয়ে। পাসিংয়ে চরম সমন্বয়হীনতা, কোনো বিল্ডআপ নেই, রক্ষণভাগ খেই হারিয়ে বল তুলে দিচ্ছে প্রতিপক্ষের পায়ে। মাঠের ছন্নছাড়া ভাব দেখে প্রেসবক্স থেকেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল, গোল খাওয়াটা শুধুই সময়ের ব্যাপার।

[caption id="attachment_275633" align="alignnone" width="830"] ঋতুপর্ণার গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ, বাফুফে[/caption]

গ্যালারির এক কোণায় জড়ো হওয়া নেপালি দর্শকদের ভুভুজেলার আওয়াজ তখন মারগাঁওয়ের আকাশে চড়ছে। সেই গর্জনের রেশ ধরেই ম্যাচের ২২ মিনিটে এগিয়ে যায় নেপাল। কর্নার থেকে জটলার মধ্যে বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে গোল করেন নেপালের গীতা রানা (১-০)।

গোল খেয়ে আরও যেন গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। যে মারিয়া মান্দার পা থেকে বল কাড়া একসময় দুঃসাধ্য ছিল, আজ তাঁর কাছ থেকেই অনায়াসে বল কেড়ে নিচ্ছিলেন উজ্জীবিত নেপালিরা। আর উইংয়ে ঋতুপর্ণা চাকমা?

প্রথমার্ধের একটা বড় সময় জুড়ে তিনি ছিলেন শুধুই নিজের ছায়া হয়ে। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে তো ব্যবধান ২-০ হয়ে যেতে পারত। নেপালের প্রীতি রাইয়ের বুলেট গতির শট বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলির হাতে লেগে ক্রসবারে প্রতিহত না হলে ম্যাচ ওখানেই শেষ হয়ে যেতে পারত। ভাগ্যদেবী তখনো বাংলাদেশের সহায়।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ৩৯ মিনিটেই ডাগআউটে বড় সিদ্ধান্ত নেন কোচ। উমেলাহ ও প্রীতিকে তুলে মাঠে নামানো হয় তহুরা খাতুন আর শামসুন্নাহার জুনিয়রকে। কিন্তু দূর থেকে তালগোল পাকানো ব্যাকপাস আর আক্রমণভাগের নির্বিষ ভাব কাটছিলই না।

ইতিহাস বলছিল, সাফে এই দুই দলের আগের ৫ দেখায় নেপাল ৩ বার জিতলেও শেষ দুটি সাফের ফাইনালে নেপালকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিল বাংলাদেশ।

সেই চ্যাম্পিয়নরা যেন হুট করে জেগে উঠল প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে। বক্সের কিছু দূর থেকে ফ্রি–কিক পায় বাংলাদেশ। মারিয়ার ফ্রি-কিক নেপালি ডিফেন্ডারের হেডে কর্নার হলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। বাঁ পায়ের বাঁকানো কর্নারে সরাসরি বল জালে জড়ালেন ঋতুপর্ণা!

সরাসরি কর্নার থেকে চোখধাঁধানো এক ‘অলিম্পিক গোল’। এই এক গোলেই যেন প্রাণ ফিরে পেল বাংলাদেশ দল। গা ঝাড়া দিয়ে উঠল পুরো শিবির, ড্রেসিংরুমে যাওয়ার আগে ফিরে পেল হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস।

১-১ সমতায় বিরতি থেকে ফিরেই মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে মৌমিতার জায়গায় নামানো হয় মনিকা চাকমাকে। তবে দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট ধরে রাখে নেপালই। একের অপর আক্রমণে তারা কাঁপাতে থাকে বাংলাদেশের রক্ষণ। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তখন ঘর সামলে চেষ্টা করে প্রতিআক্রমণে উঠতে। তেমনই এক পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ৬৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল। শামসুন্নাহার জুনিয়রের মাপা ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেড করেছিলেন মনিকা চাকমা, কিন্তু বলটি পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে গেলে উল্লাসে মাতা হয়নি বাংলাদেশের।

গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের ততক্ষণে রোদের তীব্রতা কমে এসেছে। ম্যাচ যত গড়িয়েছে, রোমাঞ্চ আর স্নায়ুচাপ ততই বেড়েছে। প্রথমার্ধের সেই আতঙ্ক কাটিয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে লড়াইয়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছে। আক্রমণের ধার বাড়াতে আনিকার জায়গায় সাগরিকা আসেন মাঠে। ৭৮ মিনিটে মনিকার দারুণ এক থ্রু পাস থেকে সাগরিকার দুরন্ত শট অবিশ্বাস্যভাবে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন নেপালের গোলকিপার আনজিলা তুম্বাপো। এর পরপরই মনিকাকে তুলে শাহেদা আক্তার রিপাকে পাঠানো হয় মাঠে।

[caption id="attachment_275631" align="alignnone" width="857"] যোগ করা সময়ে সাগরিকার গোল বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেবাফুফে[/caption]

ম্যাচ যখন যোগ করা সময়ে গড়ায়, প্রায় সবাই ধরে নিয়েছিলেন খেলা অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে যাবে। তখনই আসে ৯৩ মিনিটের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শামসুন্নাহারের বুদ্ধিদীপ্ত পাস আর জটলার মধ্য থেকে সাগরিকার দুর্দান্ত প্রচেষ্টা। প্রথম দেখায় সাগরিকাই গোল করেছেন বলে মনে হলেও পরে সাফের অফিশিয়াল ম্যাচ রিপোর্টে তা প্রীতি রাইয়ের আত্মঘাতী দেখানো হয়েছে। গোয়ার মাঠে রূপকথা লিখে আরও একবার সাফের ফাইনালে লাল-সবুজের বাংলাদেশ।

ম্যাচসেরা হয়েছেন ঋতুপর্ণা। ৬ জুনের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে আজই ভারত-ভুটান দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ী দল। ফাইনালে কী হবে পরের বিষয়, তবে আজ মারিয়ারা যেভাবে কোণঠাসা অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটেছেন, তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে অনেক দিনই।

বিশ্বকাপের আগে চিলির বিপক্ষে ডিআর কঙ্গোর একটি প্রীতি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। আফ্রিকার দেশটিতে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায় ম্যাচটি আয়োজনের অনুমতি দেননি স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর লা লিনিয়ার মেয়র হুয়ান ফ্রাঙ্কো। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ৯ জুন।

সংবাদমাধ্যমকে ফ্রাঙ্কো জানান, এটি ‘সতর্কতামূলক পদক্ষেপ’। আন্দালুসিয়া অঞ্চলের স্বাস্থ্য বিভাগের সুপারিশ মেনেই তিনি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। জিব্রাল্টার সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত ৬৫ হাজার জনসংখ্যার শহর লা লিনিয়ার এই মেয়র আরও বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে পৌরসভার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাও ম্যাচটি আয়োজন না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

১৯৭৪ বিশ্বকাপে জায়ারে নামে অংশ নেওয়ার পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ডিআর কঙ্গো। বিশ্বকাপ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ রাতে দলটির আরেকটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। বেলজিয়ামের লিয়েজে সেই ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর প্রতিপক্ষ ডেনমার্ক।

গত মাসে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর বিশ্বকাপের আগে দেশে পরিকল্পিত অনুশীলন ক্যাম্প বাতিল করে ডিআর কঙ্গো ফুটবল দল। তারা বেলজিয়ামেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। অত্যন্ত সংক্রামক রক্তক্ষরণজনিত জ্বর ইবোলার প্রাদুর্ভাব গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশটিতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের বুনিয়ায় অবস্থিত বুনিয়া জেনারেল রেফারেল হাসপাতালে ইবোলা আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ১৬ মে, ২০২৬
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের বুনিয়ায় অবস্থিত বুনিয়া জেনারেল রেফারেল হাসপাতালে ইবোলা আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ১৬ মে, ২০২৬, ছবি: রয়টার্স

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ মে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে কঙ্গোর খেলোয়াড়দের আগে ২১ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। এই সময় পার হওয়ার পরই তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিধিনিষেধের কারণে ডিআর কঙ্গোর বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়দের অবশ্য বড় কোনো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না। খেলোয়াড়দের সবাই দেশের বাইরে বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন। দলের মুখপাত্র জেরি কালেমো জানিয়েছেন, স্কোয়াডের কোনো খেলোয়াড়ই ক্লাব ফুটবলের মৌসুম শেষে আর দেশে ফেরেননি।

বিশ্বকাপে ‘কে’ গ্রুপে ডিআর কঙ্গোর প্রথম ম্যাচ ১৭ জুন, প্রতিপক্ষ পর্তুগাল, ম্যাচটি হবে হিউস্টনে। এরপর ২৩ জুন গুয়াদালাহারায় কলম্বিয়ার বিপক্ষে এবং ২৭ জুন আটলান্টায় উজবেকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে তারা।

১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব