• Colors: Green Color

চলতি মৌসুমে সব হারানো লিভারপুলের লক্ষ্য এখন চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা পাওয়া। ফলে সামনে থাকা সব ম্যাচই এখন দলটির জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। তেমন এক ম্যাচে আজ রোববার রাতে এভারটনের মুখোমুখি হয়েছিল আর্নে স্লটের দল। নানা দিক বিবেচনায় মার্সিসাইড ডার্বির এ ম্যাচটিতে চোখ ছিল অনেকের।

এভারটনের নতুন মাঠ হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে এটি ছিল প্রথম ডার্বি ম্যাচ। যেটি আবার লিভারপুলের হয়ে মোহাম্মদ সালাহর শেষ ডার্বি ম্যাচও বটে। এমন ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে লিভারপুল। এভারটনের বিপক্ষে লিভারপুলের জয় ২–১ গোলে। লিভারপুলকে প্রথমার্ধে এগিয়ে দেন সালাহ। পরে বেতোর গোলে সমতা ফেরায় এভারটন। সেই সেই সমতাতেই শেষ হওয়ার অপেক্ষায় ছিল ম্যাচ।

কিন্তু যোগ করা সময়ের দশম মিনিটে চমক উপহার দেন লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। কর্নার থেকে বল পেয়ে হেডে গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলই নিশ্চিত করে লিভারপুলের জয়। এই জয়ে ৩৩ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরে থাকল লিভারপুল। ১০ নম্বরে থাকা এভারটনের পয়েন্ট ৪৭। রাতের অন্য ম্যাচে স্যান্ডারল্যান্ডকে ৪–৩ গোলে হারিয়েছে চারে থাকা অ্যাস্টন ভিলা। যাদের পয়েন্ট ৩৩ ম্যাচে ৫৮।

এভারটনের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণ ও প্রতি–আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। গতিময় ফুটবলে দুই দলই প্রতিপক্ষের রক্ষণকে চাপে রাখে। তবে প্রথম দিকে এভারটনের চেয়ে লিভারপুলই চাপে ছিল বেশি। এভারটন একাধিকবার কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হয়।

সালাহর গোল উদ্‌যাপন
সালাহর গোল উদ্‌যাপনএএফপি

শেষ পর্যন্ত ২৭ মিনিটে হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে মার্সিসাইড ডার্বির প্রথম গোলটি করেন ইলিমান এনদিয়ায়ের। তখন পর্যন্ত যোগ্যতম দল হিসেবেই গোলটি পেয়েছিল তারা। ডান দিক থেকে জ্যাক ও’ব্রেইনের ক্রসে বল পেয়ে সহজেই লক্ষ্যভেদ করেন এনদিয়ায়ে; কিন্তু ভিএআর যাচাইয়ের পর দেখা গেল, ও’ব্রায়েন অফসাইডে ছিলেন। ফলে গোলটি বাতিল করা হয়।

গোল বাতিল হওয়ার হতাশা থেকে বেরোনোর আগেই উল্টো গোল পিছিয়ে পড়ে এভারটন। ৩০ মিনিটে মার্সিসাইড ডার্বিতে নিজের শেষ ম্যাচেই গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন সালাহ। মাঝমাঠে ভুল করে বল হারান এভারটনের ডিউইট ম্যাকনেইল। সেই সুযোগে কোডি গাকপো নিখুঁতভাবে বল বাড়ান সালাহর দিকে। পুরো ফাঁকা জায়গা পেয়ে ঠান্ডা মাথায় শট নেন সালাহ, আর বল জড়িয়ে যায় জালে। ভালো খেলেও পিছিয়ে পড়ে এভারটন। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে চেষ্টা করেও আর সমতায় ফিরতে পারেনি এভারটন।

বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যায় এভারটন। তবে ৫৪ মিনিটে সমতাসূচক গোলটি অনেকটা আকস্মিকভাবেই পেয়ে যায় তারা। হঠাৎ বাঁ দিকের চ্যানেলে একটি লং পাস আসলে সেটি ধরার জন্য দৌড়ে যান এনদিয়ায়ে ও ডিউসবারি–হল। ইব্রাহিমা কোনাতেকে পেছনে ফেলে বল পেয়ে যান হল। তিনি গোলমুখে দারুণভাবে বল বাড়ান। সেখানে অপেক্ষায় থাকা বেতো ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ালে ম্যাচে ফিরে আসে এভারটন।

এরপর ম্যাচের শেষ পর্যন্ত দুই দলই চেষ্টা করেছে লিড নেওয়ার। এভারটন ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে লিভারপুল। শেষ মুহূর্তে ফন ডাইকের গোলই গড়ে দেয় পার্থক্য।

দেশের ক্রীড়াবিদদের আর্থিক সচ্ছলতা ও ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গত ৩০ মার্চ চালু হওয়া ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে যুক্ত হলেন আরও ১৭১ জন খেলোয়াড়। এর ফলে সরকারের এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আসা মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা হয়েছে ৩০০।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আজ ১৭১ জন খেলোয়াড়কে এক লাখ টাকা করে ভাতার পাশাপাশি ক্রীড়া কার্ড দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এই ধাপে ভাতার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পুরুষ ও নারী ফুটবল দলের ৩৬ জন।

এ ছাড়া প্রথমবারের মতো গঠিত হওয়া জাতীয় নারী হকি দলও ভাতার আওতায় এসেছে। ‎এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে অংশ নিতে আজ রাতেই ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বে নারী হকি দল।

শুধু জাতীয় দলই নয়, আন্তর্জাতিক সাফল্য নিয়ে আসা তরুণ প্রতিভাদেরও মূল্যায়ন করছে সরকার। সম্প্রতি পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ান আঞ্চলিক জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বালক দ্বৈতে সোনাজয়ী সিফাত উল্লাহ ও নাজমুল ইসলামকে ক্রীড়া কার্ডের সঙ্গে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

ফুটবলার শামসুন্নাহার জুনিয়রের ক্রীড়া কার্ড
ফুটবলার শামসুন্নাহার জুনিয়রের ক্রীড়া কার্ড
 

‎এই কর্মসূচির আওতায় থাকা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে মাসিক এক লাখ টাকা করে ভাতা এবং একটি ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন খেলার মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদ এই ভাতার আওতায় আসবেন।

‎গত ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সেদিন ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড পেয়েছিলেন ১২৯ জন খেলোয়াড়। স্থায়ীভাবে কেউ এই ভাতা পাবেন না। প্রতি চার মাস পরপর ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স মূল্যয়নের ভিত্তিতে ভাতার তালিকা হালনাগাদ করা হবে।

দ্বিতীয় দফায় ক্রীড়া ভাতায় কোন খেলার কতজন

ফুটবল (পুরুষ ও নারী): ৩৬, ‎হকি (পুরুষ ও নারী): ৩৬, ‎ভলিবল: ১৪, ‎দাবা: ১১, ‎আর্চারি: ১১, ‎ভারোত্তোলন: ১০, ‎হ্যান্ডবল: ১০, ‎জিমন্যাস্টিকস: ৯, ‎সাঁতার: ৬, ‎টেবিল টেনিস: ৫, ‎শুটিং স্পোর্ট: ৫, ‎সাইক্লিং: ৪, ‎উশু: ৪, ‎জুডো: ৩, ‎কিকবক্সিং: ২, ‎টেনিস: ২, ‎বডি বিল্ডিং: ২ ও ‎ট্রায়াথলন: ১।

ইন্টার মায়ামির নতুন কোচ হিসেবে গুইলার্মো হোয়োসের অভিষেকে জয় উপহার দিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। আজ মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে মেসির জোড়া গোলে কলোরাডো র্যাপিডসকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।

মেসি একটি গোল করেছেন পেনাল্টি থেকে, ম্যাচের ১৮ মিনিটে। অন্যটি করেছেন ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে। এই গোলটিই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে। শুরুতে অবশ্য মায়ামিই ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল।

মেসির পেনাল্টিতে মায়ামি এগিয়ে যাওয়ার পর দলটি দ্বিতীয় গোল পায় প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। বিরতির ঠিক আগে মেসির একটি ফ্লিক থেকে বল পেয়ে মাতেও সিলভেত্তি ক্রস বাড়ান, যা থেকে হেডে গোল করেন জার্মান বার্তেরাম।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিক কলোরাডো। ৪ মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ম্যাচে তাদের সমতায় ফেরান রাফায়েল নাভারো (৫৮) ও ড্যারেন ইয়াপি (৬২)। সেই সমতা থেকেই পরে ম্যাচ মায়ামির দিকে ঘুরিয়ে দেন মেসি।

স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উপস্থিত ৭৫,৮২৪ দর্শক, যা এমএলএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উপস্থিত ৭৫,৮২৪ দর্শক, যা এমএলএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।এএফপি
 

আর্জেন্টাইন তারকার কারণে টিকিটের ব্যাপক চাহিদা মেটাতে কলোরাডো ম্যাচটি ডেনভারের বিশাল এনএফএল স্টেডিয়ামে সরিয়ে নেয়। ম্যাচের সময় দেখা যায়, স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উপস্থিত ৭৫,৮২৪ দর্শক, যা এমএলএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

এমন এক ম্যাচেই ফল নির্ধারণ হয়েছে মেসিরই গোলে। ম্যাচের ১১ মিনিট বাকি থাকতে রদ্রিগো দি পলের বাড়ানো বল ধরে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। সেখানে তিনজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দেন।

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে হাভিয়ের মাচেরানো পদত্যাগ করার চার দিন পর আজ মায়ামির ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে ডাগআউটে ছিলেন হোয়োস। মেসির দীর্ঘদিনের বন্ধু হোয়োস এই জয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় আছে, যে ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বদলে দিতে পারে।’

এই জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ইন্টার মায়ামি
এই জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ইন্টার মায়ামি, এএফপি
 

এই হোয়োসের সঙ্গে মেসির সম্পর্ক দুই দশকের বেশি সময়ের। বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমিতে একসঙ্গে ছিলেন তাঁরা। বর্তমানে ইন্টার মায়ামির স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্বরত হোয়োসকে আপাতত কোচের কাজ চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ইন্টার মায়ামি। ৮ ম্যাচে দলটির পয়েন্ট ১৫, সমান ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ন্যাশভিল। হোয়োস বলেছেন, ‘এটি আমাদের ধারাবাহিক উন্নতিরই অংশ। মনে রাখতে হবে, এই দলটি বর্তমান এমএলএস চ্যাম্পিয়ন।’

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার জাহানারা আলম। তাঁর সেই অভিযোগে বেশ তোলপাড়ই সৃষ্টি হয়েছিল। পরে স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মঞ্জুকে ভবিষ্যতে দেশের ক্রিকেটের কোনো কিছুতে সম্পৃক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি যৌন হয়রানির ঘটনায় শাস্তি দেওয়া হয়েছিল মঞ্জুকে। এত দিন এই ঘটনা নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি জাহানারা। তবে আজ ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, মঞ্জুর অন্য সহযোগীদেরও শাস্তি চান। প্রধান অভিযুক্ত মঞ্জুকে দেওয়া শাস্তিতেও খুশি নন জাহানারা।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁরা একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন, মিস্টার মঞ্জুকে শাস্তি দিয়েছেন। কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। কারণ, আমার সঙ্গে যা যা হয়েছে, আমি যা যা ফেস করেছি, সেই তুলনায় এই শাস্তি আমার কাছে খুব সামান্য মনে হয়েছে। আমি আরও অনেক বড় শাস্তি আশা করেছিলাম।’

ক্রিকেটে তাঁর মতো আরও অনেক নারী যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তাঁদের জন্য ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাহানারা। তিনি অভিযোগ করেছেন, ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মঞ্জুরুল ও তাঁর সহযোগীরা মানসিকভাবে তাঁকে অত্যাচার করেন।

মঞ্জুরুল ইসলাম ও জাহানারা আলম
মঞ্জুরুল ইসলাম ও জাহানারা আলম

জাহানারা বলেন, ‘(আমাকে) সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে, এমনকি আমাকে চরম পর্যায়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’ তাঁদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, ‘তৌহিদ মাহমুদ (নারী দলের সাবেক ম্যানেজার) তো মারা গেছেন, মঞ্জুর সামান্য শাস্তি হয়েছে। কিন্তু তাঁর এই সহযোগী গ্রুপের তো কোনো বিচার হয়নি, শাস্তিও হয়নি।’

ভিডিও বার্তায় নারী দলের সাবেক প্রধান আবদুর রাজ্জাকের কয়েকটি মন্তব্য নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন জাহানারা। নারী দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘তিনি (আবদুর রাজ্জাক) আবারও মন্তব্য করেন তাঁর ভাই মিস্টার মঞ্জুর নাকি অনেক বড় শাস্তি দেওয়া হয়ে গিয়েছে। মঞ্জু নাকি এত বড় শাস্তি ডিজার্ভ করে না। তিনি মন্তব্য করেন যে নারী ক্রিকেটাররা নাকি সমঝোতা করে ক্রিকেট খেলে বলে তিনি মনে করেন।’

ভিডিও বার্তায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন জাহানারা। মঞ্জু ও তাঁর সহযোগী গ্রুপের সুষ্ঠু তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানান জাহানারা। তিনি অভিযোগ জানানোর পর অন্য অঙ্গনের অনেক ক্রীড়াবিদও তাঁদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। তাঁদের এসব অভিযোগেরও তদন্ত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী এই ক্রিকেটার। তা না করা হলে ওই ক্রীড়াবিদেরা খেলতে পারবেন না বলেও মনে করেন জাহানারা। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জন্য নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার জন্য সেফগার্ডিং পলিসির ব্যবস্থা করতেও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন জাহানারা।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার জাহানারা আলম। তাঁর সেই অভিযোগে বেশ তোলপাড়ই সৃষ্টি হয়েছিল। পরে স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মঞ্জুকে ভবিষ্যতে দেশের ক্রিকেটের কোনো কিছুতে সম্পৃক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি যৌন হয়রানির ঘটনায় শাস্তি দেওয়া হয়েছিল মঞ্জুকে। এত দিন এই ঘটনা নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি জাহানারা। তবে আজ ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, মঞ্জুর অন্য সহযোগীদেরও শাস্তি চান। প্রধান অভিযুক্ত মঞ্জুকে দেওয়া শাস্তিতেও খুশি নন জাহানারা।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁরা একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন, মিস্টার মঞ্জুকে শাস্তি দিয়েছেন। কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। কারণ, আমার সঙ্গে যা যা হয়েছে, আমি যা যা ফেস করেছি, সেই তুলনায় এই শাস্তি আমার কাছে খুব সামান্য মনে হয়েছে। আমি আরও অনেক বড় শাস্তি আশা করেছিলাম।’

ক্রিকেটে তাঁর মতো আরও অনেক নারী যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তাঁদের জন্য ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাহানারা। তিনি অভিযোগ করেছেন, ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মঞ্জুরুল ও তাঁর সহযোগীরা মানসিকভাবে তাঁকে অত্যাচার করেন।

মঞ্জুরুল ইসলাম ও জাহানারা আলম
মঞ্জুরুল ইসলাম ও জাহানারা আলম

জাহানারা বলেন, ‘(আমাকে) সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে, এমনকি আমাকে চরম পর্যায়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’ তাঁদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, ‘তৌহিদ মাহমুদ (নারী দলের সাবেক ম্যানেজার) তো মারা গেছেন, মঞ্জুর সামান্য শাস্তি হয়েছে। কিন্তু তাঁর এই সহযোগী গ্রুপের তো কোনো বিচার হয়নি, শাস্তিও হয়নি।’

ভিডিও বার্তায় নারী দলের সাবেক প্রধান আবদুর রাজ্জাকের কয়েকটি মন্তব্য নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন জাহানারা। নারী দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘তিনি (আবদুর রাজ্জাক) আবারও মন্তব্য করেন তাঁর ভাই মিস্টার মঞ্জুর নাকি অনেক বড় শাস্তি দেওয়া হয়ে গিয়েছে। মঞ্জু নাকি এত বড় শাস্তি ডিজার্ভ করে না। তিনি মন্তব্য করেন যে নারী ক্রিকেটাররা নাকি সমঝোতা করে ক্রিকেট খেলে বলে তিনি মনে করেন।’

ভিডিও বার্তায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন জাহানারা। মঞ্জু ও তাঁর সহযোগী গ্রুপের সুষ্ঠু তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানান জাহানারা। তিনি অভিযোগ জানানোর পর অন্য অঙ্গনের অনেক ক্রীড়াবিদও তাঁদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। তাঁদের এসব অভিযোগেরও তদন্ত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী এই ক্রিকেটার। তা না করা হলে ওই ক্রীড়াবিদেরা খেলতে পারবেন না বলেও মনে করেন জাহানারা। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জন্য নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার জন্য সেফগার্ডিং পলিসির ব্যবস্থা করতেও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন জাহানারা।

২৫ বছর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ফিরল কভেন্ট্রি সিটি।

২০০১ সালের ৫ মে—অ্যাস্টন ভিলার কাছে ৩-২ গোলের হারে প্রিমিয়ার লিগ থেকে নেমে গিয়েছিল ক্লাবটি। এরপর কেটে গেছে ৯,১১৩ দিন। চ্যাম্পিয়নশিপ, অর্থাৎ দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবলে ১১ বছর কাটানোর পর আবারও অবনমন ঘটে কভেন্ট্রির। নেমে যায় তৃতীয় বিভাগ, অর্থাৎ লিগ ওয়ানে। তীব্র আর্থিক সংকটে পড়ায় ২০১৩ সালে দেউলিয়া হওয়ারও শঙ্কায় ছিল কভেন্ট্রি।

সে সময় নর্থহ্যাম্পটন ও বার্মিংহামের সঙ্গে মাঠ ভাগাভাগি করে খেলা, মালিকপক্ষ সিসুর বিরুদ্ধে সমর্থকদের ঘৃণা, দফায় দফায় প্রতিবাদ, এমনকি পার্লামেন্টে আলোচনার মতো নাটকীয় সব ঘটনা ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। এই সবকিছু পেছনে ফেলে শীর্ষ লিগে ফেরার আশা সে সময় কভেন্ট্রির জন্য ছিল এক সুদূরপরাহত স্বপ্ন।

দীর্ঘ ১৩ বছর ক্লাবের মালিকানায় থাকা সিসু শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালে ডগ কিংয়ের কাছে মালিকানা বিক্রি করতে বাধ্য হন। এর মাঝে ২০১৭ সালে কভেন্ট্রি ৫৯ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চতুর্থ স্তরের লিগে নেমে যায়। মালিকপক্ষের বিরুদ্ধাচরণ করতে গিয়ে সমর্থকেরা কখনো লংমার্চ করেছেন আবার কখনো প্রতিবাদ জানাতে ঢুকে পড়েছেন খেলার মাঠেও।

শেষ পর্যন্ত কভেন্ট্রি শীর্ষ পর্যায়ের লিগে ফিরল ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি মিডফিল্ডার ও কোচ ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের হাত ধরে। চ্যাম্পিয়নশিপে গতকাল রাতে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে প্রিমিয়ার লিগে ফিরেছে ‘স্কাই ব্লুজ’রা।

কভেন্ট্রির খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত কোচ ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। গতকাল রাতে ম্যাচ শেষে
কভেন্ট্রির খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত কোচ ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। গতকাল রাতে ম্যাচ শেষে, রয়টার্স

কী করেছেন ল্যাম্পার্ড

কভেন্ট্রি সিটি আসলে নিজেরাই নিজেদের চমকে দিয়েছে। ক্লাবের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বিবিসিকে জানিয়েছে, মৌসুমের শুরুতে কিছুটা আশা থাকলেও এত দ্রুত এমন সাফল্য আসবে, সেটা তারা কল্পনাও করেনি।

২০২৪ সালের নভেম্বরে সমর্থকদের প্রিয় কোচ মার্ক রবিনসের স্থলাভিষিক্ত হন ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। দলের প্রথম গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময়টা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন তিনি। ল্যাম্পার্ডের শান্ত ও ধীরস্থির ব্যক্তিত্ব দলের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, যা এই সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে।

ব্রাইটন থেকে ধারে যোগ দেওয়া গোলকিপার কার্ল রাশওয়ার্থ দলের পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। গত মৌসুমের মূল দলে খুব বেশি পরিবর্তন করেননি ল্যাম্পার্ড। গত মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে ল্যাম্পার্ড যেভাবে দলটিকে টেনে তুলেছেন, তাতে মুগ্ধ ক্লাবের শীর্ষ কর্তারা। চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা কভেন্ট্রি এখন শিরোপা জয়ের স্বপ্নও দেখছে। পাশাপাশি পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুইয়ে থেকে মৌসুম শেষ করা নিশ্চিত হওয়ায় প্রিমিয়ার লিগে ওঠাও নিশ্চিত হয়েছে কভেন্ট্রির।

ল্যাম্পার্ড কোচের দায়িত্ব নেওয়ার সময় তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা ছিল মালিক ডগ কিংয়ের। তিনি নিজে নিয়মিত ট্রেনিং গ্রাউন্ডে সময় কাটান। সেখানকার সব স্টাফকে নামে চেনেন, সবার সঙ্গে নিজে গিয়ে কথা বলেন। এমনকি প্রায়ই ক্যানটিনে কফি বানাতে বা শেফের সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা যায় ডগ কিংকে। তারকা খেলোয়াড়দের জন্য সেখানে আলাদা কোনো জায়গা নেই; আর এই বৈষম্যহীন পরিবেশই ‘স্কাই ব্লুজ’দের মধ্যে একাত্মতার আবহ তৈরি করেছে।

ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড মাঠে দক্ষ নাবিকের মতো পরিচালনা করেছেন কভেন্ট্রিকে
ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড মাঠে দক্ষ নাবিকের মতো পরিচালনা করেছেন কভেন্ট্রিকে, রয়টার্স

চেলসির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী ল্যাম্পার্ডের ব্যক্তিগত ইমেজ ও প্রভাব কভেন্ট্রিতে এতটাই প্রবল যে অন্য ক্লাবের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও অনেক ফুটবলার স্রেফ তাঁর কারণে এই ক্লাবে যোগ দিয়েছেন।

ল্যাম্পার্ডের কোচিং দর্শনের অন্যতম বড় দিক হলো দলের ভেতরের সমন্বয়। নতুন ফুটবলার হোক বা পুরোনো—যাঁরা ম্যাচ খেলার সুযোগ কম পাচ্ছেন, তাঁরাও যেন নিজেদের ব্রাত্য মনে না করেন, সেদিকে কড়া নজর রেখেছেন তিনি। সুফলও মিলেছে হাতেনাতে।

ফরোয়ার্ড ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্টের কথাই ধরা যাক। গত বছর ব্ল্যাকবার্ন বা ডার্বি কাউন্টিতে চলে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি থেকে যান। ল্যাম্পার্ড এই ফরোয়ার্ডের পরিশ্রমী মনোভাব ও দায়বদ্ধতা দেখে তাঁর ওপর আস্থা রেখেছিলেন। আসান্টে গত মৌসুমের তুলনায় এবার দ্বিগুণ (৩০ ম্যাচে ১২ গোল) গোল করেছেন।

বিবিসিকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের ভেতর আত্মবিশ্বাসের স্ফূরণ ঘটাতে ল্যাম্পার্ড অপ্রতিদ্বন্দ্বী। সিনিয়র খেলোয়াড় জেক বিডওয়েল ও জেমি অ্যালেন মাঠে নিয়মিত না হলেও তাঁদের সব সময় মূল পরিকল্পনার অংশ করে রেখেছেন ল্যাম্পার্ড। এটি মানুষকে পরিচালনায় তাঁর দক্ষতাই ফুটিয়ে তোলে।

‘ভোগান্তিও আনন্দেরই অংশ’

খেলোয়াড়দের ওপর যেন প্রমোশনের বাড়তি চাপ ভর না করে, সেটি নিশ্চিত করাকেই নিজের অন্যতম প্রধান কাজ মনে করেন কভেন্ট্রি কোচ ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড।

নিজের কৌশল নিয়ে ল্যাম্পার্ড বলেন, ‘আমি বিষয়গুলো সহজ ও সরাসরি রাখার চেষ্টা করি। খুব বেশি কথা বলা আমার পছন্দ নয়। ১৫ বছর আগে বড় কোনো ম্যাচে আমার যে অভিজ্ঞতা হতো, তা হয়তো বর্তমান খেলোয়াড়দের চেয়ে আলাদা। তবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা যখন কোচিংয়ে কাজে লাগানো যায়, সেটাই বড় ইতিবাচক দিক। কারণ, পরিস্থিতিগুলো আমি নিজে পার করে এসেছি।’

কভেন্ট্রি এ মৌসুমে টানা দুই ম্যাচ হেরেছে মাত্র একবার। গত জানুয়ারিতে নরউইচ ও কিউপিআরের কাছে হেরে ১০ পয়েন্টের লিড খুইয়েছিল তারা। জানুয়ারির শেষে মিডলসবোরো যখন ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তাদের ধরে ফেলে, এমনকি ফেব্রুয়ারিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেও উঠে যায়, তখন এই ল্যাম্পার্ডের দলই তাদের ৩-১ গোলে হারিয়ে শীর্ষ স্থানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। সর্বশেষ ১৩ ম্যাচে মাত্র ১টিতে হেরেছে কভেন্ট্রি, জিতেছে ৮টি।

পরিসংখ্যান বলছে, গত ৯৯ মৌসুমে কভেন্ট্রি টানা পাঁচ ম্যাচ জিততে পেরেছে মাত্র পাঁচবার। যার মধ্যে তিনটিই এসেছে ল্যাম্পার্ডের অধীনে—গত মৌসুমে একবার আর চলতি মৌসুমে দুবার। ল্যাম্পার্ড বলেন, ‘বছর দেড়েক আগে আমি, ক্রিস জোনস আর জো এডওয়ার্ডস যখন এখানে আসি, সব আমাদের কাছে নতুন ছিল। আমরা সময়টা উপভোগ করছি, কিন্তু মূল পরিশ্রমটা করেছে খেলোয়াড়রা।’

ল্যাম্পার্ডের কোচিংয়ে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা এসেছে কভেন্ট্রি সমর্থকদের মানসিকতায়। গত এক দশকে মাঠ ও মাঠের বাইরে নানা ধকল সইতে হয়েছে ক্লাবটিকে। আট বছরে তিনটি প্রমোশন পেলেও ভক্তদের মনে একধরনের হতাশা বা ‘নেতিবাচক চিন্তা’ স্থায়ী আসন গেড়েছিল। প্রিমিয়ার লিগে ফেরা সেই হতাশা দূর করেছে।

এ প্রসঙ্গে ল্যাম্পার্ড বলেন, ‘আমি নিজে ওয়েস্ট হামের ভক্ত হিসেবে বড় হয়েছি, সেখানেও এমন ছিল। আবার এভারটনেও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। এটা মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। হয়তো ব্রিটিশ সংস্কৃতির মধ্যেই আছে যে সামনে খারাপ কিছু ঘটতে যাচ্ছে, এমনটা ধরে নেওয়া।’

ল্যাম্পার্ড সবশেষে মনে করিয়ে দেন, ‘ভোগান্তিও আনন্দেরই অংশ। শুনতে হয়তো অদ্ভুত লাগছে, কিন্তু ভালো কিছু পেতে হলে আপনাকে একটু কষ্ট সইতেই হবে।’

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব