৫ গোলের রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে নটিংহাম ফরেস্টকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ঘরের মাঠে আজ রাতে ইউনাইটেডের জয়ের পথে নতুন রেকর্ড গড়েছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোলে সহায়তার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন তিনি।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যাচের ৭৫ মিনিটে ফার্নান্দেজের ডান দিক থেকে দেওয়া ক্রস থেকে ‘রেড ডেভিল’দের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন ব্রায়ান এমবেউমো। এর মধ্য দিয়ে এক মৌসুমে ২০ অ্যাসিস্টে পৌঁছে যান ফার্নান্দেজ। যার ফলে তিনি ছুঁয়ে ফেলেছে শীর্ষে থাকা সাবেক আর্সেনাল তারকা থিয়েরি অঁরি (২০০২–০৩ মৌসুম) ও ম্যানচেস্টার সিটি কিংবদন্তি কেভিন ডি ব্রুইনাকে (২০১৯–২০)।
লিগে এখনো ইউনাইটেডের এক ম্যাচ বাকি আছে। অর্থাৎ বাকি দুজনকে পেছনে ফেলে এককভাবে শীর্ষে ওঠার সুযোগ আছে ফার্নান্দেজের। পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের রেকর্ডছোঁয়া রাতে এমবেউমো ছাড়া ইউনাটেডের অন্য গোল দুটি আসে লুক শ ও মাতেউস কুনহার কাছ থেকে। আর নটিংহাম ফরেস্টের হয়ে গোল করেন মোরাতো ও মরগান গিভস–হোয়াইট।
এই ম্যাচটা বিশেষ হয়ে থাকবে ব্রাজিলিয়ান তারকা কাসেমিরোর জন্যও। ম্যাচে ৭৯ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠ ছাড়ার সময় পুরো ওল্ড ট্রাফোর্ড দাঁড়িয়ে সম্মান জানায় এই মিডফিল্ডারকে। মৌসুম শেষেই ইউনাইটেডকে বিদায় জানাবেন অভিজ্ঞ এই ফুটবল তারকা।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ৩৭ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে মাইকেল ক্যারিকের ইউনাইটেড। তবে ধ্বংসস্তূপ থেকে দলটিকে টেনে তোলা ক্যারিককে এখনো স্থায়ী কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
ম্যাচটি জিতে দলীয়ভাবেও অসাধারণ একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছে ইউনাইটেড। ১৯৮৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত টানা ৪০০ ম্যাচে প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকার পর কখনো হারেনি ইউনাইটেড। ৩৬৫ ম্যাচ জিতেছে ও বাকি ৩৫ ম্যাচে ড্র করেছে।