• Colors: Blue Color

ইরানে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ হামলা চালানোর কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানি শাসকদের হুমকি থামিয়ে দেওয়াই যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্য।

ট্রাম্প বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে একটি বড় যুদ্ধ অভিযান শুরু করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা এবং ইরানি শাসকদের হুমকি বন্ধ করা।’ খবর আল জাজিরার।

ইরানের পাঁচটি শহরে হামলা

ইরানের সংবাদমাধ্যম বলেছে, শনিবার ইরানের পাঁচটি শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ফার্স নিউজ এজেন্সির খবর অনুযায়ী, শহরগুলো হলো, তেহরান, ইস্পাহান, কোম, কারাজ এবং কেরমানশাহ।

সংবাদ সংস্থাটির খবরে আরও বলা হয়, ইরানের রাজধানী তেহরানের ‘ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট’ এবং ‘রিপাবলিক’ এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। খবর বিবিসির।

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায় জাতীয় মুদ্রায় পরিপূর্ণ একটি সামরিক কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে দেশটির রাজধানী লা পাজের কাছে এল আলতো শহরের বিমানবন্দরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নতুন ছাপানো ‘বলিভিয়ান বলিভিয়ানো’ নোট বহনকারী বিশাল এই হারকিউলিস সি-১৩০ কার্গো উড়োজাহাজটি অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। এতে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বিমানটি আছড়ে পড়ার সময় রাস্তার বেশ কিছু যানবাহনের ওপর পড়লে সেগুলোও দুমড়েমুচড়ে যায় এবং মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।
বলিভিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্সেলো স্যালিনাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনী পরিচালিত এই কার্গো বিমানটি মূলত পূর্বাঞ্চলীয় শহর সান্তাক্রুজ থেকে নতুন ছাপানো নোট নিয়ে এল আলতো বিমানবন্দরের দিকে আসছিল। কিন্তু রানওয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছানোর পর কারিগরি ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে সেটি সঠিক পথে থাকতে না পেরে পাশের ব্যস্ততম মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেটিতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ শুরু হলে লা পাজ ও এল আলতো সংলগ্ন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিস বাহিনীর প্রধান পাভেল তোভার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহতদের মধ্যে ঠিক কতজন বিমানে ছিলেন এবং কতজন রাস্তায় থাকা গাড়ির যাত্রী ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অনেক মরদেহ এতটাই দগ্ধ হয়েছে যে, ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া তাদের পরিচয় শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছে কি না, তা খুঁজে দেখছেন উদ্ধারকারীরা।

বলিভিয়ার বিমান বাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল সার্জিও লোরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত কার্গো বিমানটিতে মোট ৬ জন ক্রু সদস্য দায়িত্বরত ছিলেন। উদ্ধার করা মরদেহের মধ্যে চারজন ক্রু সদস্যের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে, তবে বাকি দুই ক্রু সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ ব্যক্তিরাও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারেন। বিমানটি কেন রানওয়ে থেকে ছিটকে গেল, তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া বিমানে থাকা বিপুল পরিমাণ মুদ্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী দুর্ঘটনাস্থলটি ঘিরে রেখেছে।

মুখোমুখি অবস্থানে দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। গতকাল শুক্রবার যুদ্ধাবস্থায় জড়িয়েছে দেশ দুটি। একে অপরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের পাশাপাশি হামলা আর পাল্টা হামলায় দিনভর উত্তেজনা বজায় ছিল। হতাহত হয়েছেন বহু মানুষ। এ তালিকায় বেসামরিক মানুষেরা আছেন। দিনশেষে কোন পক্ষ কতজন হতাহতের দাবি করেছে, ক্ষয়ক্ষতি কেমন হলো, আসুন জেনে নেই—

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বিদেশি সংবাদমাধ্যমের জন্য নির্ধারিত মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানান, পাকিস্তানের অভিযানে আফগান বাহিনীর ২৯৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত ৪৫০ জনের বেশি। এ ছাড়া আফগানিস্তানের ৮৯টি সেনা চৌকি এবং ১৩৫টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে। দেশটির ২৯টি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের একজন মুখপাত্র দাবি করেন, তাদের হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। হামলায় পাকিস্তানের ১৯টি সেনা চৌকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি স্বীকার করে নেন, পাকিস্তানের হামলায় আটজন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১১ জন। আফগানিস্তানের নানগরহার প্রদেশে ১৩ জন বেসামরিক মানুৃষ আহত হয়েছেন।

তবে উভয় পক্ষের হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির এসব দাবি কোনোটাই আল–জাজিরা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

আফগান বাহিনী পাকিস্তানের একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুক্রবার কিছু ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে অনেক আফগান ও ভারতীয় ব্যবহারকারী এই দাবি করেন। তবে এসব দৃশ্য সম্পাদিত বা বিকৃত বলে পাকিস্তানভিত্তিক একটি তথ্য যাচাই–বাছাইকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান আইভেরিফাই পাকিস্তান এই কনটেন্ট বিশ্লেষণ করে এটিকে মিথ্যা বলেছে। এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আইভেরিফাই পাকিস্তান দৃশ্যগুলোর অসামঞ্জস্য খুঁজে বিশ্লেষণ করেছে, বিমানের সিরিয়াল নম্বরের রেকর্ড যাচাই করেছে এবং একাধিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শনাক্তকরণ টুলের মাধ্যমে কনটেন্টটি পরীক্ষা করেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তান খাইবার পাখতুনখোয়ায় সীমান্তজুড়ে একাধিক স্থানে গুলি চালানোর পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আফগান তালেবানের বিরুদ্ধে ‘গজব লিল-হক’ অভিযানের নামে রাজধানী কাবুলসহ আফগানিস্তানের কয়েকটি শহরে বিমান হামলা শুরু করে।

শুক্রবার আফগানিস্তানপন্থী একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়, সেখানে দেখা যায় আগুনে ঘেরা একটি পাকিস্তানি এফ-১৬। ভিডিওটির ক্যাপশন ছিল, ‘বড় ব্রেকিং নিউজ। এটি একটি আমেরিকান তৈরি পাকিস্তানি সামরিক এফ-১৬, যা আফগান প্রতিরক্ষা বাহিনী ভূপাতিত করেছে।’

এ পোস্ট ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৭০০ বার দেখা হয়েছে। একই ধরনের দাবিসহ ভিডিওটি পরে অন্যান্য ভারত ও আফগানিস্তানপন্থী অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়। একটি পোস্টে যুদ্ধবিমানের ছবিও শেয়ার করা হয়।

আফগানিস্তানপন্থী একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে যে আফগান বাহিনী একটি পাকিস্তানি জেট ভূপাতিত করেছে, যা আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিল। প্রতিক্ষা সূত্রগুলো এই খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।’

এই পোস্ট ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ বার দেখা হয়েছে।

একই ভূপাতিত এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের আরেকটি ভিডিওও এক্সে শেয়ার করা হয়। তার ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘এখানে তার সর্বশেষ ভিডিও।’

ওই পোস্টটি ৮০ হাজার ২০০ দেখা হয়।

ভাইরাল ভিডিও এবং দাবির ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান সংঘাতের বিষয়ে জনসাধারণের আগ্রহের কারণে এই দাবি যাচাই করার জন্য একটি ফ্যাক্ট-চেক শুরু করা হয়।

ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে দাবি করা হয়, পাকিস্তানের জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে
ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে দাবি করা হয়, পাকিস্তানের জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে, ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

প্রমাণ পাওয়ার জন্য কিওয়ার্ড ধরে অনুসন্ধান করা হয়। কোনো বিশ্বাসযোগ্য আন্তর্জাতিক বা পাকিস্তানের মূলধারার সংবাদমাধ্যম এই ধরনের এফ-১৬ জেট ভূপাতিত হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে কি না, সেটি খোঁজা হয়। তবে কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি।

ভাইরাল ভিডিও এবং ছবিগুলোর বিশ্লেষণে বিমানটির চিহ্নে অসামঞ্জস্য দেখা যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে বিমানের লেজে সিরিয়াল নম্বর ‘৮৫৫১০’ দেখা যায়। একই সিরিয়াল নম্বর ভিডিওতে বিমানের গায়েও দেখা যায়, যেখানে আসল পাকিস্তান বিমানবাহিনীর এফ-১৬ বিমানের গায়ে কোনো সিরিয়াল নম্বর থাকে না।

ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে দাবি করা হয়, পাকিস্তানের জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে
ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে দাবি করা হয়, পাকিস্তানের জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

তা ছাড়া বিমানের আকারেও সত্যিকারের এফ-১৬ বিমানের ছবির সঙ্গে তুলনা করলে অসামঞ্জস্য দেখা যায়।

ভিডিওটি একাধিক এআই-ডিটেকশন টুলের মাধ্যমে পরীক্ষা করার পর দেখা গেছে, এটি এআই দিয়ে তৈরি।

আইভেরিফাই পাকিস্তান যখন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একজন কর্মকর্তার সঙ্গে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করে, তিনি ভাইরাল এফ-১৬ ভিডিওতে মূল অসামঞ্জস্যগুলো শনাক্ত করেন।

ডন

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দেশটির সেনা সদর পরিদর্শন করেছেন। সেখানে সামরিক নেতৃত্বের কাছ থেকে আফগানিস্তান অভিযান পরিস্থিতি সম্পর্কে জেনে নেন তিনি। 

আফগানিস্তানকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ বলেছেন, আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের যে কোনো অপতৎপরতায় ইসলামাবাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা)। তিনি বলেন, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী সবসময় দেশ রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পাকিস্তান জানে কিভাবে যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করতে হয়।

সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের উপর হামলার হুমকির মধ্যে মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইসরায়েল ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে ইরানে হামলার আশঙ্কার মধ্যে নিজ নাগরিকদের দ্রুত ইসরায়েল ছাড়তে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া আপাতত ইসরায়েলে ভ্রমণ না করতেও বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের বলেছে, যতক্ষণ বাণিজ্যিক বিমান চালু আছে, সেই সময়ের মধ্যে ইসরায়েল ছাড়ার পরিকল্পনা করুন।

[caption id="attachment_268380" align="alignnone" width="933"] ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি, ফাইল ছবি: রয়টার্স[/caption]

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা হয়। কিন্তু সেখানে স্পষ্ট কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। তবে আগামী সপ্তাহে আবারও আলোচনায় বসতে পারে ওয়াশিংটন ও তেহরান।যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে দুটি রণতরীসহ এক ডজন যুদ্ধজাহাজ, এরসঙ্গে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান জড়ো করেছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প হামলার নির্দেশ দেবেন।

এরআগে, ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবহিত করেন যারা ইসরায়েল ছাড়তে চান তারা যেন আজই চলে যান।

দূতাবাসের স্টাফদের কাছে পাঠানো ইমেইলে হুকাবি বলেছেন, যে দেশেরই বিমানের টিকিটের পাবেন সেখানকার টিকিট কাটুন। এরপর সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন। কিন্তু আগে ইসরায়েল থেকে বের হওয়ার ব্যবস্থা করুন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে শর্ত দিচ্ছে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে। এমনকি দেশটির প্রধান তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্র ভেঙে ফেলতেও বলেছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানের সঙ্গে যদি এখন কোনো চুক্তি হয় তাহলে এটির মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল হবে। তবে ইরান একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ওপর জোর দিচ্ছে।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব