বয়স ও বিয়ে নিয়ে কটাক্ষ করা ব্যক্তিদের এবার সরাসরি জবাব দিলেন বলিউড অভিনেত্রী শমিতা শেঠি। ৪৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, শুধু সমাজের চাপে বিয়ে করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এক ট্রলের মন্তব্যের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন শমিতা। সেখানে এক ব্যবহারকারী তাঁকে উদ্দেশ করে লিখেছিলেন, ‘আপনার বয়স হয়ে গেছে, আগের মতো আর নেই।’ এর জবাবে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘হ্যাঁ, আমি আলাদা দেখাব। সময়ের সঙ্গে সবকিছু বদলায়, এটাই জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম। শারীরিক সৌন্দর্যও চিরস্থায়ী নয়। কিন্তু আমার বয়স অনুযায়ী আমি সুস্থ, ফিট এবং সুখী। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যা দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

তবে ট্রল সেখানেই থামেনি। আরেকটি মন্তব্যে বলা হয়, ‘সময়মতো বিয়ে করলে এখন আপনার সন্তানেরাও বড় হয়ে যেত।’ এই মন্তব্যে বেশ কড়া ভাষাতেই প্রতিক্রিয়া জানান শমিতা। তিনি লেখেন, ‘তো? আপনি তো খুব স্বাভাবিক একটা কথাই বললেন। কিন্তু বিয়ে করে আপনি এমন কী উল্টে ফেলেছেন ভাই?’

এরপর সমাজের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার দিকেও আঙুল তোলেন অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদের মতো অবিবাহিত নারীদের ফলো করেন কেন? শুধু বয়স নিয়ে কটাক্ষ করতে আর আপনাদের গুহামানবসুলভ, পুরুষকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা চাপিয়ে দিতে? দয়া করে আমাকে একটা উপকার করুন—এখনই আনফলো করুন।’

শমিতা শেঠি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
শমিতা শেঠি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

‘মোহাব্বাতে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন শমিতা শেঠি। এরপর ‘জেহের’, ‘ফারিব’ ও ‘ক্যাশ’ ইত্যাদি ছবিতে অভিনয় করেছেন। পরে অভিনয় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ক্যারিয়ারেও মন দেন তিনি।

রিয়েলিটি শো অনুষ্ঠানেও নিয়মিত দেখা গেছে তাঁকে। ‘ঝলক দিখ লা জা’, ‘ফিয়ার ফ্যাক্টর: খতরো কি খিলাড়ি’, ‘বিগ বস ওটিটি’ ও ‘বিগ বস ১৫’–তে এ অংশ নিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।

একসময় অভিনেতা রাকেশ বাপটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও গুঞ্জন ছিল। ‘বিগ বস ওটিটি’তে অংশ নেওয়ার সময় দুজনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তবে ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমিতা জানান, তাঁদের সম্পর্ক আর নেই।

হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে পাপারাজ্জিদের তোলা ছবি প্রকাশ হতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়ে যায় জল্পনা। কান চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর উপস্থিতি এখন আর শুধু ফ্যাশনের অংশ নয়, বরং বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তাই অনেকের কাছেই মনে হচ্ছিল, তাঁকে ছাড়া যেন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব।

অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাজকীয় উপস্থিতিতে লালগালিচায় হাজির হলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।

অনেকে তাঁকে আখ্যা দিচ্ছেন ‘মাদার অব কান’ হিসেবেও। কারণ, বছরের পর বছর কানে তাঁর উপস্থিতি হয়ে উঠেছে বিশেষ এক প্রত্যাশার নাম। নতুনত্বের জন্য নয়; বরং তাঁর সেই চিরচেনা সৌন্দর্য, আত্মবিশ্বাস আর তারকাখচিত উপস্থিতির জন্য। তাঁর সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিও ফ্যাশনের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়। আগেও গেছে।

অনেকে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে আখ্যা দিচ্ছেন ‘মাদার অব কান’ হিসেবেও
অনেকে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে আখ্যা দিচ্ছেন ‘মাদার অব কান’ হিসেবেওছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

এবার কানে প্রথম উপস্থিতিতে ঐশ্বরিয়া নজর কাড়েন ডিজাইনার অমিত আগারওয়ালের তৈরি ভবিষ্যৎধর্মী কতুর পোশাকে। নীল রঙের সেই গাউনে ছিল ‘ক্রিস্টাল ভেইন’ এমব্রয়ডারির সূক্ষ্ম কাজ। অসংখ্য ক্রিস্টালের জটিল বিন্যাসে আলো প্রতিফলিত হয়ে তৈরি করছিল ভিন্ন এক দীপ্তি।

স্টাইলিস্ট মোহিত রায়ের সঙ্গে যৌথ ভাবনায় তৈরি করা হয়েছে এই লুক। অমিত আগারওয়ালের ইনস্টাগ্রামে পোশাকটি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি আলোর সৌন্দর্যকে তুলে ধরার এক শিল্পিত প্রয়াস। পোশাকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ডিজাইনার হাউসের ‘ক্রিস্টাল ভেইন’ এমব্রয়ডারি। হাজার হাজার ক্রিস্টাল সূক্ষ্ম নকশার ভেতর বসানো হয়েছে; ফলে আলো, গভীরতা আর গতিশীলতার এক অনন্য মিশ্রণ তৈরি হয়েছে পুরো পোশাকে।প্রায় ১ হাজার ৫০০ ঘণ্টা লেগেছে পোশাকটি তৈরি করতে।

নীল রঙের সেই গাউনে ছিল ‘ক্রিস্টাল ভেইন’ এমব্রয়ডারির সূক্ষ্ম কাজ
নীল রঙের সেই গাউনে ছিল ‘ক্রিস্টাল ভেইন’ এমব্রয়ডারির সূক্ষ্ম কাজছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

গাঢ় ‘অ্যাবিস ব্লু’ রংটির অনুপ্রেরণা এসেছে মহাজাগতিক আলো আর অসীম মহাশূন্য থেকে। পোশাকটির প্রতিটি অংশ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেন চলাফেরা আর আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এর রূপও বদলে যায়। সিনেম্যাটিক উপস্থিতি, ভাস্কর্যধর্মী কাটের কতুর আর উপকরণের নতুনত্ব—সব মিলিয়ে এটি বৈশ্বিক মঞ্চে সমকালীন ভারতীয় কতুরের শক্তিশালী উপস্থিতিকে তুলে ধরেছে।

 ‘লাইটস অন ওমেন্স ওর্থ’ অনুষ্ঠানে বেছে নেন সম্পূর্ণ বিপরীত রঙের সাজ
‘লাইটস অন ওমেন্স ওর্থ’ অনুষ্ঠানে বেছে নেন সম্পূর্ণ বিপরীত রঙের সাজছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

তবে কয়েক ঘণ্টা পরই যেন একেবারে ভিন্ন আবহে দেখা গেল ঐশ্বরিয়াকে। ‘লাইটস অন ওমেন্স ওর্থ’ অনুষ্ঠানে বেছে নেন সম্পূর্ণ বিপরীত রঙের সাজ। মহাজাগতিক নীল আভা ছেড়ে হাজির হন হালকা ব্লাশ-পিংক রঙের সফি কতুর গাউনে। স্ট্র্যাপলেস করসেট বডিস পোশাকটিকে দিয়েছে পরিমিত গঠন। নেকলাইন, বডিস ও কোমরজুড়ে ছড়িয়ে ছিল সরভস্কি ক্রিস্টালের ফুলেল অলংকরণ।

প্রথমবারের মতো মেয়ে আরাধ্য বচ্চনকে নিয়ে কানের একটি অনুষ্ঠানে আসেন ঐশ্বরিয়া
প্রথমবারের মতো মেয়ে আরাধ্য বচ্চনকে নিয়ে কানের একটি অনুষ্ঠানে আসেন ঐশ্বরিয়াছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

সূক্ষ্ম প্লিটিং পোশাকে এনেছে টেক্সচার। কাঁধ বেয়ে নেমে এসেছে একই রঙের স্বচ্ছ কেপ।মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। এবার সাজ নিয়ে খুব বেশি নিরীক্ষায় যাননি ঐশ্বরিয়া। এই বিশেষ মুহূর্তে তাঁর সঙ্গী ছিল মেয়ে আরাধ্য বচ্চন। রুবি-লাল রঙের গাউন আর কাঁধে ওড়নার আদলে ড্রেপ করা কেপে তাকেও সুন্দর লাগছিল।

সূত্র: টিটু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলানিয়া গ্রামে আলী মিয়ার বাড়িতে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। দুপুরে ট্যাংকের ভেতরে কর্মরত দুই শ্রমিকের সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন অন্য দুই শ্রমিকও ভেতরে যান। পরে কারও সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে লাশ উদ্ধার করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের নাম–পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ফায়ার সার্ভিস খবর পায়। তারা এসে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ভেঙে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর ঢোকেন। পৌনে ছয়টার দিকে চারটি লাশ উদ্ধার করা হয়। সেপটিক ট্যাংকের ভেতর বিদ্যুতের লাইন নিয়ে কাজ করা হচ্ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওই চারজন মারা গেছেন।

ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রবল শিলাবৃষ্টি, ভারী বর্ষণ ও বজ্রপাতে অন্তত ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৭২ জন। রাজ্যের ২৫টি জেলায় গতকাল বুধবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে হতাহতের এসব ঘটনা ঘটে।

উত্তর প্রদেশের ত্রাণ কমিশনার ঋষিকেশ ভাস্কর যশোদের কার্যালয় জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে প্রয়াগরাজে। সেখানে মারা গেছেন ২১ জন।

এ ছাড়া মির্জাপুরে ১৯ জন, সন্ত রবিদাসনগরে ১৬ জন এবং ফতেহপুরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ১৭০টি গবাদিপশুর মৃত্যু এবং ২২৭টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ত্রাণ কমিশনার জানান, ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল অ্যান্ড কমান্ড সেন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

৫০ ফুট ওপরে উঠে যান এক ব্যক্তি

উত্তর প্রদেশের বেরেলি জেলার ভামোরা এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। জেলার বাবিয়ানা গ্রামের নানহে আনসারি নামের এক বাসিন্দা বাতাসের তোড়ে একটি টিনের চালের সঙ্গে প্রায় ৫০ ফুট ওপরে উঠে যান বলে জানা গেছে। পরে তিনি একটি ভুট্টাখেতে আছড়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। আনসারির শূন্যে উড়ে যাওয়ার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কর্মকর্তাদের দ্রুত ত্রাণতৎপরতা শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকদের (ডিএম) নিজ নিজ জেলায় উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিতে হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্য সরকারের একজন মুখপাত্র জানান, কর্মকর্তাদের দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন, দুর্গত ব্যক্তিদের সহায়তা এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ।

হিন্দুস্তান টাইমস

ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছেন, ‘সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। এই সিদ্ধান্ত আমরা সেই দৃষ্টিতেই দেখি।’

আজ মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন জয়সোয়াল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ–ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয় গতকাল সোমবার। ওই বৈঠক শেষে তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেবে তাঁর সরকার।

এ নিয়ে গতকাল এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশকে এখন আর ভয় দেখানোর জায়গা নেই। বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার কাঁটাতার ভয় পায় না।

নয়াদিল্লিতে আজকের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ অবৈধভাবে অন্য দেশে বাংলাদেশের নাগরিকদের যাওয়ার বিষয়ে সরকারের শূন্য সহিষ্ণুতার (জিরো টলারেন্স) কথা বলেছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকদের একাংশের ইউরোপে পাড়ি দেওয়া প্রসঙ্গে এই যে নীতির কথা বলেছেন তা ভারতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত কি না?

রণধীর জয়সোয়াল এই প্রশ্নেরও সরাসরি জবাব দেননি। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এটি (অনুপ্রবেশ) তার অন্যতম। ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছেন এমন ২ হাজার ৮৬০ জনের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশকে অনেক আগে অনুরোধ করা হয়েছে। ভারত মনে করে, তারা সবাই বাংলাদেশি। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো ওই বিষয়ে কিছু জানায়নি।

ব্রিফিংয়ে তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রসঙ্গও ওঠে। এক সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিতে তাদের অনুরোধ করেছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। বাংলাদেশের আগের সরকারের সিদ্ধান্ত (যেখানে ওই প্রকল্পের ভার ভারতকে নিতে বলা হয়েছিল) বদলে এই জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ পারস্পরিক বিশ্বাসের জায়গাটা নষ্ট করে কি না।

এই প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। তিনি বলেন, বিশ্বের যেখানে যেকোনো স্থানে যেকোনো ঘটনার ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা হয়। এ ক্ষেত্রেও সেই নজর রয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে পারস্পরিক স্বার্থই প্রাধান্য পায়।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল বাংলাদেশে কোনো কোনো মহলে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে বলে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছি যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভারত ইতিবাচক করে তুলতে চায়। ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে চায়। সেই মনোভাবের বদল হয়নি।’

চাকমা রাজার সৌজন্যে চাকমা রাজবাড়িতে বিভিন্ন দেশের রাস্ট্রদূত, মং রাজা ও পার্বত্যমন্ত্রীকে নৈশভোজ অনুষ্ঠানে চাকমা মারমা তঞ্চঙ্গ্যা জাতির ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উপকৃরণ পরিবেশন করা হয়। টেঙাভাঙা গীদ পরিবেশন করেন অনন্ত রঞ্জন চাকমা ও পার্কি চাকমা। প্রযোজনা- চাকমা রীদি সুদোম যদা