‘মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরই আমার ওপর ডিম ছুড়ে মারা হয়। ডিম আমার চোখে এসে লাগে, আমি চোখে অন্ধকার দেখছিলাম। পাশ থেকে একজন জানাল যে ডিম ছুড়ে মারা হয়েছে। এরপর তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা শুরু করে। তারপর আমাদের সহযোদ্ধাদের ওপর হকি স্টিক, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তারা রক্ষীবাহিনীর মতো করে ঝাপিয়ে পড়ে।’ গত শুক্রবার ঝিনাইদহে হামলার শিকার হওয়ার বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ বর্ণনা দেন। ‘ঝিনাইদহে বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলা ও মামলার প্রহসন’ এবং সমসাময়িক বিষয়ে দলের বক্তব্য জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়ার পর বিএনপি ও দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা–কর্মীদের হামলার শিকার হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

ওই দিন বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে পুলিশও হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘তারা একসঙ্গে আমাদের ওপর হামলা করেছে। পরে বিচারের জন্য থানায় গেলে তারা মামলা না নিয়ে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে দেয়। ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়। মামলা নেওয়ার কথা বললেও একপর্যায়ে ওসি থানা থেকে সটকে পড়েন। একটা পর্যায়ে তারা মামলা নিতে বাধ্য হয়।’

মামলা করে থানা থেকে বের হওয়ার সময় হাজার তিনেক ব্যক্তি অস্ত্রশস্ত্র-লাঠিসোঁটা নিয়ে থানার ফটক ভাঙা শুরু করে জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘পুলিশ তখন পেছনে পালানো শুরু করে। পরে তাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশন (সমঝোতা) করে।’

দেশে কোনো আইনের শাসন নেই, দেশে একটি জংলি শাসন চলছে বলে অভিযোগ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁরা সংস্কার বাস্তবায়ন ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন এবং চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন উল্লেখ করে এই এনসিপি নেতা বলেন, ‘এ জন্য সরকার একটি রক্ষীবাহিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত আমাদের আঘাত করে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা স্পষ্ট করছি, আমি, আমরা মাঠে যাব। আপনাদের শেষ অপশন আমাদের মেরে ফেলা। যদি মেরে ফেলেন, এটাও আমাদের জন্য কল্যাণকর। কিন্তু আপনারা যদি সংস্কার বাস্তবায়ন না করেন, আপনাদের সঙ্গে আমরা আপস করব না। বিচারের প্রশ্নে, আওয়ামী লীগের প্রশ্নে, চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস ও দুর্নীতির প্রশ্নে আমরা আপস করব না।’

সরকারকে সতর্ক করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমাদের ওপর যদি অন্যায়ভাবে হামলা-মামলা হয়, আমরা পাঁচ বছরের জন্য প্রস্তুত আছি। কিন্তু পাঁচ বছর দেখবেন কি না, সেই নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারছি না। ইতিমধ্যে চায়ের দোকানে কথা চলছে। কেউ বলে এক বছর, কেউ বলে দুই বছর, কেউ বলে আড়াই বছর।...তিন মাসেই সরকার হেলছে, দুলছে।’

দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা মনে করি, সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ হচ্ছে। সরকারের ক্ষমতার ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং পেছনে অন্য কেউ কলকাঠি নাড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে তৃতীয় কোনো পক্ষ সুযোগ নেওয়ার প্রচেষ্টা চালাবে। এই অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে আমাদের কোনো চুক্তিতে তারা বাধ্য করবে। আমাদের জনগণের কাউকে হত্যা করে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করবে, যেখানে আবার গণতন্ত্র ব্যাহত হওয়ার একটি ষড়যন্ত্রের আভাস আমরা পাচ্ছি।’

সম্প্রতি ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সীমান্ত এলাকা মাদকে সয়লাব। সেখানে রাস্তায় রাস্তায় ফেনসিডিলের বোতল পড়ে থাকে। ভারত থেকে অবাধে বাংলাদেশে মাদক ঢুকছে। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার শিকার হয়েছেন।

বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বেতন কাঠামো থেকে শুরু করে প্যাট্রলিং ব্যবস্থা, থাকার ব্যবস্থা, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নাজুক অবস্থা রয়েছে বলে মনে করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিজিবিকে শক্তিশালী করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া সরকারের উদ্যোগে মাদকের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ক্যাম্পেইন (প্রচারণা চালানো) করার দাবি তোলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। দলের যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের সঙ্গে ঈ দের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈ দের ছু টির দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন ঘ রমুখো মানুষ। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকেই রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। 

সরেজমিন মহাখালী বাস টার্মিনালে দেখা গেছে- সকাল ৯টা পর্যন্ত সব গাড়িই সময় মতো ছেড়ে গেছে যাত্রীরাও তেমন কোনো অভিযোগ করছেন না।

আগেই টিকিট সংগ্রহ করা যাত্রীরা বলছেন, মহাখালী থেকে সময়মতোই গাড়ি ছাড়ছে। তেমন ঝক্কি-ঝামেলা নেই।

তবে, গাবতলী বাস টার্মিনালে গেলে সেখানে কিছু কিছু যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তবে তারা এও বলছেন, ঈ দের সময় হিসেবে এটা সহনীয়। কিন্তু সেই তুলনায় মহাখালী বাস টার্মিনালে সব কিছু স্বাভাবিক দেখা গেছে।

মহাখালীতে টার্মিনালে যারা আগে টিকিট কাটেননি, তাদের কেউ কেউ আজ টিকিট কেটে বা ড়ির উদ্দেশে যাত্রা করছেন। কিন্তু টিকিটের জন্যও খুব বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। 

টার্মিনালে কথা ময়মনসিংহগামী যাত্রী আজহারু ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে গ্রামে যাচ্ছি ঈ দ করতে। আমাদের রুটের অনেক গাড়ির টিকিট আগে করা লাগে না। এসে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই টিকিট পেয়ে গেছি। এখান থেকেও নিয়মিতই বাস ছাড়ছে। সড়কে জ্যাম না পেলে হয়তো সময়মতোই বা ড়ি পৌঁছাতে পারবো।

তবে রাতে বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গ ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি গাড়ি এখনও টার্মিনালে এসে পৌঁছায়নি। সেকারণে দুয়েকটি কাউন্টারে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

 

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ মঙ্গলবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ময়মনসিংহের ভালুকা বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুবাইয়াৎ কবীর বলেন, আজ বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪। এটি স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প।  এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই।

আজকের ভূমিকম্প স্বল্পমাত্রার হলেও রাজধানীর অনেকেই এটি টের পেয়েছেন। রাজধানীর ক্রিসেট রোড থেকে এক নারী ভূমিকম্পের তথ্য জানান। হঠাৎই মাথা হালকা ঘুরে যাওয়ায় এবং মুঠোফোনে অ্যালার্ট আসায় তিনি ভূমিকম্প টের পেয়েছেন বলে জানান।

বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।  ভূমিকম্পপ্রবণ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে আছে বাংলাদেশ। তাই এ দেশে যে ভূমিকম্প মাঝেমধ্যে হবে, সেটাকে স্বাভাবিক বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, সম্প্রতি দেশের মধ্যে ভূমিকম্পের উৎপত্তির প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে ভূমিকম্পের কম ঝুঁকির অঞ্চল হিসেবে পরিচিত দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্প বেড়ে গেছে।

নগরজীবনের ক্লান্তি, যানজট ও কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে নাড়ির টানে বা ড়ির পথে ছুটছেন মানুষ। ঈ দুল আজহা সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনে চড়ে ঢাকা ছাড়ছেন নগরবাসী। 

সরেজমিন মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা গেছে ঘ রমুখো মানুষের ঢল। প্ল্যাটফর্মজুড়ে ছিল মানুষের কোলাহল, শিশুদের হাসি, ট্রেনের হুইসেল আর স্বজনদের সঙ্গে দেখা হওয়ার অপেক্ষার আনন্দ। ঈ দ শুধু ধর্মীয় উ ৎসব নয়, এটি পরিবারে ফেরারও উপলক্ষ। তাই বছরের সবচেয়ে আনন্দের এই যাত্রায় কমলাপুর রেলস্টেশন যেন পরিণত হয়েছে মানুষের আবেগ, অপেক্ষা আর ভালোবাসার এক মিলনমেলায়।

স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে নানা বয়সী মানুষের ব্যস্ততা। কারও হাতে বড় ট্রাভেল ব্যাগ, কারও মাথায় পাটের বস্তা, কেউ আবার ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে ট্রেনের অপেক্ষায় বসে আছেন। অনেকে প্ল্যাটফর্মেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গল্প করছেন, কেউ ছবি তুলছেন। দীর্ঘ সময় পর বা ড়ি ফেরার আনন্দ যেন ক্লান্তিকেও হার মানিয়েছে।

কমলাপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছেন জামালপুরগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রী মোহাম্মদ আল-আমিন। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে তিন দিন আগেই গ্রামের বা ড়িতে পাঠিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঢাকায় চাকরির কারণে সারা বছর পরিবারের সঙ্গে ঠিকমতো সময় কাটানো হয় না। ঈ দের সময়টুকুই সবচেয়ে আনন্দের। বাচ্চারা আগেই চলে গেছে। গতকাল অফিস ছিল। অফিস শেষ করে আমি আজ রওনা দিলাম। মা ফোন দিয়ে বারবার বলছে কখন পৌঁছাবো।

প্ল্যাটফর্মের এক পাশে বসে ছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা শারমিন আক্তার। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শ্বশুরবা ড়িতে যাবেন। তিনি বলেন, ছেলেটা ট্রেনে চড়তে খুব পছন্দ করে। ঈ দ মানেই ওর কাছে গ্রামের বা ড়ি যাওয়া। গ্রামের খোলা মাঠ, আত্মীয়স্বজন, সবকিছু মিলিয়ে আলাদা একটা আনন্দ।

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ঈ দের ছু টি কম হলেও চেষ্টা করি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে। এবার টিকিট পাওয়া নিয়ে একটু ভোগান্তি হয়েছে। তারপরও ট্রেনে যাওয়া স্বস্তির। রাস্তায় যানজটের ভোগান্তি নেই।

স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই স্টেশনে চলে এসেছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে আগেভাগে আসাই ভালো।

খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী কলেজ শিক্ষক সাইফু ল ইসলাম বলেন, ঢাকায় জীবনটা খুব যান্ত্রিক। ঈ দের সময় গ্রামের বা ড়িতে গেলে অন্যরকম শান্তি লাগে। বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে খাওয়া, আত্মীয়দের সঙ্গে আড্ডা, এসবের জন্যই তো সারা বছর অপেক্ষা করি।

স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীদের সুবিধায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। টিকিট যাচাই থেকে শুরু করে যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে ওঠানামা পর্যন্ত নানা বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে তাদের।

তবে, যাত্রীদের একটি অংশের অভিযোগ, টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে এখনও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। অনেকে কাঙ্ক্ষিত দিনের টিকিট পাননি। তারপরও পরিবারের সঙ্গে ঈ দ করার আনন্দের কাছে এসব কষ্ট খুব বড় হয়ে ওঠেনি।

রাসেল আহমেদ নামের একজন বলেন, রোববার আমার শেষ অফিস ছিল। অনলাইনে সোমবারের টিকিট কাটার অনেক চেষ্টা করি। কিন্তু টিকিট পায়নি। তারপরও ভাগ্য ভালো আজকের টিকিট পেয়েছি। কিন্তু আমার বড় ভাই অনেক চেষ্টা করেও টিকিট পাননি। 

কামরুজ্জামান বাবু নামের আর একজন বলেন, অনেক চেষ্টা করেও অনলাইনে ট্রেনের টিকিট পাইনি। অ্যাপে ঢুকতে ঢুকতেই সব টিকিট শেষ হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে এখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যাবো। দাঁড়িয়ে যেতে কষ্ট হবে, তারপরও বাড়ি যেতে পারবো সেটাই বড় কথা।

 

ভারতের গোয়ায় আজ শুরু হয়েছে মেয়েদের সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের অষ্টম আসর। জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে নেপাল। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের গ্রুপসঙ্গী ভারত ১১–০ গোলে হারিয়েছে মালদ্বীপকে। আগামী বৃহস্পতিবার মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সাফ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ।

ছয় দলের এই টুর্নামেন্টে হ্যাটট্রিক শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবেন মারিয়া মান্দা-ঋতুপর্ণা চাকমারা। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ফেবারিট বাংলাদেশ। যদিও টানা তৃতীয়বার ট্রফি জেতার পথটা যে সহজ হবে না, তা টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই মনে করিয়ে দিয়েছেন নতুন অধিনায়ক মারিয়া। অবশ্য শিরোপা ধরে রাখার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী কোচ পিটার বাটলার।

বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে বরাবরের মতোই বড় বাধা পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। আগামী ৩১ মে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। মারিয়াদের আসল পরীক্ষাটা হবে সেখানেই।

,ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।

সোমবার (২৫ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

 

বৈরী আবহাওয়ার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। আজ সোমবার বেলা পৌনে ১১টা থেকে কর্তৃপক্ষ লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ১১টা ৩০ মিনিটে আবারও চলাচল শুরু হয়। এ ঘটনায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়ে। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

আজ সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, চলাচল বন্ধ থাকায় লঞ্চগুলো পন্টুনে সারিবদ্ধভাবে নোঙর করে রাখা হয়েছে। ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে বাসে করে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীরা লঞ্চঘাট এলাকায় আসছেন। তাঁরা টিকিট সংগ্রহ করে লঞ্চে উঠে পড়ছেন। অনেকে পন্টুনে অবস্থান নিয়েছেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা কার্যালয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে পদ্মা নদী অববাহিকায় ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। একপর্যায়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ কারণে ঈদুল আজহার আগে ঘরমুখী মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।

আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে পাটুরিয়া লঞ্চঘাটের সুপারভাইজার পান্নালাল নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যাত্রী পারাপারে ১৮টি লঞ্চ আছে। আজ সকাল থেকে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাটুরিয়া লঞ্চঘাটটি নদীতে বিলীন হওয়ায় ঘাটটি সরিয়ে আজ সকালে পুরোনো ট্রাক টার্মিনালের দক্ষিণে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঘাট মেরামতের কাজ এখনো চলছে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সুপারভাইজার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ঝোড়ো বাতাসের কারণে পদ্মা নদীতে বড় বড় ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে আজ বেলা পৌনে ১১টা থেকে লঞ্চ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু হয়।

ঢাকা

বাংলা ক্যালেন্ডারের হিসাবে গানের বুলবুল আর বাংলা কবিতায় দ্রোহের প্রতীক কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। আমাদের জাতীয় কবি- কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, সম্পাদক পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অভিমানী হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন নিপীড়িত-অসহায়ের আর্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার কবিতা কোটি তরুণের রক্তে জ্বালায় স্ফুলিঙ্গ। উপন্যাস, নাটক, সঙ্গীত আর দর্শনেও নজরুলের অনবদ্য উপস্থিতি বর্ণাঢ্য করেছে বাংলা সাহিত্যকে।

সৃষ্টিশীল এক অনন্য প্রতিভার নাম, কাজী নজরুল ইসলাম। যিনি একাধারে কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার, নাট্যকার, চলচ্চিত্র অভিনেতা। শিল্পকলার নানান শাখায় ছিল তার অবাধ স্বচ্ছন্দ বিচরণ।

ক্ষণজন্মা এ প্রতিভার জন্ম, ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে। শৈশব-কৈশোর কিংবা তারুণ্য, জীবনের পরতে পরতে তার সংগ্রাম। জীবনের বিভিন্ন সময়ে জড়িয়েছিলেন নানা পেশায়। ১৯১৭ সালে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধেও।

তৎকালীন প্রভাবশালী কবি-সাহিত্যিকদের সংস্পর্শে আসেন তিনি। ১৯২২ সালে প্রকাশ করেন ধূমকেতু পত্রিকা। ব্রিটিশ শাসকদের চক্ষুশূল তো ছিলেন শুরু থেকেই এরপর "আনন্দময়ীর আগমনে" কবিতার জন্য নজরুলকে দেয়া হয় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। মাত্র ২২ বছর ব্যাপ্তির লেখক জীবনে তিনি রচনা করেন প্রায় ৩ হাজার গান, লিখেছেন অসংখ্য কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস।

সাহিত্যের পাশাপাশি সংগীত ও চলচ্চিত্রে, পরিচালনা করেন। তার পরিচালিত চলচ্চিত্র "ধ্রুব"তে অভিনয়ও করেন। তাই তো শুধু কবি পরিচয়েই আবদ্ধ নন নজরুল। বেধেছেন সুরের মায়াজাল; করেছেন অভিনয়, সম্পাদনা করেছেন পত্রিকা। আসানসোলের রুটি বানানো ছেলেটা এখন বিশাল এক প্রতিষ্ঠান। না থেকেও যার উপস্থিতি প্রতিদিন।

১৯৭২ সালে কবি নজরুলকে সপরিবারে নিয়ে আসা হয় স্বাধীন বাংলাদেশে। এরপর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন পিজি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। কবির ইচ্ছানুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাকে সমাধিস্থ করা হয়।

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। 

আজ সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের সরাতৈল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

যমুনা সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফুয়াদ রোহানী জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি রডবোঝাই ট্রাক যাত্রী নিয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। সরাতৈল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি মহাসড়কের পাশে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন।

গভীর রাতে অতর্কিতে এসে গুলি ছোড়া হয় র‍্যাবের ক্যাম্পে (চৌকি)। এরপর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ক্যাম্পের দেয়ালসহ বিভিন্ন অবকাঠামো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যাতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালাতে না পারেন, সেই লক্ষ্যে অন্তত তিনটি স্থানে কেটে দেওয়া হয় রাস্তা।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এসব ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায়। র‍্যাব জানিয়েছে, রাস্তা কেটে দেওয়াসহ নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। র‍্যাবের দাবি, ‘সন্ত্রাসী’ ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা র‍্যাবের ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে। সন্ত্রাসীরা ক্যাম্প লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকলে র‍্যাব সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়েন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাড়তি ফোর্স যেতে না পারে সে লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে রাস্তা কেটে দেয় সন্ত্রাসীরা। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে পৌঁছে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একপর্যায়ে কিছু সন্ত্রাসী পালিয়ে গেছে, কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

কামাল হোসেন নামে র‍্যাবের এক কর্মকর্তা নিজের ফেসবুক আইডিতে অভিযানের বেশ কয়েকটি ভিডিও আপলোড করেন। এর মধ্যে আজ সোমবার ভোরে আপলোড করা দুটি ভিডিওতে জঙ্গল সলিমপুরের রাস্তা কেটে দেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওতে র‍্যাব কর্মকর্তা কামাল হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য এখানে সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন স্থানে কালভার্ট এবং রাস্তা কেটে দিয়েছে। যাতে আমাদের গাড়িগুলো ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে। ওরা মনে করেছে যে ওদের কৌশলের কাছে আমরা পরাজিত হয়ে যাব। কিন্তু আমরা যে ওদের থেকে আরও বেশি কৌশলী, সেটা ওরা বুঝতে পারেনি।’

রাস্তা কেটে ফেলায় গাড়ি অনেক দূরে রেখে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় পৌঁছাতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। আজ সকালে তোলা
রাস্তা কেটে ফেলায় গাড়ি অনেক দূরে রেখে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় পৌঁছাতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। আজ সকালে তোলা
 

র‍্যাব কর্মকর্তারা জানান, রাস্তা কেটে ফেলায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লেগেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। যেখানে রাস্তা কেটে ফেলা হয়েছে, সেখানে গাড়ি রেখে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তাঁরা।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সংযোগ সড়ক ধরে এগোলে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিপরীত দিকে একটি সড়ক ঢুকে গেছে পাহাড়ের ভেতরে। সে পথেই শুরু জঙ্গল সলিমপুর। ছিন্নমূল ও আলীনগর-মূলত এ দুটি অংশে বিভক্ত এলাকাটি। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এখানে ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।

গত ৯ মার্চ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবির প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্যের যৌথ অভিযানে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়। এর আগে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বরং অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানের পর এলাকাটিতে পুলিশ ও র‍্যাবের জন্য দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দেয় সরকার। এরই অংশ হিসেবে র‍্যাব আলীনগরে একটি ক্যাম্প তৈরির কাজ শুরু করে। গতকাল রাতে সেই ক্যাম্পটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে।

গত ৯ মার্চ পরিচালিত যৌথ অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ইয়াসিন বাহিনীর প্রধান মো. ইয়াসিন, রোকন বাহিনীর প্রধান রোকন উদ্দিন; মশিউর রহমান, নুরুল হক ভান্ডারি, গাজী সাদেক, গোলাম গফুরসহ কয়েকজন ‘সন্ত্রাসী’ এখনো পলাতক। এলাকাবাসী জানান, অভিযানের আগে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা রোকনের দখলে আর আলীনগর এলাকা ইয়াসিনের দখলে ছিল।