• Colors: Purple Color

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এবার দেশ গড়ার পালা। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ের পর সংবাদ সম্মেলন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

আজ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার পরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে এই নির্বাচন–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। সেখানে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকেরা উপস্থিত আছেন।

নির্বাচন–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে
নির্বাচন–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে, ছবি: সংগৃহীত
 

তারেক রহমান বলেন, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে আহ্বান জানান তিনি।

শান্তভাবে বিজয় উদযাপন করেছেন বলেন বিএনপির চেয়ারম্যান। নেতা–কর্মীদের তিনি সতর্ক থাকতে আহ্বান জানান।

দেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলেন তারেক রহমান। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান।

বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তারেক রহমান।

গত বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও (চট্টগ্রাম–২,৪) বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাঁদের শরিকেরা পেয়েছে ৩টি আসন।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন। একটি আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে নির্বাচন-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মঞ্চে তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, তিনি (তারেক রহমান) আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। ২৯৭টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ২৯৭ জন সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন।

 

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ গ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই জামায়াতের। এ ছাড়া দলটির ছয় নেতার বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে এ সংঘর্ষ। এ ঘটনায় এক বিএনপি নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বড়াইগ্রাম থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার রাতে ধানাইদহ বাজারে জামায়াত কর্মী সাকিব হোসেন ও বিএনপি কর্মী রাতুল আহম্মেদ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কিল-ঘুষি মারার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনা মীমাংসার জন্য আজ সকালে ধানাইদহ বাজারে উভয় পক্ষের মধ্যে সালিস বসার কথা ছিল। বেলা ১১টার দিকে নগর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাফ সরকারের নেতৃত্বে দলের ৪০–৫০ জন কর্মী ধানাইদহ বাজারে যাচ্ছিলেন। বাজার–সংলগ্ন রাস্তায় পৌঁছালে তাঁদের সঙ্গে দেখা হয় নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাসিনুর রহমানের। এ সময় বিএনপি কর্মীরা হাসিনুরের ওপর হামলা চালান। রামদা ও চাপাতির আঘাতে জামায়াতের এই নেতা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে বিএনপি নেতা–কর্মীরা ধানাইদহ পূর্বপাড়ায় গিয়ে জামায়াত সমর্থক ছানোয়ার হোসেন, সৈয়দ ইব্রাহিম হোসেন, আবদুস সোবহান এবং পশ্চিম পাড়ার সিরাজুল ইসলাম, মাসুদ হোসেন ও হাফিজুর রহমাানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ সময় জামায়াতের সমর্থকেরা বাড়িঘর থেকে বের হয়ে বিএনপি নেতা–কর্মীদের ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এতে বিএনপি নেতা আসাফ সরকার এবং জামায়াত কর্মী সৈয়দ ইব্রাহিম হোসেন, রফিকুল ইসলাম, রায়হানসহ অন্তত ১৩ জন আহত হন।

আহত ব্যক্তিদের বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেসরকারি আমেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর অবস্থায় জামায়াত নেতা হাসিনুর রহমানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বাকিদের বেশির ভাগ চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন।

আজ বেলা দেড়টার দিকে ধানাইদহ গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বাজারের সব দোকানপাট বন্ধ। বাজারের মোড়ে অর্ধশতাধিক পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। সেখান থেকে ধানাইদহ পূর্বপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, জামায়াত সমর্থক ছানোয়ার হোসেন, তাঁর ভাই সৈয়দ ইব্রাহিম হোসেন ও সোবহানের টিনের বাড়ি তছনছ করা হয়েছে। ঘরের বেড়ার টিন কেটে চূর্ণবিচূর্ণ করা হয়েছে। ছানোয়ারের বাড়ির শয়নকক্ষের রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, সেলাই মেশিনসহ অন্যান্য আসবাব ও কাপড়চোপড় ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রয়েছে।

ভুক্তভোগী সৈয়দ ইব্রাহীম আলী জানান, ঘটনার সময় প্রতিপক্ষের লোকেরা কয়েকটি গুলি ছুড়েছেন। তাঁদের হাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রও ছিল। ছানোয়ার হোসেনের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, ‘বিএনপির লোকজন আমার মেয়ের বিয়ের তিনটি সোনার গয়না ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। হামলাকারীরা চুলার রান্না করা ভাত ও তরকারি মাটিতে ফেলে দিয়ে গেছে। আমাদের ঘরে ১০ টাকার জিনিসপত্রও নাই।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে পুলিশ সুপার আবদুল ওয়াহাব বলেন, ‘নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহনশীল না হলে এসব ঘটনা প্রতিরোধ করা যাবে না। এ ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির নেতা আসাফ সরকারসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলা হবে।’

এদিকে গতকাল বিকেলে লালপুর উপজেলার ডহরশোলা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল মতিনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করার ঘটনা ঘটেছে। তিনি নির্বাচনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী তাইফুল ইসলামের কর্মী ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি প্রার্থী ফারজানা শারমিনের কর্মী আবদুল মজিদ ও তাঁর সহযোগীরা প্রকাশ্যে তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছেন।

তবে অভিযুক্ত আবদুল মজিদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। লালপুর থানার পুলিশ ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এ বিষয়ে নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে নির্বাচিত বিএনপির আব্দুল আজিজ বলেন, ‘শুনেছি-ধানাইদহের ঘটনাটি নির্বাচনকেন্দ্রিক না। তবে নির্বাচনের পর পরই যেহেতু ঘটনাটি ঘটেছে ,তাই আমি প্রশাসনকে তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলেছি। এতে বিএনপির কেউ দায়ী হলে তাঁর দায় বিএনপি নেবে না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩০টি সংসদীয় আসনের ফলাফল স্থগিত রেখে পুনর্গণনার জন্য আবেদন করেছে জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি আসনগুলোতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ স্থগিত রাখার জন্যও আইন প্রদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দলটি।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।

জামায়াত বলছে, এসব আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর সঙ্গে বিজয়ী ঘোষণা করা প্রার্থীর ব্যবধান খুবই অল্প। যেখানে ভোটের সর্বোচ্চ ব্যবধান হয়েছে ১০ হাজার মতো। আসনগুলোতে তারা জয়ের বার্তা পাচ্ছিল, যখন ভোগ গণনা চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ভোট পুনরায় গণনা হলে তারা জয় পাবে বলে আশা ব্যক্ত করেছে।

আসনগুলো হচ্ছে, পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১, লালমনিরহাট- ২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩, খুলনা-৫, বরগুনা-১, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১ (রিকশা), ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ- ৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩ (রিকশা), ঢাকা-১৭, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ ও কক্সবাজার-৪।

ব্রিফিংয়ে জামায়াতের আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় প্রতিপক্ষের আক্রমণের শিকার হচ্ছে জামায়াতের এজেন্ট সমর্থক ও নারীরা। মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

তার মতে, ঢাকার কিছু আসনে ফলাফল দিতে অনেক দেরি হয়েছে। আবার কিছু জায়গায় খুব দ্রুত ফলাফল দেয়া হয়েছে। সেগুলোতে তিনি অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখছেন।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেন, যারা সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে, তারা নেতাকর্মীদের সহিংসতা রুখতে কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। জামায়াতে ইসলামী আশা করেছিল ফ্যাসিবাদী আচরণমুক্ত নতুন বাংলাদেশে হবে।

ড. শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিলের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া অতিরিক্ত দায়িত্বে এসেছেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিল করে সরকার। বিসিএস ৮২ ব্যাচের এই কর্মকর্তা  আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অতিরিক্ত সচিব থেকে অবসরে যান গিয়েছিলেন।

চব্বিশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব করা হয়েছিল। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে নিয়োগ পান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুইদিনের মাথায় নতুন সরকার গঠনের আগ মুহূর্তে শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

আগামী সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) শপথ নেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। একই দিন সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা।

সূত্র জানায়, সোমবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরইমধ্যে এ নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

এমপিদের শপথ গ্রহণের পর ওইদিন বিকেলেই রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে বঙ্গভবনে হাজির হবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব