• Colors: Purple Color

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা আগামী মঙ্গলবার জাতীয় পতাকাবাহী গাড়িতে চড়ে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যাবেন। তাঁরা ফিরবেন ওই গাড়িতেই। তবে তখন আর গাড়িতে জাতীয় পতাকা থাকবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

আজ রোববার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বৈঠকের আলোচ্য বিষয় জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টাদের নিয়ে কথা বলেন প্রেস সচিব।

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের দেশ ছাড়ার প্রসঙ্গ তুলে একজন সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, ‘উপদেষ্টা যাঁরা তাঁরা শপথের (নতুন মন্ত্রিসভার) দিন থাকবেন, তাঁরা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং শপথের দিন তাঁরা পতাকাবাহী গাড়িতে যাবেন। যখন শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে, আসার সময় ওই গাড়ি তাঁদের বাসায় পৌঁছে দেবে, কিন্তু পতাকা থাকবে না।’

উপদেষ্টাদের নিয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘তাঁরা সবাই দেশেই আছেন, তাঁরা দেশের গর্বিত সন্তান। ভবিষ্যতে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে তাঁরা তাঁদের সর্বোচ্চ অ্যাফোর্ট দেবেন।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দেড় বছর পর গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পর নতুন সরকারের শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল। আগামী মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আনুষ্ঠানিক বিদায় হবে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম পদত্যাগ করেছেন—এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আজ রোববার রাতে বাহারুল আলমের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, পদত্যাগ করেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। আগামী মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকার শপথ নেবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইজিপি বাহারুল আলম পদত্যাগ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র বলছে, আজ পুলিশ সদর দপ্তরে নির্বাচন-পরবর্তী একটি সভা হয়েছে। সেখানে আইজিপি পদত্যাগ করবেন বলে উপস্থিত পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। তখন কর্মকর্তারা বলেছেন, দু-এক দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হবে। এরপর তাঁকে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।

রাতে পুলিশ সদর দপ্তরের এক বার্তায় বলা হয়েছে, আইজিপির পদত্যাগ–সংক্রান্ত সংবাদটি সঠিক নয়। এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

বাহারুল আলম ২০২০ সালে পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে গিয়েছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে আইজিপি পদে নিয়োগ দেয়। নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বাহারুল আলমকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর মেয়াদে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। সে হিসাবে আইজিপি হিসেবে বাহারুল আলমের মেয়াদ আরও ৯ মাসের বেশি রয়েছে।

নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর যখন নির্দেশনা দেবে তখনই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে বলে গণমাধ্যকে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সিএএস দরবারে সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সময় সেনাসদস্যদের চমৎকার দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সেনাপ্রধান।

জানা গেছে, সেনাপ্রধান বলেছেন, দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে এবং সেনাবাহিনী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে। দেশের জনগণের স্বার্থে যা করণীয় ছিল, তা সম্পন্ন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী এখন নতুন সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকবে। সরকারের নির্দেশনা পেলেই তারা ব্যারাকে ফিরে যাবে। নির্বাচনের সময় অতিরিক্ত যে ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছিল, তা এরইমধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে।

আরও জানা গেছে, ভাষণে সেনাপ্রধান ইউনিটপ্রধানদের চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি সেনাসদস্যদের মনোবল দৃঢ় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন।

এছাড়া মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন বিষয়ে সতর্ক এবং সচেতন থাকার জন্য সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইশরাক হোসেন বলেছেন, জাতীয় দলের সাবেক দুই তারকা সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তাজার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া গণহত্যার মামলা তার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। তিনি মনে করেন, এই দুই ক্রিকেটারকে রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, দেশের ‘অ্যাসেট’ হিসেবে দেখা উচিত।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অনেক আগেই সরে দাঁড়িয়েছেন মাশরাফি। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেললেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি জনসম্মুখে নেই। অন্যদিকে জুলাই অভ্যুত্থানের পর সাকিব আল হাসানের নামেও একাধিক মামলা হয়েছে একই কারণে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইশরাক বলেন, তারা ক্রিকেটার এবং শুধু কোনো যেন-তেন ক্রিকেটার না, তারা আমাদের দেশের অ্যাসেট। আমি তাদের ক্রিকেটার হিসেবেই বিবেচনা করছি। জনগণ ইতোমধ্যে একপ্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যে গণহত্যার মামলা হয়েছে, সেটি আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয়নি, তারা গিয়ে কোনো অর্ডার ক্যারি আউট করেছে বা নিজের হাতে বন্দুক নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইশরাক। তিনি বলেন, আপনারা জানেন বিসিবির কাউন্সিলর কেমন করে হয় সেখানে জেলা প্রশাসক কাউন্সিলর নিয়োগ দেন। এটা মহাদুর্নীতি, বাণিজ্য ও পক্ষপাতিত্বমূলক প্রক্রিয়া। নিজেদের সিন্ডিকেট বোর্ডে বসানোর চেষ্টা হলে আমরা তো বসে থাকতে পারি না।

তবে নিজে বোর্ড রাজনীতিতে আসার আগ্রহ নেই বলেও জানান তিনি। আমি একজন কাউন্সিলর হলেও কখনো বোর্ডে আসব না। আমার বোর্ডে আসার সময় নেই। আমি ফুলটাইম রাজনীতি করব। আমি চাই, যারা ফুলটাইম ক্রীড়া সংগঠক, তারা আসুক। আমরা তাদের সহায়তা করব, যোগ করেন ইশরাক।

 

  • আগামীকাল সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে।
  • গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হওয়ার কথা।

ঢাকা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক হয়েছে গতকাল রোববার। আগামীকাল মঙ্গলবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচিত-সমালোচিত দেড় বছরের শাসনকাল। উপদেষ্টারা জাতীয় পতাকাবাহী গাড়িতে চড়ে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যাবেন, আর ফিরবেনও একই গাড়িতে। তবে তখন আর সেই গাড়িতে জাতীয় পতাকা থাকবে না।

কাগজপত্রে দেড় দিন কর্মদিবস থাকলেও গতকালই মূলত তাঁরা উপদেষ্টা হিসেবে শেষ ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠকে যোগ দেওয়া ছাড়াও অনেকেই সচিবালয়ে নিজ নিজ দপ্তরে গেছেন, মতবিনিময় করেছেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কেউ কেউ আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে অফিস থেকে বিদায় নেবেন। উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে কে কী করবেন, সেই প্রস্তুতিও আগে থেকে শুরু করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসংখ্যা প্রধান উপদেষ্টাসহ ২১। এ ছাড়া উপদেষ্টা পদমর্যাদায় বিশেষ সহকারী, বিশেষ দূত ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিলিয়ে আছেন চারজন। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার চারজন বিশেষ সহকারীও রয়েছেন।

ওনার (অধ্যাপক ইউনূস) ডিকশনারিতে রিটায়ার্ড বলতে কিছু নেই। উনি হয়তোবা ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভার শপথের পর ফিরে এসে দেখবেন নতুন একটা কাজ নিয়ে ভাবছেন, যুক্ত হয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসফাইল ছবি: বাসস

অধ্যাপক ইউনূস কী করবেন

উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক শেষে গতকাল বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক জানতে চান, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে কী করবেন?

জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘ওনার (অধ্যাপক ইউনূস) ডিকশনারিতে রিটায়ার্ড বলতে কিছু নেই। উনি হয়তোবা ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভার শপথের পর ফিরে এসে দেখবেন নতুন একটা কাজ নিয়ে ভাবছেন, যুক্ত হয়েছেন। উনি আগে যে কাজগুলো করতেন, সেগুলো করবেন। সামাজিক ব্যবসা নিয়ে সারা বিশ্বে কথা বলেন। ক্ষুদ্রঋণ ও “থ্রি জিরো” ভিশন নিয়ে কথা বলেন। দারিদ্র্যকে কীভাবে কমানো যায়, সেই কাজ তিনি এখন পর্যন্ত করছেন, আগামী দিনগুলোতেও করবেন। পরিবেশ নিয়েও কাজ আছে।’

অধ্যাপক আসিফ নজরুল গত মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেছিলেন, উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে তিনি আবার আগের পেশায়, অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় ফিরে যাবেন। এ ছাড়া মৌলিক বিষয়ে লেখালেখি ও গবেষণা করবেন তিনি।

আসিফ নজরুল
আসিফ নজরুলফাইল ছবি

অন্য উপদেষ্টারা কী করবেন

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল গতকাল সচিবালয়ে অফিস করেন। এ সময় নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনিও কি নতুন মন্ত্রিসভায় থাকছেন? জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না।’

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব শেষে আবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল গত মঙ্গলবার বলেছিলেন, উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে তিনি আবার আগের পেশায়, অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় ফিরে যাবেন। এ ছাড়া মৌলিক বিষয়ে লেখালেখি ও গবেষণা করবেন তিনি।

আলী ইমাম মজুমদার
আলী ইমাম মজুমদার
 

আলী ইমাম মজুমদার গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরপ্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। তিনি আগেই জানিয়েছেন, দায়িত্ব শেষে তিনি আগের মতোই সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন। উপদেষ্টা হওয়ার আগে তিনি সংবাদপত্রে কলাম লিখতেন।

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব শেষে আবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন
 

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেবেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি আগেই জানিয়েছেন ‘আপাতত কিছুদিন’ বিশ্রাম নেবেন। এরপর আগের মতোই লেখালেখিতে ফিরতে চান।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, রমজানের পর আবার লেখালেখি ও বই পড়ায় ফিরবেন তিনি।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গতকালও সচিবালয়ে অফিস করেছেন। দায়িত্ব শেষে তিনি আবার বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) কাজে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। গতকাল তিনি বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি আবার বেলায় যোগ দেবেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেবেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি আগেই জানিয়েছেন ‘আপাতত কিছুদিন’ বিশ্রাম নেবেন। এরপর আগের মতোই লেখালেখিতে ফিরতে চান।
শারমীন এস মুরশিদ
শারমীন এস মুরশিদ
 

সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ব্রতীতে ফিরে যাবেন এবং মানবাধিকার বিষয়ে কাজ করবেন। এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যুক্ত নারীদের সঙ্গেও নিবিড়ভাবে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন তিনি।

ফরেন সার্ভিস একাডেমির সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘উপদেষ্টা যাঁরা তাঁরা শপথের (নতুন মন্ত্রিসভার) দিন থাকবেন, তাঁরা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং শপথের দিন তাঁরা পতাকাবাহী গাড়িতে যাবেন। যখন শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে, আসার সময় ওই গাড়ি তাঁদের বাসায় পৌঁছে দেবে, কিন্তু পতাকা থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘তাঁরা সবাই দেশেই আছেন, তাঁরা দেশের গর্বিত সন্তান। ভবিষ্যতে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে তাঁরা তাঁদের সর্বোচ্চ অ্যাফোর্ট দেবেন।’

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব