• Colors: Purple Color

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হয়েছে। আজ সোমবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নাসিমুল গনি চুক্তিভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। চুক্তিভিত্তিতে তাঁকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পর গত শনিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে থাকা শেখ আবদুর রশিদের চুক্তি বাতিলের প্রজ্ঞাপন হয়। আবদুর রশিদ বলেন, তিনি আগেই পদত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের কারণে তা গৃহীত হয়নি। এখন আদেশ হলো।

আবদুর রশিদের চুক্তি বাতিল করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বলা হয়, তিনি নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হলো।

নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন
নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন
 

নাসিমুল গনি কে

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, নাসিমুল গনি বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। এই ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের ১৪২ জনের মেধা তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।

নাসিমুল গনি ১৯৮৩ সালে সহকারী কমিশনার (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাঙ্গামাটি) হিসেবে তাঁর চাকরিজীবন শুরু করেন। চার বছর রাঙ্গামাটিতে চাকরি করার পর তাঁকে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ করা হয়। পরে তাঁকে একাডেমির উপপরিচালক, আরও পরে যুগ্ম পরিচালক পদে নিয়োগ করা হয়।

১৯৯০ সালে নাসিমুল গনি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ১৯৯১ সালে তিনি তৎকালীন ভূমিমন্ত্রীর একান্ত সচিব পদে বদলী হন। পরে তাঁকে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব পদে নিয়োগ করা হয়।

১৯৯৫ সালে নাসিমুল গনিকে ইরাকের বাগদাদে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) পদে নিয়োগ করা হয়। এক বছর পর তাঁকে বাগদাদ থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে ফেরার পর তাঁকে ভোলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে নিয়োগ করা হয়। পরে তাঁকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে বদলি করা হয়।

১৯৯৯ সালে নাসিমুল গনিকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক পদে নিয়োগ করা হয়। ২০০১ সালে তিনি উপসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাঁকে জামালপুরের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই দায়িত্ব শেষে তিনি স্পিকারের একান্ত সচিব পদে নিযুক্ত হন।

২০০৪ সালে নাসিমুল গনি যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে যুগ্মসচিব হিসেবে কাজ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ও পরবর্তীতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৬ সালে নাসিমুল গনি অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাঁকে রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে নিয়োগ করা হয়। ২০০৭ সালে তাঁকে নিপোর্টের মহাপরিচালক পদে পদায়ন করা হয়।

২০০৯ সালে নাসিমুল গনিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) নিয়োগ করা হয়। চার বছর ওএসডি থাকার পর ২০১৩ সালে তাঁকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তবর্তী সরকার নাসিমুল গনিকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়। তিনি ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি সিনিয়র সচিব হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।

নতুন প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী তার জন্য বাসভবন ঠিক করা হবে- এমনটা জানিয়েছেন গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিষয়ে বিএনপির সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। উনারা যেভাবে চান সেভাবে হবে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রীদের বাসভবন নিয়ে ব্রিফিং করেন গণপূর্ত উপদেষ্টা।ব্রিফিংয়ে, এমনটা জানান তিনি।

গণপূর্ত উপদেষ্টা বলেন, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য এখন পর্যন্ত ৩৭টি বাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। মিন্টু রোড, ধানমন্ডি এবং গুলশান মিলিয়ে এ বাড়িগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও কয়েকটি বাড়ি তৈরি করার প্রস্তুতি চলছে। শপথ নিতে নিতেই এগুলো তৈরি হয়ে যাবে।

বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এ সরকার দায়িত্ব নিয়েছিলো। ১৮ মাস জনগণের স্বার্থে কাজ করার চেষ্টা করেছি। গত সাড়ে ১৫ বছরের যে ফ্যাসিবাদী শাসন সেটি থেকে দেশকে একটি নতুন গতির মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকার চেষ্টা করেছি নিজেদের কাজের জন্য।

আদিলুর রহমান আরও বলেন, দুর্নীতি নিয়ে টিআইবির রিপোর্টের ব্যাপারে তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে হবে। জনগণের আলোচনা এবং টিআইবির রিপোর্ট এক জায়গায় যায় বলে মনে করি না। ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের সময় যারা রাস্তায় ছিলেন, তাদের সাথে কথা বললে হয়তো চিত্র আলাদা হবে। অনেক জায়গায় সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় সংস্কার সম্পন্ন হয়নি, আশা করি সেগুলো সম্পন্ন হবে।

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে আজও ভিড় করছেন নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও দলের নেতা-কর্মীরা। আজ সোমবার সকাল থেকেই কার্যালয়ের সামনে নেতা–কর্মীরা ভিড় করেন। বেলা পৌনে একটার দিকে কার্যালয়ে আসেন তারেক রহমান।

আগামীকাল মঙ্গলবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগের দিন আজ রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছেন নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নেতা–কর্মীরা। তাঁদের অনেকের হাতে ফুল। আসছেন দলের প্রধানকে শুভেচ্ছা জানাতে।

সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশান কার্যালয়ে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুপুর পৌনে ১২টায় যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

নওগাঁ-৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী আসেন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে। তাঁর সঙ্গে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরাও ছিলেন।

ইকরামুল বারী বলেন, ‘দেশে ১৭ বছর পর গণতন্ত্র ফিরেছে। দীর্ঘ লড়াইয়ে বিএনপির নেতা–কর্মী ছিলেন সবচেয়ে নির্যাতিত। কেউ গুম হয়েছেন, কেউ খুন হয়েছেন। কিন্তু আজ দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে। চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি বড় জয় পেয়েছে। তাই নেতাকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছি।’
বেলা সাড়ে ১১টায় আসেন কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা ঠিক করা সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছি।’

বিরোধী দলে যাঁরা থাকবেন তাঁদের উদ্দেশে শহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা অবশ্যই সমালোচনা করবেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সমালোচনা যাতে শুধুই সমালোচনা না হয়। দেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ফেনী-১ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু বলেন, ‘শুধুমাত্র খালেদা জিয়ার আসন হওয়ায় আমার আসনে বিগত সময়ে কোনো উন্নয়ন হয়নি। তাই এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’

নির্বাচনে বড় জয়ের পর এখন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ও সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষা। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আগামীকাল মঙ্গলবার সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নেবেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল মঙ্গলবার দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নেবেন। বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা নিয়েও সাধারণ মানুষসহ সব মহলে কৌতূহল রয়েছে।

বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া–৬ ও ঢাকা–১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। আগামীকাল ঢাকা–১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ আজ সোমবার বিকেলে বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন। ঢাকা-১৭ আসন রেখেছেন। তাঁর এ–সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আইন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। তবে বিজয়ী হলে তিনি কেবল একটি আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারেন। বাকিগুলো ছেড়ে দিতে হয়। সেগুলোতে নিয়ম অনুযায়ী উপনির্বাচনের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।

বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে নতুন নির্বাচিত সরকার। আর এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিদায় ঘটতে যাচ্ছে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের।

নির্বাচিত সরকারের আগমনকে সামনে রেখে নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ভাষণ শেষে কার্যালয়ে কর্মরত সবার সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন তিনি।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রায় দেড় বছর এই অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে দেশ পরিচালনার পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর আগে, একই দিনে সকালে শপথ গ্রহণ করবেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তারাই হবেন দেশের নতুন সরকার। শপথগ্রহণ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

 

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে এনসিপির পক্ষে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এনসিপির এই সনদে স্বাক্ষর করবে বলেই জাতির বিশ্বাস ছিল, আজকে সেই বিশ্বাস পূর্ণতা পেলো, জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেলো। এনসিপিকে ধন্যবাদ এই মহতি কাজে অংশগ্রহণের জন্য।

তিনি বলেন, এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে তার জন‍্য প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামীকাল নতুন সংসদের সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সবার সামনের দিনগুলো শুভ হোক।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আগামীকাল শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা একইসঙ্গে দুটো শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমাদের ওপর দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে আমরা তা বাস্তবায়ন করবো। জুলাই সনদে সবার শেষ স্বাক্ষর করলেও এই সনদ বাস্তবায়নের জন‍্য আমরা ছিলাম সর্বোচ্চ তৎপর।

এনসিপির প্রতিনিধিদলে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মনিরা শারমিন, সারওয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব