• Colors: Purple Color

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিসভার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠকের মধ্যদিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে তার নির্ধারিত দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন।

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মন্ত্রিসভা ও সচিবদের প্রায় সব বৈঠকই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা একটি মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুদকের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা ও উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, নুরুজ্জামান আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী মোছা. হোসনে আরা বেগম পারস্পরিক যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁদের নামের ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাই কারাগারে থাকা গ্রেপ্তার নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

গত বছরের ৩০ জানুয়ারি রংপুর নগরের জুম্মাপাড়া পোস্ট অফিসের গলিতে তাঁর ছোট ভাই ওয়াহেদুজ্জামানের বাড়ি থেকে নুরুজ্জামানকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে গত ৪ আগস্ট রংপুর সিটি বাজার এলাকায় মাহমুদুল হাসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ২০১৫ সালে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও ২০১৯ সালে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আবার সংসদ সদস্য হন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘কেউ দুর্নীতি করলে তাঁর বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাই নেওয়া হবে না, দুর্নীতির মামলাও দেওয়া হবে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।’

গতকাল মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আজ বুধবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসে উভয় বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতিমূলক সভায় এই হুঁশিয়ারি দেন আসাদুজ্জামান। এর আগে উভয় বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীকে আইন মন্ত্রণালয়ে স্বাগত জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিচারক শব্দটার সঙ্গেই সততার বৈশিষ্ট্য জড়িত। বিচারককে সৎ-অসৎ—এই জায়গায় আমি দেখতে চাই না।’

বিচারক মানেই সৎ উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁদের মনে হবে যে চাকরির টাকায় সংসার চলে না, যাঁদের এই টাকায় পোষাবে না, তাঁদের চাকরি করার দরকার নেই। তাঁরা ওকালতি করুক, কারণ তাঁদের অবসরের পরে ওকালতি করার সুযোগ থাকে। এটা আমার কমন মেসেজ (সাধারণ বার্তা)।’

দুর্নীতি প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কেউ মনে করেন, দুর্নীতি করে পার পাবেন, এটা এখানে পাবেন না। কেউ দুর্নীতি করলে তাঁর বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাই নেব না, সঙ্গে একটি দুর্নীতির মামলাও দেওয়া হবে। এই বিষয়টি সবাইকে স্মরণ রাখতে হবে।’

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের যে এত বিপুল জনসমর্থন সেটার জায়গা থেকে প্রধানমন্ত্রী আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, জনগণ আমাদের কাছ থেকে যে সুশাসন এবং জবাবদিহিতা চায়, সেক্ষেত্রে আমরা স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়ের যারা দায়িত্বে আছি, তারা যেন যেকোনো ধরনের প্রভাব এবং স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করি এবং বিশেষ করে দুর্নীতির প্রশ্নে যেন আমাদের একটা শক্ত অবস্থান থাকে।

আগামীতে যে রমজান শুরু হচ্ছে, এই রমজানকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা প্লাস হচ্ছে সেহরি, ইফতার, তারাবির সময়টা যেন বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন থাকে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে এবং সরকারের যে কমিটমেন্ট, বিশেষ করে নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় জনসভায় যে বিষয়গুলো বলেছেন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড সেগুলো কীভাবে ইমিডিয়েটলি আসলে কিছু দৃশ্যমান কাজ করা যায়, সেই বিষয়গুলো নিয়েও তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, আলোচনা করেছেন।

নুর বলেন, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘোষণা ছিল যে, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বিষয়ে সরকারের একটি উদ্যোগ থাকবে। সেটি নিয়েও তিনি আলোচনা করেছেন যে, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কী করা যায়। সামগ্রিকভাবেই সমস্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু আমি দুটো নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি, আমাদের জায়গা থেকে আমরা একটা বিষয় তার দৃষ্টিতে আনার চেষ্টা করেছি, আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশ মিডল ইস্ট বেজড। মিডল ইস্টের সঙ্গে কিন্তু শ্রমবাজার ওপেনের ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় সেটার একটা ধারাবাহিকতা ছিল। কিন্তু মাঝখানে নানাবিধ কারণে সেটার একটা ছন্দপতন হয়েছে, বন্ধ হয়েছে অনেক জায়গার শ্রমবাজার। সেখানে শ্রমবাজার ওপেন করার জন্য যদি প্রধানমন্ত্রী একটি সফর দেন মিডল ইস্টে, সেটা আমাদের জন্য একটা সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে। আমাদের জায়গা থেকে এটিও বলেছি, তার জায়গা থেকেও আরও কিছু পরামর্শ আমাদের দিয়েছেন যেগুলো কাজের ক্ষেত্রে আমরা মেনে চলব।

এছাড়া সরকার ১৮০ দিনের একটি পরিকল্পনা নেবে বলেও জানান তিনি।

 

দেশের লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে পবিত্র রমজান মাসে দেশের সকল প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকেই দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই দীর্ঘ ছুটি শুরু হচ্ছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের সংশোধিত ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, পবিত্র রমজান মাস ছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও জাতীয় দিবস এই ছুটির আওতাভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব দিবস, শবেকদর (১৭ মার্চ), জুমাতুল বিদা (২০ মার্চ) এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর (২১ মার্চ)। এছাড়া স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ) পর্যন্ত এই ছুটি অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন দেশের সব মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে কোনো শিক্ষা কার্যক্রম চলবে না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জি অনুসরণ করা হবে। গত কয়েক বছর ধরে রমজানের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্কুল খোলা রাখার রীতি থাকলেও, এবার ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে পুরো মাস ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে তীব্র গরমে রোজা রেখে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত ও ক্লাস করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে বিধায় অভিভাবক মহল থেকে দীর্ঘ দিন ধরেই এই ছুটির দাবি জানানো হচ্ছিল।

 

দলীয় কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব নয় বরং আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা— দায়িত্ব নেয়ার পর জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বললেন, বিএনপি সরকার সকল ক্ষেত্রেই অনাচার অনিয়মের সকল সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে বদ্ধপরিকর। ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানান, রমজান মাসকে মুনাফা লাভের মাস হিসাবে পরিগণিত না করার। বিএনপিকে যারা ভোট দিয়েছে কিংবা দেয়নি সেই সীমারেখা ভুলে তারেক রহমান বললেন, এই সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময়ের দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অনিয়মের কারণে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ বাস্তবতায় নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতিকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, সারা দেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তার সামাজিক অস্থিরতা এবং অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইতোমধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনগণের জানমাল রক্ষা এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি সাংবিধানিক ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিধিবদ্ধ নীতি ও নিয়ম মেনেই পরিচালিত হবে। কোনো ধরনের দলীয় প্রভাব, রাজনৈতিক চাপ বা ব্যক্তিগত ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রভাব বা জোরজবরদস্তি নয়, আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।

সরকারের এই অবস্থান বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব