• Colors: Purple Color

ঢাকা

রমজানে নিম্ন আয়ের ১০ লাখ পরিবারকে সরকার সুলভ মূল্যে প্রোটিনের চাহিদা পূরণের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার ১০ লাখ পরিবার কম দামে দুধ, ডিম ও মাংস কিনতে পারবেন। এ লক্ষ্যে উত্তরা, আজিমপুর, মিরপুরসহ রাজধানীর ২৫টি স্পটে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। চলবে পুরো রমজান মাস জুড়ে।

দেশের অন্যান্য জেলাতেও এই উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, এতে ডিমের ডজন মিলছে ৯৬ টাকায়, ১ কেজি দুধ ৮০ টাকা ও ১ কেজি মাংস ৬৫০ টাকায়। এই উদ্যোগের ফলে বাজারেও জিনিস পত্রের দাম কমে আসবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপরাষ্ট্রদূত জন এফ ডেনিলোভিচ গতকাল বুধবার তাঁর ভেরিফায়েড এক্স পোস্টে জানান, গত মঙ্গলবার উইলিয়াম বি মাইলাম মারা যান।

ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলামের নিষ্ঠাবান নেতৃত্ব ও সেবার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছিল।

বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার পর হাজারো মানুষের জীবনরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ‘অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল’ সংগঠনে উইলিয়াম বি মাইলামের অবদান স্মৃতি হয়ে থাকবে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।

পোস্টে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষ হওয়ার পরও উইলিয়াম বি মাইলাম যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক শক্তিশালী করতে কাজ করে গেছেন।

এ প্রসঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর (মিলাম) সেই আন্তরিক প্রচেষ্টার সাক্ষী। তাঁর পরিবার, প্রিয়জন এবং তাঁর সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে—এমন সবার প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।’

উইলিয়াম বি মাইলাম যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মতামতধর্মী ত্রৈমাসিক সাময়িকী সাউথ এশিয়া পার্সপেকটিভসের সম্পাদক ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘রাইট টু ফ্রিডম’–এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। এ ছাড়া তিনি ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক চিন্তনপ্রতিষ্ঠান উইলসন সেন্টারের সিনিয়র স্কলার ছিলেন।

দ্বিতীয় দিনের মতো অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিনও সকালে বেশ কয়েকটি মিটিংয়ের মাধ্যমে ব্যস্ততম দিন শুরু করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন। উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, ও নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান।

এছাড়া  এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন তিনি। 

বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী যোগ দেন 'ফ্যামিলি কার্ড' চালু করার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। 

এদিকে দুপুরে তারেক রহমান আবারও বসবেন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। সেখানে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আপনারা গতকাল হয়তো দেখেছেন আইনমন্ত্রী বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের যে কার্যক্রম সেটা স্বাভাবিক গতিতেই চলমান থাকবে। সুতরাং আমরা আশাকরি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার আমাদের সুনির্দিষ্ট কিছু না বললেও চলমান রাখার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা দায়িত্বে আছি আমরা স্বাভাবিক গতিতেই সমস্ত কর্মকাণ্ড চলমান রাখবো এবং এটাই ন্যায় বিচারের দাবি।

এদিন জুলাই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মিরপুর এলাকায় শহীদ ফজলে রাব্বির বাবা ও শহীদ তানহার বাবা। শহীদ দুইজনের নির্মম মৃত্যুর বর্ণনা তুলে ধরেন তারা।

 

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমানের কাছে লেখা এক চিঠিতে অভিনন্দন জানানো হয়। চিঠিতে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই বিজয়ে শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করা হয়।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সম্মান এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের উপকারে আসবে— এমন প্রত্যাশার কথাও চিটিতে উল্লেখ করা হয়।

পাশাপাশি, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিসমূহ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর জন্য উচ্চমানের আমেরিকান সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

উল্লেখ্য, চিঠির শেষাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানানো হয়।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব