• জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে যেভাবে

    জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, দাখিল ৮ম শ্রেণি, ইবতেদায়ি ৫ম শ্রেণি, জেএস ও জেডি (ভোকেশনাল) বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে আজ বুধবার। এতে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় মোট ৪৬ হাজার ২০০ জন বৃত্তি পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৭০০ জনকে মেধাবৃত্তি এবং ৩১ হাজার ৫০০ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে।

    আজ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এই ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

    ২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা বাংলা (বিষয় কোড ১০১), ইংরেজি (১০৭), গণিত (১০৯), বিজ্ঞান (১২৭) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (১৫০) বিষয়ের ওপর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শিক্ষার্থীরা দুইভাবে ফলাফল দেখতে পারবে—

    ১. অনলাইন পদ্ধতি: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (dpe.gov.bd) গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ (2026) দিলেই ফল দেখা যাবে।

    ২. এসএমএস পদ্ধতি: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর এবং সাল টাইপ করে ১৬২২২ (16222) নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই ফিরতি মেসেজে রেজাল্ট জানা যাবে।

    এবার শিক্ষার্থীদের ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির জন্য কোটা বরাদ্দ করা হয়েছে। বোর্ড ভিত্তিক এ বৃত্তি বণ্টন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ট্যালেন্টপুলে ও সাধারণ বৃত্তির জন্য কোটা বরাদ্দ হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়া হচ্ছে।

    ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর সারাদেশে একযোগে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। এই পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হয়েছে দুপুর ১টায়। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী। দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এই পরীক্ষা।

    শুরুর দিনে বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি ও ৩০ ডিসেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩১ ডিসেম্বরের বিজ্ঞান আর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সেই স্থগিত পরীক্ষাটি ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষ হয়েছে। এবার ফল প্রকাশের অপেক্ষাও শেষ হচ্ছে আজ।

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান শহীদ-আহতদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এসময় তিনি জুলাই আন্দোলনে শহীদদের সন্তান এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থী যোদ্ধা’দের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

    আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ নির্দেশনা দেন। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মসূচি, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের পরিকল্পনা এবং আগামী ৫ বছরের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা খাতে আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা এবং ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়াও বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও জুতা (কেডস) প্রদান, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ঋণ সুবিধা এবং হাফেজে কুরআনদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

    ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ কর্মসূচি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়ন করাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য।

    সভায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জট দূর করতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত সব শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। জাতীয়করণকৃত ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার নির্দেশনা দেন।

    এছাড়াও সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মোট দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হবে এবং খুব দ্রুততম সময়ে সারাদেশে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস প্রাথমিকের সকল শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি ১ বছরের মধ্যে প্রাথমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা এবং স্কুল-কলেজের সকল শিক্ষকদের হাতে ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উপজেলা পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড চালু এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিতর্ক ক্লাব গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

     

  • জ্বালানি তেল নিয়ে ২৫ দিনে এসেছে ৩০ জাহাজ, আসছে আরও ৬

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে হরমুজ প্রণালিতে অচল অবস্থা বিরাজ করায় তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। তবে, এমন পরিস্থিতিতেও এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভালোভাবেই সচল আছে বাংলাদেশে। একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ ভিড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে। শুধু গত ২৫ দিনেই ভিড়েছে জ্বালানি তেল ভর্তি ৩০টি জাহাজ। 

    শুধু তাই নয়, আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে এই বন্দরে ভিড়বে আরও ছয়টি জাহাজ; যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত এক মাসে ৩০টি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর গত ৩ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত এসব জাহাজ এসেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ ইতোমধ্যে জ্বালানি খালাস করে ফিরে গেছে। বর্তমানে দুটি থেকে খালাস কার্যক্রম চলছে। আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে আরও ছয়টি জাহাজ বন্দরে ভিড়বে। এসব জাহাজের মধ্যে তিনটিতে এলএনজি, দুটিতে গ্যাস অয়েল এবং একটিতে এলপিজি আসছে।

    এদিকে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের জাহাজ চলাচলে অভয় দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ এবং বিশেষ অনুমোদিত দেশের জন্য এই জলপথ খোলা থাকবে। ইরানের এই বন্ধুতালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরাক ও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। 

    বন্দর সূত্রে জানিয়েছে, ৩ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত আসা জাহাজগুলোর মধ্যে ছয়টিতে এলএনজি এসেছে। এর মধ্যে পাঁচটি এসেছে কাতার থেকে এবং একটি এসেছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। এলপিজি নিয়ে এসেছে আটটি। এর মধ্যে তিনটি এসেছে মালয়েশিয়া, দুটি ওমান, দুটি এসেছে ভারত থেকে এবং একটি এসেছে সিঙ্গাপুর থেকে। বাকি ১৬টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটিতে গ্যাস অয়েল আনা হয়েছে। যার মধ্যে দুটি সিঙ্গাপুর, দুটি মালয়েশিয়া এবং একটি ভারত থেকে এসেছে। আরও চারটি জাহাজে হাই সালফার ফুয়েল এসেছে, যার সবগুলোই সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা হয়েছে।

    অবশ্য, পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ক্রুড অয়েল আমদানি নিয়ে। দেশে প্রতি মাসে গড়ে ১ থেকে দেড় লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়, যা দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। কিন্তু, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মার্চ মাসে নির্ধারিত দুটি জাহাজের একটিও এখনও বন্দরে পৌঁছায়নি। সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একটি জাহাজে করে ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়েছিল। এরপর আর কোনও চালান দেশে আসেনি।

    তবে, বাংলাদেশ অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েলের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়। বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন। এর মধ্যে ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আর বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মালেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

     

  • জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি

    মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা চলছে। দাম বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। এর মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার। টানা দ্বিতীয় মাসের মতো জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে। তাই এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না। আগের দামেই বিক্রি হবে পেট্রল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিন।

    আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক অফিস আদেশে সরকারের এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম এপ্রিলে প্রতি লিটার ১০০ টাকা করা হয়েছে। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১২ টাকা, পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১১৬ আর অকটেনের দাম ১২০ টাকা করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে এ দামেই বিক্রি হয়েছে জ্বালানি তেল।

    এর আগে জানুয়ারিতে প্রতি লিটারে ২ টাকা ও ফেব্রুয়ারিতে আরও ২ টাকা করে কমানো হয়েছিল জ্বালানি তেলের দাম।

    ২০২৪ সালের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করে সরকার। সে হিসাবে আগের মাসে আমদানি করা জ্বালানি তেলের খরচ বিবেচনায় নিয়ে প্রতি মাসে নতুন দাম সমন্বয় করা হয়। জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের সূত্র নির্ধারণ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। নির্দেশিকায় বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রল ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রলের দাম বেশি রাখা হয়।

    জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আর নির্বাহী আদেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

    বিপিসি সূত্র বলছে, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। বর্তমান আমদানিমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হলে ডিজেলের দাম হবে প্রায় ২০০ টাকা। দাম না বাড়ানোয় এক মাসেই পাঁচ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে।

    জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু) গতকাল সংসদে বলেন, এক মাসে বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৯৮ শতাংশ। প্রতি লিটার ডিজেল আমদানিতে এখন খরচ হচ্ছে ১৯৮ টাকা। ১২০ টাকায় অকটেন বিক্রি করলেও সরকারের খরচ হচ্ছে ১৫০ টাকা ৭২ পয়সা।

  • জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ মঙ্গলবার: জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র

    বিশ্ববাজারের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রতিমাসের মতো জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারিত হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ)। তবে উদ্ভুত পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী।

    সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি জানান, ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারের কাছে ১ লাখ ৩৩ হাজার আর এপ্রিলে আসছে আরও প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল। তাই এ নিয়ে এপ্রিলেও সংকট হবে না। অকটেন-পেট্রোলের ব্যবহার খুবই কম বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তা।

    জ্বালানি বিভাগের দাবি, দেশের মোট চাহিদার ৬৩ শতাংশ ডিজেল। কৃষিতে সেচ ও গণপরিবহণে ব্যবহৃত হয় এই জ্বালানি।

    জ্বালানি বিভাগের মূখপাত্র আরও জানান, সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো, অনলাইন ক্লাসের মতো জ্বালানি সাশ্রয়ী নানা কর্মসূচি নিয়ে গভীরভাবে ভাবছে সরকার।

     
  • জ্যাকবস–ঝড়ে সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ

    লক্ষ্য ১৫ ওভারে ১০৩। হাতে ১০ উইকেট। কোনোভাবেই এটাকে বড় বলার সুযোগ নেই। এই লক্ষ্যে নিউজিল্যান্ডের শুরুটা হয়েছিল বাজে।

    ৩৩ রান তুলতেই হারিয়েছিল ৪ উইকেট। তবে বাকি পথটা খুব সহজেই পাড়ি দিয়েছে দলটি। শেষ পর্যন্ত দলটি জিতেছে ৬ উইকেট। এই জয়ে ৩ ম্যাচের সিরিজ শেষ হয়েছে ১–১ সমতায়।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বাংলাদেশ জিতেছিল ৬ উইকেটে। দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়।

    বৃষ্টি নাকি অন্য কিছু!

    বাংলাদেশ তৃতীয় টি-টুয়েন্টিতে হারল কেন? নাকি ১৫ ওভারের ম্যাচে ৬ উইকেটে হারের দিনটাই বাংলাদেশের ছিল না! নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির এই দলের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ জিততে ব্যর্থ হওয়ার পর এমন অনেক প্রশ্নই হয়তো উঠবে।

    বড় রান পাননি কোনো ব্যাটসম্যান
    বড় রান পাননি কোনো ব্যাটসম্যান
     

    কাঠগড়ায় হয়তো সবার আগে উঠতে হবে ব্যাটসম্যানদের। মাত্র তিনজনই যে যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে! সর্বোচ্চ রান করেছেন হৃদয়, সেটিও ৩৩। লিটন করেছেন ২৬ আর সাইফ ১৬। ৬.৪ ওভার পর নামা বৃষ্টি বাংলাদেশের ব্যাটিংটা এলোমেলো করেছে, সেটা বলার সুযোগও কম। কারণ, বাংলাদেশ টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৩৫ রান তুলতেই হারিয়েছিল ৩ উইকেট।

    ৩ উইকেটে ৫০ রান করার পর নামে বৃষ্টি। এরপর ৫২ রান তুলতে বাংলাদেশের গেছে ৭ উইকেট। বৃষ্টির আগে–পরে মিলিয়ে শেষ ৭ উইকেট গেছে ৬৭ রানে।

    বোলাররা যদি কিছু করতে পারতেন, সেটা হয়তো বোনাসই হতো। মিরপুরের এই উইকেটে ১৫ ওভারে ১০৩ লক্ষ্য দিয়ে ম্যাচ জেতা কঠিনই বটে! বিশেষ করে বেভন জ্যাকবসের ইনিংসটার পর। মাত্র ৩১ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেছেন এই ব্যাটসম্যান, যা আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে তাঁর প্রথম ফিফটি।

    ফিফটির পথে বেভন জ্যাকবস
    ফিফটির পথে বেভন জ্যাকবস
     

    জ্যাকবসকে সঙ্গ দিয়েছেন ডিন ফক্সক্রফট। এই দুজনের ৪০ বলে ৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিই নিউজিল্যান্ডের জয়টা সহজে এনে দিয়েছে। ১৫ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন ফক্সক্রফট।

    নিউজিল্যান্ডের বোলাররাও তাঁদের কাজটা করেছেন। কিউই পেসার জশ ক্লার্কসন নিয়েছেন ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। ম্যাচসেরা হয়েছেন জ্যাকবস।

    বাংলাদেশের হয়ে শরীফুল ইসলাম নেন ৩ উইকেট।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    বাংলাদেশ: ১৪.২ ওভারে ১০২ (হৃদয় ৩৩, লিটন ২৬, সাইফ ১৬; ক্লার্কসন ৩/৯, সিয়ার্স ২/১২, স্মিথ ২/১৪)। নিউজিল্যান্ড: ১১.৪ ওভারে ১০৪/৪ (জ্যাকবস ৬২*, রবিনসন ২৩, ফক্সক্রফট ১৫*; শরীফুল ৩/১৯, মেহেদী ১/২০)। ফল: নিউজিল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী (ডি/এল)। ম্যাচসেরা: বেভন জ্যাকবস। সিরিজসেরা: তাওহিদ হৃদয়। সিরিজ: ৩–ম্যাচ সিরিজ ১–১ ড্র।

  • জয়ার ‘প্রথম’ থেকে কেয়ার টোলরহস্য

    কেউ এসেছিলেন একা, কেউ সপরিবার। লালগালিচায় তারকাদের টুকরা গল্প নিয়ে এই আয়োজন।

    প্রথম অতিথি
    ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল ৪টা ২০ মিনিট। লালগালিচার প্রথম অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।

    [caption id="attachment_272411" align="alignnone" width="622"] লালগালিচার প্রথম অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।[/caption]

    ‘অচল’ গল্পে বিশ্বাস
    স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র বিভাগে এবার সেরা চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার পেয়েছেন সিদ্দিক আহমেদ। আলোচিত ‘তোমাদের গল্প’র জন্য এ পুরস্কার পান তিনি। পুরস্কার গ্রহণ করে ‘অচল’ গল্পে বিশ্বাস রাখার জন্য পরিচালককে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, শুরুতে অনেকেই তাঁর লেখা নিতে চাইতেন না। তিনি বলতেন, ‘অচল গল্প’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ‘অচল গল্প’ দিয়েই পুরস্কার জিতলেন!

    [caption id="attachment_272410" align="alignnone" width="622"] ‘জিম্মি’র জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছে জয়া আহসান।[/caption]

    এত দিন পরে প্রথম
    ঢাকা আর কলকাতা মিলিয়ে অনেক সিনেমাতেই অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। অথচ তিনিই কিনা প্রথমবারের মতো জিতলেন পুরস্কার! অবাক হবেন না, জয়া প্রথমবার মেরিল–প্রথম আলো পুরস্কার পাননি; পেয়েছেন প্রথমবার ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে। গত বছর আশফাক নিপুনের ‘জিম্মি’ দিয়ে সিরিজে অভিষেক, আর সেটা দিয়েই জয়া জিতেছেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। পুরস্কার নিতে নির্মাতা আশফাক নিপুনকে নিয়েই মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি।

    কন্যার জন্য কন্যা
    গত বছর কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন ইমরান মাহমুদুল। এবার তিনি ‘জ্বীন–৩’ সিনেমার গান ‘কন্যা রে’র জন্য পেয়েছেন সেরা গায়কের পুরস্কার। মঞ্চে উঠে পুরস্কার গ্রহণ করে ইমরান বলেন, ‘“কন্যা রে” গানের জন্য পুরস্কার পেলাম, গত বছর আমিও কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছি।’

    [caption id="attachment_272412" align="alignnone" width="622"] কেয়া পায়েল।[/caption]

    টোলরহস্য
    মঞ্চে তখন কেয়া পায়েল। এবার এটা ‘আমাদেরই গল্প’র জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন তিনি। সঞ্চালক নিশো মজা করে বলেন, আগে কেয়ার টোল ছিল একটা, পরে হয়ে গেল দুইটা। কেয়ার টোলরহস্য জানতে চান। মজা করে কেয়াও উত্তর দেন, ‘দুই গালে টোল, লল লল লল।’

  • ঝুঁকি এড়াতে ৪ দেশের তেলে ঝুঁকছে ইস্টার্ন রিফাইনারি

    চট্টগ্রাম

  • টাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী পিএসজি

    পিএসজি ১–১ আর্সেনাল (টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে জয়ী পিএসজি)

    চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালও যে ৯০ মিনিটের বেশি সময় ধরে হতে পারে, সেটি এত দিনে হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অনেকে। সেই ২০১৬ সালে মিলানে রিয়াল মাদ্রিদ-আতলেতিকো মাদ্রিদের ফাইনাল অতিরিক্ত আধা ঘণ্টা পেরিয়ে টাইব্রেকারে গিয়ে শেষ হয়েছিল।

    এক দশক পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল আজ আবারও দেখল ৯০ মিনিট পার হতে, দেখল টাইব্রেকারও। বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় পিএসজি-আর্সেনালের এই স্নায়ু পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত জিতেছে ফরাসি ক্লাবটি। আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে পিএসজি।

    টাইব্রেকারে শেষ শটে পিএসজির লুকাস বেরালদো জাল খুঁজে পেলেও আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস মেরে দেন বারের ওপর দিয়ে। তাতেই রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার কীর্তি গড়ে প্যারিসের ক্লাবটি।

    শিরোপা ধরে রাখতে বেশ ঘামই ঝরাতে হয়েছে পিএসজিকে। ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের। ষষ্ঠ মিনিটে মারকিনিওসের ক্লিয়ারেন্স লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের গায়ে লেগে কাই হাভার্টজের সামনে চলে আসে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জার্মান ফরোয়ার্ড গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পিএসজি গোলকিপার মাতবে সাপোনভ তাঁর মাথার ওপর দিয়ে বুলেট গতিতে যাওয়া বলটি ধরার সুযোগই পাননি।

    কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল
    কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনালএএফপি

    পিএসজি এই ম্যাচে মাঠে নেমেছিল গত বছরের ফাইনাল শুরু করা ১০ জন নিয়েই। যে একটি পরিবর্তন, সেটি এই সাপোনভই। এক বছর আগে এই মঞ্চে শিরোপাজয়ের অভিজ্ঞতা আছে বলেই হয়তো পিএসজি শুরুতে গোল হজম করলেও আড়ষ্ট হয়ে যায়নি; বরং গোলের পর আর্সেনাল অনেকটা নিচে নেমে রক্ষণ সামলানোয় বেশি মনোযোগ দিলে আক্রমণের ধার বাড়ান উসমান দেম্বেলে, ফ্যাবিয়ান রুইস, দিজিয়ের দুয়েরা। যদিও গোলের প্রবল সম্ভাবনা জাগাতে পারেননি, দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্টই থেকে গেছে।

    প্রথমার্ধের বিরতির আগে হাভার্টজ আর্সেনালকে দ্বিতীয় গোলও এনে দিচ্ছিলেন প্রায়, সেটি হয়নি মারকিনিওসের দৃঢ়তায়।

    চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দিন শুধু রিয়াল মাদ্রিদেরই টানা দুটি শিরোপা (মূলত হ্যাটট্রিক) জেতার কীর্তি ছিল।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে পিএসজির লক্ষ্য ছিল সময় নষ্ট করার। বিরতি শেষে ইংলিশ ক্লাবটি মাঠে ফেরে পিএসজির দুই মিনিট পর। খেলা শুরু হওয়ার পর সময় নষ্ট করার কারণে হলুদ কার্ডও দেখেন ক্রিস্টিয়ান মস্কেরা। ৬৫ মিনিটে স্প্যানিশ এই রাইটব্যাকই সুযোগ করে দেন পিএসজিকে ম্যাচে ফেরার। বল নিয়ে বক্সে ঢোকা খিচা কাভারাস্কেইয়াকে মস্কেরা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। দেম্বেলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইনে সমতা আনতে ভুল করেননি (১-১)।

    পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে
    পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলেএএফপি

    এরপর ম্যাচে পিএসজির নিয়ন্ত্রণ শুধু বেড়েছেই। কাভারাস্কেইয়ার একটি শট পোস্টে লাগে, বারকোলা দুটি সহজ সুযোগ নষ্টও করেন। তবে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এই আধা ঘণ্টার খেলায় অবশ্য আর্সেনালও সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। টিম্বার ও গিওকেরেস সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল গড়ায় টাইব্রেকারে।

    আর্সেনালের দ্বিতীয় শট নিতে যাওয়া এবেরেচি এজের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পরপরই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট ঠেকিয়ে দেন দাভিড রায়া। ৪ শট শেষে তাই টাইব্রেকার ফলও থাকে সমতায়। তবে শেষ শটে আর সমতা রাখতে পারেনি আর্সেনাল। ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক মাগালাইসের বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে উৎসব শুরু হয়ে যায় পিএসজি শিবিরে।

    চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দিন শুধু রিয়াল মাদ্রিদেরই টানা দুটি শিরোপা (মূলত হ্যাটট্রিক) জেতার কীর্তি ছিল। ২০২৫ সালের আগপর্যন্ত একটি শিরোপার জন্য অপেক্ষায় থাকা পিএসজি এবার টানা ট্রফি জিতে নাম লেখাল রিয়ালেরই পাশে।

  • টাইব্রেকারে ভারতকে কাঁদিয়ে সাফে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    দুর্দান্ত লড়াই শেষে টাইব্রেকারে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার(৩ এপ্রিল) মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্র থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলের জয় তুলে নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

    বাংলাদেশের শিরোপা নিশ্চিত হয় টাইব্রেকারের পঞ্চম শটে আমেরিকান প্রবাসী ফুটবলার রোনান সুলিভানের সফল কিকে।

    ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ তুলনামূলক বেশি প্রাধান্য বিস্তার করলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিল ভারত। তবে বল দখল ও আক্রমণের দিক থেকে এগিয়ে থেকেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ কিংবা গোলরক্ষক মাহিনকে খুব বেশি চাপে ফেলতে পারেনি ভারত। অন্যদিকে বাংলাদেশও পাল্টা আক্রমণে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে।

    দ্বিতীয়ার্ধের ১৫ মিনিট পর মাঠে নামানো হয় রোনান সুলিভানের ভাই ডেকলানকে। নিজের প্রান্ত ধরে কয়েকটি কার্যকর আক্রমণ গড়ে তোলেন তিনি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে দূর থেকে ভাই রোনানের উদ্দেশে দারুণ একটি পাসও বাড়ান ডেকলান। ভারতের ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে বল পেয়ে শট নেন রোনান, তবে ভারতীয় গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তা প্রতিহত করেন।

    মালের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী সমর্থক। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় তারা মাঠে এসে বাংলাদেশ দলকে প্রাণভরে সমর্থন জানান।

    বাংলাদেশ ও ভারত দুই দলই টুর্নামেন্টে একই গ্রুপে ছিল। ফলে একে অপরের খেলার ধরন সম্পর্কে ছিল ভালো ধারণা। এ কারণে বাংলাদেশের আক্রমণের অন্যতম ভরসা রোনান সুলিভানকে শুরু থেকেই কড়া নজরদারিতে রাখে ভারত। তারপরও নিজের দক্ষতায় একাধিক শট নিয়ে ভারতীয় রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখেন তিনি।

    ম্যাচজুড়ে দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায় এবং একাধিক সুযোগও তৈরি করে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মাহিন কয়েকবার পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। যদিও দুইবার বল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি, তবু বড় কোনো বিপদ ঘটেনি। অপরদিকে বাংলাদেশও প্রতিপক্ষের বক্সের আশপাশে বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়ে তুললেও নির্ধারিত সময়ে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।

    শেষ পর্যন্ত ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। আর সেখানেই স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় জয়ী হয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরে বাংলাদেশ।

     

  • টানা তিন দিন কমল সোনার দাম, আজ ভরিতে ২,১৫৮ টাকা

    দেশের বাজারে আজ আবারও কমেছে সোনার দাম। এ নিয়ে টানা তিন দিন সোনার দাম কমল। আজ ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম কমেছে ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

    এর আগে গতকাল বুধবার ও তার আগের দিন মঙ্গলবার সোনার দাম কমানো হয়। গত তিন দিনে সোনার দাম কমেছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

    নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম কমে হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা। এর সঙ্গে ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট যুক্ত হবে।

    আজ মূল্যহ্রাসের আগপর্যন্ত দাম ছিল এ রকম: ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা; ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা; ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৪ টাকা; সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ টাকা।

    মূলত বিশ্ববাজারে মূল্যহ্রাসের কারণে সোনার দাম কমানো হয়েছে। গোল্ডপ্রাইস ডটকমের তথ্যানুযায়ী, আজ এ প্রতিবেদন লেখার সময় প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ৪ হাজার ৬১৩ ডলার। আগে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লেও গত ৩০ দিনে সোনার দাম কমেছে ২৩৭ ডলার ৮৯ সেন্ট।

    ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সামগ্রিকভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমেছে। এর কারণ হলো, সোনার দাম এমনিতেই বাড়তি। ২০২৫ সালে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ৭০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

    এদিকে আজ রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা।

    গত জানুয়ারিতে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) সোনার দাম ৫ হাজার ৬০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এর প্রভাবে দেশের বাজারে গত ২৯ জানুয়ারি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। দেশের ইতিহাসে এটাই সোনার সর্বোচ্চ দাম।

  • টানা পঞ্চম লিগ শিরোপা পিএসজির, ইন্টারের ‘ডাবল’

    টানা পঞ্চম লিগ শিরোপা জিততে ড্র যথেষ্ট ছিল। কিন্তু লেঁসের মাঠে গতকাল রাতে পয়েন্ট ভাগাভাগি নয়, পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে পিএসজি। লেঁসকে হারিয়েছে ২-০ গোলে। এ জয়েই লিগ আঁ জয় নিশ্চিত করেছে লুইস এনরিকের দল।

    ৩৩ ম্যাচে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পিএসজি। সমান ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে লেঁস। দুই দলই আর একটি করে ম্যাচ খেলবে। লেঁস তাদের শেষ ম্যাচে জিতলেও ৯ পয়েন্টের এ ব্যবধান ঘোচানো সম্ভব নয়।

    লিগ আঁ থেকে সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ের রেকর্ডটি আগেই গড়েছে পিএসজি। এবার ১৪তম শিরোপা জিতে সেই রেকর্ডই আরও উঁচুতে নিয়ে গেল লুইস এনরিকের দল। স্প্যানিশ কোচ এনরিকে ২০২৩ সালে কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তাঁদের তৃতীয় লিগ শিরোপা। ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ ও লিগজয়ী পিএসজির এ মৌসুমে ‘ট্রেবল’ জয়ের সুযোগও আছে। ৩০ মে বুদাপেস্টে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আর্সেনালের মুখোমুখি হবে এনরিকের দল। ফরাসি ক্লাবটি এই মৌসুমে ফ্রেঞ্চ ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ ও উয়েফা সুপার কাপও জিতেছে।

    ফরাসি ফুটবলে আধিপত্য ধরে রেখেছে পিএসজি। গতকাল রাতে লেঁসের বিপক্ষে জয়ের পর খেলোয়াড়দের উল্লাস
    ফরাসি ফুটবলে আধিপত্য ধরে রেখেছে পিএসজি। গতকাল রাতে লেঁসের বিপক্ষে জয়ের পর খেলোয়াড়দের উল্লাস,এএফপি
     

    পিএসজির জেতা ১৪ লিগ শিরোপার মধ্যে সর্বশেষ ১৪ বছরে এসেছে ১২টি শিরোপা। কাতারি ধনকুবের নাসের আল খেলাইফির মালিকানায় আসার পর এ সাফল্য পেয়েছে পার্ক দে প্রিন্সেসের ক্লাবটি। ২০০২ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত টানা সাতবার লিগ জিতেছে লিঁও। টানা পাঁচবার লিগ জিতে পিএসজি এ তালিকায় দ্বিতীয় সেরা।

    গত সপ্তাহেই লিগ শিরোপা একপ্রকার নিশ্চিত করে রেখেছিল লুইস এনরিকের দল। ব্রেস্তকে ১-০ গোলে হারিয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেঁসের চেয়ে ৬ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। হাতে মাত্র দুই ম্যাচ বাকি থাকা এবং গোল ব্যবধানে যোজন যোজন ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় পিএসজির শিরোপা জয় ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার।

    লেঁসের মাঠে ২৯ মিনিটে গোল করেন পিএসজি উইঙ্গার খিচা কাভারাস্কেইয়া। ৯৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি সেনেগালের ফরোয়ার্ড ইব্রাহিম এমবায়ের। জয়ের পর সম্প্রচারক চ্যানেল বিইন স্পোর্টসকে পিএসজি তারকা উসমান দেম্বেলে বলেন, ‘আমরা জিততে এসেছিলাম। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য ৩০ মের ফাইনালের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করা। আগামী রোববার (প্যারিস এফসির বিপক্ষে) আমাদের আরও একটি ম্যাচ আছে। আমরা এই শিরোপা উদ্‌যাপন করব; কারণ, এখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবেই চ্যাম্পিয়ন।’

    ইতালিয়ান কাপের ট্রফি হাতে ইন্টার মিলানের খেলৈায়াড়রা
    ইতালিয়ান কাপের ট্রফি হাতে ইন্টার মিলানের খেলৈায়াড়রা, এএফপি

    ইন্টার মিলানের ‘ডাবল’

    রোমে গতকাল রাতে লাৎসিওকে ২-০ গোলে হারিয়ে ইতালিয়ান কাপ জিতেছে ইন্টার মিলান। ১৪ মিনিটে লাৎসিও রাইটব্যাক অ্যাডাম মারুসিচের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার। ৩৫ মিনিটে ইন্টারের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার লাওতারো মার্তিনেজ।

    এর আগে ২১তম লিগ জয় নিশ্চিত করে ইন্টার। ২০১০ সালের পর এই প্রথম এক মৌসুমে কাপ ও লিগ জিতল তারা। জোসে মরিনিওর অধীনে ২০১০ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ, সিরি ‘আ’ ও কাপ জিতেছিল ইন্টার।

    জয়ের পর ইন্টারের কোচ ক্রিস্টিয়ান চিভু বলেন, ‘চমৎকার একটি মৌসুমে এই ট্রফিগুলো আমাদের প্রাপ্য ছিল। লিগ ও কাপ—একই সঙ্গে দুটি জেতা সহজ কথা নয়। আমরা দারুণ খুশি।’

  • টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ সুপার এইটের পাঁচ দল নিশ্চিত, বাকিদের সামনে কী হিসাব

    পরশু প্রথম দল হিসেবে সুপার এইট নিশ্চিত করে ‘সি’ গ্রুপের দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেদিনই পাকিস্তানকে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ আটে ওঠে ‘এ’ গ্রুপের ভারত। কাল শেষ আট নিশ্চিত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কারও। সুপার এইটের অন্য তিনটি দল কারা হবে, কোন দলের কেমন সম্ভাবনা, কোন দলকে কী করতে হবে—

    গ্রুপ ‘এ’ পয়েন্ট তালিকা

      ম্যাচ জয় হার পয়েন্ট নে.রা.রে.
    ভারত ৩.০৫০
    যুক্তরাষ্ট্র ০.৭৮৮
    পাকিস্তান -০.৪০৩
    নেদারল্যান্ডস -১.৩৫২
    নামিবিয়া -২.৪৪৩

    ভারত

    হাতে থাকা ম্যাচ: নেদারল্যান্ডস (১৮ ফেব্রুয়ারি)

    সুপার এইট নিশ্চিত।

    পাকিস্তান

    হাতে থাকা ম্যাচ: নামিবিয়া (১৮ ফেব্রুয়ারি)

    নামিবিয়াকে হারালেই সুপার এইটে উঠবে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। হেরে গেলে বাদ পড়তে হবে।

    যুক্তরাষ্ট্র

    হাতে কোনো ম্যাচ নেই।

    পাকিস্তান শেষ ম্যাচে হারলেই টানা দ্বিতীয়বার শেষ আটে উঠে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। নেট রান রেটে এগিয়ে আছে দলটি।

    নেদারল্যান্ডস

    হাতে থাকা ম্যাচ: ভারত (১৮ ফেব্রুয়ারি)

    ভারতকে হারাতেই হবে। এরপর আসবে অন্য হিসাব। নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় সম্ভাবনা কম।

    নামিবিয়া

    হাতে থাকা ম্যাচ: পাকিস্তান (১৮ ফেব্রুয়ারি)

    প্রথম পর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে।

    গ্রুপ ‘বি’ পয়েন্ট তালিকা

      ম্যাচ জয় হার পয়েন্ট নে.রা.রে.
    শ্রীলঙ্কা ২.৪৬২
    জিম্বাবুয়ে ১.৯৮৪
    অস্ট্রেলিয়া ০.৪১৪
    আয়ারল্যান্ড ০.১৫০
    ওমান -৪.৫৪৬

    শ্রীলঙ্কা

    হাতে থাকা ম্যাচ: জিম্বাবুয়ে (১৯ ফেব্রুয়ারি)

    সুপার এইট নিশ্চিত।

    জিম্বাবুয়ে

    হাতে থাকা ম্যাচ: আয়ারল্যান্ড (আজ), শ্রীলঙ্কা (১৯ ফেব্রুয়ারি)

    শেষ দুই ম্যাচের একটিতে জিতলেই সুপার এইট নিশ্চিত হবে জিম্বাবুয়ের। দুই ম্যাচ হারলেও সুযোগ থাকবে।

    অস্ট্রেলিয়া

    হাতে থাকা ম্যাচ: ওমান (২০ ফেব্রুয়ারি)

    ভাগ্য নিজেদের হাতে নেই অস্ট্রেলিয়ার। জিম্বাবুয়ে শেষ দুই ম্যাচের একটিতে জিতলেই বাদ অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ে শেষ দুই ম্যাচ হারলে, শেষ ম্যাচে নেট রান রেটের হিসাব মিলিয়ে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে মিচেল মার্শের দলকে।

    আয়ারল্যান্ড

    হাতে থাকা ম্যাচ: জিম্বাবুয়ে (আজ)

    শেষ ম্যাচে জিতলেও তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচের ফলের দিকে।

    ওমান

    হাতে থাকা ম্যাচ: অস্ট্রেলিয়া (২০ ফেব্রুয়ারি)

    কোনো সুযোগ নেই ওমানের।

    গ্রুপ ‘সি’ পয়েন্ট তালিকা

      ম্যাচ জয় হার পয়েন্ট নে.রা.রে.
    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১.৮২০
    ইংল্যান্ড ০.২০১
    স্কটল্যান্ড ০.৩৫৯
    ইতালি -০.৫৮৮
    নেপাল -১.৯৪২

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    হাতে থাকা ম্যাচ: ইতালি (১৯ ফেব্রুয়ারি)

    সুপার এইট নিশ্চিত হয়ে গেছে।

    ইংল্যান্ড

    হাতে থাকা ম্যাচ: ইতালি (১৬ ফেব্রুয়ারি)

    সুপার এইট নিশ্চিত।

    স্কটল্যান্ড

    হাতে থাকা ম্যাচ: নেপাল (১৭ ফেব্রুয়ারি)

    বাদ পড়ে গেছে।

    ইতালি

    হাতে থাকা ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৯ ফেব্রুয়ারি)

    বাদ পড়ে গেছে।

    নেপাল

    হাতে থাকা ম্যাচ: স্কটল্যান্ড (১৭ ফেব্রুয়ারি)

    নেপাল বাদ পড়ে গেছে।

    গ্রুপ ‘ডি’ পয়েন্ট তালিকা

      ম্যাচ জয় হার পয়েন্ট নে.রা.রে.
    দক্ষিণ আফ্রিকা ১.৪৭৭
    নিউজিল্যান্ড ০.৭০১
    আফগানিস্তান -০.২১৫
    আরব আমিরাত -০.৭৯৭
    কানাডা -১.৫২৬

    দক্ষিণ আফ্রিকা

    হাতে থাকা ম্যাচ: সংযুক্ত আরব আমিরাত (১৮ ফেব্রুয়ারি)

    সুপার এইটে উঠে গেছে।

    নিউজিল্যান্ড

    হাতে থাকা ম্যাচ: কানাডা (১৭ ফেব্রুয়ারি)

    আজ শেষ ম্যাচে কানাডাকে হারালেই সুপার এইটে কিউইরা। না পারলে যদি-কিন্তুর মধ্যে পড়ে যাবে।

    সংযুক্ত আরব আমিরাত

    হাতে থাকা ম্যাচ: দক্ষিণ আফ্রিকা (১৮ ফেব্রুয়ারি)

    নিউজিল্যান্ড কানাডাকে হারালে শেষ ম্যাচ জিতেও সুপার এইটে উঠতে পারবে না আমিরাত।

    আফগানিস্তান

    হাতে থাকা ম্যাচ: কানাডা (১৯ ফেব্রুয়ারি)

    নিউজিল্যান্ড কানাডাকে হারালে শেষ ম্যাচ জিতেও সুপার এইটে উঠতে পারবে না আফগানরা।

    কানাডা

    হাতে থাকা ম্যাচ: নিউজিল্যান্ড (১৭ ফেব্রুয়ারি), আফগানিস্তান (১৯ ফেব্রুয়ারি)

    শেষ দুই ম্যাচ জিততেই হবে। এরপর তাকিয়ে থাকতে হবে আমিরাতের ফলের দিকে।

  • টি-টুয়েন্টি সিরিজ ৩ রানে হেরে ধবলধোলাই বাংলাদেশের মেয়েরা

    ৮৮ রানের লক্ষ্য। তবে সেটি ছুঁতে যদি হাতে থাকে ৯ ওভার, তবে লক্ষ্যটাকে বড় বলতেই হবে। অন্তত বাংলাদেশ নারী দলের জন্য লক্ষ্যটা বড় তো বটেই। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে কখনোই ১৫০ রানের বেশি লক্ষ্য ছুঁতে না পারা বাংলাদেশ সিলেটে আজ ৮৮ রানের লক্ষ্যটাও ছুঁতে পারেনি।

    আশা জাগিয়েও আজ ৩ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। শেষ ২ বলে ৬ রানের সমীকরণ মেলাতে না পেরেই তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে নিগার সুলতানার দল। বৃষ্টিতে দেরিতে শুরু হয়ে ৯ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে শ্রীলঙ্কা করেছিল ৬ উইকেটে ৮৭ রান। রান তাড়ায় সমান ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ থেমেছে ৮৪ রানে।

    আজকের হারের গল্পটাও আগের দুই ম্যাচের মতোই। প্রথম দুই ম্যাচেও রান তাড়া করতে হয়েছিল নিগারদের। ওই দুই ম্যাচেই ওপেনাররা ভালো শুরু এনে দেওয়ার পরও মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতায় ২৫ ও ২১ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

    আগের দুুই ম্যাচের মতো শেষ ম্যাচেও মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতায় হেরেছে বাংলাদেশ নারী দল
    আগের দুুই ম্যাচের মতো শেষ ম্যাচেও মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতায় হেরেছে বাংলাদেশ নারী দল, বিসিবি

    আজ অবশ্য জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও দিলারা আক্তারের উদ্বোধনী জুটি ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি। ১.২ ওভারে ১৩ রান তোলার পর দিলারার বিদায়ে ভাঙে জুটি। জুয়াইরিয়া ও সোবহানা মোস্তারির দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ। ২০ বলে ৩০ রান যোগ করার পর জুয়াইরিয়ার (১১ বলে ১৫) বিদায়ে ভাঙে জুটি।

    এরপর পুরোনো গল্পের পুনরাবৃত্তি। ষষ্ঠ ওভারে সোবহানা (১৫ বলে ২১ রান) যখন ফিরলেন ২০ বলে বাংলাদেশের দরকার ৩২ রান। এরপর স্বর্ণা আক্তার ও রিতু মণিও ফিরে যাওয়ার পর শেষ ওভারে ১৪ রানের সমীকরণ নিয়ে শুরু করে বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের ভরসা হয়ে টিকে থাকা অধিনায়ক নিগার চামারি আতাপাত্তুর করা ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মারতে গিয়ে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন। সুলতানা খাতুন পরের তিন বলে ২টি ডাবলস ও ১টি চার মেরে জয়টাকে হাতের কাছে নিয়ে আসেন। কিন্তু আতাপাত্তুর অভিজ্ঞতার কাছেই হার মানতে হয়। পঞ্চম বলে মাত্র ১টি রানই নিতে পারেন সুলতানা। শেষ বলে ৫ রান দরকার, শারমিন সুলতানা নিতে পারলেন মাত্র ১ রানই।

    ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও সিরিজ শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু
    ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও সিরিজ শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু, ছবি: টুইটার
     

    ১৫ রানে ২ উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার সেরা বোলার আতাপাত্তু বল হাতেও ছিলেন দলের সেরা। ব্যাটিং উদ্বোধন করে ২৭ বলে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন মেয়েদের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই খেলোয়াড়।

    বাংলাদেশের অফ স্পিনার সুলতানা খাতুন ২ ওভারে ৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    শ্রীলঙ্কা: ৯ ওভারে ৮৭/৬ (আতাপাত্তু ৪১, দুলানি ১৯, দিলহারি ১৫; সুলতানা ৩/৮, সানজিদা ১/১৬)।
    বাংলাদেশ: ৯ ওভারে ৮৪/৬ (সোবহানা ২১, জুয়াইরিয়া ১৫, নিগার ১৩; আতাপাত্তু ২/১৫, সুগান্দিকা ২/২২)।
    ফল: শ্রীলঙ্কা ৩ রানে জয়ী।
    সিরিজ: ৩-ম্যাচ সিরিজে শ্রীলঙ্কা ৩-০-তে জয়ী।
    প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ও সিরিজ: চামারি আতাপাত্তু।
  • টি-ব্যাগের ছোঁয়ায় আর্সেনিকমুক্ত হবে পানি

    পৃথিবীর বুকে মানুষের বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় উপাদান হলো বিশুদ্ধ পানি। কিন্তু এই পানির বুকেই যখন বিষাক্ত আর্সেনিক লুকিয়ে থাকে, তখন তা মানব সভ্যতার জন্য এক নীরব মহাবিপর্যয় ডেকে আনে। বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০ কোটিরও বেশি মানুষ বর্তমানে আর্সেনিকযুক্ত দূষিত পানি পানের মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছেন। বড় বড় আধুনিক পানি শোধনাগারগুলো পানি থেকে আর্সেনিক দূর করতে পারলেও, দরিদ্র ও অনুন্নত অঞ্চল কিংবা প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ নলকূপের পানিতে আর্সেনিক বিষক্রিয়ার সমস্যা থেকেই যায়। এবার বিশেষ ধরনের টি-ব্যাগের মাধ্যমে পানি থেকে ৯০ শতাংশেরও বেশি আর্সেনিক সফলভাবে দূর করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভিক টান নামের এক শিক্ষার্থী। যুক্তরাষ্ট্রের কেমিক্যাল সোসাইটির বিজ্ঞান সাময়িকী এসিএস ওমেগাতে প্রকাশিত এই গবেষণা ফলাফলে এসব তথ্য জানা গেছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানুষের পানের জন্য প্রতি লিটার পানিতে সর্বোচ্চ ১০ মাইক্রোগ্রাম আর্সেনিকের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু মাটির নিচের খনিজ থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে কিংবা খনি খননের মতো মানবিক কর্মকাণ্ডের কারণে ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা এই সীমার চেয়ে অনেক বেশি থাকে। সাধারণত এই বিষ দূর করতে রিভার্স অসমোসিসের মতো অত্যন্ত উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন ও ব্যয়বহুল ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো যেসব অঞ্চলে বড় বড় পানি শোধনাগার নেই, সেখানে আর্সেনিকের প্রকোপ অনেক বেশি। এর ফলে লাখ লাখ মানুষ আর্সেনিক বিষক্রিয়ায় ভুগছেন এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্যানসার ও শিশুদের মানসিক বিকাশের মতো নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই চরম বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে বিজ্ঞানী অ্যাডাম ব্রাউনশগের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানীর সঙ্গে কাজ করার সময় ভিক টান আর্সেনিক দূর করার সহজ একটি পদ্ধতির কথা জানান, যা মূলত এক কাপ চা বানানোর মতোই সহজ।

    নিজের এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের বিষয়ে ভিক টান বলেন, বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার বিষয়টি কোনো দামি বা বড় অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। আমাদের এই গবেষণা প্রমাণ করে খুব সাধারণ এবং কম খরচের উপাদানগুলোকেও বৈজ্ঞানিক উপায়ে উন্নত করে পানি থেকে আর্সেনিক দূর করার মতো বড় ও মাপযোগ্য সমাধানে রূপ দেওয়া সম্ভব। এটি বিশ্বের অন্যতম জরুরি জনস্বাস্থ্য সংকটের একটি সহজ সমাধান।

    বিজ্ঞানীরা আগেই আবিষ্কার করেছিলেন, চা তৈরির প্রক্রিয়া চলাকালীন পানির ভেতরে থাকা আর্সেনিকের মতো ভারী ধাতুগুলো স্বাভাবিকভাবেই টি-ব্যাগের গায়ে আটকে যায়। এই ধারণাকে কাজে লাগিয়ে ভিক টান এবং অন্য বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে আর্সেনিক শুষে নেওয়ার উপযোগী একটি টি-ব্যাগের নকশা করেন। এরপর তাঁরা চুম্বকীয় আয়রন অক্সাইড ন্যানোকণা এবং গুঁড়া করা ডিমের খোসা দিয়ে পূর্ণ করেন টি-ব্যাগটি। বিজ্ঞানীদের মতে, এই দুটি উপাদানই পানি থেকে আর্সেনিক শুষে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। ফলাফল ছিল অত্যন্ত চমকপ্রদ। মাত্র একটি টি-ব্যাগ পানি থেকে অন্তত ৯০ শতাংশ আর্সেনিক আয়রন দূর করতে পেরেছে। ৬ ঘণ্টার একটি বিশেষ পরীক্ষায় দেখা গেছে, এটি ৫০ মিলিলিটার দূষিত পানি থেকে ৯৮ শতাংশের বেশি আর্সেনিক টেনে নিয়েছে।

    বাংলাদেশের নলকূপে পাওয়া আর্সেনিকযুক্ত পানির নমুনার মতো তৈরি একটি বিশেষ মিশ্রণে টি–ব্যাগটির পরীক্ষা করেছেন বিজ্ঞানীরা। দেখা গেছে, টি-ব্যাগটি পানির আর্সেনিককে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত নিরাপদ সীমার চেয়েও নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। একটি ব্যবহৃত টি-ব্যাগ ফেলে না দিয়ে সেটিকে আবার পরিষ্কার করে, ক্ষারীয় দ্রবণে ধুয়ে ও শুকিয়ে নিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচবার পর্যন্ত পুনরায় ব্যবহার করা যায়। তবে প্রতিবার ব্যবহারের পর এর আর্সেনিক দূর করার ক্ষমতা প্রায় ২০ শতাংশ করে কমতে থাকে। এই টি-ব্যাগের সাহায্যে মাত্র এক লিটার পানি সম্পূর্ণ আর্সেনিকমুক্ত করতে খরচ হয় মাত্র ৭ সেন্ট। এটি রিভার্স অসমোসিসের মতো দামি প্রযুক্তির তুলনায় অনেক কম সাশ্রয়ী।

    বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই কাজ একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সমস্যার নতুন এবং সহজ সমাধান প্রদর্শন করে। তাদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য হলো এই উদ্ভাবনকে আরও উন্নত করে দ্রুত সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়া।  বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম আর্সেনিকপ্রবণ অঞ্চল। ডিমের খোসা এবং আয়রন অক্সাইডের মতো সহজলভ্য উপাদান দিয়ে তৈরি এই টি-ব্যাগ প্রযুক্তি যদি এ দেশের গ্রামীণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তবে খুব সহজেই ঘরে ঘরে প্রতিদিনের খাবার পানিকে শতভাগ নিরাপদ করা সম্ভব হবে।

    সূত্র: ফিজিস

    জাহিদ হোসাইন খান

  • টিকার বয়সের আগেই হাম হচ্ছে শিশুদের, এই বয়সী শিশুর সুরক্ষায় কী করবেন

    হামের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয় শিশুর ৯ মাস পূর্ণ হওয়ার পর। সাম্প্রতিক সময়ে ৯ মাসের কম বয়সী শিশুরও হাম হচ্ছে। তাতে আতঙ্ক আরও বাড়ছে। এই ছোট্ট শিশুদের সুরক্ষায় কী করা উচিত, সে সম্পর্কে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাকলী হালদার এবং মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশুবিশেষজ্ঞ, সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসনুভা খান-এর সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছেন রাফিয়া আলম

    সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের সব শিশুকে হামের টিকার দুটি ডোজ দেওয়া হয়ে থাকে। ৯ মাস বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে সাধারণত এ টিকা দেওয়া হয় না। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয় ১৫ মাস বয়সে।

    খুব কম বয়সী শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও কম থাকে। এই বয়সে হামের মতো জীবাণুর সংক্রমণে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই সতর্কতার বিকল্প নেই।

    কেন ৯ মাসের আগে হামের টিকা দেওয়া হয় না

    একজন মানুষ হামের টিকা নিয়ে থাকলে কিংবা কখনো হামের জীবাণু দিয়ে সংক্রমিত হয়ে থাকলে তাঁর দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। এই অ্যান্টিবডি হামের জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। একজন নারীর দেহে এই অ্যান্টিবডি থেকে থাকলে তাঁর গর্ভে আসা সন্তানের দেহেও এই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।

    জন্মের পর বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত এই অ্যান্টিবডি ওই শিশুকে হামের জীবাণু থেকে সুরক্ষিত রাখে। কিন্তু এই সময়ে শিশুকে যদি হামের টিকা দেওয়া হয়, তাহলে মায়ের থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডির কারণে টিকা আর কার্যকর হবে না। অর্থাৎ পরবর্তী জীবনে শিশুটি হামের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণেই এই টিকা দেওয়া হয় ৯ মাস পূর্ণ হওয়ার পর।

    তবে সংক্রমণ হতে পারে

    যখন কোনো এলাকায় হামের জীবাণুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, তখন ৯ মাসের কম বয়সী কিছু শিশুও হামে আক্রান্ত হতে পারে। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকে—

    • প্রতিটি শিশুর মা যে হামের টিকার সব কটি ডোজ পেয়েছেন কিংবা হামের জীবাণু দিয়ে কখনো সংক্রমিত হয়েছেন, তা নয়। তাই সব মায়ের দেহে অ্যান্টিবডি থাকে না। তা ছাড়া টিকা দেওয়া হলেও সবার দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি না-ও হতে পারে। তাই মায়ের কাছ থেকে সব শিশু অ্যান্টিবডি না-ও পেতে পারে।

    • সব শিশুর দেহেই যে একই বয়স পর্যন্ত তার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডি রয়ে যাবে, তা–ও শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায় না।

    • ভিটামিন এ–এর ঘাটতি হলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অনেক কমে যায়। পুষ্টিহীনতায় ভোগা এবং নির্দেশনা অনুযায়ী ভিটামিন এ ক্যাপসুল না খাওয়ানোর কারণে হামসহ বিভিন্ন জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    যেভাবে সুরক্ষিত থাকবে ছোট্ট শিশু

    শিশুর বয়স অনুযায়ী ডোজ হিসাব করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাইয়ে নেওয়া ভালো
    শিশুর বয়স অনুযায়ী ডোজ হিসাব করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাইয়ে নেওয়া ভালোছবি: সাজিদ হোসেন

    ৯ মাসের কম বয়সী শিশুকে এই বিপর্যয়ের সময় সুরক্ষিত রাখতে খেয়াল রাখুন এসব বিষয়—

    • শিশু ও শিশুর ব্যবহার্য সামগ্রী স্পর্শ করার আগে দুই হাত সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।

    • খুব প্রয়োজন না হলে শিশুকে বাসার বাইরে নেবেন না।

    • বাসার কারও জ্বর বা র‍্যাশ হলে তাকে আলাদা ঘরে রাখুন। বিশেষ প্রয়োজনে শিশুর ঘরে যেতে হলে ওই ব্যক্তিকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

    • নিয়মমাফিক মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। ছয় মাস বয়স পূর্ণ হলে ভিটামিন এ–সমৃদ্ধ খাবারসহ অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার শুরু করতে হবে।

    • শিশুর বয়স অনুযায়ী ডোজ হিসাব করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাইয়ে নেওয়া ভালো। এ ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

     

    টিকাও প্রয়োজন হতে পারে

    সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের শিশুদের টিকা দেওয়া হয়
    সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের শিশুদের টিকা দেওয়া হয়ছবি: মং হাই সিং মারমা
    • এলাকায় সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় ৯ মাস বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার প্রয়োজন হলে জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা ওই এলাকার বাসিন্দাদের সেই পরামর্শও দেবেন।

    • যেসব নারীর গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে, তাঁদের যদি হামের টিকার দুটি ডোজ নেওয়া হয়ে না থাকে কিংবা কখনো হাম হওয়ার ইতিহাস না থাকে, তাহলে তাঁদের হামের টিকা নেওয়া প্রয়োজন। টিকা নেওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে, সময় নিয়ে পরিকল্পনা করে গর্ভধারণ করলে শিশু নিরাপদ থাকবে।

    উপসর্গ দেখা দিলে কী করবেন

    হামের উপসর্গ দেখা দিলে ওই শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখুন। দ্রুততম সময়ে একজন শিশুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, প্যারাসিটামলের মতো সাধারণ ওষুধও ডোজ না জেনে ছোট শিশুকে সেবন করানোর সুযোগ নেই। মায়ের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করবেন না।

    ডায়রিয়া, বারবার বমি হওয়া, কান পাকা (কান থেকে পুঁজ বা পানি পড়া), শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে হাসপাতালে নিতে দেরি করবেন না।

  • টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

    গত টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলার সিদ্ধান্ত তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ কে এম অলি উল্যাকে।

    কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব অংগ্যজাই মারমা স্বাক্ষরিত এক নোটিশে কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র প্রথম আলোকে কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার
    জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার
     

    এ বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হয়েছে সর্বশেষ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে আইসিসির কাছে টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল বিসিবি। তবে আইসিসি সে অনুরোধ না রাখায় বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। পরে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও বলেন, নিরাপত্তার কথা ভেবে এটা ছিল সরকারের সিদ্ধান্ত।

    এর আগে কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হুমকির মুখে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাদের ওই সিদ্ধান্তের পরই ভারতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা ও বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের বোর্ড, তবে সেটি বিবেচনায় নেয়নি আইসিসি।

    গত মার্চে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ঘটনা তদন্তের কথা জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও করা হলো।

  • টেঙাভাঙা গীদ

    চাকমা রাজার সৌজন্যে চাকমা রাজবাড়িতে বিভিন্ন দেশের রাস্ট্রদূত, মং রাজা ও পার্বত্যমন্ত্রীকে নৈশভোজ অনুষ্ঠানে চাকমা মারমা তঞ্চঙ্গ্যা জাতির ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উপকৃরণ পরিবেশন করা হয়। টেঙাভাঙা গীদ পরিবেশন করেন অনন্ত রঞ্জন চাকমা ও পার্কি চাকমা। প্রযোজনা- চাকমা রীদি সুদোম যদা

  • টেস্ট সিরিজ খেলতে ঢাকায় পৌঁছালো পাকিস্তান ক্রিকেট দল

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৫-২৭ চক্রের অংশ হিসেবে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল।

    রোববার (৩ মে) সকালে দলের প্রথম বহর ঢাকায় পা রেখেছে। শাহিন শাহ আফ্রিদি ও সালমান আলী আগার মতো তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে গড়া প্রথম বহরটি এখন রাজধানীতে। তবে প্রথম ভাগে দলের সাথে দেখা যায়নি বাবর আজমকে।

    পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) আজ ফাইনাল থাকায় দলের বেশ কিছু সিনিয়র সদস্য এবং বাবর আজম প্রথম ভাগে আসতে পারেননি। পিএসএলের ব্যস্ততা শেষ করে দ্বিতীয় দফায় তাদের বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

    পিসিবি ঘোষিত ১৬ সদস্যের স্কোয়াডে এবার বড় চমক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন চারজন নতুন মুখ। অধিনায়ক শান মাসুদের নেতৃত্বে দলে প্রথমবার সুযোগ পেয়েছেন আবদুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস এবং মুহাম্মদ গাজী ঘোরি।

    ১৬ সদস্যের পাকিস্তান স্কোয়াড: শান মাসুদ (অধিনায়ক), আবদুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস, বাবর আজম, হাসান আলী, ইমাম-উল-হক, খুররম শহজাদ, মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মুহাম্মদ গাজী ঘোরি, নোমান আলী, সাজিদ খান, সালমান আলী আগা, সৌদ শাকিল ও শাহীন শাহ আফ্রিদি।

    উল্লেখ্য, দুই ম্যাচের এই সিরিজটি মিরপুর ও সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে। ৮ মে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। এরপর ১৬ মে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দ'দল।

     

  • ট্রাম্পবিরোধী সমাবেশে অস্কারজয়ী অভিনেত্রী বললেন, ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ান’

    যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প–সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেন ফন্ডা। গত শুক্রবার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফরমিং আর্টসের  সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান—‘নীরবতা ভাঙুন’ এবং ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান’।

    শুক্রবার বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ার মধ্যেও শতাধিক সাংবাদিক, শিল্পী ও লেখক এই সমাবেশে অংশ নেন। জেন ফন্ডার নেতৃত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উঠে আসে বই নিষিদ্ধ করা, রাজনৈতিক সেন্সরশিপ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নানা হুমকির অভিযোগ।

    শিল্প ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ
    সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ফন্ডা বলেন, দেশে বই নিষিদ্ধ করা হচ্ছে, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর স্মারক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে এবং শিল্প–সংস্কৃতির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থায়ন কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    ফন্ডা অভিযোগ করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় এসব প্রবণতা আরও তীব্র হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘শিল্পের এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রটি এখন এমন কিছুর প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা পুরো দেশে ঘটছে।’

    জেন ফন্ডা। রয়টার্স

    কেন কেনেডি সেন্টারকে ঘিরে প্রতিবাদ
    এই সমাবেশের স্থান হিসেবে কেনেডি সেন্টার বেছে নেওয়া ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। অভিযোগ রয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এই জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ‘অপছন্দনীয়’ বা তথাকথিত প্রগতিশীল কর্মসূচিগুলো সীমিত করার চেষ্টা করছে।

    ফন্ডা বলেন, শিল্পীরা আদর্শিক চাপের কাছে নতিস্বীকার না করায় প্রতিষ্ঠানটি কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। এমনকি সংস্কারের অজুহাতে এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ রাখার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    গণমাধ্যম ও করপোরেট প্রভাব
    সমাবেশে উপস্থিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক চাপ ও করপোরেট মালিকানার প্রভাবে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    বক্তারা বলেন, বড় বড় করপোরেশন গণমাধ্যম কিনে নিয়ে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চাইছে, যার ফলে ভিন্নমত বা সমালোচনার জায়গা সংকুচিত হচ্ছে।

    বই নিষিদ্ধ ও সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণ
    লেখক ও শিল্পীরা অভিযোগ করেন, শত শত বই স্কুল লাইব্রেরি থেকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এতে তরুণ প্রজন্মের চিন্তার স্বাধীনতা সীমিত হয়ে পড়ছে।
    একজন লেখক প্রশ্ন তোলেন, ‘যে বইগুলো সরানো হচ্ছে, সেগুলো কি সত্যিই বিপজ্জনক—নাকি আমরা ভিন্নমতের ভয় পাচ্ছি?’

    ইতিহাসের প্রতিধ্বনি

    সমাবেশে ইতিহাসের উদাহরণও তুলে ধরা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৫০-এর দশকের ম্যাককার্থিজমের সময় যেমন শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তার তুলনা টানেন বক্তারা।
    তাঁদের মতে, শিল্প ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রবণতার অংশ।

    শেষ বার্তা
    সমাবেশের শেষে জেন ফন্ডা সতর্ক করে বলেন, যদি মানুষ এখনই প্রতিরোধ গড়ে না তোলে, তাহলে ভবিষ্যতে সংবাদমাধ্যম আরও নিয়ন্ত্রিত হবে, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে সেন্সরশিপ বাড়বে এবং সমাজে মুক্তচিন্তার জায়গা সংকুচিত হবে।
    তাঁর কথায়, ‘ভয় ছড়িয়ে পড়লে নীরবতা তৈরি হয়। আর সেই নীরবতাই সবচেয়ে বড় বিপদ। এখনই সময় কথা বলার।’

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব