• গাজায় রাফা সীমান্ত খুলে দিল ইসরায়েল

    গাজা ও মিসরের মধ্যকার সীমান্ত পারাপারের জন্য রাফা ক্রসিং খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল রোববার ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়। তবে এটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে চালু করা হয়েছে এবং শুধু ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

    ফিলিস্তিনি বেসামরিক বিষয়গুলো সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট জানিয়েছে, ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং রাজনৈতিক স্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার থেকে রাফা সীমান্ত সীমিত আকারে শুধু বাসিন্দাদের যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।’

    সংস্থাটি আরও বলেছে, রাফা সীমান্ত খুলে দেওয়ার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু হয়েছে। প্রক্রিয়াটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্ডার অ্যাসিস্ট্যান্স মিশন, মিসর এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

    কোগাট আরও উল্লেখ করেছে, সীমান্তটি পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এখন প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো সম্পন্ন করছে। সংস্থাটি যোগ করেছে, এই প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর উভয় দিক থেকে বাসিন্দাদের প্রকৃত যাতায়াত শুরু হবে। আপাতত প্রতিদিন এ ক্রসিং দিয়ে দেড় শ জন গাজা ছাড়তে পারবেন, আর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ফিরতে পারবেন ৫০ জনের মতো।

    এএফপি,জেরুজালেম

  • গানে গানেই টেইলর সুইফট এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী

    ২ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সম্পদ নিয়ে অফিশিয়ালি টেইলর সুইফটই এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী। সংগীত ও লাইভ পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই তাঁর এই অর্জন।

    [caption id="attachment_269545" align="alignnone" width="707"] টেইলর সুইফট[/caption]

    মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফটের মোট সম্পদের পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এটা তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করেছে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী হিসেবে। মার্কিন বিজনেস ও লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন ফোর্বস–এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আর নারী-পুরুষের সম্মিলিত তালিকাতেও টেইলরের আগে শুধু মার্কিন পপ তারকা জে-জি আছেন।

    তাঁর এই বিপুল আয়ের নেপথ্যে আছে তাঁর ইরাস ট্যুর
     
    তাঁর এই বিপুল আয়ের নেপথ্যে আছে তাঁর ইরাস ট্যুর
    এই বিপুল আয়ের নেপথ্যে আছে তাঁর ইরাস ট্যুর। বিশ্বজুড়ে ইরাস ট্যুরের অভাবনীয় সাফল্যগাথা ইতিমধ্যে সবারই জানা। টেইলরের লাখ লাখ ভক্তদের আকৃষ্ট করেছে এই ট্যুর। ফলে কোটি কোটি টিকিট বিক্রি হয়েছে। ট্যুরের অভূতপূর্ব সাফল্য তাঁকে শুধু আয়ের দিক থেকে নয়, বরং সংগীত ও বিনোদন জগতের প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।  

    ২০২৩-এর অক্টোবরে বিলিয়নিয়ার ক্লাবে যোগ দিয়েছিলেন এই তরুণ পপ তারকা। আর ইতিহাসে তিনিই একমাত্র সংগীতশিল্পী, যিনি কেবল অ্যালবাম বিক্রি ও লাইভ শো করে এই ১০ অঙ্কের সম্পদ অর্জন করেছেন। অন্যদের বেলায় তাঁদের সম্পদের উৎস বহুমুখী। তাই টেইলর সুইফটের এই অর্জন অনন্য।  

    শুধু হান গেয়েই ২০০ কোটি ডলার
     
    শুধু হান গেয়েই ২০০ কোটি ডলার

    সংগীত ক্যাটালগের মালিকানা, রয়্যালটি, পুনঃ রেকর্ড করা অ্যালবাম ও স্ট্রিমিং থেকে আয়ের পাশাপাশি মার্চেন্ডাইজ বিক্রিও তাঁর অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করেছে। এ ছাড়া স্থাবর সম্পদ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ থেকেও নিয়মিত আয় করছেন টেইলর।

    বিশ্বব্যাপী প্রভাব, রেকর্ড ভাঙা কনসার্ট ও ‘সুইফটোনমিক্স’ সব মিলিয়ে টেইলর সুইফট বর্তমানে বিনোদনজগতের শক্তিশালী, প্রভাবশালী এবং স্টাইলিশ নারী শিল্পী।

    ছবি: ইন্সটাগ্রাম

  • গার্ডিয়ানের খবর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি ভারতের অলিম্পিক আয়োজক হওয়ার পথে বাধা হতে পারে

    বাংলাদেশের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া ভারতের ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজক হওয়ার প্রচেষ্টায় প্রভাব ফেলতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, খেলাধুলায় রাজনীতির অনুপ্রবেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কড়া মনোভাবই ভারতের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে রূপ নেয়। ভারতে নিরাপত্তাশঙ্কায় টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার কথা জানিয়ে ৪ জানুয়ারি আইসিসিকে ভেন্যু বদলের অনুরোধ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২১ জানুয়ারি বোর্ডসভার পর আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে পূর্বসূচি অনুযায়ী ভারতেই খেলতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় তাদের বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কা।

    গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে ভারতেই খেলার কথা বলার সিদ্ধান্তটি আইসিসির। তবে এ বিষয়ে বিসিসিআইয়েরও হাত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর না করতে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে আইসিসিতে তদবির করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে লেখা হয়, ‘আইসিসি কাগজে-কলমে স্বাধীন হলেও ভারতের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইতিহাস তাদের পুরোনো। ২০২৪ বিশ্বকাপে আর্থিক ও সম্প্রচার স্বত্বের খাতিরে ভারতকে গায়ানায় সেমিফাইনাল খেলার আগাম নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়।’

    দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি সদর দপ্তর
    দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি সদর দপ্তর, আইসিসি
     

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়, বিসিসিআই আইসিসিতে অনেক প্রভাবশালী এবং ভারত সরকারের সঙ্গেও তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ আগে বিসিসিআইয়ের সচিব ছিলেন; তাঁর বাবা অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এমনকি আইসিসির বর্তমান প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্তা আগে জিও-স্টারের স্পোর্টস প্রধান ছিলেন, যে প্রতিষ্ঠানটি ভারতে আইসিসির সব ইভেন্টের একচেটিয়া সম্প্রচারের স্বত্বাধিকারী।

    গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজে সময়ে এই রাজনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে ভারত। গত মাসে দিল্লির ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এখন ভারতের পাখির চোখ ২০৩৬ সালের আহমেদাবাদ অলিম্পিক। যেখানে তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কাতার।

    আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতি সহনশীলতা আইসিসির চেয়ে কম। গার্ডিয়ানকে আইওসির একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্য দেশগুলো বয়কট করতে পারে, এমন কোনো ঝুঁকি থাকলে ভারতকে গেমস আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়াটা আইওসির জন্য প্রায় ‘অকল্পনীয়’। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী, ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে চলতে হয় এবং অলিম্পিক চলাকালীন যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতপ্রকাশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

    আইওসির এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রমাণ গত অক্টোবরেই পাওয়া গেছে। জাকার্তায় বিশ্ব জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ইসরায়েলি দলকে ভিসা দিতে অস্বীকার করায় ইন্দোনেশিয়াকে অলিম্পিক আয়োজনের দৌড় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়াও ২০৩৬ অলিম্পিকের আয়োজক হতে চেয়েছিল, কিন্তু শুরুতেই তারা হোঁচট খেল।

    সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত আইওসির সদরদপ্তর
    সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত আইওসির সদরদপ্তর, রয়টার্স
     

    ১৯০০ সালের পর ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট। ২০৩২ ব্রিসবেন আসরেও এটি থাকছে। অলিম্পিকে ক্রিকেটকে ফেরানো হয়েছে মূলত ভারতের বিশাল বাজার ধরার জন্যই। তবে সেটা যেকোনো মূল্যে নয়।

    এবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে। ভারত গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের ম্যাচগুলো পাকিস্তানে না খেলে দুবাইয়ে খেলেছে। কারণ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ম্যাচ খেলতে বিসিসিআই পাকিস্তানে দল পাঠাতে রাজি না হওয়ার পর আইসিসি, পিসিবি ও বিসিসিআইয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়। সেখানে ঠিক করা হয়, টুর্নামেন্টে ভারতের ম্যাচগুলো হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। একই সঙ্গে বলা হয়, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে আইসিসি ইভেন্টে ভারত–পাকিস্তানের সব ম্যাচই হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। বর্তমানে দুই প্রতিবেশী দেশ আর দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও খেলে না।

    গার্ডিয়ানকে আইওসির ওই সূত্র আরও বলেছে, অলিম্পিক আয়োজনের যোগ্য আয়োজক হিসেবে বিবেচিত হতে চাইলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির শক্ত প্রমাণ দেখাতে হবে ভারতকে।

  • গুচ্ছের এ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৩০%, প্রথম তৌকির সিদ্দিকী ইশতি

    গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের এ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় পাসের হার ৩০ শতাংশ। এ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন ঢাকার মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী তৌকির সিদ্দিকী ইশতি।

    আজ বুধবার সকালে ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মনজুরুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

    প্রকাশিত ফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ ইউনিটে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ (১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন) শিক্ষার্থী।

    পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পাস নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩০ শতাংশ (৩৮ হাজার ৮৮ জন) শিক্ষার্থী। অপর দিকে ৩০ নম্বরের নিচে পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৬৯ দশমিক ৫০ শতাংশ (৮৭ হাজার ৭৪০ জন) শিক্ষার্থী। এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে (বহিষ্কার, রোল, সেট ও শনাক্তকরণ ত্রুটি) ১১০ জনের ফল বাতিল করা হয়েছে।

    ফলে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ৮৭ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন তৌকির সিদ্দিকী ইশতি। এ ছাড়া এ বছর সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর মাইনাস ১৪ দশমিক ২৫।

    অন্যদিকে এ ইউনিটের আর্কিটেকচার বিষয়ের ফলেও দেখা গেছে তুলনামূলক কম পাসের হার। এ বিভাগে মোট ৩ হাজার ৫৬১ শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১ হাজার ৫৪৬ (৪২ দশমিক ৯০ শতাংশ) শিক্ষার্থী।

    আর্কিটেকচারে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৯ শতাংশ (১৪০ জন) শিক্ষার্থী। বিপরীতে ৩০ নম্বরের নিচে পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৯০ দশমিক ৫০ শতাংশ (১ হাজার ৪০৫ জন) শিক্ষার্থী। এ ছাড়া এক পরীক্ষার্থীর ফল বাতিল করা হয়েছে।

    আর্কিটেকচার পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৫০ (রোল: ১৪৪০৮৬) এবং সর্বনিম্ন নম্বর শূন্য।

    শিক্ষার্থীরা জিএসটি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজস্ব ফল দেখতে পারবেন। পরবর্তী নির্দেশনা ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভর্তি পরীক্ষা কমিটি।

    অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, আজ এ ইউনিটের মাধ্যমে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল শেষ হয়েছে। এরপর ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু। তবে ভর্তিপ্রক্রিয়ার আগে ভর্তি–ইচ্ছুকদের কয়েক দিন ফলাফল রিভিউ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

    রবিউল আলম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

  • গোল, পেনাল্টি হজম এবং দুয়ো—প্রত্যাবর্তনে মিশ্র অভিজ্ঞতা হোয়াইটের

    চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপের নকআউটে ইংল্যান্ড দল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন বেন হোয়াইট। তখন এ নিয়ে বেশ হইচই হলেও ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) জানায়, ‘ব্যক্তিগত কারণে’ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হোয়াইট।

    পরে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে জানা যায়, হোয়াইটের জাতীয় দল ছেড়ে চলে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে ইংল্যান্ডের সহকারী কোচ স্টিভ হল্যান্ডের সঙ্গে বাদানুবাদ।

    ইংল্যান্ডের তখনকার কোচ গ্যারেথ সাউথগেট যদিও ব্যাপারটা সব সময়ই অস্বীকার করে এসেছেন। ২০২৪ সালে তিনি দাবি করেন, হোয়াইট ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খেলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

    সাউথগেটের জায়গায় গত বছরের জানুয়ারিতে স্থলাভিষিক্ত হন টমাস টুখেল। ইংল্যান্ড কোচের দায়িত্ব নিয়ে এই ডিফেন্ডারকে জাতীয় দলে ‘দ্বিতীয় সুযোগ’ দেওয়ার পক্ষে ছিলেন টুখেল। শেষ পর্যন্ত সে সুযোগ গতকাল রাতে ওয়েম্বলিতে উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে পেলেন হোয়াইট। কিন্তু ইংল্যান্ডের সমর্থকেরা হোয়াইটকে সম্ভবত সহজে ক্ষমা করতে পারেননি।

    ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে হোয়াইট এর আগে সর্বশেষ মাঠে নামেন ২০২২ সালের মার্চে। সে বছর বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ডাক পান। চার বছর পর জাতীয় দলের হয়ে তাঁর মাঠে নামার এ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে ইংল্যান্ড। ৬৯ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে ২০ মিনিটের একটু বেশি সময় মাঠে ছিলেন হোয়াইট। খুব অল্প এ সময়টুকু বেশ ঘটনাবহুল। ৮১ মিনিটে ইংল্যান্ড গোল পায় তাঁর কাছ থেকে।

    যেভাবে গোল করেছেন  হোয়াইট
    যেভাবে গোল করেছেন হোয়াইটএএফপি

    দেশের হয়ে ৫ ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথম গোল পাওয়ার পর স্টেডিয়ামের স্পিকারে তাঁর নাম উচ্চারিত হতেই দুয়োতে ফেটে পড়ে গ্যালারি। বদলি হিসেবে মাঠে নামার সময়ও একইভাবে হোয়াইটের প্রত্যাবর্তনকে বরণ করে ইংলিশ গ্যালারি।

    ব্যাপারটা আরও নির্মম হয়ে ওঠে ম্যাচের যোগ করা সময়ে হোয়াইটের কারণে ইংল্যান্ড পেনাল্টি হজম করার পর। ফেদেরিকো ভালভের্দে স্পটকিক থেকে উরুগুয়েকে সমতায় ফেরানোয় সেই রাগটাও হোয়াইটের ওপর ঝেড়েছেন ইংল্যান্ডের সমর্থকেরা।

    ম্যাচ শেষে কোচ টমাস টুখেল এ নিয়ে কিছুটা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আগেও এখানে কিছু খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেছে, যা সত্যিই দুঃখজনক। কারণ, এতে কারও কোনো লাভ হয় না। দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র।’ হোয়াইটের গোলটি নিয়ে টুখেল যোগ করেন, ‘যখন “জয়সূচক” গোলটি করল, মনে হচ্ছিল সব বুঝি ঠিক হয়ে গেল। যদিও শেষ পর্যন্ত সেটি আর জয়সূচক গোল থাকেনি। রক্ষণ সামলাতে গিয়ে সে হয়তো কিছুটা মরিয়া হয়ে উঠেছিল, তবে আমার মনে হয় ওটা পেনাল্টি ছিল না।’

    দেড় বছর পর ইংল্যান্ড জাতীয় দলে ফেরা হ্যারি ম্যাগুয়ারও হোয়াইটের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ম্যাগুয়ার বলেন, ‘প্রত্যাবর্তনেই প্রথম গোল করাটা অবিশ্বাস্য। সে দুর্দান্ত খেলেছে। পুরো সপ্তাহজুড়েই সে খুব হাসিখুশি ছিল, দলে একটা ইতিবাচক শক্তি নিয়ে এসেছে। আজ গোল করে তার পুরস্কারও পেল।’

    পেনাল্টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ম্যাগুয়ার বলেন, ‘হাস্যকর এক পেনাল্টি ছিল। সে (প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়) বল উড়িয়ে মারার পর বেন কেবল শটটি আটকানোর চেষ্টা করেছিল। বাজে ট্যাকল ছিল না, কোনো অসৎ উদ্দেশ্যও ছিল না। বক্সের ভেতর রক্ষণের কাজ করতে গেলে এমন সামান্য শারীরিক সংস্পর্শ তো হবেই।’

    অন্য প্রীতি ম্যাচে সার্বিয়াকে ৩–০ গোলে হারায় স্পেন। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ৪–৩ গোলে জেতে জার্মানি, নরওয়েকে ২–১ গোলে হারায় নেদারল্যান্ডস।

  • গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস কার হাতে উঠল কোন পুরস্কার

    আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্রিপ্টো অ্যারিয়ানে বসেছিল ৬৮তম গ্র্যামি পুরস্কারের আসর। বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে বড় আসর গ্র্যামিতে এবার সর্বোচ্চ ৯টি মনোনয়ন পেয়েছেন র‍্যাপার কেনড্রিক লামার। সাতটি মনোনয়ন নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে লেডি গাগা। শেষ পর্যন্ত পুরস্কারে বাজিমাত করলেন কারা?

    কেনড্রিক লামারের দাপট
    বছরের সেরা গান ও শিল্পীদের পুরস্কৃত করতে এ বছর রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি মোট ৯৫টি বিভাগে পুরস্কার দিচ্ছে। এর মধ্যে বিকেলে (বাংলাদেশ সময় ভোরে) অনুষ্ঠিত প্রাক্‌-সম্প্রচার পর্বেই ৮৬টি বিভাগে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। মূল টেলিভিশন সম্প্রচারে রাখা হয়েছে বাকি ৯টি বড় ও পারফরম্যান্সনির্ভর বিভাগ।

    পুরস্কার হাতে কেনড্রিক লামার। এএফপি
    পুরস্কার হাতে কেনড্রিক লামার। এএফপি

    গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে নতুন ইতিহাস লিখলেন মার্কিন র‍্যাপ তারকা কেনড্রিক লামার। এবারের গ্র্যামির আসরে পাঁচটি পুরস্কার জিতে তিনি ভেঙে দিয়েছেন র‍্যাপারদের মধ্যে সর্বাধিক গ্র্যামি জয়ের রেকর্ড। এত দিন এই রেকর্ড ছিল র‍্যাপার জে-জি’র দখলে। জে-জি’র মোট গ্র্যামি ছিল ২৫টি, আর কেনড্রিক লামার তা ছাড়িয়ে এখন পৌঁছালেন ২৭টিতে।

    ব্রিটিশ গায়িকা লোলা ইয়াং সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স বিভাগে ‘মেসি’ গানের জন্য জয় পেয়েছেন, হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন বড় প্রতিদ্বন্দ্বীকে। গুরুত্বপূর্ণ ‘সং অব দ্য ইয়ার পুরস্কার’ পেয়েছেন বিলি আইলিশ।

    মঞ্চে সাবরিনা কার্পেন্টার। এএফপি
    মঞ্চে সাবরিনা কার্পেন্টার। এএফপি

    পুরস্কার ছাড়াও গ্র্যামিতে ছিল পারফরম্যান্স। গানে গানে মঞ্চ মাতান রোজে, ব্রুনো মার্স, লেডি গাগা, জাস্টিন বিবার, টেইলর, দ্য ক্রিয়েটর ও রেজিনা কিং। গ্র্যামির সঞ্চালনায় এবার শেষবারের মতো ফিরেছেন ট্রেভর নোয়া। টানা ষষ্ঠবারের মতো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি।

    একনজরে গুরুত্বপূর্ণ শাখায় গ্র্যামি পুরস্কার
    রেকর্ড অব দ্য ইয়ার: ‘লুথার’, কেনড্রিক লামার ও সিজা
    অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার: ‘ডেবি তিয়ার মাস ফোতোস’, ব্যাড বানি
    সং অব দ্য ইয়ার : ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ার’, বিলি আইলিশ
    বেস্ট নিউ আর্টিস্ট: ওলিভিয়া ডিন
    বেস্ট পপ সলো পারফরম্যান্স: ‘মেসি’, লোলা ইয়ং
    বেস্ট পপ ডুয়ো অথবা গ্রুপ পারফরম্যান্স: ‘ডাই উইথ আ স্মাইল’, লেডি গাগা ও ব্রুনো মার্স
    বেস্ট পপ ভোকাল অ্যালবাম: ‘মেহ্যাম’, লেডি গাগা
    রেস্ট র‍্যাপ অ্যালবাম: ‘জিএনএক্স’, কেনড্রিক লামার

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

  • ঘনিষ্ঠ দৃশ্য বাদ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন কিয়ারা

    কিয়ারাকে দেখা যাবে গীতু মোহনদাসের আলোচিত কন্নড় সিনেমা ‘টক্সিক’–এ। তবে সিনেমাটি থেকে নিজের অভিনীত ঘনিষ্ঠ দৃশ্য বাদ দিতে চান, এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। গতকাল প্রকাশিত এসব প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী। এমন কিছু খবরের লিংক শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘একেবারেই বাজে কথা।’

    টাইমস অব ইন্ডিয়া, মিড ডেসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ছবির ফাইনাল কাট দেখে কিয়ারা নাকি অস্বস্তি বোধ করেন এবং কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানান। এমনও বলা হয়, শুরুতে একটি ‘বোল্ড’ রোমান্টিক দৃশ্যে রাজি হলেও, পরে নাকি মত বদলান। এসব দাবি সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান কিয়ারা। এর মধ্য দিয়েই তিনি পরিষ্কার করে দেন—এই খবরের কোনো ভিত্তি নেই।

    ‘টক্সিক’ সিনেমাটি মুক্তির আগেই একাধিকবার বিলম্বিত হয়েছে। প্রথমে ১৯ মার্চ বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘টক্সিক’-এর। দিনক্ষণ পরিবর্তিত হয়ে নতুন মুক্তির দিন নির্ধারিত হয়েছে ৪ জুন। শোনা যাচ্ছে, আবার ছবি মুক্তি স্থগিত করা হয়েছে।
    এর আগে গত বছর ‘ওয়ার ২’ ছবিতে কিয়ারার বিকিনির দৃশ্য নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। প্রথম সন্তানের মা হওয়ার পর কিয়ারা এখন রয়েছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে।

    ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে

    কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    কিয়ারা আদভানি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
  • ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং হয় কীভাবে? জানালেন ম্যাম

    হলিউডে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতনতা তৈরি হয়েছে। আর এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছেন ‘ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর’রা—যাঁদের কাজ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিরাপত্তা, স্বস্তি ও সম্মান নিশ্চিত করা। সম্প্রতি এমনই একজন পরিচিত ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর ম্যাম স্মিথ খোলামেলা কথা বলেছেন এই পেশা, ‘ইউফোরিয়া’ সিরিজের কাজ, জেনডায়ার সঙ্গে সম্পর্ক এবং অন্তরঙ্গ দৃশ্য শুটিংয়ের বাস্তবতা নিয়ে।

    ‘ইন দ্য এনভেলপ: দ্য অ্যাক্টর’স পডকাস্ট’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাম স্মিথ জানান, ২০১৯ সালে তিনি যখন স্টান্ট পারফরমার থেকে ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের ভূমিকায় আসেন, তখন এই পেশা নিয়ে মানুষের ধারণাই ছিল না। এইচবিওর জনপ্রিয় সিরিজ ‘ওয়েস্টওয়ার্ল্ড’-এর তৃতীয় সিজনে কাজ করার সময় অনেকেই তাঁকে ভুল বুঝতেন।
    তাঁর ভাষায়, ‘তখন কেউই জানত না ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর আসলে কী করেন। অনেকে ভাবতেন আমি বুঝি এইচআর বিভাগের কেউ, সবাইকে শাস্তি দিতে এসেছি। কেউ কেউ ভাবতেন আমার কাজই খবরদারি করা। কিন্তু আমি তাঁদের বোঝাতাম, আমি এখানে সাহায্য করতে এসেছি। যোগাযোগ সহজ করতে এসেছি।’

    জেনডায়াকে নিয়ে ম্যাম স্মিথ বলেন, ‘যেকোনো সম্পর্কের মতোই এখানে বিশ্বাস খুব গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের সঙ্গে একটা শর্টহ্যান্ড তৈরি হয়ে যায়। জেনডায়া আমাকে দেখলেই বুঝে যায়, “ঠিক আছে, ম্যাম বিষয়টা সামলে নেবে।” সে জানে আমি তার পাশে আছি, তাকে রক্ষা করব।’

    ‘ইউফোরিয়া ৩’–এর দৃশ্য। ছবি: এইচবিও
    ‘ইউফোরিয়া ৩’–এর দৃশ্য। ছবি: এইচবিও

    জেনডায়ার মতো তারকার জন্য এই সমর্থন আরও জরুরি বলেও মনে করেন তিনি। ‘সে খুব শক্তিশালী অবস্থানে আছে। এত পরিশ্রম করে এখানে এসেছে। তার ওপর অনেক প্রত্যাশা থাকে। তাই তাকে নিরাপদ ও সমর্থিত অনুভব করানো খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

    তবে শুধু বড় তারকা নন, সেটে থাকা প্রত্যেক অভিনেতার প্রতিই একই রকম দায়িত্ববোধ কাজ করে ম্যাম স্মিথের। বিশেষ করে নতুন অভিনেতারা যাতে অস্বস্তিতে না পড়েন, সেটি নিশ্চিত করতে তিনি আলাদা গুরুত্ব দেন।

    তাঁর মতে, অনেকে ভাবেন ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেশন মানে অনেক বাধা বা নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি উল্টো। এতে অভিনেতারা আরও স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারেন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা একটা প্রক্রিয়া অনুসরণ করি, যেটাকে বলি “বডি ম্যাপিং”। সেখানে অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয়—কোথায় স্পর্শ নিরাপদ, কোথায় নয়। কেউ বলতে পারেন, “আমি চাই না আমার কোমরে হাত দেওয়া হোক”, কেউ বলেন, “আমার কান খুব সংবেদনশীল।”’

    এই সীমারেখাগুলো আগে থেকেই পরিষ্কার করে নেওয়া হয়। এরপর অভিনেতারা জানেন কোন জায়গার ভেতরে তাঁরা কাজ করছেন। ফলে দৃশ্যের সময় আর ভয় বা অস্বস্তি কাজ করে না।

    ‘ইউফোরিয়া ৩’–তে সিডনি সুইনি। এইচবিও
    ‘ইউফোরিয়া ৩’–তে সিডনি সুইনি। এইচবিও
     

    ম্যাম স্মিথের ভাষায়, ‘যখন সীমারেখা পরিষ্কার থাকে, তখন আপনি অনেক বেশি স্বাধীনভাবে অভিনয় করতে পারেন। তখন আর মনে হয় না—আমি কি কোনো সীমা অতিক্রম করে ফেললাম? বরং পুরো বিষয়টা নিরাপদ একটা জায়গার মধ্যে থাকে।’
    ‘ইউফোরিয়া’র মতো সিরিজে যৌনতা ও সম্পর্ককে যেভাবে দেখানো হয়, তা নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হয়। তবে ম্যাম স্মিথ মনে করেন, এই ধরনের দৃশ্যের ক্ষেত্রেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পারস্পরিক সম্মান ও সম্মতি।

    তিনি জানান, বর্তমানে হলিউডে অন্তরঙ্গ দৃশ্য শুটিংয়ের সংস্কৃতি অনেক বদলেছে। আগে যেখানে অভিনেতারা অনেক সময় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেন, এখন সেখানে আলোচনা, প্রস্তুতি ও সুরক্ষার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
    তাঁর মতে, ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের কাজ শুধু দৃশ্য পরিচালনা নয় বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে অভিনেতারা নিজেদের নিরাপদ বোধ করেন এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে পারেন।

    রেডিও  টাইমস অবলম্বনে

  • চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক

    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

    সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে নেতৃবৃন্দ এই ঘোষণা দেন।

    এদিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করছে আন্দোলনকারীরা। একই দাবিতে আজ সকাল ১১টা থেকে চট্টগ্রাম শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের নেতৃত্বে ইসহাক ডিপো সংলগ্ন টোল প্লাজায় সড়ক অবরোধ করেন।

    এদিকে টানা ৪ দিনের কর্মবিরতিতে বন্দর ও বেসরকারি আইসিডিতে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ কন্টেইনার জট। বন্দরের এমন অচলাবস্থায় পণ্য পরিবহণ ব্যাহত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

    বন্দর এলাকায় সভা সমাবেশে নিষিদ্ধ থাকার ঘোষণা থাকায় যে কোন তৎপরতা ঠেকাতে বন্দরের একাধিক প্রবেশ মুখে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • চলতি বছর নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতের ১০টি প্রবণতার বিষয়ে হুয়াওয়ের পূর্বাভাস

    স্মার্ট পিভি (ফোটোভোলটাইক) ও এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমের (ইএসএস) ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের শীর্ষ ১০টি প্রবণতা (ট্রেন্ড) প্রকাশ করেছে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। সম্প্রতি হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শীর্ষ ১০টি প্রবণতার তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে পিভি, উইন্ড পাওয়ার এবং ইএসএস-কে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। শিল্পের মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয় অনুষ্ঠানে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ।  

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ারের স্মার্ট পিভি ও ইএসএস প্রোডাক্ট লাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ মার্কেটিং অফিসার এরিক ঝং জানান, গত এক দশকে পিভি, উইন্ড পাওয়ার এবং ইএসএস খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রিড ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করার নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে আসছে।

    শিল্প খাত এখন উন্নয়নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে একক উদ্ভাবন থেকে সরে এসে সমন্বিত অগ্রগতির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পিভি ও এনার্জি স্টোরেজ খাতে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে হুয়াওয়ে শীর্ষ ১০টি প্রবণতার পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি ব্যবহারভিত্তিক (সিনারিও-নির্ভর) এবং ছয়টি প্রযুক্তিকেন্দ্রিক উদ্ভাবন।

    একনজরে প্রবণতাগুলো দেখে নেওয়া যাক—

    ১. পিভি, উইন্ড ও ইএসএসের সমন্বয় নবায়নযোগ্য শক্তিকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য, নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ উৎসে পরিণত করবে।

    ২. গ্রিড-ফর্মিং ইএসএস পাওয়ার গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও ভারসাম্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

    ৩. বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ, ব্যবহার ও সংরক্ষণের সমন্বয় স্থানীয় স্বনির্ভরতা বাড়াবে এবং বৈশ্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সমন্বয়কে শক্তিশালী করবে।

    ৪. আবাসিক পিভি ও ইএসএস ব্যবস্থায় এআই-সক্ষম (এআই-এনাবলড) থেকে এআই-নেটিভ ব্যবস্থায় রূপান্তর ঘটবে, যা আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দেবে।

    ৫. উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ও উচ্চ ঘনত্ব পিভি এবং ইএসএস যন্ত্রের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
    ৬. উচ্চ ভোল্টেজ ও নির্ভরযোগ্যতা এলসিওই (লেভেলাইজড কস্ট অব এনার্জি) কমাতে সহায়তা করবে।

    ৭. ইএসএস মানে কেবল ব্যাটারি নয়, নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিচালনার জন্য সিস্টেম-লেভেল ব্যাটারির ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য।

    ৮. উন্নত গ্রিড-ফর্মিং প্রযুক্তি ব্যবস্থা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার নির্মাণকে ত্বরান্বিত করবে।

    ৯. এআই এজেন্ট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্বয়ংক্রিয় পরিচালনা সম্ভব করবে।

    ১০. নিরাপত্তার পরিমাপযোগ্য মান নির্ধারণ এনার্জি স্টোরেজ শিল্পে সামগ্রিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে।

  • চলে গেলেন আশা ভোসলে

    প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন। আজ বেলা ১২টার দিকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্য হয় বলে জানিয়েছেন আশা ভোসলে ছেলে আনন্দ ভোসলে। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২।

    অনেক দিন ধরেই যে তিনি অসুস্থ ছিলেন, তেমন নয়। শনিবার সন্ধ্যাবেলা হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে তাঁর অসুস্থতার খবর।

    প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে পরে তাঁর নাতনি জানাই ভোসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট করে জানান, ‘চরম ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণ’-এর কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ভারতীয় সংগীতের অন্যতম আইকনিক ও বহুমুখী প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে সুপরিচিত আশা ভোসলে। আট দশকের বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক ভারতীয় ভাষার পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি ভাষাতেও হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন। শাস্ত্রীয়, লোকসংগীত, পপ থেকে গজল—বিভিন্ন ধারার সংগীতে তাঁর অসাধারণ মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

    আশা ভোসলে। এএনআই
    আশা ভোসলে। এএনআই

    দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আশা ভোসলে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ও অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন, যা তাঁকে ভারতীয় প্লেব্যাক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সর্বাধিক সম্মানিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

  • চলে গেলেন আশা ভোসলে

    প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন। আজ বেলা ১২টার দিকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্য হয় বলে জানিয়েছেন আশা ভোসলে ছেলে আনন্দ ভোসলে। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২।

    অনেক দিন ধরেই যে তিনি অসুস্থ ছিলেন, তেমন নয়। শনিবার সন্ধ্যাবেলা হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে তাঁর অসুস্থতার খবর।

    প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে পরে তাঁর নাতনি জানাই ভোসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট করে জানান, ‘চরম ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণ’-এর কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ভারতীয় সংগীতের অন্যতম আইকনিক ও বহুমুখী প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে সুপরিচিত আশা ভোসলে। আট দশকের বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক ভারতীয় ভাষার পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি ভাষাতেও হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন। শাস্ত্রীয়, লোকসংগীত, পপ থেকে গজল—বিভিন্ন ধারার সংগীতে তাঁর অসাধারণ মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

    আশা ভোসলে। এএনআই
    আশা ভোসলে। এএনআই

    দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আশা ভোসলে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ও অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন, যা তাঁকে ভারতীয় প্লেব্যাক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সর্বাধিক সম্মানিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

  • চলে গেলেন ‘সুপারম্যান’ অভিনেত্রী

    হলিউড অভিনেত্রী ভ্যালেরি পেরিন মারা গেছেন। গতকাল ২৩ মার্চ লস অ্যাঞ্জেলেসের বেভারলি হিলসে অভিনেত্রীর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। খবরটি নিশ্চিত করেছে ভ্যারাইটি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভ্যালেরি পেরিন দীর্ঘদিন ধরে পারকিনসন রোগে ভুগছিলেন। ২০১৫ সালে তাঁর এ রোগ ধরা পড়ে।
    শেষ দিন পর্যন্ত পেরিন সাহস ও ইতিবাচকতা নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন। বন্ধুদের ভাষায়, ‘তিনি কখনো অভিযোগ করেননি; বরং জীবনকে উদ্‌যাপন করেছেন।’

    ‘লেনি’ থেকে অস্কারের দোরগোড়ায়
    ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লেনি’ সিনেমায় ভ্যালেরি পেরিনের অভিনয় তাঁকে অস্কারের মনোনয়ন পর্যন্ত নিয়ে যায়। ছবিটি ছিল স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান লেনি ব্রুসের জীবন নিয়ে, যেখানে প্রধান চরিত্রে ছিলেন ডাস্টিন হফম্যান।
    এ ছবিতে ‘হানি’ চরিত্রে পেরিনের অভিনয় সমালোচকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। তিনি জটিল, দ্বৈত অনুভূতির একটি চরিত্রকে সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলেন।

    ‘সুপারম্যান’–এ ভ্যালেরি পেরিন। আইএমডিবি
    ‘সুপারম্যান’–এ ভ্যালেরি পেরিন। আইএমডিবি

    ‘সুপারম্যান’–এ স্মরণীয় উপস্থিতি
    তবে সাধারণ দর্শকের কাছে ভ্যালেরি পেরিন সবচেয়ে বেশি পরিচিত ‘সুপারম্যান’ সিরিজের ‘মিস টেশম্যাকার’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য।
    ক্রিস্টোফার রিভ অভিনীত সুপারম্যানের বিপরীতে পেরিন ভিলেন লেক্স লুথারের সঙ্গিনী ছিলেন। এ চরিত্রে তিনি শুধু তাঁর সৌন্দর্য নয়, মানবিক দ্বন্দ্বও তুলে ধরেছিলেন। বিশেষ করে সেই দৃশ্যগুলোতে, যেখানে তিনি সুপারম্যানকে বাঁচাতে সাহায্য করেন।
    ‘দ্য লাস্ট আমেরিকান হিরো’, ‘হোয়াট ওমেন ওয়ান্ট’ সিনেমা ছাড়াও ‘ইআর’, ‘দ্য প্র্যাকটিস’, ‘ন্যাশ ব্রিজ’–এর মতো জনপ্রিয় সিরিজে অতিথি চরিত্রে পেরিনকে দেখা গেছে।

    গ্ল্যামার থেকে গভীরতায়

    ক্যারিয়ারের শুরুতে লাস ভেগাসে শোগার্ল হিসেবে কাজ করা থেকে শুরু করে প্লেবয় ম্যাগাজিনের কভার—সবকিছু মিলিয়ে পেরিন ছিলেন গ্ল্যামার জগতের পরিচিত মুখ। তবে তিনি নিজেকে শুধু সেই গণ্ডিতে আটকে রাখেননি; বরং অভিনয়ের মাধ্যমে বারবার প্রমাণ করেছেন নিজের গভীরতা।

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

  • চাপটা অনেক বেড়ে গেল, শাকিবের ‘রকস্টার’ নিয়ে মিথিলা

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে আজমান রুশোর ‘রকস্টার’। দর্শক চাহিদায় দ্বিতীয় দিনেই ঢাকার মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির শোর সংখ্যা ১৮ থেকে বেড়ে ৩৬ হয়েছে। এদিকে মুক্তির পর থেকেই প্রচারে হলে হলে যাচ্ছেন সিনেমাটির পরিচালক ও অভিনয়শিল্পীরা। প্রথম দিন ছিলেন আজমান রুশো ও সাবিলা নূর। গতকাল শুক্রবার ঈদের দ্বিতীয় দিনে প্রেক্ষাগৃহে আসেন রুশো ও ছবির আরেক অভিনেত্রী তানজিয়া মিথিলা। এ সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন এই মডেল ও অভিনেত্রী।

    ‘রকস্টার’ সিনেমায় এলিনা গোমজের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। শাকিব খানের সঙ্গে এমন বড় সিনেমায় অভিনয় করে দায়িত্ব বেড়ে গেল কি না এ প্রসঙ্গে তানজিয়া মিথিলা বলেন, ‘দায়িত্বের চেয়ে আরও যেটা বেশি সেটা হলো, আমি গ্রেট অভিনেত্রী হতে চাই। সে জায়গা থেকে চাপটা অনেক বেড়ে গেল, ভালো অভিনয়ের জন্য, ভালো ছবিতে অভিনয়ের জন্য আমার আরও অনেক কাজ করতে হবে।’

    ‘রকস্টার’-এর মতো সিনেমা বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জন্য দরকার উল্লেখ করে তানজিয়া মিথিলা আরও বলেন, ‘যারা বাংলা সিনেমাকে ভালোবাসে তাদের উদ্দেশ্য বলব “রকস্টার” ভিন্নধর্মী একটা সিনেমা; বাংলাদেশের মিউজিক্যাল সিনেমা। একেবারেই একটা নতুন ঘরানা, যা আগে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট থেকে হয়নি। সে জায়গা থেকে বলব, দর্শকেরা আসবেন, নতুন সিনেমা দেখবেন। যখন নতুন ধরনের ছবি আসে, বিভিন্ন ধরনের সিনেমা আসে; তখন একটা ইন্ডাস্ট্রি বড় হয়। ইন্ডাস্ট্রি বড় হতে গেলে এ ধরনের ছবি বেশি বেশি আসা উচিত।’

    ‘রকস্টার’–এ মিথিলা ও শাকিব খান। ছবি: ভিডিও থেকে
    ‘রকস্টার’–এ মিথিলা ও শাকিব খান। ছবি: ভিডিও থেকে

    এদিকে সিনেমায় শাকিবের সঙ্গে একটি পোস্টার গতকাল নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন মিথিলা। তিনি লিখেছেন, ‘এলিনার রকস্টার, আমাদের রকস্টার। আগুন আর এলিনা বড় পর্দায় আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে।’
    সিনেমায় শাকিব খানকে দেখা গেছে এক সংগীতশিল্পীর চরিত্রে। আজমান রুশোর গল্পে নির্মিত ছবিতে একজন সংগীতশিল্পীর জীবনসংগ্রাম, উত্থান-পতন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। আজমান রুশো জানান, নির্মাণে আসার আগে তিনি নিজেও সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিজের জীবন ও বাস্তব জীবনের রকস্টারদের নানা অভিজ্ঞতার মিশেলে তিনি এই গল্প তৈরি করেছেন। সিনেমাটিতে শাকিবের সঙ্গে আরও আছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া মিথিলা ও সুনিধি নায়েক।

    সিনেমাটির বেশির ভাগ গানের কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন আহমেদ হাসান সানি। গানগুলোয় কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। সংগীত পরিচালনায় আছেন জাহিদ নিরব। অঞ্জন চৌধুরী নিবেদিত সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন নুসরাত মাটি। সংলাপ লিখেছেন আয়মান আসিব ও সামিউল ভূঁইয়া। সিনেমাটির এক্সক্লুসিভ স্ট্রিমিং পার্টনার চরকি। সিনেমাটির সব গান মুক্তি পাচ্ছে এসভিএফ মিউজিক, চরকি, বিলিং মিউজিকের অফিশিয়াল চ্যানেলে।

  • চার ম্যাচ হাতে রেখেই আবারও চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন

    বুন্দেসলিগা বড্ড একঘেয়ে!

    বারবার যে বায়ার্ন মিউনিখই চ্যাম্পিয়ন হয়। এবারও যেমন হলো। আজ ঘরের মাঠে ভিএফবি স্টুটগার্টকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ৩৫তম বারের মতো লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাভারিয়ান পরাশক্তিরা। সর্বশেষ ১৪ মৌসুমেই ১৩ বার বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নের নাম বায়ার্ন। ব্যতিক্রম শুধু ২০২৩-২৪ মৌসুমটা, সবাইকে চমকে দিয়ে সেই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জাবি আলোনসোর বায়ার লেভারকুসেন।

    সমতা ফেরানো গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে রাফায়েল গেরেইরোর (বাঁয়ে) গোল উদ্‌যাপন
    সমতা ফেরানো গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে রাফায়েল গেরেইরোর (বাঁয়ে) গোল উদ্‌যাপন, এএফপি
     

    বায়ার্ন এবারের লিগটা জিতল চার ম্যাচ হাতে রেখেই। শনিবার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বরুসিয়া ডর্টমুন্ড হেরে যায়। তাতে বায়ার্ন ও বুন্দেসলিগা শিরোপার দূরত্ব হয়ে যায় মাত্র ১ পয়েন্টের। আজ প্রথম সুযোগেই সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে ফেলে চ্যাম্পিয়ন ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। ৩০ ম্যাচে বায়ার্নের পয়েন্ট ৭৯, সমান ম্যাচে দুইয়ে থাকা ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৬৪।

    আজ শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না বায়ার্নের। পয়েন্ট তালিকার চারে থাকা স্টুটগার্ট ২১ মিনিটেই এগিয়ে যায় ক্রিস ফুয়েরিখের গোলে। গোলটা করে অবশ্য ভুলই করেছে স্টুটগার্ট। এরপর যে তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলেছে বায়ার্ন। এক মৌসুমে বুন্দেসলিগায় সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড গড়া দলটি ৩১ থেকে ৩৭ মিনিটের মধ্যেই ৩ গোল করে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে। রাফায়েল গেরেইরো, নিকোলাস জ্যাকসন ও আলফোন্সো ডেভিস করেন গোল তিনটি।

    আলিয়াঞ্জ অ্যারেনার লাল সমুদ্র
    আলিয়াঞ্জ অ্যারেনার লাল সমুদ্র, এএফপি
     

    ৫২ মিনিটে হ্যারি কেইনের গোলে জয় পুরোপুরিই নিশ্চিত করে ফেলে বায়ার্ন। এরপর ৮৮ মিনিটে চেমা আন্দ্রেসের গোলে ব্যবধান কমায় স্টুটগার্ট।

  • চীন ও ভারত থেকে এলো আরও ৫৩ হাজার টন ডিজেল

    দেশের জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে চীন ও ভারত থেকে আরও ৫৩ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। 

    শনিবার (২ মে) জাহাজগুলোর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    শিপিং এজেন্ট সূত্রে জানা গেছে, লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘লিলা কিংস্টন’ চীন থেকে ১৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে শুক্রবার বিকেলে বন্দরে এসে পৌঁছায়। অন্যদিকে, শনিবার ভোরে ভারত থেকে ৩৪ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘প্রাইভেট সোলানা’ কুতুবদিয়া এঙ্করেজে নোঙর করেছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৫০০ টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। সেই হিসেবে নতুন আসা এই জ্বালানি দিয়ে প্রায় চার দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

    প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে বন্দরে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতটিতে। এর মধ্যে ডলফিন জেটিতে দুটি জাহাজ অবস্থান করছে এবং বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ আছে আরও চারটি। একটি জাহাজ থেকে ইতিমধ্যে ছোট জাহাজের মাধ্যমে তেল খালাস বা লাইটারিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত আমদানির অংশ হিসেবে এই চালানগুলো আসছে। গত এপ্রিল মাসে ২০টি জাহাজে করে মোট ৬ লাখ টনের বেশি জ্বালানি আমদানি করা হয়েছিল। মে মাসেও সমপরিমাণ জ্বালানি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে বিপিসি, যার মধ্যে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেলও রয়েছে। 

     

  • চীনের সঙ্গে দারুণ লড়ে হারল বাংলাদেশ

    সিডনি থেকে

  • চুম্বনের দৃশ্য করতে রাজি হননি, দূরে থাকার কারণ জানালেন নায়িকা

    বলিউডের ঝলমলে পর্দার আড়ালে যে বাস্তবতা লুকিয়ে থাকে, সেটাই খোলাখুলি তুলে ধরলেন অভিনেত্রী নওহিদ সাইরুসি। দীর্ঘদিন বড় পর্দায় অনুপস্থিত থাকার পর অবশেষে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন তিনি।

    অনুপস্থিতির আড়ালের গল্প
    ‘আনওয়ার’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রীকে সাম্প্রতিক সময়ে বড় পর্দায় খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। ভক্তদের কাছ থেকে বারবার একই প্রশ্ন—নতুন কোনো সিনেমা বা শো কবে আসছে? সেই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েই নিজের অভিজ্ঞতার কথা খুলে বললেন তিনি।

    ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে নওহিদ সাইরুসি জানান, অভিনয়জীবনের নানা অঘোষিত শর্তই তাঁকে ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দিয়েছে ইন্ডাস্ট্রি থেকে।

    ‘অপ্রয়োজনীয়’ অন্তরঙ্গ দৃশ্যের চাপ
    নওহিদ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এখন অনেক ক্ষেত্রেই অভিনয়ের চুক্তি মানেই ধরে নেওয়া হয়—অভিনেত্রীকে চুম্বন বা ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে স্বচ্ছন্দ থাকতে হবে। তাঁর মতে, এই দৃশ্যগুলো অনেক সময় গল্পের প্রয়োজন ছাড়াই জোর করে ঢোকানো হয়।
    নওহিদের কথায়, ‘এখন তো প্রায় অকারণেই চুম্বনের দৃশ্য ঢোকানো হয়। আমি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। এমনকি না বলার আগেই অনেক কাজ থেকে বাদ পড়তে হয়েছে।’
    এ অবস্থান তাঁর ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছে বলেও জানান নওহিদ।

    নওহিদ সাইরুসি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    নওহিদ সাইরুসি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    পারিশ্রমিক নিয়েও অভিযোগ
    শুধু অভিনয়ের শর্তই নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, অনেক প্রযোজক চুক্তি অনুযায়ী পুরো পারিশ্রমিক পরিশোধ করেন না।

    নওহিদের ভাষায়, ‘শুটিং শেষ হওয়ার পর প্রায় ২৫ শতাংশ টাকা আটকে রাখা হয়, যা অনেক সময় আর পাওয়া যায় না। নানা অজুহাতে সেই অর্থ আটকে রাখা হয়, যেমন সিনেমা ভালো ব্যবসা করেনি ইত্যাদি।’
    নওহিদ সাইরুসি বলেন, ‘আমি আমার কাজ করেছি, কিন্তু টাকা না পেলে কার কাছে বিচার চাইব?’

    ‘ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের দুনিয়া’ থেকে দূরে
    নওহিদ আরও জানান, তিনি কখনোই ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত ‘ইনার সার্কেল’-এর অংশ ছিলেন না। প্রযোজক-অভিনেতাদের নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সঙ্গে মেলামেশা না করায় অনেক সময় ভালো সুযোগ পাননি। ফলে তাঁকে প্রায়ই ছোটখাটো চরিত্র—কারও বোন, কারও ভাবি—এই ধরনের ভূমিকায় সীমাবদ্ধ রাখা হতো, যা করতে তিনি আগ্রহী ছিলেন না।

    ইনস্টাগ্রামেই নতুন ঠিকানা
    অভিনয়ের বাইরে এসে নওহিদ খুঁজে পেয়েছেন নতুন এক পরিচয়—সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। ইনস্টাগ্রামে তাঁর জনপ্রিয়তা এখন অনেক বেড়েছে, আর সেটাকেই তিনি নিজের ‘আসল জায়গা’ বলে মনে করছেন।

    নওহিদের কথায়, ‘আমি বুঝেছি, ইনস্টাগ্রামই আমার জন্য ঠিক জায়গা। এখানে আমি নিজেকে নিজের মতো করে প্রকাশ করতে পারি।’

    হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

  • চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপ জয় ম্যানসিটির

    আঁতোয়ান সেমেনিয়োর জাদুকরী এক গোলে চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপের শিরোপা ঘরে তুলল ম্যানচেস্টার সিটি। শনিবার (১৬ মে) লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনালে ব্লুজদের ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ঘরোয়া কাপ ডাবল পূর্ণ করল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। গত মার্চে লিগ কাপ জয়ের পর এটি সিটির চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় ট্রফি।

    টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর ডেডলক ভাঙেন ঘানার ফরোয়ার্ড সেমেনিয়ো। গত জানুয়ারিতে ম্যান সিটিতে যোগ দেওয়া এই তারকা ম্যাচের ৭২তম মিনিটে আর্লিং হালান্ডের ক্রস থেকে নিখুঁত ব্যাক-হিলে চেলসির গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজকে পরাস্ত করেন। গোলটি উদযাপনে ফেটে পড়ে পুরো ওয়েম্বলি। চেলসির হয়ে এনজো ফার্নান্দেজ, জোয়াও পেদ্রো এবং লিয়াম ডেলাপ বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হন। 

    ম্যানসিটিতে এটিই শেষ মৌসুম হতে যাচ্ছে অধিনায়ক বার্নার্ডো সিলভা ও ডিফেন্ডার জন স্টোনসের। প্রিন্স উইলিয়ামের হাত থেকে ট্রফি নেওয়ার পর এই দুই তারকা একসঙ্গেই তা উঁচিয়ে ধরেন। এই জয়কে অত্যন্ত স্পেশাল বলে উল্লেখ করেন এবং প্রিমিয়ার লিগ জয়ের স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে বলে জানান বিদায়ী অধিনায়ক সিলভা। লিগ টেবিলে আর্সেনালের চেয়ে মাত্র ২ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকা সিটি আগামী মঙ্গলবার মুখোমুখি হবে বোর্নমাউথের। 

    এদিকে, চেলসির জন্য এটি ছিল টানা সপ্তম ঘরোয়া কাপ ফাইনালের পরাজয়। ব্লুজদের আমেরিকান মালিকপক্ষ ‘ব্লুকো’ যখন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ক্যালাম ম্যাকফার্লেনের জায়গায় নতুন ফুল-টাইম ম্যানেজার খুঁজছে, ঠিক তখন এই হার তাদের আগামী মৌসুমে ইউরোপিয়ান ফুটবলে খেলার আশাকে আরও ক্ষীণ করে দিল।

    অন্যদিকে, ১০ বছরে সিটিকে অষ্টম এফএ কাপ এনে দিয়ে পেপ গার্দিওলা হয়তো ক্লাব ছাড়ার সেরা মঞ্চটি তৈরি করে নিলেন, আর চেলসিকে ডুবালেন আরেক মৌসুমের হতাশায়।

     

  • চেলসিতে জাইমা রহমানের সুযোগ পাওয়া নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলেন আমিনুল হক

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করেছেন তিনি।

    আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।

    নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়।

    সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।’ মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।

    তিনি বলেন, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।

     

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব