• শেষ সময়ে যেনতেন শিক্ষা আইনের চেষ্টা

    • প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সীমিত রেখে সব শিশুর জন্য বাধ্যতামূলক হবে।

    • আইন কার্যকর হওয়ার তিন বা পাঁচ বছরের মধ্যে কোচিং সেন্টার, সহায়ক পুস্তক, প্রাইভেট টিউশন স্থায়ীভাবে বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া নেবে।

    ঢাকা
  • শ্রীলঙ্কা–নিউজিল্যান্ড: ৬১ রানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল শ্রীলঙ্কা

    বড় ব্যবধানে হারল শ্রীলঙ্কা

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬১ রানে হারল শ্রীলঙ্কা। ঘরের মাঠে দলটি একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে তারা গুটিয়ে গেছে ১০৭ রানে। এই হারে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে শ্রীলঙ্কা।

    বড় ব্যবধানে হারের ম্যাচেও একটা সময় এগিয়েই ছিল শ্রীলঙ্কা। ৮৪ রানেই নিউজিল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল তারা। তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেছেন দুই অলরাউন্ডার ম্যাকনকি ও স্যান্টনার। ৪৭ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়েছেন এই দুজন।

    ৪ উইকেট নিয়েছেন রবীন্দ্র
    ৪ উইকেট নিয়েছেন রবীন্দ্র, এএফপি

    ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে স্যান্টনার করেছেন ২৬ বলে ৪৭ রান। ২৩ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত ছিলেন ম্যাকনকি।

    রান তাড়ায় প্রথম বলেই উইকেট হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এরপর থেকে ম্যাচের কোনো পর্যায়েই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি। বল হাতে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন রাচিন রবীন্দ্র।

    এই জয়ে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়নি। তাদের পরের ম্যাচ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ইংল্যান্ড প্রথম দল হিসেবে গতকাল সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬৮/৭ (স্যান্টনার ৪৭, রবীন্দ্র ৩২; তিকশানা ৩/৩০, চামিরা ৩/৩৮) শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১০৭/৮ (কামিন্দু ৩১, ভেল্লালাগে ২৯; রবীন্দ্র ৪/২৭, ফিলিপস ১/২১) ফল: নিউজিল্যান্ড ৬১ রানে জয়ী ম্যাচসেরা: রাচিন রবীন্দ্র
  • সংকট উত্তরণে ট্যাক্স ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী

    দেশের অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে ট্যাক্স (কর) ও দেশি–বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে ট্যাক্স বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সামনে এগুলোই অগ্রাধিকার পাবে। এ ছাড়া বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গায় প্রস্তাবিত সরকারি হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জমি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

    বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান সম্ভব নয় উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী কর্মসূচির মধ্যে কর্মসংস্থান একটি বড় কর্মসূচি। সে কারণেই সরকার দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে। আগামী বাজেটেও কর্মসংস্থান সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। এটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    চট্টগ্রাম–১১ (বন্দর ও পতেঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পতেঙ্গা অঞ্চলে কোনো বড় হাসপাতাল না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি হাসপাতালের দাবি রয়েছে। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একটি বড় জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিশেষায়িত সেবাও থাকবে। পাশাপাশি একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজিস্টদের জন্য আলাদা ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    এদিন বিকেলে অর্থমন্ত্রী বানৌজা উল্কার আবাদ অঞ্চল–২–এর পশ্চিম পাশে মেরিন ড্রাইভ–সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শন করেন। পরে পতেঙ্গায় সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা ১৪ দশমিক ২১ একর জমি সরেজমিন ঘুরে দেখেন।

  • সংঘাতের আগে হরমুজ ছেড়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

    চট্টগ্রাম

  • সাফ অ–১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ সর্বোচ্চ গোলদাতা ও টুর্নামেন্ট সেরার জোড়া পুরস্কারে উজ্জ্বল আলপি

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে মুকুট ধরে রাখা হলো না বাংলাদেশের। নেপালের পোখারায় আজ ফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে লাল-সবুজের মেয়েদের। দলগতভাবে দিনটি আক্ষেপের হলেও ব্যক্তিগত অর্জনে টুর্নামেন্ট রাঙিয়েছেন বাংলাদেশের আলপি আক্তার। চার দেশের এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতার পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন পঞ্চগড়ের এই উদীয়মান ফরোয়ার্ড।

    ফাইনালে আজ গোল পাননি আলপি। কিন্তু লিগ পর্বে ছিলেন দুর্দান্ত। ওই পর্বে বাংলাদেশের করা ১৮ গোলের মধ্যে একাই করেছেন ৭ গোল। ভুটান ও নেপালের বিপক্ষে করেছেন হ্যাটট্রিক। নেপালের বিপক্ষে তাঁর হ্যাটট্রিকই বাংলাদেশকে ফাইনালে তুলেছিল। টুর্নামেন্টে তাঁর ‘গোল্ডেন বুট’ জয়টা একরকম নিশ্চিতই ছিল।

    সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পাওয়াটা আলপির জন্য ছিল বিশেষ চমক। বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। মাঠে চমৎকার বল নিয়ন্ত্রণ আর আক্রমণে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতায় আলপি মুগ্ধ করেছেন বিচারকদের। শিরোপা হারানোর বিষাদে তাঁর মুখটা কিছুটা গুমড়ো হয়ে থাকলেও দেশের জন্য এই ‘ডাবল’ অর্জন মোটেও কম গৌরবের নয়। মঞ্চে তাঁকে অভিনন্দন জানান সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

    টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও আলপি
    টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও আলপি, বাফুফে

    আলপির এই কীর্তি মনে করিয়ে দিচ্ছে ২০২৪ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ আসরকে। সেবার বাংলাদেশের সাগরিকা ৪ গোল করে একই সঙ্গে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন। আলপি যেন সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনলেন।

    আলপির এই ধারালো পারফরম্যান্স অবশ্য হঠাৎ করে আসা কিছু নয়। সর্বশেষ নারী লিগে সিরাজ স্মৃতি সংসদের হয়ে ১১ গোল করেছিলেন তিনি। বর্তমানে ঘরোয়া লিগেও আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। রাজশাহী স্টারসের জার্সিতে ৮ ম্যাচে ৩ হ্যাটট্রিকসহ ২৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে তিনি সবার আগে।

    টুর্নামেন্টে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের মুন্নি। এ ছাড়া ফেয়ার প্লে ট্রফিও গেছে ভারতের ঘরে।

  • সারা দেশের ৮টি ক্রিকেট হাবে ১৩৭ উইকেট তৈরি করবে বিসিবি

    ঘোষণাটা আগেই দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। এবার বিস্তারিতভাবে তা জানালেন গ্রাউন্ডস বিভাগের প্রধান খালেদ মাসুদ। আজ মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, সারা দেশে মোট ১১টি ক্রিকেট হাব করছে বিসিবি।

    এর মধ্যে প্রথম ধাপে চালু হওয়া ৮টি হাবে মোট ১৩৭টি উইকেট তৈরি করার পরিকল্পনা আজ তুলে ধরেছেন খালেদ মাসুদ। হাবগুলো হলো খুলনা, বরিশাল, ফতুল্লা, কক্সবাজার, বগুড়া, রাজশাহী বিকেএসপি ও পূর্বাচল।

    উইকেটগুলো স্থানীয় কিউরেটররাই তৈরি করবেন জানিয়ে খালেদ মাসুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিউরেটরদের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করেছি। সবাইকে শেয়ার করেছি (কীভাবে করতে চাই)। আমরা শুধু বিসিবি থেকে তাঁদের সাপোর্ট দেব—হয়তো মাটি দিলাম বা এমন। বাকি কাজটা স্থানীয় কিউরেটররাই করবেন। সব দায়িত্ব তাঁদের কাছে থাকবে।’

    বিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী খুলনায় ১৫টি, বরিশালে ২৩টি, কক্সবাজারে ৮টি, বগুড়ায় ১০টি, রাজশাহীতে ১২টি, ফতুল্লায় ১৩টি, বিকেএসপির ৩ ও ৪ নম্বর মাঠে ১৯টি, পূর্বাচলে ১৩টি উইকেট হবে। অনুশীলন, মূল ম্যাচ ও আউটার মাঠে এ উইকেটগুলো আগামী মে–জুন মাসের মধ্যেই তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন খালেদ মাসুদ।

    এ উইকেটগুলো তৈরি হলে খেলার আরও ভালো পরিবেশ, খেলার মান বৃদ্ধি, ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা ও খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি বাড়বে বলে মনে করে বিসিবি। প্রাথমিকভাবে চালু হওয়া হাবগুলোতে রোলার, ঘাস কাটার মেশিন, পিচ কাভার, উইকেটের জন্য মাটি ও কংক্রিটের উইকেট দেবে বিসিবি। এগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় ক্রিকেট একাডেমি, স্কুল–কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ, উপজেলা ও জেলার মাঠগুলোকে বিসিবির পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে দেওয়া হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে খালেদ মাসুদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও বিসিবি পরিচালক আবদুর রাজ্জাক। খালেদ মাসুদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী মৌসুমে জেলাভিত্তিক লিগগুলো আয়োজন সহজ হবে বলে মনে করেন তিনিও। আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘ক্রিকেটীয় দিক থেকে দেখলে এটা একটা বিশাল উদ্যোগ। এটাতে আমরা সফল হতে পারলে প্রথম ধাপটা সফলভাবে সম্পন্ন হবে। যদি আমরা জুনের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারি, পরের মৌসুম থেকে হয়তো (ঢাকার বাইরের) লিগগুলো খুব ভালোভাবে শুরু করা যাবে।’

  • সুইডেনপ্রবাসী আনিকাকে নিয়ে এশিয়ান কাপের স্কোয়াড, আছেন আলপিও

    আগামী মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় উইমেন্স এশিয়ান কাপের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে আছেন সুইডেনপ্রবাসী ফরোয়ার্ড আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী। ‎‎প্রথম প্রবাসী নারী ফুটবলার হিসেবে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন জাপানে জন্ম নেওয়া মাতসুশিমা সুমাইয়া। এবার আনিকাও এ তালিকায় নাম লেখানোর অপেক্ষায়। সুইডেনের ক্লাব ব্রোমপোজকর্নের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেছেন তিনি। গত মাসে সুইডিশ কাপ দিয়ে ক্লাবটির সিনিয়র দলে অভিষেক। ইউরোপের ফুটবলে খেলার অভিজ্ঞতা এবার বাংলাদেশের ফুটবলে কাজে লাগাতে চাইবেন ২০ বছর বয়সী আনিকা।

    আনিকা ছাড়া এশিয়ান কাপের স্কোয়াডে আরও দুই নতুন মুখ আলপি আক্তার ও সৌরভী আফরিন। এই দুজন প্রথমবার জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন। দলে ফিরেছেন আইরিন খাতুন ও সৌরভী আকন্দও। ‎১ থেকে ২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ ভেন্যুতে হবে এশিয়ান কাপের ২১তম আসর। বাংলাদেশের গ্রুপে আছে ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ও ৩ বারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া। আরেক প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান।

    মেয়েদের এশিয়ান কাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল দল চীন। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৪ বার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন তারা। ৩ মার্চ প্রথম ম্যাচেই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে খেলতে হবে পিটার বাটলারের দলকে।

    ২০২৬ সাফ অ–১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা খেলোয়াড় আলপি আক্তার সুযোগ পেয়েছেন জাতীয় দলে
    ২০২৬ সাফ অ–১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা খেলোয়াড় আলপি আক্তার সুযোগ পেয়েছেন জাতীয় দলেবাফুফে

    ৬ মার্চ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ র‍্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বর দল উত্তর কোরিয়া। ১৯৮৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১০ বার এশিয়ান কাপ খেলা দেশটি ২০০১, ২০০৩ ও ২০০৮ সালে শিরোপা জিতেছে। আর পাঁচবার এই টুর্নামেন্টে খেলা উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ দৌড় গ্রুপ পর্ব পর্যন্ত। ৯ মার্চ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের মেয়েরা।‎

    ১২ দলের টুর্নামেন্টে ৩ গ্রুপে থাকা চারটি করে দল লড়বে নকআউটের জন্য। তিন গ্রুপের সেরা দুটি করে মোট ছয় দল সরাসরি যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। গ্রুপ পর্বে তৃতীয় হওয়া তিন দলের সেরা দুই দলও পাবে শেষ আটে খেলার সুযোগ।

    কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের সুযোগ থাকবে ২০২৭ ব্রাজিল বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে খেলার।

    নারী এশিয়ান কাপের বাংলাদেশ দল

    গোলরক্ষক: রুপনা চাকমা, মিলি আক্তার, স্বর্ণা রানী। ডিফেন্ডার: আফঈদা খন্দকার (অধিনায়ক), কোহাতি কিসকু, নবীরন খাতুন, শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র, হালিমা খাতুন, সৌরভী আফরিন। মিডফিল্ডার: স্বপ্না রানী, মুনকি আক্তার, আইরিন খাতুন, শাহেদা আক্তার, উমহেলা মারমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দা, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী, উন্নতি খাতুন। ফরোয়ার্ড: আলপি আক্তার, সৌরভী আকন্দ, মোসাম্মত সুলতানা, তহুরা খাতুন, মোসাম্মত সাগরিকা ও শামসুন্নাহার জুনিয়র। ‎স্ট্যান্ডবাই: অর্পিতা বিশ্বাস, সিনহা জাহান, শান্তি মার্ডি, তনিমা বিশ্বাস।
  • সুজয় চৌধুরী চট্টগ্রাম

    শহরে সবে সন্ধ্যা নেমেছে। বাইরে আলো-আঁধারির মিতালি, ভেতরে প্রস্তুত অন্য আলোয় ভেসে যাওয়ার আয়োজন। হঠাৎ মঞ্চের আলোকচ্ছটা বদলে গেল। ভেসে এল সুরের মূর্ছনা। শুরু হলো রং, নকশা আর তারুণ্যের এক বর্ণিল উপস্থাপনা।

    এই উপস্থাপনা দেখা গেল গতকাল সোমবার। চট্টগ্রাম নগরের হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউর মেজবান হলে বসেছিল ‘আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল-প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন’ আয়োজন। দুই ঘণ্টার এই আয়োজনে সুর, নৃত্য ও ফ্যাশন মিলে তৈরি করে উৎসবের আবহ। ঈদ সামনে রেখে নতুন পোশাকের ধারা দেখতে সেখানে ভিড় করেন বন্দরনগরের ফ্যাশনপ্রেমীরা।

    চট্টগ্রামে এ আয়োজন নতুন নয়। ১৯৯৮ সালে শুরুর পর থেকে নিয়মিতভাবেই ঈদকে ঘিরে এই ফ্যাশন আসর বসছে। এবার ছিল ২৫তম আয়োজন। অংশ নেন সাতজন নির্বাচিত ডিজাইনার। তাঁরা হলেন ফারজানা মালিক, সুলতানা নুরজাহান রোজী, সায়মা সুলতানা, এইচ এম ইলিয়াছ, আইভি হাসান, নূজহাত নূয়েরী কৃষ্টি ও নাসরিন সরওয়ার মেঘলা।

    তাঁদের নকশায় ফুটে ওঠে আসন্ন ঈদের আবহ, সময়ের ধারা আর ঐতিহ্যের ছোঁয়া। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সমাজে ইতিবাচক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই প্রথম আলো নানা আয়োজন করে থাকে। কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, শিক্ষক সম্মাননাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ তার উদাহরণ। ঈদ ফ্যাশনও সেই ধারার একটি আয়োজন। প্রতিবছর এই অনুষ্ঠানের জন্য চট্টগ্রামের ফ্যাশনপ্রেমীরা অপেক্ষা করেন। এই মঞ্চ থেকেই অনেক ডিজাইনারের পথচলা শুরু হয়েছে। নতুনদের অনুপ্রেরণা জোগানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

    নকশায় বৈচিত্র্য

    অনুষ্ঠানে মূল আকর্ষণ ছিল ডিজাইনারদের একক কিউ। নির্বাচিত সাত ডিজাইনার একে একে তাঁদের সংগ্রহ নিয়ে মঞ্চে হাজির হন। শুরুতেই ডিজাইনার ফারজানা মালিকের নকশায় বোনা পোশাক পরে হাজির হন আট মডেল।

    দুটি শাড়ি, চারটি নজরকাড়া সালোয়ার–কামিজ আর দুটি পাঞ্জাবি—একটির পর একটি র‍্যাম্পে উঠতেই আবহ বদলে যায়। পেছনে ভেসে আসে কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর। পোশাকের রং, আলো আর সুরের মেলবন্ধনে মুহূর্তেই মিলনায়তন ডুবে যায় এক উচ্ছ্বসিত আবেশে; দর্শকেরা যেন হাততালি আর মুগ্ধতায় সাড়া দেন প্রতিটি পদচারণে।

    এভাবে প্রতিটি কিউ যেন আলাদা গল্প তুলে ধরে। কারও নকশায় ঐতিহ্যের পুনঃপাঠ, কারও কাজে আধুনিকতার সাহসী ছাপ। বসন্ত, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর; নানা থিম নিয়ে সাজানো হয় প্রতিটি পোশাক।

    ক্যাটওয়াকে এক মডেল। গতকাল চট্টগ্রাম নগরের হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউর মেজবান হলে
    ক্যাটওয়াকে এক মডেল। গতকাল চট্টগ্রাম নগরের হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউর মেজবান হলে
     

    মডেলরা শাড়ি, সালোয়ার–কামিজ, পাঞ্জাবি, শার্ট, লেহেঙ্গা ও গাউন পরে র‍্যাম্পে হাঁটেন। একই ডিজাইনারের কিউতেই দেখা যায় বৈচিত্র্য। কখনো পরিমিত কারুকাজ, কখনো জমকালো অলংকরণ; কোথাও নরম রঙের ব্যবহার, কোথাও গাঢ় আভা। ফলে পুরো আয়োজনজুড়ে প্রতিটি কিউ হয়ে ওঠে স্বতন্ত্র। আবার সম্মিলিতভাবে তৈরি করে ঈদ ফ্যাশনের সামগ্রিক ছবি।

    ডিজাইনাররা জানান, ঈদের পোশাক নকশায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আরামদায়ক কাপড় ও আবহাওয়ার উপযোগিতায়। রঙের প্যালেটে রাখা হয়েছে উজ্জ্বলতা ও নরম টোনের ভারসাম্য। ঐতিহ্যবাহী মোটিফকে আধুনিক কাট ও মিনিমাল ধারায় উপস্থাপন করা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই—উৎসবের আনন্দের সঙ্গে পরিধানকারীর স্বাতন্ত্র্যকে তুলে ধরা।

    অনুষ্ঠানে অন্যতম আকর্ষণ ছিল আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলালের ফ্যাশন কিউ। জমকালো শাড়ি ও পাঞ্জাবি মাতোয়ারা করে দেয় দর্শকদের।

    মঞ্চে হঠাৎ মেহজাবীন

    অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্মাতা রেদওয়ান রনি। দেশের অন্যতম ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’তে এবারে ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে মেহজাবীন চৌধুরী ও প্রীতম হাসান অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ক্যাকটাস। পাশাপাশি রেদওয়ান রনির নতুন চলচ্চিত্র দম মুক্তি পাচ্ছে বড় পর্দায়।

    তাঁরা অভিজ্ঞতার কথা, কাজের নেপথ্য গল্প আর দর্শকের সাড়া—এসব নিয়েই কথা বলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে মিলনায়তনে তৈরি হয় বাড়তি উচ্ছ্বাস।

    ফ্যাশন কিউর ফাঁকে গান শোনান তরুণ শিল্পী আরিয়ান চৌধুরী। নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পী প্রমা অবন্তি ও স্বপন বড়ুয়া। সুর ও নৃত্যের এই সংযোজন পুরো আয়োজনে এনে দেয় বৈচিত্র্য।

    অনুষ্ঠানের সহযোগী ছিল বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ ও ফ্যাশন হাউস মেঘরোদ্দুর। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল প্রথম আলো চট্টগ্রাম বন্ধুসভা। রূপচর্চার সহযোগী ছিল পারসোনা।

    সমাপনী পর্বে আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল বাংলাদেশের কর্ণধার শিবলি মাহমুদ সুমন বলেন, প্রতিটি পোশাকেই নকশা, রং বাছাই ও ভাবনায় তারুণ্য ধরা পড়েছে। পাশাপাশি ছিল ঐতিহ্য। এমন আয়োজনে যুক্ত থাকতে পেরে তাঁরা আনন্দিত।

    বার্জার পেইন্টসের হেড অব ওয়ার্কস কাউসার হাসান বলেন, ‘ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের রং ও বুনন যেন এই সন্ধ্যায় ছুঁয়ে গেল চট্টগ্রামের ফ্যাশনপ্রেমীদের মন। এই আয়োজন শুধু পোশাক প্রদর্শনী নয়, বরং সময় ও রুচির এক জীবন্ত দলিল হয়ে থাকল। বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত আছে। ভবিষ্যতেও থাকবে বলে আমরা আশা করি।’

  • সোনার দাম সকাল–বিকেল দুই বেলায় কমল ভরিতে ১২,০১৪ টাকা

    দেশের বাজারে সোনার দাম আজ সকাল ও বিকেল– দুই বেলা দাম কমল। সকালে ভরিতে কমেছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। পরে বিকেলে আরেক দফা দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমানো হয়। এর ফলে একদিনেই প্রতি ভরিতে দুই দফায় দাম কমল ১২ হাজার ১৪ টাকা।

    এর মানে, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি আজ বিকেল তিনটার পর দ্বিতীয় দফা নতুন দামের ঘোষণা দেয়। নতুন দাম ৩ টা ৪৫ মিনিয় কার্যকর করা হয়েছে।

    এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ভরিতে দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়েছিল।

    ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি কমেছে। এদিকে সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার দেশে সোনার দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়েছিল। তাতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম।

    করোনার পর গত পাঁচ বছরে দেশে-বিদেশে সোনার দাম দ্রুতগতিতে বেড়েছে। এর মধ্যে দেশের বাজারে ২০২৩ সালের ২১ জুলাই প্রতি ভরি সোনার দাম প্রথম এক লাখ টাকায় ওঠে। তা গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেড় লাখ ও অক্টোবরে দুই লাখ টাকার মাইলফলক স্পর্শ করে। গত সপ্তাহে আড়াই লাখ টাকা পেরিয়ে যায়।

    এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেশ চড়া। এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৭০৩ ডলার। ভবিষ্যতেও সোনার দাম বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

    লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের (এলএমবিএ) বার্ষিক পূর্বাভাসের জরিপে বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০২৬ সালে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৭ হাজার ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। গড় দাম হতে পারে ৪ হাজার ৭৪২ ডলার। আর স্বাধীন বিশ্লেষক রস নরম্যান মনে করেন, চলতি বছর সোনার দাম ৬ হাজার ৪০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। গড় দাম হতে পারে ৫ হাজার ৩৭৫ ডলার।

  • সোনার দাম বেড়েছে, আজ ভরিতে ৪,৩৭৪ টাকা

    দেশের বাজারে আজ শনিবার সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের ভালো মানের সোনার দাম ভরিপ্রতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৫ টাকা। এর আগে দাম ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪১ টাকা। ফলে আজ ভরিপ্রতি সোনার দাম বেড়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।

    এর আগে গত সপ্তাহে দুবার সোনার দাম বাড়ানো হয়। সেবার দুই দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এবার এক দফায় বাড়ল ৪ হাজার টাকার বেশি।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ সকালে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে; সে কারণে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। যদিও মূল কারণ হলো, বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে যাওয়া।

    আজ বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভরিপ্রতি ২১ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা; ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৬ টাকা। এ ছাড়া সনাতনি পদ্ধতির সোনার দাম পড়ছে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে।

    জানুয়ারি মাসের শেষ দিক থেকেই দেশের বাজারে সোনার দামে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমনও হয়েছে, সকালে মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়ে রাতে আবার কমানো হয়েছে। গত ২৯ জানুয়ারি সোনার দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়েছিল। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। দেশের ইতিহাসে এটাই সোনার সর্বোচ্চ দাম।

    মূলত বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো-কমানো হয়। মাঝে কিছুদিন সোনার দাম কমার পর গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সময় অনুযায়ী, শুক্রবার সোনার স্পট মূল্য আউন্সপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি বেড়েছে। ফলে সোনার দাম এখন আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ২৭৮ ডলার ১০ সেন্ট।

    দুই সপ্তাহ ধরে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ওঠানামা করছে। ফলে গত ৩০ দিনে সোনার দাম কমেছে ১৫০ ডলার। যদিও গত ছয় মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১ হাজার ৭৬২ ডলার।

  • সোনার দামে এবার বড় পতন

    বড় ধরনের দরপতনের পর সম্প্রতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সোনার বাজার। তবে, সেই পুনরুদ্ধার স্থায়ী হলো না বেশিদিন। দুই দিনের ব্যবধানে এবার বড় ধরনের পতন ঘটতে দেখা গেছে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভালো মানের; অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরি প্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনকে (বাজুস)।

    এদিন সকাল ১০টার দিকে নতুন করে সোনার দাম সমন্বয় করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। নতুন করে সমন্বয়ের পর দেশের বাজারে এখন ভরি প্রতি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা পড়বে।

    এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুই দফায় সোনার দাম ভরিতে ১৬ হাজার ৩৩০ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। এতে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার আগ পর্যন্ত দেশের বাজারে এ দামেই বিক্রি হয়েছে সোনা।

    সব মিলিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত (৩৭ দিন) ২৫ বার সোনার দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৬ দফা; কমানো হয়েছে ৯ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল সোনার দাম; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

     

  • স্নাতক শেষে সবচেয়ে বেশি বেতন পান কোন ১০ বিষয়ের শিক্ষার্থী

    বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে পড়লে ভবিষ্যতে বেশি আয় করা সম্ভব—এটি সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কলেজ শেষ করার পাঁচ বছরের মধ্যেই আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি আয় করছেন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকেরা। এই তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণ। এই তথ্য ধরে আমেরিকার গণমাধ্যম সিএনবিসি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন।

    গবেষণায় পূর্ণকালীন চাকরিতে কর্মরত স্নাতকদের আয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যাঁদের সর্বোচ্চ ডিগ্রি ব্যাচেলরস এবং যাঁরা বর্তমানে শিক্ষার্থী নন।

    এগিয়ে প্রযুক্তি ও ইঞ্জিনিয়ারিং—

    ২২ থেকে ২৭ বছর বয়সী তরুণ স্নাতকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় করেন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এই তিন বিষয়ে স্নাতক শিক্ষার্থীদের গড় বছরে আয় ৮৫,০০০ ডলার বা তার বেশি। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যক্তিগত গড় আয় বছরে প্রায় ৪৫,০০০ ডলার।

    সর্বোচ্চ আয়ের শীর্ষ ১০ বিষয় কোনগুলো—

    ২২–২৭ বছর বয়সী স্নাতকদের জন্য সবচেয়ে বেশি আয় নিশ্চিত করে এমন বিষয়গুলো হলো—

    ১. কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং: ৯০,০০০ ডলার

    ২. কম্পিউটার সায়েন্স: ৮৭,০০০ ডলার

    ৩. কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: ৮৫,০০০ ডলার

    ৪. এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং: ৮৫,০০০ ডলার

    ৫. ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং: ৮৩,০০০ ডলার

    ৬. ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: ৮২,০০০ ডলার

    ৭. মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: ৮০,০০০ ডলার

    ৮. কনস্ট্রাকশন সার্ভিসেস: ৭৫,০০০ ডলার

    ৯. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং: ৭৫,০০০ ডলার

    ১০. জেনারেল ইঞ্জিনিয়ারিং: ৭৫,০০০ ডলার

    ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব কলেজেস অ্যান্ড এমপ্লয়ার্সের তথ্য অনুসারে, ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতকদের গাণিতিক এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার জন্যই চাকরির বাজারে এখনও জোরালো চাহিদা রয়েছে। যদিও আয় বেশি, তবু আমেরিকাজুড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক শিক্ষার্থী কিন্তু অনেক কমই। ন্যাশনাল সেন্টার ফর এডুকেশনাল স্ট্যাটিস্টিকসের এক তথ্য বলছে দেশটির স্নাতক শিক্ষার্থীদের মধ্য মাত্র ৬ শতাংশ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি নেওয়া।

    এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির কারণে কাজের ধরনে পরিবর্তন আসছে। অনেকে মধ্য শঙ্কা আছে এসব বিষয়ে স্নাতক শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারের চাহিদা কমে যায় কি না, তা নিয়ে। তবে আমেরিকার শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, পরবর্তী দশকে প্রকৌশল ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীরা  ভালো বেতনের চাকরি পাচ্ছেন। ২২-২৭ বছর বয়সী স্নাতকদের পরে ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী স্নাতকদের মধ্যেও এটি দেখা গেছে। নিউইয়র্ক ফেডের মতে, এই বয়সের প্রকৌশল বিভাগের স্নাতকদের বছরে গড় বেতন কমপক্ষে ১ লাখ ডলার।

    ১. কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: ১৩৫,০০০ (ডলার)

    ২. কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং: ১৩১,০০০

    ৩. অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং: ১৩০,০০০

    ৪. ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: ১২৩,০০০

    ৫. কম্পিউটার সায়েন্স: ১২০,০০০

    ৬. মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: ১২০,০০০

    ৭. কনস্ট্রাকশন সার্ভিস: ১২০,০০০

    ৮. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং: ১১৫,০০০

    ৯. ইকোনমিকস: ১১৫,০০০

    ১০. ফিন্যান্স: ১১২,০০০

    ১১. বিজনেস অ্যানালিটিকস: ১০৯,০০০

    ১২. জেনারেল ইঞ্জিনিয়ারিং: ১০৫,০০০

    ১৩. ফিজিকস: ১০৫,০০০

    ১৪. ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিস: ১০৪,০০০

    ১৫. গণিত: ১০০,০০০

    ১৬. ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং: ১০০,০০০

    ১৭. ইনফরমেশন সিস্টেম: ১০০,০০০

    ১৮. মার্কেটিং: ১০০,০০০

    ১৯. বায়োকেমিস্ট্রি: ১০০,০০০

    ২০. পলিটিক্যাল সায়েন্স: ১০০,০০০

  • স্যামসনের দুর্দান্ত ৯৭* রানে রেকর্ড গড়ে সেমিফাইনালে ভারত

    অসাধারণ স্যামসন, নাকি আরও বেশি কিছু

    এই ইনিংসকে অসাধারণ বললেও কম হবে! ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রান করেছেন। তাতে সেই অর্থে তেমন ঝুঁকিও নেননি। ৫০ করে বাড়তি উল্লাস করেননি, মনযোগ ধরে রেখে দলকে সেমিফাইনালে তুলেছেন।

    অথচ এই সঞ্জু স্যামসনই ভারতের মূল একাদশে জায়গা পেতেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের হারের পর একাদশে সুযোগ পান ওপেনার।

    স্যামসনকে সাপোর্ট দিয়েছেন অন্যরাও। তিলকের ১৫ বলে ২৭, পান্ডিয়ার ১৪ বলে ১৭ রানের ছোট ইনিংসগুলোতে তাঁর কাজটা সহজ হয়েছে। ভারত পেয়েছে ৫ উইকেটের জয়। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।

    মুম্বাইয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ভারত।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৯৫/৪ ( চেজ ৪০, হোল্ডার ৩৭*, পাওয়েল ৩৪*; বুমরা ২/৩৬, পান্ডিয়া ১/৪০)। ভারত: ১৯.২ ওভারে ১৯৯/৫ (স্যামসন ৯৭*, তিলক ২৭; হোল্ডার ২/৩৮, শামার ২/৪২)। ফল: ভারত ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: সঞ্জু স্যামসন
  • ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা পাচ্ছে বাংলাদেশের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’

    আবারও তহবিল পেল বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড।’ ইতালির ফ্যাশন হাউস প্রাডার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে প্রাডা থেকে এই তহবিল পেল সিনেমাটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশের সিনেমাটিসহ ১৪টি দেশের সিনেমার প্রকল্প এই অনুদান পাচ্ছে।

    সব কটি সিনেমা ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার সহায়তা পাবে। এই তালিকায় দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড পাবে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার তহবিল (৮০ হাজার ইউরো)। এর আগে একক ভাবে দেশের কোনো সিনেমা এত বড় অঙ্কের সহায়তা কোনো সিনেমা পায়নি।

    ফন্ডাজিওনে প্রাডা সাইট থেকে জানা যায়, নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর নির্মাতাদের মধ্যে ছয়জন নারী ও আটজন পুরুষ রয়েছেন। বাংলাদেশের দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন নারী নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেন। তিনি রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথম আলোকে জানান, বেশ কয়েক দিন আগেই শুনেছেন পোস্ট প্রোডাকশন প্রকল্প হিসেবে তাঁর সিনেমাটি তহবিল–সহায়তা পাচ্ছে।

    পরিচালক  রুবাইয়াত হোসেন
    পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন
     

    সিনেমাটির সম্পাদনার কাজ শেষ করে ফ্রান্স থেকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন রুবাইয়াত। এবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন পর্তুগালের লিসবনে যাওয়ার সেখানে আবহসংগীতসহ (ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর) বেশ কিছু কাজ রয়েছে। তবে বড় চিন্তা ছিল সিনেমাটির ভিডিও ইফেক্টের গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে। কারণ, এর জন্য বড় অঙ্কের অর্থ দরকার ছিল। এমন সময়ে তিনি এই তহবিলের সুসংবাদ পান।

    ‘এটা আমার জন্য অনেক বড় খবর। আমার সিনেমাটি হরর ঘরানার। অনেক ভিডিও ইফেক্টের কাজ রয়েছে। সেগুলো এ সময়ে পেশাগতভাবে (প্রফেশনাল) করার জন্য অনেক অর্থ দরকার। সেখানে এই তহবিল আমাদের নতুন আশা দেখাচ্ছে। এখন আমরা কাজটি আরও সুন্দরভাবে করতে পারব। আমরা হয়তো পোস্টের যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলাম, সেই জায়গাটি পার করতে পারব’, বলেন রুবাইয়াত।

    ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রাথমিক পোস্টার। ছবি: পরিচালকের সৌজন্যে
    ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রাথমিক পোস্টার। ছবি: পরিচালকের সৌজন্যে

    নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে চারটি চিত্রনাট্য উন্নয়ন (ডেভেলপমেন্ট) পর্যায়ে রয়েছে, ৯টি নির্মাণাধীন (প্রোডাকশন) সিনেমা এই তহবিলের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। পাশাপাশি পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে—এমন একটি সিনেমার তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের সিনেমাটি। এসব প্রকল্পে ৫ মহাদেশের ২৬টি দেশের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে।

    ‘আমি দেশের প্রচলিত গল্প নিয়ে কাজ করতে চাই। যে গল্পে উঠে আসবে আমাদের নারীদের কথা। আমাদের নিজস্ব কথা, আমাদের সংস্কৃতির কথা। আমাদের নিজস্ব গল্পগুলোর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চাহিদা রয়েছে বলেই কিন্তু আমাদের সিনেমাটি নানান জায়গা থেকে সহায়তা পাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের প্রযোজক যুক্ত হচ্ছেন। ডিস্ট্রিবিউটর আসছে। হয়তো আমরা যে স্বপ্ন নিয়ে সিনেমাটি বানিয়েছি সেই জায়গাটায় পৌঁছাতে পারব।’

    বিয়ে, মেকআপ ও একটি বিউটি পারলারের গল্প নিয়েই এই সিনেমা। এর মধ্যে তুলে ধরেছেন সচেতনতার বার্তা। সিনেমার জনরা সামাজিক হলেও এর সঙ্গে যোগ হয়েছে হরর ঘরানা। এর আগে মেহেরজান, আন্ডার কনস্ট্রাকশন, মেড ইন বাংলাদেশ সিনেমাগুলো বানালেও এবার প্রথম হরর বেছে নিয়েছেন তিনি। জানালেন এবারের গল্পটা তাঁর শৈশবে পারলারে চুল কাটাতে যাওয়ার দিনগুলোতে শোনা গল্প। যে গল্পের প্রধান উপাদান তাকে প্রতিবার পারলারে গিয়ে চুল কাটতে গিয়ে ভয়ের জগতে নিয়ে যেত। সেই শোনা গল্পটিই একটু একটু করে এক যুগের বেশি সময় ধরে ডানা মেলেছে। তবে সেই গল্প এখনই প্রকাশ করতে চান না।

    সিনেমায় অভিনয় করেছেন  আজমেরী হক বাঁধন,সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল ও রিকিতা নন্দিনী শিমু। কোলাজ
    সিনেমায় অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন,সুনেরাহ্‌ বিনতে কামাল ও রিকিতা নন্দিনী শিমু। 
     

    রুবাইয়াতের এই সিনেমা এর আগে জার্মান ওয়ার্ল্ড সিনেমা ফান্ড, পর্তুগালের ফিল্ম ইনস্টিটিউট, ইউইমেজেসসহ বেশ কিছু জায়গা থেকে আর্থিক সহায়তা পায়। পর্তুগাল, নরওয়ে, জার্মানি, ফ্রান্স ও বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়। তবে এবারের অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা। কারণ, তিনি বিখ্যাত সব নির্মাতার সঙ্গে এই তহবিল পাচ্ছেন।

    প্রশংসিত নির্মাতাদের মধ্যে রয়েছেন কান চলচ্চিত্র উৎসবের স্বর্ণপাম জয়ী থাই নির্মাতা আপিচাতপং দারাসেথাকুল। তিনি এবার জেনজিরাস ম্যাগনিফিসেন্ট ড্রিম নিয়ে আসছেন। ম্যাক্সিকান পরিচালক তাতিয়ানা হুয়েজো, যিনি ২০২৩ সালে দ্য ইকো সিনেমার জন্য বার্লিনের এনকাউন্টারস বিভাগে সেরা পরিচালকের পুরস্কার পান, তাঁর আগে কান উৎসব থেকে তাঁর প্রেয়ার্স ফর দ্য স্টোলেন আঁ সার্তে রিগা বিভাগে বিশেষ স্বীকৃতি পায়। এ ছাড়া আছেন জর্জিয়ান-সুইডিশ পরিচালক লেভান আকিন; বার্লিন থেকে জুরি পুরস্কার পেয়েছিল তাঁর ক্রসিং সিনেমাটি। ফন্ডাজিওনে প্রাডা ফিল্ম ফান্ড প্রথমবারের মতো বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবের মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে অর্থায়ন করছে।

    সিনেমার প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে জাইনীন করিমকে। আগে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করা জাইনীনের এবারই সিনেমায় অভিষেক হচ্ছে। দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইডে অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন, সুনেরাহ বিনতে কামাল ও রিকিতা নন্দিনী শিমু। সবশেষে পরিচালক জানান, সিনেমাটি নিয়ে শীর্ষ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যেতে চান।

  • ১০ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকদের সাধারণ ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ফলে ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি-টানা তিন দিন শিল্পকারখানার শ্রমিকদের ছুটি থাকবে।

    তবে এর মধ্যে ১০ ফেব্রুয়ারির সাধারণ ছুটি ভোগ করার পর শ্রমিকদের দিয়ে পরবর্তীতে একদিন কাজ করাতে পারবেন কারখানা মালিকরা।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানায়।

    এতে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।

    উল্লেখ্য, পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজেএমইএর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রেস উইং।

  • ১১০ রান করেও বড় জয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

    পুরো ২০ ওভার খেলে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল করতে পেরেছিল ৮ উইকেটে ১১০ রান। যে কোনো ধরনের টি–টুয়েন্টি ক্রিকেটেই রানটা কম। জিতলেও কঠিন লড়াই হওয়ার কথা। কিন্তু পাকিস্তান নারী ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই রান নিয়ে জিততে কোনো কষ্টই হয়নি বাংলাদেশের।

    ব্যাংককে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৬ রানে অলআউট করে ৫৪ রানের বড় জয় পেয়েছে ফাহিমা খাতুনের দল। এই জয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল।

    অল্প রান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল পাকিস্তান। প্রথম ৬ ওভারে ২১ রান তুলতে হারায় ২ উইকেট। পাওয়ার প্লের পর বোলিংয়ে এসে দলটিকে আরও চাপে ফেলেন অধিনায়ক ফাহিমা।

    নিজের প্রথম ২ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ফাহিমা। এ সময় পাকিস্তান উইকেট হারায় রানআউটেও। মাত্র ৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখনই ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে যায় পাকিস্তান। পরের ৫ উইকেটে ২৬ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সানজিদা আক্তার ৩.৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।

    এর আগে ব্যাট হাতে বাংলাদেশের রান তিন অঙ্কে নিতে মূল ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক ফাহিমা। ৩২ বলের ইনিংসে ৫ চারে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। আর কোনো ব্যাটার ২০ রানও করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ বলে ১৫ রান করেন শারমিন সুলতানা। ৬ ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরতে দেখা ফাহিমা একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের রানের চাকা সচল রাখেন। সেই রানে শেষ পর্যন্ত জয়ও এসেছে। ব্যাট–বলের পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন ফাহিমা।

    রোববার ভারত ‘এ’ নারী দলের বিপক্ষে ফাইনালে নামবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর:
    বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল: ২০ ওভারে ১১০/৮ (ফাহিমা ৩২, শারমিন ১৫, শামীমা ১৩; হাফসা ২/২৫)।
    পাকিস্তান নারী ‘এ’ দল: ১৬.৪ ওভারে ৫৬/১০ (শাওয়াল ১৪, , হাফসা ১২; সানজিদা ৩/৬, ফাহিমা ২/৬)।
    ফল: বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল ৫৪ রানে জয়ী।

  • ১২ কেজির এলপিজির দাম বাড়ল ৫০ টাকা

    ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে বাড়ল ৪ টাকা ২১ পয়সা।

    চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। অর্থাৎ জানুয়ারিতে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। গত মাসে দাম বেড়েছিল ৫৩ টাকা।

    আজ সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই নতুন দাম ঘোষণা করেন। আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

    সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। তবে গত এক মাস ধরে এলপিজির সরবরাহ–সংকট চলছে। প্রতি সিলিন্ডারে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, দাম নির্ধারণের কারণেই বাড়তি দামের বিষয়টি বোঝা যায়। কমিশন আইন অনুসারে দাম ঘোষণা করছে। বাজারে সরবরাহ কম থাকায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

    বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মুসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৪ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। অর্থাৎ এই মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা।

    এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

    সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা।

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

    এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

  • ২০ মিনিটে এক ধর্ষণ! ভারতে ধর্ষণের ভয়াবহতা মনে করিয়ে দিল ‘অসসি’

    মুম্বাই
  • ২০২৮ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, নিশ্চিত করল আইসিসি

    বাংলাদেশ কি ২০২৮ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে পারবে? ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলা এবারের বিশ্বকাপ না খেলায় এমন প্রশ্ন ছিল অনেকেরই। আজ সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

    আইসিসির সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৮ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া–নিউজিল্যান্ডে হতে যাওয়া আসরটিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে।

    আজ কলম্বোয় নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। পাকিস্তান ছাড়াও সুপার এইটে উঠেছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড।

    আজ সুপার এইট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান
    আজ সুপার এইট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান, এএফপি
     

    টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইবিধি অনুযায়ী, সুপার এইটে ওঠা সব দলই ২০২৮ বিশ্বকাপ আসরের জন্য সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে অন্যতম আয়োজক হিসেবে নিউজিল্যান্ডের জায়গা আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। অস্ট্রেলিয়া এবার সুপার এইটে ওঠেনি, তবে স্বাগতিক হিসেবে খেলা নিশ্চিত।

    আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের মাধ্যমে উঠে আসবে ৮টি দল। বাকি ১২টির মধ্যে ৯টি ঠিক হয়েছে এবারের আসরের পারফরম্যান্স ও স্বাগতিক হওয়ার মাধ্যমে। অন্য তিনটি চূড়ান্ত হবে টি–টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। আগামী ৯ মার্চ (ফাইনালের পরদিন) র‌্যাঙ্কিংয়ের হিসাব অনুযায়ী এই তালিকা চূড়ান্ত হবে।

    তবে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডই ওই তিনটি জায়গা নেবে। বাংলাদেশ আছে ৯ নম্বরে, আফগানিস্তান ১০ আর আয়ারল্যান্ড ১২ নম্বরে। আগামী ৯ মার্চের মধ্যে এমন কোনো আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টি নেই, যাতে এই তিন দলের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব পড়তে পারে। যে কারণে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের ২০২৮ আসরে খেলা এখনই নিশ্চিত।

  • ২৪ ঘণ্টাই নিজেকে দেখাতে চান না সবিতা

    বর্তমান সময়ের বিনোদন–দুনিয়ায় আলোচনায় থাকার যেন এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা। নতুন সিনেমা হোক বা ব্যক্তিগত জীবন—সোশ্যাল মিডিয়া, প্রচারণা আর জনসংযোগ–কৌশলের মাধ্যমে সব সময় সামনে থাকতে পারলেই যেন সফলতা। কিন্তু এই ধারা থেকে সচেতনভাবেই দূরে থাকতে চান অভিনেত্রী সবিতা ধুলিপালা। তাঁর কথায়, তিনি বিশ্বাস করেন না অতিরিক্ত প্রচারণায়; বরং কাজ দিয়েই দর্শকের সামনে থাকতে চান।
    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সবিতা জানান, ক্যারিয়ারের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে তিনি জনসংযোগ টিমের সঙ্গে কাজ করলেও তা তাঁর ব্যক্তিত্ব বা জীবনদর্শনের সঙ্গে পুরোপুরি যায় না। তিনি মনে করেন, সব সময় সংবাদে থাকা বা ২৪ ঘণ্টা দৃশ্যমান থাকা তাঁর জন্য জরুরি নয়।

    অভিনেত্রীর ভাষায়, প্রত্যেক শিল্পীর পথ আলাদা। কারও জন্য জনসংযোগ কাজ করতে পারে, আবার কারও জন্য নয়। নিজের পছন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্য থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি চান কাজের মাধ্যমে পরিচিত হতে, ব্যক্তিগত আলোচনারকেন্দ্রবিন্দু হয়ে নয়।

    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    তারকা–সংস্কৃতির ভেতরের ক্লান্তি
    বলিউড ও ওটিটির বর্তমান সংস্কৃতিতে প্রায়ই দেখা যায়, সিনেমার চেয়ে প্রচারণাই বেশি আলোচিত হয়ে ওঠে। কখনো পোশাক, কখনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত উপস্থিতি—এগুলো যেন ক্যারিয়ারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।

    এ প্রসঙ্গে সবিতা বলেন, তিনি সব প্রশ্নের উত্তর জানেন না, তবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছেন, কোন জীবনধারা তাঁকে মানায়। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে আসা একজন শিল্পী হিসেবে তিনি ধীরে ধীরে নিজস্ব ছন্দ তৈরি করেছেন।
    সবিতার মতে, সফলতার কোনো একক নিয়ম নেই। কেউ প্রচারণার মাধ্যমে জনপ্রিয় হন, আবার কেউ নিজের কাজের গুণেই জায়গা করে নেন। তিনি দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিতে চান।

    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    নিজের শিকড়ে ফেরা
    একই সাক্ষাৎকারে সবিতা কথা বলেন তেলেগু সিনেমায় ফেরা নিয়ে। বহুদিন পর তিনি মাতৃভাষার একটি প্রজেক্টে কাজ করছেন। এ অভিজ্ঞতাকে তিনি বলেছেন ‘স্বস্তিদায়ক’।

    সবিতার মতে, ‘মাতৃভাষায় অভিনয় করতে গেলে সংলাপের সঙ্গে অনুভূতির সংযোগ আরও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে জটিল শব্দ বা দ্রুত সংলাপ বলার সময় ভাষাগত স্বাচ্ছন্দ্য অভিনয়কে সহজ করে দেয়।’
    তেলেগু সিনেমার দর্শক হিসেবে সব সময় সংযুক্ত থাকলেও দীর্ঘ সময় পর আবার সেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা সবিতার জন্য নতুন আনন্দের অভিজ্ঞতা।

    তারকা, কিন্তু আলাদা পথে
    সবিতার ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যায়, শুরু থেকেই তিনি একটু ভিন্ন ধরনের চরিত্র ও প্রকল্প বেছে নিয়েছেন। গ্ল্যামারাস চরিত্রের বাইরে তিনি বরাবরই শক্তিশালী নারী চরিত্রে কাজ করতে আগ্রহী।

    ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব