• চোখের সামনেই মায়ের হাতে বাবা খুন, ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন অভিনেত্রী

    অস্কারজয়ী হলিউড তারকা শার্লিজ থেরন সম্প্রতি তাঁর জীবনের এক গভীর ও মর্মান্তিক অধ্যায় নিয়ে নতুন করে মুখ খুলেছেন। একটি ঘটনা, যা তাঁর কৈশোরকে বদলে দিয়েছিল চিরতরে। তবে বিস্ময়করভাবে সেই ভয়াবহ স্মৃতির মধ্যেও তিনি আজ নিজেকে ‘আতঙ্কিত’ মনে করেন না; বরং তিনি বিশ্বাস করেন, এ ধরনের গল্প বলা জরুরি, যাতে অন্যরা নিজেদের একা মনে না করে।

    ১৯৯১ সাল, তখন থেরনের বয়স মাত্র ১৫। দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁদের বাড়িতে এক রাতে ঘটে যায় ভয়াবহ এক ঘটনা। তাঁর বাবা চার্লস থেরন মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে এসে চরম উত্তেজিত ও সহিংস আচরণ করতে থাকেন। পারিবারিক অশান্তি তাঁর জীবনে নতুন ছিল না, কিন্তু সেদিনের পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন—অস্বাভাবিকভাবে বিপজ্জনক।
    থেরন স্মৃতিচারণা করে বলেন, সেই রাতে আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। বাবার আচরণ, গাড়ি চালানোর ভঙ্গি—সবকিছুতেই ছিল একধরনের অস্থিরতা ও হুমকির ইঙ্গিত। তিনি নিজের ঘরে আলো নিভিয়ে ভয়ে অপেক্ষা করছিলেন।একপর্যায়ে তাঁর বাবা অস্ত্র হাতে বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করেন। এমনকি তিনি দরজায় গুলি চালান, যা দক্ষিণ আফ্রিকার তৎকালীন সহিংস বাস্তবতারই প্রতিফলন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠে যে প্রাণনাশের আশঙ্কাও তৈরি হয়।

    শার্লিজ থেরন। রয়টার্স
    শার্লিজ থেরন। রয়টার্স

    এই অবস্থায় থেরন ও তাঁর মা গেরদা মরিৎজ আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র হাতে নেন। তিনি মেয়েকে নিয়ে একটি ঘরে আশ্রয় নেন এবং দরজা ধরে রাখেন। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত আত্মরক্ষার জন্য তিনি গুলি চালান—যাতে চার্লস থেরন নিহত হন।

    এ ঘটনার ভয়াবহতা সত্ত্বেও শার্লিজ থেরন বলেন, তিনি এটিকে এমনভাবে দেখেন না যে এটি তাঁকে সারা জীবন তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে; বরং তিনি মনে করেন, এটি এমন একটি বাস্তবতা, যা অনেক পরিবারেই ঘটে, কিন্তু খুব কমই প্রকাশ্যে আসে।

    থেরনের ভাষায়, ‘এ ধরনের ঘটনা নিয়ে কথা বলা উচিত। কারণ, এতে অন্যরা বুঝতে পারে যে তারা একা নয়।’ তিনি মনে করেন, পারিবারিক সহিংসতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা, যা প্রায়ই গুরুত্ব পায় না—বিশেষ করে নারীদের অভিজ্ঞতা অনেক সময় উপেক্ষিত হয়।

    এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাই থেরনকে পরবর্তী সময়ে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রাণিত করেছে। জাতিসংঘের শান্তির দূত হিসেবে কাজ করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত হয়ে তিনি এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

    পিপলডটকম অবলম্বনে

  • চ্যাটজিপিটি থেকে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা বা সংরক্ষণের উপায়

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক সময় ব্যবহারকারীরা অজান্তেই বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করে ফেলেন। ই–মেইল ঠিকানা, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য কিংবা ব্যক্তিগত অভ্যাস এ ধরনের নানা তথ্য কথোপকথনের মধ্যেই চলে যেতে পারে। তবে প্রয়োজনে এসব তথ্য মুছে ফেলা, নিজের তথ্যের কপি ডাউনলোড করা কিংবা পুরো অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে অপসারণের সুযোগ রেখেছে ওপেনএআই। এ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি চালু করেছে একটি আলাদা প্রাইভেসি পোর্টাল।

    প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিয়ন্ত্রণসুবিধা ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য অপসারণের অনুরোধ না করা হলে ওপেনএআই ব্যবহারকারীর কিছু ব্যক্তিগত তথ্য ও কথোপকথনের ইতিহাস সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি ব্যবহারকারী আলাদাভাবে নিষ্ক্রিয় না করলে তাদের দেওয়া নির্দেশনা বা ‘প্রম্পট’ ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল প্রশিক্ষণের কাজেও ব্যবহৃত হতে পারে।

    দেখে নেওয়া যাক চ্যাটজিপিটি থেকে কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা করা যায়।

    প্রাইভেসি পোর্টাল থেকে তথ্য মুছে ফেলা

    ওপেনএআইয়ের প্রাইভেসি পোর্টাল (প্রাইভেসি.ওপেনএআই.কম) ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনার একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম। এখান থেকে ব্যবহারকারীরা অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা, নিজস্ব জিপিটি (কাস্টম জিপিটি) অপসারণ করা কিংবা নিজের কনটেন্টকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানাতে পারেন। এ ছাড়া প্ল্যাটফর্মটিতে নিজের সম্পর্কে কী ধরনের তথ্য সংরক্ষিত আছে, সেটিও জানা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত তথ্যের একটি কপি ডাউনলোডের অনুরোধ করতে পারেন। সাধারণত এতে অ্যাকাউন্ট–সংক্রান্ত তথ্য, কথোপকথনের ইতিহাস এবং আপলোড করা ফাইলের তথ্য থাকে। প্রাইভেসি পোর্টাল ব্যবহারের জন্য প্রথমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘মেক আ প্রাইভেসি রিকোয়েস্ট’ অপশনে ক্লিক করতে হয়। কম্পিউটার থেকে ব্যবহার করলে অপশনটি পেজের ডান পাশে ওপরে থাকে; আর মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে সাধারণত পেজের নিচের দিকে দেখা যায়। এরপর ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করা হয়। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য সরকারি পরিচয়পত্র অথবা বহুমাত্রিক যাচাইকরণ–পদ্ধতি ব্যবহার করা হতে পারে। পরবর্তী ধাপে কয়েকটি বিকল্পের মধ্য থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী একটি নির্বাচন করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে নিজের তথ্য ডাউনলোড করা, নিজের কনটেন্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণে ব্যবহার না করার অনুরোধ, চ্যাটজিপিটি অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা, নিজস্ব জিপিটি অপসারণ কিংবা চ্যাটজিপিটির উত্তরে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য সরিয়ে নেওয়ার আবেদন। প্রয়োজনীয় অপশন নির্বাচন করার পর বসবাসের দেশ উল্লেখ করে ‘সাবমিট রিকোয়েস্ট’ বাটনে ক্লিক করলেই অনুরোধটি জমা দেওয়া যায়।

    ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় করণীয়

    অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি মুছে না ফেলেও কিছু সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের গোপনীয়তা আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। চ্যাটজিপিটির সেটিংসে গিয়ে ডেটা কন্ট্রোল এ যেতে হবে। এরপর সেখানে থাকা ‘ইমপ্রুভ দ্য মডেল ফর এভরিওয়ান’ অপশনটি বন্ধ করলে ব্যবহারকারীর কথোপকথন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হবে না। একইভাবে ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ–সংক্রান্ত মেমোরি–সুবিধাটিও প্রয়োজনে বন্ধ রাখা যায়। মেমোরি অপশনটি সেটিংসের অ্যাপ অপশনে পাওয়া যাবে। সংবেদনশীল আলোচনার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেম্পোরারি চ্যাট–সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। টেম্পোরারি চ্যাট চালু করতে নতুন চ্যাটে গিয়ে ওপরে ডান দিকে থাকা টেম্পোরারি আইকনে ক্লিক করতে হবে। এই সুবিধায় করা কথোপকথন সাধারণত স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় না এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের কাজেও ব্যবহার করা হয় না। তবে কিছু তথ্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকতে পারে। এ ছাড়া ব্যবহারকারীরা চাইলে আগের চ্যাটগুলো আলাদাভাবে মুছে ফেলতে পারেন। এ জন্য চ্যাট তালিকায় গিয়ে কম্পিউটার থেকে চ্যাটটির ডান পাশে পাশে থাকা তিনটি আইকন এবং স্মার্টফোন থেকে চ্যাটটি প্রেস করে ধরে রেখে ট্র্যাশ আইকনে ক্লিক করলেই সংশ্লিষ্ট চ্যাট মুছে যায়। সাধারণত এ ধরনের তথ্য ৩০ দিনের মধ্যে সিস্টেম থেকে সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হয়।

    সূত্র: বিজিআর ডটকম

  • চ্যাম্পিয়নস লিগ আর্সেনালের প্রথম নাকি পিএসজির টানা দুই

    ঢাকা

  • চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলেই ইউরোপীয় পরাশক্তির কাতারে আর্সেনাল

    ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম সফল ক্লাব আর্সেনাল। তবে ইউরোপীয় ফুটবলের আসরে এখনও পুরোপুরি ‘মহাশক্তি’ হয়ে উঠতে পারেনি তারা। কারণ, ক্লাবটির ঝুলিতে এখনও নেই কোনো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মর্যাদার এই পুরস্কারটি ছাড়া কোনো ক্লাবই ইউরোপীয় ফুটবলের এলিট কাতারে জায়গা করে নিতে পারে না।

    আগামীকাল শনিবার (৩০ মে) স্থানীয় সময় রাত ১০টায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর বিপক্ষে মাঠে নামবে গানাররা।  

    ম্যাচটি শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়, বরং এটি আর্সেনালের ইতিহাস বদলে দেওয়ার সুযোগ। কোচ মিকেল আর্তেতার দল জিততে পারলে সেটিই হবে ক্লাবটির প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।

    আর্সেনালের ইতিহাসে দেশীয় সাফল্যের অভাব নেই। ১৯৭১ সালের ডাবল জয়, ২০০৪ সালে টানা ৪৯ ম্যাচ অপরাজিত থাকার ‘ইনভিনসিবলস’ খেতাব এসব মুহূর্ত ইংলিশ ফুটবলের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়। কিন্তু ইউরোপের সেরা ক্লাবগুলোর তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদ, এসি মিলান, লিভারপুল, বার্সেলোনা  কিংবা বায়ার্ন মিউনিখের  পাশে আর্সেনালকে বসাতে গেলে বড় ঘাটতি হয়ে দাঁড়ায় ইউরোপিয়ান কাপের অনুপস্থিতি। 

    বিশ্লেষকদের মতে, ঘরোয়া সাফল্য যত বড়ই হোক, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ছাড়া বৈশ্বিক মর্যাদা পূর্ণতা পায় না। যেমন এসি মিলান কিংবা আয়াক্স এখন আগের মতো প্রভাবশালী না হলেও, ইউরোপিয়ান সাফল্যের কারণে আজও তাদের আলাদা মর্যাদা রয়েছে।

    গত বছর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পর পিএসজির অবস্থানও বদলে গেছে। আগে শুধুমাত্র ফরাসি লিগে আধিপত্যের জন্য সমালোচিত হলেও, এখন কোচ লুইস এনরিকের দলকে ইউরোপের অন্যতম সেরা দল হিসেবে দেখা হয়।

    গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে  পিএসজি'র বিপক্ষে আর্সেনালের একটি আক্রমণ

    ফাইনালে পিএসজি ফেভারিট হলেও আর্সেনালকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। চলতি মৌসুমে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় এখনো অপরাজিত আর্তেতার দল। বিশেষ করে রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ও সেট-পিস থেকে গোল করার দক্ষতা তাদের বড় শক্তি।

    বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাচে আর্সেনাল যদি প্রথম গোল করতে পারে, তাহলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সামর্থ্য তাদের রয়েছে। চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম গোল করা প্রতিটি ম্যাচেই জিতেছে গানাররা।

    ফুটবলবিশ্বে ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে সম্মান অর্জনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, এমনটাই মনে করেন অনেকে। আর সেই সম্মানকে স্থায়ী রূপ দিতে আর্সেনালের সামনে এখন সবচেয়ে বড় সুযোগ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়।

    (সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ) 

  • চড় খেয়ে সেট থেকে বের হওয়া সেই তারকা আজ ৪০০ কোটি টাকার মালিক

    টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মানেই হালকা মেজাজ, রসিকতা আর অনায়াস বিনোদন। ‘মানুষ হাসানো’ পেশা বানিয়ে যিনি গড়ে তুলেছেন নিজের আলাদা সাম্রাজ্য, তিনি কপিল শর্মা। অথচ এই জায়গায় পৌঁছানোর পথটা একেবারেই সহজ ছিল  না। মাত্র ৫০০ টাকা আয় দিয়ে শুরু করা এই কমেডিয়ান এখন প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক। উপার্জনের দিক থেকেও তিনি ভারতীয় ছোট পর্দার সবচেয়ে এগিয়ে থাকা তারকাদের একজন। আজ তাঁর জন্মদিন।

    ১৯৮১ সালের ২ এপ্রিল ভারতের অমৃতসরে জন্ম কপিল শর্মার। বাবা ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল, মা গৃহিণী। সীমিত আয়ের সংসারে বড় হওয়া কপিল ছোটবেলা থেকেই গান, অভিনয় আর মঞ্চের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁর এই আগ্রহকে নিরুৎসাহিত করা হয়নি, বরং উৎসাহই পেয়েছেন বেশি।

    ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকে একটি অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। ২০০১ সালে ‘গদর: এক প্রেম কথা’ ছবির শুটিং অমৃতসরে হলে সেটে গিয়ে ছোট একটি দৃশ্যে অভিনয়ের সুযোগ পান। কিন্তু শুটিংয়ের সময় নির্দেশনা ঠিকভাবে অনুসরণ করতে না পারায় অ্যাকশন পরিচালক তিনু বর্মার বকুনি তো খেয়েছিলেনই, এমনকি চড় দিয়ে সেট থেকে বের করে দেওয়া হয় তাঁকে। ঘটনাটি কপিল পরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করে বলেছেন, সেটাই তাঁকে নিজের দক্ষতা প্রমাণের জন্য আরও দৃঢ় করে তোলে।

    ব্যর্থতাই তাঁকে শক্তি দিয়েছিল। তিনি ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান লাফার চ্যালেঞ্জে’ দিল্লি থেকে অংশ নেন। জয়ী হয়ে ফেরেন কপিল শর্মা
    ব্যর্থতাই তাঁকে শক্তি দিয়েছিল। তিনি ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান লাফার চ্যালেঞ্জে’ দিল্লি থেকে অংশ নেন। জয়ী হয়ে ফেরেন কপিল শর্মা, ফেসবুক থেকে
     

    প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে টেলিভিশনের শীর্ষে
    ২০০৭ সালে তাঁর জীবনের বড় বাঁক আসে। ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান লাফটার চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হন তিনি। পুরস্কার হিসেবে পান ১০ লাখ টাকা, যা তাঁর জীবনের প্রথম বড় সাফল্য। এখান থেকেই জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি পান কপিল। এরপর ‘কমেডি সার্কাস’-এর একাধিক আসরে অংশ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে জয়ী হয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন দক্ষ কমেডিয়ান হিসেবে। তাঁর তাৎক্ষণিক সংলাপ বলার ক্ষমতা, সাধারণ বিষয়কে হাস্যরসে রূপ দেওয়ার দক্ষতা তাঁকে দ্রুত দর্শকের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।

    স্ত্রী গিনি ছত্রাতের সঙ্গে কপিল শর্মা
    স্ত্রী গিনি ছত্রাতের সঙ্গে কপিল শর্মা

    বিতর্ক, বিরতি ও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প
    তবে সাফল্যের ধারাবাহিকতা সব সময় একই রকম থাকে না। ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে এসে কপিল শর্মাকে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। সহশিল্পী সুনীল গ্রোভার ও আলী আসগরের সঙ্গে বিরোধ, শোর জনপ্রিয়তা কমে যাওয়া এবং ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে সমালোচনা—সব মিলিয়ে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে আসে, যা তাঁর মানসিক চাপের ইঙ্গিত দেয়। একসময় এমন অবস্থাও তৈরি হয়, যখন তাঁর অনুষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

    এই কঠিন সময় থেকেই আবার ঘুরে দাঁড়ান কপিল। কিছু সময় বিরতি নিয়ে নিজেকে গুছিয়ে ফেরেন তিনি। নতুনভাবে শুরু হওয়া ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ আবারও দর্শকদের মন জয় করে নেয়। আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও পরিণতভাবে নিজেকে উপস্থাপন করেন তিনি।

    টেলিভিশনের বাইরে বড় পর্দায়ও কাজ করেছেন কপিল শর্মা। ২০১৫ সালে ‘কিস কিস কো প্যার করু’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তাঁর। এরপর ‘ফিরঙ্গি’, ‘জুইগ্যাটো’ এবং সাম্প্রতিক ‘ক্রু’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও কাজ করেছেন—‘দ্য অ্যাংরি বার্ডস মুভি টু’ ছবিতে একটি চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

    ‘দ্য কপিল শর্মা শো’তে কপিল শর্মা
    ‘দ্য কপিল শর্মা শো’তে কপিল শর্মা, ভিডিও থেকে
     

    অর্থনৈতিক সাফল্যের দিক থেকেও কপিল শর্মা এখন শীর্ষে। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। মুম্বাইয়ের অন্ধেরিতে রয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকার বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। আয়কর দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি দেশের শীর্ষ তারকাদের মধ্যে অন্যতম, প্রায় ৩০ কোটি টাকা কর দিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।
    টেলিভিশনের পর্দায় হাসির মাধ্যমে দর্শকদের আনন্দ দিয়ে নিজের অবস্থান পোক্ত করা কপিল শর্মা এখনো বিনোদন অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। জন্মদিন উপলক্ষে আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। ভক্তরা তাঁর জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর স্মরণীয় মুহূর্ত, পুরোনো ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। সহশিল্পী ও তারকারাও বিভিন্ন পোস্টে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা জানাচ্ছেন।

  • ছক্কা, সেঞ্চুরি আর ৯৮৬ রান—আইপিএলে রেকর্ড ভাঙার দিন

    এমন দিন কি আইপিএলে আগে এসেছে কখনো?

    না। আসেনি। শনিবার আইপিএলের ২ ম্যাচে ৭৭.২ ওভারে উঠেছে ৯৮৬ রান। দিল্লিতে দিল্লি–পাঞ্জাব ম্যাচে ৫২৯, জয়পুরে রাজস্থান–হায়দরাবাদ ম্যাচে ৪৫৭। আইপিএলের ইতিহাসে এক দিনে এত রান কখনোই ওঠেনি। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৮৯৯ রান, ২০২৪ সালের ২৭ এপ্রিলের দুই ম্যাচে।

    গতকালের দুই ম্যাচে ছক্কা হয়েছে ৫৯টি। এটিও আইপিএলের এক দিনে সর্বোচ্চ। আগের সর্বোচ্চ ৫৩টি, যা দেখা গিয়েছিল ২০২৫ সালের ৪ মে ও ২৫ মে।

    এখানেই শেষ নয়!

    জয়পুরে হায়দরাবাদ পেসার প্রফুল হিঞ্জের করা ইনিংসের প্রথম ওভারে ৪টি ছক্কা মেরেছেন রাজস্থানের ১৫ বছর বয়সী ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। প্রথম ওভারে ৪ ছক্কা এর আগে আইপিএলে কখনোই হয়নি। হায়দরাবাদ রান তাড়াতে আবার মেরেছে প্রথম ওভারে ২ ছক্কা। মানে এক ম্যাচের প্রথম ওভারে ছক্কা হয়েছে ৬টি, স্বীকৃত টি-টুয়েন্টিতেই এমন কিছু এই প্রথম।

    তবে বোলারদের ওপর ‘সুনামি’ কত তীব্র গতিতে আঘাত হেনেছে, তা বুঝতে নজর দিতে হবে আরও কিছু পরিসংখ্যানে।

    ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছেন রাহুল, আইপিএলে তাঁর দ্রুততম
    ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছেন রাহুল, আইপিএলে তাঁর দ্রুততম, বিসিসিআই
     

    এই ধরুন দিল্লির ওপেনার লোকেশ রাহুলের কথা। দিল্লি ক্যাপিটালসের এই ব্যাটসম্যান পাঞ্জাবের বিপক্ষে খেলেছেন ৬৭ বলে অপরাজিত ১৫২ রানের ইনিংস। আইপিএলে ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ, সব মিলিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

    এমনকি টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতীয়দের মধ্যে এর চেয়ে বড় ইনিংস আর কারও নেই। ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করা রাহুল যে ম্যাচসেরা হবেন, সেটা তো জানা কথাই। তবু ম্যাচ শেষে তাঁর মুখে ছিল না জয়ের হাসি।

    রাহুলের মতো খারাপ লাগার কথা সূর্যবংশীরও! কী না করেছেন রাতের ম্যাচে!হায়দরাবাদের বিপক্ষে আগের ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। যে বোলারের বলে ‘ডাক’ মেরেছিলেন, কাল সেই প্রফুল হিঞ্জকে প্রথম ওভারেই মেরেছেন চারটি ছক্কা।

    ছক্কা না চার? কী হলাে এই শটে
    ছক্কা না চার? কী হলাে এই শটে, এএফপি
     

    ১৫ বলে ফিফটি। ৩৬ বলে সেঞ্চুরি। সেই সঙ্গে টি-টুয়েন্টি ইতিহাসে দ্রুততম (৪৭৩ বলে) ১০০০ রানের রেকর্ড। সবচেয়ে কম বয়সে ১০০০ রানের মালিক। এ ছাড়া মাত্র ১৫টি আইপিএল ইনিংসেই দুই সেঞ্চুরি।

    সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ২৬ ইনিংসে ৪টি সেঞ্চুরি—দুটিই দ্রুততার রেকর্ড। গত বছর ৩৫ বলে সেঞ্চুরির পর এবার ৩৬ বলে—একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে আইপিএলে ৪০ বলের কমে দুটি সেঞ্চুরিও।

    এত সব রেকর্ড গড়ার পরও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরেছেন সূর্যবংশী। রাজস্থানের দেওয়া ২২৯ রানের লক্ষ্য হায়দরাবাদ ছুঁয়ে ফেলেছে ৯ বল বাকি থাকতেই।

    নাহ! শনিবারের আইপিএলে বোলারদের ওপর যেন নেমে এসেছিল ‘শনির’ দুর্ভাগ্য।

  • ছেলে জিবরানকে ড্রাম শেখাচ্ছেন জেমস, ভিডিও ভাইরাল

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরছে নগরবাউল জেমসের একটি ভিডিও। প্র্যাকটিস প্যাডে ধারণ করা ওই ভিডিওতে ছোট্ট পুত্র সন্তান জিবরান আনামকে ড্রামসের খুঁটিনাটি দেখাচ্ছিলেন জেমস। মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

    জেমস এর কোলে পুত্র জিবরান আনাম
    জেমস এর কোলে পুত্র জিবরান আনাম,ছবি: জেমস এর সৌজন্যে
     

    ভিডিওতে দেখা যায়, জেমস ছেলেকে ড্রাম স্টিক ধরা শেখাচ্ছেন। স্টিক দিয়ে ড্রাম বাজানোর টেকনিকও দেখিয়েছেন তিনি।

    ছোট্ট জিবরানও আগ্রহ নিয়ে সেগুলো অনুসরণ করেছে এবং ড্রামসকে যেন খেলনার মতোই উপভোগ করছে। রকস্টারের ছেলের খেলনা তো ড্রামস–গিটারই হবে!
    ভিডিওটি দেখে নেটিজেনরা বলছেন, ‘এ তো রক্তের সাথে রক্তের টান’, কেউ লিখেছেন, ‘রকের উত্তরাধিকার যেন আগেই তৈরি হয়ে গেছে।’ কেউ কেউ লিখেছেন, ‘রকস্টারের ছেলে, খেলনার মতোই দেখছে ড্রামসকে।’

    নামিয়া আমিন ও জেমস
    নামিয়া আমিন ও জেমস, শিল্পীর সৌজন্যে
     

    গত বছরের ২২ অক্টোবর প্রথম আলোর মাধ্যমে বিয়ে ও বাবা হওয়ার খবর দেন জেমস। বাবা হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে বলেছিলেন, ‘বাবা হওয়ার অনুভূতি অসাধারণ, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, তিনি আমাকে সুস্থ সন্তান দান করেছেন।’

    ২০২৪ সালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নামিয়া আমিনকে বিয়ে করেন জেমস। বিয়ের পর নামের সঙ্গে আনাম নাম যুক্ত করেছেন নামিয়া। ২০২৫ সালের ৮ জুন নিউইয়র্কের হান্টিংটন হাসপাতালে জেমস-নামিয়া দম্পতির কোলজুড়ে আসে পুত্রসন্তান জিবরান আনাম।

    ২০২৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে দেখা হয় নামিয়ার সঙ্গে। লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি অনুষ্ঠানে দুজনের পরিচয় হয়, আর এই পরিচয় থেকে প্রণয় ও বিয়ে। তবে এটি কোনো কনসার্ট ছিল না, এমনকি জেমস সম্পর্কে আগে থেকে তেমন কিছু জানতেনও না নামিয়া!

    পরিচয়ের এক বছর পর ২০২৪ সালের ১২ জুন পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ঢাকায় তাঁদের বিয়ে হয়।

  • ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল

    চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত জুলাই-ডিসেম্বর শেষে সরকারের ব্যাংকঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার ব্যাংকঋণের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে তার অর্ধেকের বেশি ঋণ নিয়েছে সরকার। সরকারের অভ্যন্তরীণ ব্যাংকঋণসংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক গত রোববার রাতে সরকারের ব্যাংকঋণের সর্বশেষ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে ব্যাংকঋণের পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রসহ ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণও প্রকাশ করা হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা। এই খাত থেকে পুরো অর্থবছরে ২১ হাজার কোটি টাকার ঋণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস সরকারের দায়িত্বে ছিল অন্তর্বর্তী সরকার। ফলে এই ছয় মাসে ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে নেওয়া ঋণের পুরোটাই ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে। ওই সময় সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি মন্থর ছিল। ফলে উন্নয়নের চেয়ে ঋণের বড় অংশই খরচ হয়েছে সরকারের পরিচালন ব্যয় বাবদ।

    * সরকারের ব্যাংকঋণ আগের অর্থবছরের চেয়ে বেড়ে আট গুণ হয়েছে। * ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত থেকে ঋণ কমেছে সরকারের। * ব্যাংক ও আর্থিক খাত মিলিয়ে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকার ব্যাংক থেকে যে ঋণ নিয়েছে, তা আগের অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের তুলনায় প্রায় আট গুণ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে যা আট গুণ বেড়ে অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ আট গুণ বাড়লেও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত থেকে ঋণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। সেই হিসাবে আর্থিক খাত থেকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারের ঋণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ হাজার ৮২৭ কোটি টাকা কমেছে।

    অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ এখন মূলত ব্যাংকনির্ভর। একসময় সরকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে সবচেয়ে বেশি ঋণ নিত। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমে যাওয়ায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের আগ্রহ কমে গেছে। এ কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে খুব বেশি ঋণ নিতে পারছে না সরকার। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্রের বদলে উচ্চ সুদে বিভিন্ন ধরনের বিল-বন্ড বিক্রি করে ঋণ নিচ্ছে সরকার। ভালো সুদ পাওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি ব্যক্তি শ্রেণির সাধারণ মানুষও সরকারি-বিল বন্ডে বিনিয়োগ করছেন।

    অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, কয়েক বছর ধরে বিনিয়োগে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। এ কারণে সরকারি ব্যাংকঋণ বাড়লেও তাতে বেসরকারি খাত খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। কিন্তু বিনিয়োগে গতি ফিরলে সরকারের ব্যাংকঋণ বেসরকারি অর্থায়নের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করবে। কারণ, বেসরকারি খাত তখন চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংকঋণ পাবে না।

    চলতি অর্থবছরে সরকার ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে মোট ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা। আর ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংক ও আর্থিক খাত মিলিয়ে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। সেই হিসাবে গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

  • ছয় মাসে ১৫৬ কোটি টাকা মুনাফা রেনাটার

    চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে ওষুধ খাতের শীর্ষস্থানীয় দেশীয় কোম্পানি রেনাটা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮৭ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যবসা বেড়েছে ১৩৭ কোটি টাকার বা সাড়ে ৬ শতাংশের বেশি। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে গতকাল রোববার কোম্পানিটি তাদের অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ নানা তথ্য দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়।

    আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, রেনাটা ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো মিলে সম্মিলিতভাবে ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। কোম্পানিটির দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। একটি রেনাটা (ইউকে) লিমিটেড, অন্যটি রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেড। রেনাটা (ইউকে) লিমিটেডের আওতায় যুক্তরাজ্যের বাজারে আর রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেডের আওতায় ইউরোপের বিভিন্ন বাজারে ওষুধ রপ্তানি করা হয়। আর মূল কোম্পানি রেনাটা দেশের বাজারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ওষুধ বাজারজাত করা হয়।

    আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দেশের বাজার ও রপ্তানি বাজার মিলিয়ে রেনাটা ২ হাজার ২০৫ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। আর রেনাটা আয়ারল্যান্ড এই সময়ে ব্যবসা করেছে ১৯ কোটি টাকা। রেনাটা ইউকে ব্যবসা করেছে ১৬ লাখ টাকার। সব মিলিয়ে এই তিন কোম্পানি মিলিয়ে ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসা করে। সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ রেনাটার তিন কোম্পানি মিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মুনাফা করেছে প্রায় ১৫৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১২৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা ৩১ কোটি টাকা বা প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

    আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোম্পানিটির ব্যবসা যতটা বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মুনাফায়। যার বড় কারণ উৎপাদন ও সুদসহ অন্যান্য আর্থিক খরচ কমে যাওয়া। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসার বিপরীতে কোম্পানিটির পণ্য উৎপাদন খরচ ছিল ১ হাজার ২৩২ কোটি টাকা, যা মোট ব্যবসার ৫৫ শতাংশ। গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির ২ হাজার ৮৭ কোটি টাকার ব্যবসার বিপরীতে উৎপাদন খরচ ছিল ১ হাজার ২০১ কোটি টাকা, যা মোট ব্যবসার ৫৮ শতাংশ। সেই হিসাবে গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির উৎপাদন খরচ ৩ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে সুদসহ অন্যান্য আর্থিক খরচও। গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ খাতে কোম্পানিটির খরচ ছিল ৭৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৭৩ কোটি টাকায়। একদিকে ব্যবসা বেড়েছে, অন্যদিকে বিভিন্ন খাতে খরচ কমেছে। তাতে কোম্পানিটির মুনাফার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়।

    জানতে চাইলে রেনাটার কোম্পানি সচিব জোবায়ের আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানির সুদসহ অন্যান্য আর্থিক খরচ আগের অর্থবছরের চেয়ে সোয়া ৭ শতাংশের বেশি কমেছে। এ ছাড়া উৎপাদন খরচসহ অন্যান্য কিছু খরচও কমেছে। যার ফলে ব্যবসার প্রবৃদ্ধির চেয়ে মুনাফা প্রবৃদ্ধি বেশি হয়েছে।

  • জঙ্গলে গিয়ে বিপদে নায়িকা, তুমুল বিতর্ক

    জঙ্গলের ভেতর অভিনেত্রী হাঁটছেন, পাশে দাঁড়িয়ে সাফারি গাড়ি—সামাজিক মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় সমালোচনা। প্রশ্ন ওঠে, বন বিভাগের নিয়ম ভেঙে কি বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রাকুলপ্রীত সিং? ভারতের গুজরাটের বিখ্যাত গির ন্যাশনাল পার্কে তাঁর সফরের ভিডিও ঘিরে শেষ পর্যন্ত মুখ খুলতে হয় বন কর্মকর্তাদেরও।

    সম্প্রতি নিজের নতুন ছবি ‘পতি পত্মী অউর ওহ দো’র প্রচারণার অংশ হিসেবে গির অরণ্যে গিয়েছিলেন রাকুল। সঙ্গে ছিলেন ছবির অন্য সদস্যরাও। সেখানকার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের একাংশ অভিযোগ তোলেন, সাধারণ পর্যটকদের যেখানে সাফারি গাড়ি থেকে নামার অনুমতি নেই, সেখানে একজন তারকাকে কীভাবে জঙ্গলে হাঁটার সুযোগ দেওয়া হলো? অনেকেই একে ‘সেলিব্রিটি প্রিভিলেজ’ বলেও মন্তব্য করেন।

    রাকুলপ্রীত সিং। এএফপি
    রাকুলপ্রীত সিং। এএফপি

    তবে বিতর্ক বাড়তেই বিষয়টি পরিষ্কার করে গির উদ্যান কর্তৃপক্ষ। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ভাইরাল ভিডিওটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে ধারণ করা হয়নি। এটি মূল অভয়ারণ্যে প্রবেশের নির্ধারিত গেটের বাইরের অংশে তোলা হয়েছিল।
    এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আমাদের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলের মাধ্যমে আগেই ব্যাখ্যা দিয়েছি। ভিডিওটি সাসান অভয়ারণ্যের প্রবেশপথের বাইরের অংশে ধারণ করা হয়েছে। সংরক্ষিত এলাকায় ঢোকার পর কেউ গাড়ি থেকে নামতে পারেন না। ভাইরাল ভিডিওটি সেই সীমার বাইরের।’

    বন কর্মকর্তাদের দাবি, নিয়ম ভাঙার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বরং রাকুলের সফরটি শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। কারণ, অভয়ারণ্যে ঢোকার আগেই তিনি শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে তাঁর দল তাঁকে নিয়ে ফিরে যায়। ফলে তিনি জঙ্গলের ভেতরে প্রবেশই করেননি।

    এই ব্যাখ্যার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক থামেনি পুরোপুরি। কারণ, তারকাদের ঘিরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল যেমন প্রবল, তেমনি তাঁদের প্রতিটি পদক্ষেপও নজরে রাখেন অনেকে। বিশেষ করে পরিবেশ, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বা সরকারি নিয়মের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সেলিব্রিটিদের উপস্থিতি প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়।

    এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন রাকুল। তাঁর নতুন ছবি ‘পতি পত্মী অউর ওহ দো’ মুক্তি পাচ্ছে ১৫ মে। ছবিতে তাঁর সঙ্গে আছেন আয়ুষ্মান খুরানা, সারা আলী খান ও ওয়ামিকা গাব্বি। ছবিটি পরিচালনায় রয়েছেন মুদাসসর আজিজ।
    ২০১৯ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘পতি পত্নী অউর ওহ’–এর সিক্যুয়েল হিসেবে নির্মিত এই চলচ্চিত্র নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আর মুক্তির আগেই গির অরণ্যের এই ভাইরাল ভিডিও নতুন করে আলোচনায় এনে দিলেন রাকুলপ্রীত সিংকে।

    বলিউড হাঙ্গামা অবলম্বনে

  • জনপ্রিয় অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, মরদেহ উদ্ধার

    রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হলো তামিল অভিনেত্রী সুভাষিণী বালসুব্রহ্মণ্যমের। ‘কয়াল’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের জন্য দক্ষিণি ছোট পর্দার পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। গতকাল সোমাবার চেন্নাইয়ে নিজের বাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

    শ্রীলঙ্কায় জন্ম নেওয়া ৩৬ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী চেন্নাইয়ের পোরুর এলাকার কাছে আইয়্যাপ্পন্থাঙ্গলে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন, যেখানে শুটিংয়ের সময় তিনি অবস্থান করতেন। গত মাসের শুরুতে তিনি সেখানে ওঠেন। গত রোববার রাতে সেখানেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় সুভাষিণী স্বামী বিপিন চন্দ্রণের সঙ্গে ভিডিও কলে ছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। সেই তর্কের মধ্যেই তিনি আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তাঁর স্বামী দ্রুত অ্যাপার্টমেন্টের নিরাপত্তাকর্মীদের বিষয়টি জানান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

    [caption id="attachment_271246" align="alignnone" width="821"] সুভাষিণী বালসুব্রহ্মণ্যম। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

    পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুভাষিণীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সরকারি কিলপক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    শ্রীলঙ্কার মেয়ে সুভাষিণী বরাবরই অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন। সেই ইচ্ছা বুকে নিয়ে চলে আসেন চেন্নাইয়ে। তামিল বিনোদনজগতে নিজের জায়গা তৈরি করা সহজ ছিল না। অডিশন, ছোট ছোট চরিত্র এবং কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়েই তাঁকে এগোতে হয়েছে। তবে নিজের অধ্যবসায় ও অভিনয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নতুন নতুন সুযোগ পেতে শুরু করেন। ‘কয়াল’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে নিজের অবস্থান শক্ত করেন অভিনেত্রী।

    অভিনেত্রীর আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন তাঁর সহকর্মী ও ভক্তরা।

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

  • জন্মদিনে দেখে নিন এই দক্ষিণি ডিভার বোল্ড লুকগুলো

    দক্ষিণি অভিনেত্রীদের মধ্যে সুপারস্টার বলা হতো সামান্থা রুথ প্রভুকে। দিয়েছেন একের পর হিট, জয় করেছেন লাখো ভক্তদের হৃদয়। লম্বা সময় ধরে প্রেম করার পর ২০১৭ সালে দক্ষিণি তারকা নাগ চৈতন্যকে বিয়ে, ২০২১ সালে বিচ্ছেদ আর ২০২২ সালে বিরল অটোইমিউন রোগ মাইয়োসিটিসে আক্রান্ত হয়ে বেশ প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন সামান্থা। এরপর অতি সম্প্রতি আবার করলেন বিয়ে। সবকিছুর মাঝে নিজের ফিটনেস রেখেছেন আগের মতোই। অভিনয়দক্ষতা তো বটেই, স্টাইল আর আবেদনের দিক থেকেও তিনি কম যান না। আজ এই সুন্দরী ডিভার ৩৯ তম জন্মদিনে তাঁর বোল্ড আর আকর্ষণীয় লুকগুলো দেখে নেওয়া যাক তবে।

    সবুজ শেডের এই টাইমলেস ড্রেসকে সামান্থা যেন নতুন এক মাত্রা দিয়েছেন। স্ট্র্যাপি গাউনটির পুরোটা জুড়ে রয়েছে সূক্ষ্ম বিডেড ডিটেইলিং। শিমারিং টেক্সচার ও নিখুঁত কারুকাজ পুরো লুকটিকে দিয়েছে গ্ল্যামারাস আবেদন।

     

    চকোলেট কাটআউট গাউনে মোহ ছড়াচ্ছেন

     

    প্রি-ড্রেপড ল্যাভেন্ডার শাড়ির সঙ্গে আকর্ষণ কাড়ছে তাঁর ব্রালেট আর বিডসে সজ্জিত কেপ।

     

    শাড়ির সৌন্দর্য আর স্টেটমেন্ট ব্লাউজ দুটোই সুন্দরভাবে ক্যারি করেছেন সামান্থা

     

    ডেনিম ব্রালেট আর নেটের ফ্লেয়ার প্যান্ট পরেছেন সামান্থা

     

    লাল সিকুইনের লেহেঙ্গা পরেছেন এই সুন্দরী দক্ষিণি অভিনেত্রী

     

    আইভরি ফুলেল টপ আর হাইওয়েষ্ট বটমের লুকে শুভ্র আবেদন কাড়ছেন তিনি

     

    এখানে বোল্ড ও গভীর ভি নেকলাইনের কালো বডিস্যুট পরেছেন সামান্থা

     

    মভ শেডের এই আউটফিটে স্টানিং লাগছে তাঁকে। অফ-শোল্ডার, ফুল-স্লিভ ক্রপ টপের সঙ্গে হাই-ওয়েস্টেড স্কার্ট পরেছেন সুন্দরী

     

    কালো স্যুটের সঙ্গে শার্টবিহীন লুকে আবেদনময়ী বসলেডি সামান্থা

     

    মিডনাইট ব্লু, ফ্লোরছোঁয়া গাউনে সামান্থা। ফিগার-হাগিং সিলুয়েট, ডিপ নেকলাইন এবং স্লিভলেস স্টাইলের পাশাপাশি গাউনের সামনের অংশের ডায়মন্ড আকৃতির কাটআউট ডিজাইনটি বিশেষ আবেদন যোগ করেছে তাঁর লুকে।
  • জরুরি চাহিদা মেটাতে ছুটির দিনে ৩ লাখ টন ডিজেল কেনার অনুমোদন

    দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটির দিনে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভা৵র্চুয়াল সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    [caption id="attachment_270397" align="alignnone" width="835"] অর্থ মন্ত্রণালয়[/caption]

    সভায় জানানো হয়, বৈশ্বিক অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য চাপ মোকাবিলায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই  অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রয়ের মাধ্যমে সরাসরি পদ্ধতিতে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে এই ডিজেল কেনা হবে। এর মধ্যে এপি এনার্জি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের কাছ থেকে এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল কেনা হবে। পাশাপাশি সুপারস্টার ইন্টারন্যাশনাল (গ্রুপ) লিমিটেডের কাছ থেকে আরও দুই লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

  • জাপানে স্টাডি সাপোর্ট বৃত্তিতে পড়াশোনার সুযোগ

    উন্নত গবেষণার সুবিধা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিরাপদ ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ পরিবেশ—এসবের সমন্বয়ে জাপান এখন বিশ্বের শিক্ষার্থীদের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা জাপানে যেতে চান তাঁদের জন্য একটি বৃত্তি রয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। আবেদনের শেষ সময় ৩১ মে ২০২৬।

    সুযোগ-সুবিধা—
    *নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পাবেন এককালীন আর্থিক সহায়তা
    *শিক্ষার ব্যয় নির্বাহে সহায়ক অনুদান পাবেন শিক্ষার্থীরা
    *জাপানের একটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ
    *আর্থিক সুবিধা হিসেবে পাঁচ লাখ জাপানিজ ইয়েন পাওয়ার সুযোগ (প্রোগ্রামভেদে পরিবর্তনশীল)

    আবেদনের যোগ্যতা—
    —এপ্রিল-মে ২০২৬ সেশনে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে
    —আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে
    —জাপান স্টাডি সাপোর্টের একটি নিবন্ধিত ‘মাই পেজ’ থাকতে হবে
    —ইংরেজি ও জাপানিজ—দুই ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে।

    আবেদনের পদ্ধতি—
    আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের পদ্ধতি ও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক https://www.jpss.jp/en/ করুন।

  • জাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শামছুল আলম

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপ-উপাচার্য বা প্রো-ভিসি (শিক্ষা) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম।

    শনিবার (৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ১৩(১) অনুযায়ী তাকে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটে। এ পদে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করবেন।

    এ ছাড়া তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, অধ্যাপক শামছুল আলম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি একইসঙ্গে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নির্বাচিত সভাপতি। 
    ১৯৮৮ সাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণায় সক্রিয়ভাবে জড়িত আছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আল মাসুদ হাসানউজ্জামানের সাথে যৌথভাবে ‘বাংলাদেশে রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ে একটি তথ্যসূত্র গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন। পাশাপাশি ‘সামরিক শাসনের সংকট ও রাজনৈতিক উন্নয়ন: বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক তার ডক্টরাল গবেষণাটি শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং গবেষকদের কাছ থেকে ব্যাপক ও উল্লেখযোগ্য আগ্রহ অর্জন করেছে। 

    তিনি বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর পিএইচডি ও এমফিল মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অধ্যাপক শামছুল আলম বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায়শই বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপকসুলভ সহায়তা প্রদান করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলের প্রোভোস্ট, সরকার ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, পরিবহন অফিসের প্রশাসক, উচ্চশিক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান, একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, পরীক্ষা অফিসের নিয়ন্ত্রক এবং নির্বাচিত সেনেটর ও সিন্ডিকেট সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    শিক্ষা-গবেষণায় নিবেদিত প্রাণ এই অধ্যাপকের দেশি-বিদেশি জার্নালে ৩৩টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি কমপক্ষে ৪৫টি গবেষণা প্রকল্পে কাজ করেছেন।

     

  • জামায়াত আমিরের ‘এক্স’ পোস্টের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঝাড়ুমিছিল

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স পোস্টে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে থাকা আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঝাড়ুমিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহীদ মিনারে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শ্রুতি রাজ চৌধুরী বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা যে বৈষম্যহীন দেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা আজ হুমকির মুখে। একটি দল নিজেদের নামের সঙ্গে ইসলাম ব্যবহার করে নারীদের নিয়েই কটূক্তি করছে। আবার তার কোনো দায় নিচ্ছে না। ধর্মের দোহাই দিয়ে যারা নারীদের অপমান করে, তাদের আসল চেহারা জনগণের সামনে উন্মোচন করতে হবে।’

    শাখা ছাত্রদলের সহছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ও ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক দেশে কর্মজীবী মা-বোনেরাই দেশ চালিয়ে নিচ্ছেন। সেখানে তাঁদের নিয়ে এমন কটূক্তি অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইসলামে নারীর সর্বোচ্চ সম্মানের কথা বলা হয়েছে, অথচ তারা সেই নারীদেরই অপমান করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

    মার্কেটিং বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ‘নারী অঙ্গন’-এর সংগঠক সুমাইয়া শিকদার বলেন, ‘আমরা আইডি হ্যাকের বিষয়টি বিশ্বাস করি না। এর আগেও বিভিন্ন সময় নারীদের কটাক্ষ করা হয়েছে। এত দ্রুত হ্যাক হয়ে আবার আইডি ফিরে আসা কীভাবে সম্ভব? তারা কি বাংলাদেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়? রাষ্ট্রের কাছে কি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোনো আইন নেই? আমরা জামায়াত নেতার এসব বক্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। রাষ্ট্রের উচিত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।’

    কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফয়জুন্নেসা হল সংসদের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক তাসফিয়া তাবাসসুম, নারী অঙ্গনের সংগঠক জান্নাতুল ফেরদৌসসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ‘আমার সোনার বাংলায়, নারী হেনস্তাকারীদের ঠাঁই নাই’, ‘মোল্লাতন্ত্রের বিষদাঁত, ভেঙে দাও’সহ নানা স্লোগান দেন।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের অবমাননাকর পোস্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মধ্যেই গত শনিবার রাতে এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে দলটি। জামায়াতের দাবি, দলীয় আমির শফিকুর রহমানের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডল হ্যাক করে পোস্টটি করা হয়েছে। ওই পোস্ট বা কনটেন্ট জামায়াতের আমিরের কোনো বক্তব্য, মতামত বা অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। একই সময়ে দলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টেও সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানায় জামায়াত।

  • জাম্বিয়ার জালে ৫ গোলে আর্জেন্টিনাকে ‘গুডবাই’ মেসিদের

    সেই লিওনেল মেসিই ‘এক্স ফ্যাক্টর’।

    মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার একাদশে ছিলেন না মেসি। বিরতির পর মাঠে নামেন। ম্যাচটা ২-১ গোলে জিতলেও ভালো খেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা। আজ জাম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মেসিকে একাদশে খেলানোর কথা আগেই জানিয়েছিলেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। সে অনুযায়ী মেসি যেমন শুরু থেকেই খেললেন পুরো সময়, তেমনি আর্জেন্টিনার খেলায়ও ফিরেছে ছন্দে। আফ্রিকান দলটিকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দেয় স্কালোনির দল।

    দুই অর্ধে দুটি করে গোল করেছে আর্জেন্টিনা। অন্য গোলটি আত্মঘাতী। প্রথমার্ধে গোল করেন হুলিয়ান আলভারেজ ও মেসি। বিরতির পর ৫০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন নিকোলাস ওতামেন্দি। এর ১৮ মিনিট পর আত্মঘাতী গোল জাম্বিয়ার ডিফেন্ডার ডমিনিক চান্দা। যোগ করা সময়ে (৯৩) ভ্যালেন্টিন বারকো করেন ম্যাচের শেষ গোল।

    বুয়েনস এইরেসে লা বোমবোনেরো স্টেডিয়ামে মার্চের দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচেই জয় পেল আর্জেন্টিনা। বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে এ দুটোই ছিল আর্জেন্টিনার শেষ প্রীতি ম্যাচ।

    আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের কেন্দ্রে ছিলেন মেসি
    আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের কেন্দ্রে ছিলেন মেসি, এক্স

    অন্য অর্থে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ। সম্ভবত এ কারণেই আটজন বদলি নামান স্কালোনি। এমনকি ম্যাচের ৭৪ মিনিটে গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে তুলে সুযোগ দেন হুয়ান মুসোকে।

    ৪ মিনিটে আলভারেজের প্রথম গোলটির উৎস মেসি। লিয়ান্দ্রো পারেদেসের কাছ থেকে দূরপাল্লার পাস পেয়ে জাম্বিয়ার বক্সে ফেলেন বল। ডান পায়ের জোরালো শটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন আতলেতিকো মাদ্রিদ স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ২ মিনিট আগে গোল পান মেসি। জাম্বিয়ার বক্সে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে নিচু শটে গোল করেন। আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেশের মাটিতে এটাই হতে পারে মেসির শেষ গোল। ৪০টি আলাদা জাতীয় দলের বিপক্ষেও গোল হয়ে গেল মেসির, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

    ৫০ মিনিটে আর্জেন্টিনার পেনাল্টি পাওয়ার নেপথ্যে থিয়াগো আলমাদা। জাম্বিয়ার বক্সে ফাউলের শিকার হন তিনি। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজানোয় স্পটকিক ওতামেন্দিকে দিয়ে নেওয়ান মেসি। দেশের মাটিতে জাতীয় দলের জার্সিতে এটাই শেষ ম্যাচ ওতামেন্দির। আর্জেন্টিনা চতুর্থ গোলটি আদায় করেছে ক্রমাগত চাপ তৈরি করে। শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে চান্দার পায়ে লেগে বল জালে ঢোকে।

    বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনার কথা এর আগে জানিয়েছিল দেশটির সংবাদমাধ্যম। একটি ম্যাচে প্রতিপক্ষ হিসেবে সার্বিয়া নিশ্চিত হলেও অন্য ম্যাচের প্রতিপক্ষ এখনো ঠিক হয়নি। সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি হবে যুক্তরাষ্ট্রে। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ। এবার আয়োজক দেশ ‍যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।

  • জাহাঙ্গীরনগরে ধর্ষণচেষ্টার বিচার নিশ্চিতের দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন নারী শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের দুটি ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন তাঁরা।

    এর আগে গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রক্টর কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

    ১২ মে রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ফজিলাতুন্নেছা হল–সংলগ্ন সড়ক থেকে টেনেহিঁচড়ে এক ছাত্রীকে অন্ধকারে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় একজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করে প্রশাসন। ঘটনার পাঁচ দিন পার হলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামি।

    আন্দোলনকারীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে এত বড় ঘটনার পরও প্রশাসনের গাছাড়া ভাব তাদের ক্ষুব্ধ করেছে। ঘটনার এত দিন পার হলেও আসামি সম্পর্কে এখনো ন্যূনতম কোনো অগ্রগতির তথ্য তাঁরা পাচ্ছেন না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং আসামিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করার দাবিতেই প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করা হয়েছে।

    অবরোধ সম্পর্কে আন্দোলনকারী নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাহমিদা মুন বলেন, ‘আমাদের যে ছয় দফা দাবি ছিল, এর মধ্যে প্রথম দফা দাবি ছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষককে ধরতে হবে। যদি ধরতে ব্যর্থ হন, তবে পুরো প্রক্টরিয়াল বডি পদত্যাগ করবে। কারণ, প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, সেই দায়ভারটা কার? আমাদের রেজিস্ট্রার ভবনে তালা দেওয়া থাকবে। ওনারা আমাদের এসে নিশ্চিত করে যাবেন যে আর কত ঘণ্টা সময় লাগবে ধর্ষককে ধরতে। প্রশাসন যতক্ষণ পর্যন্ত না আমাদের এটা নিশ্চিত করে দিয়ে যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এখানে থাকব।’

    নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আদৃতা রায় বলেন, ‘আমরা দেখছি, প্রশাসনের এই আন্দোলনে কিংবা এই পুরো ঘটনা নিয়ে যে ধরনের বিবেচনাবোধ বা দায়িত্ববোধ দেখানোর কথা ছিল, তার বিন্দুমাত্র তাঁরা দেখাচ্ছেন না। আমরা ভিসি স্যারকে জবাবদিহির আওতায় আনি এবং জিজ্ঞেস করি যে এই মুহূর্তে তদন্তপ্রক্রিয়া কিংবা গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার আপডেট কী। স্যার আমাদের কোনো প্রকার আপডেট জানাতে পারেননি। আমরা আজ এখানে অবস্থান করছি ভিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলার জন্য। আমরা আমাদের জায়গা থেকে আমাদের বোনের যে বিচার প্রাপ্য, সে বিচার নিশ্চিত করতে চাই। ১০৬ ঘণ্টা কেটে গেলেও কোনো কার্যক্রম আমরা আসলে দেখতে পাচ্ছি না। যা বলা হচ্ছে, তা মূলত বুঝ দেওয়াই হচ্ছে—অগ্রগতি হচ্ছে, আপডেট হচ্ছে, কাজ করছে; কিন্তু কী কাজ হচ্ছে, কী অগ্রগতি হচ্ছে, সেটা কিছু জানানো হচ্ছে না। সেটার প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা আজ এখানে এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।’

  • জাহানারার অভিযোগে যে শাস্তি হলো মঞ্জুরুলের

    জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও নারী দলের সাবেক নির্বাচক এবং ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামকে ভবিষ্যতে দেশের ক্রিকেটের কোনো কিছুতে সম্পৃক্ত করবে না বিসিবি। আজ বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের এক ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। বিসিবির অন্য একটি সূত্র অবশ্য বলেছে, এই সিদ্ধান্ত পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

    এর আগে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী নারী দলের ক্রিকেটার জাহানারা আলম এক সাক্ষাৎকারে মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। অভিযোগ তদন্ত করে দেখতে বিসিবি তদন্ত কমিটি গঠন করলে জাহানারা তাদের কাছেও লিখিতভাবে একই অভিযোগ করেন।

    জাহানারা আলম
    জাহানারা আলম
     

    তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর ৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, স্বাধীন তদন্ত কমিটি মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে। কমিটি জাহানারার করা চারটি নির্দিষ্ট অভিযোগ পর্যালোচনা করে দুটি অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পেলেও বাকি দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রে অসদাচরণের প্রমাণ পেয়েছে বলে জানায় বিসিবি। তাঁর কিছু আচরণ পেশাদার মানদণ্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার আওতায় অসদাচরণ ও হয়রানির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে বলেও জানানো হয়েছিল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

    মঞ্জুরুল ইসলাম
    মঞ্জুরুল ইসলাম
     

    তদন্ত কমিটির করা সুপারিশের ভিত্তিতেই আজ ভার্চ্যুয়াল বোর্ড সভায় মঞ্জুরুলকে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ক্রিকেটে কোনোভাবে সম্পৃক্ত না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলে (এসিসি) চাকরি করা মঞ্জুরুল অবশ্য গত বছরের ৩০ জুনের পর থেকেই বিসিবির কোনো দায়িত্বে নেই। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে মঞ্জুরুলের সঙ্গে। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

    জাহানারার অভিযোগ ছিল বিসিবির নারী উইংয়ের প্রয়াত ইনচার্জ তৌহিদ মাহমুদের বিরুদ্ধেও। কিন্তু বিসিবির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি তৌহিদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি।

  • জিতল ইংল্যান্ড, ঝুলে গেল নিউজিল্যান্ডের ভাগ্য, টিকে থাকল পাকিস্তান

    পাকিস্তানের প্রার্থনাই কাজে এল কি না কে জানে। ম্যাচটা নয়তো নিউজিল্যান্ডের হাতের মুঠোয়ই ছিল প্রায় পুরো সময়। হঠাৎ উইল জ্যাকস এমন একটা ঝড় তুললেন, যা শেষ পর্যন্ত ঝুলিয়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ ভাগ্য।    

    প্রেমাদাসায় ১৫৯ রান তাড়া করতে নেমে কারও ফিফটি ছাড়াও তাই ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। তাদের এই জয় বিশ্বকাপে টিকিয়ে রেখেছে পাকিস্তানকেও। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলে তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ হবে, নয়তো শেষ চারে খেলবে নিউজিল্যান্ড।  

    রান তাড়ায় নেমে ইনিংসের প্রথম ৮ বলেই দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও জস বাটলারকে হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। তবু তাদের পাওয়ার প্লে ভালো কাটে অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের কল্যাণে। ৬ ওভারে তারা তোলে ৪৭ রান।

    তখন ১৯ বলে ২৪ রানে অপরাজিত ছিলেন ব্রুক। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার এক ওভার পরই গ্লেন ফিলিপসের বলে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ইংল্যান্ডের রান তোলার গতিও ধীর হতে থাকে, তারা হারায় উইকেটও। শেষ ৩ ওভারে ইংল্যান্ডের সামনে দাঁড়ায় ৪৩ রানের সমীকরণ।

    সেখান থেকে কাজটা কঠিনই মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ডের জন্য। কিন্তু গ্লেন ফিলিপসের এক ওভার থেকেই জ্যাকস ও রেহান আহমেদ মিলে নেন ২২ রান। টানা তিন বলে বাউন্ডারি হাঁকান জ্যাকস। বাকি দুই ওভারে ২১ রান নেওয়ার কাজটা আর কঠিন হয়নি ইংল্যান্ডের জন্য। জ্যাকস ১৮ বলে ৩২ আর রেহান ৭ বলে অপরাজিত থাকেন ১৯ রানে।

    ইংল্যান্ডের জয়ে শেষ চারের লড়াইয়ে টিকে আছে পাকিস্তান
    ইংল্যান্ডের জয়ে শেষ চারের লড়াইয়ে টিকে আছে পাকিস্তান, এএফপি
     

    ইংল্যান্ডের জন্য রান তাড়ার কাজটা আরেকটু কঠিন হতে পারত নিউজিল্যান্ড বড় সংগ্রহ দাঁড় করালে। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৪ রান তুলে ফেলার পর সেই সম্ভাবনা জেগেছিলও। কিন্তু পরে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা আর ওই গতি ধরে রাখতে পারেননি।

    তা আসলে হতে দেননি ইংল্যান্ডের স্পিনাররা। একে একে নিউজিল্যান্ডের ৭ ব্যাটসম্যানকে ড্রেসিংরুমে ফেরান তাঁরা। কিউই ব্যাটসম্যানদের কেউ তাই ফিফটি পাননি, ২৮ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ফিলিপসে ৩৯ রানই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ।

    শেষ পর্যন্ত তাদের রান যথেষ্ট হয়নি জয়ের জন্য। তবু অবশ্য সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা নিউজিল্যান্ডেরই এখনো জোরালো। ৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পাওয়া দলটির নেট রান রেট এখনো ইতিবাচক (+১.৩৯০)। শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারলে পাকিস্তানের পয়েন্টও ৩ হবে। তবে তাদের রান রেট আপাতত নেতিবাচক (–০.৪৬১)।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৫৯/৭ (ফিলিপস ৩৯, সাইফার্ট ৩৫; রশিদ ২/২৮, জ্যাকস ২/২৩)

    ইংল্যান্ড: ১৯.৩ ওভারে ১৬১/৬ (জ্যাকস ৩২*, রেহান ১৯*; রবীন্দ্র ৩/১৯, ফিলিপস ১/৪৩)

    ফল: ইংল্যান্ড ৪ উইকেটে জয়ী

    ম্যাচসেরা: উইল জ্যাকস

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব