• Colors: Purple Color

ডাকসু নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জালাল আহমেদের বিরুদ্ধে উঠলো গুরুতর অভিযোগ। ঢাবির মুহসিন হলে নিজ রুমমেটকে ছুরিকাঘাতের করেছেন তিনি। বর্তমানে, ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে আহত রুমমেট রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র রবিউল ইসলাম।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতণ্ডা শুরু, যা গড়ায় মারামারি পর্যন্ত। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর কক্ষ থেকে আহত অবস্থায় বেরিয়ে এলে, অন্যরা তাকে নেয় মেডিকেলে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রবিউলের রুমমেট, ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল আহমেদ ওরফে ‘জ্বালাময়ী জালাল’ তাকে কুপিয়ে জখম করেছে।

ঘটনার পর রুম ভেতর থেকে আটকে ফেলে জালাল। পরে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টোরিয়াল টিম ও হল প্রশাসনের সহায়তায় তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পাল্টা আঘাতের অভিযোগ তারও।

এ ঘটনায় পুরো হলে মধ্যরাতে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত জালাল আহমেদের স্থায়ী বহিষ্কার এবং হল প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবি তোলে।

প্রক্টরের আশ্বাস, এ ঘটনায় হল প্রশাসন বাদী হয়ে মামলা করবে। একইসাথে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জালালকে বহিষ্কারের কথাও বিবেচনায় রাখা হবে।

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, হলের প্রভোস্ট, দুইজন হাউস টিউটর এবং কর্মকর্তারা অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় মামলা হবে। মামলার পরবর্তী যে প্রক্রিয়া, সেটি প্রচলিত আইন অনুযায়ী চলবে।

প্রক্টরের আশ্বাসের পরও উত্তেজনা কাটেনি মুহসীন হলে। পরিস্থিতি শান্ত করতে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাইদ হত্যা মামলার বিচার শুরু হচ্ছে আজ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই মামলার সূচনা বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। সেইসাথে, সাক্ষ্যগ্রহণও হতে পারে আজ থেকেই। এর আগে, গত ৬ আগস্ট বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল ২।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে এই মামলায় গ্রেফতার ৬ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আর বেরোবির সাবেক ভিসিসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে ইতোমধ্যে সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ২৮ জুলাই এ মামলার ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। ওই দিন আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি এ মামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগসহ বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়া হয় ৩০ জুন। আর ২৪ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।

ব্যাংকের পাশাপাশি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও চরম লুটপাট হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। ঋণের নামে লোপাট হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। যা এখন খেলাপি। এসব প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখে বেকায়দায় পড়েছেন গ্রাহকেরা। জমানো টাকা ফেরত দিতে পারছে না এসব প্রতিষ্ঠান।

এই অবস্থায় চরম সংকটে থাকা ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, বিআইএসফি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, পিপলস্‌ লিজিং, আভিভা ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং ও জিএসপি ফাইন্যান্স।

তালিকায় থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৬০ থেকে ৯৯ শতাংশ। বছরের পর বছর এসব প্রতিষ্ঠানকে গুণতে হচ্ছে লোকসান।

যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিষ্ঠান বন্ধ কোনও সমাধান নয়। এর ফলে নতুন করে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমদ বলেছেন, অবসানের বিকল্প…. আমি তো অবসান পছন্দই করি না। একীভূতকরণ, এতে আমি শতভাগ সমর্থন করি। অবসান কোনও সমাধান না। এটা আমেরিকায় আছে, ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়। ইউরোপে থাকতে পারে, ব্যাংক বন্ধ। কিন্তু এসব দেশে এটা চলবে না। এটা করলে লোক রাস্তায় নেমে যাবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালিক পক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণেই সংকটে পড়েছে এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তাই প্রতিষ্ঠান বন্ধের আগে পরিচালনায় সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে আমানতকারী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কী হবে সে বিষয়টি পরিস্কার করতে হবে।

সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেছেন, যারা মালিকপক্ষ, যারা এটার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা করলো? দেখলাম না তো তাদের সম্পদগুলো টেকওভার করে তা বন্টন করে দিলো। অবসানের কথা বললে বলতে হবে হবে দুইটা জিনিস, একটা হলো আমানতকারীরা কতদিনের টাকা পাবে, উৎস পেমেন্ট করবো নাকি প্রিন্সিপালটা দিবো, প্রশ্ন কিন্তু এগুলো আসবে। দ্বিতীয় হলো যারা কর্মী আছে তাদের কী অবস্থায় আনা হবে?

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, যেসব প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়, তাদেরকেই বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখনও বন্ধের পদ্ধতি চূড়ান্ত হয়নি। তবে আমানতকারীদের স্বার্থের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বললেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে যে থাকবে না। এদেরকে টিকিয়ে রাখার কোনও পন্থা এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে নাই। যেটা ব্যাংকের ক্ষেত্রে আছে। অতএব না থাকলে কোন কোন পদ্ধতি অনুসরণ করে অবসান করা হবে এবং আমানতকারী ও চাকরিজীবীদের কী হবে ওই ব্যাপারে তো এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ওটা প্রসেসের মধ্যেই অন্তর্ভূক্ত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক কিন্তু বলেছে, আমানতকারীদের স্বার্থেই প্রতিষ্ঠানগুলো অবলুপ্ত করা প্রয়োজন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়টি সরকারের ইচ্ছা এবং তহবিল যোগান দেয়ার ওপর নির্ভর করছে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৪ ধাপে ভোটের কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে কমিশন।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, তিনটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। আগামী নভেম্বরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রতি বুথে ৬০০ পুরুষ ও ৫০০ মহিলা ভোটার রাখার চিন্তা করছি।

নির্বাচনের তফসিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কাজ তফসিল ঘোষণার ১৫ দিন আগে শেষ করার চেষ্টা থাকবে। কর্মপরিকল্পনায় বিভিন্ন সংযোজন হবে। ভোটের ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

ইসির সিনিয়র সচিব আরও বলেন, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে শুনানির পর তথ্য পর্যালোচনা চলছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সীমানা চূড়ান্ত করতে পারব বলে আশা করছি। আর ৩০ সেপ্টেম্বর জিআইএস বা ভৌগলিক ম্যাপ প্রকাশ করা হবে।

ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা এবং বডি ক্যামেরার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার। এটা আমাদের চাহিদা না। এআই ও অপতথ্য একটা চ্যালেঞ্জ। কমিশন এটি নিয়ে কাজ করছে। এ সময় নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারার পরিবেশ সৃষ্টি করা চ্যালেঞ্জ বলেও জানান তিনি।

নিরপেক্ষতার সঙ্গে বিএসসি ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

সেখানে বলেন, সরকার দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। এখন তো আন্দোলন করে লাভ নেই। আমাদের সময় দিতে হবে। একদিকে ৩ দফা, আরেকদিকে ৭ দফা আছে। এর মাঝে ব্রিজ হিসেবে কাজ করবে কমিটি। কেননা এক গ্রুপের দাবি মানলে আরেক গ্রুপ খেপবে।

তিনি বলেন, সমস্যার সমাধানে ১৪ সদস্যের ওয়াকিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রকৌশল সংক্রান্ত সরকারি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা থাকবেন। এই গ্রুপের কাছে দাবি তুলে ধরতে পারবে আন্দোলনকারীরা।

উপদেষ্টা বলেন, কমিটি আন্দোলনকারী, বিএসসি ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের অভিভাবকদের সাথে বৈঠক করা হবে। প্রকৌশল সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে বৈঠক করা হবে।

ক্রমেই বাড়ছে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা। লাতিন ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবহর পাঠানোর জবাবে ব্যাপক সামরিক মহড়া আয়োজন করেছে ভেনেজুয়েলা। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর অভিযোগ তাদের সম্পদে নজর যুক্তরাষ্ট্রের; আর তাই সামরিক উত্তেজনা তৈরি করে উপনিবেশ স্থাপন করতে চায় তারা। এদিকে, সার্বভৌমত্ত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে চিঠি দিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকান দেশটি।

মূলত দেশের উপকূলে মার্কিন নৌ বহর দৃশ্যমান হওয়ার পরই সামরিক শক্তি প্রদর্শনে মহড়া দেয় ভেনেজুয়েলা। প্রেসিডেন্ট মাদুরোর সরাসরি তত্ত্বাবধানে এতে অংশ নেন স্পেশাল রেভ্যুলুশনারি অপারেশনস বাহিনীর কয়েক হাজার সদস্য।

দেশটির পাহাড়ি অঞ্চলে বিশেষ পোশাকে বিভিন্ন সামরিক দক্ষতা দেখান সেনারা। ছিল চোখ জুড়ানো প্যারেড। অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে লাইভ ফায়ারিংয়েও অংশ নেন স্পেশাল বাহিনীটি। এসময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেন, দেশটির সম্পদ লুটের জন্য উসকানি তৈরির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তার দাবি, সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুত ভেনেজুয়েলার মানুষ।

নিকোলাস মাদুরো বলেন, সাম্রাজ্যবাদী গ্রিংগোরা কী চায়? ভেনেজুয়েলার সম্পদ, উপনিবেশ স্থাপন করা এবং ভেনেজুয়েলাকে টুকরো টুকরো করতে চায় তারা। একটানা হুমকি, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, ভেনেজুয়েলা জাতির বিরুদ্ধে অবরোধের পরও আমি বলতে পারি, আমরা আগের চেয়েও শক্তিশালী। শান্তি, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য আরও বেশি প্রস্তুত।

চলতি সপ্তাহে আরও একটি সামরিক মহড়া হবে বলে জানিয়েছে মাদুরো প্রশাসন। লাতিন ও ক্যারিবীয় উপকূলে নৌবহর পাঠানোর ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে কারাকাস। এরই মধ্যে, জাতিসংঘের কাছে পাঠিয়েছে অভিযোগপত্রও।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ভেনেজুয়েলার প্রতিনিধি স্যামুয়েল মোনকাদা বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে, যেখানে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের ক্রমাগত হয়রানিমূলক নীতি এবং সাম্প্রতিক বিপজ্জনক কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানানো হয়েছে। তাদের এই সামরিক তৎপরতা জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

এর আগে, মাদক বিস্তার রোধে ভেনেজুয়েলা উপকূলে তিনটি ডেস্ট্রয়ার, পারমাণবিক ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যাটাক সাবমেরিনসহ সাড়ে চার হাজার নৌসেনা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে, সারাদেশে মিলিশিয়া মোতায়েনসহ, জলসীমায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে ভেনেজুয়েলাও।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রশাসন ভেনেজুয়েলার বর্তমান শাসক নিকোলাস মাদুরোকে ‘বৈধ প্রেসিডেন্ট’ মনে করে না। তার সঙ্গে লাতিনের বিভিন্ন মাদকচক্র ও অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর যোগসাজশ আছে বলেও অভিযোগ ওয়াশিংটনের।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব