• Colors: Purple Color

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে দেশে নারী অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীরা অফিস-আদালত, রাজনীতি কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ পদে যেতে পারবে না। এতে নারীরা ঘরে ও বাইরে সম্মান হারাবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হবে।

আজ সোমবার বিকেলে কুড়িগ্রাম সদরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট) আসনে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় রুহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন।

আল–জাজিরাকে দেওয়া জামায়াতের আমিরের সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে রুহুল কবির বলেন, সম্প্রতি আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াতের আমির বলেছেন, নারীরা সংসদ সদস্য হতে পারবে, কিন্তু দলের আমির কিংবা রাষ্ট্রের প্রধান হতে পারবে না। এই বক্তব্যই প্রমাণ করে, তারা ক্ষমতায় গেলে নারীদের মর্যাদা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। একটি রাজনৈতিক দলের এই অবস্থান নারীবান্ধব রাষ্ট্রের পরিপন্থী।

জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, জামায়াতের আমির দিন-রাত যে পথ সুবিধাজনক মনে করছেন, সেই পথেই ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এতে তাঁদের আসল চরিত্র প্রকাশ পাচ্ছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে ধাপে ধাপে শরিয়াহভিত্তিক আইন চালু করবেন। এতে বোঝা যায়, তাঁদের কথার কোনো স্থিরতা নেই, জনগণের কাছে দেওয়ার মতো সুস্পষ্ট অঙ্গীকারও নেই। ইসলাম নিয়ে রাজনীতির প্রধান শর্ত হলো ওয়াদা রক্ষা করা। কিন্তু জামায়াতের নেতৃত্ব সেই নৈতিক অবস্থানে নেই। মানুষ ইতিমধ্যে তাদের প্রকৃত চরিত্র বুঝে ফেলেছে।

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কটূক্তির সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, টেলিভিশন খুললেই বিএনপির চেয়ারপারসনের নামে নানা নিন্দামূলক কথাবার্তা শোনা যায়। অথচ ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান না থাকলে বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াতে ইসলামী রাজনীতি করার সুযোগ পেত না। আর বেগম খালেদা জিয়া না থাকলে তারা কখনো মন্ত্রিত্বের স্বাদ পেত না। অথচ আজ তাদের মধ্যে কোনো কৃতজ্ঞতা নেই।

বিএনপির ওপর দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন চালানো হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, স্বৈরাচারী ও দখলদার রাজনীতির সময় পার করে এসেছে বিএনপি। এখন আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা চলছে। নানা নাটক, ভেলকিবাজি ও তামাশা শুরু হয়েছে। কিন্তু এসব সস্তা ভণ্ডামি দিয়ে জনগণের মন জয় করা যাবে না। আবার যেন দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলামসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা।

শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণার সময়। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় শেষ হয়।

এর আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় বিভিন্ন স্থানে মধ্যরাতেও গণসংযোগ করেন প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। প্রার্থী ও তাদের কর্মীরা নিজ নির্বাচনি এলাকা ঘুরে ঘুরে গণসংযোগ করেন। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ভোট চান। 

তারা বলেন, শেষ সময়ে প্রতি মিনিট, প্রতি সেকেন্ডও গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময়টুকুও ব্যয় করতে চান ভোট প্রার্থনায়। কেউ আবার ভোরের আলো ফোঁটার পরপরই বের হয়ে পড়েন। 

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের আশা ব্যক্ত করেন প্রত্যেকেই। এদিকে, বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগও করেন কেউ কেউ। তবে ভোটাররা চান শান্তিপূর্ণ পরিবেশ।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের ৪৯টি জেলায় ইতোমধ্যেই রিটার্নিং অফিসারদের কাছে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে এবং বাকি জেলাগুলোতে আজ রোববারের মধ্যে ব্যালট পৌঁছে যাবে। 

সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করে ইসি। এ কারণে আসনটি বাদে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের নির্বাচনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, মহিলা ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ আসনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন এবং সর্বোচ্চ ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে। 

এবারের নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র এবং কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আসা ২০০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়ে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাঠে নামছে ইইউ।
বিজ্ঞাপন

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারবেশন মিশন বাংলাদেশ ২০২৬ এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রশিক্ষণ শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড থেকে আগত মোট ২০০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নামছে ইইউ।

বার্তায় জানানো হয়, বর্তমানে সব স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষককে নির্বাচনের দিনের কার্যক্রম, ভোট গণনা এবং ফলাফলের তালিকা কিভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে সে সম্পর্কে ঢাকায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

আজ সারা দেশে সব পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার ইজাবস ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে মিশনের প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন করবেন।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশকে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস। তাঁর প্রত্যাশা, একটি অত্যন্ত ভালো, অংশগ্রহণমূলক ও সর্বোপরি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হবে।

আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ইভার্স ইজাবস এ আশাবাদের কথা শোনান।

নির্বাচনের পরিবেশ কেমন, তা জানতে চাইলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান বলেন, নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ অত্যন্ত ইতিবাচক। সাধারণ পরিবেশটি খুবই আশাব্যঞ্জক। এই অর্থে যে তাঁদের অধিকাংশ আলোচনাসঙ্গী জোর দিয়ে বলেছেন, এটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতন্ত্রে একটি নতুন অধ্যায় হওয়া উচিত। এ কারণেই নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ ও সাধারণ প্রত্যাশা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

ইভার্স ইজাবস আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চাই।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণা শেষ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঘরে ফেরার আগে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন তিনি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তারেক রহমান।

এর আগে, এদিনে ঢাকার আটটি স্থানে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারণায় বিএনপি চেয়ারম্যান বক্তব্য দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে- বিভাগীয় শহর থেকে প্রত্যন্ত জনপদে। ১৯ দিনে তিনি মোট ৪৩টি জনসভা ও পথসভায় অংশ নিয়েছেন। প্রতিটি সভায় ধানের শীষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি তুলে ধরেছেন বিএনপির রাষ্ট্রচিন্তা, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

১৯ দিনের প্রচারে প্রথম সিলেট থেকে শুরু করেন তিনি। ২১ জানুয়ারি রাতে ঢাকা থেকে বিমানে সিলেট পৌঁছে প্রথমেই হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে মাজার- রাস্তার দু’ধারে ছিল হাজার হাজার মানুষের ভিড়। বাসের ভেতর থেকে হাত নেড়ে তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পরদিন সকালে তরুণদের সঙ্গে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক’। তারপর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম জনসভা। সেখানেই ঘোষণা- বিএনপি ক্ষমতায় এলে মহানবী (সা.)-এর আদর্শে দেশ পরিচালনা করা হবে, দ্রুত শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ।

একই দিনে আরও ছয় জেলায় ছুটে গিয়ে জনসভা করেছেন- মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ।

পরদিন ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি সমাবেশ রাজধানীর ভাষানটেক বিআরবি মাঠে। মাঝে শারীরিক অসুস্থতায় কিছুটা ধীরতা এলেও ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে ফের চেনা ছন্দে। সেখানেই সবচেয়ে কড়া রাজনৈতিক বার্তা- দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে। সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, খেটে খাওয়া মানুষের নিরাপত্তা আর সারাদেশে খাল খননের ঘোষণা- চট্টগ্রামের বক্তৃতায় একসঙ্গে প্রশাসন ও পরিবেশ দুই দিকই ছুঁয়েছেন তিনি।

ঢাকায় ফেরার পথে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জ। তারপর ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও উত্তরা। উড়োজাহাজে উত্তরাঞ্চল সফর- রাজশাহী, নওগাঁ ও বগুড়া। দীর্ঘ নির্বাসনের পর প্রথমবার পৈতৃক ভিটায় পা রাখা- বগুড়ায় রাত কাটানো রাজনৈতিক সফর হয়েও ছিল ব্যক্তিগত আবেগে মোড়া।

রংপুরে গিয়ে জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল পেরিয়ে যান খুলনা ও যশোর। বরিশালে হেলিকপ্টার থেকে নামা, ফরিদপুরে বিভাগ ঘোষণার প্রতিশ্রুতি ও পদ্মা ব্যারেজের কথা।

তারেক রহমান ফরিদপুরে বিভাগ, ঠাকুরগাঁওয়ে বিমানবন্দর, মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাডেট কলেজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। ঢাকায় ৪০টি খেলার মাঠ, প্রশস্ত সড়ক ও নিরাপদ শহর গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। প্রতিটি জনসভায় বক্তব্যের শেষে একই ডাক- সবার আগে বাংলাদেশ।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ও সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ১৫টি আসনে একের পর এক জনসভা করেছেন- মিরপুর, পল্লবী, তেজগাঁও, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, লালবাগ। বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ মাঠে শেষ দিকের জনসভা। প্রচারের ব্যস্ততা থামে সেখানেই। প্রচারণা শেষে তারেক রহমান যান মা ও বাবার কবর জিয়ারতে। তার যে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়েছিল হজরত শাহজালালের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে, তা শেষ হলো মা-বাবার কবর জিয়ারত করে ঘরে ফেরা দিয়ে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের সবকয়টিতেই ব্যালট পৌঁছে গেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মিডিয়া সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার আহমেদ বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। শতভাগ শুদ্ধ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। আর নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন চ্যালেঞ্জ ছিলো।

তিনি বলেন, ২৯৯ আসনে সব ব্যালট পৌঁছে গেছে। ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মোবাইল ফোন নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবার বিষয়ের প্রজ্ঞাপনটি আজ প্রত্যাহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ভোট গণনার ক্ষেত্রে পোস্টাল ব্যালটের গণনা সময়সাপেক্ষ, তবে কোন অবস্থাতেই অতিরিক্ত বিলম্ব করা হবে না।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে আসনটিতে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব