• Colors: Purple Color

দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ৪ হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদ সৃজনের প্রস্তাব নিয়ে সভা ডেকেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামীকাল মঙ্গলবার ১০ মার্চ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ বিষয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সভাসংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করেছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, পুলিশ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত বিভিন্ন ইউনিটে চার হাজার এসআই (গ্রেড-১০) (নিরস্ত্র) পদ সৃজনের বিষয়ে আলোচনা করা হবে। সকাল ১০টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে (ভবন নম্বর-৮, কক্ষ নম্বর-২০৮, তৃতীয় তলা) এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সালাহউদ্দিন আহমদ পুলিশের সব পর্যায়ে জনবলসংকট নিরসনে নিয়োগের বিষয়টি সামনে আনেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি দ্রুত শূন্য পদ পূরণের তাগিদ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কনস্টেবলের শূন্য পদ জরুরি ভিত্তিতে পূরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদেও দ্রুত নিয়োগের ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে কনস্টেবল ও পুলিশ সার্জেন্টের শূন্য পদেও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ দুটি পদে আবেদন শুরু হয়েছে।

ভারতে গ্রেপ্তার ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রেসব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টেকনাফ স্থল বন্দর চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ব্রিফিংয়ের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সব অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অহংকার হচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। এটির জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আগের মতো ঘোষণা দিয়ে প্রকাশ্যে মাদকের তালিকা হবে না। পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই তালিকা হবে। মাদক ও মানবপাচার রোধে উখিয়া-টেকনাফে রুটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি বাড়ানো হবে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের তত্ত্বাবধানে কক্সবাজার শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ট্রাফিক সিস্টেম উন্নয়নের জন্য জনবল নিয়োগ এবং টমটমের (ইজিবাইক) লাইসেন্স আর না বাড়ানোর নির্দেশনা দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। কোনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সড়ক পথে নিজ এলাকা পেকুয়া উপজেলা থেকে বেলা ১২টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপার, র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক, বিভিন্ন বাহিনীর প্রতিনিধি, সিভিল সার্জন, বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে দ্রুতগতির এক মোটরসাইকেলের ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটেছে। মুখোমুখি এ সংঘর্ষে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে বাসটি। আর ছিটকে সড়কের একটি গাছে সজোরে ধাক্কা খেয়েছে মোটরসাইকেলটি। তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন এ ঘটনায়। এছাড়া, আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। 

সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে খাগড়াছড়ি-ফটিকছড়ি সড়কের পাইন্দং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যাত্রীবাহী বাসটি খাগড়াছড়ি থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ফটিকছড়ির পাইন্দং এলাকায় ফেলাগাজি নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে ধাবমান একটি দ্রুত গতির মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

এসময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে জমিতে পড়ে যায়। মোটরসাইকেলটি গিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যায়।

হতাহতদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয় জনতা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা মোটরবাইক যাত্রী।

পরে ফটিকছড়ি থেকে গুরতর আহত বেশ কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

 

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তিনটি হেলিকপ্টার নিয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযানে অংশ নেয় ৩ হাজার ১৮৩ জন যৌথ বাহিনীর সদস্য। অভিযানে অস্ত্র-বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১২ জনকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে এলাকায় দুইটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পও স্থাপন করা হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সীতাকুণ্ড মডেল থানাধীন জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অবৈধ অস্ত্র মজুদ, পাহাড় কেটে প্লট বিক্রি, অপরাধীদের আশ্রয়স্থল তৈরি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪৮৭ জন সদস্য, জেলা পুলিশের ১৪৬ জন সদস্য, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ৮০০ জন সদস্য, আরআরএফ চট্টগ্রামের ৪০০ জন সদস্য, ফেনী জেলা পুলিশের ১০০ জন সদস্য, পার্বত্য জেলার ৩০০ জন সদস্য, এপিবিএনের ৩৩০ জন সদস্য, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ১২২ জন সদস্য এবং র‌্যাবের ৩৭১ জন সদস্যসহ সর্বমোট ৩ হাজার ১৮৩ জন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য অংশ নেন। এছাড়া সাতজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযানকে কার্যকর করতে তিনটি হেলিকপ্টার, ১৫টি এপিসি (আর্মড পার্সোনেল ক্যারিয়ার), র‌্যাব ও সিএমপির তিনটি ডগ স্কোয়াড এবং ১২টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এ সময় অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খান সরেজমিনে উপস্থিত থেকে অভিযান তদারকি করেন।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল গণমাধ্যমকে জানান, জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বিভিন্ন পাহাড়ি ও দুর্গম স্থানে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়।

সন্দেহভাজন আস্তানা, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি, পাহাড়ি পথ, গোপন স্থাপনা এবং অপরাধীদের সম্ভাব্য অবস্থানগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে ১২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশিকালে দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র (একটি পিস্তল ও একটি এলজি), চারটি কার্তুজ, ১১টি ককটেল, ১৭টি দেশীয় অস্ত্র, ১৯টি সিসি ক্যামেরা, দুটি ডিভিআর, একটি পাওয়ার বক্স এবং দুইটি বাইনোকুলার উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া এসব সরঞ্জাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা, এলাকায় নজরদারি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হতো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযান চলাকালে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযান শেষে জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল ও আলীনগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে দুইটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

 

রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের সময়সীমা ২২ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার (২০ এপ্রিল) কমিশনের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে। তারা দলীয় নিবন্ধনের জন্য সময়সীমা ৯০ দিন বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছিল।

আজই (রোববার) রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সীমার শেষ দিন ছিল। এ উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের পাঁচ সদস্য। বৈঠকে নির্বাচন কমিশন গঠন আইন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন, নিবন্ধনের সময়সীমা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। 

এরআগে, বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবকে দেওয়া এক লিখিত আবেদনে দল নিবন্ধনে ৯০ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নতুন দলটি।

ভোটাধিকার প্রবাসীদেরও সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু বাস্তবে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা সেই অধিকার চর্চার সুযোগ কখনোই পাননি। আইনে পোস্টাল ব্যালটের নিয়ম থাকলেও বিগত সময়ে একটি ভোটও বিদেশ থেকে আসেনি।

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রথমবার প্রবাসীরা প্রতীক সম্বলিত পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের সুযোগ পাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার আগেই প্রতীকসহ ব্যালট পেপার প্রবাসীদের কাছে পাঠানো হবে। সেই ব্যালটে নিবন্ধিত দলগুলোর সংরক্ষিত প্রতীকের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ১০টি প্রতীক দেয়া থাকবে।

পুরো প্রক্রিয়াটি পোস্ট অফিসের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। ভোট দিতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের নিবন্ধনের জন্য তিন সপ্তাহ সময় পাবেন। প্রতীক বরাদ্দের পর ডাকযোগে ভোট পাঠাতে পারবেন তারা।

তবে কোনো দল প্রার্থী না দিলেও সেই প্রতীক ব্যালটে থেকে যাবে। এটি বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা বিশ্লেষকদের। তাদের মতে, প্রতীক বরাদ্দের পর ব্যালট পেপার পাঠাতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রাখতে হবে।

নির্বাচন বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বহুবছর থেকে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও তা হয়নি। এই বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার অগ্রাধিকারে রয়েছে। পোস্টাল ব্যালট নিয়ে মানুষের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়া অমূলক নয়, অনেকক্ষেত্রে তা স্বাভাবিক। কারচুপি ঠেকাতে কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ জেসমিন টুলি বলেছেন, প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে মনোনয়ন চূড়ান্ত ও প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটগ্রহণের সময় অন্তত ৩০ দিন করতে হবে। যাতে প্রবাসীদের কাছে ব্যালট পৌঁছায় এবং সময়মতো ভোট ফেরত আসে। তবে অনেক অসুবিধার মধ্য দিয়ে হলেও প্রথমবারের মতো এটি চালু হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো রিটার্নিং অফিসার প্রভাবিত হলে ব্যালটগুলোর টাইমিংয়ের ক্ষেত্রে হেরফের করতে পারে। এরকম একটি ফাঁক থেকে যায়। কিন্তু এবারের ভোটে সেরকম ফাঁক ফোকর থাকার কথা নয়।

তবে অতীতের অভিজ্ঞতা বদলে এবার সত্যিই প্রবাসী ভোটে প্রাণ ফিরবে কি না তার উত্তর ব্যালট ফেরার পরই মিলবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব