এখন পর্যন্ত ৪১ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। আর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই–রিটার্ন সিস্টেমে প্রায় ৫০ লাখ করদাতা নিবন্ধন নিয়েছেন।

সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা তাঁদের সারা বছরের আয়–ব্যয়ের খরচ জানিয়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন। তবে ওই সময়ের মধ্য কেউ যদি রিটার্ন দিতে না পারেন, তাহলে অনলাইনে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন বলে এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে ৯০ দিন পর্যন্ত সময় বাড়ানো যাবে। সময় বাড়ানোর আবেদন অবশ্যই ৩১ মার্চের মধ্যে করতে হবে।

চলতি বছরে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব করদাতার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এনবিআরের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন নিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যায়।

বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের মতো কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী আছেন।

অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানকে ভালো অভিনয়ের জন্য ১০–এ ১০ দিলেন অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। তাঁরা একসঙ্গে প্রথমবার বঙ্গের জন্য ওয়েব ফিল্মে নাম লিখিয়েছেন। গতকাল সেই সিনেমা ‘লাভ সিটার’–এর প্রিমিয়ারে অংশ নিয়ে পলাশ অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

সহশিল্পী প্রসঙ্গে ‘কাবিলা’ চরিত্র দিয়ে পরিচিতি পাওয়া পলাশ বলেন, ‘আমি সহশিল্পী হিসেবে তাকেই গুরুত্ব দিই, যার সঙ্গে অভিনয় করলে মনেই হয় না আমি অভিনয় করছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, তেমনই একজন অভিনয়শিল্পী সাদিয়া আয়মান। প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত—এমনকি ডাবিংয়ের সময়েও সাদিয়া চরিত্রের মধ্যেই ছিল। শুরু থেকেই সে গল্পের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। সহশিল্পী হিসেবে আমি বলব, সাদিয়া ১০–এ ১০ পাবে।’

জিয়াউল হক পলাশ। ছবি: ফেসবুক থেকে
জিয়াউল হক পলাশ। ছবি: ফেসবুক থেকে

এ সময় পলাশের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সাদিয়া আয়মান। পলাশের অভিনয় নিয়ে সাদিয়া জানান, বিড়াল নিয়ে গল্প হলেও শুরুতে পলাশ বিড়াল নিয়ে কিছুটা ভয়ের মধ্যে ছিলেন। পরে সেই ভয় কেটেছে। পুরো গল্পে মনেই হয়নি পলাশ বিড়াল ভয় পান, বলেন সাদিয়া।

সাদিয়া আয়মান। ছবি: ফেসবুক থেকে
সাদিয়া আয়মান। ছবি: ফেসবুক থেকে

সাদিয়া আয়মান প্রিমিয়ার শেষে সিনেমাটি সম্পর্কে বলেন, ‘আমার কাছে কাজটি অনেক স্পেশাল। প্রথম অনেক কিছুই আছে এই ফিল্মে। আমার সহশিল্পী ও বঙ্গের সঙ্গে প্রথম কাজ। আমি নিজেও একজন পেট (বিড়াল) লাভার। আমার পোষা তিনটা বিড়াল আছে। আমি ওদের সঙ্গে খুবই কানেকটেড। এ কারণে অভিনয়ের সময় অনেক কিছুই আমাকে সহায়তা করেছে। অনুভূতিগুলো আমার জানা। শুটিংয়েও দারুণ সময় কেটেছে। এটা দর্শকদের ভালো লাগবে।’

পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক
পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

সাদিয়া আয়মান ও পলাশের প্রেমের গল্প নিয়েই এগিয়ে যাবে সিনেমাটি। ‘লাভ সিটার’ যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী মুশফিকা মাসুদ। ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অমিতাভ রেজা বলেন, ‘গল্পটি আমার কাছে খুব ব্যক্তিগত। বড় শহরে মানুষে ভরা জীবনের মধ্যেও একধরনের নিঃসঙ্গতা থাকে, যা অনেক সময় আমরা নিজেরাও বুঝতে পারি না। ‘লাভ সিটার’ সেই নিঃসঙ্গতার ভেতরে জন্ম নেওয়া এক অদ্ভুত সম্পর্কের গল্প। আমরা দেখতে চেয়েছি, ভালোবাসা সব সময় বড় কোনো নাটকীয় ঘটনা নয়; অনেক সময় তা খুব নীরব, খুব সাধারণ, কিন্তু গভীরভাবে মানবিক।’

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের দল ও আমরা প্রমাণ করতে চাই, আমরা যেটা বলব, সেই কাজটা করতে চাই। সোমবার বিকেলে নড়াইল সদর উপজেলার হাতিয়াড়া এলাকায় হাতিয়াড়া খালের পুনঃখননকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।  

দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় নড়াইলের সদর উপজেলার ওই খালটির প্রায় আড়াই কিলোমিটার পুনঃখনন করা হবে।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের সময় অনেকে অনেক কথায় বলে। নির্বাচনের প্রার্থীরা ও অনেক দল বলে, ‘১০ টাকা কেজি চাল দেব। ঘরে ঘরে চাকরি দেব। গোয়ালভরা গরু দেব, গোলাভরা ধান দেব, ঘুম পাড়ানি মাসি দেবে।’ উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, চিত্রা নদীর ওপরে ট্রাক ভরে রসগোল্লা ঢেলে দেবেন, আপনারা বসে বসে উঠাবেন আর খাবেন। শুধু তাঁদের ভোট দিতে হবে। এ রকম বলে না?’

তবে এসব কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দল ও আমরা প্রমাণ করতে চাই। আমরা যেটা বলব, সেই কাজটা আমরা করতে চাই। আমাদের নির্বাচনের ইশতাহারে ছিল, আমরা ক্ষমতায় গেলে সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল এবং ছোট নদী খনন করব। আরও অন্যান্য প্রকল্প আমাদের আছে। ১৮ তারিখ (ফেব্রুয়ারি) থেকে আমাদের সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ডও দেওয়া শুরু হয়েছে।’

নড়াইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল ছালামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও নড়াইল-২ আসনের আতাউর রহমান (বাচ্চু) ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল-মামুন শিকদার, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ (লাবলু) প্রমুখ।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা থেকে বাড়িমুখী মানুষের ঢল নেমেছে আব্দুল্লাহপুর বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে। এতে মহাসড়কসহ এর আশপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

মূলত সোমবার (১৬ মার্চ) শেষ কর্মদিবস হওয়ায় চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে গ্রামের বাড়িতে রওনা হয়েছেন। সে কারণে বিকেলের পর থেকে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। ইফতার শেষে সন্ধ্যার পর সেই চাপ আরও কিছুটা বেড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার কিছু কিছু বাস কাউন্টারে টিকিট সংগ্রহের জন্য যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। কিছু কিছু পরিবহনের টিকিট পাওয়া না গেলেও বেশিরভাগ পরিবহনেরই আজ সহজে টিকিট মিলছে।

আজ দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মহাখালী গাবতলী, কল্যাণপুর বাস টার্মিনাল থেকে পাওয়া তথ্যে ঈদযাত্রার এমন চিত্র উঠে এসেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, এসব টার্মিনালের টিকিট কাউন্টারগুলোতে ভিড় করছেন ঘরমুখো মানুষ। যারা টিকিট সংগ্রহ করেছেন তারা নির্দিষ্ট গাড়ির অপেক্ষায় কাউন্টারে বসে সময় গুনছেন। যারা টিকিট কাটতে পারেননি তারা টিকিটের জন্য কাউন্টারগুলোর সামনে ভিড় করছেন। অধিকাংশ দূরপাল্লার যাত্রীরা আজ কাউন্টারে সহজে টিকিট পাচ্ছেন। আবার কোনো কোনো পরিবহনের গাড়িতে দেখা গেছে আসন সংকটও। কোনো কোনো কাউন্টারে দেখা গেছে বিপরীত চিত্রও। সেসব কাউন্টারে টিকিটের জন্য যাত্রীর চাপ অনেকটাই কম। সেখানকার দায়িত্বরত পরিবহন শ্রমিকেরা যাত্রীর খোঁজে হাঁকডাক ছাড়ছেন।

সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাস টার্মিনালগুলো ঘিরে আশপাশের সড়কে তৎপরতা দেখা গেছে। পাশাপাশি টার্মিনালগুলোতে র‍্যাব ও পুলিশ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নজরদারি করতেও দেখা যায়।
গাবতলী বাস টার্মিনালে সাকুরা এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার রিপন বলেন, আজকে আমাদের ১৩টি গাড়ি গাবতলী থেকে ছেড়ে গেছে। কোনো গাড়িতেই আসন ফাঁকা ছিল না। রাত ১২টায় আরেকটি গাড়ি আছে, সেটিতেও আসন ফাঁকা নেই। কেউ চাইলে ইঞ্জিন কাভারে বসে যেতে পারবেন। এখন পর্যন্ত মোটামুটি যাত্রীর চাপ আছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের ভোগান্তি নেই বললেই চলে। আগে ঈদের সময় টার্মিনালে পা রাখা যেতো না। একপাশ থেকে অন্যপাশে যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগতো। যাত্রীদেরও কষ্টের সীমা ছিল না। এখন ঈদযাত্রীরা আরামে টিকিট সংগ্রহ করে ভ্রমণ করতে পারছেন। টার্মিনালেও তেমন জটলা নেই।

হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার পাপ্পু বলেন, গত দু-তিন দিনের তুলনায় আজ যাত্রীর চাপ কিছুটা বেশি। তবে খুব বেশি নয়। অতিরিক্ত গাড়ি ছেড়ে যাওয়ার মতো যাত্রী নেই। যে পরিমাণ যাত্রী আসছে তাতে শিডিউলের গাড়িগুলোই যথেষ্ট। তবে কোনো গাড়িতেই আসন ফাঁকা থাকছে না।

কল্যাণপুর বাস টার্মিনালে কথা হয় সাতক্ষীরার যাত্রী রবিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুপুরে শ্যামলী থেকে টিকিট কেটেছি। গাড়ি সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে। কাউন্টারে গিয়েই টিকিট পেয়েছিলাম। বাসা ঢাকা উদ্যানের পাশে হওয়ায় বেড়িবাঁধ দিয়ে গাবতলী এসেছি। এখান থেকে গাড়িতে উঠবো। তবে গাবতলী কাউন্টারে টিকিটের খোঁজ নিয়ে জানলাম এখানে টিকিট নেই। দুপুরে শ্যামলী থেকে টিকিট কেটে না রাখলে আজ বাড়ি যেতে পারতাম না।

ঈদের ছুটি কাটাতে গ্রামের বাড়ি মাগুরায় যাবেন মো. রাসেল। তিনি বলেন, বাড়িতে যাওয়ার জন্য কাউন্টারে এসেছি। কয়েকটা কাউন্টারে ঘুরলাম, এখনো টিকিট পাইনি। তবে নরমাল গাড়িগুলোতে সিট ফাঁকা আছে। ভালো গাড়িতে টিকিট খুজছিলাম, পেলাম না। দেখি, যদি ভালো কোনো গাড়িতে টিকিট পাই তবে চলে যাবো। আর না পেলে যে গাড়ি পাবো সেটাতেই যেতে হবে।

পাবনার যাত্রী এমদাদ হোসেন বলেন, গাড়ির অপেক্ষায় বসে আছি। টিকিট পেতে খুব একটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি। কাউন্টারে এসে যে গাড়িটা পেয়েছি সেটিতে কোনো সিট ছিল না। সন্ধ্যা ৭টার গাড়িতে ছিট পেয়েছি।

এদিকে, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকিট কেটে রাখা যাত্রীদের ঈদযাত্রা শুরু হয় শুক্রবার (১৩ মার্চ)। সে হিসেবে আজ ট্রেনের অগ্রিম টিকিটধারীরা চতুর্থ দিনের ঈদযাত্রায় গ্রামের বাড়িতে ছুটছেন। তবে গত তিনদিন ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রায় তেমন ভিড় দেখা যায়নি। বাড়তি ভিড় না থাকায় অনেকটা স্বস্তি ও আনন্দদায়ক পরিবেশে বাড়ি ফিরেছেন তারা। তবে আজ সেই চিত্র কিছুটা বদলাতে শুরু করেছে। গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা ট্রেনগুলোর পাশাপাশি সবগুলো প্লাটফর্মে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাত ৮টায় লালমনি, রংপুর, কুড়িগ্রাম, বুড়িমারীর উদ্দেশে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ছেড়ে গেছে। উত্তরাঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করা এই ট্রেনে ঠেসে ঠেসে চড়ে গন্তব্যে ছুটছেন ঘরমুখো মানুষ। যাত্রীদের চাপে অতিরিক্ত বগি দেওয়া সত্ত্বেও অনেকে টিকিট নিয়ে নিজ বগিতে চড়তে পারেননি। গেটে ঝুলে ঝুলে যেতে দেখা গেছে অনেককে। তবে ট্রেনের ছাদে চড়ে কাউকে যেতে দেয়নি স্টেশন কর্তৃপক্ষ।

শুধু কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস নয়, প্রতিটি ট্রেনই নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাচ্ছে। এতে নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা গেছে। তবে যাত্রীদের অনেকেই টিকিট কেটেও নিজের আসনে পৌঁছাতে পারেননি। কিংবা নির্ধারিত বগি খুঁজে পাননি।

ট্রেনের টিটিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিনদিনের তুলনায় আজ সন্ধ্যা থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে চাপ আরও বাড়বে। বেসরকারি অনেক চাকরিজীবীদের আগামী বুধবারও অফিস করতে হবে। ওইদিন সবচেয়ে বেশি ভিড় হতে পারে।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্তম্ভিত করে দিলেও দেশটিতে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের খুব একটা লক্ষণ নেই। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এই যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনগুলোতে এই লড়াইয়ের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ইসরায়েলের হাতে ছিল—এ বিষয়ে খুব কম মানুষেরই সন্দেহ ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটা অনিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মহসেন রেজায়ি গত রোববার বলেছেন, ‘কীভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি হবে, সেটা ঠিক করব আমরা।’ তিনি পারস্য উপসাগর থেকে ওয়াশিংটনের বাহিনী প্রত্যাহার এবং হামলার ফলে সৃষ্ট সব ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তিন সপ্তাহ আগেও তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কণ্ঠে এমন আত্মবিশ্বাস পাওয়া অসম্ভব বলে মনে হচ্ছিল।

ইসরায়েলের আকস্মিক হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। এরপর মার্কিন ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ইরানে অবাধে কয়েক হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে তাদের সামরিক সক্ষমতার প্রমাণ দেয়। তাদের একমাত্র উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ছিল নিজেদের বাহিনীর ভুলে হওয়া কিছু ঘটনা।

অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের অজান্তেই তার পরিকল্পনার চেয়ে অনেক দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে আটকা পড়ছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের জবাবে ইরান ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ব্যাপক আক্রমণ চালায়, যার বেশির ভাগই ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রুখে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ইরানি হামলায় ইসরায়েলে ১২ জন নিহত হয়েছেন, যা গত বছরের স্বল্পস্থায়ী সংঘাতের তুলনায় অনেক কম।

উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের লক্ষ্যবস্তু হলেও তাদের অবকাঠামো রক্ষা করতে পেরেছে। যদিও তাদের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাওয়া নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

নিয়ন্ত্রণ ফসকানোর নেপথ্যে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রতিদিন ইরানে হামলা চালিয়ে তাদের প্রচলিত সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেও যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ এখন তাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন সময় দিলেও সম্প্রতি জানিয়েছেন, ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করার মাধ্যমেই এই যুদ্ধের অবসান হবে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। আমার মনে হয়, এখন নিয়ন্ত্রণ ইরানিদের হাতে।

পিটার নিউম্যান, অধ্যাপক, নিরাপত্তা অধ্যয়ন বিভাগ, কিংস কলেজ লন্ডন

তবে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের অজান্তেই তার পরিকল্পনার চেয়ে অনেক দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে আটকা পড়ছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি এসেছে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে, যে পথ দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস রপ্তানি হয়ে থাকে। এটি বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে এবং তেলের দাম আকাশচুম্বী করেছে। ফলে এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে।

সব মিলিয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তেহরানকেই নিতে হবে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন আশা করেছিল, তার কোনো লক্ষণ বর্তমানে নেই।

জেরুজালেমের হিব্রু ইউনিভার্সিটির সামরিক ইতিহাসের অধ্যাপক ড্যানি ওরবাখ অবশ্য মনে করেন, এখনো ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রই যুদ্ধের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করছে। তাঁর মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–ব্যবস্থা শেষ হয়ে আসায় তেহরান বাধ্য হয়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে, যাতে এটি কোনোভাবে থামানো যায়।

ইসরায়েলে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন। রিশন এলাকা, ইসরায়েল
ইসরায়েলে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন। রিশন এলাকা, ইসরায়েল, ছবি: রয়টার্স
 

অন্যদিকে কিংস কলেজ লন্ডনের নিরাপত্তা অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক পিটার নিউম্যান ভিন্নমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। আমার মনে হয়, এখন নিয়ন্ত্রণ ইরানিদের হাতে।’

ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক জোট গঠনের আহ্বান জানালেও এখনো কোনো দেশ তাতে সাড়া দেয়নি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, শত শত ট্যাংকার পাহারা দেওয়া বিশাল সামরিক সম্পদের ব্যাপার এবং তার পরেও জাহাজ চলাচলের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অসম্ভব। কারণ, ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা বিস্ফোরক বোঝাই ছোট নৌকাই ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

সব মিলিয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তেহরানকেই নিতে হবে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন আশা করেছিল, তার কোনো লক্ষণ বর্তমানে নেই।

নিউম্যান যোগ করেন, ‘ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস করতে পারলেও কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক প্রভাব অর্জন করা যায়নি। সেখানকার শাসনব্যবস্থা দুর্বল মনে হলেও স্থিতিশীল।’

লেবানন ফ্রন্টেও হিজবুল্লাহ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি শক্তি প্রদর্শন করছে। ইসরায়েলি বিমান হামলায় সেখানে ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৮ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হলেও হিজবুল্লাহর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।

অবশ্য বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ইসরায়েলের বিশাল সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সামনে হিজবুল্লাহর মূল লক্ষ্য এখন শুধুই টিকে থাকা।

দ্য গার্ডিয়ান

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিভ্রান্তিকর আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি দেশ পরিচালনা করতে চায় না। জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিকভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। জুলাই সনদের প্রতিটি ধারা সাংবিধানিকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার কন্যাদহ গ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খননকৃত শিরিষকাঠ খাল পুনঃখননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই আমাদের জীবনের বাঁক ঘুরিয়ে দিয়েছে, তেমনি ৫২’, ৭১’, ৮২’ থেকে ৯০’, ২০০৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা খুন-গুম হয়েছেন, তাদের ত্যাগের স্বীকৃতির জন্য অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে বিএনপি।

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী খাল খননের মাধ্যমে স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন। এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পিতার প্রবর্তিত খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালুর মাধ্যমে এ দেশে আবারও উন্নয়ন ও উৎপাদনের ধারা সূচনা করেছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ভোটের কালি শুকানোর আগেই বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী লন্ডন থেকে ফিরে বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান।’ পরিকল্পনাগুলো সাধারণ মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন করে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দশ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হওয়ায় ফ্যাসিস্ট ও নিন্দুকেরা লা-জবাব হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেই কথার ফুলঝুড়ি নয়, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে দিয়েছে। সারাদেশের ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের টার্গেট নেওয়া হয়েছে। খালগুলো সতেজ ও কৃষিনির্ভর করে তুলতে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

রপ্তানিকারকদের এক লাখ ডলার পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির জন্য পরিবহন বা জাহাজি দলিল (শিপিং ডকুমেন্ট) সরাসরি বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পাঠানোর সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বিশ্বব্যাপী ক্রেতাদের বাজারে ব্যবসা করা সহজ হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

গতকাল সোমবার এক প্রজ্ঞাপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো রপ্তানিকারকদের বিদেশি আমদানিকারক বা অন্য অনুমোদিত পক্ষের নামে শিপিং ডকুমেন্ট প্রস্তুত করতে সুযোগ দিতে পারবে। নতুন ব্যবস্থায় রপ্তানিকারকেরা এই ডকুমেন্ট সরাসরি আমদানিকারক বা তাদের মনোনীত পক্ষের কাছে পাঠাতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এই পদক্ষেপ রপ্তানিকারকদের আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে সাহায্য করার জন্য নেওয়া হয়েছে। অনেক বিদেশি আমদানিকারক শিপিং ডকুমেন্ট নিজের নামে ইস্যু করাতে চান, যাতে দ্রুত পণ্য ছাড় করা যায়।

একই সঙ্গে রপ্তানি আয় সময়মতো দেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা প্রজ্ঞাপনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে নিশ্চিত হতে হবে যে সংশ্লিষ্ট শিপমেন্টের জন্য যথাযথ রপ্তানি আদেশ রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি ক্রেতার যথার্থতা যাচাই করতে হবে।

কর্মকর্তারা আরও জানান, এই সিদ্ধান্ত রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে ব্যবসা আরও সহজভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করবে। রপ্তানিকারকদের প্রায়ই ক্রেতাদের শর্ত মানতে হয়। নতুন সুবিধা রপ্তানিকে আরও নমনীয়তা দেবে, সঙ্গে রপ্তানি আয় সময়মতো দেশে ফেরত আসার সুরক্ষাও নিশ্চিত করবে।

রাজধানীর উত্তরায় এক রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার গুজব ছড়িয়ে বিপণিবিতানে ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত স্কয়ার শপিং মলে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কথা–কাটাকাটির জেরে ওই বিপণিবিতানের নিরাপত্তাকর্মীরা এক রিকশাচালককে ভেতরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছেন এমন গুজব ছড়িয়ে রিকশাচালকেরা এ ভাঙচুর চালান। এমনকি তাঁরা বিপণিবিতানের সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক দফা চেষ্টা চালায়। পরে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে যান।

রাতেই সেখানে যান ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে রিকশাচালকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। আজ সকালেও ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. রফিক আহমেদ বলেন, একটি বিপণিবিতানের সামনে রিকশা দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাকর্মী ও রিকশাচালকদের মধ্যে গতকাল রাতে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, একজন রিকশাচালকের সঙ্গে বিপণিবিতানের নিরাপত্তাকর্মীদের কথা–কাটাকাটি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে ওই রিকশাচালক চলে যান।

ওসি বলেন, পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছে। বিপণিবিতানের মালিকেরা আরেকটি মামলা করবেন। এখনো সেখানে পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

ক্ষুব্ধ রিকশাচালকদের অভিযোগ, বিপণিবিতানের নিরাপত্তাকর্মীরা ভেতরে এক রিকশাচালককে আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। তবে ওই রিকশাচালকের পরিচয় কেউ নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি।

ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম অবনতির অভিযোগে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগপূর্ণ দেশ’ হিসেবে ঘোষণা করার সুপারিশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্বাধীন সংস্থা। একইসঙ্গে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র) এবং কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)–এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বানও জানিয়েছে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ) চলতি মাসের শুরুতে প্রকাশিত তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব সুপারিশ করেছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেছে।

মার্কিন সংস্থাটির অভিযোগ, সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায় এবং তাদের উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করেছে ভারত সরকার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ধর্মান্তরবিরোধী আইন আরও কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে দীর্ঘ কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠীর হামলার ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রেও কর্তৃপক্ষের সহনশীল মনোভাবের অভিযোগ করা হয়েছে।

ইউএসসিআইআরএফ বলেছে, হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো সারা বছর বিভিন্ন রাজ্যে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে হয়রানি, উসকানি এবং সহিংসতায় জড়িত ছিল। ২০২৫ সালের মার্চে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণের দাবি তোলার পর মহারাষ্ট্রে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে বহু মানুষ আহত হন। জুন মাসে উড়িষ্যায় ভিএইচপি আয়োজিত বিক্ষোভের সময় কোরআন অবমাননার অভিযোগ ওঠে এবং সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।

এছাড়া, গত এপ্রিল মাসে কাশ্মীরে হিন্দু পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পাঁচ দিনের সংঘাত শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মে মাসে ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করে মিয়ানমারের জলসীমার কাছে নিয়ে গিয়ে লাইফ জ্যাকেট দিয়ে সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়।

এছাড়া, জুলাই মাসে আসাম থেকে শত শত বাংলা ভাষাভাষী মুসলিমকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে, যাদের অনেকেই ভারতীয় নাগরিক।

এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ (সিপিসি) হিসেবে ঘোষণা করতে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে সুপারিশ করেছে ইউএসসিআইআরএফ।

সংস্থাটি আরও বলেছে, আরএসএসের মতো সংগঠনের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তাদের সম্পদ জব্দ করা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যেতে পারে।

ধর্মীয় স্বাধীনতা পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সহায়তা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক যুক্ত করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

শ্রম আইন লঙ্ঘন করে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার (এনজিও) কর্মীদের কোনোভাবেই কর্মঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটকে রেখে কাজ করানো যাবে না। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সংস্থার প্রধানদের সতর্ক করে এমন কথা বলেছেন।

গত শনিবার বগুড়ায় এমআরএর উদ্যোগে আয়োজিত মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশন (এমএফআই)–ব্যাংক লিংকেজ আঞ্চলিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বগুড়া শহরের বনানী এলাকায় গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) ভবনের মিলনায়তন কক্ষে এই আঞ্চলিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রধানেরা গ্রামীণ কৃষি ও অর্থনীতি সচল রাখতে এবং নারীর ক্ষমতায়নে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনায় এমআরএর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আলাদা তহবিল বা প্যাকেজ চান। একই সঙ্গে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় ঋণ প্রদানের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সুদের হার কমানোর দাবিও জানান তাঁরা।

সেমিনারে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও জয়পুরহাট জেলার ৬৮টি এনজিওর নির্বাহী পরিচালক, ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এনবিএফআইয়ের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সেমিনারে এমআরএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ক্ষুদ্রঋণ খাতে চার কোটি গ্রাহকের মাধ্যমে ২ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা ও মজবুত করেছে। ওই সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মোট তহবিল ১ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে গ্রাহকের জমানো সঞ্চয় ৭৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা এবং নিজস্ব তহবিল ৬৭ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এমএফআইয়ের তহবিল ২২ হাজার ৪৯ কোটি টাকা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমআরএর নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা গেলে তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরও ত্বরান্বিত হবে। মাইক্রোক্রেডিট অথরিটি এমএফ–সিআইবি ও ক্রেডিট স্কোরিং বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে। যেখানে ব্যাংক ও মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশন উভয়ই দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। এ সময় আর্থিক সহায়তা ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য ব্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া অপেক্ষাকৃত ছোট পরিসরে ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী এনজিওগুলোকে ঋণসহায়তা প্রদানের জন্য বড় এনজিওর প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বগুড়া কার্যালয়ের পরিচালক সরদার আল এমরান বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাতকে নিরাপদ, স্থিতিশীল ও চাঙা রাখা, অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফেরানো এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ। বেসরকারি সংস্থাকে কত সহজে, কত দ্রুত, কতটা ঝামেলামুক্তভাবে ঋণ প্রদান করা যায়, বাস্তবমুখী করা যায়, সেই প্রচেষ্টা আমাদের অব্যাহত আছে। তবে বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও কৃষি ও এসএমই খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উপযুক্ত ব্যক্তিকে ঋণ দেওয়া, আদায় করা এবং ঋণের সৎ ব্যবহার করা বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কাজ সবাইকে করতে হবে।’

এমআরএর পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমআরএর নির্বাহী পরিচালক মো. নূরে আলম মেহেদী। সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বগুড়ার টিএমএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক হোসেন আরা বেগম, বগুড়ার গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)–এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আলমগীর হোসেন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের বগুড়ার হেড অব ব্রাঞ্চ মোখলেছুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার রাশিদুল ইসলাম, বগুড়ার লাইট হাউজের নির্বাহী পরিচালক হারুন–অর–রশীদ, জয়পুরহাটের জাকস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নুরুল আমিন, সিরাজগঞ্জের সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রমের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, বগুড়ার টিএমএসএসের উপনির্বাহী পরিচালক সোহরাব আলী খান, মহিষবাথান সমাজ কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মোখলেছুর রহমান, পাবনার পিসিডির নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জের এনডিপির নির্বাহী পরিচালক আলাউদ্দিন খান প্রমুখ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন এমআরএর পরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ সোমবার বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এতে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন অনেকে। তবে ইউএনওর দাবি, ভিডিওটি তাঁর সম্মানহানির উদ্দেশ্যে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার খবর জানতে পেরে আজ সকাল ৯টার আগেই জেলা সদরের উদ্দেশে কর্মস্থল ত্যাগ করেন ইউএনও।

ইউএনওর কার্যালয়ের একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুঠোফোনে আজ দুপুরে বলেন, তিনি সকাল ৯টার দিকে কার্যালয়ে আসেন। এসে জানতে পারেন ইউএনও মো. আলাউদ্দিন জেলা সদরে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি কার্যালয়ের কাউকে তেমন কিছু বলে যাননি। এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মচারী বলেন, ইউএনরও সঙ্গে এক নারীর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার কথা তিনিও শুনেছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউএনও মো. আলাউদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, অনেক আগের কর্মস্থলের কিছু ঝামেলার জেরে কেউ শত্রুতাবশত এআই দিয়ে এসব করার চেষ্টা করছে। তিনি এসব প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি নিয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, পত্রিকার মাধ্যমে এ রকম একটি বিষয় তিনি শুনেছেন। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউএনও মো. আলাউদ্দিন আজ সকালে তাঁর দপ্তরে ছুটির আবেদন দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে রাজশাহী–চট্টগ্রাম–জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ আর ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হচ্ছেন অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়টির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক রইস উদ্দিন। এ ছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সহ–উপাচার্য অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলামকে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মো. মাসউদ আর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে অধ্যাপক মো. আল ফোরকানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিগগিরই এ–সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।