• ১২ কেজি এলপিজির দাম একলাফে বাড়ল ৩৮৭ টাকা

    ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এপ্রিলে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা। তার মানে, ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা।

    আজ বৃহস্পতিবার নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।

    বিইআরসি বলছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

    সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। অভিযোগ আছে, প্রতি সিলিন্ডারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।

    সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে দাম ছিল ৬১ টাকা ৮৩ পয়সা।

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

  • ১২ কেজির এলপিজির দাম বাড়ল ৫০ টাকা

    ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে বাড়ল ৪ টাকা ২১ পয়সা।

    চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। অর্থাৎ জানুয়ারিতে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। গত মাসে দাম বেড়েছিল ৫৩ টাকা।

    আজ সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই নতুন দাম ঘোষণা করেন। আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

    সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। তবে গত এক মাস ধরে এলপিজির সরবরাহ–সংকট চলছে। প্রতি সিলিন্ডারে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, দাম নির্ধারণের কারণেই বাড়তি দামের বিষয়টি বোঝা যায়। কমিশন আইন অনুসারে দাম ঘোষণা করছে। বাজারে সরবরাহ কম থাকায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

    বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মুসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৪ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। অর্থাৎ এই মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা।

    এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

    সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা।

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

    এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

  • ১৪ বছর পর এভারেস্ট অভিযানে যাচ্ছেন বাংলাদেশি নারী অভিযাত্রী

    ২০১২ সালে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করে ইতিহাস গড়েছিলেন বাংলাদেশি দুই নারী নিশাত মজুমদার ও ওয়াসফিয়া নাজরীন। এরপর দীর্ঘ ১৪ বছর আর কোনো বাংলাদেশি নারীকে দেখা যায়নি এভারেস্ট অভিযানে। সেই বিরতি ভাঙতে যাচ্ছেন পর্বতারোহী নুরুন্নাহার নিম্নি। তাঁর এভারেস্ট–যাত্রা, প্রস্তুতি ও স্বপ্ন নিয়ে কথা বলেছেন সজীব মিয়া

    এভারেস্ট–যাত্রা কবে শুরু হচ্ছে?

    আমি ঢাকা থেকে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেব ১১ এপ্রিল। কাঠমান্ডু থেকে লুকলা হয়ে পরে যাব এভারেস্ট বেজক্যাম্প। নেপালের এইটকে এক্সডিশনের সঙ্গে আমার এই অভিযান প্রায় ৫০ দিনের। সাধারণত মে মাসের ১৫ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে সামিট (শৃঙ্গে আরোহণের অভিযান) হয়ে থাকে।

    দীর্ঘদিন বাংলাদেশি নারীদের এভারেস্ট অভিযান হয়নি

    হ্যাঁ, ২০১২ সালের পর দেশ থেকে আর কোনো নারী এভারেস্ট অভিযানে যাননি। তবে এমন নয় যে নারী পর্বতারোহী তৈরি হয়নি, মূলত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সেই অভিযানগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।

    আর একটি বিষয় অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ঘরে-বাইরে, সামাজিক ও প্রাকৃতিক নানা বাস্তবতায় মেয়েদের এগিয়ে যেতে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। শারীরিক দিক থেকেও কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। সব মিলিয়ে পথটা সহজ নয়। সে জায়গা থেকে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। কারণ, আমি প্রয়োজনীয় সমর্থন পেয়েছি।

    পর্বতে নুরুন্নাহার নিম্নি
    পর্বতে নুরুন্নাহার নিম্নি, ছবি: বিএমটিসি

    এভারেস্ট জয়ের স্বপ্ন কবে থেকে দেখছেন

    খুব বেশি দিন নয়। পাহাড়ের প্রতি আমার মায়া বেড়েছে ধীরে ধীরে।

    ২০০৬ সালের কথা। তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে প্রথম বর্ষে পড়ি। ফিল্ডওয়ার্কে সীতাকুণ্ডে গিয়েছিলাম। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের ওপরে উঠে মনে হয়েছিল, আমি যেন এভারেস্টে উঠেছি! সেখান থেকেই পাহাড়ের প্রতি আলাদা একটি টান তৈরি হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের বেশির ভাগ সময়ই বান্দরবানের পাহাড়ে ঘুরেছি। আমার বাড়ি রংপুরে; কিন্তু ছুটিতে যতবার না বাড়ি গেছি, তার চেয়ে বেশি গেছি পাহাড়ে।

    পরে চাকরিজীবনে জড়িয়ে পড়লেও সেই টান কমেনি; বরং বেড়েছে। ভুটানের পাহাড়, ভারতের সিকিমের পাহাড়, শেষে গেলাম নেপালে। ২০১৯ সালে নেপালের অস্ট্রেলিয়ান ক্যাম্পে ঘুরে এসে মনে হলো, আরও উঁচুতে যাওয়া দরকার।

    পরের বছর এভারেস্ট বেজক্যাম্প ট্রেক করি। সেই অভিজ্ঞতাই আমাকে নতুন করে ভাবায়। তখনই বুঝলাম, শুধু ট্রেকিং নয়, পর্বতারোহণে সিরিয়াসভাবে এগোতে হবে। এর পরই প্রশিক্ষণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

    হিমলুং হিমাল অভিযানে নুরুন্নাহার নিম্নি
    হিমলুং হিমাল অভিযানে নুরুন্নাহার নিম্নি, ছবি: অভিযাত্রীর ফেসবুক থেকে

    কোথায় প্রশিক্ষণ নিলেন

    ২০২২ সালে ভারতের দার্জিলিংয়ে অবস্থিত হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে। পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছি। এরপর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ভারতে পর্বতারোহণও করি। সেই সময় থেকেই আমার আনুষ্ঠানিক পর্বতারোহণ শুরু। একই বছর বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব-বিএমটিসির সঙ্গেও যুক্ত হই।

    এরপর?

    এরপর প্রতিবছরই পর্বতারোহণের মৌসুমে পর্বতে গিয়েছি। গত বছর ৭ হাজার ১২৬ মিটার হিমলুং হিমাল পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করেছি।

    এবার যাচ্ছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছুঁতে…

    জি, এবার এভারেস্ট অভিযানে।

    আমার এই স্বপ্ন পূরণে পূবালী ব্যাংক পিএলসির কথা বলতেই হয়। পড়াশোনা শেষে এই ব্যাংকে আমার চাকরির জীবন শুরু হয়েছিল। বর্তমানে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে জেনারেল ব্যাংকিংয়ে দায়িত্ব পালন করছি। আমার প্রতিষ্ঠান আমাকে স্পনসর করেছে। এই সহযোগিতা আমার জন্য সত্যিই সৌভাগ্যের।

  • ১৫ বছর বয়সেই বিশ্ব রেকর্ড, আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে অভিষেকেই সেঞ্চুরি

    আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে অভিষেক ম্যাচ, সেই ম্যাচেই সেঞ্চুরি! সেটাও মাত্র ৫৯ বলে। এখানেই শেষ নয়, যিনি সেঞ্চুরি করেছেন, তাঁর বয়স মাত্র ১৫ বছর ২২৩ দিন!

    অবিশ্বাস্য এই কীর্তি গড়েছেন রুয়ান্ডার নারী ক্রিকেট দলের ওপেনার ফ্যানি উতাগুশিমানিন্দে। গতকাল নাইজেরিয়ার লাগোসে ঘানার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি অভিষেকেই সেঞ্চুরি করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন এই বিস্ময় বালিকা। আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা সবচেয়ে কম বয়সী নারী ক্রিকেটার এখন উতাগুশিমানিন্দে।

    ৬৫ বলে অপরাজিত ১১১ রানের এই দুর্দান্ত ইনিংসে বাউন্ডারির ফুলঝুরি ছুটিয়ে উতাগুশিমানিন্দে রুয়ান্ডাকে এনে দিয়েছেন ১২২ রানের বিশাল জয়ও। সেঞ্চুরি করতে তাঁর লেগেছে মাত্র ৫৯ বল!
    এর আগে নারীদের আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান ছিলেন উগান্ডার প্রসকোভিয়া আলাকো। ২০১৯ সালে মালির বিপক্ষে যখন তিনি সেঞ্চুরি করেন, তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর ২৩৩ দিন।

    শুধু তা–ই নয়, নারী টি-টুয়েন্টিতে অভিষেকে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটিও এখন উতাগুশিমানিন্দের দখলে। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার কারেন রোলটনের ৯৬ রানের রেকর্ডটি প্রায় দুই দশক পর ভেঙে দিলেন এই আফ্রিকান কিশোরী। ছেলেদের ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান ফ্রান্সের গুস্তাভ ম্যাককিওন, যাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর ২৮০ দিন। অর্থাৎ নারী-পুরুষ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে এখন কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান উতাগুশিমানিন্দে।

    উতাগুশিমানিন্দের এই উঠে আসার গল্পটাও দারুণ। লর্ডসের বিখ্যাত মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) ফাউন্ডেশনের একটি স্কুল প্রোগ্রামের হাত ধরে তাঁর হাতে ক্রিকেটের খড়ি। রূপকথার মতো এই অভিষেক শেষে বিবিসি স্পোর্টসকে ফ্যানি উতাগুশিমানিন্দে বলেছেন, ‘এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো। ১৫ বছর বয়সে অভিষেকেই এমন কিছু পাব ভাবিনি। এই অর্জন আমার কঠোর পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাসের ফল।’

    রুয়ান্ডার কোচ লিওনার্ড নাম্বুরোও বেশ উচ্ছ্বসিত। তাঁর কথা, ‘এই পারফরম্যান্স তার কঠোর পরিশ্রম আর নিবেদনের প্রমাণ। বছরের পর বছর ত্যাগ আর একাগ্রতার ফল এটা। রুয়ান্ডায় উন্নয়নমূলক ক্রিকেট কীভাবে এগোচ্ছে, সেটারও বড় উদাহরণ।’

  • ২০ মিনিটে এক ধর্ষণ! ভারতে ধর্ষণের ভয়াবহতা মনে করিয়ে দিল ‘অসসি’

    মুম্বাই
  • ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড়, সরকারি সাক্ষী হতে প্রস্তুত জ্যাকুলিন

    বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ঘিরে ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) মামলায় নতুন এবং বড় মোড় সামনে এসেছে। এই মামলায় এখন জ্যাকুলিন নিজেই সরকারি সাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

    পাতিয়ালা হাউস কোর্টে শুনানির সময় জ্যাকুলিন জানিয়েছেন যে তিনি এই মামলায় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে চান এবং সরকারি সাক্ষী হতে প্রস্তুত। আদালত এই বিষয়ে কী অবস্থান নিয়েছেন এবং মামলার পরবর্তী শুনানি কবে হবে, তা জেনে নেওয়া যাক।

    আদালত ইডিকে নোটিশ পাঠিয়েছেন
    জ্যাকুলিনের আবেদন শুনে আদালত জানিয়েছেন, এর জন্য অভিনেত্রীকে সরাসরি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হবে। আদালত স্পষ্ট করেছেন যে তদন্তকারী সংস্থা তাঁর বক্তব্য ও সহযোগিতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেবে তাঁকে ‘অ্যাপ্রুভার’ করা হবে কি না।
    আদালত এই মামলায় ইডিকে নোটিশও জারি করেছেন। পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ এপ্রিল।

    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    বিদেশ যাওয়ার অনুমতি
    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে ২৪ এপ্রিল থেকে ২৫ মে পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণের অনুমতিও দিয়েছেন আদালত। তবে এই সময়ে তাঁকে নির্ধারিত শর্ত মানতে হবে এবং তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা চালিয়ে যেতে হবে।

    কী এই মামলা
    এই পুরো বিষয় ২০০ কোটি রুপির মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। এতে সুকেশ চন্দ্রশেখরকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে ধরা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি জেলের ভেতর থেকেই প্রতারণা ও চাঁদাবাজির বড় নেটওয়ার্ক চালাতেন এবং বহু মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি রুপি আদায় করেছিলেন।

    এই সময়েই তাঁর যোগাযোগ বলিউডের বেশ কিছু অভিনয়শিল্পীর সঙ্গেও তৈরি হয়। সেই সূত্রেই জ্যাকুলিনের নাম এই মামলার সঙ্গে উঠে আসে। ইডির তদন্ত অনুযায়ী, সুকেশ চন্দ্রশেখর জ্যাকুলিনকে বহু দামি দামি উপহার দিয়েছেন, যার মধ্যে ছিল বিলাসবহুল ঘড়ি, দামি ব্যাগ, গয়না এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।

    জ্যাকুলিন কী বলছেন
    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এসব জিনিস অবৈধভাবে অর্জিত টাকার মাধ্যমে কেনা হয়েছিল। তবে জ্যাকুলিন জানিয়েছিলেন, তিনি সুকেশের আসল পরিচয় ও তাঁর অপরাধমূলক কাজ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। তিনি আদালতকে বলেন যে সুকেশ নিজেকে বড় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাঁকে বিভ্রান্ত করেছিলেন।

    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
  • ২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড তৃতীয় ওয়ানডের টিকিট

    বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে বেলা ১১টায় মুখোমুখি হবে দু্ই দল। এ ম্যাচের জন্য টিকিটের মূল্যতালিকা আজ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

    বিসিবির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে পূর্ব গ্যালারির টিকিটের দাম সবচেয়ে কম—২০০ টাকা। পশ্চিম গ্যালারির টিকিটের দাম ৩০০ টাকা। শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড ও শহীদ শ্রাবণ স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম ৬০০ টাকা করে।

    পূর্ব ও পশ্চিমে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম ২৫০০ টাকা করে। পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে ছাদের ওপর দুই প্যাভিলিয়ন এন্ডের টিকিটের দামও ২৫০০ টাকা করে। স্টেডিয়ামের এই চারটি জায়গার টিকিটের দামই সবচেয়ে বেশি।

    [caption id="attachment_272100" align="alignnone" width="695"] বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড তৃতীয় ওয়ানডে টিকেটের মূল্য[/caption]

    ওয়ানডে সিরিজে এরই মধ্যে ১–১ ব্যবধানে সমতায় বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে ২৬ রানে জেতে নিউজিল্যান্ড। একই ভেন্যুতে গতকাল দ্বিতীয় ওয়ানডে ৬ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ।

    ওয়ানডে সিরিজ শেষে তিন ম্যাচের টি–টুয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ২৭ ও ২৯ এপ্রিল দুটি টি–টুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। ২ মে তৃতীয় ও শেষ টি–টুয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। টি–টুয়েন্টি সিরিজে সব কটি ম্যাচই শুরু হবে বেলা ২টায়।

  • ২০২৬ সালে বিশ্বকাপসহ যেসব শিরোপা জিততে পারেন রোনালদো

    আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর থেকে ব্যক্তিগতভাবে আলো ছড়িয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু দলটির হয়ে এখনো বড় কোনো ট্রফি জেতা হয়নি তাঁর। একাধিকবার কাছাকাছি গিয়ে সম্ভাবনা জাগালেও শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই থাকতে হয়েছে রোনালদোকে। কিন্তু রোনালদোর সেই আক্ষেপ মিটতে পারে এই মৌসুমে।

    আল নাসরের হয়ে একাধিক শিরোপা জেতার সুযোগ আছে ‘সিআর সেভেন’-এর। তবে জাতীয় দল ও ক্লাব মিলিয়ে হিসাব করলে রোনালদো এ বছর জিততে পারেন অন্তত চারটি ট্রফি, যার দুটি জিততে পারেন এই মে মাসেই। যেখানে পাঁচ দিনের মধ্যে দুবার ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সুযোগ পেতে পারেন এই পর্তুগিজ তারকা।

    আগামী ১৭ মে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টুর ফাইনালে আল নাসর খেলবে জাপানি ক্লাব গাম্বা ওসাকার বিপক্ষে। গতকাল রাতে আল আহলিকে ৫-১ গোলে হারিয়ে প্রতিযোগিতার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আল নাসর। গতকাল রাতে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদো লিখেছেন, ‘দল নিয়ে গর্বিত। ফাইনাল অপেক্ষা করছে।’ এখন রিয়াদের ফাইনালে শেষ ধাপ পেরোলেই এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের দ্বিতীয় স্তরের শিরোপা নিশ্চিত হবে রোনালদোদের।

    এই ফাইনালের পাঁচ দিন পর সৌদি প্রো লিগে মৌসুমের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে আল নাসর। বর্তমানে শীর্ষে থাকা আল নাসর শিরোপা–দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে আছে। ২৯ ম্যাচ শেষে আল নাসরের পয়েন্ট এখন ৭৬। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে দুই আছে আল হিলাল। ৮ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা আল হিলালের জন্য বাকি ম্যাচগুলোতে আল নাসরকে পেছনে ফেলা কঠিনই হবে। আর শেষ পর্যন্ত লিগ শিরোপা ঘরে তুলতে পারলে এটি রোনালদোর জন্য বড় অর্জনই হবে।

    ফাইনালে ওঠার পথে সতীর্থের সঙ্গে রোনালদোর উদ্‌যাপন
    ফাইনালে ওঠার পথে সতীর্থের সঙ্গে রোনালদোর উদ্‌যাপন, রয়টার্স

    আল নাসরের হয়ে রোনালদোর এ বছর আরও একটি শিরোপা জেতার সুযোগ আছে। সেই শিরোপা হলো সৌদি সুপার কাপ। সৌদি প্রো লিগ ও কিংস কাপে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হওয়া চার দল খেলে এই টুর্নামেন্টে।

    তবে এই চার শিরোপার বাইরে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত শিরোপাটি রোনালদো পেতে পারেন এ বছরের জুলাইয়ে। আর সেটি যে বিশ্বকাপ শিরোপা, তা বোধ হয় আলাদা করে না বললেও চলছে। যেকোনো ফুটবলারের চূড়ান্ত লক্ষ্য থাকে বিশ্বকাপ জেতা।

    রোনালদোর মতো সর্বকালের সেরা তারকার জন্য বিশ্বকাপ ছাড়া ক্যারিয়ার শেষ করা বেশ হতাশার ব্যাপার। সেই হতাশাকে কবর দেওয়ার শেষ সুযোগটা রোনালদো পাবেন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত বিশ্বকাপে। যদি শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্যে রোনালদো সফল হন, তবে তা রোনালদোর তো বটেই, ফুটবলের ইতিহাসেই অনন্য এক ঘটনা হয়ে থাকবে।

  • ২০২৭ সালের মধ্যে অনলাইনে মানুষের চেয়ে ‘বট’-এর তৎপরতা বাড়বে: ক্লাউডফ্লেয়ার সিইও

    ইন্টারনেটে মানুষের তুলনায় বটের (একধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার প্রোগ্রাম) সক্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেভাবে বিস্তার ছড়াচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যে অনলাইনে মানুষের তুলনায় বটের তৎপরতা বেশি হতে পারে। এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও ওয়েব অবকাঠামো–সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথিউ প্রিন্স।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিনে প্রযুক্তিবিষয়ক সাউথ বাই সাউথওয়েস্ট (এসএক্সএসডব্লিউ) সম্মেলনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ম্যাথিউ প্রিন্স। তিনি বলেন, জেনারেটিভ এআইয়ের প্রসারে ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরনে মৌলিক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এআই–চালিত বটগুলো একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছে। এটি মানুষের পক্ষে স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়।

    ম্যাথিউ প্রিন্স বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি একটি ডিজিটাল ক্যামেরা কেনার আগে তথ্য সংগ্রহ করেন, তাহলে সাধারণত চার থেকে পাঁচটি ওয়েবসাইট ঘুরে দেখেন। কিন্তু একই কাজ করতে একটি এআই বট কয়েক হাজার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। ফলে এ প্রক্রিয়া শুধু ভার্চ্যুয়াল সীমায় সীমাবদ্ধ থাকে না। বাস্তব অর্থেই সার্ভার, নেটওয়ার্ক ও সামগ্রিক ইন্টারনেট অবকাঠামোর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

    জেনারেটিভ এআইয়ের আগের সময়ে ইন্টারনেট ট্রাফিকের প্রায় ২০ শতাংশ বটনির্ভর ছিল বলে জানান ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, এর বড় অংশজুড়ে ছিল গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের ‘ওয়েব ক্রলার’। এর বাইরে সীমিত পরিসরে কিছু নির্ভরযোগ্য বট এবং প্রতারক বা দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত বটও সক্রিয় ছিল।

    তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে উল্লেখ করে ম্যাথিউ প্রিন্স বলেন, জেনারেটিভ এআইয়ের তথ্যের চাহিদা কার্যত সীমাহীন। এই চাহিদা পূরণে বটের সংখ্যা ও তাদের কার্যক্রম ক্রমাগত বাড়ছে, যা কয়েক বছরের মধ্যেই মানুষের অনলাইন উপস্থিতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন ধরনের প্রযুক্তি অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন ম্যাথিউ প্রিন্স। এর মধ্যে রয়েছে ‘স্যান্ডবক্স’। এটি একটি আলাদা ভার্চ্যুয়াল পরিবেশ। যেখানে এআই এজেন্টগুলো সাময়িকভাবে কাজ করতে পারবে। কাজ শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই পরিবেশ বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, কোনো ব্যবহারকারী যদি এআই এজেন্টকে ভ্রমণ পরিকল্পনার দায়িত্ব দেন, তাহলে এই স্যান্ডবক্স ব্যবস্থার মাধ্যমেই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

    ম্যাথিউ প্রিন্সের ধারণা, শিগগিরই প্রতি সেকেন্ডে বিপুলসংখ্যক এমন স্যান্ডবক্স তৈরি ও বিলুপ্ত হবে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারের কাঠামোকে নতুনভাবে রূপ দেবে। তবে এই ক্রমবর্ধমান বট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হবে শক্তিশালী ভৌত অবকাঠামো। বিশেষ করে ডেটা সেন্টার ও সার্ভার। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির সময় ইউটিউব, ডিজনি ও নেটফ্লিক্সের মতো ভিডিও স্ট্রিমিং সেবার কারণে অল্প সময়ের মধ্যে ইন্টারনেট ট্রাফিক হঠাৎ বেড়ে অনেক ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকে চাপের মুখে ফেলেছিল।

    বর্তমান প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে ধীরগতির হলেও তা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন ম্যাথিউ প্রিন্স। তাঁর মতে, এই প্রবণতা থামার কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

    ওয়েবসাইটের গতি, নিরাপত্তা এবং নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে ক্লাউডফ্লেয়ার। প্রতিষ্ঠানটির সেবার মধ্যে রয়েছে কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক, নিরাপত্তা ও ডিডস প্রতিরোধ ব্যবস্থা, এবং ‘অলওয়েজ অনলাইন’ প্রযুক্তি। পাশাপাশি, প্রয়োজন অনুযায়ী অনাকাঙ্ক্ষিত এআই বট ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা বন্ধ করার সুবিধাও দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। ইন্টারনেটের এই পরিবর্তনকে একটি বড় প্রযুক্তিগত রূপান্তর হিসেবে দেখছেন প্রিন্স। তাঁর মতে, এআই শুধু যে একটি নতুন প্রযুক্তি তা নয়; এটি প্ল্যাটফর্মের একটি মৌলিক পরিবর্তন। যেমন একটা সময় ডেস্কটপ থেকে মুঠোফোন ব্যবহারে বড় রূপান্তর ঘটেছিল। এর ফলে মানুষ যেভাবে তথ্য গ্রহণ করে, সেই প্রক্রিয়াই মৌলিকভাবে বদলে যেতে পারে।

    সূত্র: টেকক্র্যাঞ্চ

    আহসান হাবীব

  • ২০২৮ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, নিশ্চিত করল আইসিসি

    বাংলাদেশ কি ২০২৮ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে পারবে? ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলা এবারের বিশ্বকাপ না খেলায় এমন প্রশ্ন ছিল অনেকেরই। আজ সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

    আইসিসির সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৮ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া–নিউজিল্যান্ডে হতে যাওয়া আসরটিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে।

    আজ কলম্বোয় নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। পাকিস্তান ছাড়াও সুপার এইটে উঠেছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড।

    আজ সুপার এইট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান
    আজ সুপার এইট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান, এএফপি
     

    টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইবিধি অনুযায়ী, সুপার এইটে ওঠা সব দলই ২০২৮ বিশ্বকাপ আসরের জন্য সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে অন্যতম আয়োজক হিসেবে নিউজিল্যান্ডের জায়গা আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। অস্ট্রেলিয়া এবার সুপার এইটে ওঠেনি, তবে স্বাগতিক হিসেবে খেলা নিশ্চিত।

    আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের মাধ্যমে উঠে আসবে ৮টি দল। বাকি ১২টির মধ্যে ৯টি ঠিক হয়েছে এবারের আসরের পারফরম্যান্স ও স্বাগতিক হওয়ার মাধ্যমে। অন্য তিনটি চূড়ান্ত হবে টি–টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। আগামী ৯ মার্চ (ফাইনালের পরদিন) র‌্যাঙ্কিংয়ের হিসাব অনুযায়ী এই তালিকা চূড়ান্ত হবে।

    তবে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডই ওই তিনটি জায়গা নেবে। বাংলাদেশ আছে ৯ নম্বরে, আফগানিস্তান ১০ আর আয়ারল্যান্ড ১২ নম্বরে। আগামী ৯ মার্চের মধ্যে এমন কোনো আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টি নেই, যাতে এই তিন দলের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব পড়তে পারে। যে কারণে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের ২০২৮ আসরে খেলা এখনই নিশ্চিত।

  • ২১ বছর বয়সে ৩০০ কোটি টাকার মালিক, কে এই নায়িকা

    শৈশব থেকে ছিল লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়ার প্রতি প্রবল আকর্ষণ। এক দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়জগতের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তবে মাত্র ২১ বছর বয়সেই জান্নাত জুবের রহমানি যে পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন, সেটা প্রায় অবিশ্বাস্য। ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য।

     ছোট পর্দার নায়িকাদের মধ্যে জান্নাতের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। হিনা খান, নিয়া শর্মা কিংবা শ্বেতা তিওয়ারি, রুপালি গাঙ্গুলিদের মতো তাঁকে নিয়েও দর্শকমহলে কৌতূহলের অন্ত নেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে শুরু করেন জান্নাত। সাত বছর বয়সে ‘চাঁদ কে পার চলো’ সিরিয়ালে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    ছোট পর্দার নায়িকাদের মধ্যে জান্নাতের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। হিনা খান, নিয়া শর্মা কিংবা শ্বেতা তিওয়ারি, রুপালি গাঙ্গুলিদের মতো তাঁকে নিয়েও দর্শকমহলে কৌতূহলের অন্ত নেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে শুরু করেন জান্নাত। সাত বছর বয়সে ‘চাঁদ কে পার চলো’ সিরিয়ালে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জান্নাতকে। ‘কাশি: অব না রহে’, ‘মাট্টি কি বন্নো’, ‘সিয়াসত’, ‘মহাকুম্ভ’, ‘মেরি আওয়াজ হি পহেচান’ থেকে ‘ফুলওয়া’, ‘ভারত কা বীর পুত্র: মহারানা প্রতাপ’–এর মতো একাধিক সিরিয়ালে নজর কাড়েন তিনি। রিয়ালিটি শোর মঞ্চেও বহুবার অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গেছে তাঁকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জান্নাতকে। ‘কাশি: অব না রহে’, ‘মাট্টি কি বন্নো’, ‘সিয়াসত’, ‘মহাকুম্ভ’, ‘মেরি আওয়াজ হি পহেচান’ থেকে ‘ফুলওয়া’, ‘ভারত কা বীর পুত্র: মহারানা প্রতাপ’–এর মতো একাধিক সিরিয়ালে নজর কাড়েন তিনি। রিয়ালিটি শোর মঞ্চেও বহুবার অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গেছে তাঁকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    ২০২৭ সালে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেছিলেন জান্নাত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি একাধিক মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। এমনকি শ্রদ্ধা কাপুর, রানী মুখার্জিদের মতো তারকাদের সঙ্গেও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এবার সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় সম্পত্তির পরিমাণে রীতিমতো চমকে দিলেন তিনি! অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    ২০২৭ সালে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেছিলেন জান্নাত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি একাধিক মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। এমনকি শ্রদ্ধা কাপুর, রানী মুখার্জিদের মতো তারকাদের সঙ্গেও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এবার সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় সম্পত্তির পরিমাণে রীতিমতো চমকে দিলেন তিনি! অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    জানা গেছে, মাত্র একুশেই ৩০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক তিনি। কিন্তু কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন অভিনেত্রী? অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    জানা গেছে, মাত্র একুশেই ৩০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক তিনি। কিন্তু কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন অভিনেত্রী? অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    সিনেমা-সিরিয়ালে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, বিজ্ঞাপনী দূত, ইনস্টাগ্রামে স্পনসর কন্টেন্ট তৈরির মতো একাধিক আয়ের উৎস রয়েছে জান্নাতের। তা ছাড়া মিউজিক ভিডিও, ইউটিউব থেকে আয় তো রয়েছেই। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    সিনেমা-সিরিয়ালে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, বিজ্ঞাপনী দূত, ইনস্টাগ্রামে স্পনসর কন্টেন্ট তৈরির মতো একাধিক আয়ের উৎস রয়েছে জান্নাতের। তা ছাড়া মিউজিক ভিডিও, ইউটিউব থেকে আয় তো রয়েছেই। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
     সিরিয়ালে প্রতি পর্বের জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন জান্নাত। ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১২’–এর প্রতি পর্বের জন্য জান্নাত ১৮ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন। নায়িকার সংগ্রহে বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    সিরিয়ালে প্রতি পর্বের জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন জান্নাত। ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১২’–এর প্রতি পর্বের জন্য জান্নাত ১৮ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন। নায়িকার সংগ্রহে বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
     ইনস্টাগ্রামে সর্বাধিক অনুসারী থাকা ভারতীয় টেলি তারকাদের তালিকায় জান্নাত অন্যতম। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    ইনস্টাগ্রামে সর্বাধিক অনুসারী থাকা ভারতীয় টেলি তারকাদের তালিকায় জান্নাত অন্যতম। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
  • ২১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকায় বেঙ্গালুরুর মালিকানা বদল, দাম বাড়ল ১৪৯৫ শতাংশ

    প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার। টাকার হিসাবে প্রায় ২১ হাজার ৮৫০ কোটি। এই দামে বিক্রি হয়েছে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

    আদিত্য বিড়লা গ্রুপের নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়ী জোট বেঙ্গালুরুর মালিকানা কিনে নিয়েছে। গতকাল হওয়া এ চুক্তিতে আদিত্য বিড়লা গ্রুপের সঙ্গে রয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া গ্রুপ, বোল্ট ভেঞ্চারস এবং ব্ল্যাকস্টোন। এখন থেকে বেঙ্গালুরুর আইপিএল (পুরুষ) ও ডব্লিউপিএল (নারী)—উভয় দলেরই শতভাগ মালিক হবে এই জোট।

    ২০০৮ সালে বিজয় মালিয়ার ইউনাইটেড ব্রুয়ারিজ ১১১.৬ মিলিয়ন ডলারে দলটি কিনেছিল। সেই সময়ে আটটি দলের মধ্যে বেঙ্গালুরু ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামি দল। দীর্ঘ ১৮ বছর পর বেঙ্গালুরুর দাম বেড়েছে প্রায় ১৪৯৫ শতাংশ। অবিশ্বাস্য এ মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমেই মালিকানা বদল হলো বেঙ্গালুরুর।

    এ চুক্তির অঙ্কটি কত বড়, তা একটি তথ্যে পরিষ্কার হয়ে যায়। ২০২১ সালে আইপিএলের নতুন দুই দল লক্ষ্ণৌ ও আহমেদাবাদকে বিসিসিআই ১.৬৯ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছিল। বেঙ্গালুরুর বর্তমান দাম সেই দুই দলের মিলিত দামকেও ছাড়িয়ে গেছে।

    ২০১৬ সালে মালিয়া ভারত ছাড়ার পর বেঙ্গালুরুর নিয়ন্ত্রণ ছিল যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ডায়াজিওর হাতে। ২০২৫ সালের ৪ জুন বেঙ্গালুরুর শিরোপা উদ্‌যাপনের সময় পদদলিত হয়ে ১১ জন সমর্থক নিহত এবং অনেকে আহত হন।

    এ মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য কোম্পানির ওপর চাপ তৈরি হয়। এরপর গত নভেম্বরে তারা দলটি বিক্রির সিদ্ধান্ত জানায় এবং ৩১ মার্চের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।

    নতুন এই মালিকানা কাঠামোয় বেঙ্গালুরুর চেয়ারম্যান হচ্ছেন আদিত্য বিড়লা গ্রুপের পরিচালক আর্যমান বিক্রম বিড়লা। তিনি আদিত্য বিড়লা গ্রুপের প্রধান কুমার মঙ্গলম বিড়লার ছেলে ও সাবেক ক্রিকেটার। মধ্যপ্রদেশের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৯টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। আইপিএলে ২০১৮ ও ২০১৯ মৌসুমে রাজস্থান রয়্যালসের স্কোয়াডেও ছিলেন। তবে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। ২০১৯ সালে মানসিক চাপের কারণে ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতি নেন।

    বেঙ্গালুরুর ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন টাইমস অব ইন্ডিয়া গ্রুপের সত্যেন গাজওয়ানি। এই জোটে আরও আছেন বোল্ট ভেঞ্চারসের প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড ব্লিটজার এবং বিএক্সপিইর সিইও ভাইরাল প্যাটেল।

  • ২২ হাজার রিঅ্যাক্ট, পারসা লিখলেন, ‘তবু মনে রেখো’

    টেলিভিশন আর ওটিটির চেনা মুখ পারসা ইভানা। আজ সকালে বেশ কয়েকটি নতুন ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক পারসা সম্পর্কে কিছু তথ্য—

     আজ একগুচ্ছ নতুন ছবি পোস্ট করে পারসা লিখেছেন, ‘তবু মনে রেখ’। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    আজ একগুচ্ছ নতুন ছবি পোস্ট করে পারসা লিখেছেন, ‘তবু মনে রেখ’। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    ছবিগুলোতে তাঁকে দেখা যাচ্ছে ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে বেড়াতে। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    ছবিগুলোতে তাঁকে দেখা যাচ্ছে ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে বেড়াতে। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    এসব ছবি তাঁর ভক্তরাও বেশ পছন্দ করেছেন, আট ঘণ্টায় ২২ হাজার প্রতিক্রিয়া এসেছে। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    এসব ছবি তাঁর ভক্তরাও বেশ পছন্দ করেছেন, আট ঘণ্টায় ২২ হাজার প্রতিক্রিয়া এসেছে। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    পারসাকে এবারের ঈদে দেখা গেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের ‘একসাথে আলাদা’ ওয়েব প্রকল্পে। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    পারসাকে এবারের ঈদে দেখা গেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের ‘একসাথে আলাদা’ ওয়েব প্রকল্পে। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
     
    সব সম্পর্ক সুখের গল্পে গিয়ে শেষ হয় না। কখনো কখনো দুজন মানুষ একই ছাদের নিচে থেকেও দূরে সরে যায়, সম্পর্ক থেকে হারিয়ে যায় উষ্ণতা। এমনই এক সম্পর্কের গল্প নিয়েই ‘একসাথে আলাদা’। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    সব সম্পর্ক সুখের গল্পে গিয়ে শেষ হয় না। কখনো কখনো দুজন মানুষ একই ছাদের নিচে থেকেও দূরে সরে যায়, সম্পর্ক থেকে হারিয়ে যায় উষ্ণতা। এমনই এক সম্পর্কের গল্প নিয়েই ‘একসাথে আলাদা’। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    রেজাউর রহমানের ওয়েব ফিকশনটিতে পারসার জুটি ইয়াশ রোহান। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    রেজাউর রহমানের ওয়েব ফিকশনটিতে পারসার জুটি ইয়াশ রোহান। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    এর আগে গত বছর মুক্তি পাওয়া চরকির ওয়েব ফিল্ম ‘ডিমলাইট’–এ পারসার অভিনয় প্রশংসিত হয়। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    এর আগে গত বছর মুক্তি পাওয়া চরকির ওয়েব ফিল্ম ‘ডিমলাইট’–এ পারসার অভিনয় প্রশংসিত হয়। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
     
    শরাফ আহমেদ জীবনের ওয়েব ফিল্মটিতে পারসার সঙ্গে ছিলেন মোশাররফ করিম। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    শরাফ আহমেদ জীবনের ওয়েব ফিল্মটিতে পারসার সঙ্গে ছিলেন মোশাররফ করিম। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
  • ২৪ ঘণ্টাই নিজেকে দেখাতে চান না সবিতা

    বর্তমান সময়ের বিনোদন–দুনিয়ায় আলোচনায় থাকার যেন এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা। নতুন সিনেমা হোক বা ব্যক্তিগত জীবন—সোশ্যাল মিডিয়া, প্রচারণা আর জনসংযোগ–কৌশলের মাধ্যমে সব সময় সামনে থাকতে পারলেই যেন সফলতা। কিন্তু এই ধারা থেকে সচেতনভাবেই দূরে থাকতে চান অভিনেত্রী সবিতা ধুলিপালা। তাঁর কথায়, তিনি বিশ্বাস করেন না অতিরিক্ত প্রচারণায়; বরং কাজ দিয়েই দর্শকের সামনে থাকতে চান।
    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সবিতা জানান, ক্যারিয়ারের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে তিনি জনসংযোগ টিমের সঙ্গে কাজ করলেও তা তাঁর ব্যক্তিত্ব বা জীবনদর্শনের সঙ্গে পুরোপুরি যায় না। তিনি মনে করেন, সব সময় সংবাদে থাকা বা ২৪ ঘণ্টা দৃশ্যমান থাকা তাঁর জন্য জরুরি নয়।

    অভিনেত্রীর ভাষায়, প্রত্যেক শিল্পীর পথ আলাদা। কারও জন্য জনসংযোগ কাজ করতে পারে, আবার কারও জন্য নয়। নিজের পছন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্য থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি চান কাজের মাধ্যমে পরিচিত হতে, ব্যক্তিগত আলোচনারকেন্দ্রবিন্দু হয়ে নয়।

    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    তারকা–সংস্কৃতির ভেতরের ক্লান্তি
    বলিউড ও ওটিটির বর্তমান সংস্কৃতিতে প্রায়ই দেখা যায়, সিনেমার চেয়ে প্রচারণাই বেশি আলোচিত হয়ে ওঠে। কখনো পোশাক, কখনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত উপস্থিতি—এগুলো যেন ক্যারিয়ারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।

    এ প্রসঙ্গে সবিতা বলেন, তিনি সব প্রশ্নের উত্তর জানেন না, তবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছেন, কোন জীবনধারা তাঁকে মানায়। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে আসা একজন শিল্পী হিসেবে তিনি ধীরে ধীরে নিজস্ব ছন্দ তৈরি করেছেন।
    সবিতার মতে, সফলতার কোনো একক নিয়ম নেই। কেউ প্রচারণার মাধ্যমে জনপ্রিয় হন, আবার কেউ নিজের কাজের গুণেই জায়গা করে নেন। তিনি দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিতে চান।

    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    সবিতা ধুলিপালা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    নিজের শিকড়ে ফেরা
    একই সাক্ষাৎকারে সবিতা কথা বলেন তেলেগু সিনেমায় ফেরা নিয়ে। বহুদিন পর তিনি মাতৃভাষার একটি প্রজেক্টে কাজ করছেন। এ অভিজ্ঞতাকে তিনি বলেছেন ‘স্বস্তিদায়ক’।

    সবিতার মতে, ‘মাতৃভাষায় অভিনয় করতে গেলে সংলাপের সঙ্গে অনুভূতির সংযোগ আরও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে জটিল শব্দ বা দ্রুত সংলাপ বলার সময় ভাষাগত স্বাচ্ছন্দ্য অভিনয়কে সহজ করে দেয়।’
    তেলেগু সিনেমার দর্শক হিসেবে সব সময় সংযুক্ত থাকলেও দীর্ঘ সময় পর আবার সেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা সবিতার জন্য নতুন আনন্দের অভিজ্ঞতা।

    তারকা, কিন্তু আলাদা পথে
    সবিতার ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যায়, শুরু থেকেই তিনি একটু ভিন্ন ধরনের চরিত্র ও প্রকল্প বেছে নিয়েছেন। গ্ল্যামারাস চরিত্রের বাইরে তিনি বরাবরই শক্তিশালী নারী চরিত্রে কাজ করতে আগ্রহী।

    ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে

  • ২৫ মিলিয়ন ঘণ্টা ভিউ! কী আছে সাড়াজাগানো এই সিরিজে

    বার্লিনের গুপ্তচর জগৎকে পটভূমি করে তৈরি নতুন থ্রিলার সিরিজ ‘আনফ্যামিলিয়ার’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই নন–ইংরেজি কনটেন্টের তালিকায় বিশ্বব্যাপী শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছিল। ৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাওয়া সিরিজটি দেখা যাচ্ছে নেটফ্লিক্সে। মুক্তির পর এ পর্যন্ত ২৫ মিলিয়ন ঘণ্টার বেশি ভিউ হয়েছে সিরিজটির। আন্তর্জাতিক দর্শকের আগ্রহ প্রমাণ করে দিয়েছে—ইউরোপীয় পটভূমির গোয়েন্দা গল্পও আজ বৈশ্বিক বিনোদনের কেন্দ্রে জায়গা করে নিতে পারে।

    সিরিজের কেন্দ্রে রয়েছেন সাবেক শীর্ষ দুই গোয়েন্দা কর্মকর্তা—মেরেট ও সিমন। মেরেট চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুসান উলফ আর সিমনের ভূমিকায় ফেলিক্স কারমার। একসময় তাঁরা ছিলেন জার্মান গোয়েন্দা সংস্থার দক্ষ অপারেটিভ; এখন বার্লিনে একটি গোপন ‘সেফ হাউস’ পরিচালনা করেন। কিন্তু অতীতের এক অন্ধকার হুমকি হঠাৎ ফিরে এলে তাঁদের শান্ত জীবন ভেঙে পড়ে। চুক্তিভিত্তিক খুনি, রুশ এজেন্ট ও নিজেদের সাবেক নিয়োগকর্তা জার্মান ফেডারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (বিএনডি)—সবাইকে মোকাবিলা করতে হয় তাঁদের। আর সেই লড়াই শুধু দায়িত্বের নয়, নিজেদের পরিবার ও জীবনের সুরক্ষারও।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’ আসলে প্রযোজনা সংস্থা গোমোঁ জার্মানির নেটফ্লিক্সের সঙ্গে দ্বিতীয় বড় প্রকল্প, রোমান সাম্রাজ্যকে ঘিরে নির্মিত ‘বারবারিয়ানস’–এর পর। সেই সিরিজের পরিকল্পিত তৃতীয় মৌসুমের জন্য কাজ শুরু করেছিলেন নির্মাতা পল কোটস। কিন্তু সেটি বাতিল হলে তিনি নতুন এক গুপ্তচর গল্পের ধারণা দেন, যা থেকে জন্ম নেয় ‘আনফ্যামিলিয়ার’।

    কোটসের ভাষায়, এই সিরিজের ভেতরে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ছাপ রয়েছে। তিনি নিজেও পঞ্চাশোর্ধ্ব, তাই মেরেট ও সিমনের বয়সও জীবনের বাস্তবতা তাঁকে টেনেছে। সাধারণত গুপ্তচর কাহিনিতে তরুণ, শক্তিশালী, প্রায় অতিমানবীয় চরিত্র দেখা যায়। কিন্তু এখানে দুই মধ্যবয়সী মানুষের শারীরিক সীমাবদ্ধতা, বয়সজনিত ক্লান্তি ও মানসিক টানাপোড়েন গল্পকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। বেরাইসও মনে করেন, বয়সকে গল্পের অংশ করে তোলার মধ্যেই রয়েছে মৌলিকতা ও বাস্তবতা।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি

    সিরিজ নির্মাণে বাস্তবতার ছোঁয়া আনতে সরাসরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল জার্মান গোয়েন্দা সংস্থা বিএনডির কাছ থেকে। প্রযোজকেরা গল্পের খসড়া তাঁদের সঙ্গে ভাগ করেন, যাতে উপস্থাপনা বিশ্বাসযোগ্য হয়। অভিনয়শিল্পীরাও সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছে প্রশ্ন করার সুযোগ পান। এমনকি বার্লিনে বিএনডির সদর দপ্তরের বাইরে শুটিংয়ের অনুমতিও মিলেছিল, তবে কড়া নিরাপত্তা বিধিনিষেধ মেনে। সপ্তাহান্তে শুটিং করতে হয়েছে, যাতে সংস্থার কর্মীদের স্বাভাবিক যাতায়াত চিত্রায়িত না হয়।

    গোমোঁর জন্য ‘আনফ্যামিলিয়ার’ ছিল এক উচ্চাভিলাষী আন্তর্জাতিক প্রকল্প। তাদের আগের সফল সিরিজগুলোর মতো ‘নার্কোস’ বা ‘লুপিন’—এখানেও নির্মাতারা একটি স্বতন্ত্র জগৎ তৈরি করতে চেয়েছেন। বার্লিনের ইতিহাস, শীতল যুদ্ধের স্মৃতি, আধুনিক ইউরোপীয় রাজনীতির উত্তাপ—সব মিলিয়ে এক বাস্তব অথচ উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে গল্প স্বাভাবিকভাবেই বিস্তার লাভ করেছে।

    কোটস জানান, শুরুতে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তারিক সালেহ পরিচালিত অ্যাকশন থ্রিলার ‘দ্য কন্ডাক্টর’ থেকে। বিশেষ করে একটি দৃশ্যে আহত নায়ককে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়, সেই রহস্যময় সেফ হাউসের ধারণাই তাঁকে ভাবায়। সেখানে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি ছিল এডি মারসনের। সেই চরিত্রটির অদেখা জীবন, অজানা অতীত—এসব প্রশ্ন থেকেই সিরিজটির জন্ম।

    সিরিজটির নির্মাণভঙ্গি ধীর ও সংযত। প্রথম পর্বেই সব রহস্য উন্মোচন না করে দর্শককে ধাপে ধাপে তথ্য দেন। চমকপ্রদ টুইস্টের বদলে তাঁরা বেছে নিয়েছেন ‘স্লো–বার্ন’ পদ্ধতি—চাপ জমতে থাকে, উত্তেজনা বাড়ে এবং দর্শক অনিবার্য পরিণতির অপেক্ষায় থাকেন। এই ধৈর্যশীল গতি সবার কাছে সমান আকর্ষণীয় না–ও হতে পারে, কিন্তু অনেকেই এই সংযমকেই সিরিজটির শক্তি হিসেবে দেখছেন।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি

    নেটফ্লিক্স সাম্প্রতিক বছরগুলোয় স্পাই থ্রিলারকে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসতে দক্ষতা দেখিয়েছে। ‘আনফ্যামিলিয়ার’ সেই ধারাতেই নতুন সংযোজন। অল্প পর্বসংখ্যা সিরিজটিকে সহজে টানা দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। জার্মান গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় বাস্তবধর্মী উপস্থাপন সিরিজটিকে বিশ্বাসযোগ্যতা দিয়েছে, যা অনেক কল্পনাপ্রবণ স্পাই ড্রামার ভিড়ে আলাদাভাবে চোখে পড়ে।

    তবে বিতর্কের জায়গাটিও স্পষ্ট। অনেক দর্শকের কাছে এটি পরিচিত ফর্মুলার পুনরাবৃত্তি—অবসরপ্রাপ্ত গুপ্তচর, অতীতের ব্যর্থ মিশন, ভুয়া পরিচয়ে গড়া পরিবার। নতুনত্বের সন্ধানীরা হয়তো এটিকে ‘রিমিক্স’ বলবেন। কিন্তু চরিত্রকেন্দ্রিক উত্তেজনা, আবেগের ধীরে জমাট বাধা স্তর ও মধ্যবয়সী জীবনের বাস্তব সংকট—এই উপাদানগুলোই সিরিজটিকে অন্যদের কাছে আলাদা করে তুলেছে। মুক্তির পর প্রথম সপ্তাহেই বৈশ্বিক সাফল্য প্রমাণ করে দিয়েছে, দর্শক এখন এমন গুপ্তচর কাহিনি দেখতে চায়, যেখানে আছে মানবিক দুর্বলতা, বয়সের বাস্তবতা ও রাজনৈতিক জটিলতার সমন্বয়।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর পোস্টিার। আইএমডিবি
    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর পোস্টিার। আইএমডিবি

    এটি শুধু অ্যাকশন নয়; বরং মধ্যবয়সী দুই মানুষের টিকে থাকার গল্প; অতীতের ছায়া থেকে বর্তমানকে বাঁচানোর লড়াই। আর বার্লিন গুপ্তচর ইতিহাসের চিরন্তন শহর—এই লড়াইয়ের জন্য যেন আদর্শ মঞ্চ।

  • ৩২ ম্যাচেই ৪৩১ ছক্কা, রেকর্ড তাহলে ভেঙেই যাচ্ছে

    ক্রিকেট দিনে দিনে ছক্কার খেলায় পরিণত হচ্ছে বললে হয়তো ভুল হবে না। পাওয়ারপ্লে থেকে ডেথ ওভার—সব সময়ই ছক্কা মারার চেষ্টা থাকে ব্যাটসম্যানদের।

    স্বাভাবিকভাবেই ছক্কার সংখ্যায় একটা টুর্নামেন্ট আরেকটাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। না, ছক্কার সংখ্যায় এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ গত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপকে ছাড়ায়নি। তবে ২০২৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে গড়া ছক্কার রেকর্ড ভেঙে এবারের বিশ্বকাপ নতুন রেকর্ড গড়বে, সেটা অনেকটাই নিশ্চিত।

    ২০২৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫২ ম্যাচে ছক্কা দেখা গিয়েছিল ৫১৭টি, যা এক টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ম্যাচ হয়েছে ৩২টি। এরই মধ্যে ছক্কা হয়েছে ৪৩১টি। ফাইনালসহ এখনো ম্যাচ বাকি ২৩টি। রেকর্ড কি ভাঙবে? তেমনটাই তো হওয়ার কথা।

    কারণ, গত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচপ্রতি প্রায় ১০টি করে ছক্কা মেরেছে—৯.৯৪। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছক্কা হয়েছে ম্যাচপ্রতি অনেক বেশি— ১৩.৪৭ । সেই হিসাবে বাকি ম্যাচগুলোতে রেকর্ড ভেঙে যাওয়ারই কথা।

    ২০২৪ বিশ্বকাপের চেয়ে এবারের ব্যাটসম্যানরাও বেশি হাত খুলে খেলেছেন। গত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের সমন্বিত স্ট্রাইকরেট ছিল ১০৯.৯৬, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬.৪২। এটিই টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে ব্যাটসম্যানদের সমন্বিত স্ট্রাইকরেটের হিসাবে সর্বোচ্চ।

    ২০২৪ বিশ্বকাপের চেয়ে এবারের ব্যাটসম্যানরাও বেশি হাত খুলে খেলেছেন
    ২০২৪ বিশ্বকাপের চেয়ে এবারের ব্যাটসম্যানরাও বেশি হাত খুলে খেলেছেন, এএফপি
     

    এবারের বিশ্বকাপ ও এর আগের বিশ্বকাপ ছাড়া এক আসরে ৪০০ ছক্কা হয়েছে মাত্র একবার। সেটি ২০২১ বিশ্বকাপে। সবচেয়ে কম ছক্কা হয়েছে ২০০৯ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে। সেবার মাত্র ১৬৬টি ছক্কা হয়েছে, ম্যাচও হয়েছিল মাত্র ২৭টি।

    অবশ্য চারটি বিশ্বকাপেই ২৭টি করে ম্যাচ হয়েছে। ২৭টি করে ম্যাচ হয়েছে এমন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছক্কা হয়েছিল ২০১০ সালে, ২৭৮টি।

  • ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দেশে এল আরেক জাহাজ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে এল আরও একটি জাহাজ। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ‘এমটি শান গাং ফা জিয়ান’ নামের জাহাজটি ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। তেল সরবরাহ করেছে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড।

    জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির তথ্যমতে, এপ্রিলে ডিজেলের চাহিদা প্রায় চার লাখ টন। এ মাসে আরও সোয়া তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা আছে। এ মাসে এখন পর্যন্ত দুটি জাহাজ এসেছে। এর আগের জাহাজটি আসে গতকাল শুক্রবার বেলা ২টায়। ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ওই জাহাজটিও আসে সিঙ্গাপুর থেকে। ওই তেলও সরবরাহ করেছে ইউনিপ্যাক।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের জ্বালানি আমদানিতে প্রভাব পড়ে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বেশ কয়েকটি জাহাজ দেশে পৌঁছাতে না পারায় সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে বিপিসি বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় সরকার।

    জানতে চাইলে বিপিসির মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন বলেন, সর্বশেষ জাহাজটি এসে পৌঁছেছে। এখন নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।

  • ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে নাসির-তামিমার

    আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমার।

    আইনিভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি।

    সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে নিজেদের নিরপরাধ দাবি করে ন্যায়বিচার চান তিনি।

    মামলায় নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

    ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির ও তামিমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক না দিয়ে নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তামিমা ও নাসিরের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান।

    এ মামলায় দোষ প্রমাণিত হলে ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী।

     

  • ৫৪ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙার পথে বায়ার্ন

    বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখ মানেই যেন গোল–উৎসব! কয়েক বছর ধরে প্রতি মৌসুমেই তারা প্রতিপক্ষকে গোলের বন্যায় ভাসাচ্ছে। আগের তিন মৌসুমেই লিগে ৯০–এর বেশি গোল করেছে দলটি। এবার ২৭ ম্যাচ খেলেই নতুন রেকর্ড গড়ার পথে বাভারিয়ানরা।

    ১৯৭১–৭২ মৌসুমে লিগে ১০১ গোল করেছিল বায়ার্ন, যা এখনো এক মৌসুমে লিগে কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ৫৪ বছর পর নিজেদের সেই রেকর্ডই এবার ভাঙার পথে দলটি। লিগে এখনো সাত ম্যাচ বাকি বায়ার্নের। এরই মধ্যে বায়ার্ন গোল করেছে ৯৭টি। বাকি সাত ম্যাচে অন্তত পাঁচ গোল করলেই ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করা সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ভেঙে যাবে।

    বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে
    বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে, এএফপি
     

    হয়তো এত দিন অপেক্ষাও করতে হবে না বায়ার্ন সমর্থকদের। তার আগেই মাইলফলকটা ছুঁয়ে ফেলবে জার্মান ক্লাবটি। আগামী শনিবার লিগে নিজেদের ২৮তম ম্যাচে ফ্রাইবুর্গের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। হয়তো সেই ম্যাচেই বায়ার্নের গোলের সংখ্যা ১০১ পেরিয়ে যাবে। গত বছরের নভেম্বরে ফ্রাইবার্গের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচেই ৬ গোল দিয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা।

    শুধু এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল করাই নয়, আরও দুই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ বায়ার্নের সামনে। ঘরের মাঠে এবং প্রতিপক্ষের মাঠে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডও নতুন করে লিখতে পারে বায়ার্ন। এ মৌসুমে ২৭ ম্যাচ খেলা বায়ার্ন ঘরের মাঠেই গোল করেছে ৫৬টি, প্রতিপক্ষের মাঠে ৪১টি। এখন পর্যন্ত ঘরের মাঠে এক মৌসুমে বায়ার্নের সর্বোচ্চ গোল ৬৯; ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করেছিল তারা। অ্যাওয়তে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল ৪৭, যা ২০১৯–২০ মৌসুমে করেছিল বায়ার্ন।

    চলতি মৌসুমে বায়ার্নের এই ৯০ পেরোনো গোলে সবচেয়ে বেশি অবদান হ্যারি কেইনের। লিগে ২৬ ম্যাচ খেলে ৩১ গোল করেছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।

  • ৭০টি দেশে সাড়া ফেলেছে! কী আছে এই তুর্কি সিরিয়ালে

    তুর্কি ধারাবাহিক ‘ভেনডেটা’ এখন বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশে সম্প্রচার করা হচ্ছে; এর জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। মূলত একটি পারিবারিক রক্তক্ষয়ী শত্রুতার প্রেক্ষাপটে দুই তরুণ, দিলান ও বারানের প্রেম এবং সংগ্রামের গল্প বলছে এই ধারাবাহিক। এই সিরিজটি নির্মাণ করেছে রেইনস পিকচার্স ও ইউনিক ফিল্ম। ধারাবাহিকটি তুরস্কে সম্প্রচারিত হচ্ছে কানাল ৭-এ।

    রক্তক্ষয়ী শত্রুতা থেকে প্রেম

    ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন দিলান ও বারান, যাঁদের চরিত্রে অভিনয় করছেন ইয়াগমুর ইউকসেল ও বারিশ বাকতাস। দুই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সঙ্গে শত্রুতা করে আসছে। শান্তি স্থাপনের জন্য তাঁদের বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়।

    শুরুর দিকে সম্পর্ক ছিল ‘অস্বীকৃত’, একে অপরকে পছন্দ করতেও তারা দ্বিধা করত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা বোঝে যে তাদের মধ্যে জেগে ওঠা টুকরা টুকরা আকর্ষণ একদিকে প্রেমের সূচনা করতে পারে, অন্যদিকে পুরো জীবন ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। দর্শকেরা প্রতিটি দৃশ্যে দেখেছে, কীভাবে ছোট ছোট নীরব অনুভূতি, চুপচাপ একে অপরের দিকে টান এবং মানসিক টানাপোড়েন ধীরে ধীরে গভীর সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যায়।

    আন্তর্জাতিক সাফল্য: ৭০টির বেশি দেশে দর্শকপ্রিয়তা
    ‘ভেনডেটা’ শুধু তুরস্কেই নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও সফলতা অর্জন করেছে। জর্জিয়া, রোমানিয়া, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, ইউক্রেন, কাজাখস্তান এবং সাব-সাহারান আফ্রিকায় এটি প্রচুর দর্শক টানছে। বিশেষত জর্জিয়ায় এটি প্রাইম টাইমে শীর্ষস্থানীয় ধারাবাহিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি

    বিপণন সংস্থা গ্লোবাল এজেন্সির প্রধান ইজেট পিন্টো বলেন, ‘আমরা সিরিজটি আন্তর্জাতিকভাবে বিপণন শুরুর পর থেকেই এটি আলোচিত হয়েছে। যেকোনো দেশে সম্প্রচার শুরু হলেই এটি শীর্ষস্থান দখল করে নেয়। দর্শকের সঙ্গে সংযোগ এত গভীর যে তারা চরিত্র এবং গল্পের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে যায়।’

    প্রধান চরিত্র ও তারকা শক্তি
    মূল অভিনেতারা প্রথমে নতুন মুখ হলেও, তাঁদের অভিনয়, আবেগপ্রবণতা এবং চরিত্রের গভীরতার কারণে তাঁরা আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ইজেট পিন্টো আরও জানান, তাঁদের অনুগামী সংখ্যা এক মিলিয়নেরও বেশি, যা ধারাবাহিকের দর্শকপ্রিয়তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
    দিলান চরিত্রটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁকে একজন শক্তিশালী নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি শুধু প্রেমে নয়, বরং পরিবার, ন্যায় এবং নিজের পরিচয় রক্ষায়ও দৃঢ়।

    নারী সৃজনশীল দলের অবদান
    ‘ভেনডেটা’র সৃজনশীল দলের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে চিত্রনাট্যকারেরা নারী। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি গল্প বলার ধরনে নতুনত্ব এনেছে। একদিকে যেখানে প্রেম, প্রতিশোধ এবং নৈতিক দ্বন্দ্বের কাহিনি দর্শকদের মোহিত করছে, অন্যদিকে নারী চরিত্রের স্বতন্ত্রতা গল্পে ভারসাম্য বজায় রাখছে।

    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি

    বন্ধুত্ব ও আন্তর্জাতিক ভক্তশ্রেণি
    ধারাবাহিকের গল্প কেবল প্রেমের নয়, বন্ধুত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক বন্ধনের ওপরও দৃষ্টি রাখে। দর্শকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিকের প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন, মিম তৈরি করছেন। বিশ্বজুড়ে এটি নিয়ে অন্তর্জালে আলোচনা চলছে। ফলে ‘ভেনডেটা’ শুধু সিরিজ হিসেবে নয়, একটি আন্তর্জাতিক ভক্তশ্রেণিও তৈরি করেছে।

    দর্শকের সঙ্গে সংযোগ
    ‘ভেনডেটা’র জনপ্রিয়তার আরেকটি কারণ এটির বাস্তবধর্মী উপস্থাপনা। গল্পের টানাপোড়েন, চরিত্রের বিকাশ এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ দর্শকের কাছে গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে। এতে করে প্রতিটি দৃশ্যই শুধু বিনোদন নয়, বরং দর্শকের ভাবনার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করছে।

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব