• একের পর এক বিস্ফোরণ! দুবাই থেকে অভিনেত্রী বললেন, ‘পরিস্থিতি ভয়ংকর

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তেই দুবাইয়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার পর পাল্টা আঘাত হানছে ইরান—এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল রোববারও দুবাইজুড়ে নতুন করে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এই পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। তিনি জানান, তিনি বর্তমানে দুবাইয়েই আছেন এবং নিরাপদে রয়েছেন, তবে পরিস্থিতি সহজ নয়।

    ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার জেরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আবুধাবি ও কুয়েতের বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বহু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রী ও কয়েকজন ভারতীয় তারকা সেখানে আটকে পড়েছেন। এর আগে অভিনেত্রী সোনাল চৌহান, অভিনেতা বিঞ্চু মাঞ্চু ও অভিনেত্রী এশা গুপ্তর দুবাইয়ে আটকে পড়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।

    অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    তিন বছর আগে দুবাইয়ে বসবাস শুরু করা এরিকা জানান, স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখনো দুবাইয়ে আছি এবং নিরাপদে আছি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার যেভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে, তা আশ্বস্ত করার মতো।’ তবে মানসিক চাপের কথা লুকাননি এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, ‘পরিস্থিতি সহজ নয়। আকাশে যে শব্দ শোনা যাচ্ছে, সেগুলো একেবারেই খুব ধাক্কা দেয়। আশপাশের মানুষ, বন্ধু ও পরিবার—সবাই নিজের চোখে এই পরিস্থিতি দেখছে। এটা মানসিকভাবে কঠিন। কোনোভাবে ঢেকে বলার সুযোগ নেই—পরিস্থিতি ভয়ংকর।’

    এরিকা আরও যোগ করেন, ‘আমরা শান্ত থাকার চেষ্টা করছি, নিরাপদে আছি এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলছি। এই মুহূর্তে এটাই আমাদের সেরা পথ। যেখানে যাঁরা আছেন, সবার জন্যই আমার শুভকামনা। আমরা এক মুহূর্ত করে এগোচ্ছি।’

    অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
    অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    দুবাই সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের তুলনামূলক নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে সেখানকার বাসিন্দা ও প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আপাতত স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন এরিকা ফার্নান্দেজ।

    ইন্ডিয়াডটকম অবলম্বনে

  • এপস্টিন–সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তোলপাড়, মিউজিক এজেন্সি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন শিল্পীরা

    হলিউড ও আন্তর্জাতিক সংগীতজগতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে একটি নাম—জেফরি এপস্টিন। মৃত এই কুখ্যাত অর্থলগ্নিকারীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসতেই এবার বড় সংকটে পড়েছে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ট্যালেন্ট ও মিউজিক এজেন্সি ওয়াসারম্যান মিউজিক এজেন্সি। এজেন্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নিবার্হী কেসি ওয়াসারম্যানের সঙ্গে এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিলেন ম্যাক্সওয়েলের যোগাযোগের তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই একের পর এক শিল্পী প্রতিষ্ঠানটি ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী বিনোদনবিষয়ক সাময়িকী ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সপ্তাহেই ওয়াসারম্যান এজেন্সির ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। শিল্পী, এজেন্ট ও নির্বাহীদের চাপের মুখে কেসি ওয়াসারম্যানের পদত্যাগ, কোম্পানি বিক্রি কিংবা বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    শিল্পীদের বিদায় ও শর্ত
    ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াসারম্যান এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত একাধিক শীর্ষ শিল্পী ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। সূত্রের দাবি, শিল্পীদের প্রতিনিধিরা কেসি ওয়াসারম্যানকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন—তাঁকে হয় সরে দাঁড়াতে হবে, নয়তো কোম্পানির মালিকানা ছাড়তে হবে।

    এ পরিস্থিতিতে কেসি ওয়াসারম্যান এজেন্সির শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন, যেখানে ভবিষ্যৎ করণীয় ঠিক হবে। শুধু সংগীত ব্যবসায় নয়, তিনি বর্তমানে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমসের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানেও তাঁর পদত্যাগের দাবিতে চাপ বাড়ছে।
    একটি সূত্র ভ্যারাইটিকে বলেছে, এটা যেন আগুনে পুড়ে যাওয়া একটা বাড়ি। পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।

    চ্যাপেল রোন। ছবি: রয়টার্স
    চ্যাপেল রোন। ছবি: রয়টার্স

    কারা কারা ছাড়ছেন
    ওয়াসারম্যান এজেন্সি ছাড়ার তালিকায় প্রথম দিকেই ছিলেন বেস্ট কোস্ট ব্যান্ডের গায়িকা বেথানি কসেন্তিনো। এরপর যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় পপশিল্পী চ্যাপেল রোন এবং ইন্ডি মিউজিকের পরিচিত নাম ওয়েনসডে, ওয়াটার ফ্রম ইয়োর আইজ, বিচ বানিসহ আরও অনেকে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে অনেক শিল্পী স্পষ্ট করেছেন, এপস্টিন ও ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার খবর তাঁদের গভীরভাবে বিচলিত করেছে। এর ফলেই তাঁরা ওয়াসারম্যানের সঙ্গে আর যুক্ত থাকতে চান না।

    বড় ধাক্কা
    ওয়াসারম্যান মিউজিক এজেন্সি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগীত এজেন্সিগুলোর একটি। তাদের শিল্পী তালিকায় ছিলেন বা আছেন এড শিরান, কোল্ডপ্লে, চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো, কেনড্রিক লামার, লর্ডে, ফিশ, রায়ে, সিজা, জনি মিচেল, টেইলার, দ্য ক্রিয়েটরসহ অনেকেই।

    সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এজেন্সিটির ওয়েবসাইট থেকে এই শিল্পীদের তালিকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শিল্পীদের অনুরোধেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    শিল্পী বনাম এজেন্ট: জটিল সমীকরণ
    এই সংকট শুধু শিল্পীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বড় জটিলতা তৈরি হয়েছে এজেন্টদের ক্ষেত্রেও। কারণ, সাধারণত এজেন্টরা তিন থেকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে বাধা থাকেন। অন্যদিকে শিল্পীরা তুলনামূলকভাবে সহজেই এজেন্সি বদলাতে পারেন।
    হলিউডে বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শিল্পীরা তাঁদের এজেন্সির চেয়ে ব্যক্তিগত এজেন্টের প্রতি বেশি অনুগত থাকেন। ফলে এক এজেন্ট যদি অন্য প্রতিষ্ঠানে যান, অনেক শিল্পীও তাঁর সঙ্গে চলে যান। ওয়াসারম্যান সংকটের ক্ষেত্রেও এই বাস্তবতা বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

    সংকট এখন সর্বোচ্চ উত্তেজনার পর্যায়ে
    সূত্রের দাবি, সংকট এখন সর্বোচ্চ উত্তেজনার পর্যায়ে। ওয়াসারম্যান এজেন্সির অভিজ্ঞ নির্বাহীরা, যেমন মার্টি ডায়মন্ড, ডাফি ম্যাকসুইগিনসহ আরও অনেকে একত্র হয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে কোনোভাবে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।
    খবরে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে কোম্পানিটি কেনার প্রস্তাবও এসেছে। এমনকি নির্বাহীরা নিজেরাই এজেন্সির কোনো অংশ কিনে নেওয়ার সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে। তবে এসব প্রস্তাব কতটা বাস্তবসম্মত, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

    জেফরি এপস্টিন
    জেফরি এপস্টিনফাইল ছবি: রযটার্স

    এপস্টিন সংযোগ: কী জানা গেছে
    প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেসি ওয়াসারম্যান সরাসরি জেফরি এপস্টিনের কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত নন। তবে নথিপত্রে দেখা গেছে, ২০০২ সালে একটি মানবিক সফরে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এপস্টিনের ব্যক্তিগত বিমানে একবার ভ্রমণ করেছিলেন কেসি ওয়াসারম্যান।
    এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিলেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে তিনি আপত্তিকর ও ব্যক্তিগত ই–মেইল বিনিময় করেছিলেন, যা প্রকাশ্যে এসেছে। এই ঘটনাগুলো ঘটেছিল এপস্টিনের অপরাধ প্রকাশ পাওয়ার বহু বছর আগে।
    এই সংযোগের জন্য কেসি ওয়াসারম্যান প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং বলেছেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সম্পর্কের জন্য ভীষণভাবে দুঃখিত।’
    কেসি ওয়াসারম্যান আরও জানিয়েছেন, তিনি বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এবং সামাজিক কাজে সক্রিয়।

    আগের কেলেঙ্কারি: দেড় বছরের মধ্যে দ্বিতীয় ধাক্কা
    এই সংকট কেসি ওয়াসারম্যানের জন্য নতুন নয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে, প্যারিস অলিম্পিক চলাকালীন, তার বিরুদ্ধে আরও একটি বড় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে অভিযোগ করা হয়, তিনি বহু বছর ধরে জুনিয়র কর্মীদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন।
    সেই সময় এই অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হলেও ধীরে ধীরে তা কিছুটা স্তিমিত হয়ে যায়। তবে এবার এপস্টিন সংযোগের খবর সামনে আসায় আগের অভিযোগগুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

    এড শিরান। রয়টার্স
    এড শিরান। রয়টার্স

    বেথানি কসেন্তিনোর স্পষ্ট বার্তা
    বেস্ট কোস্ট ব্যান্ডের গায়িকা বেথানি কসেন্তিনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘শোষণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত কারও সঙ্গে আমার নাম বা ক্যারিয়ার যুক্ত থাকুক, এতে আমি সম্মতি দিইনি। চুপ করে থাকা আমার বিবেকের সঙ্গে যায় না।’
    এই বক্তব্য অনেক শিল্পীর মনোভাবই প্রতিফলিত করছে।

    অলিম্পিক দায়িত্বেও চাপ
    ওয়াসারম্যান শুধু সংগীতজগতেই নন, ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক ইভেন্ট ব্যবস্থাপনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমসের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চলমান এই কেলেঙ্কারির কারণে সেখানে থেকেও তার সরে দাঁড়ানোর দাবি উঠছে।
    ভবিষ্যৎ কোন পথে?
    সব মিলিয়ে ওয়াসারম্যান মিউজিক এজেন্সি এখন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংকটের মুখে। শিল্পীদের বিদায়, এজেন্টদের অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব এবং এপস্টিন-সংযোগের নেতিবাচক ভাবমূর্তি—সবকিছু মিলিয়ে কোম্পানির ভবিষ্যৎ এই সপ্তাহেই বড় মোড় নিতে পারে।

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

  • এপস্টেইন ফাইলসে নারীর সঙ্গে মেলানিয়া প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক র‍্যাটনারের ছবি

    যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি নতুন প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক ব্রেট র‍্যাটনারকে এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে। এ সময় জেফরি এপস্টেইনসহ আরেক তরুণীও ছিলেন। গত শুক্রবার মার্কিন বিচার বিভাগ থেকে প্রকাশিত কিছু ছবিতে এমন দৃশ্য সামনে এসেছে।

    ‘রাশ আওয়ার’ এবং ‘এক্স-ম্যান: দ্য লাস্ট স্ট্যান্ড’-এর মতো সিনেমার পরিচালক ব্রেট র‍্যাটনারকে কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের পাশে একটি সোফায় বসে থাকতে দেখা যায়। সেখানে থাই দুজন নারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

    ছবিগুলো ঠিক কবে তোলা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে গত ডিসেম্বরে র‍্যাটনার, এপস্টেইন ও প্রয়াত ফরাসি মডেলিং এজেন্ট জঁ-লুক ব্রুনেলের যেসব ছবি প্রকাশিত হয়েছিল, এসব ছবিও একই জায়গায় তোলা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নথিপত্রে ব্রেট র‍্যাটনারের সরাসরি কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিবিসি এ বিষয়ে তাঁর প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে।

    এপস্টেইন ফাইল কী, এতে কী আছে

    ২০১৯ সালে নারী পাচারের অভিযোগে বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় কারাগারে মারা যান জেফরি এপস্টেইন। তাঁকে কেন্দ্র করে সংগৃহীত কয়েক লাখ ফাইলের অংশ হিসেবে এসব নতুন ছবি প্রকাশিত হয়েছে।

    প্রকাশিত ছবির ছোট সংস্করণে দেখা যায় র‍্যাটনার, এপস্টেইন এবং ব্রুনেল বিভিন্ন নারীর সঙ্গে হাসিখুশি ও স্বচ্ছন্দ অবস্থায় আছেন। তবে ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তার খাতিরে নারীদের পরিচয় আড়াল করা হয়েছে।

    অবশ্য ভুক্তভোগী নারীদের একজন আইনজীবী দাবি করেছেন, নথিপত্র প্রকাশের সময় অসাবধানতাবশত অনেক নারীর পরিচয় ফাঁস হয়ে গেছে।

    ‘মেলানিয়া’ প্রামাণ্যচিত্রের প্রিমিয়ার দেখতে জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফরমিং আর্টসে একসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্প। ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ওয়াশিংটন
    ‘মেলানিয়া’ প্রামাণ্যচিত্রের প্রিমিয়ার দেখতে জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফরমিং আর্টসে একসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্প। ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ওয়াশিংটনছবি: রয়টার্স

    মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রামাণ্যচিত্র ও বিতর্ক

    এসব ফাইল ঠিক সেই দিনই মুক্তি পায়, যেদিন মেলানিয়া ট্রাম্পের জীবন নিয়ে তৈরি প্রামাণ্যচিত্র ‘মেলানিয়া: টুয়েন্টি ডেস টু হিস্টোরি’ মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটি সমালোচকদের কাছে খুব একটা ভালো সাড়া পায়নি এবং এর অর্থায়ন নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    ২০১৭ সালে ‘হ্যাশট্যাগ মি টু’ আন্দোলনের সময় যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠার পর এটিই ব্রেট র‍্যাটনারের প্রথম কাজ। তবে তিনি সব সময়ই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

    ‘মেলানিয়া’ প্রামাণ্যচিত্রের প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফরমিং আর্টসে মেলানিয়া ট্রাম্প। ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ওয়াশিংটন
    ‘মেলানিয়া’ প্রামাণ্যচিত্রের প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফরমিং আর্টসে মেলানিয়া ট্রাম্প। ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ওয়াশিংটন, ছবি: রয়টার্স

    শুক্রবারের নথিতে এপস্টেইনের সঙ্গে ধনকুবের ইলন মাস্ক, বিল গেটস, লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন এবং অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পর্কের নতুন তথ্য পাওয়া গেছে।

    তাঁদের মধ্যে ডিউক অব ইয়র্ক অ্যান্ড্রুর একটি ছবিও রয়েছে, যেখানে তাঁকে মাটিতে শুয়ে থাকা এক নারীর ওপর হামাগুড়ি দেওয়া অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে আগেই তাঁর রাজকীয় পদবি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

    অন্যদিকে এপস্টেইনের অর্থে মডেলিং এজেন্সি চালানোর অভিযোগ উঠা মডেলিং এজেন্ট জঁ-লুক ব্রুনেলের বিরুদ্ধেও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচারের অভিযোগ ছিল। ২০২২ সালে প্যারিসের কারাগারে তিনি আত্মহত্যা করেন।

    বিবিসি

  • এপস্টেইন–কাণ্ডে যুক্তরাজ্যে এবার লেবার পার্টিও ছাড়লেন লর্ড ম্যান্ডেলসন

    যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টির সদস্যপদ ছেড়েছেন লর্ড পিটার বেঞ্জামিন ম্যান্ডেলসন। দেশটির সাবেক এই মন্ত্রী বলেছেন, আলোচিত ও সমালোচিত যৌন নিপীড়ক প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তাঁর অতীত সম্পর্ক নিয়ে যাতে আর কোনো ‘বিব্রতকর পরিস্থিতি’ সৃষ্টি না হয়, সে জন্যই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত তাঁর।

    এপস্টেইন–কাণ্ডে পদ ছাড়ার মতো পরিণতি ভোগ করার ঘটনা লর্ড ম্যান্ডেলসনের জন্য এবারই প্রথম নয়। গত বছর একই কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত প্রয়াত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন–সংক্রান্ত আরও নতুন নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। এসব নথি থেকে বেশ কয়েক লাখ পৃষ্ঠা উন্মোচন করার পর বিশ্বজুড়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যায়। নতুন এসব নথিতে ৭২ বছর বয়সী লর্ড ম্যান্ডেলসনের নাম এসেছে।

    এপস্টেইনের নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে লর্ড ম্যান্ডেলসনকে তিনটি পৃথক লেনদেনে ২৫ হাজার ডলার করে সব মিলিয়ে ৭৫ হাজার ডলার দিয়েছিলেন এপস্টেইন।

    এ তথ্য প্রকাশের পর লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদককে চিঠি দিয়ে দলের সদস্যপদ ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান লেবার পার্টির প্রভাবশালী এই রাজনীতিক। চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘সপ্তাহান্তে জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে সৃষ্টি হওয়া ক্ষোভের সঙ্গে আমি আরও যুক্ত হয়ে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত বোধ করছি।’

    লর্ড ম্যান্ডেলসন আরও লেখেন, ‘২০ বছর আগে তিনি (জেফরি এপস্টেইন) আমাকে অর্থ দিয়েছিলেন—এমন অভিযোগ আমি মিথ্যা বলেই মনে করি। এর কোনো নথি কিংবা স্মৃতি এখন আমার কাছে নেই। এসব আমাকে যাচাই করতে হবে।’

    ‘এই যাচাই প্রক্রিয়া চলার সময়টায় আমি লেবার পার্টিকে আরও বিব্রত করতে চাই না। এ কারণে আমি দলের সদস্যপদ ছাড়ছি’—চিঠিতে যোগ করেন লর্ড ম্যান্ডেলসন।

    যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও গর্ডনব্রাউনের প্রশাসনে মন্ত্রী ছিলেন লর্ড ম্যান্ডেলসন। এ ছাড়া তিনি ১৯৯২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসের সদস্য ছিলেন।

  • এবার ৮০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুলেন ইলন মাস্ক

    ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ৮০০ বিলিয়ন বা ৮০ হাজার কোটি ডলার ছাড়াল। মাস্কের রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স তাঁরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানি এক্সএআই অধিগ্রহণ করার পর এই মাইলফলক তৈরি হয়েছে।

    ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসাবে, এই চুক্তিতে যৌথ কোম্পানির মূল্যায়ন দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি ডলার। ফলে মাস্কের সম্পদ বেড়েছে ৮৪ বিলিয়ন ডলার—মোট সম্পদমূল্য বেড়ে হয়েছে রেকর্ড ৮৫২ বিলিয়ন বা ৮৫ হাজার ২০০ কোটি ডলার।

    চুক্তির আগে মাস্কের হাতে স্পেসএক্সের আনুমানিক ৪২ শতাংশ মালিকানা ছিল। এই শেয়ারের মূল্য ছিল ৩৩৬ বিলিয়ন বা ৩৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। ডিসেম্বর মাসে দেওয়া দরপত্রের ভিত্তিতে ব্যক্তিমালিকানাধীন এই রকেট কোম্পানির মোট মূল্যায়ন করা হয়েছিল ৮০০ বিলিয়ন বা ৮০ হাজার কোটি ডলার। একই সঙ্গে, চলতি মাসের শুরুতে একটি বেসরকারি তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান হয়। এতে এক্সএআইয়ের মূল্যায়ন ধরা হয়েছিল ২৫০ বিলিয়ন বা ২৫ হাজার কোটি ডলার। সেই হিসাবে কোম্পানিটিতে ইলন মাস্কের আনুমানিক ৪৯ শতাংশ অংশীদারত্বের মূল্য দাঁড়ায় ১২২ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি ডলার।

    একীভূতকরণের পর স্পেসএক্সের মূল্যায়ন করা হয়েছে এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ডলার এবং এক্সএআইয়ের ২৫০ বিলিয়ন ডলার। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, যৌথ কোম্পানিতে মাস্কের মালিকানা এখন প্রায় ৪৩ শতাংশ, যার মূল্য ৫৪২ বিলিয়ন বা ৫৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার।

    ফলে স্পেসএক্স এখন মাস্কের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এ ছাড়া তাঁর কাছে টেসলার প্রায় ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, যার মূল্য আনুমানিক ১৭৮ বিলিয়ন বা ১৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। টেসলার শেয়ার অপশন আছে আরও প্রায় ১২৪ বিলিয়ন বা ১২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের। এর মধ্যে গদ নভেম্বর মাসে মাস্কের জন্য অনুমোদিত রেকর্ড পারিশ্রমিক প্যাকেজ অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

    এক বছরেরও কম সময়ে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ইলন মাস্কের দুটি কোম্পানি একীভূত হলো। গত মার্চে তিনি ঘোষণা দেন, তাঁর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানি এক্সএআই এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স একীভূত হয়েছে। ওই চুক্তিতে এক্সএআইয়ের মূল্যায়ন ধরা হয় ৮০ বিলিয়ন বা ৮ হাজার কোটি ডলার এবং এক্সের ৩৩ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। ২০২২ সালে ঋণ বাদ দিয়ে টুইটার অধিগ্রহণে মাস্ক যে অর্থ দিয়েছিলেন, এটা তার প্রায় সমান।

    তবে এসব চুক্তিতে মাস্ক একই সঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতার ভূমিকায় ছিলেন। ফলে মাস্ক ঘোষিত মূল্যায়ন নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। এখন সব প্রতিষ্ঠানই স্পেসএক্সের কাঠামোর মধ্যে এসেছে। সেই সঙ্গে স্পেসএক্স চলতি বছরের শেষ দিকে আইপিও ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে শিগগিরই এসব কোম্পানিকে শেয়ারবাজারের কঠোর নজরদারির মুখোমুখি হতে হবে।

    এর আগে ডিসেম্বর মাসে ইলন মাস্ক ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ৭০০ বিলিয়ন বা ৭০ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক অর্জন করেন। বৈশ্বিক গবেষণা সংস্থা ইনফরমা কানেক্ট একাডেমি বলছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ইলন মাস্ক ট্রিলিয়নিয়ার এক লাখ কোটি ডলারের মালিক হতে পারেন। সেই পথেই এগোচ্ছেন তিনি।

  • এমপিওভুক্ত হতে পারে ১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্বাচনের আগে না পরে

    নতুন করে এমপিওভুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে প্রথম পর্যায়ে বিবেচনাযোগ্য এসব প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য সংখ্যা ঠিক করা হলেও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সুনির্দিষ্ট বিস্তারিত যাচাই কার্যক্রম এখনো চলছে। প্রয়োজনে সরজমিন যাচাইয়ের মাধ্যমে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

    আজ রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তা বলেন, এখন যাচাই–বাছাইয়ের কাজটি এগিয়ে রাখা হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার কোনো সম্ভাবনা নেই, সেটা হচ্ছেও না।

    এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে বেতনের মূল অংশ ও বেশ কিছু ভাতা সরকারের কাছ থেকে পেয়ে থাকেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালার আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান করেছিল। নির্ধারিত সময়ে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন পাওয়া যায়। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি) পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০টি, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাস) পর্যায়ের ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

    নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠির ভিত্তিতে আবেদনগুলো মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির যোগ্যতা, আঞ্চলিক সাম্যসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্তে পাওয়া গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রথম ধাপে বিভিন্ন পর্যায়ের ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনাযোগ্য হয়েছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য আর্থিক সংশ্লেষ নিরূপণ করা হয়েছে। এরপর এমপিওভুক্তির বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, প্রথম পর্যায়ে বিবেচনাযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য সংখ্যা নিরূপণ করা হলেও সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিস্তারিত যাচাই কার্যক্রম বর্তমানে চলমান। এ ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া প্রমাণপত্রগুলো ভূমি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত তথ্য ও অনলাইন তথ্যভান্ডারের ভিত্তিতে বিস্তারিত যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সরজমিন যাচাই করা হবে।

    নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠির ভিত্তিতে প্রস্তুত করা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির আবেদনগুলো মূল্যায়ন এবং সংস্থাগুলোর অনলাইন তথ্য ও সরজমিন যাচাইয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর আর অসত্য তথ্য বা সংবাদ প্রচার না করে এ কাজে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগকে সহায়তা করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    একই সঙ্গে কোনো এমপিওভুক্তির অনুমোদনের বিষয়ে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের চেষ্টা না করার জন্য অনুরোধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এমন যোগাযোগের চেষ্টা করলে কিংবা এমপিও–সংক্রান্ত অভিযোগ বা অন্য কোনো তথ্য জানা থাকলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগকে খুদে বার্তায় (হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর: +8৮৮০১ ৩৩৯-৭৭৪৫২৮) জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

  • এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস ফারজানার ক্যামিওতে থাইল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা

    ২০তম ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১২ রান।

    আগের ১৯ ওভারের কোনোটিতে ১০ রানও ওঠেনি। জয়ের পাল্লা তাই থাইল্যান্ডের দিকেই হেলে ছিল। তবে শেষ বেলায় খেলা পাল্টে দিলেন ফারজানা ইয়াসমিন। শরীফা খাতুন প্রথম বলে সিঙ্গেল নিলে স্ট্রাইকে যান ফারজানা।

    দ্বিতীয় বলে চার, তৃতীয় বলে ছক্কা। নিমিষেই ম্যাচ সমতায়। চতুর্থ বলে অবশ্য আউট হয়ে যান ফারজানা। তবে পঞ্চম বলে জান্নাতুল ফেরদৌস সিঙ্গেল নিলে লক্ষ্যপূরণ হয়ে যায় এক বল আগেই।

    নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে আজ এমন সমাপ্তির ম্যাচেই থাইল্যান্ড নারী জাতীয় দলকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল।

    ব্যাংককের টার্ডথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে রান তাড়ায় বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল ১০৪। প্রথম চার ওভারে ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদেই ছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে শামীমা সুলতানা ও লতা মণ্ডল ৪৩ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামলে তোলেন।

    তবে এরপরও শেষ দিকে রান–বল তাল মেলাতে হিমশিত খেতে হয়েছে। যা শেষ পর্যন্ত ৬ বলে ১২ রানের সমীকরণে দাঁড়ায়। ১৫ বলের ইনিংসে ৩ চার আর ১ ছক্কায় ২৩ রান করে এই চ্যালেঞ্জ পার করে দেন ফারজানা।

    এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়। আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে হারিয়েছিল ফাহিমা খাতুনের দল। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের অপর প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া নারী জাতীয় দল, ম্যাচ ১৮ ফেব্রুয়ারি।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    থাইল্যান্ড নারী জাতীয় দল: ২০ ওভারে ১০৩/৯ (কোচারোএনকাই ৩৪, চানথাম ২৪; শরীফা ২/১৪, ফাহিমা ২/১৬)।
    বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল: ১৯.৫ ওভারে ১০৪/৭ (লতা ৩০, শামীমা ২৬, ফারজানা ২৩; পুথাওং ৩/২৫, মায়া ২/২১)।
    ফল: বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল ৩ উইকেটে জয়ী।
  • এশিয়া কাপের জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা বাংলাদেশের

    আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পর্দা উঠতে যাচ্ছে নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টের। এই আসরকে সামনে রেখে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ফাহিমা খাতুনকে অধিনায়ক করে শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

    ঘোষিত এই দলে অধিনায়ক ফাহিমার সঙ্গে থাকছেন শামীমা সুলতানা, ইশমা তানজিম ও লতা মণ্ডলের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। এ ছাড়া দলে ডাক পেয়েছেন রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, শারমিন সুলতানা, ফারিহা ইসলাম, সানজিদা আক্তার মেঘলা ও তাজ নেহার।

    অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে বাংলাদেশ ‘এ’ দলে জায়গা করে নিয়েছেন উদীয়মান তারকা সাদিয়া আক্তার। অন্যদিকে, সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্রাত্য থাকা জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা আবারও দলে ফিরেছেন। তাকে বাদ দেওয়া নিয়ে ক্রিকেট পাড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হলেও, এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আবারও নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

    টুর্নামেন্টে ‘বি’ গ্রুপে লড়বে বাংলাদেশ। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ও স্বাগতিক থাইল্যান্ড।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বাগতিক থাইল্যান্ডের সঙ্গে খেলবেন বাংলাদেশের মেয়েরা। ১৮ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া।

    এশিয়া কাপে বাংলাদেশের স্কোয়াড: ফাহিমা খাতুন (অধিনায়ক), শামীমা সুলতানা, ইশমা তানজিম, রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, শরিফা খাতুন, শারমিন সুলতানা, ফারিহা ইসলাম, সাদিয়া আক্তার, ফারজানা ইয়াসমিন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, তাজ নেহার, লতা মণ্ডল, সুমাইয়া আক্তার এবং ফাতেমা জাহান।

    স্ট্যান্ডবাই– দিশা বিশ্বাস, মিষ্টি রানী সাহা, হালিমাতুল সাদিয়া এবং হাবিবা ইসলাম পিংকি।

  • এসব ছোট ছোট কৌশল আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াবে

    বয়সের ভারে হোক বা কাজের চাপে, ভুলে যাওয়ার সমস্যা আজকাল আমাদের অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। চশমাটা কোথায় রাখলেন, পরিচিত নামও হুট করে মনে পড়ছে না কিংবা প্রয়োজনীয় ফাইলটি কোথায় রেখেছেন, তা খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছেন? এমন অভিজ্ঞতা হলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিংয়ের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মৃতিশক্তি কোনো স্থির বিষয় নয়; বরং নিয়মিত চর্চা ও সঠিক কৌশলের মাধ্যমে একে যেকোনো বয়সেই শাণিত করা সম্ভব।

    ক্লিনিক্যাল স্টাফ, নিউরোলজি বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড, ঢাকা

  • এসেই আলোচনায়, কে এই তরুণ অভিনেত্রী

    ঢাকা
  • ওয়াশিংটন পোস্টের ৩০০ এর বেশি সাংবাদিক ছাঁটাই

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের কয়েক শ কর্মীকে আকস্মিকভাবে ছাঁটাই করা হয়েছে।

    বুধবার(৪ ফেব্রুয়ারি) একদিনেই প্রতিষ্ঠানটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কর্মীকে বিদায় করে দেওয়া হয়, যার মধ্যে ৩০০ জনেরও বেশি নিউজরুম বা সংবাদকক্ষের সাংবাদিক ও কর্মী রয়েছেন। খবর সিএনএনের।

    ওয়াশিংটন পোস্টের মালিক জেফ বেজোস বর্তমানে পত্রিকাটির ব্যবস্থাপনা বিভাগকে বার্ষিক লোকসান কমিয়ে এটিকে লাভজনক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার টেকসই পথ খুঁজতে পরামর্শ দিয়েছেন।

    বুধবারের এই বড় ছাঁটাইকে পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক ম্যাট মারে একটি ‘নতুন দিনের সূচনা’ বলে অভিহিত করেছেন। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মারে বলেন, জেফ বেজোস এখনো প্রকাশনাটির প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তিনি চান প্রতিষ্ঠানটি আরও বড় ও আধুনিক হয়ে উঠুক।

    তবে মারে বেজোসের প্রতি আস্থা প্রকাশ করলেও সংবাদমাধ্যমটির অধিকাংশ সাংবাদিক এই দর্শনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছেন। তাদের মতে, বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করে বা খরচ কমিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব নয়। অনেক সাংবাদিক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানতে চেয়েছেন, বেজোস কি শেষ পর্যন্ত পত্রিকাটি বিক্রি করে দেবেন? কেউ কেউ পত্রিকাটির ঐতিহ্যের স্বার্থে একজন নতুন অভিভাবক বা মালিকের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলছেন।

    দ্য পোস্ট গিল্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যদি জেফ বেজোস এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক না হন, তবে নতুন অভিভাবক খোঁজা প্রয়োজন। কারণ প্রজন্ম ধরে ওয়াশিংটন পোস্ট লাখ লাখ মানুষের সেবা দিয়ে আসছে।

    ২০১৩ সালে ২৫ কোটি ডলারে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফরি পি বেজোস ওয়াশিংটন পোস্টের মালিকানা কিনেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক লোকসান ও কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনায় পত্রিকাটির ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

     

  • কাল শুরু হাল ফ্যাশন ঈদ ফিয়েস্তা ২০২৬

    বাংলাদেশের একমাত্র ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পোর্টাল হাল ফ্যাশনের আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘ঈদ ফ্যাশন ফিয়েস্তা ২০২৬’। ৫৮ জন উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ১–৩ মার্চ সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা।

    বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। এদেরকে সামনে নিয়ে আসা এবং ইন্ডাস্ট্রির অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হাল ফ্যাশন শুরু থেকেই করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে প্রথম আয়োজন করে ঈদ মেলা। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই মেলা।

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডের মাইডাস সেন্টারের ১২ তলার একজবিশন হলে ৫৮ উদ্যোক্তাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘হাল ফ্যাশন ঈদ ফিয়েস্তা ২০২৬। ১–৩ থেকে তিন মার্চ অনুষ্ঠেয় এই আয়োজনের কলেবর এবং সময় উভয়ই বেড়েছে। এবারের মেলার স্পন্সর হিসেবে থাকছে নবাবী বাই এপেক্স ফুড ও পেমেন্ট পার্টনার থাকছে ইউসিবি।

    মেলা সকাল থেকে শুরু হলেও ১ মার্চ রোববার দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট অতিথিবর্গ ও তারকা।

    এবারের মেলাকে বলা হচ্ছে মেলার চেয়েও বেশি কিছু। কারণ প্রতিদিনই থাকছে কিছু না কিছু আকর্ষণ। প্রথম দিন উদ্বোধন তো আছে। এছাড়াও আসবেন বিশিষ্টজনেরা। দ্বিতীয় দিন থাকছে ডিজাইনারস’ ডে। তাঁরা আসবেন স্টল ঘুরে দেখবেন এবং মতামত দিবেন। তৃতীয় তথা শেষ দিন হচ্ছে ফ্যাশন ইউনিভার্সিটি ডে। দেশের দুই শীর্ষ ফ্যাশন ইউনিভার্সিটি থেকে আসবে ছাত্র ও শিক্ষকরা। তাঁরাও মেলা নিয়ে তাঁদের অভিমত জানাবেন।

     

    গতবারের মতো এবারের মেলাতেও ক্রেতাদের জন্য থাকছে র্যাফেল ড্র। আছে আকর্ষণীয় সব উপহার। এবারের মেলা বিশেষ আকর্ষণ ফটোবুথ। এখানে ছবি তুলে #haalfashioneidfiesta2026 ও #haalfashionista হ্যাশট্যাগ দিয়ে নিজের ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে আমাদের সঙ্গে লিংক শেয়ার করতে হবে। সেখান থেকে আমরা বেছে নেব ৫ জনকে। তারা উপহার তো পাবেনই। সঙ্গে আরও থাকবে হাল ফ্যাশনে মডেল হওয়ার সুযোগ।

    হাল ফ্যাশন ঈদ ফিয়েস্তা ২০২৬–এ উপহার পার্টনার হিসেবে আছে ঢাকার ৮টি পাঁচতারকা হোটেল, ফ্যাশন ব্র্যান্ড ব্লুচিজ ও টিংকার’স টি।

     
     

    এবারের মেলার একটি বিশেষ দিক হচ্ছে, ট্রায়াল রুম। সাধারণত এই ধরণের মেলায় এটা থাকে না। কিন্তু এই আয়োজনে মাত্রা যোগ করা তো বটেই ক্রেতাদের সুবিধার্থে আমরা রেখেছি ট্র্রায়াল রুম।

    এবারের ফিয়েস্তায় পোশাক ছাড়াও, গয়না, বিষমুক্ত পণ্য, খাবার, অ্যাকসেসারির স্টল থাকছে। অংশ নিচ্ছে চৌধুরী’স, এন’স কিচেন, আজুরা বাই শান্তা কবীর, মিতার গল্প, দীঘল ও আচারি, পরিণীতা ফ্যাশন, ক্যাটারফ্লাই, শাড়িকথন, দ্য জামদানি, পূর্ণতা শিল্পশালা, পোশাক বাই তাননাস, নবাবী বাই এপেক্স কনভিনিয়েন্স ফুডস লিমিটেড, সুপণ্য, অণূভা’স ও সিতকা, অবনি, মেহউইশ, দিশা’স রোড ব্লকস, লেইস ফিতা, পেটাল গহনা, ক’তে কাপড়, তাহার ও লিটল ক্রিয়েশনস, সুতলি, বিমূর্ত, তেরো পার্বণ, শখেরডিব্বা, নকশা্ মিস্ত্রি, জারিন’স ক্রিয়েশন, যাদুর হাট, রায়না''''স কালেকশন, দয়ীতা, আর্ট ওয়েভ বাই সাকিয়া, এসো, রিয়া’স ক্রিয়েশন, পৌরাণিক, মল্লিকা, বি বাসিনী, আর্নস্ট, স্বপ্নছোঁয়া, কাদম্বরী, ভারমিলিয়ন, সীবনী, নগরনন্দিনী, এলিগ্যান্ট বুটিক ও ফ্রেয়া, জ্যানেট’স ক্রিয়েশন, নাজাফ, রুজ, পসরা, মুনমুন’স, হেরিটেজ শ্যাডো বাই শ্বেতা, আর্টজেনিক্স বাই আনিকা, লং স্প্রিং, দিলসাদের রংতুলি, রোদচশমা, গথিয়া ও সোল ইস্তাম্বুল।

    ছবি: হাল ফ্যাশন

  • ক্যানসার রোগী কি রোজা করতে পারবেন

    ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকা

  • ক্যানসারের কাছে হার মানলেন অ্যানাবেল স্কোফিল্ড

    লন্ডন ফ্যাশন জগতের আইকনিক মুখ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যানাবেল স্কোফিল্ড আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

    অ্যানাবেল স্কোফিল্ড ফ্যাশন জগত থেকে অভিনয়ে প্রবেশ করেন। তিনি প্রথম পরিচিতি পান জনপ্রিয় মার্কিন ধারাবাহিক ‘ডালাস প্রাইমটাইম’ এর মাধ্যমে। সেখানে কিংবদন্তি অভিনেতা ল্যারি হ্যাগম্যানের বিপরীতে লরেল এলিস চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। এই চরিত্রই তাকে এনে দিয়েছিল তারকাখ্যাতি।

    ১৯৬৩ সালে যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের ল্যানেলিতে জন্মগ্রহণ করেন অ্যানাবেল। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির আশপাশে বেড়ে ওঠা এই অভিনেত্রী ১৯৯০-এর দশকে হিট সিনেমা ‘রোমান্সিং দ্য স্টোন’, ‘জেরি ম্যাগুয়ার’ ও ‘অ্যাজ গুড অ্যাজ নাইট গেটস’এ অভিনয় করেছেন।

    ১৯৮০ দশকে লন্ডনের ফ্যাশন অঙ্গনে অ্যানাবেল ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও আকর্ষণীয় মুখ। টিভি বিজ্ঞাপনে তার স্মরণীয় উপস্থিতি তাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচিত করে তোলে।

    চলচ্চিত্রে তিনি ‘সোলার ক্রাইসিস’, ‘ড্রাগনার্ড’ ও ‘আই অফ দ্য উইডো’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পরবর্তীতে ‘দ্য ব্রাদার্স গ্রিম’, ‘ডুম’ ও ‘সিটি অফ এম্বার’-এর প্রযোজনা ভূমিকায় ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছেন।

     

  • ক্লাব বিশ্বকাপেও ৪৮ দল চায় ফিফা, আপত্তি উয়েফার

    প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে জুন–জুলাইয়ে। ফিফা চায় ক্লাবগুলোকে নিয়ে যে বিশ্বকাপ আয়োজন করা হয়, সেটিতেও ৪৮ দল খেলবে। তবে ইউরোপীয় ফুটবল কর্তৃপক্ষ উয়েফা এমন পরিকল্পনার সঙ্গে একমত নয়। সম্প্রতি ব্রাসেলসে উয়েফার সাধারণ সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেখানে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ক্লাব বিশ্বকাপের বিষয়টি আলোচিত হয়।

    দীর্ঘদিন ধরে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ শুধু মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে আয়োজিত হতো। তবে ২০২৫ সালে নতুনভাবে ৩২ দল নিয়ে আয়োজন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে হওয়া ক্লাব বিশ্বকাপটি নিয়ে ফিফা বেশ সন্তুষ্ট। এখন মূল বিশ্বকাপের মতো এই টুর্নামেন্টটিও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।

    ৫০ শতাংশ দল বাড়াতে চায় ফিফা

    মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে উয়েফা কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ফিফা সভাপতি সুপার লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। ফিফা চায়, ক্লাব বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দলে উন্নীত করতে, যা জাতীয় দলগুলোকে নিয়ে আয়োজিত মূল বিশ্বকাপের মতোই ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    এ ক্ষেত্রে ২০২৯ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ স্পেন ও মরক্কোতে আয়োজনের চিন্তা আছে সংস্থাটির। পরের বছরই এ দুই দেশে ফিফা বিশ্বকাপ থাকায় ক্লাবের টুর্নামেন্টটি ‘টেস্ট রান’ হিসেবে জুতসই মনে করা হচ্ছে। তবে টানা দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজনের বিকল্পও খোলা রাখা হয়েছে।

    উয়েফার আপত্তি

    তবে ক্লাব বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর পরিকল্পনায় আপত্তি জানিয়েছে উয়েফা। সর্বশেষ আসরে উয়েফার ১২টি দল খেলেছে ক্লাব বিশ্বকাপে, যা যেকোনো মহাদেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। ফাইনালে খেলেছেও ইউরোপের দুই ক্লাব চেলসি ও পিএসজি। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চেলসি।

    তবে সূচির ব্যস্ততা এবং অতিরিক্ত ম্যাচ ও দল যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আরও ভাবা দরকার বলে উয়েফা এখনই ৪৮ ক্লাবের বিশ্বকাপের বিষয়ে ইতিবাচক নয় বলে জানিয়েছে মার্কা। উয়েফা নিজেই সম্প্রতি চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে-অফ পর্বে উত্তীর্ণ দলগুলোর জন্য অতিরিক্ত চারটি ম্যাচ বাড়িয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ কার্লো আনচেলত্তিসহ অনেকে মৌসুমের টুর্নামেন্ট শেষে সূচির অত্যধিক চাপ নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। এখন আবার ফিফার টুর্নামেন্টে দল বাড়লে খেলোয়াড়দের ওপরও চাপ বাড়বে।

  • গাজায় রাফা সীমান্ত খুলে দিল ইসরায়েল

    গাজা ও মিসরের মধ্যকার সীমান্ত পারাপারের জন্য রাফা ক্রসিং খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল রোববার ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়। তবে এটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে চালু করা হয়েছে এবং শুধু ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

    ফিলিস্তিনি বেসামরিক বিষয়গুলো সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট জানিয়েছে, ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং রাজনৈতিক স্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার থেকে রাফা সীমান্ত সীমিত আকারে শুধু বাসিন্দাদের যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।’

    সংস্থাটি আরও বলেছে, রাফা সীমান্ত খুলে দেওয়ার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু হয়েছে। প্রক্রিয়াটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্ডার অ্যাসিস্ট্যান্স মিশন, মিসর এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

    কোগাট আরও উল্লেখ করেছে, সীমান্তটি পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এখন প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো সম্পন্ন করছে। সংস্থাটি যোগ করেছে, এই প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর উভয় দিক থেকে বাসিন্দাদের প্রকৃত যাতায়াত শুরু হবে। আপাতত প্রতিদিন এ ক্রসিং দিয়ে দেড় শ জন গাজা ছাড়তে পারবেন, আর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ফিরতে পারবেন ৫০ জনের মতো।

    এএফপি,জেরুজালেম

  • গার্ডিয়ানের খবর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি ভারতের অলিম্পিক আয়োজক হওয়ার পথে বাধা হতে পারে

    বাংলাদেশের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া ভারতের ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজক হওয়ার প্রচেষ্টায় প্রভাব ফেলতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, খেলাধুলায় রাজনীতির অনুপ্রবেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কড়া মনোভাবই ভারতের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে রূপ নেয়। ভারতে নিরাপত্তাশঙ্কায় টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার কথা জানিয়ে ৪ জানুয়ারি আইসিসিকে ভেন্যু বদলের অনুরোধ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২১ জানুয়ারি বোর্ডসভার পর আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে পূর্বসূচি অনুযায়ী ভারতেই খেলতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় তাদের বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কা।

    গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে ভারতেই খেলার কথা বলার সিদ্ধান্তটি আইসিসির। তবে এ বিষয়ে বিসিসিআইয়েরও হাত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর না করতে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে আইসিসিতে তদবির করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে লেখা হয়, ‘আইসিসি কাগজে-কলমে স্বাধীন হলেও ভারতের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইতিহাস তাদের পুরোনো। ২০২৪ বিশ্বকাপে আর্থিক ও সম্প্রচার স্বত্বের খাতিরে ভারতকে গায়ানায় সেমিফাইনাল খেলার আগাম নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়।’

    দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি সদর দপ্তর
    দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি সদর দপ্তর, আইসিসি
     

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়, বিসিসিআই আইসিসিতে অনেক প্রভাবশালী এবং ভারত সরকারের সঙ্গেও তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ আগে বিসিসিআইয়ের সচিব ছিলেন; তাঁর বাবা অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এমনকি আইসিসির বর্তমান প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্তা আগে জিও-স্টারের স্পোর্টস প্রধান ছিলেন, যে প্রতিষ্ঠানটি ভারতে আইসিসির সব ইভেন্টের একচেটিয়া সম্প্রচারের স্বত্বাধিকারী।

    গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজে সময়ে এই রাজনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে ভারত। গত মাসে দিল্লির ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এখন ভারতের পাখির চোখ ২০৩৬ সালের আহমেদাবাদ অলিম্পিক। যেখানে তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কাতার।

    আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতি সহনশীলতা আইসিসির চেয়ে কম। গার্ডিয়ানকে আইওসির একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্য দেশগুলো বয়কট করতে পারে, এমন কোনো ঝুঁকি থাকলে ভারতকে গেমস আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়াটা আইওসির জন্য প্রায় ‘অকল্পনীয়’। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী, ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে চলতে হয় এবং অলিম্পিক চলাকালীন যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতপ্রকাশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

    আইওসির এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রমাণ গত অক্টোবরেই পাওয়া গেছে। জাকার্তায় বিশ্ব জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ইসরায়েলি দলকে ভিসা দিতে অস্বীকার করায় ইন্দোনেশিয়াকে অলিম্পিক আয়োজনের দৌড় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়াও ২০৩৬ অলিম্পিকের আয়োজক হতে চেয়েছিল, কিন্তু শুরুতেই তারা হোঁচট খেল।

    সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত আইওসির সদরদপ্তর
    সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত আইওসির সদরদপ্তর, রয়টার্স
     

    ১৯০০ সালের পর ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট। ২০৩২ ব্রিসবেন আসরেও এটি থাকছে। অলিম্পিকে ক্রিকেটকে ফেরানো হয়েছে মূলত ভারতের বিশাল বাজার ধরার জন্যই। তবে সেটা যেকোনো মূল্যে নয়।

    এবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে। ভারত গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের ম্যাচগুলো পাকিস্তানে না খেলে দুবাইয়ে খেলেছে। কারণ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ম্যাচ খেলতে বিসিসিআই পাকিস্তানে দল পাঠাতে রাজি না হওয়ার পর আইসিসি, পিসিবি ও বিসিসিআইয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়। সেখানে ঠিক করা হয়, টুর্নামেন্টে ভারতের ম্যাচগুলো হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। একই সঙ্গে বলা হয়, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে আইসিসি ইভেন্টে ভারত–পাকিস্তানের সব ম্যাচই হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। বর্তমানে দুই প্রতিবেশী দেশ আর দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও খেলে না।

    গার্ডিয়ানকে আইওসির ওই সূত্র আরও বলেছে, অলিম্পিক আয়োজনের যোগ্য আয়োজক হিসেবে বিবেচিত হতে চাইলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির শক্ত প্রমাণ দেখাতে হবে ভারতকে।

  • গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস কার হাতে উঠল কোন পুরস্কার

    আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্রিপ্টো অ্যারিয়ানে বসেছিল ৬৮তম গ্র্যামি পুরস্কারের আসর। বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে বড় আসর গ্র্যামিতে এবার সর্বোচ্চ ৯টি মনোনয়ন পেয়েছেন র‍্যাপার কেনড্রিক লামার। সাতটি মনোনয়ন নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে লেডি গাগা। শেষ পর্যন্ত পুরস্কারে বাজিমাত করলেন কারা?

    কেনড্রিক লামারের দাপট
    বছরের সেরা গান ও শিল্পীদের পুরস্কৃত করতে এ বছর রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি মোট ৯৫টি বিভাগে পুরস্কার দিচ্ছে। এর মধ্যে বিকেলে (বাংলাদেশ সময় ভোরে) অনুষ্ঠিত প্রাক্‌-সম্প্রচার পর্বেই ৮৬টি বিভাগে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। মূল টেলিভিশন সম্প্রচারে রাখা হয়েছে বাকি ৯টি বড় ও পারফরম্যান্সনির্ভর বিভাগ।

    পুরস্কার হাতে কেনড্রিক লামার। এএফপি
    পুরস্কার হাতে কেনড্রিক লামার। এএফপি

    গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে নতুন ইতিহাস লিখলেন মার্কিন র‍্যাপ তারকা কেনড্রিক লামার। এবারের গ্র্যামির আসরে পাঁচটি পুরস্কার জিতে তিনি ভেঙে দিয়েছেন র‍্যাপারদের মধ্যে সর্বাধিক গ্র্যামি জয়ের রেকর্ড। এত দিন এই রেকর্ড ছিল র‍্যাপার জে-জি’র দখলে। জে-জি’র মোট গ্র্যামি ছিল ২৫টি, আর কেনড্রিক লামার তা ছাড়িয়ে এখন পৌঁছালেন ২৭টিতে।

    ব্রিটিশ গায়িকা লোলা ইয়াং সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স বিভাগে ‘মেসি’ গানের জন্য জয় পেয়েছেন, হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন বড় প্রতিদ্বন্দ্বীকে। গুরুত্বপূর্ণ ‘সং অব দ্য ইয়ার পুরস্কার’ পেয়েছেন বিলি আইলিশ।

    মঞ্চে সাবরিনা কার্পেন্টার। এএফপি
    মঞ্চে সাবরিনা কার্পেন্টার। এএফপি

    পুরস্কার ছাড়াও গ্র্যামিতে ছিল পারফরম্যান্স। গানে গানে মঞ্চ মাতান রোজে, ব্রুনো মার্স, লেডি গাগা, জাস্টিন বিবার, টেইলর, দ্য ক্রিয়েটর ও রেজিনা কিং। গ্র্যামির সঞ্চালনায় এবার শেষবারের মতো ফিরেছেন ট্রেভর নোয়া। টানা ষষ্ঠবারের মতো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি।

    একনজরে গুরুত্বপূর্ণ শাখায় গ্র্যামি পুরস্কার
    রেকর্ড অব দ্য ইয়ার: ‘লুথার’, কেনড্রিক লামার ও সিজা
    অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার: ‘ডেবি তিয়ার মাস ফোতোস’, ব্যাড বানি
    সং অব দ্য ইয়ার : ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ার’, বিলি আইলিশ
    বেস্ট নিউ আর্টিস্ট: ওলিভিয়া ডিন
    বেস্ট পপ সলো পারফরম্যান্স: ‘মেসি’, লোলা ইয়ং
    বেস্ট পপ ডুয়ো অথবা গ্রুপ পারফরম্যান্স: ‘ডাই উইথ আ স্মাইল’, লেডি গাগা ও ব্রুনো মার্স
    বেস্ট পপ ভোকাল অ্যালবাম: ‘মেহ্যাম’, লেডি গাগা
    রেস্ট র‍্যাপ অ্যালবাম: ‘জিএনএক্স’, কেনড্রিক লামার

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

  • চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক

    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

    সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে নেতৃবৃন্দ এই ঘোষণা দেন।

    এদিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করছে আন্দোলনকারীরা। একই দাবিতে আজ সকাল ১১টা থেকে চট্টগ্রাম শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের নেতৃত্বে ইসহাক ডিপো সংলগ্ন টোল প্লাজায় সড়ক অবরোধ করেন।

    এদিকে টানা ৪ দিনের কর্মবিরতিতে বন্দর ও বেসরকারি আইসিডিতে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ কন্টেইনার জট। বন্দরের এমন অচলাবস্থায় পণ্য পরিবহণ ব্যাহত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

    বন্দর এলাকায় সভা সমাবেশে নিষিদ্ধ থাকার ঘোষণা থাকায় যে কোন তৎপরতা ঠেকাতে বন্দরের একাধিক প্রবেশ মুখে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • চলতি বছর নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতের ১০টি প্রবণতার বিষয়ে হুয়াওয়ের পূর্বাভাস

    স্মার্ট পিভি (ফোটোভোলটাইক) ও এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমের (ইএসএস) ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের শীর্ষ ১০টি প্রবণতা (ট্রেন্ড) প্রকাশ করেছে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। সম্প্রতি হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শীর্ষ ১০টি প্রবণতার তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে পিভি, উইন্ড পাওয়ার এবং ইএসএস-কে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। শিল্পের মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয় অনুষ্ঠানে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ।  

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ারের স্মার্ট পিভি ও ইএসএস প্রোডাক্ট লাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ মার্কেটিং অফিসার এরিক ঝং জানান, গত এক দশকে পিভি, উইন্ড পাওয়ার এবং ইএসএস খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রিড ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করার নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে আসছে।

    শিল্প খাত এখন উন্নয়নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে একক উদ্ভাবন থেকে সরে এসে সমন্বিত অগ্রগতির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পিভি ও এনার্জি স্টোরেজ খাতে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে হুয়াওয়ে শীর্ষ ১০টি প্রবণতার পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি ব্যবহারভিত্তিক (সিনারিও-নির্ভর) এবং ছয়টি প্রযুক্তিকেন্দ্রিক উদ্ভাবন।

    একনজরে প্রবণতাগুলো দেখে নেওয়া যাক—

    ১. পিভি, উইন্ড ও ইএসএসের সমন্বয় নবায়নযোগ্য শক্তিকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য, নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ উৎসে পরিণত করবে।

    ২. গ্রিড-ফর্মিং ইএসএস পাওয়ার গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও ভারসাম্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

    ৩. বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ, ব্যবহার ও সংরক্ষণের সমন্বয় স্থানীয় স্বনির্ভরতা বাড়াবে এবং বৈশ্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সমন্বয়কে শক্তিশালী করবে।

    ৪. আবাসিক পিভি ও ইএসএস ব্যবস্থায় এআই-সক্ষম (এআই-এনাবলড) থেকে এআই-নেটিভ ব্যবস্থায় রূপান্তর ঘটবে, যা আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দেবে।

    ৫. উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ও উচ্চ ঘনত্ব পিভি এবং ইএসএস যন্ত্রের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
    ৬. উচ্চ ভোল্টেজ ও নির্ভরযোগ্যতা এলসিওই (লেভেলাইজড কস্ট অব এনার্জি) কমাতে সহায়তা করবে।

    ৭. ইএসএস মানে কেবল ব্যাটারি নয়, নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিচালনার জন্য সিস্টেম-লেভেল ব্যাটারির ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য।

    ৮. উন্নত গ্রিড-ফর্মিং প্রযুক্তি ব্যবস্থা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার নির্মাণকে ত্বরান্বিত করবে।

    ৯. এআই এজেন্ট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্বয়ংক্রিয় পরিচালনা সম্ভব করবে।

    ১০. নিরাপত্তার পরিমাপযোগ্য মান নির্ধারণ এনার্জি স্টোরেজ শিল্পে সামগ্রিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে।

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব