• Colors: Purple Color

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, ‘দুপুর পর্যন্ত আমরা ভোটারদের মধে৵ যথেষ্ট উদ্দীপনা দেখছি। আমরা চাই, বিকেল পর্যন্ত এই উৎসাহ বজায় থাকুক।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ভোট পরিদর্শনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটাভুটি নিয়ে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট গ্রহণ শুরু হলে সহকর্মীদের নিয়ে রাজধানীর বেইলি রোডের সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যান ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউইওএম) প্রধান ইভার্স ইজাবস।

ইভার্স ইজাবস বলেন, আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। সারা দেশে মোতায়েন করা পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে প্রতিবেদন ও তথ্য পাচ্ছি।

ইইউইওএম প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন সারা দেশে ২০০ জনের বেশি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে। আমরা নিবিড়ভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছি এবং বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।’

ইভার্স ইজাবস বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি নিরপেক্ষভাবে কাজ করছি। আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছি না। আমরা শুধু নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছি এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন কীভাবে পরিচালিত হয়েছে, তা নিয়ে আমাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণ শুরু হয় আজ সকাল সাড়ে সাতটায়। বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ তথ্য অবশ্য ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রের। দেশের মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৭৯।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবন থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে তিনি গণমাধ্যমকে এ পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সচিব আখতার আহমেদ আরও জানান, এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই ভোটাররা কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সারা দেশে কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, কোনো ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করতে হয়নি। কোনো ধরনের আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিও নেই।

সিনিয়র সচিব জোর দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। কিছু ভোটকেন্দ্রের বাইরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলেও পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

সারাদেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তরে অবস্থিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তিনি ভোটদানের এ চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, প্রধান উপদেষ্টা সকালে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোটদান শেষে রাজধানীর বাড্ডা হাইস্কুল কেন্দ্রে ও মিরপুরের এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজ ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন।

এ সময় তিনি ভোটার ও নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

 

সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। নিজ জেলার গ্রামের বাড়িতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা।

ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ভোটের আনন্দ ও উত্তেজনায় রাতে ঘুমই হয়নি। পরিবেশটা একেবারে উৎসবের মতো, ঈদের সময় বাড়িতে এলে যেমন অনুভূতি হয়, ঠিক তেমনই লাগছে। আমি খুবই এক্সাইটেড ছিলাম।

ব্যস্ত পেশাজীবন থাকা সত্ত্বেও গ্রামে ভোট দিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে প্রভা বলেন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেই আমি নিজের শিকড়ে এসেছি। ছুটির দিন তাই বাসায় বিশ্রাম নিতে পারতাম, কিন্তু দেশের জন্য আমার একটি ভোটও গুরুত্বপূর্ণ।

শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ধর্ম ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে বেড়ে ওঠার কারণে আজও তার অন্তরে দেশপ্রেম ও শিল্পচর্চার প্রতিফলন রয়েছে। প্রভা জানান, আমি যে বাংলাদেশে বড় হয়েছি, সেই বাংলাদেশই চাই। ৭১-এর চেতনা, ২১-এর আত্মিক সম্পর্ক, বইমেলা, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৬শে মার্চ, পহেলা ফাল্গুন, পহেলা বৈশাখ সবই চাই। পাশাপাশি সকল ধর্মের মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে পারেন, সেটাও চাই।

ভোটের দিনটিকে জীবনের বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে প্রভা বলেন, তিনি শৈশবের মতোই একটি সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ দেখার আশা করছেন।

 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছিল। কুমিল্লা-১১ আসনের এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রটিতে একের পর এক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ভোটাররা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

ঘটনার সময় কেন্দ্র থেকে ৩০০ মিটার দূরে ছিল সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা। তাঁরা দ্রুত কেন্দ্রে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনা সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অন্তত সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৯০৬। এর মধ্যে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২৫০ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম।

কেন্দ্রে থাকা বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে জামায়াত-শিবিরের লোকজন ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তবে জামায়াতের প্রার্থী সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের পক্ষের লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোনো একটি পক্ষ সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে এমন ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে পাশেই সেনাবাহিনী থাকায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এখন যথারীতি ভোট গ্রহণ চলছে

বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে দায়িত্ব পালনকারী সাইফুর রহমান বলেন, ‘জগন্নাথদীঘিসহ পাশের আলকরা ও গুণবতী ইউনিয়নের কেন্দ্রগুলোতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থকেরা সকাল থেকেই প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে অনেক কেন্দ্র তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। আমাদের এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছিল। দুপুর ১২টার দিকে জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন এসে বলে, সবাই চলে যান, আর ভোট দিতে হবে না। এরপর কেন্দ্রের পাশে দুই দিক থেকে অন্তত সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভোটাররা প্রাণে বাঁচতে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। তারা কেন্দ্রটি দখলে নিতে চায়।’

এদিকে কেন্দ্রটিতে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচনী সমন্বয়ক তৌহিদুর আজম বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। এ ঘটনায় কোনোভাবেই জামায়াতের লোকজন জড়িত নেই। যেদিক থেকে ককটেল বা আতশবাজি ফোটানো হয়েছে, ওই পাশে বিএনপির লোকজন অবস্থান করছিল। কিছু করে থাকলে তাদেরই করার কথা। তারা পরিকল্পিতভাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে।’

কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মো. রাশেদ বলেন, ‘দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছিল। এমন সময় ককটেলের মতো কিছু শব্দ আমরা শুনেছি। পরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। এখন স্বাভাবিক, ভোট গ্রহণ চলছে। আমরা ভোটারদের আশ্বস্ত করেছি যে এখানে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নোয়াখালী-৬ আসনের হাতিয়া উপজেলায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) প্রতিবেদক মিরাজ উদ্দিন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চর ঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী এলাকায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলায় মিরাজকে বহনকারী মোটরসাইকেলের চালক মো. সাকিবও গুরুতর আহত হন।

এ ছাড়া গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত পাল্টাপাল্টি হামলায় বিএনপি ও এনসিপির প্রায় অর্ধশত কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৮ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে চারজনকে ভর্তি রেখে অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. ওয়াহিদুল হক। তিনি বলেন, আহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগেরই আঘাত গুরুতর ছিল না। তাই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টার দিকে বাংলা বাজার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে বিটিভির প্রতিবেদক মিরাজ উদ্দিনের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলার শিকার হন মিরাজকে বহনকারী মোটরসাইকেলের চালক সাকিবও। হামলাকারীরা দুজনকেই কুপিয়ে আহত করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। এ ছাড়া ওচখালী বাজার, বুড়িরচর, জাহাজমারা, নিঝুম দ্বীপ ও সোনাদিয়া ইউনিয়নেও ধানের শীষ ও শাপলা কলির সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশত কর্মী সমর্থক আহত হন। তাঁদের মধ্যে চারজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক ইউসুফ রেজা বলেন, গতকাল বুধবার রাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত সোনাদিয়া, জাহাজমারা, নিঝুম দ্বীপ, চর ঈশ্বর ও চানন্দী ইউনিয়নে তাঁদের প্রায় অর্ধশত কর্মী সমর্থক বিএনপির কর্মীদের হামলায় আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আজ ভোট গ্রহণ শুরুর পরপরই জাহাজমারা ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্র থেকে তাঁদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফজলুল হক খোকন বলেন, এনসিপির শাপলা কলির কর্মী–সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাঁরা নির্বাচনে নিজেদের ভরাডুবি বুঝতে পেরে নানা গুজব ছড়াচ্ছেন।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েকটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন কিছু হামলার ঘটনা তিনি শুনেছেন। যেখানেই কোনো ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, তাৎক্ষণিক পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছেন। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব