• Colors: Purple Color

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এক নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অনুষ্ঠিত এই প্রথম সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এক ‘বড় পরীক্ষা’ ও ‘নতুন সূচনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিবিসি, এএফপি, রয়টার্স, গার্ডিয়ান, আল-জাজিরা এবং সিএনএনসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে নির্বাচনের চিত্র ও বিশ্লেষণ উঠে এসেছে।

এএফপি

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভোট দেওয়ার পর একে একটি ‘দুঃস্বপ্ন’ থেকে মুক্তি পেয়ে ‘নতুন স্বপ্নের’ পথে যাত্রা বলে অভিহিত করেছেন। এএফপি বলছে, প্রায় ১০ লাখ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যের কড়া পাহারায় এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

তাদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, জামায়াত নেতা শফিকুর রহমান সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির তারেক রহমান তাঁর দল ক্ষমতা যাওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন।

নির্বাচনের আগে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ‘তথ্য-সন্ত্রাস’ নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের বিষয়টি এএফপি বড় করে তুলে ধরেছে। তাদের মতে, কোটি কোটি তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্যের ‘সুনামি’ বয়ে গেছে।

চট্টগ্রামের এক কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন
চট্টগ্রামের এক কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন, ছবি: এএফপি

রয়টার্স

বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের তরুণ ভোটার বা জেন–জির প্রত্যাশাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। রয়টার্স বলছে, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া এই তরুণেরা মূলত কর্মসংস্থান, সুশাসন এবং নির্ভয়ে কথা বলার অধিকারের দাবিতে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ ভোটারের এই দেশে প্রার্থীরা যদি আগের মতো পুরোনো ধারার রাজনীতি করেন, তবে তা সফল হবে না। এ ছাড়া কৃষি খাতে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার মতো গ্রামীণ জনপদের দাবিগুলোও তাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

রয়টার্স বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা স্নাতক সবচেয়ে বেশি বেকারত্বের মধ্যে রয়েছে। ২৪ বছর বয়সী মনিকা আক্তার এবং ২১ বছর বয়সী মুনিরুজ্জামানের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থীই বেকার। তাঁরা প্রত্যাশা করছেন, নতুন সরকার যেন প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ঘটায়, যাতে তাঁরা বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উদ্বেগের বিষয়টিও উঠে এসেছে। ২৪ বছর বয়সী প্রমিলা রানী দাসের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘুরা সব সময় একটি ‘ট্যাগ’ নিয়ে বেঁচে থাকে। তারা এমন এক নতুন বাংলাদেশ চায়, যেখানে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই মানুষ হিসেবে শান্তিতে বাস করতে পারবে।

আল–জাজিরা

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, বাংলাদেশ ‘গণতন্ত্রের ট্রেনে’ চড়ে বসেছে এবং দ্রুতই গন্তব্যে পৌঁছাবে। নির্বাচন কমিশন জানায়, বেলা ২টা পর্যন্ত ভোট পড়ার হার ছিল প্রায় ৪৮ শতাংশ।

প্রতিবেদনে এই নির্বাচনকে ২০০৮ সালের পর প্রথম ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া সংবিধানে পরিবর্তনের বিষয়ে আয়োজিত ‘গণভোট’ বা রেফারেন্ডামকে তারা অভ্যুত্থানের একটি অন্যতম উত্তরাধিকার হিসেবে বর্ণনা করেছে।

আল–জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই নির্বাচন মূলত বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের মধ্যে লড়াই। তারেক রহমান যেখানে দুর্নীতিবিরোধী প্রচারে এগিয়ে আছেন, সেখানে শফিকুর রহমান তাঁর দলকে একটি আধুনিক ও গ্রহণযোগ্য শক্তি হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটির ভূগোলের অধ্যাপক ফারহানা সুলতানা আল-জাজিরাকে বলেন, এই নির্বাচন যদি জনগণের আস্থা ফেরাতে সফল হয়, তবে তা দেশের গভীর সংকটগুলো মোকাবিলায় একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। তাঁর মতে, শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব ও স্থবির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নতুন প্রজন্মের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি করেছে, তা প্রশমনে এই পরিবর্তন জরুরি।

ফারহানা সুলতানা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো অস্তিত্ব রক্ষার বিষয়গুলোকে নতুন সরকারকে শাসনব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে যুক্ত করতে হবে।

ভোট দিচ্ছেন এক নারী ভোটার
ভোট দিচ্ছেন এক নারী ভোটারছবি: এএফপি

বিবিসি

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটিই প্রথম নির্বাচন। ঢাকার কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনা শুরু হওয়ার তথ্য জানিয়ে বিবিসি বলছে, এবারের লড়াই মূলত বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে। ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনে নিহতদের বিচার এবং হাসিনা সরকারের ওপর আনা দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটও তাদের প্রতিবেদনে স্থান পেয়েছে।

ভোটাররা কেবল সংসদ নির্বাচনের জন্যই নয়, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবিত সাংবিধানিক পরিবর্তনের ওপর একটি গণভোটেও অংশ নিয়েছেন। বিবিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই গণভোটটি মূলত ‘পুরোপুরি ভেঙে পড়া’ রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সংস্কার করার একটি প্রচেষ্টা।

ভোট শেষে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিবিসিকে বলেন, দেশ একটি ‘দুঃস্বপ্ন’ শেষে ‘নতুন স্বপ্ন’ দেখতে শুরু করেছে। তবে বিজয়ী সরকারের সামনে অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং ভারতের সঙ্গে নাজুক কূটনৈতিক সম্পর্ক সামলানোর এক বিশাল চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

দ্য গার্ডিয়ান

যুক্তরাজ্যের আরেক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান গুরুত্ব দিয়েছে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের একক সাক্ষাৎকারের ওপর। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ফেরা তারেক রহমানকে আগামীর সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে গার্ডিয়ান লিখেছে, তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ বা আপসহীন নীতির অঙ্গীকার করেছেন।

গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন ধ্বংসের মুখে এবং যেকোনো নতুন সরকারের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে জবাবদিহি ফিরিয়ে আনা হবে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ।

দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে চলছে গণনার কাজ
দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে চলছে গণনার কাজছবি: এএফপি

সিএনএন

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন তাদের প্রতিবেদনে একটি ভিন্ন ও গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে। তাদের মতে, ‘বিপ্লবে জিতেছে জেনারেশন জি, কিন্তু নির্বাচনে রাজত্ব করছে পুরোনো রাজনীতিকেরাই’।

সিএনএন বলছে, তরুণেরা যে নতুন ধারার রাজনীতির স্বপ্ন দেখেছিল, রাজপথের সেই আকাঙ্ক্ষা নির্বাচনের মাঠে পুরোপুরি প্রতিফলন ঘটেনি। এ ছাড়া নারীদের অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে ইসলামপন্থী দলগুলোর শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে তরুণদের একাংশের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার অনুভূতির কথাও উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা পর্ব।

এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোট গণনা শেষে আসতে শুরু করেছে ফল। বেসরকারিভাবে বেশ কিছু আসনের ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার পাওয়া গেছে রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের ফল।

আসনটিতে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপির আখতার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ৮ হাজার ৩৩১ ভোট। তবে, পোস্টাল ভোটের তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

ফলাফল ঘোষণার পর আখতার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষ থেকে ফলাফল নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

 

দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা পর্ব। এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোট গণনা শেষে আসতে শুরু করেছে ফল।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত এখন পর্যন্ত ১৯২টি আসনের বেসরকারি ফল এসেছে আরটিভির হাতে।

এর মধ্যে ১৩৭ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি ও তাদের জোট প্রার্থীরা। অন্যদিকে ৫২টি আসনে জিতেছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। আর ৩টি আসনে জিতেছেন স্বতন্ত্র ও অন্যান্যরা।

সবশেষ প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, পটুয়াখালী-৩ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি জোট থেকে ট্রাক প্রতীকে দাঁড়ানো গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ৭৩ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৫০ ভোট।

রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। আসনটির ১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপির আখতার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট।

এর আগে, রাত ১১টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটির ৪১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন মোট ৫৬ হাজার ৩৮১ ভোট। এছাড়া, বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত বগুড়া-৬ আসনেও নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন তিনি।

ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষের বিজয় এসেছে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের হাত ধরে। আসনটিতে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১১৭টি। সবগুলো কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু সালেহ মো. মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৭২ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করেছেন তিনি। এই আসনের মোট ৬২টি কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে ধানের শীষের প্রার্থী শুরু থেকেই ভোটের দৌড়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন। মির্জা ফখরুলের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪০২ ভোট। অর্থাৎ মির্জা ফখরুল প্রায় ২৮ হাজার ১৪৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, মধ্যনগর, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ) আসনে ১৭৭টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল শেষে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী কামরুজ্জমান কামরুল। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৭২ হাজার ৫২৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয় হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে কামরুজ্জমান কামরুল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭০৫ ভোট। অন্যদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী তোফায়েল আহমদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ১৭৬ ভোট।

এছাড়া, নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। চিরচেনা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকা জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৯ ভোট।

অর্থাৎ, নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপিকে ১ লাখ ২১ হাজার ৪২ ভোটের বিশাল ব্যবধানের জয় এনে দিয়েছেন লুৎফুজ্জামান বাবর।

কিশোরগঞ্জ ৪ (ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির আরেক আলোচিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লার প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট। অর্থাৎ, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ৭৬ হাজার ৯০৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী ফজলুর রহমান।

জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির হয়ে জয় ছিনিয়ে এনেছেন মো: আব্দুল বারী। আসনটির ১০৪ কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৮ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লার প্রার্থী রাশেদুল আলম সবুজ পেয়েছেন ৯১ হাজার ১২ ভোট।

এদিকে সুনামগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী নাছির চৌধুরীর কাছে হার মেনে নিয়েছেন জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির।

অন্যদিকে আলোচিত কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপি সমর্থিত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। এই আসনের ১১৬টি কেন্দ্রের সবকটিতেই আধিপত্য দেখা গেছে শাপলা কলি প্রতীকের এই প্রার্থীর।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, হাসনাত আবদুল্লাহ মোট ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীমউদ্দীন পেয়েছেন মাত্র ২৬ হাজার ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, চর রাজিবপুর ও চিলমারী) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি মোট ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোস্তাফিজুর রহমানের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হাফিজুর রহমান ৯ হাজার ৪৪৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল প্রায় ২১ হাজার।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা মেহেরপুরের আসন দুইটি। সেখানে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত সমর্থিত ও জোটপ্রার্থীরা। এর মধ্যে মেহেরপুর-১ সংসদীয় আসনে মোট ১২৩টি কেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনে ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে যে, জামায়াত সমর্থিত জোটপ্রার্থী তাজউদ্দীন খান তার প্রতীক দাঁড়িপাল্লা নিয়ে ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট।

আর মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল হুদা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট। এই আসনে দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪৭৯।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকায় আজ ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫ জন দলীয় এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে সোনা শ্রেষ্ঠাকে নিয়োগ দিয়েছে। এ পদে তিনি বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় এডিবির কৌশল ও কার্যক্রমের উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেবেন।

আজ এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনা শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নে সহায়তার জন্য এ অঞ্চলের উন্নয়নশীল সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।’

সোনা শ্রেষ্ঠা একজন উন্নয়নবিশেষজ্ঞ। তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতা ২৭ বছরের বেশি। এর মধ্যে ২৩ বছরই এডিবিতে কাজ করেছেন। এর আগে তিনি দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের উপমহাপরিচালক ছিলেন।

নেপালের নাগরিক সোনা শ্রেষ্ঠা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এ ছাড়া ম্যাসাচুসেটসের স্মিথ কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে তাঁর।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধি সহায়তায় উন্নয়ন ব্যাংক। সদস্যদেশ ও অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এডিবি উদ্ভাবনী আর্থিক উপকরণ ও কৌশলগত অংশীদারত্ব কাজে লাগায়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, জাতিকে যে ওয়াদা আমরা দিয়েছিলাম, সেই ওয়াদা পরিপূর্ণ করতে পেরেছি। আমরা সবাইকে দেখাতে চাই, আমাদের মধ্যে কোনো ধরনের কোনো লুকোচুরি নেই। আমরা সম্পূর্ণ ট্রান্সপারেন্ট একটা নির্বাচন দেওয়ার চেষ্টা করেছি। 

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশনের ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, সবাই মিলে অনেক দিনের একটি প্রত্যাশিত সুন্দর নির্বাচন হয়েছে। আমরা সবাই মিলে জাতিকে উপহার দিতে পেরেছি। পরম করুণাময়ের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। আমাদের যে চেষ্টা, যে কষ্ট, সেটা সার্থক হয়েছে বলে আমরা মনে করি। 

সিইসি বলেন, সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখছিলাম মোটামুটিভাবে এদেশের ইতিহাসের নির্বাচনের ইতিহাসে যেকোনো মানদণ্ডে যদি আপনি বিচার করেন, এটাকে একটা বেশ ভালো নির্বাচন হিসেবে গণ্য করা যায়। আমার খুবই ভালো লেগেছে। আমরা ওয়াদা করেছিলাম যে, একটা উৎসবমুখর পরিবেশে একটা নির্বাচন আমরা উপহার দেব জাতিকে। নিরপেক্ষ একদম সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং ক্রেডিবল একটা ইলেকশন উপহার দেব এবং আমরা বিশ্বাস করি, আমরা এটা পেরেছি উপহার দিতে পেরেছি। এটা সবাই স্বীকৃতি দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমার খুবই ভালো লেগেছে। কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি সীমাবদ্ধতা থাকবেই। এটা ১৮ কোটি লোকের দেশ। ১২৭ মিলিয়ন ভোটারের দেশ। আর রেফারেন্ডামসহ যদি ধরি ২৫৪ মিলিয়ন ব্যালট আমাদেরকে ছাপাতে হয়েছে, বিলি করতে হয়েছে। আপনাদের সহযোগিতা না হলে কিন্তু আমরা এই সুন্দর নির্বাচনটা উপহার দিতে পারতাম না। আমরা আপনাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। রাজনৈতিক নেতাদের কাছে কৃতজ্ঞ। রাজনৈতিক দলের কাছে কৃতজ্ঞ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, একটা সুন্দর নির্বাচন আয়োজন আমরা করতে পেরেছি। আপনাদের সবার সহযোগিতা নিয়ে আমি আমাদের প্রত্যাশা থাকবে এই যে একটা সুন্দর নির্বাচন হলো, আমি বলব না যে, এটা পারফেক্ট নির্বাচন। পারফেক্ট নির্বাচন কোথাও হয় না। আমি আমেরিকার নির্বাচন দেখেছি, আপনারাও দেখেছেন অনেক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। অতীতের ইতিহাস যদি আমরা দেখি ইনশাআল্লাহ যেকোনো মানদণ্ডে এটা অত্যন্ত ভালো নির্বাচন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। 

দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা পর্ব।

এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোট গণনা শেষে আসতে শুরু করেছে ফল। বেসরকারিভাবে বেশ কিছু আসনের ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার পাওয়া গেছে পঞ্চগড়-১ আসনে আসনের ফল। আসনটিতে জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা সারজিস আলমকে ঘিরে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

কিন্তু, এনসিপির এ নেতাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।

প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে নওশাদ জমির পেয়েছেন ২২ হাজার ১৩৪ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন সারজিস আলম পেয়েছেন ২০ হাজার ১৯৯ ভোট।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব