• Colors: Purple Color

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর ধরে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে শুরু হবে এই টিকিট বিক্রি।

বরাবরের মতো এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করবে রেলওয়ে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টায় এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টায় বিক্রি শুরু হবে।

সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রেনযাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হবে ৩ মার্চ, ১৪ মার্চের টিকিট ৪ মার্চ, ১৫ মার্চের টিকিট ৫ মার্চ, ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে।

আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করতে চান বলে জানিয়েছেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক।

সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি বুঝতে পারি যে পরিবহন একটা বড় সমস্যা। এটাকে আমাদের সমাধান করতেই হবে। জনগণের জন্য জনবান্ধব একটা পরিবহন ব্যবস্থা দিতে হবে। উনি (প্রধানমন্ত্রী) যেহেতু ১৬ বছর লন্ডনে ছিলেন, গণপরিবহনটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আমরা দুই ঘণ্টা এটা নিয়েই কথা বলেছি।

‌‘তিনি খুব আহত হন যখন জনগণের গণপরিবহনের এক্সেসটা দেখেন খুব সীমিত। পার্টিকুলারলি ফিমেল যারা আছে, তাদের প্রাইভেসি ইস্যু হচ্ছে, তারা ভালো কোনো গণপরিবহন পাচ্ছে না, সেফটি-সিকিউরিটি নেই। কী করা যায়, এই কী করার ভাবনা থেকেই উনি আমার সাথে কথা বলেছেন। বিশেষ করে গণপরিবহনের সর্বোৎকৃষ্ট যে মাধ্যম মেট্রো, এর বাইরেও আরও কিছু করা যায় কি না— যেটা উনি অলরেডি বলেছেন— মনোরেল যেহেতু সাশ্রয়ী মূল্যে খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।,

বুয়েটের দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক (এআরআই) পরিচালক শামসুল হক বলেন, পূর্ব দিকের বাসাবো, গোরান, মাদারটেক, পুরানো টাউনে বিপুল জনগোষ্ঠী বাস করে। তারা কিন্তু ইভেন বাসও পায় না। মেট্রোগুলো সাধারণত প্রধান সড়কগুলোর ওপর দিয়ে গেছে। সো এটাকে যদি মেট্রোর বাইরে অন্য কোনো সংস্করণে আনা যায়— মেট্রো তো একটা না, আমরা একটা চিনেছি মেট্রো, কিন্তু ভারী মেট্রো। এটার যেমন দরকার আছে, ব্রডব্যান্ড কানেকশনের পাশাপাশি, কিন্তু লাইট রেলও দরকার আছে, মনোরেল দরকার আছে, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি দরকার আছে, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) দরকার আছে, এবং অর্ডিনারি বাস— সবকিছুই দরকার।

কিন্তু, রেগুলেটেড হতে হবে। ঘিঞ্জি এলাকা যেখানে মেট্রো যাবে না, মেট্রোকে সাপ্লিমেন্ট করার জন্য আর কি করতে পারি, সেটার একটা স্টাডি করে উনাকে (প্রধানমন্ত্রীকে) একটা প্রস্তাব দেওয়া, যেন ওনারা এই বছর কাজ আরম্ভ করতে পারেন।

শামসুল হক বলেন, উনার আগ্রহ দেখলাম গণপরিবহনটাকে সুশৃঙ্খখল করা। এটা করতে গিয়ে যা যা করতে হয় মেট্রো মেট্রোর জায়গায় হবে কিন্তু এটা যেন সমন্বিতভাবে অন্যান্য মেট্রো সংস্করণগুলো আছে সেগুলোর সঙ্গে যেন সমন্বিত হয়।

প্রাথমিকের মধ্যে থাকবে নারীদের জন্য আবেদন সৃষ্টিকারী এবং সিকিউর গণপরিবহন— বাস, নারীরাই চালাবে এবং সবচেয়ে বড় আগ্রহটা দেখলাম, খুব ভালো লেগেছে— তিনি ইলেকট্রিফিকেশন বাস দিয়েই আরম্ভ করতে চাচ্ছেন। উনিও চাচ্ছেন ১৮০ দিনের মধ্যে ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক গণপরিবহন প্রথমেই, বিশেষ করে নারীদের জন্য, এইটা করার জন্য‌ আগ্রহ তার।

তিনি আরও বলেন, উনি বলছেন, হ্যাঁ, আমাদের বাসগুলো অত্যন্ত উচ্ছৃঙ্খল, বিশৃঙ্খল। এটাকে সুশৃঙ্খল করতে গেলে যা যা করণীয়, আরম্ভ করি না? আমরা পাইলটিং করে, জোন করে আরম্ভ করি। কম বিনিয়োগে বেশি মানুষকে কভারেজ দেওয়ার ব্যাপারে উনার আগ্রহ। আমি যখন বললাম— এটার জন্য উন্নয়ন যন্ত্রণাটা একটু কম হয়। আপনি স্টিলের যদি পিয়ার বানান, এইটাকে আপনি প্রিফ্যাব্রিকেটেড করে এখানে ইনস্টল করবেন— তাহলে এই ঘিঞ্জি এলাকায় উন্নয়নের পেইনটাও কম হবে। পুরো ঢাকার এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় রেলভিত্তিক গণপরিবহনে যাওয়া যাবে। আর ঢাকাকে ডিসেন্ট্রালাইজ করার ব্যাপারেও কিন্তু উনার বড় একটা আগ্রহ দেখলাম— রেলভিত্তিক কাঠামোর মাধ্যমে।

উনি (প্রধানমন্ত্রী) বলছেন, হোয়াই নট— চিটাগং থেকে এখানে এসে অফিস করব কেন হবে না? আমরা দ্রুতগতির ট্রেন বানাতে যা যা করা লাগে, সেইভাবে করতে পারলে ঢাকার ওপর চাপটা আপনা-আপনি কমে যাবে’ বলেন বুয়েটের শিক্ষক শামসুল হক।

 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার।

রোববার (১ মার্চ) নিয়োগ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর প্রজ্ঞাপনমূলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত শেখ মো. সাজ্জাত আলীর নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাতিল করা হলো।

২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর সাজ্জাত আলীকে দুই বছরের জন্য চুক্তিতে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন সাজ্জাত আলী। তার পদত্যাগপত্রে পদত্যাগের কারণ হিসেবে ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক’ কারণ উল্লেখ করা হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মৌখিকভাবে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তারা রাজি হলে প্রথম অধিবেশনে শপথ হবে।

সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।  

তিনি বলেন, সংসদে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছে তারাই সংসদ সদস্য হিসেবে যোগদান করবে। সংবিধানে সংস্কার পরিষদ নামে কিছু নাই। সংবিধান সংস্কার পরিষদে যারা শপথ নিয়েছে, সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। এটা নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে তা রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে তারা বলতেই পারে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানে সংশোধনী এনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ আনা যেতে পারে। তার আগে সংবিধানে নাই এমন কিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে বলেন, প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বিধান সাংবিধানিক রীতি। কেউ রাষ্ট্রপতির ভাষণ না চাইলে সেটা তাদের কথা বলার অধিকার। 

তিনি আরও বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশই সংবিধান অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে সংসদে তোলা হবে। সেগুলোর বাস্তবায়ন সংসদে আলোচনার বিষয়।

খুব শিগগিরই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।

সোমবার (২ মার্চ) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানান তিনি।

প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত। পাশাপাশি ভিসা কার্যক্রমও দ্রুত স্বাভাবিক করা হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, ভারতীয় হাইকমিশনার নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতে এসেছেন। তিনি বলেন, বর্ডার হাটসহ কয়েকটি স্থলবন্দর বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে সামনে এসব স্থলবন্দর পুনরায় চালু করা হবে। তবে বৈঠকে ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

এর আগে, রোববার (১ মার্চ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক করার কথা জানান।

বৈঠক শেষে ভিসা কার্যক্রম নিয়ে ভারতীয় পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত দেড় বছরে ভারতের কনস্যুলেট ও ভিসা অফিসগুলোতে বিভিন্ন সময়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সেগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারেনি। তবে ভারতীয় পক্ষ আশ্বাস দিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে।

 

গণপরিবহন ব্যবস্থায় দ্রুত দৃশ্যমান ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস এবং নারীদের জন্য নিরাপদ বিশেষায়িত বাস সার্ভিস চালু করা হবে।

সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক।

তিনি বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) যেহেতু ১৬ বছর লন্ডনে ছিলেন, গণপরিবহনটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আমরা দুই ঘণ্টা এটা নিয়েই কথা বলেছি।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী খুব আহত হন, যখন জনগণের গণপরিবহনের এক্সেসটা দেখেন খুব সীমিত। পার্টিকুলারলি (বিশেষত) ফিমেল (নারী) যারা আছেন, তাদের প্রাইভেসি (সুরক্ষা) ইস্যু হচ্ছে, তারা ভালো কোনো গণপরিবহন পাচ্ছেন না, সেফটি-সিকিউরিটি (নিরাপত্তা) নেই। কী করা যায়, এই কী করার ভাবনা থেকেই উনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। বিশেষ করে গণপরিবহনের সর্বোৎকৃষ্ট যে মাধ্যম মেট্রো, এর বাইরেও আরও কিছু করা যায় কিনা, যেটা উনি অলরেডি বলেছেন, মনোরেল যেহেতু সাশ্রয়ী মূল্যে খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।

বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) সাবেক পরিচালক শামসুল হক বলেন, 'রাজধানীর পূর্ব দিকের বাসাবো, গোরান, মাদারটেক, পুরানো টাউনে বিপুল জনগোষ্ঠী বাস করে। তারা কিন্তু ইভেন বাসও পায় না। মেট্রোগুলো সাধারণত প্রধান সড়কগুলোর উপর দিয়ে গেছে। তাই এটাকে যদি মেট্রোর বাইরে অন্য কোনো সংস্করণে আনা যায়; মেট্রো তো একটা না, আমরা একটা চিনেছি মেট্রো, কিন্তু ভারী মেট্রো। এটার যেমন দরকার আছে, ব্রডব্যান্ড কানেকশনের পাশাপাশি, কিন্তু লাইট রেলও দরকার আছে, মনোরেল দরকার আছে, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি দরকার আছে, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) দরকার আছে, এবং অর্ডিনারি (সাধারণ যাত্রীবাহী) বাস— সবকিছুই দরকার।

‘কিন্তু, রেগুলেটেড হতে হবে। ঘিঞ্জি এলাকা যেখানে মেট্রো যাবে না, মেট্রোকে সাপ্লিমেন্ট করার জন্য আর কী করতে পারি, সেটার একটা স্টাডি করে প্রধানমন্ত্রীকে একটা প্রস্তাব দেওয়া, যাতে ওনারা এই বছর কাজ আরম্ভ করতে পারেন।’

শামসুল হক বলেন, উনার আগ্রহ দেখলাম গণপরিবহনটাকে সুশৃঙ্খখল করা। এটা করতে গিয়ে যা যা করতে হয় মেট্রো মেট্রোর জায়গায় হবে, কিন্তু এটা যাতে সমন্বিতভাবে অন্যান্য মেট্রো সংস্করণগুলো যেগুলো আছে, সেগুলোর সঙ্গে যাতে সমন্বিত হয়।

প্রাথমিকের মধ্যে থাকবে মহিলাদের জন্য আবেদন সৃষ্টিকারী এবং সিকিউর গণপরিবহন বাস; মহিলারাই চালাবে এবং সবচেয়ে বড় আগ্রহটা দেখলাম, তিনি ইলেকট্রিফিকেশন বাস দিয়েই আরম্ভ করতে চাচ্ছেন। উনিও চাচ্ছেন ১৮০ দিনের মধ্যে ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক গণপরিবহন প্রথমেই, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য, এইটা করার জন্য‌ আগ্রহ তার।

তিনি আরও বলেন, ওনি বলছেন, হ্যাঁ, আমাদের বাসগুলি অত্যন্ত উশৃঙ্খল, বিশৃঙ্খল। এটাকে সুশৃঙ্খল করতে গেলে যা যা করণীয়, আরম্ভ করি না? আমরা পাইলটিং করে, জোন করে আরম্ভ করি। কম বিনিয়োগে বেশি মানুষকে কভারেজ দেওয়ার ব্যাপারে উনার আগ্রহ। আমি যখন বললাম, এটার জন্য উন্নয়ন যন্ত্রণাটা একটু কম হয়। আপনি স্টিলের যদি পিয়ার বানান, এইটাকে আপনি প্রিফ্যাব্রিকেটেড (পূর্বনির্মিত) করে এখানে ইনস্টল (বসানো) করবেন, তাহলে এই ঘিঞ্জি এলাকায় উন্নয়নের পেইনটাও (কষ্ট) কম হবে। পুরো ঢাকার এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় রেলভিত্তিক গণপরিবহনে যাওয়া যাবে। আর ঢাকাকে ডিসেন্ট্রালাইজ (বিকেন্দ্রিকরণ) করার ব্যাপারেও কিন্তু উনার বড় একটা আগ্রহ দেখলাম রেলভিত্তিক কাঠামোর মাধ্যমে।

উনি বলছেন, হোয়াই নট— চিটাগং থেকে এখানে এসে অফিস করব, কেন হবে না? আমরা দ্রুতগতির ট্রেন বানাতে যা যা করা লাগে, সেইভাবে করতে পারলে ঢাকার ওপর চাপটা আপনা-আপনি কমে যাবে।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব