• Colors: Purple Color

ঢাকা

কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি বগুড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার পর শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে একাধিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে নেপথ্য কারণ খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

রোববার (২২ মার্চ) বিকেলে এক বিবৃতিতে এসব ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতোমধ্যে দুর্ঘটনার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন তিনি। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি এসব দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতার জন্য দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশও দেন তিনি।

উল্লেখ্য, কুমিল্লায় রেল দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যে তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, অপর কমিটি গঠন করেছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি তদন্ত কমিটিকে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ইতোমধ্যেই কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনী, হবিগঞ্জ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্নস্থানে দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদ উদযাপনের এই আনন্দঘন মুহূর্তে এসব দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও উদ্বেগজনক। প্রতিটি জীবন মূল্যবান। প্রতিটি মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি। আমি মহান আল্লাহর দরবারে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। হতাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, রেলক্রসিং ব্যবস্থাপনা, সেতুর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা নিরাপদ করতে দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভারতে পাচারের শিকার ৩৩ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা শেষে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।

রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এসব নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে আনা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধ বিষয়ক টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

ফেরত আসারা বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। সাজাভোগ শেষে বিভিন্ন সেফ হোমের হেফাজতে ছিল তারা। পরবর্তী সময়ে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে ফিরিয়ে আনা হল।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বেনাপোল-পেট্রাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে স্থানীয় ইউএনও, উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে উদ্ধার এসব নারী-পুরুষ ও শিশুদের হস্তান্তর করেন।

এছাড়াও এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সময় বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় এনজিও কর্তৃপক্ষ এবং ভারতের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিল।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, দালালের মাধ্যমে পাচারের শিকার ৩৩ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে ভারত বেনাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার সেখান থেকে তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা জানান, ট্রাভেল পারমিটে ফেরত আসা বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুদের কার্যক্রম শেষে পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

ঢাকা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটিতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

রোববার (২২ মার্চ) পরিদর্শনকালে তিনি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। 

এ সময় তিনি দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টার জন্য আন্তরিক সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

সফরকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এডজুটেন্ট জেনারেল; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া; সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

নতুন মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু মিলে ঈদে ঘুরতে যাচ্ছিলেন। বৃষ্টির কারণে সড়ক ছিল পিচ্ছিল। পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায় মোটরসাইকেলটি। এ ঘটনায় দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয়েছেন অপরজন।

গতকাল রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কের শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের মুর্তাখাই গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩০) ও সাইদুল ইসলাম (৩০)। আহত গুলজার আহমদকে (২৯) সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম ঈদের এক সপ্তাহ আগে একটি নতুন মোটরসাইকেল কেনেন। সেই মোটরসাইকেলে করে রোববার দুই বন্ধুকে নিয়ে জেলার তাহিরপুর উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র শিমুলবাগানে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথে সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কের গাগলী এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় তিনজনই গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আহত সাইদুল ইসলামকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান।
সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আমজাদ হোসেন জানান, তিনজনের মধ্যে একজন হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা যান। অন্য দুজনের মধ্যে একজনকে সিলেটে পাঠানো হয়। আরেকজনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব