ভারতের কাছে ৩-০ গোলের হারে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়েরা। গত দুটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে ৩-০ ও ৩-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। গতকালের হারটি তাই সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের জন্য বড় ধাক্কা। ভারতকে হারাতে না পারায় গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে ৩ জুন সেমিফাইনালে নেপালের মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে।

গোয়ায় আজ অনুশীলন ছিল না ফুটবলারদের। তবে ছিল রিকভারি সেশন, যা সাধারণত সব ম্যাচের পরদিনই হয়ে থাকে। দলের কেউ সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও সরাসরি কথা বলেননি। তবে বাফুফের মিডিয়া বিভাগ থেকে সাংবাদিকদের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাঠানো হয়েছে। তাতে দলের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন গোলকিপার কোচ মাসুদ আহমেদ।

গতকালের ভুলত্রুটি অকপটে স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘গতকালের ম্যাচটা আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারিনি। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগতভাবে যে পরিকল্পনা দিয়েছিলাম, অনেকে ভালো করেছে, আবার অনেকে সফলভাবে করতে পারেনি। ভারতের মতো দলের বিপক্ষে সব বিভাগ একসঙ্গে পরফর্ম করতে না পারলে আসলে এর শাস্তি আপনাকে পেতেই হবে, যেটা আমরা পেয়েছি।’

তবে এই বিপর্যয় কাটিয়ে ৩ জুনের সেমিফাইনাল নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা শুরু করেছে দল। নেপাল ম্যাচকে সামনে রেখে দলের বর্তমান প্রস্তুতি ও ফুটবলারদের মানসিক অবস্থা নিয়ে মাসুদ আহমেদের কথা, ‘আমরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলছি। সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়, ওটা নিয়ে কাজ করছি। আশা করি, নেপাল ম্যাচে মেয়েরা ঘুরে দাঁড়াবে।’

ভারতের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি বাংলাদেশ
ভারতের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি বাংলাদেশ, বাফুফে

মানসিক জড়তা কাটিয়ে মেয়েদের চেনা ছন্দে ফেরানোটাই এখন টিম ম্যানেজমেন্টের প্রধান লক্ষ্য। এ বিষয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা বড় ভুলগুলো দেখানোর চেষ্টা করব মেয়েদের। সেসব থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায়, এ নিয়েও আলোচনা হবে। আমরা প্রতিটি খেলোয়াড়কে মানসিকভাবে চাঙা করার চেষ্টা করছি, যাতে তারা তাদের স্বাভাবিক খেলাটাতে ফিরে আসতে পারে।’

গত ম্যাচে গোলকিপার মিলি আক্তার মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন, যা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে চোটের বিষয়টি গুরুতর নয় বলে আশ্বস্ত করেছেন গোলকিপার কোচ, ‘আশা করি, মিলি পরের ম্যাচ খেলার জন্য তৈরি হয়ে যাবে।’
সব মিলিয়ে গোয়ার ক্যাম্পে এখন ভারত ম্যাচের বিপর্যয় সামলে এবং ভুল শুধরে সেমিফাইনালে নেপাল–বাধা পেরোনোর ছক কষতেই ব্যস্ত বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।

দুর্ভাগ্য তাঁর, আইপিএল ট্রফিটা জিততে পারেননি।

ট্রফি দূরে, এবারের আইপিএলে ফাইনালেই উঠতে পারেনি তাঁর দল রাজস্থান রয়্যালস। তবে দলীয় ট্রফি জিততে না পারলেও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে এবার সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন বৈভব সূর্যবংশী। ১৫ বছর বয়সী এই কিশোর-প্রতিভা এবারের আইপিএলে একাই জিতেছেন ৫টি পুরস্কার।

পাঁচ পুরস্কারের মধ্যে অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছেন টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি রানের (৭৭৬) জন্য। সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন জিতেছেন দুর্দান্ত স্ট্রাইক রেটের (১৬ ইনিংসে ২৩৭.৩০) জন্য। আর টুর্নামেন্ট-সর্বোচ্চ ৭২ ছক্কার জন্য জিতেছেন সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন পুরস্কার।

এই তিনটির চেয়েও বড় দুটি পুরস্কার হচ্ছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় (এমভিপি) ও উদীয়মান সেরা খেলোয়াড় (বেস্ট ইমার্জিং প্লেয়ার)। সূর্যবংশীই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি একই মৌসুমে এমভিপি ও উদীয়মান খেলোয়াড়—দুই পুরস্কারই জিতেছেন।

টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ও এমভিপি দুটিই জিতেছেন সূর্যবংশী
টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ও এমভিপি দুটিই জিতেছেন সূর্যবংশী, এএফপি
 

এ ছাড়া ২০১১ সালে ক্রিস গেইলের পর এই কিশোরই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি একই মৌসুমে রান ও স্ট্রাইক রেটে শীর্ষে ছিলেন (অন্তত ২০ বল)। পুরো আসরে সূর্যবংশীর ৭২ ছক্কাও গেইলের রেকর্ড (৫৯টি) ভেঙে দিয়েছে।

তবে ব্যক্তিগতভাবে দুর্দান্ত খেলে দলকে প্লে-অফে তুললেও দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান হেরে যায় গুজরাটের কাছে। গতকাল আহমেদাবাদে ফাইনালে গুজরাটকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় আইপিএল শিরোপা জিতেছে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

ফাইনালে রাজস্থান না থাকলেও এককভাবে পাঁচটি পুরস্কার নিতে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে ওঠেন সূর্যবংশী। বিহারের এই কিশোরের কাছে এমভিপি হওয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বলেন, ‘ভালো লাগছে, তবে সাক্ষাৎকার দেওয়ার কারণে কিছুটা চাপও অনুভব করছি। আমার জন্য এটি একটি গর্বের মুহূর্ত। আগামী মৌসুমেও ভালো করার চেষ্টা করব।’ ম্যাচের প্রথম বল থেকেই বড় শট খেলার প্রবণতা নিয়ে সূর্যবংশীর ভাষ্য, ‘আমি আমার সহজাত খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। বল যদি মারার মতো পজিশনে থাকে, সেটির পুরো সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা থাকে। এভাবেই খেলি আমি।’

বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিল ছাড়ার আগে সমর্থকদের প্রত্যাশাই যেন বাড়িয়ে দিল কার্লো আনচেলত্তির দল। মারাকানায় বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে পানামাকে ৬-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ব্রাজিল। গোল করেছেন ৬ জন ভিন্ন খেলোয়াড়—ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কাসেমিরো, রায়ান, লুকাস পাকেতা, ইগর থিয়াগো ও দানিলো।

তবে এই বড় জয়ের রাতেও প্রথমার্ধের খেলা নিয়ে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন কোচ আনচেলত্তি। দ্বিতীয়ার্ধে একসঙ্গে ১০ খেলোয়াড় পরিবর্তনের পরই ব্রাজিলের খেলায় চেনা ছন্দ দেখা গেছে। ছয় গোলের চারটিই হয়েছে এ সময়েই।

মারাকানা স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে দ্বিতীয় মিনিটেই ব্রাজিলকে গোল এনে দেন ভিনিসিয়ুস। তবে ১৪তম মিনিটে সমতা ফেরায় পানামা। সেটি অবশ্য ফ্রি-কিক থেকে আসা বল ম্যাথিউস কুনহার গায়ে লেগে দিক পাল্টে যাওয়ার কারণে।

প্রথমার্ধে গোছানো ফুটবল খেলতে পারেনি ব্রাজিল
প্রথমার্ধে গোছানো ফুটবল খেলতে পারেনি ব্রাজিল, এএফপি
 

ম্যাচের প্রথমার্ধে আনচেলত্তি দল খেলিয়েছেন ৪-২-৪ ফরমেশনে, তাতে দুই মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমেরেস ও কাসেমিরোকে চাপের মধ্যে থাকতে হয়েছে। উইঙ্গারদের দূরপাল্লার পাস বা বাতাসে ভাসিয়ে আক্রমণ করার চেষ্টা খুব একটা কাজে দেয়নি এ সময়। নিচ থেকে আক্রমণও তেমন একটা গড়ে ওঠেনি। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে ভিনির দারুণ এক ক্রস থেকেই হেডে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন কাসেমিরো।

দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক গোল আসতে থাকে
দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক গোল আসতে থাকে, এএফপি
 

এ সময়েই গোল পান বোর্নমাউথ ফরোয়ার্ড রায়ান (৫৩ মিনিট), পাকেতা (৬০), থিয়াগো (৬৩)) ও দানিলো (৮১)। মাঝে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে পানামার কার্লোস হার্ভি একটি গোল শোধ করলেও তা শুধু ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত ৬-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।

ম্যাচ শেষে কোচ আনচেলত্তি উচ্ছ্বাস ও সংশয় দুটিই প্রকাশ করে বলেন, ‘ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ আমার মাথায় আরও বেশি সংশয় তৈরি করেছে। তবে এটি দলের জন্য ভালো, কারণ সুস্থ প্রতিযোগিতা ও ইতিবাচক সংশয় থাকাটা জরুরি।’

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি
ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি, এএফপি
 

৪-৩-৩ ফরমেশনে দলের ভালো খেলা কি বিশ্বকাপ কৌশলেও প্রভাব ফেলবে—এমন আলোচনায় এই ইতালিয়ান রসিকতা করে বলেন, ‘বিশ্বকাপের আগপর্যন্ত আমি কিছুটা রহস্য বজায় রাখতে চাই। কারণ, তা না হলে আমাদের কথা বলার মতো কিছু থাকবে না। এটি আপনাদের সবার (সাংবাদিকদের) জন্য সহায়ক হবে; কারণ, নেইমারের (দলে জায়গা পাওয়ার) বিষয়টি তো শেষ হয়ে গেছে। আমাদের যা করতে হবে, তা হলো কথা বলার মতো একটা ভালো বিষয় তৈরি করা, যাতে মানুষ উৎসুক হয়ে থাকে।’

দর্শকের করতালির জবাব দেন নেইমার
দর্শকের করতালির জবাব দেন নেইমার, এএফপি
 

এই ম্যাচের আগে ও পরে মাঠে নামেন নেইমার। পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে তাঁকে করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানায়। পুরোপুরি ফিট হয়ে না ওঠায় নেইমার যে প্রস্তুতি ম্যাচগুলোয় খেলতে পারবেন না, সেটি আগেই জানা গিয়েছিল।

ম্যাচ শেষে রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে কাটানোর জন্য ছুটি দেওয়া হয় খেলোয়াড়দের। বিকেলে পুরো দল একত্র হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানে চড়ার কথা রয়েছে। সেখানেই যোগ দেবেন শনিবার রাতে হাঙ্গেরিতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলা মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিরা।

আইপিএলের প্রথম ১৭ মৌসুমে একবারও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দুই মৌসুম পর সেই দলটির নামের আগে দুবারের চ্যাম্পিয়ন লিখতে হচ্ছে। গতবারের মতো এবারও যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টুয়েন্টি লিগ আইপিএল জিতেছে বেঙ্গালুরু।

আহমেদাবাদে আজ স্বাগতিক গুজরাট টাইটানসকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বেঙ্গালুরু। টসে হেরে ফিল্ডিং নিয়ে গুজরাটকে ১৫৫ রানে আটকে রাখেন কোহলিরা। রানটা ৫ উইকেট ও ১২ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে শিরোপা ধরে রাখে বেঙ্গালুরু।

গতবারের মতো এবারও ব্যাট হাতে বেঙ্গালুরুর হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেছেন বিরাট কোহলি। ব্যাটিং উদ্বোধন করা ভারতীয় তারকা ৪২ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ভেঙ্কটেশ আইয়ারের সঙ্গে তাঁর ২৭ বলের ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটিই জয়ের ভিত গড়ে দেয়।

ফিফটির পর বিরাট কোহলি
ফিফটির পর বিরাট কোহলি, এএফপি
 

আইয়ার ১৬ বলে ৩২ রান করে ফিরে যাওয়ার পর দেবদূত পাড়িক্কাল (১), অধিনায়ক রজত পাতিদার (১৫) ও ক্রুনাল পান্ডিয়া (১) অল্পতে ফিরে গেলেও কোহলি কারণেই ম্যাচের লাগাম ধরে রাখে বেঙ্গালুরু।

৩ উইকেট নিয়েছেন বেঙ্গালুরু পেসার রাসিখ সালাম (মাঝে)
৩ উইকেট নিয়েছেন বেঙ্গালুরু পেসার রাসিখ সালাম (মাঝে), এএফপি
 

বেঙ্গালুরু ১০ম ওভারে ৯১ রানে চতুর্থ উইকেট খোয়ানোর পর টিম ডেভিডকে নিয়ে ৪১ রান যোগ করেন কোহলি। ডেভিড করেছেন ১৭ বলে ২৪। এরপর জিতেশ শর্মাকে নিয়ে বাকি কাজটা সম্পন্ন করেন ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা মারা কোহলি।

এর আগে গুজরাটের ৮ উইকেটে ১৫৫ রানের ইনিংসে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫০ রান (৩৭ বল) করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। বেঙ্গালুুরুর ভারতীয় পেসার রাসিখ সালাম ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

ভারত ৩: ০ বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে ৩–০তে হারল বাংলাদেশ। ভারতের হয়ে গোল করেছেন পিয়ারি, লিন্ডা ও মালাভিকা।

পুরো ম্যাচেই বাংলাদেশ খেলেছে ছন্নছাড়া ফুটবল। নিজেরা সুযোগ তো নিতেই পারেনি, উল্টো ভারতকে সুযোগ দিয়েছে বারবার। এর ফলই ভারতের বিপক্ষে বড় হার।

এই হারে গ্রুপ ‘বি’ তে থেকে রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশকে সেমিফাইনালেই মুখোমুখি হতে হবে টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল নেপালের। সাফের গত ৭ আসরের মধ্যে ৬ বারই ফাইনাল খেলা নেপাল এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার।

এবার মালাভিকার গোল

মালাবিকা গোল করে ভারতকে ৩–০ তে এগিয়ে দিলেন।

ডান প্রান্ত থেকে একটি চমৎকার পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁতভাবে জালের ভেতরে পাঠিয়েছেন মালাভিকা।

আবার ভারতের গোল

পেনাল্টি থেকে ভারতকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিলেন লিন্ডা। ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের এটি ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক গোল।

ডি বক্সে সুরমা জান্নাত মালাবিকাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ভারত।

মিলির দারুণ সেভ

বদলি হিসেবে নেমেছেন লিন্ডা। মাঠে নেমেই ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় একটি থ্রু বল পেয়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন, কিন্তু মিলি দারুণভাবে বলটি সেভ করেছেন।

আবার সুযোগ নষ্ট

৫৭ মিনিটে ঋতুপর্ণা পিয়ারিকে কাটিয়ে ভেতরে ঢুকে একটি ক্রস বাড়িয়েছিলেন, কিন্তু বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ই এর সুবিধা নিতে পারেননি।

এবার মালাভিকার গোল

মালাবিকা গোল করে ভারতকে ৩–০ তে এগিয়ে দিলেন।

ডান প্রান্ত থেকে একটি চমৎকার পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁতভাবে জালের ভেতরে পাঠিয়েছেন মালাভিকা।

আবার ভারতের গোল

পেনাল্টি থেকে ভারতকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিলেন লিন্ডা। ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের এটি ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক গোল।

ডি বক্সে সুরমা জান্নাত মালবিকাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ভারত।

মিলির দারুণ সেভ

বদলি হিসেবে নেমেছেন লিন্ডা। মাঠে নেমেই ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় একটি থ্রু বল পেয়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন, কিন্তু মিলি দারুণভাবে বলটি সেভ করেছেন।

আবার সুযোগ নষ্ট

৫৭ মিনিটে ঋতুপর্ণা পিয়ারিকে কাটিয়ে ভেতরে ঢুকে একটি ক্রস বাড়িয়েছিলেন, কিন্তু বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ই এর সুবিধা নিতে পারেননি।

ভারত ১ : ০ বাংলাদেশ

প্রথমার্ধে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। দেখা গেছে ভুল পাসের ছড়াছড়ি। ম্যাচের একেবারের শুরুর দিকে একটা ভালো সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে আনিকা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। এরপর প্রথমার্ধের বাকি গল্পটা ভারতের।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে গোল করেন পিয়ারি। এর ৯ মিনিট আগে তিনি একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেছিলেন। নইলে বাংলাদেশ ২–০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকতে পারত!

গোল...

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ভারতের হয়ে প্রথম গোল করলেন পিয়ারি।

নিজের শরীরটাকে চমৎকারভাবে ঘুরিয়ে পোস্টের কোনা দিয়ে বলটিকে নিখুঁতভাবে জালে জড়িয়েছেন তিনি। ভারতের হয়ে এটি তাঁর ২০তম গোল।

দ্বিতীয় ও শেষ গ্রুপ ম্যাচে আজ রাত আটটায় মাঠে নামছে গত দুবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। সাফ নারী ফুটবলের বড় ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে খেলবেন লাল-সবুজের মেয়েরা। আর ভারতের বিপক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের জন্য একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছেন কোচ পিটার বাটলার।

এই প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন ডিফেন্ডার আফঈদা খন্দকার। কদিন আগেও তিনি ছিলেন দলের অধিনায়ক। তাঁর জায়গায় রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুরমা জান্নাতকে।

অন্যদিকে চোটের কারণে আগের ম্যাচ মিস করা মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা সুস্থ হয়ে ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে একাদশে ফিরেছেন।

তাঁর অন্তর্ভুক্তিতে দল থেকে বাদ পড়েছেন উমেলাহ মারমা। তবে শিউলি আজিমকে আজও শুরুর একাদশের বাইরেই রেখেছেন কোচ বাটলার। গ্রুপ সেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নতুন এই কৌশল ও একাদশ নিয়ে নামছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের একাদশ: মিলি আক্তার, সুরমা জান্নাত, কোহাতি কিসকু, মৌমিতা খাতুন, মনিকা চাকমা, সুরভী আক্তার আফরিন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও আনিকা রানিয়া সিদ্দিকা।

মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম যেন নেপালের সমর্থকদের উল্লাসে জেগে উঠেছিল! গ্যালারি মাতানো গোয়ায় বসবাসকারী একঝাঁক নেপালি সমর্থক ভুভুজেলা বাজিয়ে ম্যাচজুড়ে সুরের ঝড় তুললেন, আর সেই চাঙা শক্তিতে মাঠ মাতাল তাদের মেয়েরা।

নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া লিগে সর্বশেষ খেলা নিজেদের সেরা তারকা সাবিত্রা ভান্ডারি এই টুর্নামেন্টে আসেননি চোটের কারণে। তাঁকে ছাড়াই প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল তারা।

আজ দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে নেপাল। ফলে টানা দুই জয়ে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই অষ্টম নারী সাফের সেমিফাইনালে পা রাখল হিমালয়ের দেশটি।

অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে নেপালের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভুটান। শ্রীলঙ্কাকে ৪-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়ে এক জয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে রানার্সআপ হিসেবে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে তারা। আর টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল শ্রীলঙ্কা।

এদিকে টুর্নামেন্টের ‘বি’ গ্রুপে আজই নির্ধারিত হতে যাচ্ছে সেরা কারা। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে আজ রাত আটটায় মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ও ভারত। সমীকরণের হিসাবে, ম্যাচটি ড্র হলে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ভারত হবে গ্রুপ সেরা, আর রানার্সআপ হয়ে মাঠ ছাড়বে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ রানার্সআপ হলে সেমিফাইনালেই মুখোমুখি হতে হবে টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল নেপালের। সাফের গত ৭ আসরের মধ্যে ৬ বারই ফাইনাল খেলা নেপাল এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার।

অবশ্য সাফের গত দুই আসরে এই নেপালকে তাদেরই ঘরের মাঠে স্তব্ধ করে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতি আছে বাংলাদেশের!

আসন্ন সেমিফাইনাল আগেই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ম্যাচটি হয়তো কেবলই নিয়ম রক্ষার, তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে লড়াই বলে কথা। জয় দিয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।

রবিবার (৩১ মে) হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে আসরের শেষ চারে জায়গা করে নেয় মারিয়ারা।

ভারতের গোয়ার পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় এই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটি শুরু হবে।

ম্যাচকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের নিবিড় প্রস্তুতি সেরে নিয়েছেন সাবিনা-রূপনারা। সকালে গোয়ার ডন বস্কো ট্রেনিং গ্রাউন্ডে প্রায় দেড় ঘণ্টা ঘাম ঝরিয়েছে দল। সেখানে ওয়ার্ম-আপ ও পাসিং ড্রিলের পর, পজেশন হোল্ড এবং ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ম্যাচ সিনারিও প্র্যাকটিস করেন ফুটবলাররা।

অনুশীলনের শেষভাগে এসে প্রধান কোচ পিটার বাটলারের মূল মনোযোগ ছিল ট্যাকটিক্যাল পজিশনিং ও সেট-পিস কৌশলের ওপর। স্বস্তির খবর হচ্ছে, স্কোয়াডের সবাই পুরোপুরি ফিট আছেন। ফলে ভারতের বিপক্ষে আজ পূর্ণশক্তির দলই মাঠে নামাতে পারছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দলের কোচ পিটার বাটলার বলেন, আমরা এখন একটি সম্পূর্ণ আলাদা দল এবং অনেক ভালো ফুটবল খেলছি। আমাদের দলে কিছু প্রকৃত ম্যাচ উইনার আছে। ভারতের যদি আক্রমণ করার মানসিকতা থাকে, তবে আমাদেরও তা আছে। আমরা যেমন প্রয়োজনবোধে রক্ষণভাগ সামলাতে জানি, তেমনি গোল করার সুযোগও তৈরি করতে পারি।

 

পিএসজি ১–১ আর্সেনাল (টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে জয়ী পিএসজি)

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালও যে ৯০ মিনিটের বেশি সময় ধরে হতে পারে, সেটি এত দিনে হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অনেকে। সেই ২০১৬ সালে মিলানে রিয়াল মাদ্রিদ-আতলেতিকো মাদ্রিদের ফাইনাল অতিরিক্ত আধা ঘণ্টা পেরিয়ে টাইব্রেকারে গিয়ে শেষ হয়েছিল।

এক দশক পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল আজ আবারও দেখল ৯০ মিনিট পার হতে, দেখল টাইব্রেকারও। বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় পিএসজি-আর্সেনালের এই স্নায়ু পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত জিতেছে ফরাসি ক্লাবটি। আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে পিএসজি।

টাইব্রেকারে শেষ শটে পিএসজির লুকাস বেরালদো জাল খুঁজে পেলেও আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস মেরে দেন বারের ওপর দিয়ে। তাতেই রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার কীর্তি গড়ে প্যারিসের ক্লাবটি।

শিরোপা ধরে রাখতে বেশ ঘামই ঝরাতে হয়েছে পিএসজিকে। ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের। ষষ্ঠ মিনিটে মারকিনিওসের ক্লিয়ারেন্স লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের গায়ে লেগে কাই হাভার্টজের সামনে চলে আসে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জার্মান ফরোয়ার্ড গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পিএসজি গোলকিপার মাতবে সাপোনভ তাঁর মাথার ওপর দিয়ে বুলেট গতিতে যাওয়া বলটি ধরার সুযোগই পাননি।

কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল
কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনালএএফপি

পিএসজি এই ম্যাচে মাঠে নেমেছিল গত বছরের ফাইনাল শুরু করা ১০ জন নিয়েই। যে একটি পরিবর্তন, সেটি এই সাপোনভই। এক বছর আগে এই মঞ্চে শিরোপাজয়ের অভিজ্ঞতা আছে বলেই হয়তো পিএসজি শুরুতে গোল হজম করলেও আড়ষ্ট হয়ে যায়নি; বরং গোলের পর আর্সেনাল অনেকটা নিচে নেমে রক্ষণ সামলানোয় বেশি মনোযোগ দিলে আক্রমণের ধার বাড়ান উসমান দেম্বেলে, ফ্যাবিয়ান রুইস, দিজিয়ের দুয়েরা। যদিও গোলের প্রবল সম্ভাবনা জাগাতে পারেননি, দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্টই থেকে গেছে।

প্রথমার্ধের বিরতির আগে হাভার্টজ আর্সেনালকে দ্বিতীয় গোলও এনে দিচ্ছিলেন প্রায়, সেটি হয়নি মারকিনিওসের দৃঢ়তায়।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দিন শুধু রিয়াল মাদ্রিদেরই টানা দুটি শিরোপা (মূলত হ্যাটট্রিক) জেতার কীর্তি ছিল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে পিএসজির লক্ষ্য ছিল সময় নষ্ট করার। বিরতি শেষে ইংলিশ ক্লাবটি মাঠে ফেরে পিএসজির দুই মিনিট পর। খেলা শুরু হওয়ার পর সময় নষ্ট করার কারণে হলুদ কার্ডও দেখেন ক্রিস্টিয়ান মস্কেরা। ৬৫ মিনিটে স্প্যানিশ এই রাইটব্যাকই সুযোগ করে দেন পিএসজিকে ম্যাচে ফেরার। বল নিয়ে বক্সে ঢোকা খিচা কাভারাস্কেইয়াকে মস্কেরা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। দেম্বেলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইনে সমতা আনতে ভুল করেননি (১-১)।

পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে
পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলেএএফপি

এরপর ম্যাচে পিএসজির নিয়ন্ত্রণ শুধু বেড়েছেই। কাভারাস্কেইয়ার একটি শট পোস্টে লাগে, বারকোলা দুটি সহজ সুযোগ নষ্টও করেন। তবে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এই আধা ঘণ্টার খেলায় অবশ্য আর্সেনালও সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। টিম্বার ও গিওকেরেস সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল গড়ায় টাইব্রেকারে।

আর্সেনালের দ্বিতীয় শট নিতে যাওয়া এবেরেচি এজের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পরপরই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট ঠেকিয়ে দেন দাভিড রায়া। ৪ শট শেষে তাই টাইব্রেকার ফলও থাকে সমতায়। তবে শেষ শটে আর সমতা রাখতে পারেনি আর্সেনাল। ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক মাগালাইসের বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে উৎসব শুরু হয়ে যায় পিএসজি শিবিরে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দিন শুধু রিয়াল মাদ্রিদেরই টানা দুটি শিরোপা (মূলত হ্যাটট্রিক) জেতার কীর্তি ছিল। ২০২৫ সালের আগপর্যন্ত একটি শিরোপার জন্য অপেক্ষায় থাকা পিএসজি এবার টানা ট্রফি জিতে নাম লেখাল রিয়ালেরই পাশে।

পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটি ছিল বিশেষ মাইলফলকের। এক হাজারতম ওয়ানডে বলে কথা! এই মাইলফলকের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান।

৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ২০১ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাবর আজম ও গাজি ঘুরির ফিফটিতে ৪২.৩ ওভারে এই রান তাড়া করেছে পাকিস্তান।

যদিও এ দুজন নয়, হাজারতম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের মূল নায়ক অভিষিক্ত আরাফাত মিনহাস। রাওয়ালপিন্ডিতে ওয়ানডে অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই বাঁহাতি স্পিনার। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে যা প্রথম। ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে তিনি আউট করেছেন জশ ইংলিশ, মারনাস লাবুশেন, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথু শর্ট ও নাথান এলিসকে।

৫ উইকেট নিয়েছেন মিনহাস
৫ উইকেট নিয়েছেন মিনহাসএএফপি

রান তাড়ায় ৪৯ রানে ২ উইকেট হারালেও বাবর ও ঘুরি তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১২৭ রান তুললে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। বাবর আউট হয়েছেন ৬৯ রানে, ঘুরি ৬৫ রানে। দুজনকেই আউট করেছেন এলিস। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ২ জুন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

অস্ট্রেলিয়া: ৪৪.১ ওভারে ২০০ (রেনশ ৬১, শর্ট ৫৫; মিনহাস ৫/৩২)। পাকিস্তান: ৪২.৩ ওভারে ২০২/৫ (বাবর ৬৯, ঘুরি; এলিস ২/৪৫)। ফল: পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: আরাফাত মিনহাস