নাজমুল হোসেনকে কেন বুঝিয়ে–সুঝিয়ে টেস্টের অধিনায়কত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা এখন বোঝা যাচ্ছে। মুখের যুক্তি নয়, পরিসংখ্যানই কথা বলছে নাজমুলের হয়ে।

পরিসংখ্যানে যাওয়ার আগে নাজমুলের টেস্ট অধিনায়কত্বের ইতিবৃত্তটা একবার বলতে হয়। ২০২৪ সালে তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাজমুল। টি–টুয়েন্টিতে রানখরায় ভোগায় গত বছরের শুরুতে এ সংস্করণে অধিনায়কত্ব ছাড়েন। সে বছর জুনে নাজমুলকে ওয়ানডের অধিনায়কত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর অনেকটা অভিমান থেকে টেস্টের অধিনায়কত্বও ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন নাজমুল।

গত বছর নভেম্বরে টেস্ট অধিনায়কত্বে ফেরেন নাজমুল। এর পেছনের কারণ হিসেবে তখন জানা গিয়েছিল, শুরুতে অধিনায়কত্ব নিতে রাজি ছিলেন না নাজমুল। পরে এক পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে রাজি করানোর জন্য। শেষ পর্যন্ত নাজমুলও তাতে রাজি হন। এরপর তাঁর অধিনায়কত্বে ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ ২–০ ব্যবধানে জেতে বাংলাদেশ। এরপর পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজেও একই ব্যবধানে ধবলধোলাই করে নাজমুলের দল।

সেই নাজমুল এখন টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক।

 
সিলেট টেস্টটা অধিনায়ক হিসেবে নাজমুলের অষ্টম জয়। মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ভাঙলেন নাজমুল। ২০১১ থেকে ২০১৭—এ সময়ের মধ্যে ৩৪ টেস্টে অধিনায়কত্ব করে ৭ ম্যাচ জিতেছিলেন অধিনায়ক মুশফিক। নাজমুল ২০২৩ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অধিনায়ক হিসেবে এ সংস্করণে ১৮ ম্যাচে ৮ জয় পেয়েছেন। বাংলাদেশ দলের আর কোনো অধিনায়ক এত টেস্ট জিততে পারেননি। মুশফিকের চেয়ে ১৬ ম্যাচ কম খেলেই তাঁকে ছাড়িয়ে গেলেন নাজমুল। ১৯ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে এ তালিকায় তৃতীয় সাকিব আল হাসান।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব