• Colors: Blue Color

ইরানে হামলা বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, মস্কো এমন পদক্ষেপের জন্য চাপ দিচ্ছে যা উত্তেজনা কমাতে পারে এবং দ্বন্দ্বকে কূটনৈতিক পথে ফিরিয়ে আনতে পারে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, পুরো অঞ্চলের মানবিক পরিস্থিতি দুঃসহ হয়ে উঠেছে। চলমান যুদ্ধ দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।

সূত্র: আল–জাজিরা।

উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও অতিরিক্ত উৎপাদন করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তে অন্য ১৫ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের নাম আসাটা অস্বস্তির বলে মন্তব্য করেছেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। আজ দুপুরে সকালে তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের নাম আসার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

পোশাকমালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ খান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি পড়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, ১৬ দেশের কোথাও অন্যায্য চর্চা, শ্রম অধিকার লঙ্ঘন, পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে প্রণোদনা প্রদান এবং মেধাস্বত্বের লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটছে কি না, সেসব খতিয়ে দেখতে তারা শুনানি করবে। এমন অভিযোগের প্রমাণ পেলে হয়তো তারা বাড়তি শুল্ক বসাতে পারে।’

মাহমুদ হাসান খান আরও বলেন, তদন্তের তালিকায় বাংলাদেশের নাম আসাটা অস্বস্তির। তবে আমি এতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখছি না। তার কারণ, বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদনে মেধাস্বত্বের চর্চা এখনো সীমিত। মার্কিন ব্র্যান্ডের পণ্যের বাজারও খুবই ছোট। শ্রম অধিকারের ইস্যু ইতিমধ্যে আমরা মীমাংসা করেছি। পণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনাও খুবই অল্প। কৃষিতে প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন আসতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই কৃষিতে প্রণোদনা দেয়। আর আমাদের সরকার তো শুধু সারে প্রণোদনা দিয়ে থাকে।’

মাহমুদ হাসান খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো নিজেদের স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় থেকে এমন তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা বাজার বিশ্বের সবচেয়ে বড়। তবে তদন্তে বাংলাদেশের নাম আসাটা যৌক্তিক নয়। তার কারণ, দেশটিতে আমাদের রপ্তানির বড় অংশই তৈরি পোশাক। আর আমরা যেসব তৈরি পোশাক উৎপাদন করি, সেগুলো মার্কিন ব্যবসায়ীরা কখনোই করবেন না।

বিজিএমইএর সভাপতি আরও বলেন, যেহেতু তদন্তে বাংলাদেশের নাম এসেছে, সেহেতু সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অগ্রিম যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। যেন আমরা ভালোভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করতে পারি।

উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও অতিরিক্ত উৎপাদন করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বুধবার এ তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেন। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ নম্বর ধারা অনুযায়ী এ তদন্ত করা হবে।

তদন্তে যে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে, তা হলো সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নীতি, পদক্ষেপ বা উৎপাদনকাঠামো যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক কি না এবং সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি না।

বাংলাদেশসহ আরও যে ১৫টি দেশের বিরুদ্ধে এ তদন্ত করা হবে, সেই দেশগুলো হলো চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, মেক্সিকো, জাপান ও ভারত।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলা তাঁর দেশের যুদ্ধ বন্ধে তিনটি শর্ত দিয়েছেন।

শর্তগুলো হলো, তেহরানের নায্য অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ (ক্ষতিপূরণ প্রদান) এবং ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা হবে না—আন্তর্জাতিক মহল থেকে এমন দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান।

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা

ভারত–নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। জম্মুতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে হামলার শিকার হন তিনি। খুব কাছে থেকে তাঁকে গুলি করা হয়েছিল।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জম্মুর গ্রেটার কৈলাশ এলাকার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে তাঁর ওপর গুলি চালানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ফারুক আবদুল্লাহ যখন গ্রেটার কৈলাশের রয়্যাল পার্কে অনুষ্ঠিত বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তখনই তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়।

ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারী খুব কাছ থেকে গুলি করার চেষ্টা করেন। তিনি কাশ্মীরের এই প্রবীণ নেতার কয়েক কদম পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তাঁর কাঁধ বরাবর হাত তুলে অস্ত্র তাক করেছিলেন। তিনি গুলিও ছোড়েন। তবে নিরাপত্তায় নিয়োজিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) কমান্ডোরা দ্রুত ধাক্কা দিলে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় গুলি। এ ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পান তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীর নাম কমল সিং জামওয়াল। ঘটনাস্থলেই তাঁকে আটক করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আটক হওয়ার পর উপস্থিত কিছু মানুষ তাঁকে মারধর করছেন।

গ্রেপ্তারের পর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি নিজেকে জম্মুর পুরানাস মান্ডি এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। প্রায় ৬৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি নাকি কোনো অনুতাপও প্রকাশ করেননি। বরং তিনি দাবি করেছেন, গত ২০ বছরে তিনি এমন একটি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন।

এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তিনি এটিকে তাঁর ৮৮ বছর বয়সী বাবা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ‘হত্যাচেষ্টা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ওমর আবদুল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ দয়ালু। আমার বাবা অল্পের জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন। এখনো বিস্তারিত তথ্য পরিষ্কার নয়। তবে জানা গেছে, একজন ব্যক্তি লোড করা পিস্তল নিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি ছোড়ার সুযোগ পেয়েছিল।’

ওমর আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা দলের সদস্যরা দ্রুত তৎপর হয়ে গুলির দিক পরিবর্তন করে দেন। এর ফলে হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তবে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি, বিশেষ করে কীভাবে একজন ব্যক্তি এত কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারল, যখন একজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে জেড-প্লাস নিরাপত্তা দিচ্ছে এনএসজি।’

ঘটনার সময় ফারুক আবদুল্লাহর সঙ্গে ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধুরী, ও মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাসির সোগামি।

নাসির সোগামি বলেন, এটি স্পষ্টতই ফরুক আবদুল্লাহকে হত্যার চেষ্টা ছিল। তবে সৌভাগ্যক্রমে গুলিতে কেউ আহত হননি। হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল বা নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনাল ও রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্তসংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ, ডিবি, সোয়াট, ডগ স্কোয়াড ও অশ্বারোহী পুলিশ মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার।

বুধবার (১১ মার্চ) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ঈদ উদযাপনে ডিএমপির নিরাপত্তা সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। পুলিশের গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও নিরাপত্তা সচেতনতাবোধ তৈরি হতে হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদ উদযাপনকে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রতিটি সরকারি সংস্থাকে আগের চেয়ে আরও বেশি মনোযোগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনাল ও রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্তসংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ, ডিবি, সোয়াট, ডগ স্কোয়াড ও অশ্বারোহী পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ইদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য নিরলসভাবে কাজ করছেন। সবার সম্মিলিত সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করতে পারলে ঈদযাত্রার নানা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থার ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের নামাজকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম যেন আরও জোরদারভাবে চালানো হয়।

মো. সরওয়ার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের জোরালো তৎপরতার ফলে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। পুলিশের সক্রিয় অভিযানের কারণে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ অনেকাংশে কমে এসেছে।

সমন্বয় সভায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের প্রতিনিধি, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশন, বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি, বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, লঞ্চ শ্রমিক সমিতি, বিকেএমইএ, বিজিএমইএ, জিএমপি, বিআইডব্লিউটিএ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাস মালিক সমিতি, লঞ্চ মালিক সমিতি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থা ও সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

ইরাকের জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় দেশটির সব কয়টি জ্বালানি বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক বন্দরগুলোর কার্যক্রম আগের মতোই সচল রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ইরাকের একজন সরকারি কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইরাকের জেনারেল কোম্পানি ফর পোর্টসের প্রধান ফারহান আল-ফারতুসি ‘আল-ইরাকিয়া নিউজ’কে জানান, ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় একজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া ওই ঘটনায় ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ জানিয়েছে। নিখোঁজ অন্যদের সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।

এর আগে ইরাকি বন্দর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছিল, ইরাকি জ্বালানি তেলবাহী দুটি বিদেশি ট্যাংকারে বিস্ফোরকবোঝাই বোটের সাহায্যে হামলা চালানো হয়েছে। এতে ট্যাংকার দুটিতে আগুন ধরে যায়।

আইএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী আল-ফারতুসি বলেন, একটি ট্যাংকারে জ্বালানি পণ্য ভরার কাজ চলার সময় সেটি হামলার শিকার হয়। তিনি আরও জানান, আক্রান্ত ছোট ট্যাংকারগুলোর একটি মাল্টার পতাকাবাহী ছিল। জাহাজটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে এটি সরাসরি হামলা নাকি দূরনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকবাহী বোটের (সুইসাইড বোট) মাধ্যমে ঘটানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

আল-ফারতুসি জানান, আক্রান্ত হওয়ার সময় ট্যাংকারগুলো ইরাকি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ মাইল বা ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

ইরাকি সরকারের মিডিয়া সেল আইএনএকে জানিয়েছে, দুটি ট্যাংকারই নাশকতামূলক হামলার শিকার হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব