এটাই শেষ বিশ্বকাপ এমনটাই জানিয়ে রেখেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বিদায়ের আগে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্নটা পূরণ হলো না তার। দলের যাত্রাটা যে শেষ হয়ে গেল শেষ ষোলতেই! স্পেনের কাছে ১-০ গোলের হারে বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে তার দল পর্তুগালের। আর ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্প্যানিশরা তাতে চলে গেল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।
ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন মিকেল মেরিনো। এই হারে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে।
ম্যাচের ৮ মিনিটে বড় একটা সুযোগ নষ্ট করে স্পেন। দানি অলমোর দারুণ থ্রু বল পেয়ে যান মিকেল ওইয়েরজাবাল। সামনে ছিলেন শুধু গোলরক্ষক। কিন্তু তার শট চলে যায় গোলের বাইরে দিয়ে।
১২ মিনিটে সুযোগ পান রোনালদোও। বক্সের ডান পাশে ফাঁকায় বল পেয়ে জোরালো শট নেন তিনি। তবে সেটা সহজেই ঠেকিয়ে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন।
১৬ মিনিটে জোড়া সেভ করে দলকে বাঁচান পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা। প্রথমে ইয়ামালের শট ঠেকান তিনি। এরপর ফিরতি বলে বায়েনার শটও ঠেকিয়ে দেন কস্তা।
প্রথমার্ধে আরও একটি বড় সুযোগ পায় পর্তুগাল। জোয়াও ফেলিক্সের পাস থেকে বাইসাইকেল কিক করেন রোনালদো। পোস্ট ছিল প্রায় ফাঁকা। কিন্তু ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই শট ঠেকিয়ে দেন উনাই সিমন। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে।
দ্বিতীয়ার্ধে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন নুনো মেন্দেস। বল গোলের দিকে যাচ্ছিল, তবে শেষ মুহূর্তে তা ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৫৫ মিনিটের দিকে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় নুনো মেন্দেসকে। এতে বড় ধাক্কা খায় পর্তুগাল।
৭২ মিনিটে বক্সের ডান পাশে ফ্রি কিক পায় স্পেন। সেখান থেকে ইয়ামালের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন কস্তা। এরপর ৯০ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল করে বসেন মিকেল মেরিনো। তরেসের বাড়ানো বল থেকে নিচু ও জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি।
যোগ করা সময়ে বের্নার্দো সিলভার হেডার সমতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে বল চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে জিতে বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নেয় স্পেন। বিদায় নিতে হয় রোনালদোর পর্তুগালকে।