প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন– ঋণ নয়, এখন থেকে বিনিয়োগে গুরুত্ব দেবে সরকার।

সোমবার (১৬ মার্চ) চীন ও ভারতের রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অতীতের সরকার জ্বালানি বিষয়ে যেসব চুক্তি করেছিল, সেসব অসম চুক্তি ছিল। ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সাথে জ্বালানি বিষয়ক লাভজনক চুক্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, চীন ও ভারতের সঙ্গে ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের সংস্কৃতি চালু করতে চায় সরকার।

তিনি আরও বলেন, ভারতের আধার কার্ডের অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশেও 'ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড' চালু করার বিষয়ে চিন্তা করছে সরকার।

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। মার্চের প্রথম দিন থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত ২২ দিনে বন্দরে মোট ২৫টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস করা হয়েছে। এ ছাড়া সমুদ্রপথে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে আরও দুটি জ্বালানিবাহী বিশাল জাহাজ।রোববার (২২ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। 

তিনি জানান, মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত মোট ২৫টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ওমান থেকে আসা একটি জাহাজে এলপিজি গ্যাস খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া থাইল্যান্ড থেকে বেস অয়েল নিয়ে আসা একটি জাহাজ বহির্নোঙরে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।


বন্দরের কর্মকর্তারা জানায়, বর্তমানে বিক বরনহলম এবং মর্নিং জেন নামের দুটি জাহাজ বন্দরের পথে রয়েছে। জাহাজ দুটি ২৫ মার্চের মধ্যে বন্দরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে ওমান থেকে আসা এলপিজি সেভান জাহাজে গ্যাস খালাস চলছে। অন্যদিকে থাইল্যান্ড থেকে বেস অয়েল নিয়ে আসা এবি অলিভিয়া জাহাজটি বহির্নোঙরের ব্রাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।

 

দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে সোনা ও রুপার দাম। সর্বশেষ সমন্বয় অনুযায়ী মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে এই দুই মূল্যবান ধাতু।

গত ১৯ মার্চ বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। একই দিন বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে এ দাম কার্যকর হয়।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায়।

এর আগে একই দিনে সকালে সোনার দাম সমন্বয় করে ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমানো হয়েছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৫ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৯ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়, যা আগের তুলনায় ৩৫০ টাকা কম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বার বেড়েছে এবং ১৩ বার কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহের প্রভাবেই দেশে সোনা ও রুপার দামে এই পরিবর্তন হচ্ছে।

 

টানা ১০ দিন ধরে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি কমেছে। ইকোনমিক টাইমসের সংবাদে বলা হয়েছে, মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে যাওয়া এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমছে।

আজ সকালে নিউইয়র্কের বাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৫২ ডলার ৪৯ সেন্ট বা ১ দশমিক ১৯শতাংশ কমেছে। ফলে বিশ্ববাজারে এখন সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৩৪৭ ডলার। গত ৩০ দিনে সোনার দাম কমেছে ৮০১ ডলার ৪৭ সেন্ট বা ১৫ দশমিক ৪০ শতাংশ।

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে। জানুয়ারিতে সোনার দাম যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল, সেখান থেকে এখন তা প্রায় ২২ শতাংশ কম।

সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সোনা নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্বল্প থেকে মধ্য মেয়াদে ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সুদহার বাড়তি থাকবে—এমন প্রত্যাশা জোরালো হচ্ছে। ফেডারেল রিজার্ভসহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন অবস্থান সোনার বাজারে চাপ তৈরি করছে। সোনার থেকে সুদ বা সরাসরি আয় হয় না, সে কারণে ফেডের নীতি সুদহারের সঙ্গে সোনার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগ কমিয়ে আনায় স্বল্প মেয়াদে সোনার দামে তীব্র ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে। সেই সঙ্গে নিকট ভবিষ্যতে ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার কমাবে—এমন প্রত্যাশা কমছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও চাপ তৈরি হয়েছে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে মূল্য সংরক্ষণের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে সোনার গুরুত্ব আবারও বাড়তে পারে বলে তাঁদের ধারণা।

এদিকে গতকাল দিনের শুরুতেই সোনার দাম চার মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে—আউন্স প্রতি দাম কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৯৮ ডলার। পরে অবশ্য দাম বেড়ে যায়। একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণভোক্তা দেশ চীনের শেয়ারবাজারে এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দরপতন হয়। চীনের বাজারও শেষমেশ ঘুরে দাঁড়ায়।

গতকাল সোনার দামে বড় ধরনের পতনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণায় সোনার দাম ঘুরে দাঁড়ায়। ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে—ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর সোনার দাম আংশিকভাবে ঘুরে দাঁড়ায়।

কী হচ্ছে সোনার বাজারে

বিশ্ববাজারে সোনার দাম গত বছর ৭০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত ২৬ জানুয়ারি সোনার দাম আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। এর পর থেকে সোনার দাম আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার ডলারের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছিল। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যদ্বাণী ছিল, চলতি বছর সোনার দাম ছয় হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
সাধারণত অর্থনৈতিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সোনার দিকে ঝোঁকেন। ফলে সোনার মূল্য দ্রুত বেড়ে যায়। বিশ্বব্যাপী সংঘাতের সময় এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর সোনার দাম দ্রুত বেড়ে যায়। প্যারিসভিত্তিক ফরাসি আন্তর্জাতিক ও কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের অর্থনীতিবিদ রেমি বুরজো বলেন, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। এতে সোনার বাজারের গতিপথই বদলে যায়।

চীনসহ কয়েকটি দেশ ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে ব্যাপকহারে সোনা কেনা শুরু করে। এতে সোনার দাম বাড়তে শুরু করে। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের সময় সোনার বাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

ডলারের শক্তি বাড়ছে

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের মধ্যে মার্কিন ডলারের দাম বাড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হচ্ছে। আজ শূন্য দশশিক ২ শতাংশ বেড়ে ৯৯ দশমিক ৩৮৭-এ উঠেছে। খবর রয়টার্সের

সামগ্রিকভাবে মার্চ মাসে ডলার ইনডেক্সের মান ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। অক্টোবরের পর এটাই ডলার ইনডেক্সের মাসিক সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বেড়েছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, ফেড আপাতত সুদহার কমাবে না।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, একদিকে তেলের দাম বাড়তি, আরেক দিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির সমাধান দেখা যাচ্ছে না; এই পরিস্থিতিতে ডলারের পালে যে হাওয়া লেগেছে, তা আগের মতোই থাকবে। যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত না থাকলে এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। এদিকে এশিয়ার বাজারে দুই বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদহার আজ ৭ দশমিক ৭ ভিত্তি পয়েন্ট বেড়েছে। ফলে ডলার আরও শক্তিশালী হবে।

এ বছর সোনা ঐতিহাসিক গড়ের তুলনায় অনেক বেশি দামে লেনদেন হচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। ফলে যুদ্ধের মধ্যে সোনার দাম বাড়ছে না। সেই সঙ্গে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় সোনার দাম এখন কমছে।

বিষয়টি হলো, যেহেতু সোনার লেনদেন ডলারে হয়, সেহেতু ডলার শক্তিশালী হলে সোনার মূল্যবৃদ্ধি কঠিন হয়ে পড়ে। সোনার দাম যে টানা ১০ দিন ধরে কমছে, এটাই তার মূল কারণ।

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে থাকলে সোনা আবারও বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। তবে আপাতত সোনার বাজারে বড় ধরনের উত্থানের স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই বলেই মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করতে তদারকি জোরদার করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। 

এতে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসভিত্তিক একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং পরবর্তী সময়ের সব প্রতিবেদনও একই নিয়মে দাখিল করতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের তদারকি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ইতোমধ্যে সুপারভিশন কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন (রিস্ক বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থায় সব ব্যাংককে একভাবে না দেখে যেসব ব্যাংকে ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানো হবে। এতে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা ও অনিয়ম আগেভাগেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা; বিশেষ করে ঋণঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। একইসঙ্গে এ ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব