চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতারকৃত মনির হোসেন। আর ভুক্তভোগীর শিশুর ডিএনএ সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) গ্রেফতার আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করে আদালত।
এর আগে, ধর্ষণের অভিযোগে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করে। পুলিশের কাজে বাধার ঘটনায় আটক সাতজনের বিরুদ্ধেও চলছে মামলার প্রস্তুতি।
এদিকে, ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেলের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে। চিকিৎসকরা জানান, শিশুটি এখন শঙ্কামুক্ত।
চমেকের পরিচালক ব্রি. জেনারেল তসলিম উদ্দিন বলেন, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে তখন বোঝা যাবে, এটা রেইপ কেস কিনা। তবে ফলাফল আসতে এখনও প্রায় ১ মাসের মতো অপেক্ষা করতে হবে।
অন্যদিকে, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হোসাইন মো. কবির ভূইয়া বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিকভাবে দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বাকুলিয়া থানায় মামলা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মনিরকে আটক করে নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয়দের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয। একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুনও দেওয়া হয়। রাতভর পুলিশের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষের পর আজ সকালে অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল এলাকার পরিবেশ। তবে নিপীড়কের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।