Sidebar

×

Top menu

  • বাড়ি
  • সম্পর্কে
  • ব্লগ
  • যোগাযোগ
  • ভিডিও
  • গ্যালারি

প্রধান মেনু

  • আন্তর্জাতিক
  • জাতীয়
  • বানিজ্য
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • সমস্ত বিভাগ ব্রাউজ করুন
  • চাকরির খবর
  • বাড়ি
  • সম্পর্কে
  • ব্লগ
  • যোগাযোগ
  • ভিডিও
  • গ্যালারি
  • empty
  • empty
  • empty
  • empty
FI TV FI TV
ব্যানার

ব্রেকিং নিউজ

  • দেশে ‘দুর্দান্ত ভাইব্রান্ট মিডিয়া’ আবার হবে, এটা দেখতে চাই:...
  • কুমিল্লায় বিএনপি নেতা আটকের পর থানা ঘেরাও নেতা-কর্মীদের, বাস...
  • আন্তর্জাতিক

    আন্তর্জাতিক বিভাগ

    • আফ্রিকা

    • আমেরিকা

    • এশিয়া

    • ইউরোপ

    • মালদ্বীপে গেস্টহাউসে বিস্ফোরণ, নিহত ৫ বাংলাদেশি

    সর্বশেষ আন্তর্জাতিক খবর

    03 May 2026 পশ্চিমবঙ্গে মোদি না দিদি, উত্তেজনার ৯৬ ঘণ্টা
    03 May 2026 কারাবন্দী নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদির স্বাস্থ্যের অবনতি, পরিবারের উদ্বেগ
    03 May 2026 ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনার ঘোষণা ট্রাম্পের
    02 May 2026 অস্ট্রেলিয়া কি জরায়ু ক্যানসার নির্মূলকারী প্রথম দেশ হতে পারবে
  • জাতীয়

    জাতীয় বিভাগ

    • নির্বাচন

    • বিতর্ক

    • মতামত

    • বিতর্ক

    • অর্থনীতি

    সর্বশেষ জাতীয় খবর

    03 May 2026 দেশে ‘দুর্দান্ত ভাইব্রান্ট মিডিয়া’ আবার হবে, এটা দেখতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা
    03 May 2026 কুমিল্লায় বিএনপি নেতা আটকের পর থানা ঘেরাও নেতা-কর্মীদের, বাস টার্মিনাল বন্ধ
    03 May 2026 ছেলে জিবরানকে ড্রাম শেখাচ্ছেন জেমস, ভিডিও ভাইরাল
    03 May 2026 সরকারের মতো জনপ্রশাসনের কোনো পদও চিরস্থায়ী নয়: প্রধানমন্ত্রী
  • বানিজ্য

    বানিজ্য

    • বাজার

    • ব্যক্তিগত অর্থ

    • প্রযুক্তি

    সাম্প্রতিক বানিজ্য খবর

    02 May 2026 চীন ও ভারত থেকে এলো আরও ৫৩ হাজার টন ডিজেল
    30 April 2026 টানা তিন দিন কমল সোনার দাম, আজ ভরিতে ২,১৫৮ টাকা
    30 April 2026 ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ
    30 April 2026 বিশ্ববাজারে তেলের দাম এখন ১২০ ডলার, যুদ্ধ শুরুর পর সর্বোচ্চ
  • খেলাধুলা

    ক্রীড়া বিভাগ

    • ক্রিকেট

    • এনবিএ

    • ফুটবল

    • বক্সিং

    • টেনিস

    সর্বশেষ খেলাধুলার খবর

    03 May 2026 বাংলাদেশে সরফরাজের নতুন যাত্রা
    03 May 2026 ৩ গোলে এগিয়ে গিয়েও অবিশ্বাস্য হার মেসিদের
    02 May 2026 টি-টুয়েন্টি সিরিজ ৩ রানে হেরে ধবলধোলাই বাংলাদেশের মেয়েরা
    02 May 2026 জ্যাকবস–ঝড়ে সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
  • প্রযুক্তি

    প্রযুক্তি বিভাগ

    • কম্পিউটার

    • প্রযুক্তিগত টিপ

    • মোবাইল

    • ব্যক্তিগত প্রযুক্তি

    সর্বশেষ প্রযুক্তি খবর

    23 April 2026 ঢাকায় মোটরগাড়ি ও বাইকের প্রদর্শনী শুরু
    22 April 2026 মঙ্গলে জৈব অণুর সন্ধান পেল নাসার কিউরিওসিটি রোভার
    08 April 2026 মা হচ্ছেন কারিশমা
    নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের সৌর প্যানেল
    26 February 2026 চলতি বছর নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতের ১০টি প্রবণতার বিষয়ে হুয়াওয়ের পূর্বাভাস
  • বিনোদন

    বিরোদন বিভাগ

    • মুভি

    • সঙ্গীত

    • টিভি শো

    সর্বশেষ বিনোদন খবর

    02 May 2026 শুধু মেয়েদের বয়স নিয়ে মাতামাতি কেন! মালাইকার ক্ষোভ
    02 May 2026 বিদেশে গিয়ে কেন ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’ করতে হয়? আসছে সেই গল্প
    02 May 2026 ৩০ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তির কী হবে, কারিশমার সন্তানদের আবেদনে আদালতের রায়
    01 May 2026 রাহুলের মৃত্যুর পর অভিনয়ে ফেরা, কঠিন সময় নিয়ে বললেন প্রিয়াঙ্কা
  • সমস্ত বিভাগ ব্রাউজ করুন

    সব বিভাগ

    • জাতীয়

      • নির্বাচন
        • ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ ১২ কেন্দ্রে রুমিন ফারহানা বড় ব্যবধানে এগিয়ে
      • বিতর্ক
      • মতামত
      • বিতর্ক
      • অর্থনীতি
    • বানিজ্য

      • বাজার
      • ব্যক্তিগত অর্থ
      • প্রযুক্তি
    • আন্তর্জাতিক

      • আফ্রিকা
      • আমেরিকা
      • এশিয়া
      • ইউরোপ
      • মালদ্বীপে গেস্টহাউসে বিস্ফোরণ, নিহত ৫ বাংলাদেশি
    • প্রযুক্তি

      • কম্পিউটার
      • প্রযুক্তিগত টিপ
      • মোবাইল
      • ব্যক্তিগত প্রযুক্তি
    • খেলাধুলা

      • ক্রিকেট
      • এনবিএ
      • ফুটবল
      • বক্সিং
      • টেনিস
    • বিনোদন

      • মুভি
      • সঙ্গীত
      • টিভি শো
    • খাদ্য

      • রান্না
      • রেস্টরেন্ট
      • স্ট্রেস খবর
    • ফ্যাশন এবং শৈলী

      • পুরুষদের শৈলী
      • মহিলাদের শৈলী
      • বিবাহ
  • চাকরির খবর

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেভাবে দাবার বোর্ড সাজিয়েছে ইরান ও চীন

Details
খবর
17 March 2026

চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এপস্টিন সিন্ডিকেট বা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে দুটি সমান্তরাল পথে—একজন কূটনীতিক ও একজন সামরিক মুখপাত্রের মাধ্যমে।

এর অর্থ হচ্ছে চীন এই যুদ্ধকে চরম রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং সামরিক হুমকি—উভয় হিসেবেই দেখছে।

চীনের সামরিক মুখপাত্র পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) একজন কর্নেল। তিনি কথা বলেন রূপকাশ্রয়ী। তিনিই স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘যুদ্ধে আসক্ত’। দেশটির ইতিহাস মাত্র ২৫০ বছরের। এর মধ্যে তারা মাত্র ১৬ বছর শান্তির মধ্যে ছিল।

চীনের সামরিক মুখপাত্র স্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন; এ ছাড়া পরিষ্কারভাবেই নৈতিক হুমকি হিসেবেও।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মার্ক্সবাদ ও কনফুসীয়বাদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংযোগ স্থাপনে দৃঢ়ভাবে মনোনিবেশ করেছেন।

রাজনৈতিক চিন্তাধারায় কনফুসিয়াসের প্রধান অবদান হলো ভাষার সুনির্দিষ্ট ব্যবহার। কেবল তিনিই একটি রাষ্ট্র শাসন করতে সক্ষম, যিনি সুনির্দিষ্ট রূপক ও নৈতিক গুরুত্বের সঙ্গে কথা বলেন।

তাই চীন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিজের পছন্দমতো চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের বিরুদ্ধে সুচিন্তিতভাবে একটি সুসংগত নৈতিক ও আদর্শিক সমালোচনা গড়ে তুলছে। তারা জোর দিচ্ছে—এটি এমন একটি জাতির আক্রমণ, যারা তাদের নৈতিক দিকনির্দেশনা হারিয়ে ফেলেছে।

গ্লোবাল সাউথ (বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলো) এ বার্তা পুরোপুরি বুঝতে পেরেছে।

এর সঙ্গে রণক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র দেখাচ্ছে, চীন কীভাবে ইরানে যুদ্ধের নিয়মগুলোও বদলে দিয়েছে।

ইরানি গ্রিড (কৌশলগত নেটওয়ার্ক) এখন পুরোপুরি বাইদু স্যাটেলাইট–ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। এটিই বুঝিয়ে দেয়, ইরান এখন কীভাবে নিখুঁতভাবে আঘাত হানছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের প্রতিটি পদক্ষেপ কীভাবে একটি চীনা প্রযুক্তিচালিত ডিজিটাল দেয়ালের (কক্ষপথে ৪০টির বেশি বাইদু স্যাটেলাইট) মুখোমুখি হচ্ছে। এর ফলে নির্ভুল লক্ষ্যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হানা এবং জ্যামিং (সংকেত বিঘ্নিত করার) প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাইদু নেভিগেশন সিস্টেমের ৫৫তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মুহূর্ত
বাইদু নেভিগেশন সিস্টেমের ৫৫তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মুহূর্ত, ছবি: বাইদুর ওয়েবসাইট থেকে

চীন তাদের ২৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বের অংশ হিসেবে ইরানকে দীর্ঘপাল্লার রাডার সরবরাহ করেছে, যা স্যাটেলাইট–ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত। এর মূল নির্যাস হলো, ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় ইরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার সময় এখন অনেক কমে এসেছে।

রাশিয়া সমান্তরাল পথে সহায়তা করেছে। ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট এবং আইরিস-টির মতো পশ্চিমা ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে রাশিয়ার অর্জিত অভিজ্ঞতাগুলো ইরানকে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করার সুযোগ করে দিয়েছে। এটি কেবল ড্রোন স্যাচুরেশন (বিপুলসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার) কৌশল নয়; বরং এটি হলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে ড্রোনের ঝাঁকের সমন্বয় করার রুশ পদ্ধতি রপ্ত করা। অপারেশন ট্রু প্রমিস ফোরের সর্বশেষ পর্যায়ে ঠিক এই ধ্বংসাত্মক প্রভাবই দেখা যাচ্ছে।

মূল লক্ষ্য পেট্রো-ইউয়ান

এবার হরমুজ প্রণালির সেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চালটির দিকে নজর দেওয়া যাক। এর প্রধান পদক্ষেপ হলো ইরান এখন কেবল তেলবাহী সেই ট্যাংকারগুলো চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে, যেগুলোর পণ্যের লেনদেন পেট্রো-ইউয়ানে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ডলার নয়। কোনো ইউরো নয়। কেবল ইউয়ান।

আসলে ২০২২ সালের ডিসেম্বরেই চীন ব্রেটন উডস বা পেট্রোডলার–ব্যবস্থার অবসান ঘটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। সে সময় বেইজিং উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার (জিসিসি) অন্তর্ভুক্ত পেট্রো-রাজতন্ত্রগুলোকে সাংহাইয়ের শেয়ারবাজারে তেল ও গ্যাস লেনদেনের আমন্ত্রণ জানায়।

এখন ওপরের সবকিছুর সঙ্গে বেইজিংয়ে মাত্রই আলোচিত ও অনুমোদিত চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে যুক্ত করুন।

ইসরায়েলের তেল আবিবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইসরায়েলের তেল আবিবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ছবি: এএফপি

গভীর পদ্ধতিগত একটি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

বেইজিংয়ের পরিকল্পনাকারীরা ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্জনের জন্য কিছু কঠোর লক্ষ্যমাত্রা এবং বাধ্যতামূলক সূচক নির্ধারণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশে ধরে রাখা; ডিজিটাল অর্থনীতিকে জিডিপির ১২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা; পরিবেশবান্ধব বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ২৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া এবং ভূপৃষ্ঠের পানির গুণমান ৮৫ শতাংশে উন্নীত করা। সেই সঙ্গে উচ্চ মূল্যের পেটেন্ট বা মেধাস্বত্বের একটি বিশাল সমাহার গড়ে তোলার মতো আরও অনেক বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে এই মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর অর্থ হলো চীনারা অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা, বাস্তুসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাকে এমনভাবে বিবেচনা করছে, যেন তারা একই সুস্থ দেহের একেকটি অঙ্গ। এভাবেই নগরায়ণ উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করে; গবেষণা ও উন্নয়নে প্রচুর বিনিয়োগ আরও বেশি করে পেটেন্ট তৈরি করে; পেটেন্টগুলো ডিজিটাল অর্থনীতিকে গতিশীল করে; আর পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সমাধানগুলো কৌশলগত স্বাধীনতাকে শক্তিশালী করে।

সর্বশেষ এই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চূড়ান্তভাবে দেখিয়ে দিচ্ছে, চীন কীভাবে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে আসন্ন প্রযুক্তিগত ভবিষ্যতের নেতা হওয়ার পরিকল্পনা করছে। আর এটি কেবল ২০৩০ সাল পর্যন্তই নয়, বরং এই শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।

এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বর্তমান ব্যবস্থা পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়ায় পেট্রোডলারকে চূর্ণ করা মূল ভূমিকা পালন করছে। ইরান এখন এটি চীনের সামনে একটি থালায় সাজিয়ে উপহার দিচ্ছে। তারা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রণকৌশলগত সংকীর্ণ পথে (হরমুজ প্রণালি)—যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়—সেখানে পেট্রোডলারের পরিবর্তে পেট্রো-ইউয়ান চালু করছে।

ইরানের এ চাল সামরিক নয়; এটি আর্থিকভাবে পারমাণবিক, যা এই পুরো বিষয়কে আরও সহজ করে তুলেছে। আর তা হচ্ছে, ইরান ইতিমধ্যেই গ্লোবাল সাউথের বাকি দেশগুলোর অনুসরণের জন্য একটি মডেল বা আদর্শ তুলে ধরছে। তেহরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এখন আন্তসীমান্ত আন্তব্যাংক লেনদেনব্যবস্থার (সিআইপিএস) মাধ্যমে ইউয়ানে নিষ্পত্তি হচ্ছে।

গ্লোবাল সাউথ শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সহজ এই মডেল গ্রহণ করে নিতে পারে। তেহরান বলছে না হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ। এটি কেবল বৈরী ‘এপস্টিন সিন্ডিকেট’ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের অনুসারীদের জন্য অবরুদ্ধ, যারা পেট্রোডলারে লেনদেন করে। নৌ চলাচলের পথগুলোকে বাস্তব সময়ে (রিয়েল টাইম) ভূরাজনৈতিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেহেতু গ্লোবাল সাউথ পেট্রো-ইউয়ানের দিকে ধাবিত হচ্ছে, তাই ১৯৭৪ সাল থেকে চলে আসা আধিপত্যবাদী পেট্রোডলার–ব্যবস্থার মৃত্যু ঘটছে।

এতক্ষণে পৃথিবীর প্রত্যেক ব্যবসায়ীই জানেন, পেট্রোডলার কীভাবে কাজ করে। ১৯৭৩ সালের তেলের ধাক্কার পর, ১৯৭৪ সালে জিসিসি এবং ওপেক (তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট) একমত হয়েছিল, তেল কেবল মার্কিন ডলারে লেনদেন করা যাবে।

তেল রপ্তানিকারকদের অবশ্যই তাদের ডলারের মুনাফা আবার মার্কিন ট্রেজারি বন্ড এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে হয়। এটি রিজার্ভ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের ভূমিকাকে শক্তিশালী করে, আমেরিকার প্রযুক্তিগত বিনিয়োগে অর্থায়ন করে, তাদের ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল-মিলিটারি কমপ্লেক্স’ এবং তাদের ‘অন্তহীন যুদ্ধে’ অর্থের জোগান দেয়। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, এটি কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধেয় ঋণের অর্থায়ন করে।

ব্রিকস সদস্য হিসেবে চীন, রাশিয়া ও ইরান বর্তমানে বিকল্প লেনদেনব্যবস্থা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সম্মুখসারিতে রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পেট্রোডলারকে এড়িয়ে চলা।

এটা শুধু তেলের নিয়ন্ত্রণের বিষয় নয়—ইরানে এই এলোমেলো, পরিকল্পনাহীন ‘অভিযান’–এর (ট্রাম্পের ভাষায় ‘এক্সকারশন’) যে কথিত কারণ দেখানো হচ্ছে, তার চেয়েও অনেক বড় কিছু।

সব ব্যবহারিক উদ্দেশ্যেই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাগুলো ইতিমধ্যেই এক ‘বিরাট ব্যর্থতা’ হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে; বরং এর বিপরীতে যে পাল্টা আঘাত আসছে, তা সম্পূর্ণ নতুন এক স্তরের।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নোঙর করে আছে এলপিজিবাহী একটি ট্যাংকার
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নোঙর করে আছে এলপিজিবাহী একটি ট্যাংকার, ছবি: রয়টার্স

আইআরজিসি যেভাবে এখন সান জুর রণকৌশল নিয়েছে

হরমুজ প্রণালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হলো ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সংশোধিত সান জুর রণকৌশল। একটি সংযোগ করিডর হরমুজ প্রণালি এবং একটি মুদ্রা ইউয়ান—উভয়ই এখন সাম্রাজ্যবাদী বিনাশের মারণাস্ত্র। পারমাণবিক বোমার আর প্রয়োজনই–বা কী?

এখানে ঝুঁকির বিষয় হচ্ছে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ, যা ২০৩০ সালের অনেক পর, শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় এবং তারও পর পর্যন্ত প্রভাব ফেলবে। আমরা এখন বাস্তব সময়েই যা দেখছি, তা হলো পারস্যবাসীর একধরনের দাবা খেলা—যেখানে তারা খুব দক্ষ। তবে এর মধ্যে চীনের ‘ওয়েইচি’ (ইংরেজিতে ‘গো’) খেলার উপাদানও রয়েছে।

‘গো’ একটি প্রাণবন্ত খেলা। এই খেলায় ব্যবহৃত ছোট পাথরগুলো যখন একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়, তখন তারা বোর্ডজুড়ে একটি সুনির্দিষ্ট আকার তৈরি করে এবং দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। আমাদের ক্ষেত্রে এটি হলো ভূরাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক দাবার বোর্ড। এর পুরোটা জুড়েই রয়েছে সঠিক অবস্থান গ্রহণ, ধৈর্য, তিল তিল করে সুবিধা সঞ্চয় করা এবং সুনিপুণ কৌশল পরিচালনা।

এটাই সেই ‘গোপন রহস্য’, কেন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এখন চীনকে চূড়ান্ত চালটি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। বেইজিং বছরের পর বছর ধরে অসীম ধৈর্যের সঙ্গে এই দাবার বোর্ড সাজিয়েছে। একগুচ্ছ বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করা, ব্রিকস এবং এসসিওতে (সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন) মূল ভূমিকা পালন করা, নতুন সিল্ক রোড নির্মাণ করা, বিকল্প লেনদেনব্যবস্থায় বিনিয়োগ করা এবং তাদের কূটনীতিকে শক্তিশালী করা—এর সবই ছিল সেই বোর্ডের অংশ।

‘গো’ খেলাটি অত্যন্ত যুক্তি মেনে খেলতে হয়। আপনি যদি বোর্ডটি ঠিকভাবে সাজাতে পারেন, তবে আপনার ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই। খেলাটি তখন নিজেই নিজের গতিতে এগোতে থাকে। আমরা এখন ঠিক সেই পর্যায়েই আছি। আর এ কারণেই সেই সাম্রাজ্যবাদী হুমকিদাতারা, তার চাটুকার, সহায়তাকারী এবং অনুগত রাষ্ট্রগুলো আজ স্তম্ভিত ও পাথর হয়ে গেছে। তারা সবাই আজ নিজেদেরই ঔদ্ধত্যের চোরাবালিতে বন্দী।

লেখক: পেপে এসকোবার দ্য ক্রেডলের কলামিস্ট, এশিয়া টাইমসের এডিটর অ্যাট লার্জ এবং ইউরেশিয়া–বিষয়ক একজন স্বাধীন ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক।

তথ্যসূত্র: দ্য ক্রেডল


Previous article: ফেব্রুয়ারিতে ১৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে দুদক Prev Next article: ফিনালিসিমা বাতিল হওয়ায় সার্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে স্পেন Next
powered by social2s
  • আন্তর্জাতিক
  • জাতীয়
  • বানিজ্য
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • সমস্ত বিভাগ ব্রাউজ করুন
  • চাকরির খবর
  • About Us
  • Editorial Policy
  • Corrections & Clarifications
  • Press Room
  • Advertise
  • Login
  • Registration
  • Smart Search
  • Offline Page
  • 404 Page
  • Featured Articles
  • Single Article
  • Tagged Items
  • Typography
  • Twitter
  • Facebook
  • Facebook (2)
  • Tumblr
  • Pinterest
Sign up to our daily email
Copyright © 2026 Fi TV Bangladesh. All Rights Reserved. Designed by Dalton Chakma. Joomla! is Free Software released under the GNU General Public License.