পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করা নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তুমুল বাকযুদ্ধে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে তারা সরাসরি আলোচনার জন্য প্রস্তুত, তবে ইরান ওয়াশিংটনের শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। গত জুনে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘর্ষের আগে অন্তত পাঁচ বার পারমাণবিক আলোচনার আয়োজন করেছিল।
ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় আমেরিকান যুদ্ধবিমান বোমা হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম নিয়ে শঙ্কায় এই হামলা পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, পশ্চিমা শক্তিরা চাইছে, এটি বন্ধ করা হোক যাতে পারমাণবিক অস্ত্রের ঝুঁকি কমানো যায়, কিন্তু তেহরান এটি কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তবে, শূন্য ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নীতিতে অনড় থাকলে ওয়াশিটনের সাথে আলোচনা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্য যুক্তরাষ্ট্রের দূত মরগান অর্টাগাস স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনার জন্য প্রস্তুত, তবে শুধু তখনই যখন তেহরান সরাসরি ও অর্থবহ সংলাপে অংশগ্রহণের জন্য সন্মতি জানাবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা পরিষ্কার করেছি যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে আমাদের কিছু প্রত্যাশা রয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ইরানের মাটিতে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম হতে পারবে না, এবং এটিই আমাদের নীতি।'
অন্যদিকে, জাতিসংঘে ইরানের দূত আমির সাঈদ ইরাবানি বলেছেন, 'যুক্তরাষ্ট্র ন্যায্য আলোচনার পথে নেই। ইরান কোনো চাপে মাথা নত করবে না।'