• Colors: Green Color

৮ মার্চ শেষ হওয়া টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ নতুন এক রেকর্ড গড়েছে। না, কোনো ক্রিকেটার নন, দর্শকেরাই গড়েছেন সেই ইতিহাস! আজ এক বার্তায় আইসিসির পক্ষ থেকে তেমনটাই জানানো হয়। ইতিহাসটি হলো, শুধু ভারতেই বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দেখেছেন ৭২.৫ মিলিয়ন (৭ কোটি ২৫ লাখ) মানুষ, যা আগে কখনো হয়নি।

ক্রিকেটের প্রতি মানুষের এতটা আগ্রহ দেখে রোমাঞ্চিত আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সংযোগ গুপ্ত। তিনি বলেন, ‘এ আসরটি দেখিয়েছে, ক্রিকেটের সবচেয়ে আবেগপ্রবণ বাজারে ক্রিকেট কতটা ভালোবাসা পায়।’

[caption id="attachment_270100" align="alignnone" width="852"] ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারতএএফপি[/caption]

এ তো শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের হিসাব। সম্প্রচারমাধ্যমে নিশ্চয়ই বিশ্বকাপ নিয়ে মানুষের কৌতূহল ছিল আরও বেশি।

বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ও টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট ছিল ভারত। ৮ মার্চের ফাইনালে তারা নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে রেকর্ড তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে। সেই ম্যাচের দর্শক–চাহিদাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে।

ভারতীয় স্ট্রিমিং পার্টনার জিওহটস্টারের তথ্য অনুযায়ী গুপ্ত নিজেই রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, ‘ফাইনাল ম্যাচটিতে ৭২.৫ মিলিয়ন ডিজিটাল ইউজারের চোখ ছিল, যা বৈশ্বিক স্ট্রিমিংয়ে নতুন রেকর্ড।’

মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ভারত-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালেও মানুষের উন্মাদনা কম ছিল না। সেই ম্যাচে ভারত ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারায়। জিওহটস্টারের জানিয়েছে, ওই ম্যাচে ৬১৯ মিলিয়ন (৬১ কোটি ৯০ লাখ) ভিউ হয়েছিল এবং একই সময়ে সর্বোচ্চ ৬৫ মিলিয়ন (৬ কোটি ৫০ লাখ) দর্শক ছিল।

যদিও ফাইনালের মোট ভিউয়ের সংখ্যা এখনো প্রকাশ করেনি আইসিসি।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন নির্বাচক প্যানেল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন এই প্যানেলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার।

৫৩ বছর বয়সী হাবিবুল বাশারের নির্বাচক হিসেবে অভিজ্ঞতার ঝুলি বেশ সমৃদ্ধ। এর আগে তিনি বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী—উভয় দলেরই জাতীয় নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন।

হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের এই প্যানেলে সদস্য হিসেবে থাকছেন সাবেক পেসার হাসিবুল হোসেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে গাজী আশরাফ হোসেনের অধীনে আগের প্যানেলেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

নতুন নির্বাচক হয়েছেন নাঈম ইসলাম
নতুন নির্বাচক হয়েছেন নাঈম ইসলাম, বিসিবি
 

নির্বাচক প্যানেলের নতুন দুই মুখ নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরী। ৩৯ বছর বয়সী নাঈম ইসলামের দুই দশকের বর্ণাঢ্য খেলোয়াড়ি জীবন। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মিলিয়ে ২০ হাজারেরও বেশি রান করা নাঈমের দখলে রয়েছে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে  সর্বোচ্চ ৩৪টি সেঞ্চুরির জাতীয় রেকর্ড। আইসিসির মাসসেরা সাহিবজাদা ফারহান ও অরুন্ধতী রেড্ডি

অন্যদিকে, ৩৮ বছর বয়সী নাদিফ চৌধুরীও ২০ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে এই প্যানেলে যুক্ত হয়েছেন। জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলা এই ক্রিকেটার অবসর গ্রহণের পর বিসিবির বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করছিলেন।

নাদিফ চৌধুরী
নাদিফ চৌধুরী, শামসুল হক

বিসিবি জানিয়েছে, নবনিযুক্ত এই নির্বাচক প্যানেলের মেয়াদ থাকবে ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। মূলত বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বোর্ড।

প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা দৌড়ে আর্সেনালের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। সম্প্রতি চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকেও বাদ পড়েছে সিটিজেনরা। শেষ ভরসা ছিল ইএফএল কাপ। যেখানে দাপট দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পেপ গার্দিওয়ালার শিষ্যরা।

রোববার (২৩ মার্চ) লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ফাইনালে আর্সেনালকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে সিটিজেনরা। এই ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন নিকো ও’রাইলি।

২০২০-২১ মৌসুমে শেষবার ইএফএল কাপের শিরোপা জিতেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। দীর্ঘ ৫ বছর পর আবারও লিগ কাপের শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল পেপ গার্দিওলার দল।

এদিন শুরুর চাপ সামলে বল দখলে রেখে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করে সিটি। কিন্তু প্রতিপক্ষের পরীক্ষা নেওয়ার মতো কিছু করতে পারছিল না তারা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গিয়ে গোলের জন্য দুটি শট নিতে পারে দলটি, যদিও এর একটিও লক্ষ্যে ছিল না।

বিরতির পর খেলায় গতি বাড়ায় সিটি। আরও বেশি সময় বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে তারা; কিন্তু শট লক্ষ্যে রাখতে পারছিল না দলটি। অবশেষে ৬০তম মিনিটে লক্ষ্যে প্রথম শট রাখতে পারে সিটি এবং গোলরক্ষকের ভুলে সেটা থেকেই এগিয়ে যায় তারা।

বের্নার্দো সিলভার পাস ডি-বক্সে পেয়ে জোরাল শট নেন হায়ান শেহকি। নাগালের মধ্যে থাকলেও বল গ্লাভসে জমাতে পারেননি কেপা আরিসাবালাগা, আলগা বল গোলমুখে পেয়ে হেডে জালে পাঠান ও’রাইলি। চার মিনিটের মধ্যে ব্যবধান দ্বিগুণও করে ফেলে সিটি।

এবার ডান দিক থেকে মাথেউস নুনেসের ক্রস ছয় গজ বক্সে পেয়ে হেডেই গোলটি করেন তরুণ ইংলিশ লেফট-ব্যাক। শেষ দিকে দুইবার দুর্ভাগ্যের বাধার মুখে পড়ে আর্সেনাল।

৭৮তম মিনিটে রিকার্দো কালাফিওরির শট পোস্টে বাধা পাওয়ার ১০ মিনিট পর, গাব্রিয়েল হেসুসের হেড ক্রসবারে প্রতিহত হয়। এতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানসিটি।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়।

সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।’ মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।

তিনি বলেন, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।

 

বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখ মানেই যেন গোল–উৎসব! কয়েক বছর ধরে প্রতি মৌসুমেই তারা প্রতিপক্ষকে গোলের বন্যায় ভাসাচ্ছে। আগের তিন মৌসুমেই লিগে ৯০–এর বেশি গোল করেছে দলটি। এবার ২৭ ম্যাচ খেলেই নতুন রেকর্ড গড়ার পথে বাভারিয়ানরা।

১৯৭১–৭২ মৌসুমে লিগে ১০১ গোল করেছিল বায়ার্ন, যা এখনো এক মৌসুমে লিগে কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ৫৪ বছর পর নিজেদের সেই রেকর্ডই এবার ভাঙার পথে দলটি। লিগে এখনো সাত ম্যাচ বাকি বায়ার্নের। এরই মধ্যে বায়ার্ন গোল করেছে ৯৭টি। বাকি সাত ম্যাচে অন্তত পাঁচ গোল করলেই ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করা সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ভেঙে যাবে।

বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে
বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে, এএফপি
 

হয়তো এত দিন অপেক্ষাও করতে হবে না বায়ার্ন সমর্থকদের। তার আগেই মাইলফলকটা ছুঁয়ে ফেলবে জার্মান ক্লাবটি। আগামী শনিবার লিগে নিজেদের ২৮তম ম্যাচে ফ্রাইবুর্গের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। হয়তো সেই ম্যাচেই বায়ার্নের গোলের সংখ্যা ১০১ পেরিয়ে যাবে। গত বছরের নভেম্বরে ফ্রাইবার্গের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচেই ৬ গোল দিয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা।

শুধু এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল করাই নয়, আরও দুই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ বায়ার্নের সামনে। ঘরের মাঠে এবং প্রতিপক্ষের মাঠে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডও নতুন করে লিখতে পারে বায়ার্ন। এ মৌসুমে ২৭ ম্যাচ খেলা বায়ার্ন ঘরের মাঠেই গোল করেছে ৫৬টি, প্রতিপক্ষের মাঠে ৪১টি। এখন পর্যন্ত ঘরের মাঠে এক মৌসুমে বায়ার্নের সর্বোচ্চ গোল ৬৯; ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করেছিল তারা। অ্যাওয়তে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল ৪৭, যা ২০১৯–২০ মৌসুমে করেছিল বায়ার্ন।

চলতি মৌসুমে বায়ার্নের এই ৯০ পেরোনো গোলে সবচেয়ে বেশি অবদান হ্যারি কেইনের। লিগে ২৬ ম্যাচ খেলে ৩১ গোল করেছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব