একনজরে ইউস্টাকিওর পারফরম্যান্স
৬৭ বার বল টাচ: পুরো ম্যাচজুড়ে মাঝমাঠের সুতোটা ছিল তাঁর পায়েই।
৪৩/৪৮ সফল পাস: প্রায় ৯০% নিখুঁত পাসিং! বল ডিস্ট্রিবিউশনে ছিলেন দুর্দান্ত।
৬ বার বলের দখল পুনরুদ্ধার: প্রতিপক্ষের পা থেকে ৬ বার বল কেড়ে নিয়ে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।
৫/৭ নিখুঁত ক্রস: উইং বা ফ্ল্যাংক থেকে ডি-বক্সে বল ফেলার ক্ষেত্রে ছিলেন সবচেয়ে কার্যকর।
৫টি সুযোগ তৈরি: দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্স ভেঙে সতীর্থদের জন্য ৫ বার আক্রমণের রাস্তা বানিয়ে দিয়েছেন।
৫টি ডুয়েল জয়: মাঝমাঠে বলের দখল নেওয়ার ওয়ান-টু-ওয়ান লড়াইয়ে ৫ বার জিতেছেন।
ফাইনাল থার্ডে ৪টি পাস : প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের একদম শুরুর সীমানায় ৪টি আক্রমণাত্মক পাস বাড়িয়েছেন।
৩টি ট্যাকল: নিচে নেমে এসে প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দিতে ৩টি দুর্দান্ত ট্যাকল করেছেন।
২টি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি: সতীর্থদের জন্য একেবারে 'গোল করার মতো' ২টি বল বাড়িয়েছিলেন।
গোল: গোলমুখে দুই শট নেন, যার একটি লক্ষ্যভেদ।
রেকর্ডের পাতায় ইউস্টাকিও
২০১৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জাপানের বিপক্ষে নাসের শাদলি যোগ করা মিনিটে গোল করে বেলজিয়ামকে জিতিয়েছিলেন। তাঁর পর স্টিভেন ইউস্টাকিও হলেন দ্বিতীয় ফুটবলার, যে কিনা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যোগ করা মিনিটে জয়সূচক গোল করেছেন।