কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমানসহ চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় নিহতের স্বামী মো. ইমতিয়াজ সুলতান এ মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা জানান, মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ১০টার পর কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আসমা সাদিয়া রুনার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বাদ যোহর কুষ্টিয়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

নিহত রুনা শহরের কলেজ মোড়ে বসবাস করতেন। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ মোট চার সন্তানের জননী।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে নিজ কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করে কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে তিনি নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

জানা গেছে, ফজলুর রহমানকে সম্প্রতি সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে বদলি করেছিলেন নিহত শিক্ষিকা। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব