• Colors: Blue Color

পাকিস্তানের দুই প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর ১২ সদস্য নিহত হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে প্রাণ গেছে চার সেনা সদস্যেরও। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)। খবর দেশটির সংবাদমাধ্যম ডনের।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সীমান্তবর্তী উত্তর ওয়াজিরিস্তান জেলায় টহল দিচ্ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। সহসা তাদের ওপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। পাল্টা গুলিবর্ষণে নিহত হয় ছয় বিচ্ছিন্নতাবাদী। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সেনাবাহিনীর চার সদস্য। এছাড়াও, চিত্রাল জেলায় সেনা অভিযানে প্রাণ গেছে আরও এক সন্ত্রাসীর।

এর আগে, বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ফিতনাহ আল হিন্দুস্তান সংগঠনের পাঁচ সদস্যের।

আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর শক্ত আস্তানা। সাম্প্রতিক সময়ে এসব এলাকায় অভিযানের মাত্রা বাড়িয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগুন নিয়ে খেলছেন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার (২৭ মে) ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলার জেরে সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে এই মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়।

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি প্রেসিডেন্ট না হলে রাশিয়ার সাথে আরও খারাপ কিছু ঘটতো, যা পুতিন বুঝতে পারছে না।

অপরদিকে, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং সিএনএন জানিয়েছে, ট্রাম্প চলতি সপ্তাহের শুরুতেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার কথা বিবেচনা করছেন। একই সাথে জোর দিয়ে বলেন, তিনি এখনও তার মন পরিবর্তন করতে পারেন যদি পুতিন আলোচনায় বসেন।

এর আগে, গত রোববার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তিনি মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করছেন। তবে পুতিন চাইলে অন্য সকল বিকল্প খোলা আছে বলেও জানান তিনি। এ সময়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য জো বাইডেনকে দায়ী করে বলেন, তিনি একটি আলোচনার মাধ্যমে শান্তি চুক্তি দেখতে চান।

এর দু’দিন আগেও ইউক্রেনে রাশিয়ার সিরিজ বোমা হামলার নিন্দা জানান ট্রাম্প। বলেন, রুশ প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ডে ব্যাপক নারাজ তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় এখন থেকে পতাকা উত্তোলন করতে পারবে ফিলিস্তিন। ভোটে জয়লাভের পর প্রথমবারের মতো সংস্থাটিতে পতাকা তোলার অধিকার পেলো তারা।

সোমবার (২৬ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয় এমন তথ্য।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বার্ষিক সম্মেলনে ফিলিস্তিনকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে দেয়ার বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপন করে চীন, পাকিস্তান, সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র। অনুষ্ঠিত হয় প্রতীকী ভোটাভুটি। এতে ফিলিস্তিনের অধিকারের পক্ষে সমর্থন দেয় ৯৫টি দেশ।

অপরদিকে, বিরোধিতা করে জার্মানি, হাঙ্গেরি, চেক রিপাবলিকের মতো দেশগুলো। ভোটদানে বিরত ছিল ২৭টি দেশ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়ায় গৃহীত হয় প্রস্তাবটি।

এর ফলে ধারণা করা হচ্ছে, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাসহ রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি মেলার পথ আরও সুগম করবে এই ঘটনা।

ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কার্যক্রমকে সমর্থন দিলো পাকিস্তান। সোমবার (২৬ মে) তেহরানে এক রাষ্ট্রীয় সফরে এই ঘোষণা দেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। খবরটি নিশ্চিত করেছে ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা আইআরএনএ।

শাহবাজ শরিফ বলেন, বেসামরিক আর শান্তিপূর্ণ খাতের জন্য তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সমর্থন করে ইসলামাবাদ। সেইসাথে, এটি ইরানের অধিকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে, ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সাথে বৈঠক করেন তিনি। এ সময়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই নেতা।

ইরানের প্রেসিডেন্টের সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক হয়েছে উল্লেখ করে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলোচনায় দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতার বিভিন্ন দিক উঠে এসেছে। উভয় পক্ষই রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে সম্মত হয়েছে। সেইসাথে, পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তিসমূহ বাস্তবায়নের বিষয়ে দু’দেশই আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী চারদেশীয় সফরের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ইরান ভ্রমণ করেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। এরপর আজারবাইজান এবং তাজিকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত আসিয়ান-জিসিসি দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন। মঙ্গলবার (২৭ মে) শুরু হওয়া এই সম্মেলনে গালফ অঞ্চলের ৬ দেশের সাথে চলছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০ সদস্য রাষ্ট্রের বৈঠক।

সম্মেলনটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন বিশ্ব রাজনীতির নতুন মেরূকরণ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজা সংকট এবং লোহিত সাগরে নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপটে উভয় জোটই পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়াতে চাইছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্মেলনে বাণিজ্যিক জোট গঠনের সম্ভাবনা গুরুত্ব পেতে পারে। এছাড়াও আলোচিত হচ্ছে বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা ইস্যু। সেইসাথে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসতে পারে ‘চীন-পারস্য উপসাগর-দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া করিডর’ নিয়ে।

এর আগে, সকালে দিন শুরু হয় ১৬তম ইস্ট আসিয়ান গ্রোথ এরিয়া সামিট দিয়ে। ব্রুনেই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইন নিয়ে গঠিত এই উপ-আঞ্চলিক জোটটি গত তিন দশক ধরেই সহযোগিতার নানা খাতে কাজ করছে। এবার বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে কাস্টমস, ইমিগ্রেশন এবং কোয়ারেন্টাইন সহযোগিতা কাঠামো। যা সদস্য দেশগুলোর পণ্য ও মানুষ চলাচল আরও সহজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ওলেহ ইভাশচেঙ্কো বলেছেন, চীন রাশিয়ার সামরিক কারখানাগুলোতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য সরবরাহ করছে। তবে বেইজিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। মঙ্গলবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

ওলেহ ইভাশচেঙ্কো বলেন, ‘প্রমাণিত তথ্য রয়েছে যে চীন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য বিশেষভাবে যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক দ্রব্য, বারুদ ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে। আমরা ২০টি রাশিয়ান কারখানার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ সালে রাশিয়া ও চীনের মধ্যে এভিয়েশন খাতে পাঁচটি যৌথ প্রকল্পের আওতায় যন্ত্রাংশ, সরঞ্জাম ও কারিগরি তথ্যের আদান-প্রদান হয়েছে। এছাড়া ছয়বার রাশিয়ায় বড় পরিমাণে রাসায়নিক পদার্থ পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি, যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন রাশিয়ার সাথে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে। যদিও চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রাশিয়া-ইউক্রেন’ যুদ্ধে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দাবি করছে, তবে ইউক্রেনের গোয়েন্দা রিপোর্টে চীনের সরবরাহকৃত সামরিক-সহায়ক পণ্যের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব